Forwarded from Yellow Media 3.0 (ইয়েলো মিডিয়া)
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
৫৬১-খাইবার অভিযান (২০)
এসএসজি কমান্ডো এবং কোয়াডকপ্টার পেশোয়ারের এফআর-এ সামরিক পোস্টে হামলা চালায়, দুটি গাড়ি বোমা সিটিডি কেন্দ্রে হামলা করে, এবং কোয়াডকপ্টার ১৪ কেজি বোমা দিয়ে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের সামরিক পোস্টে হামলা চালায়।
এসএসজি কমান্ডো এবং কোয়াডকপ্টার পেশোয়ারের এফআর-এ সামরিক পোস্টে হামলা চালায়, দুটি গাড়ি বোমা সিটিডি কেন্দ্রে হামলা করে, এবং কোয়াডকপ্টার ১৪ কেজি বোমা দিয়ে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের সামরিক পোস্টে হামলা চালায়।
Forwarded from Zarbe Khaibar
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
৫৬১- খাইবার অপারেশন (২০)
পেশোয়ার উইলায়াতের এফআর পেশোয়ারে এসএসজি কমান্ডো ও সামরিক পোস্টে কোয়াডকপ্টার হামলা, সিটিডি কেন্দ্রে দুটি গাড়িবোমা হামলা; অন্যদিকে উত্তর ওয়াজিরিস্তান উইলায়াতে সামরিক পোস্টে ১৪ কেজি ওজনের বোমা ব্যবহার করে কোয়াডকপ্টার হামলা।
পেশোয়ার উইলায়াতের এফআর পেশোয়ারে এসএসজি কমান্ডো ও সামরিক পোস্টে কোয়াডকপ্টার হামলা, সিটিডি কেন্দ্রে দুটি গাড়িবোমা হামলা; অন্যদিকে উত্তর ওয়াজিরিস্তান উইলায়াতে সামরিক পোস্টে ১৪ কেজি ওজনের বোমা ব্যবহার করে কোয়াডকপ্টার হামলা।
Forwarded from Zarbe Khaibar
এফসি'র হারাম চাকরি ছেড়ে হালাল জীবিকার পথে যাওয়ার অঙ্গীকার এফসি সদস্য নাঈমের।
গতকাল এফসি সদস্য নাঈম, পিতা আজিম খান, চাকরি ছেড়ে হালাল উপার্জন করার অঙ্গীকার করেছেন।
গতকাল এফসি সদস্য নাঈম, পিতা আজিম খান, চাকরি ছেড়ে হালাল উপার্জন করার অঙ্গীকার করেছেন।
Forwarded from Zarbe Khaibar
Forwarded from Al-Munadil Media
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
يا ربَّنا يا واسعَ الغفرانِيا عالمَ الأسرارِ
A Heartfelt Nasheed in a Natural Arabic Style | Soul & Reflection
YouTube: https://youtu.be/SSSEdi01to0?si=hyNntxdym2_P4iLq
A Heartfelt Nasheed in a Natural Arabic Style | Soul & Reflection
YouTube: https://youtu.be/SSSEdi01to0?si=hyNntxdym2_P4iLq
Forwarded from Silent Predator (TTP)
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি।
কগনিটিভ ওয়ার ফায়ার।( মগজ দখল)
বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ ইম্পর্ট্যান্ট বিষয় গোলোর মধ্যে একটি।
দ্বীন প্রচারের স্বার্থে ও সতর্কতার জন্য প্রচুর পরিমান কপি/ শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
জাজাকাল্লাহ্
কগনিটিভ ওয়ার ফায়ার।( মগজ দখল)
বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ ইম্পর্ট্যান্ট বিষয় গোলোর মধ্যে একটি।
দ্বীন প্রচারের স্বার্থে ও সতর্কতার জন্য প্রচুর পরিমান কপি/ শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
জাজাকাল্লাহ্
~ পৃথিবী দেখার আগেই তাকে রক্ত দিয়ে দাম দিতে হল! ~
-
দয়া করে এই ছবিটি ভালভাবে লক্ষ্য করুন। ছবিতে দড়িতে ঝুলন্ত নিষ্পাপ শিশুর ছোট ছোট জামা-কাপড়ের ঠিক সামান্য ওপরের দেওয়ালে কি দেখতে পাচ্ছেন ওই গাঢ় লাল রক্তের দাগ? এটি কোনো গ্রাফিক্স বা সিনেমার দৃশ্য নয়। এটি গাজার আল-তুফাহ পাড়ার সেই বাড়ির একটি ছবি, যেখানে ১৯ বছরের গর্ভবতী তরুণী আমাল আল-আজলা এবং তার অনাগত ৯ মাসের শিশুর শেষ চিহ্ন লেখা আছে।
উপরে ছাদ ধ্বংস হয়ে আছে। আমাল এবং তার স্বামী ঠিক ওখানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। একটি ইসরায়েলি বিমান হামলার বোমা সরাসরি ওই ছাদে পড়ে, আর সেখান থেকেই গড়িয়ে এসেছে ওই তাজা রক্ত। রক্ত গড়িয়ে এসে ঠিক সেই জায়গায় পড়েছে যেখানে আমাল তার সন্তানের জন্য রোদে ছোট ছোট জামা-কাপড় শুকোতে দিয়েছিল। একটি লাল টি-শার্ট, একটি হালকা নীল প্যান্ট—এগুলি সেই শিশুর জন্য ছিল, যে পৃথিবী দেখল না। গর্ভের অনাগত শিশুটিও তার মায়ের সাথে একই মুহূর্তে মারা গেছে। সেই রক্ত ওই কাপড়ের গায়েও ছিটকে লেগেছে, যেন চিরবিদায়ের এক করুণ রক্তমাখা ছাপ রেখে গেছে ওই কাপড়ের লাইনে।
.
মানবতা আজ ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে? তথাকথিত সভ্য বিশ্ব কি আজ পুরোপুরি অন্ধ? একটি ১৯ বছরের গর্ভবতী তরুণী, যে কেবল নিজের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে রোজকার মতো কাপড় শুকাচ্ছিল—সে কার কী এমন ক্ষতি করেছিল? এই নির্মম গণহত্যার কি কোনো শেষ নেই? আর ঠিক কত অনাগত শিশুর রক্ত ঝরলে শান্ত হবে এই পৃথিবী?
এই খবরগুলো হয়তো বড় কর্পোরেট মিডিয়ার প্রথম পাতায় জায়গা পাবে না। তাই আওয়াজ তুলুন, শেয়ার করুন। বিশ্ব জানুক, গাজায় কীভাবে প্রতিদিন নিরপরাধ মা ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। আমাল হয়তো আর কখনো ফিরবে না, কিন্তু ওই দড়িতে ঝোলা কাপড়ে আর দেয়ালে লেগে থাকা তার রক্তের দাগ যেন আমাদের ঘুমন্ত বিবেককে একটু হলেও নাড়া দিয়ে যায়। আজ চুপ থাকবেন না।
-
দয়া করে এই ছবিটি ভালভাবে লক্ষ্য করুন। ছবিতে দড়িতে ঝুলন্ত নিষ্পাপ শিশুর ছোট ছোট জামা-কাপড়ের ঠিক সামান্য ওপরের দেওয়ালে কি দেখতে পাচ্ছেন ওই গাঢ় লাল রক্তের দাগ? এটি কোনো গ্রাফিক্স বা সিনেমার দৃশ্য নয়। এটি গাজার আল-তুফাহ পাড়ার সেই বাড়ির একটি ছবি, যেখানে ১৯ বছরের গর্ভবতী তরুণী আমাল আল-আজলা এবং তার অনাগত ৯ মাসের শিশুর শেষ চিহ্ন লেখা আছে।
উপরে ছাদ ধ্বংস হয়ে আছে। আমাল এবং তার স্বামী ঠিক ওখানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। একটি ইসরায়েলি বিমান হামলার বোমা সরাসরি ওই ছাদে পড়ে, আর সেখান থেকেই গড়িয়ে এসেছে ওই তাজা রক্ত। রক্ত গড়িয়ে এসে ঠিক সেই জায়গায় পড়েছে যেখানে আমাল তার সন্তানের জন্য রোদে ছোট ছোট জামা-কাপড় শুকোতে দিয়েছিল। একটি লাল টি-শার্ট, একটি হালকা নীল প্যান্ট—এগুলি সেই শিশুর জন্য ছিল, যে পৃথিবী দেখল না। গর্ভের অনাগত শিশুটিও তার মায়ের সাথে একই মুহূর্তে মারা গেছে। সেই রক্ত ওই কাপড়ের গায়েও ছিটকে লেগেছে, যেন চিরবিদায়ের এক করুণ রক্তমাখা ছাপ রেখে গেছে ওই কাপড়ের লাইনে।
.
মানবতা আজ ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে? তথাকথিত সভ্য বিশ্ব কি আজ পুরোপুরি অন্ধ? একটি ১৯ বছরের গর্ভবতী তরুণী, যে কেবল নিজের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে রোজকার মতো কাপড় শুকাচ্ছিল—সে কার কী এমন ক্ষতি করেছিল? এই নির্মম গণহত্যার কি কোনো শেষ নেই? আর ঠিক কত অনাগত শিশুর রক্ত ঝরলে শান্ত হবে এই পৃথিবী?
এই খবরগুলো হয়তো বড় কর্পোরেট মিডিয়ার প্রথম পাতায় জায়গা পাবে না। তাই আওয়াজ তুলুন, শেয়ার করুন। বিশ্ব জানুক, গাজায় কীভাবে প্রতিদিন নিরপরাধ মা ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। আমাল হয়তো আর কখনো ফিরবে না, কিন্তু ওই দড়িতে ঝোলা কাপড়ে আর দেয়ালে লেগে থাকা তার রক্তের দাগ যেন আমাদের ঘুমন্ত বিবেককে একটু হলেও নাড়া দিয়ে যায়। আজ চুপ থাকবেন না।
Forwarded from Silent Predator (TTP)
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Force Of Khurasan
❤1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🔰 #কেয়ামতের আগে মানে শেষ জামানাতে হক পন্থী দল যেটা আছে এবং বাতিল পন্থী দল যেটা আছে তা ঠিক সময়ে প্রকাশ পেয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ..!!?
🛑এখন তা নিয়ে এতো টা বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই ভাইয়েরা..!!
⛔#ভাই আমি ওনার আর আমার পক্ষে কথা বলছি না ইবলিশও কিন্তু বড় জ্ঞানী ছিল সেও কিন্তু সব যান তো কিন্তু মানার বাদ্দা ছিল না তাই আমরা এতো হতাশ হবো না ইনশাআল্লাহ..!!
আল্লাহ তায়ালা উত্তম পরিকল্পনা কারি..!!
Jobayer Ahmed ✍️
🛑এখন তা নিয়ে এতো টা বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই ভাইয়েরা..!!
⛔#ভাই আমি ওনার আর আমার পক্ষে কথা বলছি না ইবলিশও কিন্তু বড় জ্ঞানী ছিল সেও কিন্তু সব যান তো কিন্তু মানার বাদ্দা ছিল না তাই আমরা এতো হতাশ হবো না ইনশাআল্লাহ..!!
আল্লাহ তায়ালা উত্তম পরিকল্পনা কারি..!!
Jobayer Ahmed ✍️
""""""""""এক আহত মুজাহিদের বেঁচে ফেরার কাহিনী""""""
চার জন মুজাহীদ চলছিল দুশমনের খোঁজ খবর নিতে।কোথায় তাদের আবাস,কোথায় তাদের আড্ডা,কিভাবে তাদের উপর এম্বাস করা যায় ইত্যাদি তথ্য নিতে।
চলতি পথে দুপুর প্রায় একটা বেজে গেলো।ইতিমধ্যেই নামাজের ওয়াক্ত হয়ে গেলে তারা দুই দলে ভাগ হয়ে পানির সন্ধান করতে লাগলো,যেন ওযু করতে পারে ।
এদিকে দুইজন মুজাহিদ খুঁজতে খুঁজতে পানির সন্ধান পেলো এক জায়গায়, এতটুকু জমা পানি ,তার অপর পাশে বড় বড় পাথর।
এই পাথরগুলোর ওপারেই নাপাক বাহিনীর কিছু জওয়ান বসে কথা বলছিলো ।
এই মুজাহিদ দুজন ভেবছিলো তাদেরই বাকি দুই সাথী হবে হয়তো,এটা ভেবেই তারা তাদের ঐ দুই সাথীকে আওয়াজ দিলো ।
তখন ফৌজিরা একদম চুপ হয়ে গেলো,এবং সতর্ক হয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো।
তখন একজন সাথী সামনের দিকে অগ্রসর হয়ে পাহাড়ের উপরে উঠলে দেখতে তিনজন ফৌজিকে দেখলো। ফৌজিরাও তাদের দেখে বলতে লাগলো তোমরা স্যারেন্ডার করো ,নিজেদের অস্ত্র রেখে দাও।
তখন মুজাহিদ সাথী বললো আমরা হার মানবো না ,যতক্ষন না শহীদ হই ততক্ষন তোমাদের সাথে লড়াই করবো।এই বলেই মুজাহীদ ভাই ফৌজিদের উপর ফায়ার শুরু করে দুজনকে মেরে ফেল্লো।
তখন দূরে থাকা অন্য ফৌজিরাও পাল্টা ফায়ার শুরু করলে মুজাহীদ ভাইটির চোখের পাশে একটি গুলি আঁচড় কেটে গেলো। কিন্তু সে তেমন কোনো ব্যথা অনুভব করলো না। শুধু মশা কামড়ের যতটুকু ব্যথা ঠিক ততটুকুই অনুভব হলো ।
আরেকটা গুলি লেগেছিলো ঠিক হাতের পাশে,সেটা কখন লেগেছিলো সে বুঝতেও পারেনি ।যখন হসপিটাল নিয়ে যাওয়া হয় তখন তার বুক থেকে গুলি বের করলে সে বুঝতে পারে ।
তখন আহত মুজাহিদ দৌড়ে পাহাড়ের উপর উঠে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং পাহাড়ের নিচে আসতে সক্ষম হয়।
আর পিছন থেকে ফৌজরা তার উপর ফায়ার করতেই থাকে ,তখন সে নিচে গড়িয়ে পড়তে পড়তে তার হাত থেকে অস্ত্র পড়ে যায় ।
লাগাতার ফায়ারিং এর কারণে সে একদিকে পড়ে থাকে, আর তার অস্ত্র দূরে রয়ে যায়। এমন সময়ে তার অনেক পিপাসা পায়,তখন তার কাছে কোনো পানিই ছিলো না ।
মাটিতে শুধুই তার রক্ত পড়ে রয়, বাধ্য হয়ে পিপাসা মিটানোর জন্য নিজের ঝরেপড়া রক্ত পান করতে গেলে একটি অদৃশ্য হাত তার কপালে অনুভব করে।যেন কেউ তাকে পিছনে হেলান দিয়ে বসিয়ে দেয় ,তারপর তার পিপাসা এমনিই মিটে যায় ।
পরে সেখানেই মাটিতে পড়ে রয় আর উপর দিয়ে আগুনের মৌমাছির মত বুলেট ফায়ার হতেই থাকে।
প্রায় দুই ঘন্টা পর ফায়ারিং বন্ধ হয়ে যায়, তারপর সে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকে। তারপর ফৌজিরা তাকে খুঁজতে থাকে ,মুজাহিদ ভাইটি সেই জায়গায়ই পড়ে থাকে।
জওয়ান্রা আশেপাশে ঘুরে যায় কিন্তু তাকে দেখতেও পায়না। সন্ধ্যা হলে তার অনেক ঠান্ডা অনুভব হতে লাগলো ,অন্যদিকে ফৌজিরা মরটার ছুড়তে থাকে।
মরটার গোলার বিস্ফোরণে মাটি উড়ে এসে তার উপর পড়লে মাটি যেন কম্বল হিসেবে কাজ করে।
দুপুর ১ থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত সে সেই জায়গায়ই পড়ে থাকে।
পরে দুই দিন পার হলো, তার হুশ ফিরলে সে নিজেকে দেখতে পায় এক হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।পরে তার হাতের পাশে সিনায় যে গুলি লেগেছিলো সেটা দেখে তার ভাই মনে করেছিল তার হাত কাজ করা ছেড়ে দিয়েছে।
তাই সে ডাক্তারকে বললো হাত টা কেটে নিন ,পরে দেখা গেলো হাত নাড়াতে পারে।
সুবহানাল্লাহ! রাখে আল্লাহ মারে কে ? সে এখনও জীবিত এবং আলহামদুলিল্লাহ ,গোলাবারুদের উস্তাদ হিসেবে খেদমত করছেন।
Abu Khudama ✍️
চার জন মুজাহীদ চলছিল দুশমনের খোঁজ খবর নিতে।কোথায় তাদের আবাস,কোথায় তাদের আড্ডা,কিভাবে তাদের উপর এম্বাস করা যায় ইত্যাদি তথ্য নিতে।
চলতি পথে দুপুর প্রায় একটা বেজে গেলো।ইতিমধ্যেই নামাজের ওয়াক্ত হয়ে গেলে তারা দুই দলে ভাগ হয়ে পানির সন্ধান করতে লাগলো,যেন ওযু করতে পারে ।
এদিকে দুইজন মুজাহিদ খুঁজতে খুঁজতে পানির সন্ধান পেলো এক জায়গায়, এতটুকু জমা পানি ,তার অপর পাশে বড় বড় পাথর।
এই পাথরগুলোর ওপারেই নাপাক বাহিনীর কিছু জওয়ান বসে কথা বলছিলো ।
এই মুজাহিদ দুজন ভেবছিলো তাদেরই বাকি দুই সাথী হবে হয়তো,এটা ভেবেই তারা তাদের ঐ দুই সাথীকে আওয়াজ দিলো ।
তখন ফৌজিরা একদম চুপ হয়ে গেলো,এবং সতর্ক হয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো।
তখন একজন সাথী সামনের দিকে অগ্রসর হয়ে পাহাড়ের উপরে উঠলে দেখতে তিনজন ফৌজিকে দেখলো। ফৌজিরাও তাদের দেখে বলতে লাগলো তোমরা স্যারেন্ডার করো ,নিজেদের অস্ত্র রেখে দাও।
তখন মুজাহিদ সাথী বললো আমরা হার মানবো না ,যতক্ষন না শহীদ হই ততক্ষন তোমাদের সাথে লড়াই করবো।এই বলেই মুজাহীদ ভাই ফৌজিদের উপর ফায়ার শুরু করে দুজনকে মেরে ফেল্লো।
তখন দূরে থাকা অন্য ফৌজিরাও পাল্টা ফায়ার শুরু করলে মুজাহীদ ভাইটির চোখের পাশে একটি গুলি আঁচড় কেটে গেলো। কিন্তু সে তেমন কোনো ব্যথা অনুভব করলো না। শুধু মশা কামড়ের যতটুকু ব্যথা ঠিক ততটুকুই অনুভব হলো ।
আরেকটা গুলি লেগেছিলো ঠিক হাতের পাশে,সেটা কখন লেগেছিলো সে বুঝতেও পারেনি ।যখন হসপিটাল নিয়ে যাওয়া হয় তখন তার বুক থেকে গুলি বের করলে সে বুঝতে পারে ।
তখন আহত মুজাহিদ দৌড়ে পাহাড়ের উপর উঠে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং পাহাড়ের নিচে আসতে সক্ষম হয়।
আর পিছন থেকে ফৌজরা তার উপর ফায়ার করতেই থাকে ,তখন সে নিচে গড়িয়ে পড়তে পড়তে তার হাত থেকে অস্ত্র পড়ে যায় ।
লাগাতার ফায়ারিং এর কারণে সে একদিকে পড়ে থাকে, আর তার অস্ত্র দূরে রয়ে যায়। এমন সময়ে তার অনেক পিপাসা পায়,তখন তার কাছে কোনো পানিই ছিলো না ।
মাটিতে শুধুই তার রক্ত পড়ে রয়, বাধ্য হয়ে পিপাসা মিটানোর জন্য নিজের ঝরেপড়া রক্ত পান করতে গেলে একটি অদৃশ্য হাত তার কপালে অনুভব করে।যেন কেউ তাকে পিছনে হেলান দিয়ে বসিয়ে দেয় ,তারপর তার পিপাসা এমনিই মিটে যায় ।
পরে সেখানেই মাটিতে পড়ে রয় আর উপর দিয়ে আগুনের মৌমাছির মত বুলেট ফায়ার হতেই থাকে।
প্রায় দুই ঘন্টা পর ফায়ারিং বন্ধ হয়ে যায়, তারপর সে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকে। তারপর ফৌজিরা তাকে খুঁজতে থাকে ,মুজাহিদ ভাইটি সেই জায়গায়ই পড়ে থাকে।
জওয়ান্রা আশেপাশে ঘুরে যায় কিন্তু তাকে দেখতেও পায়না। সন্ধ্যা হলে তার অনেক ঠান্ডা অনুভব হতে লাগলো ,অন্যদিকে ফৌজিরা মরটার ছুড়তে থাকে।
মরটার গোলার বিস্ফোরণে মাটি উড়ে এসে তার উপর পড়লে মাটি যেন কম্বল হিসেবে কাজ করে।
দুপুর ১ থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত সে সেই জায়গায়ই পড়ে থাকে।
পরে দুই দিন পার হলো, তার হুশ ফিরলে সে নিজেকে দেখতে পায় এক হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।পরে তার হাতের পাশে সিনায় যে গুলি লেগেছিলো সেটা দেখে তার ভাই মনে করেছিল তার হাত কাজ করা ছেড়ে দিয়েছে।
তাই সে ডাক্তারকে বললো হাত টা কেটে নিন ,পরে দেখা গেলো হাত নাড়াতে পারে।
সুবহানাল্লাহ! রাখে আল্লাহ মারে কে ? সে এখনও জীবিত এবং আলহামদুলিল্লাহ ,গোলাবারুদের উস্তাদ হিসেবে খেদমত করছেন।
Abu Khudama ✍️
Forwarded from Yellow Media 3.0 (ইয়েলো মিডিয়া)
শাইখুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি (হাফিযাহুল্লাহ) ১৯৮৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ খান জুনেজোকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন—
“পাকিস্তানে শরিয়ত বাস্তবায়ন এই দেশের জীবন ও টিকে থাকার জন্য ঠিক ততটাই অপরিহার্য, যতটা একটি দেহের জীবিত থাকার জন্য তার মধ্যে আত্মার উপস্থিতি জরুরি। এটি এজন্যও জরুরি যে আমরা সবাই মুসলিম, এবং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আমাদের উপর এই দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে যে আমরা তাঁর বিধানসমূহ তাঁর জমিনে প্রতিষ্ঠা করব। আর এজন্যও জরুরি যে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্যই ছিল—এই অঞ্চলে মুসলমানরা যেন তাদের দ্বীনকে বাস্তব জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।”
(সূত্র: “মাজাল্লা তালিবান” পৃ. ৯৪; “নিফাযে শরিয়ত অওর উসকি মাসায়িল” পৃ. ১১৫)
“পাকিস্তানে শরিয়ত বাস্তবায়ন এই দেশের জীবন ও টিকে থাকার জন্য ঠিক ততটাই অপরিহার্য, যতটা একটি দেহের জীবিত থাকার জন্য তার মধ্যে আত্মার উপস্থিতি জরুরি। এটি এজন্যও জরুরি যে আমরা সবাই মুসলিম, এবং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আমাদের উপর এই দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে যে আমরা তাঁর বিধানসমূহ তাঁর জমিনে প্রতিষ্ঠা করব। আর এজন্যও জরুরি যে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্যই ছিল—এই অঞ্চলে মুসলমানরা যেন তাদের দ্বীনকে বাস্তব জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।”
(সূত্র: “মাজাল্লা তালিবান” পৃ. ৯৪; “নিফাযে শরিয়ত অওর উসকি মাসায়িল” পৃ. ১১৫)
Forwarded from Silent Predator (TTP)
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
গো'পন গু'নাহের ভয়া'বহতা।
🎙️শায়েখ তামিম আল আদনানী হাফিঃ
🎙️শায়েখ তামিম আল আদনানী হাফিঃ
Forwarded from Yellow Media 3.0 (ইয়েলো মিডিয়া)
#খাইবার_অপারেশন
তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান কর্তৃক 5 অক্টোবর, 2026 (22 রবি' আল-থানি 1448 হিজরি) এ পরিচালিত অভিযানের বিবরণ;
মোট অপারেশন (9)
অপারেশন অবস্থান
লাক্কি মারওয়াত প্রদেশ: 3
পেশোয়ার প্রদেশ: 2
বান্নু প্রদেশ: ১
ট্যাংক প্রদেশ: 1
উত্তর ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ: ১
দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ: ১
লাক্কি মারওয়াত প্রদেশ
1, 2, 3। "গজনীখেল জেলা:" গতকাল পাহাড় খেলা পাক্কা, শেরীখেল ও করমুখেলে ইসলাম বিরোধী সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়, এতে শত্রুপক্ষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
পেশাওয়ার প্রদেশ
১. "বাদবীর জেলা:" গত রাতে আরমার মোহাজির বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে গ্রেনেড হামলায় প্রাণহানির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
২. "পেশাওয়ার সিটি জেলা:" গত সন্ধ্যায় কাবাবিয়ানে পুলিশ সদস্যদের ওপর গুলিবর্ষণে নিহত ও আহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বান্নু প্রদেশ
"বাকাখেল জেলা:" গতকাল নারমিখেলে অ্যান্টি-শরিয়া সেনাবাহিনীর নবনির্মিত পোস্টে কোয়াডকপ্টার হামলায় হতাহতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
ট্যাঙ্ক প্রদেশ
"গোমাল জেলা:" দুই দিন আগে কোট খাদকে নবনির্মিত দুর্গে পাল্টা হামলায় একটি বড় নিরাপত্তা ক্যামেরা ধ্বংস করা হয়, এবং শত্রুপক্ষের আরও হতাহত ও বস্তুগত ক্ষতির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ
"স্পিন ওয়াম জেলা:" গতকাল দত্ত খেল সাত্তার কালিতে একটি এফসি পদাতিক টহল দলের ওপর মাইন বিস্ফোরণে দুইজন নিহত এবং তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ
"আজম ওয়ারসাক জেলা:" স্নাইপার হামলায় রয়্যাল ইন্ডিয়ান আর্মির একজন সদস্য এবং দুটি নিরাপত্তা ক্যামেরা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
https://umnewsdesk.com
তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান কর্তৃক 5 অক্টোবর, 2026 (22 রবি' আল-থানি 1448 হিজরি) এ পরিচালিত অভিযানের বিবরণ;
মোট অপারেশন (9)
অপারেশন অবস্থান
লাক্কি মারওয়াত প্রদেশ: 3
পেশোয়ার প্রদেশ: 2
বান্নু প্রদেশ: ১
ট্যাংক প্রদেশ: 1
উত্তর ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ: ১
দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ: ১
লাক্কি মারওয়াত প্রদেশ
1, 2, 3। "গজনীখেল জেলা:" গতকাল পাহাড় খেলা পাক্কা, শেরীখেল ও করমুখেলে ইসলাম বিরোধী সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়, এতে শত্রুপক্ষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
পেশাওয়ার প্রদেশ
১. "বাদবীর জেলা:" গত রাতে আরমার মোহাজির বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে গ্রেনেড হামলায় প্রাণহানির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
২. "পেশাওয়ার সিটি জেলা:" গত সন্ধ্যায় কাবাবিয়ানে পুলিশ সদস্যদের ওপর গুলিবর্ষণে নিহত ও আহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বান্নু প্রদেশ
"বাকাখেল জেলা:" গতকাল নারমিখেলে অ্যান্টি-শরিয়া সেনাবাহিনীর নবনির্মিত পোস্টে কোয়াডকপ্টার হামলায় হতাহতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
ট্যাঙ্ক প্রদেশ
"গোমাল জেলা:" দুই দিন আগে কোট খাদকে নবনির্মিত দুর্গে পাল্টা হামলায় একটি বড় নিরাপত্তা ক্যামেরা ধ্বংস করা হয়, এবং শত্রুপক্ষের আরও হতাহত ও বস্তুগত ক্ষতির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ
"স্পিন ওয়াম জেলা:" গতকাল দত্ত খেল সাত্তার কালিতে একটি এফসি পদাতিক টহল দলের ওপর মাইন বিস্ফোরণে দুইজন নিহত এবং তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ
"আজম ওয়ারসাক জেলা:" স্নাইপার হামলায় রয়্যাল ইন্ডিয়ান আর্মির একজন সদস্য এবং দুটি নিরাপত্তা ক্যামেরা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
https://umnewsdesk.com