Praachir - প্রাচীর
13.2K subscribers
3.48K photos
719 videos
216 files
1.02K links
আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ...

প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT
Download Telegram
জরুরী আবেদন ⚠️

কুরবানী প্রজেক্টে আমাদের এখন পর্যন্ত কালেকশন ১০,২০০ টাকা।

২০০ পরিবারেরকে গোশত ও বাজার দিতে গেলে এখনো প্রচুর টাকার দরকার কিন্তু আমাদের কালেকশন খুবই কম। @OnlineSadaqahBox এর দিকে চেয়ে আছে প্রায় ২০০ টি অসহায় পরিবার।

এজন্য আমরা চাইবো আপনারা ব্যক্তি গতভাবে কয়েকজন সহযোগিতা করলে আমরা অসহায় ও এতিম পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

❤️আপনার মূল্যবান সাদাকাহ/জাকাত প্রেরণ করুন-
➡️ 01889333859 (নগদ, রকেট,বিকাশ,উপায়)

❤️ ব্যাংকে দিতে ক্লিক করুন

আপডেটঃ ১০ মে ২০২৬
😢53
"নিয়ামত প্রাপ্তির পর আল্লাহর অবাধ্যতা করা নিয়ামত প্রাপ্তির আগে করা অবাধ্যতার চেয়ে বেশি গুরুতর পাপ। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَعَصَيْتُمْ مِنْ بَعْدِ مَا أَرَاكُمْ مَا تُحِبُّونَ
.
'এবং যা তোমরা ভালবাস তা তোমাদেরকে দেখাবার পর তোমরা অবাধ্য হলে'।[১]"[২]
.
~ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন [রাহ.]
.
[ ১) সূরা আলে ইমরান: ১৫২;
২) তাফসিরুল কুরআনিল কারীম-সূরাতু আলে ইমরান: ২/৩১৩]
13💔10😢9
কিছু সত্য আছে এমন যেগুলো ‘দৃষ্টিতে’ ধরা পড়ে না; ‘প্রভাবে’ ধরা পড়ে। যেমন
—রুহ তার প্রভাবে পরিচিত,
—ব্যথা তার প্রভাবে পরিচিত,
আর আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে পরিচিত। আকাশের অপরিমেয় বিস্তার, পাহাড়ের দৃঢ়তা, মানব মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ, জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাস—সব একসঙ্গে বলে—একজন মহান স্রষ্টা আছেন...এবং তিনি-ই আল্লাহ!

কবি চমৎকার বলেছেন
فَيا عَجَباً كَيفَ يُعصى الإِلَهُ
أَم كَيفَ يَجحَدُهُ الجاحِدُ
وَفي كُلِّ شَيءٍ لَهُ آيَةٌ
تَدُلُّ عَلى أَنَّهُ واحِدُ
وَلِلَّهِ في كُلِّ تَحريكَةٍ
وَتَسكينَةٍ أَبَداً شاهِدُ
হে বিস্ময়! মানুষ কীভাবে অবাধ্য হয়
নিজেরই পালনকর্তার?
কীভাবে অস্বীকার করে তাঁকে,
যাকে অস্বীকার করার উপায়ই নেই?
প্রতিটি সৃষ্টির ভাঁজে ভাঁজে,
প্রতিটি কণার গভীরে গভীরে,
তাঁরই নিদর্শন ঝলমল করে—
ঘোষণা দেয়—তিনিই এক, তিনিই একমাত্র।
মানুষের প্রতিটি নড়াচড়ায়,
প্রতিটি থেমে যাওয়ায়,
প্রতিটি শ্বাসে-প্রশ্বাসে—
সদাই আছে এক সাক্ষ্য :
আল্লাহ রয়েছেন, আল্লাহই সত্য।
#খুতুবাত

~ শাইখ উমায়ের কোব্বাদী হাফিযাহুল্লহ
24
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু ৪১৫।
😢29
আতা বিন সাইব [রাহ.] বলেন, যখন আবু বাকর (রা:) খলিফা নিযুক্ত হলেন, তখন এক সকালে তিনি কাঁধে কাপড় নিয়ে বের হলেন, যেগুলো দিয়ে তিনি ব্যবসা করতেন। তখন উমর (রা:) ও আবু উবাইদা (রা:) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে কথা বললেন। তিনি বললেন, “তাহলে (ব্যবসা না করলে) আমি আমার পরিবারের ভরণপোষণ কোথা থেকে করব?”
.
তাঁরা বললেন:,“চলুন, আমরা আপনার জন্য ভাতা নির্ধারণ করি।”
এরপর তারা তাঁর জন্য প্রতিদিন মাথা ও পেটের অংশসহ অর্ধেক ছাগল নির্ধারণ করলেন।
.
উমর (রা:`) বললেন, “বিচারকার্যের দায়িত্ব আমার উপর,” এবং আবু উবাইদা (রা:`) বললেন, “ফাই এর দেখাশোনার দায়িত্ব আমার উপর।”
.
পরে উমর (রাঃ) বলেন, “আমার জীবনে এমন সময়ও এসেছে যে, পুরো মাস কেটে গেছে কিন্তু দুই ব্যক্তি পর্যন্ত আমার কাছে বিরোধ নিয়ে আসেনি (অর্থাৎ এমন ইনসাফপূর্ণ শাসন ছিল)"।
.
[ ইমাম যাহাবী (রাহ.), তারিখুল ইসলাম: ৩/১১৩-১৪]
27
সংখ্যাটা ৪০০।
আক্রান্ত ৫১ হাজারের বেশী।
এগুলা শুধুই সংখ্যা।
Just a number.
😢22😁1
আলহামদুলিল্লাহ দেখতে দেখতে বৈবাহিক জীবনের ১২বছর কেটে গেছে। জীবনের হিসাবে বেশ লম্বা সময়। আল্লাহ তাআলার কাছে দুআ করি যেন বাকি জীবনটাও একসাথে আমরা কাটাতে পারি।
.
জীবনের অনেক চড়াই উৎরাই আমরা একত্রে পার করেছি। এর মাঝে সব ক্ষেত্রে মতে মিল হয়েছে এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। বিশেষ করে আমি আর আমার আহলিয়া দুজনের মাঝেই লজিক সেন্সটা প্রবল, কোনো কিছু এক্সেপ্ট করার আগে আমরা আরগু করি, ভাবি, এরপর ডিসিশন নেই।
.
জীবনের এতটা সময় একত্রে কাটিয়ে যা বুঝেছি যে কিছু শিক্ষা জীবনে বাস্তবায়ন করলে ইন শা আল্লাহ পারিবারিক জীবনে ভালো থাকা যায়:
১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
‌لَا ‌يَفْرَكْ ‌مُؤْمِنٌ ‌مُؤْمِنَةً، إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا آخَرَ،.
.
"কোনো মুমিন পুরুষ যেন কোনো মুমিন নারীকে (স্ত্রীকে) ঘৃণা না করে। যদি তার কোনো একটি চরিত্র বা অভ্যাস তার কাছে অপছন্দ হয়, তবে তার অন্য কোনো (সুন্দর) স্বভাবের কারণে সে তার ওপর সন্তুষ্ট হবে"। [১]
.
২) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
‌انْظُرْ ‌إِلَى ‌مَنْ ‌هو ‌تَحْتَكَ ‌وَلَا ‌تَنْظُرْ ‌إِلَى ‌مَنْ ‌هو ‌فَوْقَكَ، فَإِنَّهُ أَجْدَرُ أَنْ لَا تُزْدَرَى نِعْمَةُ اللهِ عِنْدَكَ
.
"তুমি তোমার থেকে নিচের লোকেদের দিকে দেখ, তোমার চেয়ে ওপরে যে আছে তার দিকে দেখো না। এটিই অধিক উপযোগি যাতে করে তুমি তোমার ওপর আল্লাহর দেয়া নিয়ামতকে তুচ্ছ মনে না কর"। [২]
.
৩) উমার [রা.] বলেছেন,
‌لَيْسَ ‌كُلُّ ‌الْبُيُوتِ ‌تُبْنَى ‌عَلَى ‌الْحُبِّ. وَلَكِنَّ النَّاسَ يَتَعَاشَرُونَ بِالْإِسْلَامِ وَالْإِحْسَانِ.
.
"সব ঘর ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে না। কিন্তু মানুষ ইসলাম ও ইহসানের মাধ্যমে একসাথে বসবাস করে"।[৩]
.
এই নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করলে ইন শা আল্লাহ পারিবারিক জীবনে ভালো থাকা যাবে।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে কল্যাণকর দাম্পত্য জীবন দান করুন-আমিন
.
[১) ইমাম মুসলিম (রাহ.), আস সহীহ, হা: ১৪৬৯;
২) ইমাম ইবনু হিব্বান (রাহ.), আস সহীহ, হা: ৮০৭, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ লি-গাইরিহ, সহীহুত তারগীব, হা: ২২৩৩;
৩) ইমাম সাফফারিনী (রাহ.), গিযাউল আলবাব: ১/১৪০]
37🥰1
"সুতরাং মানুষকে ভয় দেখিয়ে দূরে সরিয়ে দেওয়া সমীচীন নয়। আপনারামানুষকে বিতাড়িত করবেন না বরং তাদের প্রতি কোমল হন। এমনকি আল্লাহর পথে দাওয়াতের ক্ষেত্রেওমানুষকে এমনভাবে ডাকবেন না যাতে তারা দূরে সরে যায়। আপনি যখন কাউকে ভুল করতে দেখবেন, তখনতাকে এভাবে বলবেন না যে, ‘হে অমুক, তুমি তো সত্যের বিরোধিতা করেছ, তুমিতো পাপ করেছ, তোমার মাঝে এই এই সমস্যা আছে’, ইত্যাদি। এসবকথা তাদের মনে বিরক্তি ও ঘৃণার উদ্রেক করে এবং তাদের পাপের ওপর অবিচল থাকতে আরও উসকেদেয়। বরং তাদের সাথে নম্রতা ও কোমলতার সাথে কথা বলবেন, যাতেতারা আপনার প্রতি এবং আপনার দাওয়াতের প্রতি অনুরাগী হয়। আর এভাবেই আপনি নবী ﷺ-এর সেই নির্দেশেরওপর আমল করতে পারবে যেখানে তিনি বলেছেন, ‘সুসংবাদ দাও এবং ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দিও না’।"
.
~ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন [রাহ.]
.
[শারহু রিয়াদ্বিস সলিহীন: ৩/৫৯১]
10🔥10
আবু সাঈদ খুদরী [রা.] বর্ণনা করেছেন, একজন ব্যক্তি একবার নাজরান থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলেন। তাঁর হাতে ছিল সোনার আংটি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বললেন,
إِنَّكَ جِئْتَنِي ‌وَفِي ‌يَدِكَ ‌جَمْرَةٌ ‌مِنْ ‌نَارٍ
.
"হাতে জ্বলন্ত অঙ্গার নিয়ে তুমি আমার কাছে এসেছ!" [১]
.
"এই হাদিসে হারামে লিপ্ত ব্যক্তি থেকে বিমুখ হবার শিক্ষা রয়েছে।[২]
.
[১) ইমাম নাসাঈ (রাহ.), আস সুনানুল কুবরা, হা: ৯৪৩৫, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ, সহীহু সুনানিন নাসাঈ, হা: ৪৭৯৩;
২) শাইখ মুহাম্মাদ বিন আলী আল ইসিউবী (রাহ.), যাখিরাতুল উক্ববা: ৩৮/২৭৫]
13😁2
খোলাফায়ে রাশেদিনের বাইরে সাহাবীদের মধ্যে দু-একজনের নামও যদি কারও জানা থাকে, তাহলে মুআয ইবনে জাবাল রা.-এর নাম তার অজানা থাকার কথা নয়।

একদিন রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর হাত ধরে বললেন, 'মুআয! আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে ভালোবাসি।'

ভাবা যায়? যাঁর সততা নিয়ে শত্রুরাও কখনো সন্দেহ করেনি, সেই নবীর কথা নিয়ে কোনো সাহাবীর মনে সামান্য সংশয় আসতে পারে? তবুও তিনি ভালোবাসা প্রকাশ করতে আল্লাহর নামে কসম করলেন—যেন কথাটা মুআয রা.-এর অন্তরে গভীরভাবে বসে যায়।

মুআয রা. আবেগভরে বললেন, 'আমার মা-বাবা আপনার জন্য কোরবান হোক! আল্লাহর কসম, আমিও আপনাকে ভালোবাসি।'

তারপর রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, 'মুআয! আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি—প্রতিটি নামাজের পর এই দুআটি পড়তে কখনো ভুল করো না—

اللّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلٰى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনাকে স্মরণ করতে, আপনার শুকরিয়া আদায় করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আপনি আমাকে সাহায্য করুন।
[মুসনাদে আহমাদ : ২২১১৯; সুনানে আবু দাউদ : ১৫২৪]

~ শাইখ উমায়ের কোব্বাদী হাফিযাহুল্লহর টাইমলাইন থেকে
37
সামনে ভয়াবহ দিন আসতেছে
সব আমাদেরই হাতের কামাই
😢36
২০০ পরিবার চেয়ে আছে আপনার দিকে -

দেশের অনেক দূরবর্তী অঞ্চলে এখনো এমন মানুষ আছেন, যাদের কাছে ঈদের দিনেও একবেলা গোশত খাওয়া এক ধরনের স্বপ্ন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
আল্লাহর কাছে কুরবানির পশুর গোশত বা রক্ত পৌঁছায় না, বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।” (সহিহ মুসলিম)

❤️ আপনি যেভাবে যুক্ত হতে পারেন:
🎯কুরবানির খাদ্যসামগ্রী ১৫০০/-
🎯কুরবানী শেয়ার(১/৭ অংশ) ১৩০০০/-
🎯১ টি ছাগল ১৬০০০/-
🎯১ টি গরু (৭ অংশ ) ৯১০০০/-

🎯অথবা এগুলোর মধ্য থেকে যেকোন ১ টি মাধ্যমে যেকোনো মুল্যের অনুদান

❤️ অনুদান দিন-

❤️ যারা সরাসরি টাকা পাঠাবেনঃ

➡️ 01889333859 (নগদ,রকেট,উপায়, বিকাশ) (পার্সোনাল) 

❤️ ব্যাংকে দিতে ক্লিক করুন

আমাদের পূর্বের কার্যক্রম দেখতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
ওয়েবসাইটঃ https://www.onlinesadaqahbox.org/

আসন্ন কুরবানিতে @OnlineSadaqahBox ২০০ পরিবারের মাঝে গোশত বিতরণ করবে। আপনার ছোট্ট একটি অংশগ্রহণই একটি পরিবারের ঈদের আনন্দ হয়ে উঠতে পারে।

এই কুরবানিতে @OnlineSadaqahBox এর সাথে যুক্ত হোন—ক্ষুধার্তদের পাশে দাঁড়ান।
🥰5😁1
ক্যারিয়ার মানে কি কেবল স্যালারির বৃদ্ধি, নাকি জীবনের স্বস্তিও সাথে বৃদ্ধি পাওয়া?
.
(সম্পূর্ন পড়ুন নিচের পোস্টে..)
4
Praachir - প্রাচীর
ক্যারিয়ার মানে কি কেবল স্যালারির বৃদ্ধি, নাকি জীবনের স্বস্তিও সাথে বৃদ্ধি পাওয়া? . (সম্পূর্ন পড়ুন নিচের পোস্টে..)
ক্যারিয়ার মানে কি কেবল স্যালারির বৃদ্ধি, নাকি জীবনের স্বস্তিও সাথে বৃদ্ধি পাওয়া?
.
এই প্রশ্নের উত্তরটা সবাই জানি। সবাই বুঝিও। কিন্তু বাস্তবে আমরা স্যালারি বাড়ানো নিয়ে যতটা পেরেশান, 'বারাকাহ' নিয়ে তার অর্ধেকও ভাবি না।
.
আসলে অংকটা খুব সহজ। আপনি মাসে ২ লাখ টাকা ইনকাম করলেন, কিন্তু মাস শেষে দেখা গেল বড় একটা অংশ চলে যাচ্ছে হাসপাতালের বিলে কিংবা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলায়। এটাই হলো বারাকা-হীন ক্যারিয়ার, টাকা আসলো ঠিকই, কিন্তু শান্তি ধরা দিলো না।
.
আবার অন্য দিকে দেখুন। কারো ইনকাম হয়তো স্রেফ 'চলনসই'। কিন্তু সেই সামান্য টাকাতেই তার বাবা-মায়ের চিকিৎসা হচ্ছে, স্ত্রী-বাচ্চার মুখে হাসি ফুটছে আর দিনশেষে সে শান্তিতে ঘুমাচ্ছে। মোটকথা, বারাকাহ আসলে একটা 'অদৃশ্য মাল্টিপ্লায়ার', যা আপনার বর্তমান অবস্থাকে আপনার জন্য 'যথেষ্ট' বানিয়ে দেয়।
.
ক্যারিয়ারে এই বারাকাহ স্রেফ হাড়ভাঙা খাটুনিতে আসে না। আসে—
.
— কাজের শুরুতে নিয়ত ঠিক রাখলে
— নিজের সাথে সততা এবং প্রতিষ্ঠানের কাছে স্বচ্ছতা বজায় রাখলে।
— কম্ফোর্টের জোনের বাহিরে গেলে এবং সবসময় প্লান ওয়াইজ আগালে।
— সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করলে
— রেজাল্ট যেমনই হোক, প্রতিবার রেজাল্ট অনুযায়ী প্রোডাক্টিভ স্টেপ নিলে।
.
তবে এটাও মনে রাখা জরুরী, ক্যারিয়ার হয়তো আপনাকে দামী একটা বেড উপহার দিতে পারবে, কিন্তু সেই বেডে শান্তিতে ঘুমানোর তৌফিক কেবল বারাকাহ থেকেই আসে।
.
আমরা কি কেবল ক্যারিয়ারের গ্রাফই দেখব, নাকি আমাদের অর্জনে রবের বারাকাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করব?
.
আল্লাহ আমাদের উপার্জনে এবং জীবনে বরকত দান করুন। আমীন।
33🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🔥112
জিলহজ্জ - পর্ব ১ - পরিচিতি ও বিশেষত্ব

🍁যুলহাজ্জ বা জিলহজ্জ মাস ৪টি হারাম মাসের অন্যতম। এ মাসেই হজ্জ আদায় করা হয় এবং এ মাসেই ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়। এ মাসের প্রথম ১০ দিনে বেশি বেশি নেক কর্ম করতে সহীহ হাদীসে উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরশাদ করেন: ‘‘যুলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনে নেক আমল করা আল্লাহর কাছে যত বেশি প্রিয় আর কোনো দিনের আমল তাঁর কাছে তত প্রিয় নয়।’’[বুখারী, আস-সহীহ ১/৩২৯; ইবনু খুযাইমা, আস-সহীহ ৪/২৭৩; তিরমিযী, আস-সুনান ৩/১৩০-১৩১।]

🍁৯ জিলহজ্জ হাজীগণ আরাফার মাঠে অবস্থান করেন। যারা হজ্জ করছেন না তাদের জন্য এ দিনে সিয়াম পালনের বিশেষ উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। আরাফাত দিবস বা ৯ জিলহজ্জ সিয়ামের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ  বলেন, ‘‘তা বিগত বছর ও পরবর্তী বছরের পাপ মার্জনা করে।’’[মুসলিম, আস-সহীহ ২/৮১৯।]

🍁পবিত্র কুরআনে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ রজনি নিয়ে কসম খেয়েছেন আল্লাহ তা’আলা। এরশাদ হয়েছে ‘‘শপথ প্রত্যুষের ও দশ রজনির।’’ [সূরা আল ফাজর : ১-২]

দশ রজনি বলতে জিলহজ্জের প্রথম দশ রজনি বুঝায় এ ব্যাখ্যা ইবনে আব্বাস রা. ইবনে যুবায়ের ও মুজাহিদ রহ. সহ অনেকের। প্রসিদ্ধ মুফাসসির ইবনে কাসির এ মতটিকেই বিশুদ্ধ বলেছেন।[দ্রঃ ইবনে কাসীর : সূরাতুল ফজরের ব্যাখ্যা।]

🍁আগামী পর্বে আমরা এ মাসে করণীয় আমল ও কিছু গাইডলাইন দেখব ইন শা আল্লাহ, আর জুমার দিন, বেশি বেশি দুরুদের আমল করি ইন শা আল্লাহ
9🔥4
ব্যক্তিগতভাবে আমার সবথেকে পছন্দের আম ল্যাংড়া 😍

স্বাদ এক কথায় ১০ এ ১০।

যদি কেও নিতে চান ম্যাসেজ করতে পারেন

📩টেলিগ্রামঃ @ShopContact
📥হোয়াটসঅ্যাপঃ +8801982027508

স্বাস্থ্যকর থেকে আম কিনলে কুরবানী উপলক্ষে থাকছে চুইঝাল ফ্রি
3🔥2🥰1😁1
এরূপ সাত ব্যক্তিকে সেদিন আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সুশীতল ছায়ায় স্থান দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না:

১. ন্যায় বিচারক ইমাম বা নেতা;

২. মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল যুবক;

৩. মাসজিদের সাথে সম্পর্কযুক্ত হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তি— যখন সে মাসজিদ থেকে বের হয় আবার তাতে ফিরে আসা পর্যন্ত মন ব্যকুল থাকে;

৪. এমন দুই ব্যক্তি, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই পরস্পর ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়;

৫. এমন ব্যক্তি, যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে দু’চোখের অশ্রু ঝরায়;

৬. এমন লোক, যাকে কোন সম্ভ্রান্ত সুন্দরী নারী ব্যভি\চারের জন্য আহ্বান করেছে, আর তখন সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছে: আমি তো আল্লাহকে ভয় করি;

৭. যে ব্যক্তি এমন গোপনীয়তা রক্ষা করে দান-সাদকা করে যে, তার ডান হাত কী দান করল বাম হাতও তা জানতে পারে না।”

(বুখারী, হাদিস নং- ৬৪২১; মুসলিম, হাদিস নং- ২৪২৭)
23
১।
১৬ বছরের মেয়ের বিয়ে দিচ্ছে পরিবার, নেতা সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে গিয়ে এই বাল্যবিবাহ বন্ধ করলেন। ইউএনও সাহেবও ছুটে আসলেন। একটা মহাঅন্যায় কাজ তারা সামাজিকভাবে প্রতিরোধ করলেন।

২।
ঢাকা থেকে বড় নেতা আসবে। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা নেতা বড় নেতাকে খুশি করার জন্য ১৪/১৫ বছরের মেয়ে খোঁজ করতে থাকলেন। সেই ফোনকল ভাইরাল হলো। কিন্তু ইউএনও সাহেব ভাবলেন - বাল্যবিবাহ তো আর হচ্ছে না।

বড় বিচিত্র এই বাস্তবতা!
😢222😁1