বৈষম্য ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন।(Uttara)
161 subscribers
64 photos
24 videos
8 links
আন্দোলন এর কর্মসূচি ঘোষণা ও আন্দোলন সফল এর উদ্দেশ্যে আলোচনা করাই প্রধান কাজ এখানে।
Download Telegram
Important notice!!!!


আগামীকাল এর কর্মসূচি সকালে আমরা Iubat থেকে বাজার মনিটরিং এর জন্য একটা গ্রুপ নিয়ে বের হবো। সাথে আমাদের ইউনিভার্সিটি এর ফ্যাকাল্টি মেম্বার রাও উপস্থিত থাকবে।

নিজ ইচ্ছায় যারা সাথে যোগদান করতে চান কাল সকল ১০.৩০ নগদ Iubat university এর সামনে উপস্থিত থাকার ঘোষণা করা হলো।
👍1
আমাদের আসলেই 'যু'দ্ধবিরতি' ছিলো এতোদিন! যু'দ্ধ এখনো শেষ হয়নাই! শ'ত্রু রা ফিরে ফিরে আসবে,আমরা আবার প্রতিরোধ করবো!
দেশ এখনো 'স্বাধীন' হয়নাই, এখনো মানুষের মন থেকে 'ভয়' দূর হয়নাই৷ এখনো যারা চলে গিয়েছিলো,তারা ফিরে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে৷ সেটা ১৫ আগষ্ট হতে পারে বা অন্য কোনো দিন ও হতে পারে৷

আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, দেশের জন্য,নিজেদের স্বাধীনতার জন্য!
'যু'দ্ধ এখনো শেষ হয়নাই!'
👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে, ছাত্র ছাত্রীরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানোর সময় তারা হাসপাতালে বিভিন্ন অসংগতি চিহ্নিত করে তত্ত্বাবধায়ক রতন কুমার রায় এর নিকট অভিযোগ দিলে তিনি ছাত্রদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি দেয়।
চার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা

বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে অন্তত ৩৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব ছিল

আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে একেকটি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে আদর্শ ব্যয়মান প্রতি মেগাওয়াট ১ মিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি, বর্তমান বিনিময় হারে যা ১২ কোটি টাকার সমপরিমাণ (প্রতি ডলারে ১১৮ টাকা ধরে)। সেই হিসেবে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যয় হওয়ার কথা ১৫ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। আর এ সক্ষমতার চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যয় হওয়ার কথা ৬৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা।

যদিও সরকারের এসব প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, চারটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা। সেই হিসেবে চার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অন্তত ৬১ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে।
👍1
কাল ভার্সিটির উত্তর পাশের বাস গ্যারেজে বিএনপির কিসু দালাল ও তাবলীগ জামাতের কিসু লোক জায়গার দখল করবে সকাল আটটা এর দিকে। পারলে আপনার থাকবেন। যাহারা এখন ভাড়া আছে তারা স্টুডেন্টদের হেল্প কামনা করসে। তারা আমার কাছে একটা লেটার দিসে সমন্বয়ক আইইউবিএটি বরাবর। কি করাযায় সব নির্ভর করবে আপনাদের উপর।

Kal jara sector e achi tara amra ei dokhol kora kaj theke tader protihoto korbo.

Amader ashai boshe ache onk lok
3
শিক্ষার্থীদের দাবিসমূহ:

১. রেজিস্ট্রার এবং প্রক্টর এর পদত্যাগ করতে হবে। (ভিকটিমদের প্রমাণ প্রমাণিত হওয়ার সাথে সাথে তাদেরকে বহিষ্কার করতে হবে)

২. ড্রেস কোড সংস্কার: নারী শিক্ষার্থী এবং শিক্ষিকাদের যেকোনো প্রেজেন্টেশন, ভাইবা, পরীক্ষা, ক্লাস ইত্যাদির ক্ষেত্রে ধর্মীয়ভাবে অনুমোদিত পোশাক পরিধানে কোনো রকম বাধা প্রদান করা যাবে না৷ পুরুষ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের টাই এবং টাক ইন ব্যাপারে স্বাধীনতা
দিতে হবে। সরাসরি টাই এবং টাক ইন বাতিল করতে হবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ড্রেস কোড প্রয়োগ করা যাবে না৷

৩. আবশ্যকতা: আইইউবিএটি এর ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের IEB এবং এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্টের KIB মেম্বারশিপ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের রোডম্যাপ ৭ দিনের মধ্যে নোটিশের মাধ্যমে জানাতে হবে।

৪. গ্রেডিং সিস্টেম: ১ টি মার্কশীটে ২ টি গ্রেডিং সিস্টেম থাকতে পারেনা, এটি দেশের বাইরের কোনো ইউনিভার্সিটি সমর্থন করেনা। তাই আমাদের সবার আগের গ্রেড নতুন UGC এর গ্রেডিং'য়ে কনভার্ট করতে হবে।

৫. মিড ও ফাইনালের সিলেবাস আলাদা করতে হবে।

৬. সার্টিফিকেটে প্রয়োজনীয় তথ্য: সার্টিফিকেটে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে(CGPA উল্লেখ এবং কাজগের মান বৃদ্ধি)।

৭. সার্বক্ষণিক মসজিদ খোলা রাখা: বিশ্ববিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে মসজিদ সার্বক্ষণিক খোলা রাখতে হবে। প্রয়োজনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গার্ড নিয়োগ করতে হবে এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. রেজিস্ট্রেশন ফি, জরিমানা ও রিটেক ফি: রেজিস্ট্রেশন ফি দেওয়ার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জরিমানা প্রত্যাহার করতে হবে। রিটেক ফি মোট কোর্স ফি এর ৫০% করতে হবে। (১৪ তারিখের পর আর রেজিস্ট্রেশন করা যাবেনা, এমন কোনো দাবি মানিনা)

৯. ধর্মীয় ছুটি ও মেকআপ ক্লাস: সরস্বতী পূজায় একদিন এবং দুর্গাপূজায় কমপক্ষে তিন দিন বন্ধ দিতে হবে৷ এছাড়া, সরকারি ছুটিতে কোনো মেকআপ ক্লাস নেওয়া যাবে না৷ শুক্রবারে কোনো অনলাইন বা অফলাইন ক্লাস নেওয়া যাবে না।

১০. সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি সহনশীল আচরণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে কর্তৃপক্ষকে সহনশীল আচরণ করতে হবে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে যে কোনো দুর্ব্যবহার কারীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষক, শিক্ষিকা, কর্তৃপক্ষ এবং স্টাফদের শিক্ষার্থীদের সাথে সহনশীল আচরণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে এবং মতের মূল্যায়ন করতে হবে৷ প্রমাণ সাপেক্ষে দুর্ব্যবহার কারীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত আসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

১১. শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য নীতিমালা: শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নির্ধারিত ক্লাস সংখ্যা সীমিত করতে হবে এবং পর্যাপ্ত কোয়ালিটিফুল শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করতে হবে। এছাড়া, অনলাইনে মেকআপ ক্লাস নেওয়ার স্বাধীনতা দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সহনশীল আচরণ করতে হবে৷

১২. ল্যাব ফ্যাসিলিটি উন্নয়ন: পর্যাপ্ত ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ করতে হবে এবং ল্যাব ফ্যাসিলিটি বাড়াতে হবে৷ ল্যাব আ্যাসিস্ট্যান্টের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিসের জন্য নির্ধারিত ক্লাস সময়ের বাইরেও ল্যাব উন্মুক্ত রাখতে হবে৷

১৩. ক্যান্টিনের মান উন্নয়ন: ক্যান্টিনে খাবারের গুণগত মান উন্নত করতে হবে এবং আলোচনার ভিত্তিতে খাবারের মূল্য কমিয়ে শিক্ষার্থীদের সামর্থ্যের মধ্যে রাখতে হবে।

১৪. ক্রীড়া সুবিধা: খেলার মাঠের গুণগত মান উন্নয়নে এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নে কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগী হতে হবে৷ ইনডোর ত্রীড়া ব্যতীত অন্য কোনো কার্যক্রম ইনডোরে সম্পন্ন করা যাবে না।

১৫. পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি: শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থার মান উন্নত করতে হবে৷ (এক্সট্রা পরিবহন ফি দিতে হবে এমন কোনো সমাধান মানি না)

১৬. অ্যাটেনডেন্স বিষয়ে সহনশীলতা: অ্যাটেনডেন্সের ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহনশীল হতে হবে৷ ক্লাস শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে কোনো রকম অ্যাটেনডেন্স নেয়া যাবেনা।

১৭. কোর্স অফারিং সংক্রান্ত সমস্যা: প্রয়োজন অনুযায়ী আসন সংখ্যা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোর্স অফারিং সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে হবে৷

১৮. অতিরিক্ত কোর্স চাপিয়ে দেওয়া: নির্ধারিত কোর্সের বাইরে অতিরিক্ত কোর্স চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

১৯. লাইব্রেরী ব্যবস্থাপনা: লাইব্রেরিতে পানির বোতল এবং কোর্স সংক্রান্ত বই, শীট ইত্যাদি নিয়ে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাবে না৷ লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ কোনো শিক্ষার্থীদের সাথে রূঢ় বা খারাপ আচরন করতে পারবে না।

২০. ক্রেডিট ট্রান্সফার: ক্রেডিট ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে কোনো রকম ঝামেলা প্রদান করা যাবেনা, তার পাশাপাশি অতিরিক্ত কোনো টাকা নেয়া যাবেনা।

২১. নতুন মুখপাত্র: বর্তমান সকল ডিন পরিবর্তন করতে হবে এবং নতুন ডিন ৪ বছর মেয়াদে নিয়োগ দিতে হবে।
২২. নোটিশ সংক্রান্ত: ইউনিভার্সিটির সকল নোটিশ অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সকল শিক্ষার্থীদের ইমেইল করতে হবে।

২৩. গার্ডিয়ান হয়রানি: সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট এর জন্য গার্ডিয়ান ডেকে সকল প্রকার হয়রানি বন্ধ করতে হবে। কোনো অনাকাঙ্খিত কারনে যদি গার্ডিয়ান ক্যাম্পাসে আসে তাহলে তাদের সাথে সম্মানের সাথে ব্যবহার করতে হবে।

২৪. কমপ্লেইন বক্স: সিসি ক্যামেরা মুক্ত জায়গায় কমপ্লেইন বক্স স্থাপন করতে হবে এবং প্রতি সপ্তাহে সকল কমপ্লেইন এর সমাধান করে আপডেট নোটিশ বোর্ডে সংযুক্ত করতে হবে।

২৫. WiFi রহস্য: আইইউবিএটি এর প্রত্যেকটি পয়েন্টে হাই স্পিড WiFi প্রদান করতে হবে।

২৬. কনসালট্যান্সি রুম সমাচার: কনসালট্যান্সি রুমে ফ্যাকাল্টিদের সাথে একাডেমিক সমস্যা সমাধান এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিজেদের অধ্যায়ন করার সুযোগ দিতে হবে।

২৭. হয়রানিমূলক আচরণ: চলমান দাবির পক্ষে এবং আন্দোলনে যুক্ত থাকা যেকোনো সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কোনো প্রকার হয়রানিমূলক বা শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে না৷

উপসংহার

উল্লেখিত দাবিসমূহ বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন ও বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষার্থীরা আহ্বান জানাচ্ছে৷ তারা আশা করছে, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে আইইউবিএটি একটি আদর্শ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও এগিয়ে যাবে। সকল দাবি লিখিতভাবে মেনে নেয়া পর্যন্ত, সকল ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা, এবং একাডেমিক কার্যক্রম বয়কট করছে সাধারন শিক্ষার্থীরা।

🎥 𝗕𝗿𝗼𝗮𝗱𝗰𝗮𝘀𝘁 𝗣𝗮𝗿𝘁𝗻𝗲𝗿 : 𝙏𝙝𝙚 𝘿𝙖𝙞𝙡𝙮 𝘾𝙖𝙢𝙥𝙪𝙨 𝙉𝙚𝙬𝙨 𝙤𝙧 𝙅𝙪𝙢𝙪𝙣𝙖 𝙏𝙚𝙡𝙚𝙫𝙞𝙨𝙞𝙤𝙣 ♥️
সবাইকে জানিয়ে সতর্ক করুন।
আগামী ২৪-৭২ ঘন্টায় দেশের বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা করা যাচ্ছে। নতুন নতুন জেলা প্লাবিত হবার আশংকা আছে।

বন্যায় সতর্কতা ও করণীয়:
* উঁচু ও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করুন।
* বাসায় পানি ঢুকেতে দেখলেই বিদ্যুৎ এর মেইনসুইচ ও গ্যাসের লাইন বন্ধ করুন।
* প্রাথমিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ জোগাড় করুন।
* শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি সহ প্রয়োজনীয় জিনিস কাছাকাছি রাখুন।
* শিশু-কিশোরদের দিকে খেয়াল রাখতে হবে যেন পানিতে নেমে না যায়।
* স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। জরুরী প্রয়োজনে ৯৯৯ নাম্বারে কল করুন।
* মোবাইলে চার্জ রাখুন।
* যাদের পুকুরে মাছ আছে, এখনো না ডুবে থাকলে জাল দিয়ে ঘেরাও করে রাখুন।
* গর্ত ডুবে যাওয়ায় সাপ এ সময় বের হয়ে আসবে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
* গরু/ছাগলের জন্য শুকনা খাবারের মজুত রাখুন।
* বৃষ্টির পানি যাতে ফুলের টব/ অন্য পাত্রে/ ডাবের খোসায় জমে না থাকে সে দিকে খেয়াল দিন।

সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষকে নিজ নিজ যায়গা থেকে এগিয়ে আসার অনুরোধ রইলো।
👍2
সবাই রাজুতে আসেন। স্বৈরাচারীশক্তি আনসার হয়ে ফিরে আসতে চাচ্ছে। দাবি মানার পরও আমাদের সবাইকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে।
🤬4👍1