Possible Intermediate Range Ballistic Missile (IRBM) test launch visuals from DRDO Integrated Test Range.
👍48❤7😱6
আজ বঙ্গোপসাগরের আবুল কালাম আজাদ আইল্যাণ্ড হতে ভারত মহাসাগরের দিকে ইণ্ডিয়ান আর্মড ফোর্সেস একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
দ্বীপটি ইণ্ডিয়ার Defence Research and Development Organisation (DRDO) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। যেখানে ওদের ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়ক Integrated Test Range (ITR) এর লঞ্চ কমপ্লেক্স-০৪ অবস্থিত।
ইণ্ডিয়ার আজ উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি যেকোনো কিছু হতে পারে। যা ওদের নিজস্ব বার্তা ছাড়া নিশ্চিতভাবে জানা অনেকটা অসম্ভব। তবে, আপাতত ধারণা করা হচ্ছে যে, এটি হয়তো K-4 SLBM ছিল। নতুবা Agni সিরিজের কোনো সিস্টেম। অনেকের মতে এটি এমনকি Agni-VI ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হতে পারে। যা মূলত ডেভলপমেন্ট পর্যায়ে থাকা একটি Inter-Continental Ballistic Missile (ICBM)। যার আনুমানিক রেঞ্জ সর্বনিম্ন ১০ হাজার কিলোমিটার।
তবে, আপাতত এটি আসলে কি ছিল তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। আজকের আলোচ্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপনের পূর্ব হতে প্রায় ০১ মাস ধরে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে China Maritime Satellite Telemetry and Control Department এর নিয়ন্ত্রণে থাকা People's Liberation Army Strategic Support Force এর জাহাজ ইঊয়ান ওয়াং ০৭ অপারেশন পরিচালনা করে আসছে।
এটি চায়নিজ মিলিটারির স্যাটেলাইট ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ট্র্যাকিং শিপ। যার দ্বারা বিভিন্ন রকমের লঞ্চ ভেহিক্যাল ও শত্রুর Inter-Continental Ballistic Missile (ICBM) বিষয়ক তৎপরতা আর গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়। পাশাপাশি ম্যাণ্ড স্পেসক্র্যাফটের সাথে কমিঊনিকেশন পরিচালনা করা হয়। গত ০৯ই এপ্রিল তারিখে এটি ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করেছে। এরপর হতে এটি সেখানেই অবস্থান নিয়ে রয়েছে বলে অনুমান করা গিয়েছে।
ধন্যবাদ।
দ্বীপটি ইণ্ডিয়ার Defence Research and Development Organisation (DRDO) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। যেখানে ওদের ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়ক Integrated Test Range (ITR) এর লঞ্চ কমপ্লেক্স-০৪ অবস্থিত।
ইণ্ডিয়ার আজ উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি যেকোনো কিছু হতে পারে। যা ওদের নিজস্ব বার্তা ছাড়া নিশ্চিতভাবে জানা অনেকটা অসম্ভব। তবে, আপাতত ধারণা করা হচ্ছে যে, এটি হয়তো K-4 SLBM ছিল। নতুবা Agni সিরিজের কোনো সিস্টেম। অনেকের মতে এটি এমনকি Agni-VI ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হতে পারে। যা মূলত ডেভলপমেন্ট পর্যায়ে থাকা একটি Inter-Continental Ballistic Missile (ICBM)। যার আনুমানিক রেঞ্জ সর্বনিম্ন ১০ হাজার কিলোমিটার।
তবে, আপাতত এটি আসলে কি ছিল তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। আজকের আলোচ্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপনের পূর্ব হতে প্রায় ০১ মাস ধরে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে China Maritime Satellite Telemetry and Control Department এর নিয়ন্ত্রণে থাকা People's Liberation Army Strategic Support Force এর জাহাজ ইঊয়ান ওয়াং ০৭ অপারেশন পরিচালনা করে আসছে।
এটি চায়নিজ মিলিটারির স্যাটেলাইট ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ট্র্যাকিং শিপ। যার দ্বারা বিভিন্ন রকমের লঞ্চ ভেহিক্যাল ও শত্রুর Inter-Continental Ballistic Missile (ICBM) বিষয়ক তৎপরতা আর গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়। পাশাপাশি ম্যাণ্ড স্পেসক্র্যাফটের সাথে কমিঊনিকেশন পরিচালনা করা হয়। গত ০৯ই এপ্রিল তারিখে এটি ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করেছে। এরপর হতে এটি সেখানেই অবস্থান নিয়ে রয়েছে বলে অনুমান করা গিয়েছে।
ধন্যবাদ।
❤66👍36🔥6
১৯৮৩ সালে ডক্টর পিটার বঁরশেঁল্ট, ডক্টর র্যাণ্ডাল লকঊড ও ডক্টর ভিক্টোরিয়া বঈথ ও ডক্টর অ্যাঁলান বেক, প্রাণীর আচরণের ওপর বিশেষজ্ঞ শীর্ষস্থানীয় ০৪ জন বিজ্ঞানী একটি সায়েন্টিফিক রিসার্চ পেপার প্রকাশ করেন। যার শিরোনাম ছিল নিম্নরূপ,
"Attacks by packs of dogs involving predation on human beings"
তাদের এই রিসার্চ তখন হতে আজ পর্যন্ত National Canine Research Council ও American Veterinary Medical Association (AVMA) এর মতো শীর্ষস্থানীয় সংস্থার দ্বারা নিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
তাদের এই রিসার্চের পর তারা যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন তা হলো, এমনকি মানুষের পোষা কুকুরও যদি মুক্ত অবস্থায় থাকে ও অন্যান্য কুকুরদের সাথে দল গঠন করার সুযোগ পায়, তাহলে সেটি শিকারী কুকুরে পরিণত হয়। কুকুর মূলত সুযোগসন্ধানী শিকারী। সেক্ষেত্রে, দলবদ্ধ হওয়ার কারণে ওরা দূর্বল শিকারের সন্ধান করতে থাকে।
বিশেষ করে, যখন কুকুর নিজের উদরপূর্তির জন্য যথেষ্ট খাবারের সরবরাহ যোগান দিতে ব্যর্থ হয়, তখন ওদের Predatory motor sequence সচল হতে আরম্ভ করে। এসময় ওরা দলবদ্ধ থাকলে তখন চতুর্দিকের পরিবেশ ওরা স্রেফ শিকারীর চোখে দেখতে থাকে। আর, খাবারের অভাব অনুভব করলে তখন ওরা পুরোপুরি শিকারীতে রূপান্তরিত হয়।
সুযোগসন্ধানী শিকারী হওয়ার কারণে এক্ষেত্রে লোকালয়ের কুকুর শিশু, বৃদ্ধ, আহত ও দূর্বল মানুষদের বিশেষ করে নিজেদের খাবারের তালিকায় তুলে নেয়। এক্ষেত্রে এমনটি করার মূল কারণ হলো, এধরণের মানুষকে শিকার করা ও ভক্ষণ করা এসব কুকুরের জন্য সহজ।
আজকের বাংলাদেশে চতুর্দিক হতে মানুষকে কামড়ে খেয়ে ফেলার চেষ্টা, গরু, ছাগল ও ভেড়ার পালের ওপর হামলার চেষ্টার যে বিষয়টি শুনছি আমরা, আমার অনুমান হলো, এর মূল কারণ হলো এই বিষয়টি। দেশে কুকুরের সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে যেসকল স্থানে কুকুরের দল তৈরি হয়েছে, ওরা বন্য ও শিকারী কুকুরে রূপান্তর লাভ করেছে। এরা হয়তো পরিচিত কারো জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে পারে, কিন্তু, অপরিচিত মানুষ, শিশু, দূর্বল, সাইকেল আরোহী অথবা একাকী পথচারীদের জন্য ভয়ানক বিপদজনক।
আমি এই সিদ্ধান্তে আসবার কারণ হলো, আজ আমি এই বিষয়টি নিয়ে লেখার পর খুব স্বল্প সময়ে অনেক বেশি পরিমাণে কুকুরের আক্রমণের খবর পেয়েছি আক্রান্তদের স্বজন ও পরিচিতজনদের নিকট হতে। যেখানে অধিকাংশ সময়ে আক্রমণ হয়েছে ছোট্ট শিশু ও বৃদ্ধদের ওপর। এক্ষেত্রে বিষয়টি স্বাভাবিক কোনো পরিস্থিতির মাঝে আর সীমাবদ্ধ নাই। আমরা এমনটি দেখি যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিত্যক্ত শহরে। যেখানে শহুরে কুকুরের দল তৈরি হয়ে শিকারী কুকুরে রূপান্তরিত হয়। এসমস্ত কুকুর ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ করছে না। করছে শিকার করার জন্য। খাওয়ার জন্য। যা আজ ফজরের নামাজের সময়ে একজনকে কুকুরের দল খেয়ে ফেলার চেষ্টা করে হত্যার রিপোর্ট হতে সম্পূর্ণ পরিষ্কার।
فِي أَمَانِ الله।
"Attacks by packs of dogs involving predation on human beings"
তাদের এই রিসার্চ তখন হতে আজ পর্যন্ত National Canine Research Council ও American Veterinary Medical Association (AVMA) এর মতো শীর্ষস্থানীয় সংস্থার দ্বারা নিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
তাদের এই রিসার্চের পর তারা যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন তা হলো, এমনকি মানুষের পোষা কুকুরও যদি মুক্ত অবস্থায় থাকে ও অন্যান্য কুকুরদের সাথে দল গঠন করার সুযোগ পায়, তাহলে সেটি শিকারী কুকুরে পরিণত হয়। কুকুর মূলত সুযোগসন্ধানী শিকারী। সেক্ষেত্রে, দলবদ্ধ হওয়ার কারণে ওরা দূর্বল শিকারের সন্ধান করতে থাকে।
বিশেষ করে, যখন কুকুর নিজের উদরপূর্তির জন্য যথেষ্ট খাবারের সরবরাহ যোগান দিতে ব্যর্থ হয়, তখন ওদের Predatory motor sequence সচল হতে আরম্ভ করে। এসময় ওরা দলবদ্ধ থাকলে তখন চতুর্দিকের পরিবেশ ওরা স্রেফ শিকারীর চোখে দেখতে থাকে। আর, খাবারের অভাব অনুভব করলে তখন ওরা পুরোপুরি শিকারীতে রূপান্তরিত হয়।
সুযোগসন্ধানী শিকারী হওয়ার কারণে এক্ষেত্রে লোকালয়ের কুকুর শিশু, বৃদ্ধ, আহত ও দূর্বল মানুষদের বিশেষ করে নিজেদের খাবারের তালিকায় তুলে নেয়। এক্ষেত্রে এমনটি করার মূল কারণ হলো, এধরণের মানুষকে শিকার করা ও ভক্ষণ করা এসব কুকুরের জন্য সহজ।
আজকের বাংলাদেশে চতুর্দিক হতে মানুষকে কামড়ে খেয়ে ফেলার চেষ্টা, গরু, ছাগল ও ভেড়ার পালের ওপর হামলার চেষ্টার যে বিষয়টি শুনছি আমরা, আমার অনুমান হলো, এর মূল কারণ হলো এই বিষয়টি। দেশে কুকুরের সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে যেসকল স্থানে কুকুরের দল তৈরি হয়েছে, ওরা বন্য ও শিকারী কুকুরে রূপান্তর লাভ করেছে। এরা হয়তো পরিচিত কারো জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে পারে, কিন্তু, অপরিচিত মানুষ, শিশু, দূর্বল, সাইকেল আরোহী অথবা একাকী পথচারীদের জন্য ভয়ানক বিপদজনক।
আমি এই সিদ্ধান্তে আসবার কারণ হলো, আজ আমি এই বিষয়টি নিয়ে লেখার পর খুব স্বল্প সময়ে অনেক বেশি পরিমাণে কুকুরের আক্রমণের খবর পেয়েছি আক্রান্তদের স্বজন ও পরিচিতজনদের নিকট হতে। যেখানে অধিকাংশ সময়ে আক্রমণ হয়েছে ছোট্ট শিশু ও বৃদ্ধদের ওপর। এক্ষেত্রে বিষয়টি স্বাভাবিক কোনো পরিস্থিতির মাঝে আর সীমাবদ্ধ নাই। আমরা এমনটি দেখি যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিত্যক্ত শহরে। যেখানে শহুরে কুকুরের দল তৈরি হয়ে শিকারী কুকুরে রূপান্তরিত হয়। এসমস্ত কুকুর ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ করছে না। করছে শিকার করার জন্য। খাওয়ার জন্য। যা আজ ফজরের নামাজের সময়ে একজনকে কুকুরের দল খেয়ে ফেলার চেষ্টা করে হত্যার রিপোর্ট হতে সম্পূর্ণ পরিষ্কার।
فِي أَمَانِ الله।
👍77❤27👏3💯2
প্রায় কোনো পশু কুরবানি ছাড়াই গাজায় ঈদুল আজহা সম্পন্ন।
আসলে তাঁদের কুরবানির প্রমাণ তো আল্লাহ তা'আলার কাছে আছেই।
আসলে তাঁদের কুরবানির প্রমাণ তো আল্লাহ তা'আলার কাছে আছেই।
😢179❤72
দলবদ্ধ ধর্ষকেরা এভাবে যুগলদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। সাধারণত এরা যুগলদের মাঝ হতে মেয়েটিকে গণধর্ষণের লক্ষ্য নিয়ে এমন তৎপরতা চালায়। আমি বেশ কিছু ঘটনা এমন সংঘটিত হতে দেখেছি বিভিন্ন সময়ে।
যারা এগুলো করে, ওরা মূলত চিহ্নিত সন্ত্রাসী। যারা দেশের নানান রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় অপরাধের সাথে জড়িত হয়ে থাকে। বিশেষত দেশে যখন যে সরকার ক্ষমতাসীন থাকে, উক্ত রাজনৈতিক দলের সাথে। আমাদের স্থানীয় জনসাধারণের উচিত যেসব স্থানে এরা আছে, ওসব স্থান চিহ্নিত করে দলবদ্ধ হয়ে এদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া। ওরা দেশকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রতিটি এলাকার স্থানীয় মানুষেরা এসমস্ত ধর্ষক, খুনি, চাঁদাবাজদের খুব ভালো করে চিনে থাকবেন।
আমরা সংগঠিত হয়ে গেলে ওরা পালানোর রাস্তা পাবে না। ইন শা আল্লাহ।
এরকম বিষয় নিয়ে সাধারণত আমি লেখা-লেখি করি না। তবে, নিচের লেখাটি পড়ার পর আমি নিজেকে নিবৃত করতে পারলাম না। ৩০০ ফিটের এসমস্ত মোটর-বাইক চালক তরুণ ও যুবকদের উদ্দেশ্যে সময় থাকতে ভালো হয়ে যাওয়ার ও অপরাধ ছেড়ে ফিরে আসার উপদেশ দেওয়া হলো।
ধন্যবাদ।
যারা এগুলো করে, ওরা মূলত চিহ্নিত সন্ত্রাসী। যারা দেশের নানান রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় অপরাধের সাথে জড়িত হয়ে থাকে। বিশেষত দেশে যখন যে সরকার ক্ষমতাসীন থাকে, উক্ত রাজনৈতিক দলের সাথে। আমাদের স্থানীয় জনসাধারণের উচিত যেসব স্থানে এরা আছে, ওসব স্থান চিহ্নিত করে দলবদ্ধ হয়ে এদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া। ওরা দেশকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রতিটি এলাকার স্থানীয় মানুষেরা এসমস্ত ধর্ষক, খুনি, চাঁদাবাজদের খুব ভালো করে চিনে থাকবেন।
আমরা সংগঠিত হয়ে গেলে ওরা পালানোর রাস্তা পাবে না। ইন শা আল্লাহ।
এরকম বিষয় নিয়ে সাধারণত আমি লেখা-লেখি করি না। তবে, নিচের লেখাটি পড়ার পর আমি নিজেকে নিবৃত করতে পারলাম না। ৩০০ ফিটের এসমস্ত মোটর-বাইক চালক তরুণ ও যুবকদের উদ্দেশ্যে সময় থাকতে ভালো হয়ে যাওয়ার ও অপরাধ ছেড়ে ফিরে আসার উপদেশ দেওয়া হলো।
ধন্যবাদ।
❤91👍25💯9
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের Special Task Force (STF) নামক ইঊনিট মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে পাড়ি জমানো একটি বাংলাদেশি দেশদ্রোহী কিল টিমের সদস্যকে বন্দি করেছিল। যে খুনি কিছুদিন আগে বাংলাদেশে খুব ভয়ানক একটি গুপ্তহত্যা বিষয়ক অপারেশন পরিচালনা করেছিল। খুব সম্ভবত আমাদের ঊসমান হাদির গুপ্তঘাতক।
ওকে বন্দি করার সাথে সাথে ইণ্ডিয়ার মিনিস্টার অব হোম অ্যাফেয়ার্স Amit Shah পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যাণার্জিকে টেলিফোন করে নির্দেশনা জারি করে, "আপনি আপনার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে বলে দিবেন যে, দেশের স্বার্থে এই কথা যেন কোনোমতেই বাহিরে না যায়। এটা দেশের জন্য!"
অর্থাৎ, ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির হয়ে বাংলাদেশে একজন খুব জনপ্রিয় ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্বকে (ধরে নেওয়া যায় ঊসমান হাদি) হত্যাকারী পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়ার পর ওখানকার STF আলোচ্য বাংলাদেশি দেশদ্রোহী খুনিকে গ্রেফতার করে বসে। তখন, খোদ দিল্লির কেন্দ্র হতে কলকাতায় টেলিফোন করে বিষয়টি চাপা দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। আজ মমতা ব্যাণার্জি স্বয়ং উপরোক্ত জবানবন্দি দিয়েছে।
আর কোনো প্রমাণের দরকার আছে কি! কারা দেশের পক্ষের শক্তি, কারা বিপক্ষের! কারা আমার ভূখণ্ডের শহর ও জনপদের সন্তান আর কারা দেশদ্রোহী!
শত্রু নিজের মুখে বলে দিয়েছে। বিশ্বাস কর!
ওকে বন্দি করার সাথে সাথে ইণ্ডিয়ার মিনিস্টার অব হোম অ্যাফেয়ার্স Amit Shah পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যাণার্জিকে টেলিফোন করে নির্দেশনা জারি করে, "আপনি আপনার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে বলে দিবেন যে, দেশের স্বার্থে এই কথা যেন কোনোমতেই বাহিরে না যায়। এটা দেশের জন্য!"
অর্থাৎ, ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির হয়ে বাংলাদেশে একজন খুব জনপ্রিয় ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্বকে (ধরে নেওয়া যায় ঊসমান হাদি) হত্যাকারী পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়ার পর ওখানকার STF আলোচ্য বাংলাদেশি দেশদ্রোহী খুনিকে গ্রেফতার করে বসে। তখন, খোদ দিল্লির কেন্দ্র হতে কলকাতায় টেলিফোন করে বিষয়টি চাপা দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। আজ মমতা ব্যাণার্জি স্বয়ং উপরোক্ত জবানবন্দি দিয়েছে।
আর কোনো প্রমাণের দরকার আছে কি! কারা দেশের পক্ষের শক্তি, কারা বিপক্ষের! কারা আমার ভূখণ্ডের শহর ও জনপদের সন্তান আর কারা দেশদ্রোহী!
শত্রু নিজের মুখে বলে দিয়েছে। বিশ্বাস কর!
😢107❤12👍9👏3
শরিফ ওসমান হাদির সম্মানিত বড় ভাই কেমন মানুষ তা আমার অজানা। হতে পারে উনি খুব ভালো মানুষ। হতে পারে আমরা ওনার পরিস্থিতি সম্পর্কে অনবগত।
তবে, শরিফ ওসমান হাদির বিষয়ে বা আমাদের দেশের বিষয়ে আমি ওনার কথায় সামান্যতম আস্থা রাখতে রাজি নই। আস্থা আমার অনেক আগে থেকে ছিল না। কিন্তু, সেটি আরো দৃঢ় হয়েছে গতকাল হতে, যখন ওনার বক্তব্য ইণ্ডিয়ানরা নিয়ে এসে আমাকে ইণ্ডিয়াকে দায়মুক্তি দিতে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে।
আরেকটি বিষয়, শরিফ ওসমান হাদির মতো স্পর্শকাতর গুপ্তহত্যা স্রেফ একটি রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকা দেশদ্রোহীদের তৎপরতায় ঘটা সম্ভব বলে আমি মনে করি না। এমন অপারেশনে একাধিক রাজনৈতিক ও অন্যান্য নানাবিধ পর্যায়ের সমন্বয় থাকতে হয়। যাদের এমন অপারেশন হতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে বিপাকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে, আমরা যখন দেখব যে, এক পক্ষ আরেক পক্ষকে বলছে, "Trail of evidence তো তোমাকে অপরাধী নির্দেশ করছে। যার বিপরীতে অভিযুক্ত পক্ষ অনুরূপ অভিযোগ প্রথম পক্ষের বিরুদ্ধেও উপস্থাপন করছে, তখন দু'পক্ষকে অপরাধী বলে ধরে নেওয়া জরুরি।"
কারণ, ওরা মূলত বিষয়টিকে ধামা-চাপা দিতে চেষ্টা করছে। যার জন্য একে-অপরের বিরুদ্ধে নানান উপায় ও ব্যক্তির মাধ্যমে অভিযোগ তুলে একপর্যায়ে অভিযোগে অভিযোগে সম্পূর্ণ বিষয়টি mutual cancellation করে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশে কি হয় কারো ধারণা নাই। Edward Snowden এর লিক করে দেওয়া ফাইলে বাংলাদেশের বিষয়েও নানান বিষয় ছিল। আমাদের কারো জানা আছে সেটা?
ওখানে বলা হয়েছিল যে, নিউজিল্যাণ্ডের Government Communications Security Bureau (GCSB) বাংলাদেশে ওদের লিসেনিং স্টেশন দ্বারা Five Eyes এর পক্ষ থেকে মনিটরিং তৎপরতা পরিচালনা করে। আলোচ্য অপারেশন মার্কিন ও ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জরুরি অপারেশনাল তৎপরতায় নিয়মিত বিভিন্ন সময়ে মূল্যবান সহায় তা করতে সমর্থ হয়েছে। এটি আমেরিকার National Security Agency (NSA) এর গোপন ফাইলের কথা। আমি বানিয়ে বলছি না। অনুসন্ধান করে দেখুন নিজের থেকে। তাহলে, ইণ্ডিয়া এমন একটা স্পর্শকাতর অপারেশন করেছে একাকী? পিলখানা ইণ্ডিয়া একলা করেছে? ওদের পক্ষে সম্ভব ছিল না।
চিন্তা করে দেখার বিষয়। আমি যা বললাম এখানে, এগুলো নিয়ে গভীর চিন্তা করুন। গভীরভাবে চিন্তা করুন। নিজের নায়কদের, রাজনৈতিক নায়কদের বিশেষ করে, খলনায়ক মনে করতে শুরু করুন। মনে রাখবেন, এটি একটি কলোনি। ওসমান হাদির বড় ভাইকে এতগুলো দেশ রেখে লণ্ডনে কেন যেতে হলো? চিন্তা করেছেন কি কখনো?
ধন্যবাদ।
তবে, শরিফ ওসমান হাদির বিষয়ে বা আমাদের দেশের বিষয়ে আমি ওনার কথায় সামান্যতম আস্থা রাখতে রাজি নই। আস্থা আমার অনেক আগে থেকে ছিল না। কিন্তু, সেটি আরো দৃঢ় হয়েছে গতকাল হতে, যখন ওনার বক্তব্য ইণ্ডিয়ানরা নিয়ে এসে আমাকে ইণ্ডিয়াকে দায়মুক্তি দিতে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে।
আরেকটি বিষয়, শরিফ ওসমান হাদির মতো স্পর্শকাতর গুপ্তহত্যা স্রেফ একটি রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকা দেশদ্রোহীদের তৎপরতায় ঘটা সম্ভব বলে আমি মনে করি না। এমন অপারেশনে একাধিক রাজনৈতিক ও অন্যান্য নানাবিধ পর্যায়ের সমন্বয় থাকতে হয়। যাদের এমন অপারেশন হতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে বিপাকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে, আমরা যখন দেখব যে, এক পক্ষ আরেক পক্ষকে বলছে, "Trail of evidence তো তোমাকে অপরাধী নির্দেশ করছে। যার বিপরীতে অভিযুক্ত পক্ষ অনুরূপ অভিযোগ প্রথম পক্ষের বিরুদ্ধেও উপস্থাপন করছে, তখন দু'পক্ষকে অপরাধী বলে ধরে নেওয়া জরুরি।"
কারণ, ওরা মূলত বিষয়টিকে ধামা-চাপা দিতে চেষ্টা করছে। যার জন্য একে-অপরের বিরুদ্ধে নানান উপায় ও ব্যক্তির মাধ্যমে অভিযোগ তুলে একপর্যায়ে অভিযোগে অভিযোগে সম্পূর্ণ বিষয়টি mutual cancellation করে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশে কি হয় কারো ধারণা নাই। Edward Snowden এর লিক করে দেওয়া ফাইলে বাংলাদেশের বিষয়েও নানান বিষয় ছিল। আমাদের কারো জানা আছে সেটা?
ওখানে বলা হয়েছিল যে, নিউজিল্যাণ্ডের Government Communications Security Bureau (GCSB) বাংলাদেশে ওদের লিসেনিং স্টেশন দ্বারা Five Eyes এর পক্ষ থেকে মনিটরিং তৎপরতা পরিচালনা করে। আলোচ্য অপারেশন মার্কিন ও ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জরুরি অপারেশনাল তৎপরতায় নিয়মিত বিভিন্ন সময়ে মূল্যবান সহায় তা করতে সমর্থ হয়েছে। এটি আমেরিকার National Security Agency (NSA) এর গোপন ফাইলের কথা। আমি বানিয়ে বলছি না। অনুসন্ধান করে দেখুন নিজের থেকে। তাহলে, ইণ্ডিয়া এমন একটা স্পর্শকাতর অপারেশন করেছে একাকী? পিলখানা ইণ্ডিয়া একলা করেছে? ওদের পক্ষে সম্ভব ছিল না।
চিন্তা করে দেখার বিষয়। আমি যা বললাম এখানে, এগুলো নিয়ে গভীর চিন্তা করুন। গভীরভাবে চিন্তা করুন। নিজের নায়কদের, রাজনৈতিক নায়কদের বিশেষ করে, খলনায়ক মনে করতে শুরু করুন। মনে রাখবেন, এটি একটি কলোনি। ওসমান হাদির বড় ভাইকে এতগুলো দেশ রেখে লণ্ডনে কেন যেতে হলো? চিন্তা করেছেন কি কখনো?
ধন্যবাদ।
❤88👍37😨5
আমি সাধারণত "I told you so" জাতীয় কথা এড়িয়ে চলি। তবে, পাকিস্তানের বর্তমান গতিবিধি দর্শনের পর আমি আজ বলব, I told you so!
পাকিস্তানের বর্তমান সরকার লাহোর অঞ্চলে যেসব সড়ক, মহল্লা, চত্বরের নাম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্মের পর মুসলিম নামে পরিবর্তন হয়েছিল, সেগুলো পাল্টে ওদের পূর্বেকার হিন্দু, শিখ, জৈন ও বৃটিশ নামে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও, জনরোষে পড়ার পর আপাতত প্রকল্প বিরতিতে রাখা হয়েছে। প্রকল্পের অধীনে,
০১|
লাহোরের ইসলামপুরা হবে কৃষাণ নগর।
০২|
রাহমান গলি হবে রাম গলি৷
০৩|
মাওলানা জাফর আলি খান চত্বর হবে লক্ষ্মী চক।
০৪|
বাবরি মসজিদ চত্বর হবে জৈন মন্দির চত্বর।
আর এগুলো স্রেফ কয়েকটি নামের মাঝে অন্যতম। পাকিস্তানের Khawaja Asif, যিনি কিনা দেশটির মিনিস্টার অব ডিফেন্স, মাত্র কয়েকটি দিন হলো মুসলিম জাতির অন্যতম মহানায়ক, উপমহাদেশে ইসলামের আগমনের অগ্রদূত, আমাদের ইতিহাসের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ সামরিক অধিনায়ক, মুহাম্মাদ বিন কাসিমকে নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে হাসি-ঠাট্টা করেছে! ওর ভাষায়,
"আরে! মুহাম্মাদ বিন কাসিম ছিল স্রেফ এক রাজনৈতিক লোক! তাকে নিয়ে কি ইতিহাস লিখেছে যে, কোথাকার কোন মহিলা সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছিল, আর সে এসে পড়েছিল!"
পাকিস্তানের বর্তমান মিনিস্টার অব ডিফেন্স এসময় আরো বলে যে,
"যারা পাকিস্তানের ইতিহাসকে মুসলিম ইতিহাসের মাঝে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে, ওরা জাতির শত্রু! আমাদের ইতিহাসে চন্দ্রগুপ্ত আছে, অশোক আছে!"
আমি বেশ দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি যে, পাকিস্তান ইণ্ডিয়ার সাথে নরমালাইজেশন করবে। আমার এটি নিয়ে অনেকগুলো বিস্তর বিশ্লেষণ আছে। মানুষ আজও হয়তো আমাকে বিশ্বাস করবে না। কারণ, গাধার দল সত্যিই মনে করে যে, পাকিস্তান ইণ্ডিয়ার শত্রু! পাকিস্তান যদি ইণ্ডিয়ার শত্রু হতো, তাহলে ঠিক যখন ইণ্ডিয়াতে মুসলিমদের নাম ও নিশানা মুছে দেওয়া হচ্ছে, তখন ওরা পাকিস্তানেও Bharatiya Janata Party (BJP) কে অনুসরণ করছে কেন!
আমি আবারো বলছি, রূপকথা হতে বেরিয়ে আসুন। আমরা ইণ্ডিয়ার হাতে আক্রান্ত হলে Pakistan Army আমাদের সাহায্য করবে না। ওদের বাস্তবতা আপনাদের সবচেয়ে আস্থাভাজন বিজ্ঞ লোকেরও জানা নাই।
জেনারেল মুহাম্মাদ বিন কাসিমকে পাকিস্তানের স্কুলের পাঠ্য-পুস্তকে The first Pakistani হিসাবে পড়ানো হয়। তাঁকে নিয়ে মিনিস্টার অব ডিফেন্স জাতির সামনে সরাসরি বসে কৌতুক করলে, পাকিস্তান কোথায় গিয়েছে আমার বলার দরকার আছে!
ধন্যবাদ।
পাকিস্তানের বর্তমান সরকার লাহোর অঞ্চলে যেসব সড়ক, মহল্লা, চত্বরের নাম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্মের পর মুসলিম নামে পরিবর্তন হয়েছিল, সেগুলো পাল্টে ওদের পূর্বেকার হিন্দু, শিখ, জৈন ও বৃটিশ নামে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও, জনরোষে পড়ার পর আপাতত প্রকল্প বিরতিতে রাখা হয়েছে। প্রকল্পের অধীনে,
০১|
লাহোরের ইসলামপুরা হবে কৃষাণ নগর।
০২|
রাহমান গলি হবে রাম গলি৷
০৩|
মাওলানা জাফর আলি খান চত্বর হবে লক্ষ্মী চক।
০৪|
বাবরি মসজিদ চত্বর হবে জৈন মন্দির চত্বর।
আর এগুলো স্রেফ কয়েকটি নামের মাঝে অন্যতম। পাকিস্তানের Khawaja Asif, যিনি কিনা দেশটির মিনিস্টার অব ডিফেন্স, মাত্র কয়েকটি দিন হলো মুসলিম জাতির অন্যতম মহানায়ক, উপমহাদেশে ইসলামের আগমনের অগ্রদূত, আমাদের ইতিহাসের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ সামরিক অধিনায়ক, মুহাম্মাদ বিন কাসিমকে নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে হাসি-ঠাট্টা করেছে! ওর ভাষায়,
"আরে! মুহাম্মাদ বিন কাসিম ছিল স্রেফ এক রাজনৈতিক লোক! তাকে নিয়ে কি ইতিহাস লিখেছে যে, কোথাকার কোন মহিলা সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছিল, আর সে এসে পড়েছিল!"
পাকিস্তানের বর্তমান মিনিস্টার অব ডিফেন্স এসময় আরো বলে যে,
"যারা পাকিস্তানের ইতিহাসকে মুসলিম ইতিহাসের মাঝে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে, ওরা জাতির শত্রু! আমাদের ইতিহাসে চন্দ্রগুপ্ত আছে, অশোক আছে!"
আমি বেশ দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি যে, পাকিস্তান ইণ্ডিয়ার সাথে নরমালাইজেশন করবে। আমার এটি নিয়ে অনেকগুলো বিস্তর বিশ্লেষণ আছে। মানুষ আজও হয়তো আমাকে বিশ্বাস করবে না। কারণ, গাধার দল সত্যিই মনে করে যে, পাকিস্তান ইণ্ডিয়ার শত্রু! পাকিস্তান যদি ইণ্ডিয়ার শত্রু হতো, তাহলে ঠিক যখন ইণ্ডিয়াতে মুসলিমদের নাম ও নিশানা মুছে দেওয়া হচ্ছে, তখন ওরা পাকিস্তানেও Bharatiya Janata Party (BJP) কে অনুসরণ করছে কেন!
আমি আবারো বলছি, রূপকথা হতে বেরিয়ে আসুন। আমরা ইণ্ডিয়ার হাতে আক্রান্ত হলে Pakistan Army আমাদের সাহায্য করবে না। ওদের বাস্তবতা আপনাদের সবচেয়ে আস্থাভাজন বিজ্ঞ লোকেরও জানা নাই।
জেনারেল মুহাম্মাদ বিন কাসিমকে পাকিস্তানের স্কুলের পাঠ্য-পুস্তকে The first Pakistani হিসাবে পড়ানো হয়। তাঁকে নিয়ে মিনিস্টার অব ডিফেন্স জাতির সামনে সরাসরি বসে কৌতুক করলে, পাকিস্তান কোথায় গিয়েছে আমার বলার দরকার আছে!
ধন্যবাদ।
😢104👍23❤16💯4😨4😁3👎2👏1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
মুহাম্মাদ বিন কাসিম ও পাকিস্তানের ইসলামি ইতিহাস সম্পর্কে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উদ্ধত ভাষায় কটূক্তি।
😢63🤬30😁3👏1😨1
সক্ষমতা সম্পন্ন বাংলাদেশি সংস্থাকে নিম্নোক্ত ফর্মটি নিয়ে বাংলাদেশের বিগত ১২ মাসের ধর্ষণের জরিপ করার অনুরোধ করা হলো।
(Incident Context)
০১|
ধর্ষিতার সাথে ধর্ষকের পূর্ব-সম্পর্ক কি ছিল?
(ক) অপরিচিত (খ) পরিচিত (গ) বন্ধু
(ঘ) প্রেমিক (ঙ) পরিবারের সদস্য
(চ) পদবি / দায়িত্ব / ক্ষমতাসম্পন্ন
০২|
অপরাধ সংঘটনের স্থান কোথায় ছিল?
(ক) ব্যক্তিগত আবাস (খ) জনসমাগমের স্থান
(গ) কর্মস্থল (ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ঙ) অনলাইন
০৩|
ধর্ষক তথা অপরাধীর সর্বমোট সংখ্যা কত?
(ক) ০১ (খ) ০১ এর অধিক
(Perpetrator Demographics)
০৪।
অপরাধীর বয়সসীমা কত?
(ক) অনূর্ধ্ব ১৮ বছর (খ) ১৮ হতে ২৪ বছর
(গ) ২৫ হতে ৩৪ বছর (ঘ) ৩৫ হতে ৫৪ বছর
(ঙ) ৫৫ হতে তদূর্ধ্ব (চ) অজানা
০৫|
অপরাধীর লিঙ্গ পরিচয় কি?
(ক) পুরুষ (খ) নারী
(গ) উভয় (ঘ) অজানা
(Geographic and Socioeconomic Background)
০৬|
অপরাধীর বসবাসের স্থানের ধরণ কি?
(ক) শহরাঞ্চল (খ) শহরতলী
(গ) প্রত্যন্ত অঞ্চল / গ্রাম
০৭|
নির্যাতিতার আবাসস্থল কেমন?
(ক) শহরাঞ্চল (খ) শহরতলী
(গ) প্রত্যন্ত অঞ্চল / গ্রাম
০৮|
অপরাধীর কর্মজীবনের অবস্থা কেমন?
(ক) কর্মজীবি (পূর্ণকালীন) (খ) কর্মজীবি (খণ্ডকালীন)
(খ) বেকার (গ) শিক্ষার্থী (ঘ) অবসরপ্রাপ্ত (ঙ) অজানা
০৯|
অপরাধীর ধর্ম কি?
(ক) ইসলাম (খ) হিন্দু (গ) বৌদ্ধ
(ঘ) খৃস্টান (ঙ) মিশ্র (চ) অন্যান্য
১০|
নির্যাতিতার ধর্ম কি?
(ক) ইসলাম (খ) হিন্দু (গ) বৌদ্ধ
(ঘ) খৃস্টান (ঙ) অন্যান্য
১১|
অপরাধীর নিজস্ব ও পারিবারিক সম্পদের পরিমাণ কেমন?
(ক) নিম্নবিত্ত (খ) মধ্যবিত্ত
(গ) উচ্চবিত্ত (ঘ) অজানা
১২|
নির্যাতিতার নিজস্ব ও পারিবারিক সম্পদের পরিমাণ কেমন?
(ক) নিম্নবিত্ত (খ) মধ্যবিত্ত
(গ) উচ্চবিত্ত (ঘ) অজানা
১৩|
অপরাধীর সর্বোচ্চ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাত্রা কতখানি?
(ক) প্রাথমিক (খ) মাধ্যমিক
(গ) উচ্চ-মাধ্যমিক (ঘ) বিশ্ববিদ্যালয় (ঙ) অন্যান্য
(Community and Social Status)
১৪|
অপরাধীর সামাজিক অবস্থান কেমন ছিল?
(ক) প্রভাবশালী (খ) সাধারণ / মধ্যম
(গ) নিম্ন পর্যায়ের (ঘ) অজানা
১৫|
ধর্ষণের ন্যায় নারকীয় অপরাধ সংঘটনের পর অপরাধীর বর্তমান সামাজিক অবস্থান কি?
(ক) প্রভাবশালী (খ) সাধারণ / মধ্যম
(গ) নিম্ন পর্যায়ের (ঘ) অজানা
১৬|
নির্যাতিত হওয়ার কালে নির্যাতিতার ও তাঁর পরিবারের সামাজিক অবস্থান কেমন ছিল?
(ক) প্রভাবশালী (খ) সাধারণ / মধ্যম
(গ) নিম্ন পর্যায়ের (ঘ) অজানা
১৭|
নির্যাতিত হওয়ার পর নির্যাতিতার ও তাঁর পরিবারের সামাজিক অবস্থান কেমন?
(ক) অবনতি ঘটেছে (খ) উন্নতি হয়েছে
(গ) পূর্বের অবস্থানে রয়েছে
১৮|
শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণ সংঘটনের কালে নির্যাতক / অপরাধীর নির্যাতিতার ওপরে কর্তৃত্ব বা প্রভাব রাখা সংক্রান্ত পরিস্থিতি কেমন ছিল?
(ক) নির্যাতিতার ওপরে কর্তৃত্ব ধারী ছিল
(খ) সমপর্যায়ের ছিল
(গ) নিম্ন পর্যায়ের ছিল
১৯|
শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণ সংঘটনের পর নির্যাতক / অপরাধীর নির্যাতিতার ওপরে কর্তৃত্ব বা প্রভাব রাখা সংক্রান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে কেমন পরিবর্তিত হয়েছে?
(ক) এখনো কর্তৃত্ব ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছে
(খ) বর্তমানে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে
(গ) অনিশ্চিত
ফর্মটি নিয়ে যাদের সক্ষমতা রয়েছে, আন্তরিকতার সাথে জরিপ সম্পন্ন করার পর নিজেদের Platform ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ফলাফল অবগত করবার অনুরোধ করা হলো।
ধন্যবাদ।
(Incident Context)
০১|
ধর্ষিতার সাথে ধর্ষকের পূর্ব-সম্পর্ক কি ছিল?
(ক) অপরিচিত (খ) পরিচিত (গ) বন্ধু
(ঘ) প্রেমিক (ঙ) পরিবারের সদস্য
(চ) পদবি / দায়িত্ব / ক্ষমতাসম্পন্ন
০২|
অপরাধ সংঘটনের স্থান কোথায় ছিল?
(ক) ব্যক্তিগত আবাস (খ) জনসমাগমের স্থান
(গ) কর্মস্থল (ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ঙ) অনলাইন
০৩|
ধর্ষক তথা অপরাধীর সর্বমোট সংখ্যা কত?
(ক) ০১ (খ) ০১ এর অধিক
(Perpetrator Demographics)
০৪।
অপরাধীর বয়সসীমা কত?
(ক) অনূর্ধ্ব ১৮ বছর (খ) ১৮ হতে ২৪ বছর
(গ) ২৫ হতে ৩৪ বছর (ঘ) ৩৫ হতে ৫৪ বছর
(ঙ) ৫৫ হতে তদূর্ধ্ব (চ) অজানা
০৫|
অপরাধীর লিঙ্গ পরিচয় কি?
(ক) পুরুষ (খ) নারী
(গ) উভয় (ঘ) অজানা
(Geographic and Socioeconomic Background)
০৬|
অপরাধীর বসবাসের স্থানের ধরণ কি?
(ক) শহরাঞ্চল (খ) শহরতলী
(গ) প্রত্যন্ত অঞ্চল / গ্রাম
০৭|
নির্যাতিতার আবাসস্থল কেমন?
(ক) শহরাঞ্চল (খ) শহরতলী
(গ) প্রত্যন্ত অঞ্চল / গ্রাম
০৮|
অপরাধীর কর্মজীবনের অবস্থা কেমন?
(ক) কর্মজীবি (পূর্ণকালীন) (খ) কর্মজীবি (খণ্ডকালীন)
(খ) বেকার (গ) শিক্ষার্থী (ঘ) অবসরপ্রাপ্ত (ঙ) অজানা
০৯|
অপরাধীর ধর্ম কি?
(ক) ইসলাম (খ) হিন্দু (গ) বৌদ্ধ
(ঘ) খৃস্টান (ঙ) মিশ্র (চ) অন্যান্য
১০|
নির্যাতিতার ধর্ম কি?
(ক) ইসলাম (খ) হিন্দু (গ) বৌদ্ধ
(ঘ) খৃস্টান (ঙ) অন্যান্য
১১|
অপরাধীর নিজস্ব ও পারিবারিক সম্পদের পরিমাণ কেমন?
(ক) নিম্নবিত্ত (খ) মধ্যবিত্ত
(গ) উচ্চবিত্ত (ঘ) অজানা
১২|
নির্যাতিতার নিজস্ব ও পারিবারিক সম্পদের পরিমাণ কেমন?
(ক) নিম্নবিত্ত (খ) মধ্যবিত্ত
(গ) উচ্চবিত্ত (ঘ) অজানা
১৩|
অপরাধীর সর্বোচ্চ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাত্রা কতখানি?
(ক) প্রাথমিক (খ) মাধ্যমিক
(গ) উচ্চ-মাধ্যমিক (ঘ) বিশ্ববিদ্যালয় (ঙ) অন্যান্য
(Community and Social Status)
১৪|
অপরাধীর সামাজিক অবস্থান কেমন ছিল?
(ক) প্রভাবশালী (খ) সাধারণ / মধ্যম
(গ) নিম্ন পর্যায়ের (ঘ) অজানা
১৫|
ধর্ষণের ন্যায় নারকীয় অপরাধ সংঘটনের পর অপরাধীর বর্তমান সামাজিক অবস্থান কি?
(ক) প্রভাবশালী (খ) সাধারণ / মধ্যম
(গ) নিম্ন পর্যায়ের (ঘ) অজানা
১৬|
নির্যাতিত হওয়ার কালে নির্যাতিতার ও তাঁর পরিবারের সামাজিক অবস্থান কেমন ছিল?
(ক) প্রভাবশালী (খ) সাধারণ / মধ্যম
(গ) নিম্ন পর্যায়ের (ঘ) অজানা
১৭|
নির্যাতিত হওয়ার পর নির্যাতিতার ও তাঁর পরিবারের সামাজিক অবস্থান কেমন?
(ক) অবনতি ঘটেছে (খ) উন্নতি হয়েছে
(গ) পূর্বের অবস্থানে রয়েছে
১৮|
শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণ সংঘটনের কালে নির্যাতক / অপরাধীর নির্যাতিতার ওপরে কর্তৃত্ব বা প্রভাব রাখা সংক্রান্ত পরিস্থিতি কেমন ছিল?
(ক) নির্যাতিতার ওপরে কর্তৃত্ব ধারী ছিল
(খ) সমপর্যায়ের ছিল
(গ) নিম্ন পর্যায়ের ছিল
১৯|
শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণ সংঘটনের পর নির্যাতক / অপরাধীর নির্যাতিতার ওপরে কর্তৃত্ব বা প্রভাব রাখা সংক্রান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে কেমন পরিবর্তিত হয়েছে?
(ক) এখনো কর্তৃত্ব ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছে
(খ) বর্তমানে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে
(গ) অনিশ্চিত
ফর্মটি নিয়ে যাদের সক্ষমতা রয়েছে, আন্তরিকতার সাথে জরিপ সম্পন্ন করার পর নিজেদের Platform ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ফলাফল অবগত করবার অনুরোধ করা হলো।
ধন্যবাদ।
😢51👍30❤14
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
"Said (Prophet Musa): 'I did it then, while I was (as you think) in error'."
"So I fled from you when I feared you, then my Lord granted me wisdom and made me of the Messengers."
"So I fled from you when I feared you, then my Lord granted me wisdom and made me of the Messengers."
❤95
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আজ ইণ্ডিয়ার নবাগত রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে এসেছে। দেশে আগমনের পর যার সাথে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎ হয়েছে। যেখানে জার্নালিস্টরা সাংবাদিক কম, দালালের আচরণ করেছে বেশি।
যেমন, এই রিপোর্টের ০১ মিনিট ৩৬ সেকেণ্ডে কি বলা হলো শুনুন। এটা বাংলাদেশের কোন সাংবাদিক ছিল! কত বড় ভয়ানক ব্যক্তি! সে নবাগত ইণ্ডিয়ান রাষ্ট্রদূতকে কি বলেছে শুনুন,
"আমরা তো ছোট্ট রাষ্ট্র! আপনারা তো বিরাট শক্তি! আপনারা আমাদের লালন-পালন করবেন!"
এটা কেমন কথা! ঠিক এই সময়ে আমাদের Border Guard Bangladesh সীমান্তে আমাদের জনতাকে সাথে নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইণ্ডিয়ার বীভৎস সব কর্মকাণ্ড প্রতিহত করছে। আর এদিকে এরা প্রশ্ন না করে সাংবাদিকতার নামে দেশের ভেতরে বসে শত্রুর লেজুড়বৃত্তি করছে! কি চরম ভয়ানক লোক এরা!
যেমন, এই রিপোর্টের ০১ মিনিট ৩৬ সেকেণ্ডে কি বলা হলো শুনুন। এটা বাংলাদেশের কোন সাংবাদিক ছিল! কত বড় ভয়ানক ব্যক্তি! সে নবাগত ইণ্ডিয়ান রাষ্ট্রদূতকে কি বলেছে শুনুন,
"আমরা তো ছোট্ট রাষ্ট্র! আপনারা তো বিরাট শক্তি! আপনারা আমাদের লালন-পালন করবেন!"
এটা কেমন কথা! ঠিক এই সময়ে আমাদের Border Guard Bangladesh সীমান্তে আমাদের জনতাকে সাথে নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইণ্ডিয়ার বীভৎস সব কর্মকাণ্ড প্রতিহত করছে। আর এদিকে এরা প্রশ্ন না করে সাংবাদিকতার নামে দেশের ভেতরে বসে শত্রুর লেজুড়বৃত্তি করছে! কি চরম ভয়ানক লোক এরা!
🤬171😢45👏3⚡1❤1👍1
বাংলাদেশে ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও বর্তমানে ইসরায়েলের হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের মতামতকে প্রভাবিত করার দায়িত্বে থাকা সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর মন্তব্য অনেকে ধরতে পারেননি। আমি ভেঙে বলছি।
ইসরায়েল কিন্তু শুধুমাত্র HAMA$ কে HAMA$ বলে না। ইসরায়েলের চোখে ইসলামপন্থী মতাদর্শ লালনকারী মাত্রই HAMA$। আপনারা যা নিয়মিত দেখে থাকেন। বাংলাদেশে HAMA$ বলতে সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী সুনির্দিষ্ট করে বলেছে যে, আমাদের দেশে সাম্প্রতিককালে চলমান "কালিমার পতাকা উত্তোলন" শীর্ষক যে আন্দোলন, তা মূলত HAMA$ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। Twitter এ সে সরাসরি পতাকা উত্তোলনের ফুটেজ জুড়ে দিয়ে কথাগুলি বলেছে।
মূলত, বাংলাদেশের জনসাধারণের জুলাই গণ-অভ্যূত্থান ও এরপর আমাদের পুরো দেশে ইসলামি মানসিকতার ব্যক্তিত্বদের ব্যাপক জাগরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ইসরায়েলের জন্য চরম হুমকির কারণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সংখ্যক একক জাতিসত্তার মুসলিম বসবাস করেন। এখানে ইসলামপন্থা সরাসরি নিজের নিশান ও শ্লোগান সহ বিস্তীর্ণ হতে শুরু করলে এটি ইসরায়েলের জন্য প্রচণ্ড ভয়ংকর হুমকি। সুতরাং, Israeli Intelligence Community বর্তমানে অংকুরেই দেশের পতাকা উত্তোলনকারী গোষ্ঠী, যারা কিনা সবচেয়ে আন্তরিক ও দেশের সবচেয়ে দেশপ্রেমিক জনতা, তাঁদের জনপ্রিয়তা নষ্ট করে দিয়ে আমাদের দেশকে পুনরায় শতবর্ষের অতল গহ্বরে ঠেলে দিতে চায়।
এজন্য, আপনারা সতর্ক হোন। মানুষকে ব্যাপকভাবে সচেতন করুন। এসমস্ত পতাকা হুমকি নয়। পতাকাধারীরাও হুমকি নয়। এরা এই মাটির সন্তান। তবে, সতর্ক না হলে সত্যিকার হুমকি এসে দেশের প্রচণ্ড ক্ষয়-ক্ষতি করে এখানে তারপর তাঁদের হুমকি বানিয়ে রেখে যাবে। এটা যেন ঘটতে না পারে।
ধন্যবাদ।
ইসরায়েল কিন্তু শুধুমাত্র HAMA$ কে HAMA$ বলে না। ইসরায়েলের চোখে ইসলামপন্থী মতাদর্শ লালনকারী মাত্রই HAMA$। আপনারা যা নিয়মিত দেখে থাকেন। বাংলাদেশে HAMA$ বলতে সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী সুনির্দিষ্ট করে বলেছে যে, আমাদের দেশে সাম্প্রতিককালে চলমান "কালিমার পতাকা উত্তোলন" শীর্ষক যে আন্দোলন, তা মূলত HAMA$ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। Twitter এ সে সরাসরি পতাকা উত্তোলনের ফুটেজ জুড়ে দিয়ে কথাগুলি বলেছে।
মূলত, বাংলাদেশের জনসাধারণের জুলাই গণ-অভ্যূত্থান ও এরপর আমাদের পুরো দেশে ইসলামি মানসিকতার ব্যক্তিত্বদের ব্যাপক জাগরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ইসরায়েলের জন্য চরম হুমকির কারণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সংখ্যক একক জাতিসত্তার মুসলিম বসবাস করেন। এখানে ইসলামপন্থা সরাসরি নিজের নিশান ও শ্লোগান সহ বিস্তীর্ণ হতে শুরু করলে এটি ইসরায়েলের জন্য প্রচণ্ড ভয়ংকর হুমকি। সুতরাং, Israeli Intelligence Community বর্তমানে অংকুরেই দেশের পতাকা উত্তোলনকারী গোষ্ঠী, যারা কিনা সবচেয়ে আন্তরিক ও দেশের সবচেয়ে দেশপ্রেমিক জনতা, তাঁদের জনপ্রিয়তা নষ্ট করে দিয়ে আমাদের দেশকে পুনরায় শতবর্ষের অতল গহ্বরে ঠেলে দিতে চায়।
এজন্য, আপনারা সতর্ক হোন। মানুষকে ব্যাপকভাবে সচেতন করুন। এসমস্ত পতাকা হুমকি নয়। পতাকাধারীরাও হুমকি নয়। এরা এই মাটির সন্তান। তবে, সতর্ক না হলে সত্যিকার হুমকি এসে দেশের প্রচণ্ড ক্ষয়-ক্ষতি করে এখানে তারপর তাঁদের হুমকি বানিয়ে রেখে যাবে। এটা যেন ঘটতে না পারে।
ধন্যবাদ।
👍181❤47🔥39😁1