ইস্যু গেম + সাপ অভ্যন্তরীণ দৃষ্টি
আমি সর্বদাই ইস্যু বিরোধী,
ইস্যু নিয়ে মাতামাতি করাও অপছন্দ কারণ প্রতিটি ইস্যু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে আড়াল করার জন্য আসে ।
এটা পূর্ব অভিজ্ঞতায় সাব্যস্ত,
যেমন , ফরিদপুর ইস্যুকে মুছে দিতে আল্লামা মামুনুল হক সাহেবকে মুক্তি
এখানে তার মুক্তি বিরোধিতা করা হচ্ছে না বরং তার মুক্তির রেশ ধরে যে
আমাদের মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করানো হয়েছে এটাই বুঝানো উদ্দেশ্য
* ঠিক, তারা সফল আমরা তার মুক্তির আনন্দে বেমালুম ফরিদপুরকে ভুলে গিয়েছি ।
∆এভাবে দেশিও এক পৈশাচিক শক্তি যারা প্রতিনিয়ত আমাদের নিয়ে মাইন্ড হ্যাকের গেম খেলেছে , আমাদের নিজস্ব কোনো বোধবুদ্ধি বা চিন্তা চেতনা নেই তারা যেভাবে নাচাচ্ছে আমরা সেভাবেই নাচছি ।
সম্মোহনীত ব্যক্তির মত ।
∆ বর্তমান "রাসেল ভাইপার " সাপ ইস্যু গেম সবথেকে ভয়ানক,
স্বাধীনতার জন্য দেশের জন্য ।
আচ্ছা একটু ভাবুন তো !
যে সাপ কিছুদিন পূর্ব পর্যন্ত বিলুপ্ত ছিল সেই সাপ হঠাৎ করে সপ্তাহের মধ্যে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া দেশের এপ্রান্ত থেকে ঐ প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে , বাসা গেঁড়ে বাচ্চা ফুটাচ্ছে , হঠাৎ করে সবাই নেটওয়ার্কের মতো একসাথে মানুষ কামড়াচ্ছে ?
কীভাবে ? এলোমেলো লাগছে না !
∆ রাসেল ভাইপার যতোটা না ভয়ংকর তার ১০ গুণ বৃদ্ধি করে সংবাদ মাধ্যমগুলো প্রচার করছে , আর ভ্লগার ইউটিউবার রা তো আছেই ।
কিন্তু কেন?
নিকৃষ্ট উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য, মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ।
একটি কথা আছে,
" বৃহৎ স্বার্থের জন্য ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ "
∆আমার মনে হচ্ছে, এই সাপের কামড়ে যারা মারা গেছে সবাই বলির পাঁঠা ছিল
দেশ দখলের জন্য ভারতের ট্রেন কৌশল সফলে ১০ জনকে বলিদান এটি বেশি কিছু না ।
গোপন কোনো শক্তি, সংস্থা বিভিন্ন জেলায় জেলায় সাপ ছেড়ে নিজেরাই ভিডিও করে আপলোড দেয় ।
তারাই আবার সুযোগমতো প্রশিক্ষিত পাশের মাধ্যমে দংশন করে হত্যা এরপর দোষ "রাসেল ভাইপার" এর উপর ।
ফলাফল, দেশজুড়ে আতঙ্ক ও চর্চার বিষয় এখন এই সাপ , আর আড়াল হয়ে গেছে ট্রেন কৌশল ।
∆ আহ্, অচিরেই হয়তো দেশ পরাধীন হবে হয়তো নতুন করে দেশ স্বাধীনের ডাক আসবে ।
কিন্তু কে দিবে সেই ডাক?
কার ছায়াতলে সবাই একত্র হবে ?
এখন তো সবাই রেষারেষিতে মত্ত।
আল্লাহ তায়ালা সঠিক বুঝ দান করুন আমিন🥺
©️Facebook
আমি সর্বদাই ইস্যু বিরোধী,
ইস্যু নিয়ে মাতামাতি করাও অপছন্দ কারণ প্রতিটি ইস্যু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে আড়াল করার জন্য আসে ।
এটা পূর্ব অভিজ্ঞতায় সাব্যস্ত,
যেমন , ফরিদপুর ইস্যুকে মুছে দিতে আল্লামা মামুনুল হক সাহেবকে মুক্তি
এখানে তার মুক্তি বিরোধিতা করা হচ্ছে না বরং তার মুক্তির রেশ ধরে যে
আমাদের মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করানো হয়েছে এটাই বুঝানো উদ্দেশ্য
* ঠিক, তারা সফল আমরা তার মুক্তির আনন্দে বেমালুম ফরিদপুরকে ভুলে গিয়েছি ।
∆এভাবে দেশিও এক পৈশাচিক শক্তি যারা প্রতিনিয়ত আমাদের নিয়ে মাইন্ড হ্যাকের গেম খেলেছে , আমাদের নিজস্ব কোনো বোধবুদ্ধি বা চিন্তা চেতনা নেই তারা যেভাবে নাচাচ্ছে আমরা সেভাবেই নাচছি ।
সম্মোহনীত ব্যক্তির মত ।
∆ বর্তমান "রাসেল ভাইপার " সাপ ইস্যু গেম সবথেকে ভয়ানক,
স্বাধীনতার জন্য দেশের জন্য ।
আচ্ছা একটু ভাবুন তো !
যে সাপ কিছুদিন পূর্ব পর্যন্ত বিলুপ্ত ছিল সেই সাপ হঠাৎ করে সপ্তাহের মধ্যে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া দেশের এপ্রান্ত থেকে ঐ প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে , বাসা গেঁড়ে বাচ্চা ফুটাচ্ছে , হঠাৎ করে সবাই নেটওয়ার্কের মতো একসাথে মানুষ কামড়াচ্ছে ?
কীভাবে ? এলোমেলো লাগছে না !
∆ রাসেল ভাইপার যতোটা না ভয়ংকর তার ১০ গুণ বৃদ্ধি করে সংবাদ মাধ্যমগুলো প্রচার করছে , আর ভ্লগার ইউটিউবার রা তো আছেই ।
কিন্তু কেন?
নিকৃষ্ট উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য, মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ।
একটি কথা আছে,
" বৃহৎ স্বার্থের জন্য ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ "
∆আমার মনে হচ্ছে, এই সাপের কামড়ে যারা মারা গেছে সবাই বলির পাঁঠা ছিল
দেশ দখলের জন্য ভারতের ট্রেন কৌশল সফলে ১০ জনকে বলিদান এটি বেশি কিছু না ।
গোপন কোনো শক্তি, সংস্থা বিভিন্ন জেলায় জেলায় সাপ ছেড়ে নিজেরাই ভিডিও করে আপলোড দেয় ।
তারাই আবার সুযোগমতো প্রশিক্ষিত পাশের মাধ্যমে দংশন করে হত্যা এরপর দোষ "রাসেল ভাইপার" এর উপর ।
ফলাফল, দেশজুড়ে আতঙ্ক ও চর্চার বিষয় এখন এই সাপ , আর আড়াল হয়ে গেছে ট্রেন কৌশল ।
∆ আহ্, অচিরেই হয়তো দেশ পরাধীন হবে হয়তো নতুন করে দেশ স্বাধীনের ডাক আসবে ।
কিন্তু কে দিবে সেই ডাক?
কার ছায়াতলে সবাই একত্র হবে ?
এখন তো সবাই রেষারেষিতে মত্ত।
আল্লাহ তায়ালা সঠিক বুঝ দান করুন আমিন🥺
❤2
একটি কথা প্রচলিত হয়েছিল, "পদ্মাসেতু নাকি তৈরি করা হয়েছে শুধুমাত্র কলকাতা থেকে আগরতলায় ৭ ঘন্টায় পৌছানোর জন্য।"
কথাটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। কিন্তু এখন খটকা লাগছে। আগে কলকাতা টু আগরতলা যেতে ট্রেনে সময় লাগতো প্রায় ৪০ ঘণ্টা!
এখন লাগবে ৭ ঘণ্টা।
মনে প্রশ্ন জাগে, পদ্মা সেতু কি আমাদের স্বার্থে তৈরী করা হয়েছে, নাকি অন্যকারো স্বার্থে!
মতামত চাই
কথাটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। কিন্তু এখন খটকা লাগছে। আগে কলকাতা টু আগরতলা যেতে ট্রেনে সময় লাগতো প্রায় ৪০ ঘণ্টা!
এখন লাগবে ৭ ঘণ্টা।
মনে প্রশ্ন জাগে, পদ্মা সেতু কি আমাদের স্বার্থে তৈরী করা হয়েছে, নাকি অন্যকারো স্বার্থে!
মতামত চাই
তারা কেমন বন্ধু দেশ বিগত ৫০ বছরেও আমাদেরকে মাএ ১৮ কিলোমিটার রাস্তা নেপালের সাথে সংযুক্ত করতে দিল না। প্রতি বছর দাদাদের ভালোবাসায় ভাসে সিলেট,রংপুর কুড়িগ্রাম সহ অনেক জেলা। আজ তারা ৩৬০ কিলোমিটার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা করছে কাল রেল নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতীয় সেনা মোতায়েন করবে এবং আস্তে আস্তে সুক্ষ হস্তক্ষেপ করে বাংলাদেশকে (অখন্ড ভারত তৈরি করার জন্য উঠে পড়ে লাগবে ) 😡🤬
সেন্টমার্টিন নি'য়ে যা'চ্ছে!
বুক চিরে রেল লাইন যাচ্ছে!
আর আমাদের রাসেলস ভাইপার
দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে।
বুক চিরে রেল লাইন যাচ্ছে!
আর আমাদের রাসেলস ভাইপার
দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে।
ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষে প্রথম ব্যবসা করতে আসলো তার কিছুদিন পর স্থায়ী জায়গা চাইলো। আওরঙ্গজেব তখন পিটায়-পাটায় ব্রিটিশদের ভারত ছাড়া করলো।
তারও বহু বছর পর তারা আবার আসলো ওয়াইন আর ধাতু নিয়ে। সুবেদারদের ঢেলে ঢেলে ওয়াইন খাওয়ালো। দুটো জাহাজ ভেড়ানোর অনুমতি পেলো।
তার কিছুদিন পর জাহাজ রাখার ঘাট চাইলো, তারপর মালামাল রাখার ওয়্যারহাউজ। তারপর একদিন ওয়্যারহাউজে চুরি হলো, ওয়্যারহাউজে বাউন্ডারি দিলো। ব্যবসা বাড়লো।
তারপর ওয়্যারহাউজ চালাতে ব্রিটিশ অফিসার আসলো, তাদের থাকার বাংলো হলো। বাংলোর নিরাপত্তায় পাহাড়াদার এলো। উঁচু প্রাচীর হলো। সৈন্য এলো। দুর্গ হলো। এরপর মুঘলদের পতন হলো ব্রিটিশদের হাতে।
২০০ বছরের গোলামীর রাস্তা শুরু হয়েছিলো দুটো জাহাজ ভেড়ানোর ঘাট দিয়ে।
ভারত রেল ট্রানজিট নিবে, তারপর রেলে দামি পন্য বহন করবে, কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাঙালি (!) রেলে হামলা করবে। নিরাপত্তায় সৈন্য আসবে, ঘাটি হবে। ব্যবসা বাড়বে। দুর্গ হবে।
তারপর আমরা পাসপোর্ট ছাড়া বোম্বে, গুজরাট, কাশ্মীর ঘুরতে পারবো!
#ইমরান ভাই
তারও বহু বছর পর তারা আবার আসলো ওয়াইন আর ধাতু নিয়ে। সুবেদারদের ঢেলে ঢেলে ওয়াইন খাওয়ালো। দুটো জাহাজ ভেড়ানোর অনুমতি পেলো।
তার কিছুদিন পর জাহাজ রাখার ঘাট চাইলো, তারপর মালামাল রাখার ওয়্যারহাউজ। তারপর একদিন ওয়্যারহাউজে চুরি হলো, ওয়্যারহাউজে বাউন্ডারি দিলো। ব্যবসা বাড়লো।
তারপর ওয়্যারহাউজ চালাতে ব্রিটিশ অফিসার আসলো, তাদের থাকার বাংলো হলো। বাংলোর নিরাপত্তায় পাহাড়াদার এলো। উঁচু প্রাচীর হলো। সৈন্য এলো। দুর্গ হলো। এরপর মুঘলদের পতন হলো ব্রিটিশদের হাতে।
২০০ বছরের গোলামীর রাস্তা শুরু হয়েছিলো দুটো জাহাজ ভেড়ানোর ঘাট দিয়ে।
ভারত রেল ট্রানজিট নিবে, তারপর রেলে দামি পন্য বহন করবে, কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাঙালি (!) রেলে হামলা করবে। নিরাপত্তায় সৈন্য আসবে, ঘাটি হবে। ব্যবসা বাড়বে। দুর্গ হবে।
তারপর আমরা পাসপোর্ট ছাড়া বোম্বে, গুজরাট, কাশ্মীর ঘুরতে পারবো!
#ইমরান ভাই
গাজওয়াতুল হিন্দ হচ্ছে ইসলামের সর্বশেষ নবি হযরত মুহাম্মাদ (স) এর একটি ভবিষ্যদ্বাণী, যেখানে উল্লেখ আছে, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হবে, যাতে মুসলমানদের বিজয় ঘটবে
হতে পারে এটাই গাজওয়াতুল হিন্দ এর নমুনা বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে ভারত এর রেল লাইন নেওয়া..!!
হতে পারে এটাই গাজওয়াতুল হিন্দ এর নমুনা বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে ভারত এর রেল লাইন নেওয়া..!!
❤1
অন্যতম সমস্যাগুলোর মধ্যে আরেকটা নতুন ইস্যু হচ্ছে শিক্ষা ক্রম।
বুঝিয়ে বলছি।
বর্তমান পাঠ্যপুস্তকে নোংরামি ছাড়া আর কিছু শিক্ষা দিচ্ছে না।
কেননা ৭ম শ্রেণির বইতেও তারা প্যান্টি বিক্রয়ের ওয়েবসাইটের QR কোড দিয়ে দিচ্ছে।
এতে করে সহজেই কম বয়সি ছেলেমেয়েরা আগ্রহের কারণে নীল সিনেমার দিকে ঝুঁকে যাওয়ার ঝুকি ৯৫%।
আপডেট হলো সেই ওয়েবসাইটটি আপাতত বন্ধ হয়ে আছে সাইবার এট্যাকের ফলে।
এ বিষয়ে আপনার মত জানতে চাই🖤
নিত্য নতুন নাটক সিনেমা দেখতে যুক্ত হতে পারেন এখানে ক্লিক করে।
বুঝিয়ে বলছি।
বর্তমান পাঠ্যপুস্তকে নোংরামি ছাড়া আর কিছু শিক্ষা দিচ্ছে না।
কেননা ৭ম শ্রেণির বইতেও তারা প্যান্টি বিক্রয়ের ওয়েবসাইটের QR কোড দিয়ে দিচ্ছে।
এতে করে সহজেই কম বয়সি ছেলেমেয়েরা আগ্রহের কারণে নীল সিনেমার দিকে ঝুঁকে যাওয়ার ঝুকি ৯৫%।
আপডেট হলো সেই ওয়েবসাইটটি আপাতত বন্ধ হয়ে আছে সাইবার এট্যাকের ফলে।
এ বিষয়ে আপনার মত জানতে চাই🖤
নিত্য নতুন নাটক সিনেমা দেখতে যুক্ত হতে পারেন এখানে ক্লিক করে।
Telegram
সিনেমা BUZZ
নিত্য নতুন সিনেমা,নাটক,ওয়েবসিরিজ পেতে আমাদের সাথে যুক্ত হোন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
ধন্যবাদ ❤️
ধন্যবাদ ❤️
ঢাকায় হাতের লেখা প্রশিক্ষণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে, রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে জঙ্গি তকমা লাগিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রদের গ্রেপ্তার করলো র্যাব!
গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাতে কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী থেকে তাদের আটক করার দাবি করছে র্যাব। কুখ্যাত এ কালো বাহিনীটি আরো দাবি করে, ঈদের ছুটির শেষে মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে তিনজনই ঘর থেকে বের হয়ে চলে আসে কক্সবাজার।
কিন্তু এ ঘটনা মিডিয়ার সামনে আসার পরপরই এই মাদ্রাসা ছাত্রদের ব্যাপারে স্যোশাল মিডিয়ায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য উঠে আসে।
এই ৩ জনের মধ্য থেকে ২ জনের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। তারা ঢাকার সাইনবোর্ড এলাকায় আশ শফিক হাতের লেখা প্রশিক্ষণ একাডেমীতে হাতের লেখা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে গত ২৬ জুন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এরপর থেকেই তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তারা দুজনেই চট্টগ্রামের পটিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন।
বিগত কয়েক বছরে এমন শত শত নিরীহ দ্বীনি যুবকদের জঙ্গি তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাতে কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী থেকে তাদের আটক করার দাবি করছে র্যাব। কুখ্যাত এ কালো বাহিনীটি আরো দাবি করে, ঈদের ছুটির শেষে মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে তিনজনই ঘর থেকে বের হয়ে চলে আসে কক্সবাজার।
কিন্তু এ ঘটনা মিডিয়ার সামনে আসার পরপরই এই মাদ্রাসা ছাত্রদের ব্যাপারে স্যোশাল মিডিয়ায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য উঠে আসে।
এই ৩ জনের মধ্য থেকে ২ জনের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। তারা ঢাকার সাইনবোর্ড এলাকায় আশ শফিক হাতের লেখা প্রশিক্ষণ একাডেমীতে হাতের লেখা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে গত ২৬ জুন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এরপর থেকেই তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তারা দুজনেই চট্টগ্রামের পটিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন।
বিগত কয়েক বছরে এমন শত শত নিরীহ দ্বীনি যুবকদের জঙ্গি তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী।
👍2❤1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আর এই ভারত আমাদের বলে আমরা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করি
😢1
বি এন পি নির্বাচনের আগেই যা শুরু করেছে জানি না নির্বাচনের পর কি করবে
