আলোকিত আসর 📚
33 subscribers
27 photos
2 videos
4 links
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।🌹
জ্ঞান অর্জন করা প্রতিটি মানুষের জন্য ফরজ। তাই
উপকারী জ্ঞান অর্জন হোক।
🤲
Download Telegram
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ❤️❤️
1
পূজায় শুভেচ্ছা নাকি সমর্থন? ক্বাওয়ায়েদুল ফিক্বহিয়্যাহর আলোকে একটি ছোট অভিমত

الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، وعلى آله وصحبه ومن والاه، وبعد:

সমসাময়িক বাংলাদেশে অমুসলিমদের পূজা উপলক্ষে “শুভেচ্ছা” জানানো নিয়ে দ্বিমত বিদ্যমান। কিছু অতি রক্ষণশীল স্কলারগণ বলেন: এটি হারাম, কারণ এতে কুফর ও শিরক এর সমর্থন জড়িত।
পক্ষান্তরে সহনশীল স্কলারগণ বলেন: এটি জায়েজ, কারণ এটি (محض عُرْف اجتماعي) অর্থাৎ শুধু সামাজিক সৌজন্যতা, ধর্মীয় সমর্থন নয়। এখন আমরা বিষয়টিকে القواعد الفقهية–এর আলোকে পর্যালোচনা করব, যাতে মাযহাবী তর্ক-বিতর্ক এড়িয়ে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা যায়।

القاعدة الأولى: الأُمُورُ بِمَقَاصِدِهَا. (الأشباه والنظائر للسيوطي، ص: ٨)
অর্থাৎ “কাজের হুকুম নিয়তের ওপর নির্ভরশীল", বা “কোনো আমলের হুকুম তার নিয়তের ওপর নির্ভর করে।”

সুতরাং নিয়ত যদি হয় دين الكفار কে সমর্থন করা, তাহলে শুভেচ্ছা জানানো হারাম। আর নিয়ত যদি হয় শুধু একটি সামাজিক শুভেচ্ছা (مجرد التهنئة الاجتماعية), তাহলে তা জায়েজ।

القاعدة الثانية: العِبْرَةُ فِي العُقُودِ لِلْمَقَاصِدِ وَالمَعَانِي، لا لِلأَلْفَاظِ وَالمَبَانِي. (الأشباه والنظائر لابن نجيم، ص: ١٠٥)
অর্থাৎ “মূল বিবেচনা হয় উদ্দেশ্য ও মর্মে, শুধু শব্দে নয়”, বা “চুক্তি বা আচরণের ক্ষেত্রে আসল বিবেচনা হয় এর উদ্দেশ্য ও মর্মে, কেবল শব্দে নয়।”

সুতরাং “শুভেচ্ছা” শব্দটি নিজে কুফর নয়; বরং এখানে “উদ্দেশ্য” গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, উদ্দেশ্য যদি তাওহীদের বিরুদ্ধে যায়, তাহলে তা হারাম। আর যদি উদ্দেশ্য হয় সামাজিক সৌজন্যতা ও সহাবস্থান, তবে তা জায়েজ।

القاعدة الثالثة: الاختِلَافُ لا يُرْفَعُ بِالاختِلَافِ. (إيضاح القواعد الفقهية للزرقا، ص: ٢٣٥)
অর্থাৎ “ইখতিলাফ থাকলে, শুধু মতভেদ দিয়ে অন্যের মতকে বাতিল করা যায় না”, বা “ইখতিলাফ থাকলে, জোর করে এক পক্ষকে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।”

সুতরাং এ ধরনের বিতর্কিত বিষয়ে মধ্যমপন্থা হবে: যারা এটাকে হারাম মনে করেন, তারা এড়িয়ে চলবেন। আর যারা জায়েজ মনে করেন, তারা অন্যকে জোর করবেন না।

القاعدة الرابعة: لَا إِنْكَارَ فِي مَسَائِلِ الاختِلَافِ. (الأشباه والنظائر للسيوطي، ص: ١٧١)
অর্থাৎ “ইজতিহাদী ইখতিলাফে কঠোর ইনকার জায়েজ নেই”, বা “ইজতিহাদী ইখতিলাফের বিষয়ে কঠোর ইনকার (বিতর্ক/ঝগড়া) করা জায়েজ নেই।”

সুতরাং এটি এমন কোনো বিষয় নয়, যেখানে একজন অন্যজনকে কাফির, বিদআতী বা মুবতাদি বানাবে। বরং প্রত্যেকে তার আলেমদের ফতোয়া মেনে চলবে, এবং ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখবে।

📌 Note:
🔹 ইখতিলাফ (اختلاف) ও খিলাফ (خلاف) এর মাঝে মৌলিক পার্থক্য হলো, ইখতিলাফ (اختلاف) যারা করেন, তাদের উভয়ের পক্ষে অথেনটিক কুরআন ও হাদীসের দলীল থাকে। যেমন: আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আলিমরা তাদের কিতাবে বলে থাকেনঃ (اختلف العلماء، اختلف الفقهاء، اختلف المفسرون)।
🔹অন্যদিকে যারা খিলাফ (خلاف) করেন, তাদের এক পক্ষে অথেনটিক কুরআন ও হাদীসের দলীল থাকে। কিন্তু অপর পক্ষে অথেনটিক কুরআন হাদীসের দলীল থাকে না। তাই, আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আলিমরা যখন তাদের কিতাবে শিয়া বা মুতাজিলাদের রদ্দ করে থাকেন, তখন তারা বলেনঃ (خلافا للبوذية، خلافا للشيعة، خلافا للمعتزلة)।

উল্লেখিত ক্বাওয়ায়েদুল ফিক্বহিয়্যাহর সারসংক্ষেপ হলোঃ- যদি পূজায় “শুভেচ্ছা” জানানোর নিয়ত হয় ধর্মীয় সমর্থন, তাহলে তা হারাম। আর যদি “শুভেচ্ছা” জানানোর নিয়ত হয় সামাজিক সহাবস্থান, সৌজন্যতা বা শান্তি, তাহলে তা জায়েজ।

আমার অভিমতঃ- পূজায় শুভেচ্ছা নাকি ধর্মীয় সমর্থন? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে আমি দুই ভিন্ন প্রবণতার আলেমদের বক্তব্য পর্যালোচনা করেছি। একদিকে রয়েছেন অতি রক্ষণশীল স্কলারগণ, অন্যদিকে সহনশীল স্কলারগণ।

যখন কেউ অতি রক্ষণশীল আলেমদের ফতোয়া পাঠ করেন, তখন দৃঢ়ভাবে অনুভূত হয় যে, পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো প্রকৃতপক্ষে হারাম। তাদের যুক্তি মূলত এই আশঙ্কার উপর দাঁড়ানো যে, এর মাধ্যমে অনিচ্ছাকৃতভাবে হলেও কুফর বা শিরকের প্রতি সমর্থন প্রকাশ পেতে পারে। অপরদিকে, সহনশীল আলেমদের বক্তব্য অধ্যয়ন করলে মনে হয়, পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো জায়েজ, যদি এর মাধ্যমে ধর্মীয় সমর্থন নয় বরং কেবল সামাজিক সৌজন্যতা, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বোঝানো হয়।

📍এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোঃ—উভয় দলেরই অথেনটিক দলীল ও যৌক্তিক ব্যাখ্যা বিদ্যমান। তারা ভিন্ন সিদ্ধান্তে পৌঁছালেও, মূল উদ্দেশ্য উভয়েরই একই: একদল তাওহীদের সুরক্ষা ও ইমানকে শিরক থেকে দূরে রাখাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আরেকদল সামাজিক সম্প্রীতি, প্রতিবেশী অধিকার ও মানবিক সহাবস্থানকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
অতএব, স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, উভয় দলই তাদের অবস্থান নিয়েছেন শ্রেষ্ঠ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। একদল হারাম বলেছেন সুরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে, অন্যদল জায়েজ বলেছেন সহাবস্থানের দৃষ্টিকোণ থেকে।
আর যেহেতু এটি একটি مسألة اختلافية, অর্থাৎ এখানে ভিন্নমতের অবকাশ রয়েছে, তবে এটি مسألة خلافية নয়। (Please, hit the note again)
তাই, স্বাভাবিকভাবেই উভয় পক্ষের জন্য আবশ্যক যে, এক পক্ষ অন্য পক্ষকে নিন্দা না করা এবং নিজেদের অবস্থান অপরের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করা । অতএব, নিরাপদ ও সংযত পন্থা হলো—প্রত্যেকেই তার বিশ্বাসযোগ্য আলেম ও মাযহাবের ব্যাখ্যা অনুসারে যা সঠিক মনে করবে, তাই অনুসরণ করবে; তবে এর কারণে দ্বন্দ্ব, বিভাজন বা পারস্পরিক বিদ্বেষ সৃষ্টি করা কখনোই সমীচীন নয়।

এই প্রেক্ষাপটে কারো পক্ষ নেওয়া বা অপর পক্ষকে অস্বীকার করা থেকে বিরত থাকাই উত্তম। বরং, এখানে গ্রহণযোগ্য নীতি হলো—مبدأ التعايش (সহাবস্থান) বজায় রাখা এবং ترك النزاع (বিতর্ক পরিহার) করা। এভাবে উভয় মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে উম্মাহর ঐক্য, সম্প্রীতি ও সামাজিক শান্তি রক্ষা করা সম্ভব। সুতরাং কুরআন ও হাদিসের আলোকে আমাদের কর্তব্য হলো অযথা বিতর্ক এড়িয়ে চলা এবং সৌহার্দ্য রক্ষা করা।

أخيرًا: إِنْ وَقَعَ فِي كلامي خَطَأٌ أَوْ زَلَلٌ، فَهُوَ مِنْ قُصُورِي وَجَهْلِي، وَأَسْتَغْفِرُ اللهَ عَلَى ذَلِكَ.
অর্থাৎ “যদি আমার কথায় কোনো ভুল বা ত্রুটি থেকে থাকে, তবে তা আমার অক্ষমতা ও অজ্ঞতার কারণে; আর এর জন্য আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি।”

Mohammad Arafat Hasan
Ph.D. Researcher, Tafseer & Quranic Sciences
Al-Azhar University, Cairo, Egypt.
আওয়াজ তুলুন।
প্রতিরোধ গড়ে তোলার সময় এখনি, ভিনদেশী কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না ইনশাআল্লাহ।
যারাই ইসকনের পক্ষে দাঁড়াবে তাদের সবাইকে জাতীয় শত্রু গণ্য করা হবে, এবং তাদের প্রতিহত ও প্রত্যাখ্যাত করা হবে, ইং শা আল্লাহ।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হে আল্লাহ!
নতুন বছর টাকে আমাদের জন্য কল্যাণকর করে দাও!!!🤲🌸🩷
রমাদান কারিম..
দুরুদ শরীফের সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো,
আপনি রাসুল ﷺ এর জন্য রহমতের দুয়া করবেন। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা আপনাকে দিবেন রহমত।

সেইসাথে বোনাস হিসেবে পাবেন ক্ষমা, মর্যাদা বৃদ্ধি
ও দুশ্চিন্তা মুক্তির নিশ্চিত গ্যারান্টি।

জুমার রাত ও দিনে মন উজাড় করে পড়তে থাকুন-
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
আবূ হুরাইরাহ্ (রা.) হতে বর্ণিত।
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

"যে দিন আল্লাহর (রহমতের) ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না,
সেদিন সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নিজের (আরশের) ছায়ায় আশ্রয় দিবেন।

১. ন্যায়পরায়ণ শাসক,
২. সে যুবক যার জীবন গড়ে উঠেছে তার প্রতিপালকের ইবাদতের মধ্যে,
৩. সে ব্যক্তি যার অন্তর মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে,

৪. সে দু’ ব্যক্তি যারা পরস্পরকে ভালবাসে আল্লাহর ওয়াস্তে, একত্র হয় আল্লাহর জন্য এবং পৃথকও হয় আল্লাহর জন্য,
৫. সে ব্যক্তি যাকে কোনো উচ্চ বংশীয় রূপসী নারী আহবান জানায়, কিন্তু সে এ বলে প্রত্যাখ্যান করে যে, ‘আমি আল্লাহ্কে ভয় করি’,

৬. সে ব্যক্তি যে এমন গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত যা খরচ করে বাম হাত তা জানে না,
৭. সে ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহর যিকর করে, ফলে তার দু’ চোখ দিয়ে অশ্রুধারা বইতে থাকে।"

📖বুখারী ১৪২৩, ৬৪৭৯; মুসলিম ১২/৩০, হাঃ ১০৩১, আহমদ ৯৬৭১
আজ মাগরিবের পর থেকেই শুরু হচ্ছে যিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের তাকবীরে মুতলাক।

আর প্রত্যেক তাকবীর- তাহলীল পাঠকারীর জন্য এক নববী সুসংবাদ👇
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
> “যে ব্যক্তি তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) পাঠ করে, তাকে সুসংবাদ দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি তাকবীর পাঠ করে, তাকেও সুসংবাদ দেওয়া হয়।” জিজ্ঞেস করা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল ﷺ! জান্নাতের সুসংবাদ?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।”

তিনি ﷺ আরও বলেছেন:
> “আল্লাহর নিকট এই দশ দিনের চেয়ে অধিক মহান ও অধিক প্রিয় আর কোনো দিন নেই, যাতে নেক আমল করা হয়। সুতরাং তোমরা এ দিনগুলোতে বেশি বেশি তাহলীল, তাকবীর ও তাহমীদ পাঠ করো।”

الله أكبر، الله أكبر، الله أكبر، لا إله إلا الله
الله أكبر، الله أكبر، الله أكبر، ولله الحمد

আল্লাহ تعالى বলেন:
> “আর যে আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে সম্মান করে, নিশ্চয় তা অন্তরের তাকওয়া থেকেই হয়ে থাকে।”

সূরা আল-হাজ্জ: ৩২
একজন মা পরিত্যক্ত ঘরে নিঃসঙ্গ মৃত্যুবরণ করেছেন, অথচ তাঁর সন্তানরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত।

একজন সন্তান ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বড় কর্মকর্তা হতে পারে কিন্তু যদি তার অন্তরে তাকওয়া, মানবতা ও সততা না থাকে, তবে সেই শিক্ষা সমাজের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।

এই ঘটনাই প্রমাণ করে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা মানুষ গড়তে পারে না। ইসলামিক জ্ঞান, নৈতিকতা ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষা না থাকলে ডিগ্রি মানুষকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, কিন্তু প্রকৃত মানুষ বানাতে পারে না।

তাই সন্তানদের আগে দ্বীনের শিক্ষা দিন, কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষা দিন, ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিন। কারণ সমাজের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন শিক্ষিত মানুষ নয়, সৎ ও নীতিবান মানুষ। 🤍
“জীবন নিয়ে দুঃচিন্তা করবেন না, কারণ আমাদের পুরো জীবনটাই আল্লাহর জন্য।

রিযিক নিয়ে পেরেশান হবেন না, রিযিকের বন্টন আল্লাহর পক্ষ থেকেই নির্ধারিত।

ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হবেন না, ভবিষ্যৎ ফায়সালাও আল্লাহর জিম্মায়।”

—ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ্
🛑 কুরআনে ১৪ শ্রেণির ধ্বংসপ্রাপ্ত মানুষ কারা?


কোন ১৪ শ্রেণির মানুষের জন্য আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা দুর্ভোগের কথা বলেছেন—

১. সামনে ও পেছনে নিন্দাকারী।
২. সম্পদ জমাকারী ও বারবার গণনাকারী।
৩. চরম মিথ্যাবাদী ও পাপাচারী।
৪. সালাতে উদাসীন ও অমনোযোগী।
৫. লোক দেখানো আমলকারী ও ক্ষুদ্র গৃহসামগ্রী দানে অনীহাপ্রকাশকারী।
৬. পরিমাপে ও ওজনে কম দানকারী।
৭. প্রতিদান দিবসকে অস্বীকারকারী।
৮. নিজ হাতে কিতাব লিখে আল্লাহর বাণী বলে দাবি করা।
৯. দুনিয়ার জীবনকে আখিরাত থেকে অধিক পছন্দ করা।
১০. দলগত মতভেদ তৈরি করা ও সত্য গোপন করা।
১১. আল্লাহ সম্পর্কে বানোয়াট ও মিথ্যা কথা রটনাকারী।
১২. সৃষ্টিজগতকে অনর্থক বা উদ্দেশ্যহীন মনে করা।
১৩. আল্লাহর জিকির থেকে যাদের হৃদয় কঠিন হয়ে গেছে।
১৪. আল্লাহর বিধানের শরিককারী বা মুশরিক।
نسأل الله الهداية والتوفيق
*সঙ্গই মানুষকে গড়ে তোলে...*

مَن جَالَسَ العُلَمَاءَ زَادَ أَدَبُهُ
*আলেমদের সান্নিধ্যে থাকলে আদব-আখলাক বৃদ্ধি পায়।*

وَمَنْ جَالَسَ الصَّالِحِينَ زَادَ وَرَعُهُ
*নেককারদের সান্নিধ্যে থাকলে তাকওয়া বৃদ্ধি পায়।*

وَمَنْ جَالَسَ الحُكَمَاءَ عَظُمَ قَدْرُهُ
*প্রজ্ঞাবানদের সান্নিধ্যে থাকলে মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।*

فَتَبَصَّرْ أَمْرَكَ وَتَدَبَّرْ حَالَ صَحْبِكَ
*তাই নিজের সঙ্গী নির্বাচন করুন ভেবেচিন্তে।*

আপনি যাদের সঙ্গে চলবেন, ধীরে ধীরে তাদের মতোই হয়ে উঠবেন। তাই এমন পরিবেশ বেছে নিন, যা আপনাকে কুরআনের পথে, ইলমের পথে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

*📖 আপনি, আপনার পরিবার বা প্রিয়জনকে যুক্ত করুন আমাদের ৬ মাসের "পূর্ণ কুরআন বুঝে পড়ার" কোর্সে।*

আজই নিজেকে কুরআনের সাথী বানানোর সিদ্ধান্ত নিন।

📌 ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
📱 WhatsApp (অফিস):
wa.me/+8801760580366
wa.me/+201060422735
জুম্মাহ রিমাইন্ডার

রহমতের কালাম! দুরুদ ও সালাম! পড়ুন, সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!