তো এখানে Dark Hacking ফ্যাক্ট'টা আরও খানিক Deep অর্থাৎ আদতে ভোটের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাবার পর যদি আপনি নির্বাচিত হতে না পারেন তখন "ঐসব সহজ সরল নিষ্পাপ লোভী জনগণ আর টাকা নেবার ফুসরত পাবে না" - আর একান্তই রেপুটেশন ফ্যাক্ট হলে পূর্বের মতোই ছোটখাটো একটা মেকি ঝামেলা সৃষ্টি করলে হিউম্যান মাইন্ড এমনিতেই ডাইভার্ট হয়ে যাবে।
তবুও একটা প্রশ্ন থাকে যে "যেহেতু আপনি একজন বড় মনের বিশাল মাপের মানুষ - সুতরাং এমন ওপেন ম্যানিউপুলেশনের বিষয়টা আসলেই আপনার মান সম্মান শেষ করে দিবে না তো?"
ওয়েট...যেহেতু জনসাধারণ আপনাকে ভোট দিয়েছে একরূপ টাকার বিনিময়ে সুতরাং শেষমেষ ভোটে হেরে টাকা না পাওয়ার বিষয়টা কিন্তু কানাকানি হলেপ আসলে ঐরকম হাইলাইটেড হবে না; এটার রিজন হলো পাবলিক'লি আমরা স্ক্যামের স্বীকার হলেও সেটা সবার সামনে প্রকাশ করতে লজ্জা পাই (যেহেতু সেই স্ক্যামের মাঝে স্বীয় লোভী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে)।
আর এমনিতেও উপরের যে "মান সম্মান" শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে সেটার প্রতিউত্তর হলো "বাস্তবিকার্থেই না তো ভোটের প্রার্থী হিসেবে এমন কাজে আপনার নিজের ভেতর নূন্যতম মান ও সম্মানের বালাই নেই - আর না তো ঐসব জনসাধারণ যারা টাকার বিনিময়ে নিজেদের ভোট বিক্রি করছে তাদের মনে কোনরূপ সম্মানের অবশিষ্ট বিদ্যমান" - সুতরাং এই সাইকোলজিক্যাল প্যাচে প্যারা অন্তত নেই!
ভাত
এখন আমরা খুব সহজ ও সাধারণ একটা ফ্যাক্ট নিয়ে আসবো যা হলো "ভাত"।
এই ভাত তথা খাবার এর গুরুত্ব অপরিসীম; উদাহরণস্বরূপ সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন বোঝাতে দুটি টার্ম এনালাইসিস করতে পারি (১) আমরা ব্যক্তিগতভাবে রাগারাগি বা উত্তেজিত থাকার পরও যখন ভাত খায় - এরপর আমাদের ঐ নেগেটিভ এক্সাইটেড মানসিকতা হ্রাস পায়। এই কারনটা হয়তো প্রথাগত সেই ছোটকালে রাগ করে ভাত না খেয়ে থাকার পর বাবা মা এর স্নেহে আদর করে ভাত খাওয়িয়ে রাগ ভাঙ্গানোর মতো দারুণ একটি সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন। (২) যদিও আমরা জনগণ হিসেবে আদতে অসচেতন এবং গড়পড়তা খুব ভালো মানের মানুষ নই - তবুও আসলে পেটে ভাত পড়ার পর ইনস্ট্যান্ট "নেমক খেয়ে নেমকহারামী করতে চায় না" কেননা ভরপেট উদরপূর্তির পর যদি সেটারই বিপরীত কিছু করতে চাই তাহলে সেটা স্বকীয় মানসিকতায় সাবকনশিয়াসলি সেল্ফ কনফ্লিক্টশন সৃষ্টি করে - তাই মানুষ হিসেবে আমরা যতোই থার্ডক্লাস হই না কেন আদতে নিজের কাছে নিজেরা সবসময়ই আত্মপক্ষ সমর্থনে "একজন ভালো মানুষ" হয়ে থাকি।
সুতরাং নির্বাচনের আগে "সময় মতো সময়ে" এই সাধারণ ভাতের ব্যবস্থা [ভাত বলতে শুধু সাদা ভাত না হয়ে বিরিয়ানি ইত্যাদি টাইপের ব্যবস্থা আরকি] বেশ ভালো কাজে আসতে পারে; তবে শর্ত থাকে একটিই যে "খাবার প্যাক করে নয় বরং জায়গায় থেকে খেতে হবে" প্রয়োজনে না হয় নির্বাচন প্রার্থী হয়ে খানিক দিলদরদী চরিত্রে আপনি বাসায় নিয়ে যাবার জন্য আরও কিছু প্যাকেট এর ব্যবস্থা রাখতে পারেন - যাতে এটা আরও ভালো কাজ করবে।
আর হ্যা, যেহেতু ভাত [মূলত খাবার] প্রসঙ্গে আসায় হলো তাই জানিয়ে রাখি "খাবার খাওয়িয়ে মন জয় করতে না পারলেও ব্রেইন হ্যাক ভালো মতোই করা যায়" যার সাথে সেরোটোনিন এর ইনিশিয়াল রিলিজ রিলেটেড - তবে সেটা হয়তো এখানে উল্লেখ করা বড্ড বাড়াবাড়ি রকমের ক্রা'ইম হতে পারে তাই আপাতত এখানেই সমাপ্ত রাখি!
ভোট না চাওয়া!
আমাদের দেশে যারাই নির্বাচনে দাঁড়ান তারাই যতো সুন্দর মুখের যতো মিষ্টি বুলি'ই হউক - তাতে মূল চোদ্দকথা এই থাকে যে "ভাই...ভোট'টা কিন্তু আমাকেই দিয়েন"। কিন্তু কোনরূপ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ (ইনিয়েবিনিয়েও নয়) ভোট চাওয়া ছাড়াই আপনি আপনার প্রচারণা চালাতে পারেন।
আপনার মনে হতে পারে যে এটা একটা বিশাল রকমের "ভুল' তথাপি একান্তই এই "ভোটে দাড়িয়ে ভোট না চাওয়া" এবং অন্যদের নিকট হতে এই বিষয়টা ওয়েল স্প্রেড আউট হওয়ায় জনসাধারণের মনে একটা সেল্ফ ইনট্রোডিউসারী ভ্যাকুয়াম [সহজভাবে বোঝার সুবিধার জন্য বললে "মনের মাঝে ফাঁকা ফাঁকা অনুভব হওয়া"] এর ফলে স্বভাবতই কৌতুহল কাজ করবে - সেই কৌতুক যতোক্ষণ পর্যন্ত থাকবে সেটাই মানুষকে ততো বেশী আপনার দিকে টানাতে বাধ্য করবে [বিষয়টা একটু ডিপ তবে কনসার্ন এর এনালাইসিস করলে বুঝতে আশাকরি খুব একটা কঠিন হবে না]।
আর হ্যা, কৌতুহল যদি একান্তই না টানে তবুও একই রাস্তায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে একটু পরপর মাইকিং করিয়ে কানের চৌদ্দগ্রাম(!) করানোর মত কৌতুকে যে বিরক্তি অনুভব হয় তাতে আপনার নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট অন্তত সৃষ্টি হবে না - এটি সুনিশ্চিত থাকুন।
আচ্ছা আমি তো আসলে ভোট হ্যাকিং এর টেকনিক সমগ্র নিয়ে লিখছি না তাইনা? আমার মূল মোটিভ এটাই ছিলো যে ভোট জিনিসটা যে সাইকোলজিক্যাল ম্যানিউপুলেশন হতে করা যায় সেটি জনসাধারণ'কে উপলব্ধি করানো [উপলব্ধি এটা যে কতো সহজে আমরা আমাদের মূল্যবান মানসিকতা বিকিয়ে দিতে পারি / কথায় কথায় বড় গলায় জোর দিয়ে করে যতোই বড় মানুষ হই না কেন আদতে ভেতর হতে প্রায় পঁচে যাওয়া সর্বসারশূন্য ব্যতীত কিছুই না]। আমার মনে হয় এই কাজটুকু আমি উপরের লেখায় প্রকাশ করতে পেরেছি - আর সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন ওয়াইজ যে Trick সেটাও
তবুও একটা প্রশ্ন থাকে যে "যেহেতু আপনি একজন বড় মনের বিশাল মাপের মানুষ - সুতরাং এমন ওপেন ম্যানিউপুলেশনের বিষয়টা আসলেই আপনার মান সম্মান শেষ করে দিবে না তো?"
ওয়েট...যেহেতু জনসাধারণ আপনাকে ভোট দিয়েছে একরূপ টাকার বিনিময়ে সুতরাং শেষমেষ ভোটে হেরে টাকা না পাওয়ার বিষয়টা কিন্তু কানাকানি হলেপ আসলে ঐরকম হাইলাইটেড হবে না; এটার রিজন হলো পাবলিক'লি আমরা স্ক্যামের স্বীকার হলেও সেটা সবার সামনে প্রকাশ করতে লজ্জা পাই (যেহেতু সেই স্ক্যামের মাঝে স্বীয় লোভী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে)।
আর এমনিতেও উপরের যে "মান সম্মান" শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে সেটার প্রতিউত্তর হলো "বাস্তবিকার্থেই না তো ভোটের প্রার্থী হিসেবে এমন কাজে আপনার নিজের ভেতর নূন্যতম মান ও সম্মানের বালাই নেই - আর না তো ঐসব জনসাধারণ যারা টাকার বিনিময়ে নিজেদের ভোট বিক্রি করছে তাদের মনে কোনরূপ সম্মানের অবশিষ্ট বিদ্যমান" - সুতরাং এই সাইকোলজিক্যাল প্যাচে প্যারা অন্তত নেই!
ভাত
এখন আমরা খুব সহজ ও সাধারণ একটা ফ্যাক্ট নিয়ে আসবো যা হলো "ভাত"।
এই ভাত তথা খাবার এর গুরুত্ব অপরিসীম; উদাহরণস্বরূপ সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন বোঝাতে দুটি টার্ম এনালাইসিস করতে পারি (১) আমরা ব্যক্তিগতভাবে রাগারাগি বা উত্তেজিত থাকার পরও যখন ভাত খায় - এরপর আমাদের ঐ নেগেটিভ এক্সাইটেড মানসিকতা হ্রাস পায়। এই কারনটা হয়তো প্রথাগত সেই ছোটকালে রাগ করে ভাত না খেয়ে থাকার পর বাবা মা এর স্নেহে আদর করে ভাত খাওয়িয়ে রাগ ভাঙ্গানোর মতো দারুণ একটি সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন। (২) যদিও আমরা জনগণ হিসেবে আদতে অসচেতন এবং গড়পড়তা খুব ভালো মানের মানুষ নই - তবুও আসলে পেটে ভাত পড়ার পর ইনস্ট্যান্ট "নেমক খেয়ে নেমকহারামী করতে চায় না" কেননা ভরপেট উদরপূর্তির পর যদি সেটারই বিপরীত কিছু করতে চাই তাহলে সেটা স্বকীয় মানসিকতায় সাবকনশিয়াসলি সেল্ফ কনফ্লিক্টশন সৃষ্টি করে - তাই মানুষ হিসেবে আমরা যতোই থার্ডক্লাস হই না কেন আদতে নিজের কাছে নিজেরা সবসময়ই আত্মপক্ষ সমর্থনে "একজন ভালো মানুষ" হয়ে থাকি।
সুতরাং নির্বাচনের আগে "সময় মতো সময়ে" এই সাধারণ ভাতের ব্যবস্থা [ভাত বলতে শুধু সাদা ভাত না হয়ে বিরিয়ানি ইত্যাদি টাইপের ব্যবস্থা আরকি] বেশ ভালো কাজে আসতে পারে; তবে শর্ত থাকে একটিই যে "খাবার প্যাক করে নয় বরং জায়গায় থেকে খেতে হবে" প্রয়োজনে না হয় নির্বাচন প্রার্থী হয়ে খানিক দিলদরদী চরিত্রে আপনি বাসায় নিয়ে যাবার জন্য আরও কিছু প্যাকেট এর ব্যবস্থা রাখতে পারেন - যাতে এটা আরও ভালো কাজ করবে।
আর হ্যা, যেহেতু ভাত [মূলত খাবার] প্রসঙ্গে আসায় হলো তাই জানিয়ে রাখি "খাবার খাওয়িয়ে মন জয় করতে না পারলেও ব্রেইন হ্যাক ভালো মতোই করা যায়" যার সাথে সেরোটোনিন এর ইনিশিয়াল রিলিজ রিলেটেড - তবে সেটা হয়তো এখানে উল্লেখ করা বড্ড বাড়াবাড়ি রকমের ক্রা'ইম হতে পারে তাই আপাতত এখানেই সমাপ্ত রাখি!
ভোট না চাওয়া!
আমাদের দেশে যারাই নির্বাচনে দাঁড়ান তারাই যতো সুন্দর মুখের যতো মিষ্টি বুলি'ই হউক - তাতে মূল চোদ্দকথা এই থাকে যে "ভাই...ভোট'টা কিন্তু আমাকেই দিয়েন"। কিন্তু কোনরূপ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ (ইনিয়েবিনিয়েও নয়) ভোট চাওয়া ছাড়াই আপনি আপনার প্রচারণা চালাতে পারেন।
আপনার মনে হতে পারে যে এটা একটা বিশাল রকমের "ভুল' তথাপি একান্তই এই "ভোটে দাড়িয়ে ভোট না চাওয়া" এবং অন্যদের নিকট হতে এই বিষয়টা ওয়েল স্প্রেড আউট হওয়ায় জনসাধারণের মনে একটা সেল্ফ ইনট্রোডিউসারী ভ্যাকুয়াম [সহজভাবে বোঝার সুবিধার জন্য বললে "মনের মাঝে ফাঁকা ফাঁকা অনুভব হওয়া"] এর ফলে স্বভাবতই কৌতুহল কাজ করবে - সেই কৌতুক যতোক্ষণ পর্যন্ত থাকবে সেটাই মানুষকে ততো বেশী আপনার দিকে টানাতে বাধ্য করবে [বিষয়টা একটু ডিপ তবে কনসার্ন এর এনালাইসিস করলে বুঝতে আশাকরি খুব একটা কঠিন হবে না]।
আর হ্যা, কৌতুহল যদি একান্তই না টানে তবুও একই রাস্তায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে একটু পরপর মাইকিং করিয়ে কানের চৌদ্দগ্রাম(!) করানোর মত কৌতুকে যে বিরক্তি অনুভব হয় তাতে আপনার নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট অন্তত সৃষ্টি হবে না - এটি সুনিশ্চিত থাকুন।
আচ্ছা আমি তো আসলে ভোট হ্যাকিং এর টেকনিক সমগ্র নিয়ে লিখছি না তাইনা? আমার মূল মোটিভ এটাই ছিলো যে ভোট জিনিসটা যে সাইকোলজিক্যাল ম্যানিউপুলেশন হতে করা যায় সেটি জনসাধারণ'কে উপলব্ধি করানো [উপলব্ধি এটা যে কতো সহজে আমরা আমাদের মূল্যবান মানসিকতা বিকিয়ে দিতে পারি / কথায় কথায় বড় গলায় জোর দিয়ে করে যতোই বড় মানুষ হই না কেন আদতে ভেতর হতে প্রায় পঁচে যাওয়া সর্বসারশূন্য ব্যতীত কিছুই না]। আমার মনে হয় এই কাজটুকু আমি উপরের লেখায় প্রকাশ করতে পেরেছি - আর সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন ওয়াইজ যে Trick সেটাও
হয়তো এনালাইসিসের মাধ্যমে কিছুটা হলেও আপনি রিয়েলাইজ করতে পেরেছেন।
এইটুকুতেই আমার লেখনীর যথার্থ প্রাপ্তির স্যাটিসফেকশান!
শুভকামনা রইলো - ভালো থাকুন!
এইটুকুতেই আমার লেখনীর যথার্থ প্রাপ্তির স্যাটিসফেকশান!
শুভকামনা রইলো - ভালো থাকুন!
বসে বসে অটোম্যাটিক ইনকাম করুন!
বরাবরের মতোই শিরোনামটি বড্ড রং অযাচিত এবং মিসলীডিং মনে হতে পারে তবে আমি আর্টিকেলে অবশ্যই ক্লিয়ার করবো নিশ্চিত থাকুন!
বসে বসে ইনকাম:-
শিরোনামের এই অংশটুকু "বসে বসে ইনকাম" এটার আদতে অমূলক নয় কেননা আজকের দিনে অধিকাংশ ইনকাম'ই আমরা বসে বসে করি; যারা অবশ্য দিন মজুর বা কুলি (আমি সম্মান রেখেই বলছি - ইভেন যারা বসে বসে ইনকাম করতে চান এমন ভাবনার মানুষ অপেক্ষা তাদের অধিক সম্মান করি) ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রিমোট বা ডেস্কটপ জবের ইনকাম বসে বসেই হয়।
তবুও আপনি হয়তো ভাবছেন "বসে বসে ইনকাম বলতে কোন পরিশ্রম ছাড়াই ইনকাম" - এটিও ব্যবস্থা করছি; দয়া করে একটু ধৈর্য রাখুন....
বসে বসে ইনকাম (রূপক ও ভাবার্থ) বোঝাতে যেসব উপায় ও পদ্ধতি আছে সেগুলোর মাঝে অন্যতম একটি লেজিট উপায় হলো ক্রিপ্টো ট্রেডিং; যদিও সিংহভাগ সময়েই এই ট্রেডিং ফেনোমেনা মাথাতে গেঁথে থাকলেও দিনশেষে লস হয়ে নিঃস্ব হতেই হয়।
সুতরাং এই বিষয়ে একটা সলিউশান বড্ড প্রয়োজন।
ক্রিপ্টো ট্রেডিং!
CryptoLiveGraph
ক্রিপ্টো ট্রেডিং বিষয়ে এখানে আমি কোন স্পেসিফিক প্লাটফর্ম কিংবা বিশেষ কারেন্সি (কয়েন/টোকোন/এয়ারড্রপ) এর কথা বলছি না বরং টোটাল ট্রেডিং বিষয়টাতে ফোকাস করছি এবং সেটাকেই যথাসম্ভব সাকসেসফুল হওয়ার নিশ্চয়তায় অটোমোশন এর থিউরিটিক্যাল অবতারণা করবো; এটলিস্ট বসে বসে ইনকাম করার বিষয়টাকে ক্ল্যারিফাই করার জন্য।
যাই হউক - ক্রিপ্টো ট্রেডিং বিষয়ে সাকসেস হওয়ার জন্য সবার আগে আমাদের জানার প্রয়োজন হলো মার্কেট গ্রাফ অর্থাৎ এই মুহূর্তে কোন কারেন্সি কোন কারেন্সির স্বাপেক্ষ পরস্পর গ্রাফ কেমন?
সহজভাবে বলতে হলে একটি Standard কারেন্সি এর ইউনিট স্বাপেক্ষে আপনার টার্গেট তথা Designated কারেন্সি এর লাইভ গ্রাফ কি?
এক্ষেত্রে যদিও আমরা USDT (ইতিপূর্বে যদিও USD বিবেচনা করতেই আমরা অধিক কমফোর্ট ফিল করতাম) কে আদর্শ মানি তথাপি অলিখিত ট্রেডিং আদর্শ হিসেবে আমরা স্ট্যাবলিটি বিচারে BTC (বিটকয়েন) কে বিবেচনায় রাখি।
সুতরাং BTC স্বাপেক্ষ এই কারেন্ট টাইমে কারেন্সি গ্রাফ এর লাইভ এক্সিকিউশন দরকার যেটা https://cryptorazz.vercel.app/LiveCryptoGraph.html হতে আশাকরি পেয়ে যাবেন
CryptoSignalBot
এরপর যেটি শুরুতেই চলে আসে আপনি যে ক্রিপ্টো কারেন্সি বেইজড ট্রেড করতে চাচ্ছেন সেটার এই মুহূর্তে ঠিক কি হওয়া উচিত যাতে আপনি লাভ নিশ্চিত করতে Buy করা উচিত নাকি Sell করা অথবা মার্কেট অনুসারে Hold এ থাকা।
https://cryptorazz.vercel.app/CryptoSignalBot.html
আচ্ছা বিষয়টা এখানেই শেষ নয় বরং আমি স্পষ্ট করছি - এটা শুধুমাত্র প্রোটোটাইপ যে কেমন আসলে রিয়েল টাইম সিগন্যাল বট ক্রিয়েট করতে পারে - এটা অনুসারে রিয়েল লাইফ বাস্তবিক ট্রেডিং করার কোন আবশ্যকতা নেই।
এখানে খুব অল্প (শর্ট টাইম ডিউরেটিভ পিরিয়ড) সময়ের রেইঞ্জে রিয়েল টাইম একচুয়াল বেনিফেটিং সিগন্যাল দিবে।
এখানে এটি বোঝার জন্য আমার উচিত লজিক'টি ডেফিনাইট করা - যেটি আমি জাভাস্ক্রিপ্ট লজিকে দিচ্ছে যেন সহজে Programming Logic বুঝতে (রিয়েলাইজ) পারেন [এটি বাইনান্সের রেস্ট এপিআই হতে রিয়েল টাইম গ্রাফ অনুসারে Math Flore - তে সর্বশেষ 10 টি History কল করে সেটার অনুসারে ডিসাইড করছে] - সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটি Real Benifitiary হলেও আসলে Real Life এ ট্রেডিং করার জন্য পসিবলি উপযুক্ত নয়।
আমিও এই অংশে ট্রেডিং সিগন্যাল বিষয়ে বেনিফিট টার্মে ফোকাস আছি - বাস্তবিকভাবে ইমপ্লিমেন্ট করার জন্য নয় [আপনি যদি এটি ফলোআপ করেন তাহলেও আপনি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিতে পারবেন না - তবে এটাও ঠিক যে ডিউরেশান পিরিয়ড লং টার্ম করে লজিকটাকে আরও ইলাবোরেট করে ডেভোলপ করা যেতে পারে যাতে আক্ষরিকভাবেই কাজে আসে; এবং সেটিই আর্টিকেলের পরবর্তী অংশে লিখছি]।
CryptoSignalSuggestionBot
এই বিষয়টা মূলত একটি Bot কিভাবে এবং কোন Logic এর ওপর বেইজ করে আদতে আপনাকে যে Buy/Sell সিগন্যাল দিচ্ছে - সেটির আক্ষরিক মূল্যায়ন কি?
একটি বট আমাকে বললো Buy করলে লাভ করবো এবং Sell করলে লস হতে বাঁচবো কিংবা Hold হওয়াটাই উচিত - তো মূল কথা হচ্ছে "আমি সেই বটের সিগন্যাল'টা কেন বিলিফ করবো?"
আমার জানা প্রয়োজন কেন এই মুহূর্তে মার্কেটের যে অবস্থা তাতে ঐ সিগন্যালে "আমার লাভ হবে? কেন লস হবে না?" এটার ভিজ্যুয়াল লজিক রিয়েলাইজেশান করতে https://cryptorazz.vercel.app/CryptoSignalSuggestionBot.html সহায়তা করবে।
AI Crypto Signal Suggestion Bot
এখানেও পূর্বোক্ত (আগের প্যারার) ঐ লজিক্যাল এনালাইসিস বেইজড যেমন সাজেশন অনুসারে Buy/Sell/Hold রাখতে হচ্ছে সেটার ক্ল্যারিফিকেশানল ডিসাইসডেশান; তবে আমার দায়িত্ব এটাও বলা যে এখানে আসলেই আমি কোন AI ইনট্রিগেশান করিনি।
বরাবরের মতোই শিরোনামটি বড্ড রং অযাচিত এবং মিসলীডিং মনে হতে পারে তবে আমি আর্টিকেলে অবশ্যই ক্লিয়ার করবো নিশ্চিত থাকুন!
বসে বসে ইনকাম:-
শিরোনামের এই অংশটুকু "বসে বসে ইনকাম" এটার আদতে অমূলক নয় কেননা আজকের দিনে অধিকাংশ ইনকাম'ই আমরা বসে বসে করি; যারা অবশ্য দিন মজুর বা কুলি (আমি সম্মান রেখেই বলছি - ইভেন যারা বসে বসে ইনকাম করতে চান এমন ভাবনার মানুষ অপেক্ষা তাদের অধিক সম্মান করি) ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রিমোট বা ডেস্কটপ জবের ইনকাম বসে বসেই হয়।
তবুও আপনি হয়তো ভাবছেন "বসে বসে ইনকাম বলতে কোন পরিশ্রম ছাড়াই ইনকাম" - এটিও ব্যবস্থা করছি; দয়া করে একটু ধৈর্য রাখুন....
বসে বসে ইনকাম (রূপক ও ভাবার্থ) বোঝাতে যেসব উপায় ও পদ্ধতি আছে সেগুলোর মাঝে অন্যতম একটি লেজিট উপায় হলো ক্রিপ্টো ট্রেডিং; যদিও সিংহভাগ সময়েই এই ট্রেডিং ফেনোমেনা মাথাতে গেঁথে থাকলেও দিনশেষে লস হয়ে নিঃস্ব হতেই হয়।
সুতরাং এই বিষয়ে একটা সলিউশান বড্ড প্রয়োজন।
ক্রিপ্টো ট্রেডিং!
CryptoLiveGraph
ক্রিপ্টো ট্রেডিং বিষয়ে এখানে আমি কোন স্পেসিফিক প্লাটফর্ম কিংবা বিশেষ কারেন্সি (কয়েন/টোকোন/এয়ারড্রপ) এর কথা বলছি না বরং টোটাল ট্রেডিং বিষয়টাতে ফোকাস করছি এবং সেটাকেই যথাসম্ভব সাকসেসফুল হওয়ার নিশ্চয়তায় অটোমোশন এর থিউরিটিক্যাল অবতারণা করবো; এটলিস্ট বসে বসে ইনকাম করার বিষয়টাকে ক্ল্যারিফাই করার জন্য।
যাই হউক - ক্রিপ্টো ট্রেডিং বিষয়ে সাকসেস হওয়ার জন্য সবার আগে আমাদের জানার প্রয়োজন হলো মার্কেট গ্রাফ অর্থাৎ এই মুহূর্তে কোন কারেন্সি কোন কারেন্সির স্বাপেক্ষ পরস্পর গ্রাফ কেমন?
সহজভাবে বলতে হলে একটি Standard কারেন্সি এর ইউনিট স্বাপেক্ষে আপনার টার্গেট তথা Designated কারেন্সি এর লাইভ গ্রাফ কি?
এক্ষেত্রে যদিও আমরা USDT (ইতিপূর্বে যদিও USD বিবেচনা করতেই আমরা অধিক কমফোর্ট ফিল করতাম) কে আদর্শ মানি তথাপি অলিখিত ট্রেডিং আদর্শ হিসেবে আমরা স্ট্যাবলিটি বিচারে BTC (বিটকয়েন) কে বিবেচনায় রাখি।
সুতরাং BTC স্বাপেক্ষ এই কারেন্ট টাইমে কারেন্সি গ্রাফ এর লাইভ এক্সিকিউশন দরকার যেটা https://cryptorazz.vercel.app/LiveCryptoGraph.html হতে আশাকরি পেয়ে যাবেন
CryptoSignalBot
এরপর যেটি শুরুতেই চলে আসে আপনি যে ক্রিপ্টো কারেন্সি বেইজড ট্রেড করতে চাচ্ছেন সেটার এই মুহূর্তে ঠিক কি হওয়া উচিত যাতে আপনি লাভ নিশ্চিত করতে Buy করা উচিত নাকি Sell করা অথবা মার্কেট অনুসারে Hold এ থাকা।
https://cryptorazz.vercel.app/CryptoSignalBot.html
আচ্ছা বিষয়টা এখানেই শেষ নয় বরং আমি স্পষ্ট করছি - এটা শুধুমাত্র প্রোটোটাইপ যে কেমন আসলে রিয়েল টাইম সিগন্যাল বট ক্রিয়েট করতে পারে - এটা অনুসারে রিয়েল লাইফ বাস্তবিক ট্রেডিং করার কোন আবশ্যকতা নেই।
এখানে খুব অল্প (শর্ট টাইম ডিউরেটিভ পিরিয়ড) সময়ের রেইঞ্জে রিয়েল টাইম একচুয়াল বেনিফেটিং সিগন্যাল দিবে।
এখানে এটি বোঝার জন্য আমার উচিত লজিক'টি ডেফিনাইট করা - যেটি আমি জাভাস্ক্রিপ্ট লজিকে দিচ্ছে যেন সহজে Programming Logic বুঝতে (রিয়েলাইজ) পারেন [এটি বাইনান্সের রেস্ট এপিআই হতে রিয়েল টাইম গ্রাফ অনুসারে Math Flore - তে সর্বশেষ 10 টি History কল করে সেটার অনুসারে ডিসাইড করছে] - সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটি Real Benifitiary হলেও আসলে Real Life এ ট্রেডিং করার জন্য পসিবলি উপযুক্ত নয়।
আমিও এই অংশে ট্রেডিং সিগন্যাল বিষয়ে বেনিফিট টার্মে ফোকাস আছি - বাস্তবিকভাবে ইমপ্লিমেন্ট করার জন্য নয় [আপনি যদি এটি ফলোআপ করেন তাহলেও আপনি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিতে পারবেন না - তবে এটাও ঠিক যে ডিউরেশান পিরিয়ড লং টার্ম করে লজিকটাকে আরও ইলাবোরেট করে ডেভোলপ করা যেতে পারে যাতে আক্ষরিকভাবেই কাজে আসে; এবং সেটিই আর্টিকেলের পরবর্তী অংশে লিখছি]।
CryptoSignalSuggestionBot
এই বিষয়টা মূলত একটি Bot কিভাবে এবং কোন Logic এর ওপর বেইজ করে আদতে আপনাকে যে Buy/Sell সিগন্যাল দিচ্ছে - সেটির আক্ষরিক মূল্যায়ন কি?
একটি বট আমাকে বললো Buy করলে লাভ করবো এবং Sell করলে লস হতে বাঁচবো কিংবা Hold হওয়াটাই উচিত - তো মূল কথা হচ্ছে "আমি সেই বটের সিগন্যাল'টা কেন বিলিফ করবো?"
আমার জানা প্রয়োজন কেন এই মুহূর্তে মার্কেটের যে অবস্থা তাতে ঐ সিগন্যালে "আমার লাভ হবে? কেন লস হবে না?" এটার ভিজ্যুয়াল লজিক রিয়েলাইজেশান করতে https://cryptorazz.vercel.app/CryptoSignalSuggestionBot.html সহায়তা করবে।
AI Crypto Signal Suggestion Bot
এখানেও পূর্বোক্ত (আগের প্যারার) ঐ লজিক্যাল এনালাইসিস বেইজড যেমন সাজেশন অনুসারে Buy/Sell/Hold রাখতে হচ্ছে সেটার ক্ল্যারিফিকেশানল ডিসাইসডেশান; তবে আমার দায়িত্ব এটাও বলা যে এখানে আসলেই আমি কোন AI ইনট্রিগেশান করিনি।
আসলে লজিক (AI হতে নিয়মিত পরিসরে মার্কেট গ্রাফে লজিক আপডেট ব্যতীত) ছাড়া আলাদা আলাদা করে AI এর অটোমোশন এপিআই ইনট্রিগেশান সেটা করা হয়ে উঠেনি [বিভিন্ন সমস্যার হেতু/ এটার জন্য দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী]।
https://cryptorazz.vercel.app/AiCryptoSignalSuggestionBot.html
Crypto Treding Signal Generator
এখানে রিয়েল টাইম বিভিন্ন কারেন্সির একক স্বাপেক্ষে সিগন্যাল জেনারেশন প্যাকেজ।
ইতিপূর্বে আমরা কেবলমাত্র একটি কারেন্সি'কে একক ধরে আমাদের ডেস্টিনেটেড কারেন্সির ট্রেডিং ও সিগন্যাল জেনারেশান দেখেছি; এবার আমরা মাল্টিপল (একক স্বাপেক্ষ USDT) ট্রেডিং লাইভ সিগন্যাল অবজার্ভ করতে পারি।
এটাতে মূলত পারস্পরিক মার্কেট ট্রেডিং সিগন্যাল জাস্টিফাই করতে পারি।
https://cryptorazz.vercel.app/CryptoTredingSignalGenerator.html
CryptoMaster
এখানে আমরা যেটা নিয়ে ডিসকাস করছি সেটা একটু মজার। ধরুন এতোকিছু জানা শোনা ও বোঝার পরও আপনার মনে হয়তো কনফিউশান থাকতে পারে যে আদতে Bot সত্যি সত্যিই কি বেনিফিট গেইন করতে পারবে?
আইমিন ঐ যে "বসে বসে টাকা ইনকাম" সেটা কি পসিবল হবে?
এটার জন্য 1000 USDT ডেমোনেস্ট্রেশান রেখে [ডেমো মানি কিন্তু আসলে মেকি নয় কেননা এটিই রিয়েল টাইম বাইনান্স রেস্ট এপিআই বেইজড ট্রেড করবে] সেটাকেই বটেই সিগন্যাল ওয়াইজ ডিস্ট্রিবিউট করা যেন আসলেই কতোটা কার্য়করী সেটার ভ্যালিডেশান হয়।
https://cryptorazz.vercel.app/CryptoMaster.html
CryptoGuru
এই বিষয়টাও উপরের [পূর্বোক্ত প্যারা] এর অনুরূপ - তবে এখানে একটু স্পেসিফিকেশান হলো AI তথা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর লজিক যে আপনার আমার টাকাতে নিজে ডিসিশন মেইক করে Buy/Sell করাচ্ছে - তো এটার পেছনের আসলে Root লজিক কি কাজ করছে?
এটিও Demonstration Money এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য - তবে কেন সেটা ইমপ্লাইড হচ্ছে সেটার বিশ্লেষণ।
এখানে TARGET_COIN >>> SIDE_CMD >>> QUANTITY >>> ENTRY_PRICE >>> CURRENT_PRICE >>> P&L_STATUS >>> এবং সবিশেষ যে AI_CONFIDENCE এর বিচারে সাজেশন ওয়াইজ ডিস্ট্রিবিউট হচ্ছে সেটার ভিজ্যুয়ালাইজেশান।
AiCryptoAgent
এখানে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে আমরা যদি ভাবি Bot শুধু Buy/Sell/Hold এর সিগন্যাল দিবে না বরং একই সাথে সাথে নিজে নিজেই ট্রেড করে আমার একাউন্ট (উদাহরণস্বরূপ বাইনান্স) এর লাভ নিশ্চিত করবে; তাহলে আমাদের ভাবতে হবে Agent বিষয়ে।
অর্থাৎ এমন একটি Agent যে কিনা AI ব্যবহার করে নিজে নিজেই মার্কেট এনালাইসিস করে সেটার ফিউচার (ফিউচার ট্রেডিং নয় কিন্তু) প্রেডিকশনে সর্বোচ্চ ইফিসিয়েন্সি গেইন করাতে আপনা আপনিই ট্রেড করবে এবং তাতে টোটাল + নীট বেনিফিট আপনার একাউন্টে জমা করবে।
এটার ডেমোনেস্ট্রেটিভ উদাহরণ হলো https://cryptorazz.vercel.app/AiCryptoAgent.html
ঐ যে আর্টিকেলের শুরুতেই "অটোম্যাটিক ইনকাম" বলেছিলাম সেটারই বাস্তব ইমপ্লিমেন্ট আরকি।
কনক্লুশন
এতোসব পড়ার পরও যেহেতু আপনার মনে হচ্ছে "ধুর ড্যাশ ড্যাশ.....কোই বসে বসে অটোম্যাটিক ইনকাম হইলো?" তাহলে আপনাকে আমি বলবো "মূলত আপনি ভ্রান্তির মাঝে আছেন - একা একা কখনোই ম্যাজিক এর মতো ইনকাম হওয়া পসিবল নয়। আপনি যা খুজছেন তা আসলে এক্সিস্টই করে না সুতরাং মরিচীকার মায়াতে যে ছুটে চলা তাতে আপনার পথ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল"।
এখন উপরের প্যাচাল যদি হয়তো আপনার নিকট একদমই ভালো লাগবে না তবুও আমি আপনাকে ইনফোর্স করছি "থাকুন এবং একটু ভাবুন" আমরা এমন একটি Bot কিন্তু তৈরী করতেই পারি যেখানে অতীত ১০/১৫ বছরের ক্রিপ্টো মার্কেট হিস্টোরি [এই ডাটাগুলো আমরা ওপেন সোর্স হতেই পাবো - সেটাকে Json আকারে কনভার্ট করে নিতে হবে যেন KB অর্থাৎ Knowledge Based আকারে Chunk ডাটা ইমপ্লাইড হয়] হতে মার্কেট কালচার এনালাইসিস করতে পারি + এটার সাথে AI বর্তমান সিচুয়েশান (ফাইনান্স স্ট্যাটিকস) যুক্ত করবে যেমন রাজনৈতিক অবস্থায় ক্রিপ্টো কারেন্সির লিকুইডিটি, হাইপ, টুইটা বার্তা ইত্যাদি Several Conditions যুক্ত করবে = সুতরাং একটি মোটামুটি মানের আপডেটেড ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম জেনারেটেড হবে যা কিনা ট্রেডিং এর বিষয়ে ইফেক্টিভ হবে।
পরবর্তী বিষয় থাকে Logic বিল্ডআপ এবং This is What Exactly I had Told in My Article & You Have been some kind of Frustrated!
আমি সরি এখানে ইংলিশ ফুটিয়ে ভাব দেখানোর স্থান নয় এবং আমিও নিতান্তপক্ষে মূর্খ তবে মূল বিষয়টি জোরালো এবং কতোটা তাৎপর্যপূর্ণ সেটা বোঝানোর জন্যই ইংরেজি বাক্যটুকু তীর্যকভাবে প্রয়োজন ছিলো বলে মনে করছি।
CryptoRazz এই লজিক বিল্ড আপ বিষয়েই ফোকাস রাখছে।
এখন সবকিছুর পরও একটা "কিন্তু" থাকে এবং AI যেহেতু এখনও AGI তে কনভার্ট হয়নি তাই আমরা কিভাবে আসলে সত্যিই নিশ্চিত হতে পারি যে একটা AI আমাকে ট্রেডিং করিয়ে টাকা এনে দিবে?
https://cryptorazz.vercel.app/AiCryptoSignalSuggestionBot.html
Crypto Treding Signal Generator
এখানে রিয়েল টাইম বিভিন্ন কারেন্সির একক স্বাপেক্ষে সিগন্যাল জেনারেশন প্যাকেজ।
ইতিপূর্বে আমরা কেবলমাত্র একটি কারেন্সি'কে একক ধরে আমাদের ডেস্টিনেটেড কারেন্সির ট্রেডিং ও সিগন্যাল জেনারেশান দেখেছি; এবার আমরা মাল্টিপল (একক স্বাপেক্ষ USDT) ট্রেডিং লাইভ সিগন্যাল অবজার্ভ করতে পারি।
এটাতে মূলত পারস্পরিক মার্কেট ট্রেডিং সিগন্যাল জাস্টিফাই করতে পারি।
https://cryptorazz.vercel.app/CryptoTredingSignalGenerator.html
CryptoMaster
এখানে আমরা যেটা নিয়ে ডিসকাস করছি সেটা একটু মজার। ধরুন এতোকিছু জানা শোনা ও বোঝার পরও আপনার মনে হয়তো কনফিউশান থাকতে পারে যে আদতে Bot সত্যি সত্যিই কি বেনিফিট গেইন করতে পারবে?
আইমিন ঐ যে "বসে বসে টাকা ইনকাম" সেটা কি পসিবল হবে?
এটার জন্য 1000 USDT ডেমোনেস্ট্রেশান রেখে [ডেমো মানি কিন্তু আসলে মেকি নয় কেননা এটিই রিয়েল টাইম বাইনান্স রেস্ট এপিআই বেইজড ট্রেড করবে] সেটাকেই বটেই সিগন্যাল ওয়াইজ ডিস্ট্রিবিউট করা যেন আসলেই কতোটা কার্য়করী সেটার ভ্যালিডেশান হয়।
https://cryptorazz.vercel.app/CryptoMaster.html
CryptoGuru
এই বিষয়টাও উপরের [পূর্বোক্ত প্যারা] এর অনুরূপ - তবে এখানে একটু স্পেসিফিকেশান হলো AI তথা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর লজিক যে আপনার আমার টাকাতে নিজে ডিসিশন মেইক করে Buy/Sell করাচ্ছে - তো এটার পেছনের আসলে Root লজিক কি কাজ করছে?
এটিও Demonstration Money এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য - তবে কেন সেটা ইমপ্লাইড হচ্ছে সেটার বিশ্লেষণ।
এখানে TARGET_COIN >>> SIDE_CMD >>> QUANTITY >>> ENTRY_PRICE >>> CURRENT_PRICE >>> P&L_STATUS >>> এবং সবিশেষ যে AI_CONFIDENCE এর বিচারে সাজেশন ওয়াইজ ডিস্ট্রিবিউট হচ্ছে সেটার ভিজ্যুয়ালাইজেশান।
AiCryptoAgent
এখানে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে আমরা যদি ভাবি Bot শুধু Buy/Sell/Hold এর সিগন্যাল দিবে না বরং একই সাথে সাথে নিজে নিজেই ট্রেড করে আমার একাউন্ট (উদাহরণস্বরূপ বাইনান্স) এর লাভ নিশ্চিত করবে; তাহলে আমাদের ভাবতে হবে Agent বিষয়ে।
অর্থাৎ এমন একটি Agent যে কিনা AI ব্যবহার করে নিজে নিজেই মার্কেট এনালাইসিস করে সেটার ফিউচার (ফিউচার ট্রেডিং নয় কিন্তু) প্রেডিকশনে সর্বোচ্চ ইফিসিয়েন্সি গেইন করাতে আপনা আপনিই ট্রেড করবে এবং তাতে টোটাল + নীট বেনিফিট আপনার একাউন্টে জমা করবে।
এটার ডেমোনেস্ট্রেটিভ উদাহরণ হলো https://cryptorazz.vercel.app/AiCryptoAgent.html
ঐ যে আর্টিকেলের শুরুতেই "অটোম্যাটিক ইনকাম" বলেছিলাম সেটারই বাস্তব ইমপ্লিমেন্ট আরকি।
কনক্লুশন
এতোসব পড়ার পরও যেহেতু আপনার মনে হচ্ছে "ধুর ড্যাশ ড্যাশ.....কোই বসে বসে অটোম্যাটিক ইনকাম হইলো?" তাহলে আপনাকে আমি বলবো "মূলত আপনি ভ্রান্তির মাঝে আছেন - একা একা কখনোই ম্যাজিক এর মতো ইনকাম হওয়া পসিবল নয়। আপনি যা খুজছেন তা আসলে এক্সিস্টই করে না সুতরাং মরিচীকার মায়াতে যে ছুটে চলা তাতে আপনার পথ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল"।
এখন উপরের প্যাচাল যদি হয়তো আপনার নিকট একদমই ভালো লাগবে না তবুও আমি আপনাকে ইনফোর্স করছি "থাকুন এবং একটু ভাবুন" আমরা এমন একটি Bot কিন্তু তৈরী করতেই পারি যেখানে অতীত ১০/১৫ বছরের ক্রিপ্টো মার্কেট হিস্টোরি [এই ডাটাগুলো আমরা ওপেন সোর্স হতেই পাবো - সেটাকে Json আকারে কনভার্ট করে নিতে হবে যেন KB অর্থাৎ Knowledge Based আকারে Chunk ডাটা ইমপ্লাইড হয়] হতে মার্কেট কালচার এনালাইসিস করতে পারি + এটার সাথে AI বর্তমান সিচুয়েশান (ফাইনান্স স্ট্যাটিকস) যুক্ত করবে যেমন রাজনৈতিক অবস্থায় ক্রিপ্টো কারেন্সির লিকুইডিটি, হাইপ, টুইটা বার্তা ইত্যাদি Several Conditions যুক্ত করবে = সুতরাং একটি মোটামুটি মানের আপডেটেড ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম জেনারেটেড হবে যা কিনা ট্রেডিং এর বিষয়ে ইফেক্টিভ হবে।
পরবর্তী বিষয় থাকে Logic বিল্ডআপ এবং This is What Exactly I had Told in My Article & You Have been some kind of Frustrated!
আমি সরি এখানে ইংলিশ ফুটিয়ে ভাব দেখানোর স্থান নয় এবং আমিও নিতান্তপক্ষে মূর্খ তবে মূল বিষয়টি জোরালো এবং কতোটা তাৎপর্যপূর্ণ সেটা বোঝানোর জন্যই ইংরেজি বাক্যটুকু তীর্যকভাবে প্রয়োজন ছিলো বলে মনে করছি।
CryptoRazz এই লজিক বিল্ড আপ বিষয়েই ফোকাস রাখছে।
এখন সবকিছুর পরও একটা "কিন্তু" থাকে এবং AI যেহেতু এখনও AGI তে কনভার্ট হয়নি তাই আমরা কিভাবে আসলে সত্যিই নিশ্চিত হতে পারি যে একটা AI আমাকে ট্রেডিং করিয়ে টাকা এনে দিবে?
ওয়েল এখানে আমরা একটু ম্যানুয়াল থিংকিং করবো [লাভ নিশ্চিত করতে কিংবা লস যদি যদি একান্ত হই তবে সেটাকে রিকাভার করতে]।
ধরে নিই আপনার কাছে 1000 USDT আছে যাতে প্রাইমারি 90% বেনিফিট বটের একটি স্পেসিফিক কারেন্সিতে লাভ নিশ্চিত রাখে এবং বাকি 10% হলো অনিশ্চয়তা তথা Uncertainty।
এই অনিশ্চয়তাকে কতোটা সংকীর্ণ করে লাভের সম্ভাবনাকে বাড়ানো যায় সেটির ওপর ফোকাস অন করা যাক....
এখানে আপনি বাকি 10% এর জন্য ধরে নিই 100 USDT (আপনার ব্যালেন্সে থাকা টোটাল 1000 USDT হতে) ট্রেডিং করবেন অবশিষ্ট সর্বমোট 5 টি কায়েন বা কারেন্সিতে মাত্র 10 USDT করে - তাহলে টোটাল আপনার খরচ হচ্ছে 5x10 USDT = 50 USDT এবং অবশিষ্ট থাকছে (100-50) USDT = 50 USDT সুতরাং আপনি যদি তাতে মাত্র 10% পরিমান Bot অনুসারে বেনিফিট গেইন করেন কোন একটি কারেন্সিতে তাহলে টোটাল ঐ 90% এর অবশিষ্ট পরিমাণ অনিশ্চয়তা কাভার হচ্ছে।
এখন বাকি থাকে আমাদের কাছের 50 USDT সেটা আসলে কিসের জন্য রেখে দিয়েছি তাইনা?
সেটা হলো BackUp অর্থাৎ ইনস্ট্যান্ট লস হলে সেটাকেই রিভার্স থিংকিং অনুসারে ইনস্ট্যান্ট লাভ [ওভারঅল লস+লাভ = স্ট্যাটিক নিউট্রাল কন্ডিশন] এর নিশ্চয়তা।
শেষকথা:-
পোস্ট পড়ে আপনার হয়তো আমাকে খানিক পাগল মনে হতেই পারে; ইভেন আমি যখন লিখছি এতোকিছু তখন মনে হচ্ছে কখন লিখে হাফ ছেড়ে রিলিফ হবো এমনি পাগল পাগল।
তো আমি কি আর কেমন সেটা বাস্তবিকার্থে ম্যাটার না করলেও যারা আসলে এই বসে বসে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য পাগল তাদের জন্য একটি কার্যত বেস্ট উপায় - তবে বসে বসে ইনকাম করার আগে শুরুতে কিছু ইনভেস্ট [টাকা নয় বরং সময় + স্ট্যামিনা + জ্ঞান + বুদ্ধি + যতোক্ষন না সাকসেস হওয়া যাচ্ছে ততোক্ষন প্রচেষ্টা] তো করতেই হবে; এরপরই না হয় পায়ের ওপর পা তুলে কফি খেতে খেতে কোটিপতি হওয়ার আশা ডিজার্ভ করতে পারেন, তাইনা?!
ধরে নিই আপনার কাছে 1000 USDT আছে যাতে প্রাইমারি 90% বেনিফিট বটের একটি স্পেসিফিক কারেন্সিতে লাভ নিশ্চিত রাখে এবং বাকি 10% হলো অনিশ্চয়তা তথা Uncertainty।
এই অনিশ্চয়তাকে কতোটা সংকীর্ণ করে লাভের সম্ভাবনাকে বাড়ানো যায় সেটির ওপর ফোকাস অন করা যাক....
এখানে আপনি বাকি 10% এর জন্য ধরে নিই 100 USDT (আপনার ব্যালেন্সে থাকা টোটাল 1000 USDT হতে) ট্রেডিং করবেন অবশিষ্ট সর্বমোট 5 টি কায়েন বা কারেন্সিতে মাত্র 10 USDT করে - তাহলে টোটাল আপনার খরচ হচ্ছে 5x10 USDT = 50 USDT এবং অবশিষ্ট থাকছে (100-50) USDT = 50 USDT সুতরাং আপনি যদি তাতে মাত্র 10% পরিমান Bot অনুসারে বেনিফিট গেইন করেন কোন একটি কারেন্সিতে তাহলে টোটাল ঐ 90% এর অবশিষ্ট পরিমাণ অনিশ্চয়তা কাভার হচ্ছে।
এখন বাকি থাকে আমাদের কাছের 50 USDT সেটা আসলে কিসের জন্য রেখে দিয়েছি তাইনা?
সেটা হলো BackUp অর্থাৎ ইনস্ট্যান্ট লস হলে সেটাকেই রিভার্স থিংকিং অনুসারে ইনস্ট্যান্ট লাভ [ওভারঅল লস+লাভ = স্ট্যাটিক নিউট্রাল কন্ডিশন] এর নিশ্চয়তা।
শেষকথা:-
পোস্ট পড়ে আপনার হয়তো আমাকে খানিক পাগল মনে হতেই পারে; ইভেন আমি যখন লিখছি এতোকিছু তখন মনে হচ্ছে কখন লিখে হাফ ছেড়ে রিলিফ হবো এমনি পাগল পাগল।
তো আমি কি আর কেমন সেটা বাস্তবিকার্থে ম্যাটার না করলেও যারা আসলে এই বসে বসে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য পাগল তাদের জন্য একটি কার্যত বেস্ট উপায় - তবে বসে বসে ইনকাম করার আগে শুরুতে কিছু ইনভেস্ট [টাকা নয় বরং সময় + স্ট্যামিনা + জ্ঞান + বুদ্ধি + যতোক্ষন না সাকসেস হওয়া যাচ্ছে ততোক্ষন প্রচেষ্টা] তো করতেই হবে; এরপরই না হয় পায়ের ওপর পা তুলে কফি খেতে খেতে কোটিপতি হওয়ার আশা ডিজার্ভ করতে পারেন, তাইনা?!
❤1
Finger Print Data Extractor Tool [Use Ethical & Reserch Perpouse Only] :-
https://fingerpoint.vercel.app/
https://fingerpoint.vercel.app/
FingerPrinter
Biometric Fingerprint System Application [Use Only Ethical Perpouse]
https://finger-printer.vercel.app/
Biometric Fingerprint System Application [Use Only Ethical Perpouse]
https://finger-printer.vercel.app/
চাল পড়া খেয়ে কি সত্যিই চোর ধরা পড়ে?
আমাদের গ্রাম্য সমাজে অনেক আগে হতেই - এমনকি অদ্যবধি মফস্বল শহুরে সমাজেও একটি বিশেষ বিষয় প্রচলিত আছে যে "কোন কিছু চুরি হলে চাল পড়া খাওয়ানোর রীতি - যাতে চোর ধরা পড়ে"।
তবে আক্ষরিকভাবে মূল প্রশ্ন থাকে যে আসলেই "চাল পড়া খেয়ে কি সত্যিই চোর ধরা পড়ে?"
যদিও এই বিষয়টা ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ হতে স্পর্শকাতর - তবুও আমরা কুসংস্কার এর মিথ বাস্টিং এর মাধ্যমে মূল সত্য তুলে ধরবো কোন ধর্ম বা বিশ্বাসে যথাসময় আঘাত না করেই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভূমিকায় সাইকোলজিক্যাল এনালাইসিসের মাধ্যমে।
চলুন শুরু করা যাক....
চোর এবং চাল পড়া
সাধারণত গ্রাম্য কিংবা শহুরে মফস্বলি এলাকাতে এখনও এই প্রথা চালু আছে যে কোথাও কিছু চুরি হলে সেখানে চাল পড়া খাওয়ানোর মাধ্যমে চোর'কে শনাক্ত করা যায়। এখানে বিশ্বাস তথা ধর্মগত দিক হতে মুসলিম ধর্মে যে কাজটা করা হয় তা হলো সন্দেহজনক কিছু ব্যক্তিকে একত্রিত করে সেখানে সবাইকে কিছু চাল পড়া খাওয়ানো হয় - তাতে যে বা যিনি চুরি করেছেন সে চাল গিলতে পারবে না। কিছুক্ষেত্রে এমন শোনা যায় যে গলা হতে রক্ত উঠবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
কি দোয়া পড়ে?
এখন যদিও স্পর্শকাতর তবুও আমাদের বিষয়টা ক্ল্যারিফাই হওয়ার জন্য জানা দরকার ঐ চাউল পড়াতে কি কি দোয়া পড়া হয়?
মূলত প্রচলিত সূরা ফাতিহা এরপর লআয়াতুল কুরসি এবং তিন কুল পড়ে ঐ চাউলে ফু দেওয়া হয়।
আরও বিশেষ কিছু দোয়া হয়তো ক্ষেত্রে বিশেষে পড়া হয় তবে এগুলোই প্রচলিত মূল দোয়া [এক্ষেত্রে কারোর এলিবাই থাকলে তিনি মন্তব্যে স্পেসিফিকভাবে কোন দোয়া পড়া হয় জানাতে পারেন - তাতে জাস্টিফিকেশান করা যাবে বৈকি]।
[আর হ্যা, এটাও এখানে উল্লেখ করে নিতে হচ্ছে যে যদিও চাল পড়া সমাজে প্রচলিত তবুও ইসলামে স্বীকৃত রুকাইয়াতে এটির প্রমান নেই]
চাল পড়া সত্যিই কি চোর খেতে পারে না?
এখানেই আসলে মূল ফ্যাক্ট লুকিয়ে আছে - যার উত্তর এবং জট খুলতে সাইকোলজির সহায়তা নিতে হবে।
তারও আগে একটি ক্ল্যারিফিকেশান প্রয়োজন হবে - যাতে সমালোচনা কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়া যায় এবং কোনরূপ অযাচিত বিতর্ক তৈরী না হয়...
"আপনি কি এমন কাউকে দেখেছেন যে কিনা চুরি করার ফলে চাল পড়া খেতে পারেননি অথবা তার গলা হতে রক্ত উঠেছে ইত্যাদি?"
এটা কিন্তু অমুকের কাছে শুনে তমুকের শোনাকথায় জাজামেন্ট হতে পারবে না - বরং লজিক এবং এভিডিয়েন্স অনুসারে এটা হতে হবে "চাক্ষুষ প্রমাণ - যার সকল তথ্য ক্রস ভেরিফাই করা যাবে"।
এখন এটাও সত্য যে অনেক সময় আক্ষরিকভাবেই চোর চাউল পড়া খেতে তথা গিলতে পারেন না - ফলে চোর শনাক্ত হয় এবং সহজেই চাউল পড়ার গুণাগুণ জনমনে ছড়িয়ে পড়ে। এটাকে অনেকটাই হিস্টোরিয়ার সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনে যোগসূত্র মেলে [মূলত হিস্টোরিয়া ডিজিজ'টির একদম শুরুর মূল কিন্তু এক প্রকার ফিমেইল সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশন হতে উদ্ভূত ব্যাধি - সেইদিকে আপাতত না যাই] - যেখানে একটি আচরণত বৈশিষ্ট্য (বিহ্যাবিয়ার সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট) ফেনোমেনার মতো অন্য একইরূপ মানসিকতার মানুষের মাঝে সংক্রমণ ঘটায়।
সহজভাবে বললে এই যে "চাল পড়া খেলে চোর ধরা পড়ে" এটি সহজেই মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে মানব মস্তিষ্কের অবচেতন অংশ (সাবকনশিয়াস মাইন্ড) - তে পজেটিভ ভাইবে সেইভ হয়ে থাকে। এটির সাথে জুড়ে থাকে নিউরাল কানেক্টিভিটি ব্রিজে ধর্মীয় বিশ্বাস, আস্থা, ভয় ও ভক্তি এবং সহজাত হিস্টোরিক্যাল বৈশিষ্ট্য যা Functional Neurological Symptom Disorder (সংক্ষেপে Somatoform Disorder) এর সাথে রিলেটিভ।
ঠিক বুঝেও যেন বুঝলাম না....
আচ্ছা প্রতিটি পয়েন্ট স্পষ্টভাবে ডিটেইলস বর্ণনা করা যাক
• ধর্মীয় বিশ্বাস : ধর্মীয় বিশ্বাস যা সহজাতভাবে জন্মগতভাবে আমরা শিশুকাল হতেই শিক্ষা দীক্ষায় বড় হই - সুতরাং এটার প্রভাব আমাদের মস্তিষ্কে সবচেয়ে গাঢ়ভাবে কাজ করে। আমরা ধর্মীয় বিষয়ে সবচেয়ে বেশী সেনসেটিভ হওয়ার ঐ ধর্মের স্থিতিস্থাপকতার জন্যই আমাদের ব্রেইন ইনিশিয়াল ট্রিগার করে সেল্ফ ডিফেন্স মেকানিজমে।
সুতরাং উদাহরণস্বরূপ আপনি চুরি করেছেন < ধর্মীয় বিশ্বাসে চাল পড়ার গুনাগুবলী বিদ্যমান = সুতরাং যদিও আপনি নিজেকে সেইফ করতে চাইবেন তবুও আপনার মস্তিষ্ক আপনার বিশ্বাসের দায়ে'ই আপনাকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া রেসপন্স হিসেবে ফিডব্যাক দিবে।
• আস্থা : আমাদের মস্তিষ্ক সর্বদাই স্থিতিস্থাপকতা খুঁজে ফিরে তাই যে বিষয়ে আপনার বিশ্বাস আছে সেটাকেই বেইজ করে চিন্তা চেতনার নিউরাল কানেকশন তৈরী হয়; সেইসব কানেকশন সময়ের সাথে সাথে এতোটাই গভীর ও প্রগাঢ় হয় যেন তা ডিনাই করলে আপন অস্তিত্বের অস্বীকার হয়। সুতরাং আপনার নিকট আপনার আস্থা'কে নির্ভরযোগ্য করতেই চাল পড়াতে মস্তিষ্কের রেসপন্স করতে হয় [যদি আদৌ চুরি করা হয়]।
আমাদের গ্রাম্য সমাজে অনেক আগে হতেই - এমনকি অদ্যবধি মফস্বল শহুরে সমাজেও একটি বিশেষ বিষয় প্রচলিত আছে যে "কোন কিছু চুরি হলে চাল পড়া খাওয়ানোর রীতি - যাতে চোর ধরা পড়ে"।
তবে আক্ষরিকভাবে মূল প্রশ্ন থাকে যে আসলেই "চাল পড়া খেয়ে কি সত্যিই চোর ধরা পড়ে?"
যদিও এই বিষয়টা ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ হতে স্পর্শকাতর - তবুও আমরা কুসংস্কার এর মিথ বাস্টিং এর মাধ্যমে মূল সত্য তুলে ধরবো কোন ধর্ম বা বিশ্বাসে যথাসময় আঘাত না করেই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভূমিকায় সাইকোলজিক্যাল এনালাইসিসের মাধ্যমে।
চলুন শুরু করা যাক....
চোর এবং চাল পড়া
সাধারণত গ্রাম্য কিংবা শহুরে মফস্বলি এলাকাতে এখনও এই প্রথা চালু আছে যে কোথাও কিছু চুরি হলে সেখানে চাল পড়া খাওয়ানোর মাধ্যমে চোর'কে শনাক্ত করা যায়। এখানে বিশ্বাস তথা ধর্মগত দিক হতে মুসলিম ধর্মে যে কাজটা করা হয় তা হলো সন্দেহজনক কিছু ব্যক্তিকে একত্রিত করে সেখানে সবাইকে কিছু চাল পড়া খাওয়ানো হয় - তাতে যে বা যিনি চুরি করেছেন সে চাল গিলতে পারবে না। কিছুক্ষেত্রে এমন শোনা যায় যে গলা হতে রক্ত উঠবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
কি দোয়া পড়ে?
এখন যদিও স্পর্শকাতর তবুও আমাদের বিষয়টা ক্ল্যারিফাই হওয়ার জন্য জানা দরকার ঐ চাউল পড়াতে কি কি দোয়া পড়া হয়?
মূলত প্রচলিত সূরা ফাতিহা এরপর লআয়াতুল কুরসি এবং তিন কুল পড়ে ঐ চাউলে ফু দেওয়া হয়।
আরও বিশেষ কিছু দোয়া হয়তো ক্ষেত্রে বিশেষে পড়া হয় তবে এগুলোই প্রচলিত মূল দোয়া [এক্ষেত্রে কারোর এলিবাই থাকলে তিনি মন্তব্যে স্পেসিফিকভাবে কোন দোয়া পড়া হয় জানাতে পারেন - তাতে জাস্টিফিকেশান করা যাবে বৈকি]।
[আর হ্যা, এটাও এখানে উল্লেখ করে নিতে হচ্ছে যে যদিও চাল পড়া সমাজে প্রচলিত তবুও ইসলামে স্বীকৃত রুকাইয়াতে এটির প্রমান নেই]
চাল পড়া সত্যিই কি চোর খেতে পারে না?
এখানেই আসলে মূল ফ্যাক্ট লুকিয়ে আছে - যার উত্তর এবং জট খুলতে সাইকোলজির সহায়তা নিতে হবে।
তারও আগে একটি ক্ল্যারিফিকেশান প্রয়োজন হবে - যাতে সমালোচনা কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়া যায় এবং কোনরূপ অযাচিত বিতর্ক তৈরী না হয়...
"আপনি কি এমন কাউকে দেখেছেন যে কিনা চুরি করার ফলে চাল পড়া খেতে পারেননি অথবা তার গলা হতে রক্ত উঠেছে ইত্যাদি?"
এটা কিন্তু অমুকের কাছে শুনে তমুকের শোনাকথায় জাজামেন্ট হতে পারবে না - বরং লজিক এবং এভিডিয়েন্স অনুসারে এটা হতে হবে "চাক্ষুষ প্রমাণ - যার সকল তথ্য ক্রস ভেরিফাই করা যাবে"।
এখন এটাও সত্য যে অনেক সময় আক্ষরিকভাবেই চোর চাউল পড়া খেতে তথা গিলতে পারেন না - ফলে চোর শনাক্ত হয় এবং সহজেই চাউল পড়ার গুণাগুণ জনমনে ছড়িয়ে পড়ে। এটাকে অনেকটাই হিস্টোরিয়ার সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনে যোগসূত্র মেলে [মূলত হিস্টোরিয়া ডিজিজ'টির একদম শুরুর মূল কিন্তু এক প্রকার ফিমেইল সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশন হতে উদ্ভূত ব্যাধি - সেইদিকে আপাতত না যাই] - যেখানে একটি আচরণত বৈশিষ্ট্য (বিহ্যাবিয়ার সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট) ফেনোমেনার মতো অন্য একইরূপ মানসিকতার মানুষের মাঝে সংক্রমণ ঘটায়।
সহজভাবে বললে এই যে "চাল পড়া খেলে চোর ধরা পড়ে" এটি সহজেই মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে মানব মস্তিষ্কের অবচেতন অংশ (সাবকনশিয়াস মাইন্ড) - তে পজেটিভ ভাইবে সেইভ হয়ে থাকে। এটির সাথে জুড়ে থাকে নিউরাল কানেক্টিভিটি ব্রিজে ধর্মীয় বিশ্বাস, আস্থা, ভয় ও ভক্তি এবং সহজাত হিস্টোরিক্যাল বৈশিষ্ট্য যা Functional Neurological Symptom Disorder (সংক্ষেপে Somatoform Disorder) এর সাথে রিলেটিভ।
ঠিক বুঝেও যেন বুঝলাম না....
আচ্ছা প্রতিটি পয়েন্ট স্পষ্টভাবে ডিটেইলস বর্ণনা করা যাক
• ধর্মীয় বিশ্বাস : ধর্মীয় বিশ্বাস যা সহজাতভাবে জন্মগতভাবে আমরা শিশুকাল হতেই শিক্ষা দীক্ষায় বড় হই - সুতরাং এটার প্রভাব আমাদের মস্তিষ্কে সবচেয়ে গাঢ়ভাবে কাজ করে। আমরা ধর্মীয় বিষয়ে সবচেয়ে বেশী সেনসেটিভ হওয়ার ঐ ধর্মের স্থিতিস্থাপকতার জন্যই আমাদের ব্রেইন ইনিশিয়াল ট্রিগার করে সেল্ফ ডিফেন্স মেকানিজমে।
সুতরাং উদাহরণস্বরূপ আপনি চুরি করেছেন < ধর্মীয় বিশ্বাসে চাল পড়ার গুনাগুবলী বিদ্যমান = সুতরাং যদিও আপনি নিজেকে সেইফ করতে চাইবেন তবুও আপনার মস্তিষ্ক আপনার বিশ্বাসের দায়ে'ই আপনাকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া রেসপন্স হিসেবে ফিডব্যাক দিবে।
• আস্থা : আমাদের মস্তিষ্ক সর্বদাই স্থিতিস্থাপকতা খুঁজে ফিরে তাই যে বিষয়ে আপনার বিশ্বাস আছে সেটাকেই বেইজ করে চিন্তা চেতনার নিউরাল কানেকশন তৈরী হয়; সেইসব কানেকশন সময়ের সাথে সাথে এতোটাই গভীর ও প্রগাঢ় হয় যেন তা ডিনাই করলে আপন অস্তিত্বের অস্বীকার হয়। সুতরাং আপনার নিকট আপনার আস্থা'কে নির্ভরযোগ্য করতেই চাল পড়াতে মস্তিষ্কের রেসপন্স করতে হয় [যদি আদৌ চুরি করা হয়]।
• ভয় ও ভক্তি : আমাদের মস্তিষ্কের একটি বাই ডিফল্ট সিলেকশন ইউনিট হলো ভয় তথা ফেয়ার - যা হতে ভক্তির জন্ম নেয়। আপনি যখন কোন কিছুতে ভয় পান এবং সেটা সার্বজনীনভাবে মেনে নিতে হয় তখন মস্তিষ্কের ভয়ের অংশটি ভক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই ভয় ও ভক্তির স্বরূপ শুধু মস্তিষ্কের সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনে সীমাবদ্ধ না থেকে সেটা শারিরীকভাবেও ফিডব্যাক রেসপন্স নিশ্চিত করে। যেমন চুরির ঘটনায় মানসিক ভয়ের দরূণ জাগ্রত হওয়া ফেনোমেনার সাথে ধর্মীয় ভক্তি সহযোগে এমন মানসিক অবস্থিতি তৈরী হয় যেন "চাউল পড়া" দ্রব্যটি মুখে নিতে সংকোচ ও দ্বিধায় নেগেটিভ ইনআরশিয়া তৈরী করে [চোরোর জন্য]।
• Somatoform Disorder : আমাদের মস্তিষ্কের Functional Neurological Symptom যা কিনা একটি নির্দিষ্ট ঘটনায় একই সময়ে একই মানসিকতার সকল ব্যক্তি সংক্রমিত হয়। এই যেমন কোন একটি বিষয়ে সকলেই "হ্যা" বলছে সেখানে আপনি বিষয়টা না বুঝেও যেহেতু সকলে "হ্যা" রেসপন্স করেছে তাই আপনার ফিডব্যাকও সকলের অনুরূপ হওয়ার প্রবণতা আরকি - যদিও এটা সামাজিকভাবে খুবই নরমালাইজেশন তথাপি এটা ডিজঅর্ডারের বিষয়েও ঐ একইভাবে ক্রিয়াশীল।
চুরি ও চাল পড়ার সাথে বিষয়টি এমনভাবে রিলেটেড যেন সবাই বিশ্বাস করে "ফু দেওয়া চাউল চোর খেতে পারবে না" ফলে চোরের মানসিকতাও সেইভাবে প্রভাবিত (ইনফ্লুয়েঞ্জ তথা প্রলুব্ধ) হয় - তখন আক্ষরিকভাবে চাল চিবাতে পারে না।
যাই হউক হিউম্যান ব্রেইনের এতোসব ব্যাকএন্ড সাইকোলজিক্যাল ক্যাচাল রেখে এখন সারফেস বর্ণনাতে যদি আসা হয় তাহলে চোর কেন চাল পড়া খেতে পারে না?
(১) যিনি চুরি করেছেন তিনি অবশ্যই জানেন যে তিনি চোর - সুতরাং "চুরি করা বিষয়টা যে অন্যায়" সেই নেগেটিভিটি তার মানসিকতায় তার মন প্রভাবিত থাকে।
ডিপ্রেসিভ সিচুয়েশানে মস্তিষ্ক হতে Serotonin এবং Dopamine লেভেল হ্রাস পেয়ে Norepinephrine বৃদ্ধি পায় - এতে চোর আরও সজাগ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে (অন্য আর সব সাধারণ মানুষ হতে); সুতরাং চোর নিজেই নিজেকে সবার মাঝ হতে অবচেতন মনে হাইলাইট করে ফেলে।
(২) এই যে অবচেতন হাইলাইট হয়ে যাওয়া - তখনই আবার মস্তিষ্ক নিজেকে নিরাপদ রাখতে Fight - Flight Response মোডে Cortisol ট্রিগার করে বসে; ফলে মানসিক অস্বস্তিতে মুখের লালা কমে যায়।
মুখ শুষ্ক হয়ে ওঠে যাতে চাল চিবানোর মতো মেন্টাল স্ট্যামিনা (ফোর্স) থাকে না; অপরাপর লালাতে যে Salivary Amylase চাল এর স্টার্চ Maltose (ডাইস্যাকারাইড) তে রূপান্তরে করা একদম হ্রাস পায়।
(৩) এই যে ইনিশিয়াল ল্যাকিংস শুরু হয় (চোর চাল চিবাতে পারছে না) সেটাই আবার ক্রনিক্যালি ঘটতে থাকে ফলে এবার তৈরী হয় তীব্র ভয়ে একরূপ জড়তা; ততোক্ষণে সকলেই ব্যক্তির ভয়ের হেতু তাকে ইতিমধ্যে চোর সাবস্ত্য করেই ফেলেছে।
(৪) সবিশেষ মানসিক অপরাধবোধে ঐ ব্যক্তির কথা জিহ্বার মাংসপেশী শিথিল হয়ে যায় এবং রক্ত প্রবাহে তারতম্য ঘটে - ফলে ব্যক্তিটির স্বীকার করা ভিন্ন আর কোন উপায়'ই থাকে না।
মাইন্ড হ্যাকিং
আচ্ছা এই "চাল পড়া খেয়ে চোর ধরা পড়া" বিষয়টি কি কোনভাবে সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং হতে বাইপাস করা যায় না?
অবশ্যই যায় এবং সচরাচর এখনকার সময়ে এটি আগের মতো কাজ করে না কেননা আমরা মেন্টালি উপরের বিষয়গুলো শক্তভাবে হ্যান্ডেল করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি (এটা ক্রিমিনাল সাইকোলজির বিষয় - বিশদ আলোচনায় নাইবা গেলাম); ফলে তখন এটা দাড়ায় যে হয় চোর বাইরের কেউ নতুবা কামেল ব্যক্তির চাউল পড়া পাওয়া দুষ্কর!
যাই হউক - আপনি যদি চুরির পরেও মেন্টাল স্ট্যামিনা ঠিক রেখে বিষয়টাকে এজ ইউজিয়াল (খুবই স্বাভাবিক একটি কাজ) হিসেবে নিজেকে আত্মস্থ করাতে পারেন তখন আপনার জন্য হরমোন ইমিটিং কোন তারতম্য ঘটাবে না; ফলে সাইকোলজিক্যালি ও ফিজিক্যালি আপনি ইমপ্যাক্টিভ হবেন না; সুতরাং সহজেই চাল চিবিয়ে সামান্য উদরপূর্তি হবে বৈকি!
ওয়েট...আমি কি তাহলে সেইফ চুরি করার সুরক্ষা নিশ্চিত করছি?!
একদমই না; আমি হিউম্যান সাইকোলজির রুট বিষয়টার এক্সপ্লোর ও ইউটিলাইজেশান আপনার সামনে উপস্থাপন করছি মাত্র; তবে এই যে "আমার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে নিরাপদে চুরি শেখানো" সেটাই আসলে আমাদের মোরাল কানেক্টিভ স্টেইজ। এখন আপনার বা আমার মোরালিটি তথা নৈতিকতা যদি একটি কুসংস্কারে আচ্ছন্ন থাকে তখন সেটাকে ক্ল্যারিফাই করতেই হবে - ডার্ক সাইকোলজির জগতে আপনার আমার মস্তিষ্ক নিতান্তপক্ষে একটি জটিল ম্যাথ মাত্র; তাতে ফলাফল যেটাই আসুক আপেক্ষিকতা তো মানতেই হবে নাকি?!
এনিওয়্যে ভালো থাকুন - শুভকামনা রইলো।
• Somatoform Disorder : আমাদের মস্তিষ্কের Functional Neurological Symptom যা কিনা একটি নির্দিষ্ট ঘটনায় একই সময়ে একই মানসিকতার সকল ব্যক্তি সংক্রমিত হয়। এই যেমন কোন একটি বিষয়ে সকলেই "হ্যা" বলছে সেখানে আপনি বিষয়টা না বুঝেও যেহেতু সকলে "হ্যা" রেসপন্স করেছে তাই আপনার ফিডব্যাকও সকলের অনুরূপ হওয়ার প্রবণতা আরকি - যদিও এটা সামাজিকভাবে খুবই নরমালাইজেশন তথাপি এটা ডিজঅর্ডারের বিষয়েও ঐ একইভাবে ক্রিয়াশীল।
চুরি ও চাল পড়ার সাথে বিষয়টি এমনভাবে রিলেটেড যেন সবাই বিশ্বাস করে "ফু দেওয়া চাউল চোর খেতে পারবে না" ফলে চোরের মানসিকতাও সেইভাবে প্রভাবিত (ইনফ্লুয়েঞ্জ তথা প্রলুব্ধ) হয় - তখন আক্ষরিকভাবে চাল চিবাতে পারে না।
যাই হউক হিউম্যান ব্রেইনের এতোসব ব্যাকএন্ড সাইকোলজিক্যাল ক্যাচাল রেখে এখন সারফেস বর্ণনাতে যদি আসা হয় তাহলে চোর কেন চাল পড়া খেতে পারে না?
(১) যিনি চুরি করেছেন তিনি অবশ্যই জানেন যে তিনি চোর - সুতরাং "চুরি করা বিষয়টা যে অন্যায়" সেই নেগেটিভিটি তার মানসিকতায় তার মন প্রভাবিত থাকে।
ডিপ্রেসিভ সিচুয়েশানে মস্তিষ্ক হতে Serotonin এবং Dopamine লেভেল হ্রাস পেয়ে Norepinephrine বৃদ্ধি পায় - এতে চোর আরও সজাগ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে (অন্য আর সব সাধারণ মানুষ হতে); সুতরাং চোর নিজেই নিজেকে সবার মাঝ হতে অবচেতন মনে হাইলাইট করে ফেলে।
(২) এই যে অবচেতন হাইলাইট হয়ে যাওয়া - তখনই আবার মস্তিষ্ক নিজেকে নিরাপদ রাখতে Fight - Flight Response মোডে Cortisol ট্রিগার করে বসে; ফলে মানসিক অস্বস্তিতে মুখের লালা কমে যায়।
মুখ শুষ্ক হয়ে ওঠে যাতে চাল চিবানোর মতো মেন্টাল স্ট্যামিনা (ফোর্স) থাকে না; অপরাপর লালাতে যে Salivary Amylase চাল এর স্টার্চ Maltose (ডাইস্যাকারাইড) তে রূপান্তরে করা একদম হ্রাস পায়।
(৩) এই যে ইনিশিয়াল ল্যাকিংস শুরু হয় (চোর চাল চিবাতে পারছে না) সেটাই আবার ক্রনিক্যালি ঘটতে থাকে ফলে এবার তৈরী হয় তীব্র ভয়ে একরূপ জড়তা; ততোক্ষণে সকলেই ব্যক্তির ভয়ের হেতু তাকে ইতিমধ্যে চোর সাবস্ত্য করেই ফেলেছে।
(৪) সবিশেষ মানসিক অপরাধবোধে ঐ ব্যক্তির কথা জিহ্বার মাংসপেশী শিথিল হয়ে যায় এবং রক্ত প্রবাহে তারতম্য ঘটে - ফলে ব্যক্তিটির স্বীকার করা ভিন্ন আর কোন উপায়'ই থাকে না।
মাইন্ড হ্যাকিং
আচ্ছা এই "চাল পড়া খেয়ে চোর ধরা পড়া" বিষয়টি কি কোনভাবে সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং হতে বাইপাস করা যায় না?
অবশ্যই যায় এবং সচরাচর এখনকার সময়ে এটি আগের মতো কাজ করে না কেননা আমরা মেন্টালি উপরের বিষয়গুলো শক্তভাবে হ্যান্ডেল করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি (এটা ক্রিমিনাল সাইকোলজির বিষয় - বিশদ আলোচনায় নাইবা গেলাম); ফলে তখন এটা দাড়ায় যে হয় চোর বাইরের কেউ নতুবা কামেল ব্যক্তির চাউল পড়া পাওয়া দুষ্কর!
যাই হউক - আপনি যদি চুরির পরেও মেন্টাল স্ট্যামিনা ঠিক রেখে বিষয়টাকে এজ ইউজিয়াল (খুবই স্বাভাবিক একটি কাজ) হিসেবে নিজেকে আত্মস্থ করাতে পারেন তখন আপনার জন্য হরমোন ইমিটিং কোন তারতম্য ঘটাবে না; ফলে সাইকোলজিক্যালি ও ফিজিক্যালি আপনি ইমপ্যাক্টিভ হবেন না; সুতরাং সহজেই চাল চিবিয়ে সামান্য উদরপূর্তি হবে বৈকি!
ওয়েট...আমি কি তাহলে সেইফ চুরি করার সুরক্ষা নিশ্চিত করছি?!
একদমই না; আমি হিউম্যান সাইকোলজির রুট বিষয়টার এক্সপ্লোর ও ইউটিলাইজেশান আপনার সামনে উপস্থাপন করছি মাত্র; তবে এই যে "আমার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে নিরাপদে চুরি শেখানো" সেটাই আসলে আমাদের মোরাল কানেক্টিভ স্টেইজ। এখন আপনার বা আমার মোরালিটি তথা নৈতিকতা যদি একটি কুসংস্কারে আচ্ছন্ন থাকে তখন সেটাকে ক্ল্যারিফাই করতেই হবে - ডার্ক সাইকোলজির জগতে আপনার আমার মস্তিষ্ক নিতান্তপক্ষে একটি জটিল ম্যাথ মাত্র; তাতে ফলাফল যেটাই আসুক আপেক্ষিকতা তো মানতেই হবে নাকি?!
এনিওয়্যে ভালো থাকুন - শুভকামনা রইলো।
ফেসবুকের সক্ষমতা যে ভার্চুয়াল লাইফ হতে বাস্তব জীবনে কতোটা কার্যকরী সেটা আমরা সবাই জানি। অতীতে যেমন আমরা দেখতাম অমুক তমুক সেলিব্রিটির পোস্টে হাজার হাজার লাইক আর শতশত কমেন্টে কেমন ফেমাস তকমা পেতেন - তেমনি এই সময়ে তো অনলাইন বিজন্যসের ই-কমার্সের সিংহভাগ জুড়েই এফ-কমার্সের আধিপত্য!
যাই হউক - অতীতের হাতে লেখা পোস্ট হতে ফটো আর ভিডিও সেকশনের পরবর্তী শক্তিশালী একটা সোস্যাল টুল হয়ে দাড়িয়েছে "ফেসবুক লাইভ"।
বোঝার সুবিধার্থে উদাহরণস্বরূপ "পরীমনির লাইভ" এই কিওয়ার্ড (কি-ফ্রেইস) নানান সময়ে ফেসবুক সার্চের ট্রেন্ড জুড়ে ছিলো একসময়; আবার আজকের ভাইরাল মিজান হতে কেক বিক্রেতা ভাইয়া - আপু (ভাইয়াপু) সকলেই ফেসবুক ভিডিও এর কল্যানে এতোটা প্রচার ও প্রাসারে পয়াদা হয়েছে [পয়দা শব্দটা শুনতে শ্রুতিকটু তবে কটুকৃত্তি হতেই যে ফেসবুক লগারিদমে আমরা তাদের রিচ করাই সেটিও পরোক্ষভাবে সত্য]।
যাই হউক এই ফেসবুক ভিডিও এর লাইভ সেকশন অর্থাৎ Facebook Live যে কতোটা শক্তিশালী টুল সেটা হয়তো আমরা জেনেও জানি না!
কেননা প্রথমত ফেসবুক লাইভে পোস্ট অপেক্ষা ভিডিওতে তুলনামূলক অধিক এনগেইজ হওয়া - লাইভ (এই মুহুর্তে চলমান) বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে সবার তীব্র আগ্রহ - লাইভে যেকোন কোন মন্তব্য সরাসরি মূল বিষয়ের "কর্তা" কর্তৃক রিচ হওয়া ইত্যাদি।
একটু কঠিন লাগলেও সহজ করে বলি - আপনি আপনার ফেসবুকে পোস্ট লিখে কিংবা আপাত রিলস ভিডিও করে যতোটা না রিচ গেইন করে সোস্যাল ইনফ্লুয়েঞ্জ গেইন করতে পারবেন তারও অধিক ইফিসিয়েন্সি পেতে পারেন ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে - এটা ইনস্ট্যান্ট ইফেক্টিভ।
ধরুন কেউ আপনার সাথে দূর্নীতি করছে বা করতে চাইছে [উদাহরণস্বরূপ না হয় একজন ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার কথা কল্পনা করা যাক - যিনি আপনার নিকট ঘুষ চাইছেন] - তৎক্ষণাৎ আপনি আপনার মোবাইলের ফেসবুক এপ খুলে লাইভ শুরু করে দিলে দেখবেন অপরপক্ষের রূপ একদম বদলে গিয়েছে!
শুধু যে ইথিক্যাল বিষয় তা নয় বরং "লাইভ" করার এক হুমকি সাইবার জগতে সোস্যাল লাইফ কতোটা ভয়ংকর তা আমরা ইদানীংকালের বহু ঘটনা হতেই জেনেছি - উদাহরণস্বরূপ ৫০১ নং কক্ষের হুজুর [ওয়েট...আমি এখানে কাউকে জাস্টিফাই করছি না বরং ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু বা Root কিভাবে ডালপালা বিস্তার করে এক হুজুরের জীবন ম্রিয়মাণ করেছিলো সেটা বোঝাতেই প্রসঙ্গত উদাহরণ নিয়ে আসা; এতে এতো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে জ্বালার প্রয়োজন নেই]। সুতরাং ফেসবুকের এই সোস্যাল মিডিয়ার Live বিষয়টা আমাদের Life এর জন্য কতোটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে সেটা একটু মাথা খাটালেই বুদ্ধি আর কুবুদ্ধি দুইটাই জন্মে যাবে....
আচ্ছা এখানে একটি বড় প্রশ্ন এসে দাড়ায় যে এমন কার্যকরী ফেসবুক লাইভ করতে যতোটা এনগেজমেন্ট দরকার সেটা তো আপনার নেই; অর্থাৎ একটা ফেসবুক লাইভ যা সোস্যাল টুল হিসেবে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি করাতে পারে এমনটাতে দরকার প্রচুর পরিমানে লাইভ অডিয়েন্স - যারা ওয়াচিং করবে এবং আপনার স্বার্থ রক্ষার মতো উপযোগী করে কমেন্ট করবে। এখানেই Mind Hacking এর অন্যতম ইলিমেন্ট Social Engeniering কাজে লাগানো যায়। ফেসবুক লাইভের মতোই হুবহু ক্লোন একটি ওয়েব এপ্লিকেশন যা কিনা আপনার ডিভাইসে ব্যাক/ফন্ট ক্যামেরা এক্সেস করে মক (Mock) অডিয়েন্স (লাইভ ওয়াচিং ভিউয়ার) + কাস্টমাইজড কমেন্ট + রিএ্যাক্ট ইত্যাদি।
উপরন্তু বিষয়টা ক্লোনিং শুধুমাত্র UI নয় বরং টোটাল ফাংশানটাই ভিজ্যুয়ালি সেইম-টু-সেইম হতে হবে - তাতেই না আপনার উদ্দেশ্য সাকসেসফুল হবে :-/
এমনই একটি প্রজেক্ট হলো https://humayunshariarhimu.github.io/FbLive/ যেটা খুব সাধারণ একটি ওয়েব এপ্লিকেশন'ই হয়ে উঠতে পারে অভাবনীয় সক্ষমতার এক দারূণ সোস্যাল হ্যাকিং টুল। ওয়েব এপ্লিকেশন'টি আপনি সরাসরি লিংকে এক্সেস করে আপনার ব্রাউজারের ক্যামেরা পারমিশন এলাও করে (ফন্ট/ব্যাক মোডে সুইচিং করতে পারেন) স্রেফ মোবাইলটি আপনার পারিপার্শ্বিক ঘটনার সামনে তুলে ধরবেন (ঠিক আয়নার মতো) যেখানে আপনি যেভাবে চাইবেন ঘটনা হতে ইফেক্টিভিটি গেইন করতে সেভাবেই আগে হতে কমেন্ট ও রিএ্যাক্ট কাস্টমাইজ করে নিবেন (সামান্য জাভাস্ক্রিপ্টের কারসাজি) - ব্যাস, ভাইরাল নামক ভাইরাস আশঙ্কা কি অতঙ্কে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি!
কি হে....বড়ই আনইথিক্যাল মনে হচ্ছে?
তা তো বটেই - তথাপি ডার্ক সাইকোলজির জগত আপনার কল্পনায় চোখ বন্ধ করা অন্ধকারের চেয়েও আর গভীর কালো; একটু শুধু ব্রেইনের বন্ধ দুয়ায় খুললেই হয়।
তথাপি এটা হতে আপনি কেবলি খারাপ বিষয়ে স্বার্থ সিদ্ধি নয় বরং সমাজের নানান দূর্নীতি ও অপকর্ম বন্ধেও কাজে লাগাতে পারেন - এটি আপনার জন্য একটি সুরক্ষা নাইফের মতোই; আপনি যেমন ইচ্ছা তেমনি ব্যবহার করতে পারেন।
আর হ্যা, এটি গিটহাব ওপেন রিসোর্স তাই এখানে সেনসেটিভ কোন ডাটা ব্যাকএন্ডে রাখা হয়না সেটি সহজেই কোড এনালাইসিস করে ভেরিফাই করতে পারেন [ গিট রিপোজিটরী লিংক https://github.com/HumayunShariarHimu/FbLive ] - আর আপনার প্রয়োজন মতো সেটাকে আরও অধিক অপ্টিমাইজড বা রেসপন্সিভ করতে মোডিফাই করতে পারেন।
যাই হউক - অতীতের হাতে লেখা পোস্ট হতে ফটো আর ভিডিও সেকশনের পরবর্তী শক্তিশালী একটা সোস্যাল টুল হয়ে দাড়িয়েছে "ফেসবুক লাইভ"।
বোঝার সুবিধার্থে উদাহরণস্বরূপ "পরীমনির লাইভ" এই কিওয়ার্ড (কি-ফ্রেইস) নানান সময়ে ফেসবুক সার্চের ট্রেন্ড জুড়ে ছিলো একসময়; আবার আজকের ভাইরাল মিজান হতে কেক বিক্রেতা ভাইয়া - আপু (ভাইয়াপু) সকলেই ফেসবুক ভিডিও এর কল্যানে এতোটা প্রচার ও প্রাসারে পয়াদা হয়েছে [পয়দা শব্দটা শুনতে শ্রুতিকটু তবে কটুকৃত্তি হতেই যে ফেসবুক লগারিদমে আমরা তাদের রিচ করাই সেটিও পরোক্ষভাবে সত্য]।
যাই হউক এই ফেসবুক ভিডিও এর লাইভ সেকশন অর্থাৎ Facebook Live যে কতোটা শক্তিশালী টুল সেটা হয়তো আমরা জেনেও জানি না!
কেননা প্রথমত ফেসবুক লাইভে পোস্ট অপেক্ষা ভিডিওতে তুলনামূলক অধিক এনগেইজ হওয়া - লাইভ (এই মুহুর্তে চলমান) বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে সবার তীব্র আগ্রহ - লাইভে যেকোন কোন মন্তব্য সরাসরি মূল বিষয়ের "কর্তা" কর্তৃক রিচ হওয়া ইত্যাদি।
একটু কঠিন লাগলেও সহজ করে বলি - আপনি আপনার ফেসবুকে পোস্ট লিখে কিংবা আপাত রিলস ভিডিও করে যতোটা না রিচ গেইন করে সোস্যাল ইনফ্লুয়েঞ্জ গেইন করতে পারবেন তারও অধিক ইফিসিয়েন্সি পেতে পারেন ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে - এটা ইনস্ট্যান্ট ইফেক্টিভ।
ধরুন কেউ আপনার সাথে দূর্নীতি করছে বা করতে চাইছে [উদাহরণস্বরূপ না হয় একজন ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার কথা কল্পনা করা যাক - যিনি আপনার নিকট ঘুষ চাইছেন] - তৎক্ষণাৎ আপনি আপনার মোবাইলের ফেসবুক এপ খুলে লাইভ শুরু করে দিলে দেখবেন অপরপক্ষের রূপ একদম বদলে গিয়েছে!
শুধু যে ইথিক্যাল বিষয় তা নয় বরং "লাইভ" করার এক হুমকি সাইবার জগতে সোস্যাল লাইফ কতোটা ভয়ংকর তা আমরা ইদানীংকালের বহু ঘটনা হতেই জেনেছি - উদাহরণস্বরূপ ৫০১ নং কক্ষের হুজুর [ওয়েট...আমি এখানে কাউকে জাস্টিফাই করছি না বরং ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু বা Root কিভাবে ডালপালা বিস্তার করে এক হুজুরের জীবন ম্রিয়মাণ করেছিলো সেটা বোঝাতেই প্রসঙ্গত উদাহরণ নিয়ে আসা; এতে এতো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে জ্বালার প্রয়োজন নেই]। সুতরাং ফেসবুকের এই সোস্যাল মিডিয়ার Live বিষয়টা আমাদের Life এর জন্য কতোটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে সেটা একটু মাথা খাটালেই বুদ্ধি আর কুবুদ্ধি দুইটাই জন্মে যাবে....
আচ্ছা এখানে একটি বড় প্রশ্ন এসে দাড়ায় যে এমন কার্যকরী ফেসবুক লাইভ করতে যতোটা এনগেজমেন্ট দরকার সেটা তো আপনার নেই; অর্থাৎ একটা ফেসবুক লাইভ যা সোস্যাল টুল হিসেবে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি করাতে পারে এমনটাতে দরকার প্রচুর পরিমানে লাইভ অডিয়েন্স - যারা ওয়াচিং করবে এবং আপনার স্বার্থ রক্ষার মতো উপযোগী করে কমেন্ট করবে। এখানেই Mind Hacking এর অন্যতম ইলিমেন্ট Social Engeniering কাজে লাগানো যায়। ফেসবুক লাইভের মতোই হুবহু ক্লোন একটি ওয়েব এপ্লিকেশন যা কিনা আপনার ডিভাইসে ব্যাক/ফন্ট ক্যামেরা এক্সেস করে মক (Mock) অডিয়েন্স (লাইভ ওয়াচিং ভিউয়ার) + কাস্টমাইজড কমেন্ট + রিএ্যাক্ট ইত্যাদি।
উপরন্তু বিষয়টা ক্লোনিং শুধুমাত্র UI নয় বরং টোটাল ফাংশানটাই ভিজ্যুয়ালি সেইম-টু-সেইম হতে হবে - তাতেই না আপনার উদ্দেশ্য সাকসেসফুল হবে :-/
এমনই একটি প্রজেক্ট হলো https://humayunshariarhimu.github.io/FbLive/ যেটা খুব সাধারণ একটি ওয়েব এপ্লিকেশন'ই হয়ে উঠতে পারে অভাবনীয় সক্ষমতার এক দারূণ সোস্যাল হ্যাকিং টুল। ওয়েব এপ্লিকেশন'টি আপনি সরাসরি লিংকে এক্সেস করে আপনার ব্রাউজারের ক্যামেরা পারমিশন এলাও করে (ফন্ট/ব্যাক মোডে সুইচিং করতে পারেন) স্রেফ মোবাইলটি আপনার পারিপার্শ্বিক ঘটনার সামনে তুলে ধরবেন (ঠিক আয়নার মতো) যেখানে আপনি যেভাবে চাইবেন ঘটনা হতে ইফেক্টিভিটি গেইন করতে সেভাবেই আগে হতে কমেন্ট ও রিএ্যাক্ট কাস্টমাইজ করে নিবেন (সামান্য জাভাস্ক্রিপ্টের কারসাজি) - ব্যাস, ভাইরাল নামক ভাইরাস আশঙ্কা কি অতঙ্কে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি!
কি হে....বড়ই আনইথিক্যাল মনে হচ্ছে?
তা তো বটেই - তথাপি ডার্ক সাইকোলজির জগত আপনার কল্পনায় চোখ বন্ধ করা অন্ধকারের চেয়েও আর গভীর কালো; একটু শুধু ব্রেইনের বন্ধ দুয়ায় খুললেই হয়।
তথাপি এটা হতে আপনি কেবলি খারাপ বিষয়ে স্বার্থ সিদ্ধি নয় বরং সমাজের নানান দূর্নীতি ও অপকর্ম বন্ধেও কাজে লাগাতে পারেন - এটি আপনার জন্য একটি সুরক্ষা নাইফের মতোই; আপনি যেমন ইচ্ছা তেমনি ব্যবহার করতে পারেন।
আর হ্যা, এটি গিটহাব ওপেন রিসোর্স তাই এখানে সেনসেটিভ কোন ডাটা ব্যাকএন্ডে রাখা হয়না সেটি সহজেই কোড এনালাইসিস করে ভেরিফাই করতে পারেন [ গিট রিপোজিটরী লিংক https://github.com/HumayunShariarHimu/FbLive ] - আর আপনার প্রয়োজন মতো সেটাকে আরও অধিক অপ্টিমাইজড বা রেসপন্সিভ করতে মোডিফাই করতে পারেন।
❤2
আপনি যদি বিষয়টাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চান তাহলে ওয়েব এপ্লিকেশন'টিকে এনড্রোয়েড ওয়েব ভিউ বা ন্যাটিভ এপ্লিকেশনেও কনভার্ট করে নিতে পারেন (তাতে অফলাইনেও এটা সব সময় আপনার কাজের জন্য রেডী থাকবে)।
সুতরাং?
সুতরাং আরকি - বুদ্ধির বন্ধন খুলুন; একটু সাইকোলজি'ই হতে পারে আপনার জীবনের নানান সমস্যা সমাধানের অনেকখানি সলিউশন; শুধুমাত্র নৈতিকতা রেখে পলিউশন না করলেই হলো।
সুতরাং?
সুতরাং আরকি - বুদ্ধির বন্ধন খুলুন; একটু সাইকোলজি'ই হতে পারে আপনার জীবনের নানান সমস্যা সমাধানের অনেকখানি সলিউশন; শুধুমাত্র নৈতিকতা রেখে পলিউশন না করলেই হলো।
❤2
RazzRunAi -
An Universal Artificial Intelligence Getway
Link :- https://razzrunai.vercel.app/
RazzSearch :-
https://razzrunai.vercel.app/razzsearch.html
An Universal Artificial Intelligence Getway
Link :- https://razzrunai.vercel.app/
RazzSearch :-
https://razzrunai.vercel.app/razzsearch.html
🫡1
1xBet হ্যাকিং টেকনিক
নাহ, শুরুতেই বলে রাখছি আমার লেখাটি কখনোই আপনাকে জুয়া তথা বেটিং এ উৎসাহিত করবে না - বরং আপনাকে এই জুয়ার মাঝে ঘটে চলা এক অদৃশ্য হ্যাকিং সম্পর্কে জানাবে - যা জুয়ার চেয়েও বড্ড ভয়ংকর এবং একইসাথে দারূণ রোমাঞ্চকর বটে
চলুন শুরু হতে শুরু করা যাক...
আমরা প্রায় নিশ্চয়ই দেখে থাকি অমুক বেটিং সাইটের তমুক হ্যাক করে টাকা ইনকাম করার নানান বিজ্ঞাপন; তবে সেখানে ছোট্ট কিছু শর্ত থাকে যেমন টেলিগ্রাম চ্যানেলে জয়েন হওয়া অথবা রেফারে নতুন একাউন্ট খোলা কিংবা ডিপোজিট নেওয়া বা সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে সিগন্যাল কেনা এই আরকি...
তো কথা হচ্ছে যে "এই সমান্যতম যদি সহজ শর্ত থাকে তাহলে কত্তো কঠিন বেটিং সাইট হ্যাকিং এর মাধ্যমে কেন তারা নিজেরাই অর্থ উপার্জন করছেন না?"!
যদিও এটা খুবই সাধারণ একটি বিষয় তবুও যখন জুয়ার ফেনোমেনা মাথায় কাজ করে তখন জয়ের আশা আর টাকার নেশায় সহজ লজিকও মাথাতে ঠিক ধরে না - একটি ভ্রমের মতোই আসক্তি কাজ করে।
তবুও একটা কথা থাকে যে ঐ যারা নানান তকমাতে "হ্যাক ফাইল" বিক্রি করেন (ওয়েব এপ্লিকেশন / এনড্রোয়েড এপ্লিকেশন / টেলিগ্রাম বট - মিনি এপ ইত্যাদি); আসলেই কি ঐসব হ্যাকিং কাজ করে?
আপাতভাবে উত্তর হলো "হ্যা" কাজ করে - তবে সেটার পেছনে অন্য এক হ্যাকিং কাজ করে; আমরা সেটাই এক্সপ্লোর করার চেষ্টা করবো!
এক্সপ্লোরেশান
সাধারণ যারা এমন হ্যাকিং এর কথা বলে থাকেন তারা প্রয়াশ তাদের রেফারে নতুন একাউন্ট খুলতে বলেন (হাইলাইট : এই রেফারে হতেই তাদের ইনকাম হয়ে থাকে) - তো নতুন একাউন্টে স্বাভাবিকভাবে 1xbet এর মতো বেটিং সাইটগুলো প্রথমিক কিছু উইনিং দিয়ে থাকে যেন ইউজার আরও অধিক ইনফ্লিক্ট হতে পারে। সহজভাবে বললে নতুন ইউজার একাউন্টে বিভিন্ন শ্লট গেইমে লগারিদম অনুসারেই বেটিং পার্টনার গেইম অথোরাইজেশন উইনিং দেয় যেন সকলে প্রথমে যেমনটাই হউক "উইন" দিবে যেন পরবর্তীতে বড় এমাউন্ট স্টকে লস করানো যায়।
এই বিষয়টা হলো MonKeyGame [https://humayunshariarhimu.github.io/MonKeyGame/]
আরকি - যেমন বানর'কে একটি কলার লোভ দেখিয়ে বাকিসব কলার সন্ধান লাভ করে সেটা লুটে নেওয়া।
MonKeyGame গেইম এনালাইসিস করলে দেখতে পাবেন এখানে যেকোন এমাউন্টে আপনি Red/Green যেটাই চুজ করেন সেটাই আপমাকে দ্বিগুণ লাভ দিবে। পরবর্তীতে আপনি যেটাই চুজ করবেন সেটাই Loss করাবে।
এটা খুব সাধারান জাভাস্ক্রিপ্ট লজিক - তথাপি লগারিদমে এমনই লজিক ব্যবহার করা হয় যা কিনা হিউম্যান সাইকোলজির সূক্ষাতিসূক্ষ বিষয়গুলো নোট করে তৈরী করা হয় - সবার আগে আপনার ভেতরে টাকা প্রাপ্তির ফলে একটা স্যাটিসফেকশান কাজ করাবে; সেটিই আপনার মাঝে "লোভ" তৈরী করাবে এবং মস্তিষ্কে বারবার বারংবার "রিওয়ার্ড ট্রিগারিং" করিয়ে একটি অভাবনীয় কৌতূহলে আসক্তি তৈরী করাবে।
সুতরাং এই গেইমের শেষ তখনই - যতোক্ষন না অবধি আপনাকে আপনি নিজেই নিঃশেষ করছেন!
যাই হউক মূল প্রসঙ্গে আসা যাক যেখানে ঐসব হ্যাকার'রা কিভাবে উইনিং নিশ্চিত করার নিশ্চয়তা দেয় সেটার ডিটেইলস এক্সপ্লোর করতে হবে...
ফ্যাক্ট এনালাইসিস
নতুন একাউন্ট
ইতিপূর্বেই বলা হয়েছে রেফার এর বিনিময়ে তারা যেমনটা বলে - তাতে স্বাভাবিকভাবেই নতুন একাউন্টে শ্লটে প্রায় প্রাথমিক ছোট অংকের উইনিং দিয়ে থাকে [রেইঞ্জ Win - Win - Los / Los - Win - Win এমন হয়; যা ক্যালকুলেটিভলি কমবেশী এক তৃতীয়াংশ পরিমান বেশী উইনিং সম্ভবানা লগারিদম বেইজ থাকে]।
Apple Money Hack
Fortune Apple হলো এমন একটি গেইম যাতে ভাগ্যের ওপর কোন একটি আপেল সিলেক্ট করলে তা আপনার বেটিং স্টক'কে মাল্টিপ্লাই করবে; আদতে মূল বিষয় হলো - আপনি প্রথম RAW তে যে আপেলটিই সবচেয়ে বেশী সিলেক্ট করতে পারেন [এজ কর্নার] সেটিতেই উইনিং দেখাবে।
এখন যেহেতু এটা পূর্ব হতেই প্রথমিকভাবে মোটামুটি এনসিউর তাই প্রেডিকশন সাকসেস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশী; তাতে লগারিদম ওয়াইজ প্রতি ৫ বারে অন্ততপক্ষে শুরুর দিকে ১ বার উইনিং থাকেই।
সুতরাং এভাবেই তারা বোঝায় যে আসলেই আপনার আপনার ভাগ্য সত্যিই টাকার আপেল জুটেছে!
Apple of Fortune Hack
এখানেও প্রায় সেইম বিষয়টি দেখতে পাবেন যে প্রথম সারির আপেল'টির মুভমেন্ট কিন্তু অন্য সবার তুলনায় বেশ স্লথ তথা মন্থরগতিতে থাকে - তাই কোনবার আপনি যদি একটি সিলেক্ট করলে Loss হউন তাহলে দ্বিতীয়বার সেটাই সিলেক্ট করবেন যাতে প্রথমবার আপেল ছিলো (এটলিস্ট এমনভাবে হিউম্যান সাইকোলজি আমাদের ম্যানিউপুলেট করে নুব অবস্থায়) তাতে আপনি উইনিং হবেন সত্য - যে উইনিং নিশ্চিত আপনাকে Loss করাবেই!
Crash Hack
এটি বেটিং প্লাটফর্মের এক অনন্য গেইম যাতে একটি Aviator নির্দিষ্ট সীমাতে গিয়ে ক্র্যাশ করে; এখন সিংহভাগ সময়ে তাতে টোটাল বেট করা এমাউন্টের ওপর ডিপেন্ড করে মোট ডেস্টিনেটেড পয়েন্ট এভারেইজ করে সেটার নিচে হবে এমনভাবে ক্র্যাশ করানো হয়। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক টোটাল 100 টি বেটে 1000 USDT তে সকলের গড় ডেস্টিনেটেড পয়েন্ট হলো 1.78 তাহলে অবশ্যই এভিয়েটর ক্র্যাশ করাবে <1.78 এর নিচে এবং তাতে খুব অল্প কয়জন যদিও
নাহ, শুরুতেই বলে রাখছি আমার লেখাটি কখনোই আপনাকে জুয়া তথা বেটিং এ উৎসাহিত করবে না - বরং আপনাকে এই জুয়ার মাঝে ঘটে চলা এক অদৃশ্য হ্যাকিং সম্পর্কে জানাবে - যা জুয়ার চেয়েও বড্ড ভয়ংকর এবং একইসাথে দারূণ রোমাঞ্চকর বটে
চলুন শুরু হতে শুরু করা যাক...
আমরা প্রায় নিশ্চয়ই দেখে থাকি অমুক বেটিং সাইটের তমুক হ্যাক করে টাকা ইনকাম করার নানান বিজ্ঞাপন; তবে সেখানে ছোট্ট কিছু শর্ত থাকে যেমন টেলিগ্রাম চ্যানেলে জয়েন হওয়া অথবা রেফারে নতুন একাউন্ট খোলা কিংবা ডিপোজিট নেওয়া বা সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে সিগন্যাল কেনা এই আরকি...
তো কথা হচ্ছে যে "এই সমান্যতম যদি সহজ শর্ত থাকে তাহলে কত্তো কঠিন বেটিং সাইট হ্যাকিং এর মাধ্যমে কেন তারা নিজেরাই অর্থ উপার্জন করছেন না?"!
যদিও এটা খুবই সাধারণ একটি বিষয় তবুও যখন জুয়ার ফেনোমেনা মাথায় কাজ করে তখন জয়ের আশা আর টাকার নেশায় সহজ লজিকও মাথাতে ঠিক ধরে না - একটি ভ্রমের মতোই আসক্তি কাজ করে।
তবুও একটা কথা থাকে যে ঐ যারা নানান তকমাতে "হ্যাক ফাইল" বিক্রি করেন (ওয়েব এপ্লিকেশন / এনড্রোয়েড এপ্লিকেশন / টেলিগ্রাম বট - মিনি এপ ইত্যাদি); আসলেই কি ঐসব হ্যাকিং কাজ করে?
আপাতভাবে উত্তর হলো "হ্যা" কাজ করে - তবে সেটার পেছনে অন্য এক হ্যাকিং কাজ করে; আমরা সেটাই এক্সপ্লোর করার চেষ্টা করবো!
এক্সপ্লোরেশান
সাধারণ যারা এমন হ্যাকিং এর কথা বলে থাকেন তারা প্রয়াশ তাদের রেফারে নতুন একাউন্ট খুলতে বলেন (হাইলাইট : এই রেফারে হতেই তাদের ইনকাম হয়ে থাকে) - তো নতুন একাউন্টে স্বাভাবিকভাবে 1xbet এর মতো বেটিং সাইটগুলো প্রথমিক কিছু উইনিং দিয়ে থাকে যেন ইউজার আরও অধিক ইনফ্লিক্ট হতে পারে। সহজভাবে বললে নতুন ইউজার একাউন্টে বিভিন্ন শ্লট গেইমে লগারিদম অনুসারেই বেটিং পার্টনার গেইম অথোরাইজেশন উইনিং দেয় যেন সকলে প্রথমে যেমনটাই হউক "উইন" দিবে যেন পরবর্তীতে বড় এমাউন্ট স্টকে লস করানো যায়।
এই বিষয়টা হলো MonKeyGame [https://humayunshariarhimu.github.io/MonKeyGame/]
আরকি - যেমন বানর'কে একটি কলার লোভ দেখিয়ে বাকিসব কলার সন্ধান লাভ করে সেটা লুটে নেওয়া।
MonKeyGame গেইম এনালাইসিস করলে দেখতে পাবেন এখানে যেকোন এমাউন্টে আপনি Red/Green যেটাই চুজ করেন সেটাই আপমাকে দ্বিগুণ লাভ দিবে। পরবর্তীতে আপনি যেটাই চুজ করবেন সেটাই Loss করাবে।
এটা খুব সাধারান জাভাস্ক্রিপ্ট লজিক - তথাপি লগারিদমে এমনই লজিক ব্যবহার করা হয় যা কিনা হিউম্যান সাইকোলজির সূক্ষাতিসূক্ষ বিষয়গুলো নোট করে তৈরী করা হয় - সবার আগে আপনার ভেতরে টাকা প্রাপ্তির ফলে একটা স্যাটিসফেকশান কাজ করাবে; সেটিই আপনার মাঝে "লোভ" তৈরী করাবে এবং মস্তিষ্কে বারবার বারংবার "রিওয়ার্ড ট্রিগারিং" করিয়ে একটি অভাবনীয় কৌতূহলে আসক্তি তৈরী করাবে।
সুতরাং এই গেইমের শেষ তখনই - যতোক্ষন না অবধি আপনাকে আপনি নিজেই নিঃশেষ করছেন!
যাই হউক মূল প্রসঙ্গে আসা যাক যেখানে ঐসব হ্যাকার'রা কিভাবে উইনিং নিশ্চিত করার নিশ্চয়তা দেয় সেটার ডিটেইলস এক্সপ্লোর করতে হবে...
ফ্যাক্ট এনালাইসিস
নতুন একাউন্ট
ইতিপূর্বেই বলা হয়েছে রেফার এর বিনিময়ে তারা যেমনটা বলে - তাতে স্বাভাবিকভাবেই নতুন একাউন্টে শ্লটে প্রায় প্রাথমিক ছোট অংকের উইনিং দিয়ে থাকে [রেইঞ্জ Win - Win - Los / Los - Win - Win এমন হয়; যা ক্যালকুলেটিভলি কমবেশী এক তৃতীয়াংশ পরিমান বেশী উইনিং সম্ভবানা লগারিদম বেইজ থাকে]।
Apple Money Hack
Fortune Apple হলো এমন একটি গেইম যাতে ভাগ্যের ওপর কোন একটি আপেল সিলেক্ট করলে তা আপনার বেটিং স্টক'কে মাল্টিপ্লাই করবে; আদতে মূল বিষয় হলো - আপনি প্রথম RAW তে যে আপেলটিই সবচেয়ে বেশী সিলেক্ট করতে পারেন [এজ কর্নার] সেটিতেই উইনিং দেখাবে।
এখন যেহেতু এটা পূর্ব হতেই প্রথমিকভাবে মোটামুটি এনসিউর তাই প্রেডিকশন সাকসেস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশী; তাতে লগারিদম ওয়াইজ প্রতি ৫ বারে অন্ততপক্ষে শুরুর দিকে ১ বার উইনিং থাকেই।
সুতরাং এভাবেই তারা বোঝায় যে আসলেই আপনার আপনার ভাগ্য সত্যিই টাকার আপেল জুটেছে!
Apple of Fortune Hack
এখানেও প্রায় সেইম বিষয়টি দেখতে পাবেন যে প্রথম সারির আপেল'টির মুভমেন্ট কিন্তু অন্য সবার তুলনায় বেশ স্লথ তথা মন্থরগতিতে থাকে - তাই কোনবার আপনি যদি একটি সিলেক্ট করলে Loss হউন তাহলে দ্বিতীয়বার সেটাই সিলেক্ট করবেন যাতে প্রথমবার আপেল ছিলো (এটলিস্ট এমনভাবে হিউম্যান সাইকোলজি আমাদের ম্যানিউপুলেট করে নুব অবস্থায়) তাতে আপনি উইনিং হবেন সত্য - যে উইনিং নিশ্চিত আপনাকে Loss করাবেই!
Crash Hack
এটি বেটিং প্লাটফর্মের এক অনন্য গেইম যাতে একটি Aviator নির্দিষ্ট সীমাতে গিয়ে ক্র্যাশ করে; এখন সিংহভাগ সময়ে তাতে টোটাল বেট করা এমাউন্টের ওপর ডিপেন্ড করে মোট ডেস্টিনেটেড পয়েন্ট এভারেইজ করে সেটার নিচে হবে এমনভাবে ক্র্যাশ করানো হয়। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক টোটাল 100 টি বেটে 1000 USDT তে সকলের গড় ডেস্টিনেটেড পয়েন্ট হলো 1.78 তাহলে অবশ্যই এভিয়েটর ক্র্যাশ করাবে <1.78 এর নিচে এবং তাতে খুব অল্প কয়জন যদিও
সেকেন্ডের বিপরীতে বেশ ভালো এমাউন্ট মাল্টিপ্লাইড করবে
- তথাপি <40% অর্থাৎ 60%+ অবশ্যই তারা নিজেরাই অবশিষ্ট সকলের এমাউন্ট ক্র্যাশ করিয়ে লাভবান হবে। আর যখন এই টোটাল ক্যালকুলেশনে সিস্টেম নিজের বেনিফিট গেইন পাবে না তখন লগারিদম সেটআপ এমনভাবে থাকে যেন শুরুতেই এভিয়েটর ক্র্যাশ করবে - যেন সিস্টেম বেনিফিট নিশ্চিত হয়।
এখন হ্যাক ফাইলের বিষয়টা হলো খুব মজাদার - এটি সবসময়ই এমন Low সিগন্যাল দিবে যেন কোন একবার অন্তত আপনি জিততে পারেন (যেহেতু সিস্টেম উইনিং নিজেই ব্যালেন্সিভ কন্ডিশনে বেনিফিট গেইন করাতে <Below Point তে ক্র্যাশ করবে)।
অন্যদিকে যতোক্ষণে আপনি এটা ক্ল্যারিফাই করতে পারবেন ততোক্ষণে সিস্টেম আপনাকে ওয়ার্নিং দিয়ে দিবে যে "আজকের হ্যাক লিমিট শেষ" সুতরাং আপনার চোখের দেখাতেই আপাত উইনিং হ্যাক হচ্ছে - যা আপনি নিজেই নিজেকে সিস্টেমের কাছে হ্যাক হওয়াচ্ছেন আরকি!
Cash Hack
এখানে Cash Hack এক মজার এবং দারুন জিনিস করে - আপনাকে যদি সর্বদাই আমাকে একদম একিউরেট পয়েন্টে উইন দেখাতে হয় তাহলে আমাকে One Step Back করতে হবে। অর্থাৎ সহজভাবে আপনাকে আমি সেটাই Real Time দেখাবো যা লাইভ'লি পূর্বের রেজাল্ট শো করাবে; এক্ষেত্রে টাইম ল্যাপস এতোটাই কম হয় যে সেটির পার্থক্য বোঝার সক্ষমতা থাকে না; আর ছোট্ট কিন্তু দারুন এই কাজটা করা হলো Signal Running এর সময়টুকুর গ্যাপে - ফলে আপনি নিশ্চিত দেখছেন সবসময়ই উইনিং তথায় এখানে কেবলি আপনার বিলিফ'টাকে হ্যাক করা হচ্ছে মাত্র!
Goal Hack
একটি অনন্য স্লট গেইম হলো আপনাকে প্রেডিক্ট করতে হবে ফুটবলে Goal অথবা No Goal - যেখানে আপনার অনুমানের ওপর বেইজ করে বেট ধরা এমাউন্ট বেইজ করে ১০ বারের মাঝে এটলিস্ট >৪ বার সম্ভাবনা থাকে যে আপনি জিতবেন।
কিভাবে এমন কথা বললাম?
ইটস ওকে, আপনি কয়েনের হেড/টেল সিলেক্ট করুন এবং সেটাকে উপরে উঠিয়ে রোটেড করুন তাহলে হেড/টেল পড়ার প্রতিবার সম্ভাবনা কতো হয়?
অবশ্যই 50/50% - তাহলে গড়ে ১০ বারেও সেটার ফলাফল ততোই থাকে শুধু প্রেডিকশন ৫০% এর কমে নিশ্চিত মিলে যাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যায়!
এটাই Goal Hack তে কাজ করে!
Thimbles Game Hack
এটিও উপরের মতোই সংখ্যার অনিশ্চয়তার সূত্র'কে কাজে লাগিয়ে সেটার পসিবিলিটির ওপর বেইজ করে কাজ করে - সুতরাং আপনাকে দেখানো হবে উইনিং তথাপি আদৌ সেটা আপনাকে নিঃশেষ করার এক হাতছানি মাত্র
কনক্লুশন
এই সকল বিষয়গুলোর এক্সিকিউশন GithHub রিপোতে দেওয়া হলো (ওপেন সোর্স) 1xplorer [ https://humayunshariarhimu.github.io/1xplorer/ ]
যাতে আপনি সহজেই এনলাইসিস করতে পারেন।
মূলত এতোসব টাটকা স্ক্রিনশট আর টাকার গন্ধে মোহগ্রস্ত হয়ে আপনি আপনার নিজেকেই এমনভাবে উপস্থাপন করছেন যেন "আসো...আমাকে হ্যাক করো"!
হ্যাকিং একটি প্যাশান যেখানে এটির মূল উৎপত্তিস্থল হলো আমাদের "ব্রেইন" যেটাকে আপনি কতোটা সহজে কতো কঠিন ক্যালকুলেশান বাইপাস করতে রিভার্স থিংকিং করতে পারেন - এটাই আপনার হ্যাকিং স্কিল!
আর হ্যা, সত্যি সত্যিই যদি আপনি এমন বেটিং-তে জয়ী হতে চান তাহলে সবার আগে (১) আপনাকে হিউম্যান সাইকোলজি বুঝতে হবে (২) বিভিন্ন লগারিদমে কিভাবে সেই হিউম্যান সাইকোলজি কেমন করে ইউটিলাইজেশান হয় সেটা রিয়েলাইজ করতে হবে (৩) সেই রিয়েলাইজেশানের বেইজে উক্ত লগারিদমের লাইভ রুলসের ব্রেকিং পয়েন্ট তথা Vulnerability খুঁজতে হবে (৪) উক্ত Vulnerabilities কিভাবে ম্যাথমেটিক্যালি ইউটিলাইজ করা যায় সেটার সূত্র তৈরী করতে হবে।
এই যে এত্তোকিছু করবেন তাতে আপনার ব্রেইন ততোদিনে এতোটা ফাইন টিউন হয়েই যাবে যে "জুয়া খেলে যতোটা সময়ে অনিশ্চয়তায় আপনার অর্থ এবং স্ট্যামিনা নষ্ট করছেন - তার অল্প একটুখানি ব্যবহার করতে পারলেই এমনিতেই হিউজ পরিমানে টাকা ইনকাম করতেই পারেন"; তথাপি বসে বসে টাকা ইনকাম হওয়ার নাম যেমন ফ্রিল্যান্সিং নয় তেমনি ভাগ্যের ওপর ভর করেও বড়লোক হওয়া যায় না!
Game কে এনজয়মেন্টের স্থানে রাখুন - আপনার প্যাশান'কে প্রাফোশনে কনভার্ট করুন!
শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।
- তথাপি <40% অর্থাৎ 60%+ অবশ্যই তারা নিজেরাই অবশিষ্ট সকলের এমাউন্ট ক্র্যাশ করিয়ে লাভবান হবে। আর যখন এই টোটাল ক্যালকুলেশনে সিস্টেম নিজের বেনিফিট গেইন পাবে না তখন লগারিদম সেটআপ এমনভাবে থাকে যেন শুরুতেই এভিয়েটর ক্র্যাশ করবে - যেন সিস্টেম বেনিফিট নিশ্চিত হয়।
এখন হ্যাক ফাইলের বিষয়টা হলো খুব মজাদার - এটি সবসময়ই এমন Low সিগন্যাল দিবে যেন কোন একবার অন্তত আপনি জিততে পারেন (যেহেতু সিস্টেম উইনিং নিজেই ব্যালেন্সিভ কন্ডিশনে বেনিফিট গেইন করাতে <Below Point তে ক্র্যাশ করবে)।
অন্যদিকে যতোক্ষণে আপনি এটা ক্ল্যারিফাই করতে পারবেন ততোক্ষণে সিস্টেম আপনাকে ওয়ার্নিং দিয়ে দিবে যে "আজকের হ্যাক লিমিট শেষ" সুতরাং আপনার চোখের দেখাতেই আপাত উইনিং হ্যাক হচ্ছে - যা আপনি নিজেই নিজেকে সিস্টেমের কাছে হ্যাক হওয়াচ্ছেন আরকি!
Cash Hack
এখানে Cash Hack এক মজার এবং দারুন জিনিস করে - আপনাকে যদি সর্বদাই আমাকে একদম একিউরেট পয়েন্টে উইন দেখাতে হয় তাহলে আমাকে One Step Back করতে হবে। অর্থাৎ সহজভাবে আপনাকে আমি সেটাই Real Time দেখাবো যা লাইভ'লি পূর্বের রেজাল্ট শো করাবে; এক্ষেত্রে টাইম ল্যাপস এতোটাই কম হয় যে সেটির পার্থক্য বোঝার সক্ষমতা থাকে না; আর ছোট্ট কিন্তু দারুন এই কাজটা করা হলো Signal Running এর সময়টুকুর গ্যাপে - ফলে আপনি নিশ্চিত দেখছেন সবসময়ই উইনিং তথায় এখানে কেবলি আপনার বিলিফ'টাকে হ্যাক করা হচ্ছে মাত্র!
Goal Hack
একটি অনন্য স্লট গেইম হলো আপনাকে প্রেডিক্ট করতে হবে ফুটবলে Goal অথবা No Goal - যেখানে আপনার অনুমানের ওপর বেইজ করে বেট ধরা এমাউন্ট বেইজ করে ১০ বারের মাঝে এটলিস্ট >৪ বার সম্ভাবনা থাকে যে আপনি জিতবেন।
কিভাবে এমন কথা বললাম?
ইটস ওকে, আপনি কয়েনের হেড/টেল সিলেক্ট করুন এবং সেটাকে উপরে উঠিয়ে রোটেড করুন তাহলে হেড/টেল পড়ার প্রতিবার সম্ভাবনা কতো হয়?
অবশ্যই 50/50% - তাহলে গড়ে ১০ বারেও সেটার ফলাফল ততোই থাকে শুধু প্রেডিকশন ৫০% এর কমে নিশ্চিত মিলে যাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যায়!
এটাই Goal Hack তে কাজ করে!
Thimbles Game Hack
এটিও উপরের মতোই সংখ্যার অনিশ্চয়তার সূত্র'কে কাজে লাগিয়ে সেটার পসিবিলিটির ওপর বেইজ করে কাজ করে - সুতরাং আপনাকে দেখানো হবে উইনিং তথাপি আদৌ সেটা আপনাকে নিঃশেষ করার এক হাতছানি মাত্র
কনক্লুশন
এই সকল বিষয়গুলোর এক্সিকিউশন GithHub রিপোতে দেওয়া হলো (ওপেন সোর্স) 1xplorer [ https://humayunshariarhimu.github.io/1xplorer/ ]
যাতে আপনি সহজেই এনলাইসিস করতে পারেন।
মূলত এতোসব টাটকা স্ক্রিনশট আর টাকার গন্ধে মোহগ্রস্ত হয়ে আপনি আপনার নিজেকেই এমনভাবে উপস্থাপন করছেন যেন "আসো...আমাকে হ্যাক করো"!
হ্যাকিং একটি প্যাশান যেখানে এটির মূল উৎপত্তিস্থল হলো আমাদের "ব্রেইন" যেটাকে আপনি কতোটা সহজে কতো কঠিন ক্যালকুলেশান বাইপাস করতে রিভার্স থিংকিং করতে পারেন - এটাই আপনার হ্যাকিং স্কিল!
আর হ্যা, সত্যি সত্যিই যদি আপনি এমন বেটিং-তে জয়ী হতে চান তাহলে সবার আগে (১) আপনাকে হিউম্যান সাইকোলজি বুঝতে হবে (২) বিভিন্ন লগারিদমে কিভাবে সেই হিউম্যান সাইকোলজি কেমন করে ইউটিলাইজেশান হয় সেটা রিয়েলাইজ করতে হবে (৩) সেই রিয়েলাইজেশানের বেইজে উক্ত লগারিদমের লাইভ রুলসের ব্রেকিং পয়েন্ট তথা Vulnerability খুঁজতে হবে (৪) উক্ত Vulnerabilities কিভাবে ম্যাথমেটিক্যালি ইউটিলাইজ করা যায় সেটার সূত্র তৈরী করতে হবে।
এই যে এত্তোকিছু করবেন তাতে আপনার ব্রেইন ততোদিনে এতোটা ফাইন টিউন হয়েই যাবে যে "জুয়া খেলে যতোটা সময়ে অনিশ্চয়তায় আপনার অর্থ এবং স্ট্যামিনা নষ্ট করছেন - তার অল্প একটুখানি ব্যবহার করতে পারলেই এমনিতেই হিউজ পরিমানে টাকা ইনকাম করতেই পারেন"; তথাপি বসে বসে টাকা ইনকাম হওয়ার নাম যেমন ফ্রিল্যান্সিং নয় তেমনি ভাগ্যের ওপর ভর করেও বড়লোক হওয়া যায় না!
Game কে এনজয়মেন্টের স্থানে রাখুন - আপনার প্যাশান'কে প্রাফোশনে কনভার্ট করুন!
শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।
❤1🔥1
ভয়ংকর এক সোস্যাল সাইকোলজিক্যাল টুল Facebook Live
ফেসবুকের সক্ষমতা যে ভার্চুয়াল লাইফ হতে বাস্তব জীবনে কতোটা কার্যকরী সেটা আমরা সবাই জানি। অতীতে যেমন আমরা দেখতাম অমুক তমুক সেলিব্রিটির পোস্টে হাজার হাজার লাইক আর শতশত কমেন্টে কেমন ফেমাস তকমা পেতেন – তেমনি এই সময়ে তো অনলাইন বিজন্যসের ই-কমার্সের সিংহভাগ জুড়েই এফ-কমার্সের আধিপত্য!
যাই হউক – অতীতের হাতে লেখা পোস্ট হতে ফটো আর ভিডিও সেকশনের পরবর্তী শক্তিশালী একটা সোস্যাল টুল হয়ে দাড়িয়েছে “ফেসবুক লাইভ”।
বোঝার সুবিধার্থে উদাহরণস্বরূপ “পরীমনির লাইভ” এই কিওয়ার্ড (কি-ফ্রেইস) নানান সময়ে ফেসবুক সার্চের ট্রেন্ড জুড়ে ছিলো একসময়; আবার আজকের ভাইরাল মিজান হতে কেক বিক্রেতা ভাইয়া – আপু (ভাইয়াপু) সকলেই ফেসবুক ভিডিও এর কল্যানে এতোটা প্রচার ও প্রাসারে পয়াদা হয়েছে [পয়দা শব্দটা শুনতে শ্রুতিকটু তবে কটুকৃত্তি হতেই যে ফেসবুক লগারিদমে আমরা তাদের রিচ করাই সেটিও পরোক্ষভাবে সত্য]।
যাই হউক এই ফেসবুক ভিডিও এর লাইভ সেকশন অর্থাৎ Facebook Live যে কতোটা শক্তিশালী টুল সেটা হয়তো আমরা জেনেও জানি না!
কেননা প্রথমত ফেসবুক লাইভে পোস্ট অপেক্ষা ভিডিওতে তুলনামূলক অধিক এনগেইজ হওয়া – লাইভ (এই মুহুর্তে চলমান) বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে সবার তীব্র আগ্রহ – লাইভে যেকোন কোন মন্তব্য সরাসরি মূল বিষয়ের “কর্তা” কর্তৃক রিচ হওয়া ইত্যাদি।
একটু কঠিন লাগলেও সহজ করে বলি – আপনি আপনার ফেসবুকে পোস্ট লিখে কিংবা আপাত রিলস ভিডিও করে যতোটা না রিচ গেইন করে সোস্যাল ইনফ্লুয়েঞ্জ গেইন করতে পারবেন তারও অধিক ইফিসিয়েন্সি পেতে পারেন ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে – এটা ইনস্ট্যান্ট ইফেক্টিভ।
ধরুন কেউ আপনার সাথে দূর্নীতি করছে বা করতে চাইছে [উদাহরণস্বরূপ না হয় একজন ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার কথা কল্পনা করা যাক – যিনি আপনার নিকট ঘুষ চাইছেন] – তৎক্ষণাৎ আপনি আপনার মোবাইলের ফেসবুক এপ খুলে লাইভ শুরু করে দিলে দেখবেন অপরপক্ষের রূপ একদম বদলে গিয়েছে!
শুধু যে ইথিক্যাল বিষয় তা নয় বরং “লাইভ” করার এক হুমকি সাইবার জগতে সোস্যাল লাইফ কতোটা ভয়ংকর তা আমরা ইদানীংকালের বহু ঘটনা হতেই জেনেছি – উদাহরণস্বরূপ ৫০১ নং কক্ষের হুজুর [ওয়েট…আমি এখানে কাউকে জাস্টিফাই করছি না বরং ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু বা Root কিভাবে ডালপালা বিস্তার করে এক হুজুরের জীবন ম্রিয়মাণ করেছিলো সেটা বোঝাতেই প্রসঙ্গত উদাহরণ নিয়ে আসা; এতে এতো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে জ্বালার প্রয়োজন নেই]। সুতরাং ফেসবুকের এই সোস্যাল মিডিয়ার Live বিষয়টা আমাদের Life এর জন্য কতোটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে সেটা একটু মাথা খাটালেই বুদ্ধি আর কুবুদ্ধি দুইটাই জন্মে যাবে….
আচ্ছা এখানে একটি বড় প্রশ্ন এসে দাড়ায় যে এমন কার্যকরী ফেসবুক লাইভ করতে যতোটা এনগেজমেন্ট দরকার সেটা তো আপনার নেই; অর্থাৎ একটা ফেসবুক লাইভ যা সোস্যাল টুল হিসেবে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি করাতে পারে এমনটাতে দরকার প্রচুর পরিমানে লাইভ অডিয়েন্স – যারা ওয়াচিং করবে এবং আপনার স্বার্থ রক্ষার মতো উপযোগী করে কমেন্ট করবে। এখানেই Mind Hacking এর অন্যতম ইলিমেন্ট Social Engeniering কাজে লাগানো যায়। ফেসবুক লাইভের মতোই হুবহু ক্লোন একটি ওয়েব এপ্লিকেশন যা কিনা আপনার ডিভাইসে ব্যাক/ফন্ট ক্যামেরা এক্সেস করে মক (Mock) অডিয়েন্স (লাইভ ওয়াচিং ভিউয়ার) + কাস্টমাইজড কমেন্ট + রিএ্যাক্ট ইত্যাদি।
উপরন্তু বিষয়টা ক্লোনিং শুধুমাত্র UI নয় বরং টোটাল ফাংশানটাই ভিজ্যুয়ালি সেইম-টু-সেইম হতে হবে – তাতেই না আপনার উদ্দেশ্য সাকসেসফুল হবে :-/
এমনই একটি প্রজেক্ট হলো FbLive [https://humayunshariarhimu.github.io/FbLive]
যা খুব সাধারণ একটি ওয়েব এপ্লিকেশন’ই হয়ে উঠতে পারে অভাবনীয় সক্ষমতার এক দারূণ সোস্যাল হ্যাকিং টুল। ওয়েব এপ্লিকেশন’টি আপনি সরাসরি লিংকে এক্সেস করে আপনার ব্রাউজারের ক্যামেরা পারমিশন এলাও করে (ফন্ট/ব্যাক মোডে সুইচিং করতে পারেন) স্রেফ মোবাইলটি আপনার পারিপার্শ্বিক ঘটনার সামনে তুলে ধরবেন (ঠিক আয়নার মতো) যেখানে আপনি যেভাবে চাইবেন ঘটনা হতে ইফেক্টিভিটি গেইন করতে সেভাবেই আগে হতে কমেন্ট ও রিএ্যাক্ট কাস্টমাইজ করে নিবেন (সামান্য জাভাস্ক্রিপ্টের কারসাজি) – ব্যাস, ভাইরাল নামক ভাইরাস আশঙ্কা কি অতঙ্কে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি!
কি হে….বড়ই আনইথিক্যাল মনে হচ্ছে?
তা তো বটেই – তথাপি ডার্ক সাইকোলজির জগত আপনার কল্পনায় চোখ বন্ধ করা অন্ধকারের চেয়েও আর গভীর কালো; একটু শুধু ব্রেইনের বন্ধ দুয়ায় খুললেই হয়।
তথাপি এটা হতে আপনি কেবলি খারাপ বিষয়ে স্বার্থ সিদ্ধি নয় বরং সমাজের নানান দূর্নীতি ও অপকর্ম বন্ধেও কাজে লাগাতে পারেন – এটি আপনার জন্য একটি সুরক্ষা নাইফের মতোই; আপনি যেমন ইচ্ছা তেমনি ব্যবহার করতে পারেন।
ফেসবুকের সক্ষমতা যে ভার্চুয়াল লাইফ হতে বাস্তব জীবনে কতোটা কার্যকরী সেটা আমরা সবাই জানি। অতীতে যেমন আমরা দেখতাম অমুক তমুক সেলিব্রিটির পোস্টে হাজার হাজার লাইক আর শতশত কমেন্টে কেমন ফেমাস তকমা পেতেন – তেমনি এই সময়ে তো অনলাইন বিজন্যসের ই-কমার্সের সিংহভাগ জুড়েই এফ-কমার্সের আধিপত্য!
যাই হউক – অতীতের হাতে লেখা পোস্ট হতে ফটো আর ভিডিও সেকশনের পরবর্তী শক্তিশালী একটা সোস্যাল টুল হয়ে দাড়িয়েছে “ফেসবুক লাইভ”।
বোঝার সুবিধার্থে উদাহরণস্বরূপ “পরীমনির লাইভ” এই কিওয়ার্ড (কি-ফ্রেইস) নানান সময়ে ফেসবুক সার্চের ট্রেন্ড জুড়ে ছিলো একসময়; আবার আজকের ভাইরাল মিজান হতে কেক বিক্রেতা ভাইয়া – আপু (ভাইয়াপু) সকলেই ফেসবুক ভিডিও এর কল্যানে এতোটা প্রচার ও প্রাসারে পয়াদা হয়েছে [পয়দা শব্দটা শুনতে শ্রুতিকটু তবে কটুকৃত্তি হতেই যে ফেসবুক লগারিদমে আমরা তাদের রিচ করাই সেটিও পরোক্ষভাবে সত্য]।
যাই হউক এই ফেসবুক ভিডিও এর লাইভ সেকশন অর্থাৎ Facebook Live যে কতোটা শক্তিশালী টুল সেটা হয়তো আমরা জেনেও জানি না!
কেননা প্রথমত ফেসবুক লাইভে পোস্ট অপেক্ষা ভিডিওতে তুলনামূলক অধিক এনগেইজ হওয়া – লাইভ (এই মুহুর্তে চলমান) বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে সবার তীব্র আগ্রহ – লাইভে যেকোন কোন মন্তব্য সরাসরি মূল বিষয়ের “কর্তা” কর্তৃক রিচ হওয়া ইত্যাদি।
একটু কঠিন লাগলেও সহজ করে বলি – আপনি আপনার ফেসবুকে পোস্ট লিখে কিংবা আপাত রিলস ভিডিও করে যতোটা না রিচ গেইন করে সোস্যাল ইনফ্লুয়েঞ্জ গেইন করতে পারবেন তারও অধিক ইফিসিয়েন্সি পেতে পারেন ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে – এটা ইনস্ট্যান্ট ইফেক্টিভ।
ধরুন কেউ আপনার সাথে দূর্নীতি করছে বা করতে চাইছে [উদাহরণস্বরূপ না হয় একজন ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার কথা কল্পনা করা যাক – যিনি আপনার নিকট ঘুষ চাইছেন] – তৎক্ষণাৎ আপনি আপনার মোবাইলের ফেসবুক এপ খুলে লাইভ শুরু করে দিলে দেখবেন অপরপক্ষের রূপ একদম বদলে গিয়েছে!
শুধু যে ইথিক্যাল বিষয় তা নয় বরং “লাইভ” করার এক হুমকি সাইবার জগতে সোস্যাল লাইফ কতোটা ভয়ংকর তা আমরা ইদানীংকালের বহু ঘটনা হতেই জেনেছি – উদাহরণস্বরূপ ৫০১ নং কক্ষের হুজুর [ওয়েট…আমি এখানে কাউকে জাস্টিফাই করছি না বরং ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু বা Root কিভাবে ডালপালা বিস্তার করে এক হুজুরের জীবন ম্রিয়মাণ করেছিলো সেটা বোঝাতেই প্রসঙ্গত উদাহরণ নিয়ে আসা; এতে এতো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে জ্বালার প্রয়োজন নেই]। সুতরাং ফেসবুকের এই সোস্যাল মিডিয়ার Live বিষয়টা আমাদের Life এর জন্য কতোটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে সেটা একটু মাথা খাটালেই বুদ্ধি আর কুবুদ্ধি দুইটাই জন্মে যাবে….
আচ্ছা এখানে একটি বড় প্রশ্ন এসে দাড়ায় যে এমন কার্যকরী ফেসবুক লাইভ করতে যতোটা এনগেজমেন্ট দরকার সেটা তো আপনার নেই; অর্থাৎ একটা ফেসবুক লাইভ যা সোস্যাল টুল হিসেবে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি করাতে পারে এমনটাতে দরকার প্রচুর পরিমানে লাইভ অডিয়েন্স – যারা ওয়াচিং করবে এবং আপনার স্বার্থ রক্ষার মতো উপযোগী করে কমেন্ট করবে। এখানেই Mind Hacking এর অন্যতম ইলিমেন্ট Social Engeniering কাজে লাগানো যায়। ফেসবুক লাইভের মতোই হুবহু ক্লোন একটি ওয়েব এপ্লিকেশন যা কিনা আপনার ডিভাইসে ব্যাক/ফন্ট ক্যামেরা এক্সেস করে মক (Mock) অডিয়েন্স (লাইভ ওয়াচিং ভিউয়ার) + কাস্টমাইজড কমেন্ট + রিএ্যাক্ট ইত্যাদি।
উপরন্তু বিষয়টা ক্লোনিং শুধুমাত্র UI নয় বরং টোটাল ফাংশানটাই ভিজ্যুয়ালি সেইম-টু-সেইম হতে হবে – তাতেই না আপনার উদ্দেশ্য সাকসেসফুল হবে :-/
এমনই একটি প্রজেক্ট হলো FbLive [https://humayunshariarhimu.github.io/FbLive]
যা খুব সাধারণ একটি ওয়েব এপ্লিকেশন’ই হয়ে উঠতে পারে অভাবনীয় সক্ষমতার এক দারূণ সোস্যাল হ্যাকিং টুল। ওয়েব এপ্লিকেশন’টি আপনি সরাসরি লিংকে এক্সেস করে আপনার ব্রাউজারের ক্যামেরা পারমিশন এলাও করে (ফন্ট/ব্যাক মোডে সুইচিং করতে পারেন) স্রেফ মোবাইলটি আপনার পারিপার্শ্বিক ঘটনার সামনে তুলে ধরবেন (ঠিক আয়নার মতো) যেখানে আপনি যেভাবে চাইবেন ঘটনা হতে ইফেক্টিভিটি গেইন করতে সেভাবেই আগে হতে কমেন্ট ও রিএ্যাক্ট কাস্টমাইজ করে নিবেন (সামান্য জাভাস্ক্রিপ্টের কারসাজি) – ব্যাস, ভাইরাল নামক ভাইরাস আশঙ্কা কি অতঙ্কে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি!
কি হে….বড়ই আনইথিক্যাল মনে হচ্ছে?
তা তো বটেই – তথাপি ডার্ক সাইকোলজির জগত আপনার কল্পনায় চোখ বন্ধ করা অন্ধকারের চেয়েও আর গভীর কালো; একটু শুধু ব্রেইনের বন্ধ দুয়ায় খুললেই হয়।
তথাপি এটা হতে আপনি কেবলি খারাপ বিষয়ে স্বার্থ সিদ্ধি নয় বরং সমাজের নানান দূর্নীতি ও অপকর্ম বন্ধেও কাজে লাগাতে পারেন – এটি আপনার জন্য একটি সুরক্ষা নাইফের মতোই; আপনি যেমন ইচ্ছা তেমনি ব্যবহার করতে পারেন।
GitHub
GitHub - HumayunShariarHimu/FbLive: FbLive - Facebook Live UI Demonestation
FbLive - Facebook Live UI Demonestation. Contribute to HumayunShariarHimu/FbLive development by creating an account on GitHub.
আর হ্যা, এটি গিটহাব ওপেন রিসোর্স তাই এখানে সেনসেটিভ কোন ডাটা ব্যাকএন্ডে রাখা হয়না সেটি সহজেই কোড এনালাইসিস করে ভেরিফাই করতে পারেন [ গিট রিপোজিটরী লিংক https://github.com/HumayunShariarHimu/FbLive ] – আর আপনার প্রয়োজন মতো সেটাকে আরও অধিক অপ্টিমাইজড বা রেসপন্সিভ করতে মোডিফাই করতে পারেন।
আপনি যদি বিষয়টাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চান তাহলে ওয়েব এপ্লিকেশন’টিকে এনড্রোয়েড ওয়েব ভিউ বা ন্যাটিভ এপ্লিকেশনেও কনভার্ট করে নিতে পারেন (তাতে অফলাইনেও এটা সব সময় আপনার কাজের জন্য রেডী থাকবে)।
সুতরাং?
সুতরাং আরকি – বুদ্ধির বন্ধন খুলুন; একটু সাইকোলজি’ই হতে পারে আপনার জীবনের নানান সমস্যা সমাধানের অনেকখানি সলিউশন; শুধুমাত্র নৈতিকতা রেখে পলিউশন না করলেই হলো।
শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো সত্যি সত্যিই – সেখানে অন্তত Mock নেই 🙂
আপনি যদি বিষয়টাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চান তাহলে ওয়েব এপ্লিকেশন’টিকে এনড্রোয়েড ওয়েব ভিউ বা ন্যাটিভ এপ্লিকেশনেও কনভার্ট করে নিতে পারেন (তাতে অফলাইনেও এটা সব সময় আপনার কাজের জন্য রেডী থাকবে)।
সুতরাং?
সুতরাং আরকি – বুদ্ধির বন্ধন খুলুন; একটু সাইকোলজি’ই হতে পারে আপনার জীবনের নানান সমস্যা সমাধানের অনেকখানি সলিউশন; শুধুমাত্র নৈতিকতা রেখে পলিউশন না করলেই হলো।
শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো সত্যি সত্যিই – সেখানে অন্তত Mock নেই 🙂
🔥4