Bangladesh Awami League
95.9K subscribers
11K photos
2.82K videos
25 files
12K links
Official Telegram Channel of Bangladesh Awami League.
Stay Connceted on Web 👉 www.albd.org
Follow us on -
🔴 Insta 👉 https://instagram.com/albd1949
🟣 Tw 👉 https://twitter.com/albd1971
🔵 FB 👉https://www.facebook.com/awamileague.1949
Download Telegram
41😁18👍3🤯1
বিএনপির প্ল্যান: হোমিও ওষুধের মতো ফোঁটায় ফোঁটায় মিলছে বিদ্যুৎ

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ হলেও জ্বালানি ও কারিগরি সংকটে দেশজুড়ে লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারি তথ্যমতে, বর্তমানে লোডশেডিং ২,০০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। তবে এই দুর্ভোগের চিত্র সব জায়গায় সমান নয়। রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে লোডশেডিং ১-২ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, গ্রামাঞ্চলে তা ৮ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অদক্ষতায় এ সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।

এ নিয়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ঝাড়ছে। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, হোমিও ওষুধের মতো ফোঁটায় ফোঁটায় মিলছে বিদ্যুৎ।

বিদ্যুৎ খাতের এই নাজুক পরিস্থিতির জন্য অনেকেই তারেক রহমানের অদক্ষতা ও পুরোনো 'খাম্বা সংস্কৃতি'কে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, "রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে বিএনপি, অথচ বাসায় বিদ্যুৎ নাই, পাম্পে তেল নাই, বাজারে সিন্ডিকেট।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলেও বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘খাম্বা’। তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের ‘ওয়ান গ্রুপ’ টেন্ডার ছাড়াই শত শত কোটি টাকার খুঁটি সরবরাহের কাজ পেয়েছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়ে মাইলের পর মাইল শুধু শূন্য খাম্বা পুঁতে রেখে জনগণের টাকা লুটপাটের সেই স্মৃতি আজও সাধারণ মানুষের মনে অমলিন। ২০০৬ সালে কানসাটে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে গুলি ও নিহতের ঘটনা এবং এই খাম্বা কেলেঙ্কারিই ছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির অন্যতম কারণ। বর্তমান সংকটে মন্ত্রীদের "লোডশেডিং সহ্য করা ভালো" সুলভ মন্তব্য শুনে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে—দেশ কি তবে আবারও সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন ‘খাম্বা যুগে’ ফিরে যাচ্ছে?

শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চলের চিত্র অত্যন্ত করুণ। রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও নাটোরে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বোরো চাষে সেচ ব্যাহত হচ্ছে। সিলেট ও বরিশালের অনেক এলাকায় দিনরাতের অর্ধেক সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। ময়মনসিংহে বিদ্যুৎ সংকটে মাছের রেণু ও পোনা উৎপাদন মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প যেমন—ওয়েল্ডিং শপ, অটো ব্রিকস এবং ফিড মিলগুলোর উৎপাদন ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। জেনারেটর চালানোর জ্বালানি সংকটে বিকল্প ব্যবস্থাও অকেজো। এমনকি চার্জের অভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের আয় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ দ্রুত ত্রুটি সারিয়ে স্বস্তির আশ্বাস দিলেও, কয়লা ও গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পল্লী অঞ্চলের মানুষের এই 'ভয়াবহ অন্ধকার' থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

#Bangladesh #BangladeshCrisis #BNP
👍16😁5
👍26😁64
#Live #SheikhHasina

‘দায়মুক্তি’ শীর্ষক
লাইভ প্রোগ্রামের বিশেষ পর্ব
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার
রাত ৯:৩০টা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

জুলাই-আগস্ট থেকে শুরু করে এ যাবত অপশক্তির হাতে শহীদ হওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পরিবারের সদস্যদের দুঃখ দুর্দশা ও নির্যাতনের কথা শুনবেন এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

#AwamiLeague #SheikhHasinaLive #ALBDLive
24😁7👍2
কারাগারে মৃত্যু মিছিল: জামালপুরে পরিকল্পিতভাবে আরেক আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা
---

কারাগার—যেখানে কয়েদিদের থাকার কথা নিরাপত্তায়, সেখানেই যেন জমে উঠছে মৃত্যুর মিছিল। বিচার শেষ হওয়ার আগেই একের পর এক নিভে যাচ্ছে প্রাণ। আর সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলো নতুন একটি নাম। জামালপুর জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা গেলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জিয়াউল হক জিয়া।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। তবুও কারাগারে পাননি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। ১৪ এপ্রিল দুপুরে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নেওয়া হয় জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু সেখানেও মেলে না প্রয়োজনীয় সেবা। সময় কেটে যায়, অবস্থার অবনতি হয় আরও। শেষ মুহূর্তে পাঠানো হয় ময়মনসিংহ মেডিকেলে। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ।

এটা কি সত্যিই স্বাভাবিক মৃত্যু? নাকি অবহেলা, দেরি আর চিকিৎসাবঞ্চনার এক নির্মম পরিণতি? একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু কি কেবলই কাকতালীয়? নাকি কারাগারের ভেতরেই নিঃশব্দে লেখা হচ্ছে তাদের শেষ অধ্যায়? কারাগারগুলো কি তবে বিচার শুরুর আগেই মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা এক অদৃশ্য বধ্যভূমি হয়ে উঠছে?

#Bangladesh #BangladeshCrisis
9😁8
😢32😁102
বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৫৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা

বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৫৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আন্তরিক শুভেচ্ছাও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন,“জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল কৃষকদের সংগঠিত করা,তাদের অধিকার আদায় এবং দেশের কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন।প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ কৃষক লীগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে আসছে।”
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন "বর্তমানে কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল,সার,সেচ বিদ্যুৎ ও বীজ পাচ্ছে না।এবং কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।চাঁদাবাজ এবং দেশদ্রোহী সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি আজ বাংলাদেশ।কৃষক দেশের চালিকাশক্তি,সেই কৃষক আজ প্রতিনিয়ত সর্বক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন,সেই সাথে বিভিন্ন সময় মব ও হত্যার স্বীকার হচ্ছেন এবং কারণে-অকারণে কৃষকদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “কৃষকরা দেশের খাদ্য উৎপাদনে প্রধান চালিকাশক্তি।তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্বার্থ সংরক্ষণ জরুরি।কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের মধ্য দিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা,অর্থনৈতিক অগ্রগতি,সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।”

বিবৃতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, “বাংলার মাটিতে কৃষকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস বহু পুরাতন। উপনিবেশবাদ ও শোষণবাদের বিরুদ্ধে কৃষকেরা যুগে যুগে বিদ্রোহ করেছে।অনেক নির্যাতন সহ্য করেও তারা পিছিয়ে যায়নি।তাদের মনোবল সবসময় আকাশচুম্বী ছিলো।বাংলার কৃষকেরাই শত প্রতিকূলতায়ও এই দেশের জমিনকে সোনালী ফসলের জন্য প্রস্তুত করেছে।”

তিনি বলেন,“নগর সভ্যতা যতই বিকশিত হোক না কেন, কৃষকদের অবদান ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। কৃষকদের কল্যাণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠাকে রাজনীতির মূল দর্শন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে কৃষকের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।”

বিবৃতির শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক
14😁5
28😁4
Fact Detector Bangladesh

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত দুই সরকার সময়মতো হামের টিকা দেয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ডাটা ভিন্ন বাস্তবতা দেখায়। WHO–UNICEF এর WUENIC ডাটাবেস অনুযায়ী বাংলাদেশে হাম (MR) টিকার কভারেজ ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে প্রায় ৯৭% এবং ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে প্রায় ৯৬% ছিল। একই সময়ে দ্বিতীয় ডোজের কভারেজ ছিল প্রায় ৯৩%। অর্থাৎ ২০১৮–২০২৪ সময়কালে দেশের অধিকাংশ শিশু নিয়মিতভাবে হাম টিকা পেয়েছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। অর্থাৎ সেই সময় পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচির কভারেজ ছিল ধারাবাহিকভাবে উচ্চ। তাই আন্তর্জাতিক ডাটার সাথে তারেক রহমানের বক্তব্যের কোনো মিল পাওয়া যায় না। অর্থাৎ তিনি মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছেন!
14😁4🔥1
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জ্বালানি তেলের দাম!
ওইদিকে বিপিসির - ইউনূসের আমলে ৯ হাজার কোটি আর তারেকের ২ মাসেই ১০ হাজার কোটি টাকা গায়েব..
পাম্পের দীর্ঘ লাইন চলমান..

https://www.facebook.com/share/p/1bqHUJpb9x/?mibextid=wwXIfr
👍9😢54😁2