Nafsan Editz
857 subscribers
761 photos
719 videos
51 files
308 links
Download Telegram
ঘোড়া এক এমেইজিং প্রাণী। ঘোড়া সম্পর্কে কিছু ইন্টারেস্টিং তথ্য আপনাদের দেই..

- ঘোড়া সাধারণত সাপের কামড়ে মরে না বরং তার থেকেই এন্টিভেনম তৈরি হয়।
- ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে।
- ঘোড়া অন্ধকার রাতেও চোখে দেখে।
- ঘোড়া রাস্তা ভুলে না।
- ঘোড়া মাইলের পর মাইল বিরতিহীন ভাবে চলতে পারে আর অনেক ভারী বোঝা বহন কর‍তে পারে।
- ঘোড়া সামনে পিছনে (৩৬০° প্যানোরামিক ভিউ) এক সাথে দেখতে পারে।

ইসলাম ও ঘোড়াকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে- রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ লিখে দেওয়া হয়েছে।" [সহীহ মুসলিম]। আর আপনি জেনে অবাক হবে যে- ঘোড়া চালাতে পেট্রোল লাগে না এবং অচিরেই আবার ঘোড়ার যুগ ফিরে আসছে।

- সুমন আহমাদ
5
"যে তার ভাইকে গোপনে উপদেশ দেয় সে আসলে তাকে নসীহাহ দেয় এবং তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে। আর যে তার ভাইকে প্রকাশ্যে উপদেশ দেয় সে তাকে লাঞ্ছিত করে এবং তার সাথে খেয়ানত করে"।
.
~ ইমাম আশ শাফিঈ [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৯/১৪০]

প্রয়োজনীয় নাসীহাহ দিতে পারেন

hushup.app/muhammad_nafsan


আমি সবসময় উপদেশ, নাসীহা এবং পরামর্শের জন্য অপেন। আমার ভুল ত্রুটি অনুচিত কাজকর্ম চোখে পড়লে সাথেসাথে জানানোর অনুরোধ।
4
কারো যদি রাতে বিতরের সালাত ছুটে যায়, তার উচিত ফজরের পরে তা জোড় সংখ্যায় আদায় করে নেয়া!

আল্লামা ইবনু বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

যদি ফজরের আজান হয়ে যায় এবং কোনো ব্যক্তি বিতর পড়তে না পারে, তবে সে তা দুহার সময় পর্যন্ত পিছিয়ে দেবে। অর্থাৎ সূর্য ওঠার পর সে তার সাধ্যমতো সালাত আদায় করে নেবে-দুই রাকাত বা চার রাকাত (দুই দুই রাকাত করে)।

যদি তার অভ্যাস থাকে তিন রাকাত বিতর পড়ার কিন্তু তা পড়তে না পারে, তবে সে দুহার সময় দুই সালামে চার রাকাত পড়বে। আর যদি তার অভ্যাস থাকে পাঁচ রাকাত পড়ার এবং রাতে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে সে দুহার সময় তিন সালামে ছয় রাকাত পড়বে।
এভাবেই নবী ﷺ অধিকাংশ সময় এগারো রাকাত বিতর পড়তেন। আর যদি অসুস্থতা বা ঘুমের কারণে তা আদায় করতে না পারতেন, তাহলে দিনে তিনি বারো রাকাত পড়তেন। এই কথাটি উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বর্ণনা করেছেন।
অর্থাৎ তিনি ছয় সালামে বারো রাকাত পড়তেন, প্রতি দুই রাকাত পর পর সালাম ফিরাতেন।

এটাই উম্মতের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি, যাতে তারা তাঁর ﷺ অনুসরণ করতে পারে।
.
إذا أذن الفجر، ولم يوتر الإنسان أخره إلى الضحى بعد أن ترتفع الشمس فيصلي ما تيسر، يصلي اثنتين أو أربعًا، اثنتين اثنتين، فإذا كانت عادته ثلاثًا، ولم يصلها، صلاها الضحى أربعًا بتسليمتين، وإذا كانت عادته خمسًا، ولم يتيسر له فعلها في الليل صلاها الضحى ستًا بثلاث تسليمات، وهكذا كان عليه الصلاة والسلام -في الغالب- يوتر بإحدى عشرة فإذا شغله مرض أو نوم صلاها من النهار اثنتي عشرة ركعة، هكذا قالت عائشة رضي الله عنها، إن صلاها اثني عشرة يعني ست تسليمات، يسلم من كل اثنتين عليه الصلاة والسلام، هذا هو المشروع للأمة اقتداء به عليه الصلاة والسلام

📚 মাজমূ' আল-ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত (৩০/৪৬ পৃষ্ঠা)

- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ
1
ইমাম ইবনু রজব আল-হাম্বালী রহ. বলেছেন,

এমন কিছু নেককার নারী ছিলেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচন্ড গরমের দিনগুলো বেছে নিতেন সিয়াম রাখার জন্য। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলতেন: "যখন কোনো পণ্যের দাম কমে যায়, তখন তো সবাইই তা কিনে নেয়।"
অর্থাৎ, এর মাধ্যমে তারা বুঝাতে চেয়েছেন যে-এমন আমলকেই তারা প্রাধান্য দেন, যা খুব অল্প মানুষই করতে সাহস করে। কারণ তা পালন করা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন।
.
كانت بعض الصالحات تتوخى اشد الايام حرا فتصومه فيقال لها في ذلك فتقول : ان السعر اذا رخص اشتراه كل احد. تشير الى انها لا تؤثر الا العمل الذي لا يقدر عليه الا قليل من الناس لشدته عليهم

📚 লাত্বাইফুল মা'আরিফ (৩২২ পৃষ্ঠা)
4
আপনার মা-বাবা ইন্তেকাল করেছেন। পরিবার শোকে মুহ্যমান।

লাশ এখন জানাজার জন্যে অপেক্ষমান।

এর মাঝে মুরব্বী গোছের কেউ এসে আপনাকে বললো – ৩/৪ দিনের ফাতেহা (খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন) কবে হবে? এর ঘোষণা কি দিয়ে দেব?

শোকে কাতর আপনি বললেন, টাকা-পয়সা নেই।
সমাজের লোকেরা খেক খেক করে তেড়ে আসল। বললো - তোমার মা-বাবার প্রতি তোমার কোন দায়িত্ব নেই?

পরিবারের ঘনিষ্ঠেরা বললো — আমাদের পরিবারের মান-সম্মান যাবে।

মান -সম্মান আর সমাজের রীতির জন্যে ধার কর্জ করে খাবারের আয়োজনে নেমে যেতে হলো আপনাকে।

শোকের সময়ে এই বাধ্যতামূলক খাওয়ার আয়োজন - যৌতুকের চেয়েও বা-জে। এর থেকে বেরিয়ে আসুন।

সমাজের কু-প্রথা ভেঙ্গে দেওয়ার শ-ক্তি আছে তো আপনার?

~ ড. সানাউল্লাহ চৌধুরী
প্রফেসর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
😢2
আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনু সালেহ আল-উসাইমিন রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

"স্ত্রী তার স্বামীর উপর উচ্চস্বরে কথা বলা অসভ্যতার পরিচায়ক, কারণ তার স্বামীই তার অভিভাবক ও রক্ষক। তাই তার উচিত তাকে সম্মান করা এবং নম্রভাবে সম্বোধন করা, যা তাদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।"
.
الزوجة إن رفع صوتها على زوجها من سوء الأدب؛ وذلك لأن الزوج هو القوّام عليها وهو الراعي لها، فينبغي أن تحترمه وأن تخاطبه بالأدب، لأن ذلك أحرى أن يؤدم بينهما وأن تبقى الألفة بينهما ذلك أحرى أن يؤدم بينهما وأن تبقى الألفة بينهما.

🔈ফাতাওয়া নূরুন আ'লা আদ-দারব (টেপ নং ৩১২ এর অংশবিশেষ)

- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ৷
3
উম্মুল মু'মিনিন উম্মে সালামাহ (রা.) বলেন,

যখন কুরআনের এই আয়াত নাজিল হলো,
يُدنينَ عَلَيهِنَّ مِن جَلابيبِهِنَّ
'তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়' (সূরা আহযাব: ৫৯)

এরপর থেকে আনসারী নারীরা এমনভাবে (ঘর থেকে) বের হতেন, যেন মনে হতো তাদের মাথার ওপর কালো দাঁড়কাক বসে আছে (অর্থাৎ তারা কালো চাদর দিয়ে মাথা ও শরীর এমনভাবে আবৃত করেছিলেন, যেনো তাদের দেখতে মনে হতো কালো দাঁড়কাক)
.
خرج نساء الأنصار كأن على رؤوسهن الغربان من الأكسية

📚 সুনানু আবী দাঊদ (হাদিস নং: ৪১০১)
তাহকিক: মুহাদ্দিস নাসিরউদ্দীন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।

- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ৷
4
"দুনিয়াপ্রেমী ব্যক্তি তিনটি বিষয় থেকে কখনো মুক্ত হয় না:
১) আবশ্যক দুশ্চিন্তা,
২) নিরন্তর ক্লান্তি এবং
৩) কখনো শেষ না হওয়া আফসোস"।
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ ইগাসাতুল লাহফান: ১/৮৫]
😢5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রতিদিন নিয়ম করে ফজরের ঠিক আগ মুহুর্তে পাখিদের এই মধুর আওয়াজে অনন্য এক প্রশান্তি কাজ করে,
সুবহানাল্লাহ৷

যেন তারা প্রত্যেকেই এই সময় রবের যিকিরে আনন্দ খুজে পাই৷

এখানে অবশ্য ভিডিওতে ডাক দিচ্ছে পুরুষ পাখি,বসে আছে নারী পাখি(সম্ভবত)

পুরো রমাদান এ সেহেরীর ঠিক আগ মুহুর্তে এই পাখির আওয়াজ শুনে অন্তরে এক অনন্য প্রশান্তি কাজ করত৷

ভোর- ৪:২৫ মিনিট
7
এই সমস্ত বইগুলো শুধুমাত্র একজন মহিলার শরাহ ও তাহকিককৃত গ্রন্থসমূহের একাংশ! যিনি বিশেষত হানবালী মাযহাবের গ্রন্থসমূহের সহজবোধ্য শরাহের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। তিনি হলেন: শায়খা ড. উম্মু মুহাম্মাদ কামিলাহ আল-কুওয়ারী আল-হানবালিয়্যাহ।

তিনি কাতারের দোহায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৭ বছর বয়সে পুরো কুরআন মুখস্থ করেন। কাতার ইউনিভার্সিটি থেকে শরীয়াহ অনুষদে ব্যাচেলর সম্পন্ন করেন (১৯৯৭)। পরবর্তীতে মিশরে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি দীর্ঘদিন কাতারের যাকাত ফান্ড ও মন্ত্রণালয় অব আওকাফ ও ইসলামিক অ্যাফেয়ার্সে গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান হলো লেখালেখি।

ফিকহ ও মাজহাব অনুসরণের দিক থেকে তিনি নিজেকে হানবালীদের দিকে নিসবত করেন। আর মানহাজ অনুসরণের দিক থেকে নিজেকে আছারী/সালাফীদের দিকে সম্পৃক্ত করেন।

তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেছেন তার মধ্যে আকীদাহ, ফিকহ, উসূলুল ফিকহ, তাফসীর, সীরাহ, আরবি ভাষা-ব্যাকরণ ও কাওয়ায়েদুল ফিকহিয়্যাহ ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তৃত। বিশেষ করে হানবালী ফিকহের গ্রন্থসমূহের শরাহের জন্য তিনি খ্যাত। একনজরে তার সম্পাদিত কিছু খিদমাহ এর একাংশ:

(১) শায়খ ইবনু উসাইমিনের আশ-শারহুল মুমতি মিন যাদ আল-মুস্তাকনি বইয়ের শরাহ 'আল-মুখতাসারু মিনাল-মূমতী'।

(২) ইমাম ইবনু কুদামা আল-মাকদিসির শারহু কিতাবুল কাফি এর শরাহ লিখেছেন ২০ খন্ডে।

(৩) শাইখ মানসুর আল বুহুতি আল-হানবালীর (১০৫১ হি.) আর-রাওদ আল-মুরবি‘ কিতাবের শরাহ।

(৪) ইমাম ইবনু কুদামা আল মাকদিসির উসুলুল ফিকহের বই রাওদাত আন-নাযিরের শরাহগ্রন্থ
الضوء الباهر في حل ألفاظ روضة الناظر وجنة المناظر

(৫) শায়খ ইবনু উছাইমীনের আসমা ওয়াস সিফাতের শরাহ (আল-মুজাল্লা ফী শারহিল কাওয়া‘ইদিল মুছলা)

(৬) قدم العالم وتسلسل الحوادث بين شيخ الإسلام ابن تيمية والفلاسفة
এটি তার সবচেয়ে বিখ্যাত আকিদাহ-বিষয়ক কিতাব। এতে ইবনু তাইমিয়্যাহর অবস্থান (পৃথিবীর “প্রাচীনত্ব” বা “অনাদি” হওয়া নিয়ে দার্শনিকদের সাথে বিতর্ক, “হাওয়াদিস লা আউলা লাহা” ইত্যাদি) বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

(৭) আসমা ওয়াস সিফাত নিয়ে তার গবেষণার কিতাব
تأصيلات في عقيدة الأسماء والصفات
যেখানে ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা ও ইমাম ইবনুল কাইয়্যিমের সিফাতের আকিদা সংক্রান্ত মতামত উল্লেখ করা হয়েছে।

(৮) ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু আল-ফুতূহী আল-হানবালী (৯৭২ হি.) এর লিখিত উসূলুল ফিকহের বই শারহু কাওকাবিল মূনীরের শরাহ গ্রন্থ ৩ খন্ডে লিখেছেন।

(৯) মালিকি মাজহাবের উপর ২ খন্ডে লিখিত কিতাব আল-বাদরুল মুনীর। এটি মালিকি মাজহাবের জটিল বিষয় থেকে একদম ফুরু' বিষয়াবলির উপর একদম মুসাওয়াত শারহ গ্রন্থ।

(১০) আরবী আদব ও প্রাক-ইসলামী যুগের আরবী কবিতাসমূহের উপর আশ-শানতামারীর (৪৭৬ হি.) লিখিত গ্রন্থের ৫ খন্ডের শরাহ 'আশ-শারহু শুয়ারায়ু ছিত্তাহ'।

তাঁর লেখা বইগুলো তালিবুল ইলমদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আল্লাহ তা'য়ালা তার দ্বীনের এই খাদিমাহকে হায়াতে তাইয়্যিবাহ দান করুন।

-শাহারিয়ার মুহাম্মাদ৷
2