আল্লাহ আমাদের অনলাইন সেলিব্রিটিজম এর ফিতনা থেকে হেফাজত করুন৷
বিশেষ করে অনলাইনে দ্বীনের মোড়কে নন মাহরাম এর মধ্যকার ফিতনা খুবই ভয়ংকর,এই ফিতনা থেকে আল্লাহ সকলকে হেফাজতে রাখুন৷
বিশেষ করে অনলাইনে দ্বীনের মোড়কে নন মাহরাম এর মধ্যকার ফিতনা খুবই ভয়ংকর,এই ফিতনা থেকে আল্লাহ সকলকে হেফাজতে রাখুন৷
❤2
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ বলেন,
"একজন গায়রে মাহরাম পুরো পৃথিবীর সমস্ত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকী হোক না কেন, তবুও তার থেকে সতর্ক থাকা জরুরি। কেননা অন্তর খুব তাড়াতাড়ি বদলে যায় আর শয়তান তো সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকে। এজন্য রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "যখন কোন মহিলা কোন পুরুষের সাথে একা থাকে তখন তাদের সাথে তৃতীয় সঙ্গী হয় শয়তান।"
[ শরহুল উমদাহ, ৪/৭৮ ]
অনুবাদক : ওমর ফারুক রায়হান।
"একজন গায়রে মাহরাম পুরো পৃথিবীর সমস্ত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকী হোক না কেন, তবুও তার থেকে সতর্ক থাকা জরুরি। কেননা অন্তর খুব তাড়াতাড়ি বদলে যায় আর শয়তান তো সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকে। এজন্য রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "যখন কোন মহিলা কোন পুরুষের সাথে একা থাকে তখন তাদের সাথে তৃতীয় সঙ্গী হয় শয়তান।"
[ শরহুল উমদাহ, ৪/৭৮ ]
অনুবাদক : ওমর ফারুক রায়হান।
😢4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
It's haram,haram and absolutely haram.
Brothers and sisters, please don’t normalize it anymore.
Brothers and sisters, please don’t normalize it anymore.
❤2😢1
ফেইসবুকে লিখা বা পোস্ট শেয়ার করাটা প্রব্যাবলি দুনিয়ার সবচেয়ে সহজ দাওয়াহ। একদম মিনিমাল এফোর্ট।
এই মিনিমাল এফোর্ট কাজ করা কেউ বাজে কিছুতে এক্সপোজ হইলে কিছু মানুষ অনেক মজা পায়, যে "ফেইসবুকে কুতুব সেজে বাস্তবে ভণ্ড হেহে, আমিই ভালো ফেইসবুকে কিছু লিখি না"।
বাস্তবে আলিমরা আর সিরিয়াস তাবলীগী ভাইরা বাদে, যারা ফেইসবুকে পোস্ট/শেয়ার এর এই মিনিমাল এফোর্টের দাওয়াহটা পর্যন্ত করে না, তারা *বেশিরভাগ ক্ষেত্রে* অন্য কোন ধরণের একটিভ দাওয়াহর কাজও করে না। একদম কিচ্ছু না। বেশি হইলে কারো সাথে পার্সোনাল আলাপে কথা প্রসঙ্গে কিছু উঠলে বলে।
এই জিনিসটা হচ্ছে কোপিং মেকানিজম। যদিও যারা করে তাদের কাছে এটার অনেক সুন্দর তাউয়ীল পাবেন।
- Saifullah Bin Yusuf
এই মিনিমাল এফোর্ট কাজ করা কেউ বাজে কিছুতে এক্সপোজ হইলে কিছু মানুষ অনেক মজা পায়, যে "ফেইসবুকে কুতুব সেজে বাস্তবে ভণ্ড হেহে, আমিই ভালো ফেইসবুকে কিছু লিখি না"।
বাস্তবে আলিমরা আর সিরিয়াস তাবলীগী ভাইরা বাদে, যারা ফেইসবুকে পোস্ট/শেয়ার এর এই মিনিমাল এফোর্টের দাওয়াহটা পর্যন্ত করে না, তারা *বেশিরভাগ ক্ষেত্রে* অন্য কোন ধরণের একটিভ দাওয়াহর কাজও করে না। একদম কিচ্ছু না। বেশি হইলে কারো সাথে পার্সোনাল আলাপে কথা প্রসঙ্গে কিছু উঠলে বলে।
এই জিনিসটা হচ্ছে কোপিং মেকানিজম। যদিও যারা করে তাদের কাছে এটার অনেক সুন্দর তাউয়ীল পাবেন।
- Saifullah Bin Yusuf
❤1👍1
কেউ কেউ তোমাকে ভাবে তুমি মুত্তাকী মানুষ। কেউ ভাবে তুমি অপরাধী মানুষ।
একটা গোপন বিষয় তুমি ছাড়া আর কেউ জানে না — গোপনে তোমার রবের সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন।
প্রকৃত বাস্তবতা— তুমি তোমার নিজের সম্পর্কে সম্যক অবগত।
সুতরাং প্রশংসাকারী কিংবা নিন্দুকের ধোঁকায় পড়ো না।
- ফুআদ মুবতাসিম ভাই
একটা গোপন বিষয় তুমি ছাড়া আর কেউ জানে না — গোপনে তোমার রবের সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন।
প্রকৃত বাস্তবতা— তুমি তোমার নিজের সম্পর্কে সম্যক অবগত।
সুতরাং প্রশংসাকারী কিংবা নিন্দুকের ধোঁকায় পড়ো না।
- ফুআদ মুবতাসিম ভাই
🔥4❤2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
صَلَّىٰ ٱللَّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
❤🔥1❤1⚡1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
True deen shows in actions,not in captions
❤1
ফেতনার যুগ। ইনবক্স হেফাজতে রাখতে পারছে না অনেকেই। এটা নারী বা পুরুষ জাতিকে টার্গেট করার বিষয় না। এটা দ্বিপক্ষীয় অবক্ষয়।
প্রিয় বোনেরা!
যতবড় উস্তাদ বা বুজুর্গই মনে হোক - ইনবক্সের ফাঁদে পইড়েন না।
প্রিয় সেলেব, আধা-সেলেব এন্ড ননসেলেব ভায়েরা!
শিক্ষা গ্রহন করুন।
আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন।
- ডা.মেহেদী হাসান
প্রিয় বোনেরা!
যতবড় উস্তাদ বা বুজুর্গই মনে হোক - ইনবক্সের ফাঁদে পইড়েন না।
প্রিয় সেলেব, আধা-সেলেব এন্ড ননসেলেব ভায়েরা!
শিক্ষা গ্রহন করুন।
আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন।
- ডা.মেহেদী হাসান
❤2
৬৫ হাজার ফলোয়ার আর এত জঘন্য কথা!
তুষারের ব্লান্ডার ফাঁস হবার পর এই মহিলা একটি লেখা পোষ্ট করেছিলেন। এই ইস্যু নিয়ে নারীদের সতর্ক করার সময় মহিলাটি দাবি করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে থাকা ৮০% আলেম, দাঈ সবাই নারি কেলেঙ্কারিতে জড়িত! আবার বলছে তাদের লেখালেখি সবকিছুই নাকি নারি পটানোর উদ্দেশ্যে! এর মানে সোশ্যাল মিডিয়ার অধিকাংশ ভালো মানুষ আসলে খারাপ মানুষ।
কল্পনা করুন এটা কত বড় অপবাদ!
এই দাবির ভিত্তি কি? এই মহিলা কিভাবে হাজার হাজার আলেম ও দাঈদের নামে যেনার মিথ্যা অভিযোগ করলো?
পরে সমালোচনার শিকার হয়ে চুপচাপ পোস্ট এডিট করে দিয়েছে। এডিট করাই স্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেও জানেন আলেমদের নামে যেনার এই জঘন্য অপবাদ পুরোটাই তার নিজের বানানো, কোন প্রমাণ বা পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে নয়।
শরিয়া থাকলে এই মহিলাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মুসলমানদের উপর মিথ্যা যেনার অপবাদের শাস্তি হিসেবে ৮০ টি চাবুক মারা হতো, কিন্তু এখন? জঘন্য অপবাদ দিয়ে, এডিট করেই শেষ! তার অন্ততঃ ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।
.
Md Nur Habib
তুষারের ব্লান্ডার ফাঁস হবার পর এই মহিলা একটি লেখা পোষ্ট করেছিলেন। এই ইস্যু নিয়ে নারীদের সতর্ক করার সময় মহিলাটি দাবি করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে থাকা ৮০% আলেম, দাঈ সবাই নারি কেলেঙ্কারিতে জড়িত! আবার বলছে তাদের লেখালেখি সবকিছুই নাকি নারি পটানোর উদ্দেশ্যে! এর মানে সোশ্যাল মিডিয়ার অধিকাংশ ভালো মানুষ আসলে খারাপ মানুষ।
কল্পনা করুন এটা কত বড় অপবাদ!
এই দাবির ভিত্তি কি? এই মহিলা কিভাবে হাজার হাজার আলেম ও দাঈদের নামে যেনার মিথ্যা অভিযোগ করলো?
পরে সমালোচনার শিকার হয়ে চুপচাপ পোস্ট এডিট করে দিয়েছে। এডিট করাই স্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেও জানেন আলেমদের নামে যেনার এই জঘন্য অপবাদ পুরোটাই তার নিজের বানানো, কোন প্রমাণ বা পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে নয়।
শরিয়া থাকলে এই মহিলাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মুসলমানদের উপর মিথ্যা যেনার অপবাদের শাস্তি হিসেবে ৮০ টি চাবুক মারা হতো, কিন্তু এখন? জঘন্য অপবাদ দিয়ে, এডিট করেই শেষ! তার অন্ততঃ ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।
.
Md Nur Habib
👍2
সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো সাধারণ মানুষের প্রশংসা; কত লোক যে এর ধোঁকায় পড়েছে!
.
~ ইমাম ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ
[সাইদুল খাত্বির: ৬০]
.
~ ইমাম ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ
[সাইদুল খাত্বির: ৬০]
❤1
Nafsan Editz
Photo
শ্রদ্ধেয় লেখিকা নিশাত তাম্মিম বেশ গুরুতর দুইটা অভিযোগ করেছেন।
১। কসম করে বলতেসেন 'অন্তত' ৮০% আলেম, লেখক ও সেলেব্রিটি নারী ফিতনায় আক্রান্ত।
২। আলেম, লেখক ও সেলব্রিটিরা তাদের লেখালেখি, দাওয়াত ও ইল্ম 'নারী পটানোর' কাজে ব্যবহার করেন।
...
প্রথমত, সাধারণ মানুষের ব্যাপারে অভিযোগ করলেও প্রমান দিতে হয়। আর যারা ইসলাম নিয়ে কাজ করেন(আলেম-উলামা ও দাঈ) তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মারাত্মক, সম্মানহানিকর ও স্পর্শকাতর অভিযোগ দিতে হলে আরও বেশি নিশ্চয়তা ও সতর্কতার সহিত অভিযোগ আনতে হয়।
প্রমান ছাড়া এমন কথা বলা সরাসরি তোহমত তথা অপবাদ হিশেবে গন্য হবে। ইসলামে অপবাদ দেওয়া কাবীরা গুনাহ।
ইসলাম নিয়ে কাজ করা কমিউনিটির ব্যাপারে বলা হচ্ছে "অন্তত ৮০% নারী ফিতনায় আক্রান্ত" তাহলে বাকী থাকল কতজন? আমভাবে আলেম-উলামা ও দাঈদের সম্মান, বিশ্বাসযোগ্যতা ও চরিত্রের উপর আঘাত হানলেন।
এই দাবির মাধ্যমে ৮০% এর চেয়েও বেশি দাঈদের ব্যাপারে মানুষের অন্তরে অবিশ্বাস ও সন্দেহের বীজ কাজ করলেন। দাঈদের কারেক্টার এসাসিনেশিনও করলেন। প্রমান ছাড়া এমন দাবি করা হলে অতিসত্বর তাওবা করা এবং আলিম উলামা ও দাঈদের কাছে মাফ চাওয়া উচিত।
দ্বিতীয়ত, এটা চিরাচরিত নারীসুলভ ডিলিউশনাল দাবি কিনা জানি যে, this world revolve around women. যারা দাওয়াহ করে, ইসলাম নিয়ে কাজ করে তাদের ৮০% ইসলাম নিয়ে কাজ করে নারী পটানোর জন্য?
সিরিয়াসলি?
আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রহনন করেও থামেন নাই, একেবারে ডিরেক্ট কাজের নিয়তকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলবেন?
এসব দাবি আমরা আগে অন্যসব গোষ্টিকে করতে দেখতাম। যারা ইসলাম পছন্দ করতো না, তারাই আলেম উলামা ও দাঈদের ব্যাপারে এসব অপবাদ আরোপ করত।
আমি সুধারনা রেখে বলছি, শ্রদ্ধেয় লেখিকা হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে অথবা ভুলক্রমেই আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রে কালেম লেপন ও অপবাদ আরপ করে ফেলেছেন। কিন্তু ভুল এত বড় এবং আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্র, সম্মান বিশ্বাসযোগ্যতা সংশ্লিষ্ট হলে সংশোধনও প্রকাশ্যে হওয়া জরুরী।
উনার উচিত আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রে আঘাত এবং নিয়তকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য জন্য ক্ষমা চাওয়া।
...
অনেকে বলতেসেন, উনি পোস্ট এডিট করেছেন। করতে পারেন, বাট এত বড় অপরাধ, কারেক্টার এসাসিনেশিন, ইসলামপন্থী-আলেমে উলামাদের ব্যাপারে বিষেদগারা করে নিরবে এডিট করলেই বিষয়টা শেষ হয়ে যায় না। ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত উনাকে আলেম উলামা ও দাঈদের উপর অপবাদ আরোপকারী হিশেবেই গন্য করা হবে এবং সেই অপবাদের দায় উনাকে বহন করতে হবে।
- Hammad Osama
১। কসম করে বলতেসেন 'অন্তত' ৮০% আলেম, লেখক ও সেলেব্রিটি নারী ফিতনায় আক্রান্ত।
২। আলেম, লেখক ও সেলব্রিটিরা তাদের লেখালেখি, দাওয়াত ও ইল্ম 'নারী পটানোর' কাজে ব্যবহার করেন।
...
প্রথমত, সাধারণ মানুষের ব্যাপারে অভিযোগ করলেও প্রমান দিতে হয়। আর যারা ইসলাম নিয়ে কাজ করেন(আলেম-উলামা ও দাঈ) তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মারাত্মক, সম্মানহানিকর ও স্পর্শকাতর অভিযোগ দিতে হলে আরও বেশি নিশ্চয়তা ও সতর্কতার সহিত অভিযোগ আনতে হয়।
প্রমান ছাড়া এমন কথা বলা সরাসরি তোহমত তথা অপবাদ হিশেবে গন্য হবে। ইসলামে অপবাদ দেওয়া কাবীরা গুনাহ।
ইসলাম নিয়ে কাজ করা কমিউনিটির ব্যাপারে বলা হচ্ছে "অন্তত ৮০% নারী ফিতনায় আক্রান্ত" তাহলে বাকী থাকল কতজন? আমভাবে আলেম-উলামা ও দাঈদের সম্মান, বিশ্বাসযোগ্যতা ও চরিত্রের উপর আঘাত হানলেন।
এই দাবির মাধ্যমে ৮০% এর চেয়েও বেশি দাঈদের ব্যাপারে মানুষের অন্তরে অবিশ্বাস ও সন্দেহের বীজ কাজ করলেন। দাঈদের কারেক্টার এসাসিনেশিনও করলেন। প্রমান ছাড়া এমন দাবি করা হলে অতিসত্বর তাওবা করা এবং আলিম উলামা ও দাঈদের কাছে মাফ চাওয়া উচিত।
দ্বিতীয়ত, এটা চিরাচরিত নারীসুলভ ডিলিউশনাল দাবি কিনা জানি যে, this world revolve around women. যারা দাওয়াহ করে, ইসলাম নিয়ে কাজ করে তাদের ৮০% ইসলাম নিয়ে কাজ করে নারী পটানোর জন্য?
সিরিয়াসলি?
আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রহনন করেও থামেন নাই, একেবারে ডিরেক্ট কাজের নিয়তকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলবেন?
এসব দাবি আমরা আগে অন্যসব গোষ্টিকে করতে দেখতাম। যারা ইসলাম পছন্দ করতো না, তারাই আলেম উলামা ও দাঈদের ব্যাপারে এসব অপবাদ আরোপ করত।
আমি সুধারনা রেখে বলছি, শ্রদ্ধেয় লেখিকা হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে অথবা ভুলক্রমেই আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রে কালেম লেপন ও অপবাদ আরপ করে ফেলেছেন। কিন্তু ভুল এত বড় এবং আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্র, সম্মান বিশ্বাসযোগ্যতা সংশ্লিষ্ট হলে সংশোধনও প্রকাশ্যে হওয়া জরুরী।
উনার উচিত আলেম উলামা ও দাঈদের চরিত্রে আঘাত এবং নিয়তকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য জন্য ক্ষমা চাওয়া।
...
অনেকে বলতেসেন, উনি পোস্ট এডিট করেছেন। করতে পারেন, বাট এত বড় অপরাধ, কারেক্টার এসাসিনেশিন, ইসলামপন্থী-আলেমে উলামাদের ব্যাপারে বিষেদগারা করে নিরবে এডিট করলেই বিষয়টা শেষ হয়ে যায় না। ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত উনাকে আলেম উলামা ও দাঈদের উপর অপবাদ আরোপকারী হিশেবেই গন্য করা হবে এবং সেই অপবাদের দায় উনাকে বহন করতে হবে।
- Hammad Osama
😢1
তাবেয়ী রবী' ইবনু খূছাইম রাহিমাহুল্লাহ-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আমরা কেন আপনাকে কারো দোষত্রুটির ব্যাপারে বলতে দেখি না? তখন তিনি উত্তর দিলেন, আমি নিজেই নিজের প্রতি সন্তুষ্ট নই, তাই মানুষের নিন্দা করার জন্য অবসর পাই কোথায়?
অতঃপর তিনি আবৃত্তি করতে থাকলেন,
لنفسي أبكي لـسـت أبـكي لغـيـرها
لنفسي من نفسي عن الناس شاغل
.
আমি কাঁদি শুধু নিজের তরে, অন্য কারো জন্য নয়,
নিজের চিন্তায় আছি ডুবে, মানুষের কথা ভাবার অবকাশ কই
📚 আল-কাশকূল (১/১৩৭ পৃষ্ঠা)
অতঃপর তিনি আবৃত্তি করতে থাকলেন,
لنفسي أبكي لـسـت أبـكي لغـيـرها
لنفسي من نفسي عن الناس شاغل
.
আমি কাঁদি শুধু নিজের তরে, অন্য কারো জন্য নয়,
নিজের চিন্তায় আছি ডুবে, মানুষের কথা ভাবার অবকাশ কই
📚 আল-কাশকূল (১/১৩৭ পৃষ্ঠা)
❤1
Nafsan Editz
This is a poem.
কবিতাটি একটি গভীর রূপক তুলে ধরেছে। তুমি কি দেখছ না, সেখানে পুরুষদের কুকুরের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে—যারা কামনার দৃষ্টিতে নারীদের দেখে।
কুকুরের কাছে মাংস এমন কিছু, যা তারা পাওয়ার জন্য লড়াই করে, এমনকি নিজেদের মধ্যেও সংঘর্ষে জড়ায়। কিন্তু সিংহ সেই মাংসকে কুকুরদের ঘেরাও থেকে রক্ষা করে।
ঠিক তেমনি, কিছু পুরুষ নারীদের শুধু কামনার বস্তু হিসেবে দেখে, অথচ নারী সম্মান ও মর্যাদার যোগ্য। একজন মানুষ কামনার বশবর্তী হয়ে তার বিবেক ও সঠিকভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হারাতে পারে।
কবিতাটি আমাদের শেখায় সিংহের মতো হতে, কুকুরের মতো নয়—অর্থাৎ নারীদের মূল্য দিতে, সম্মান করতে এবং মর্যাদা রক্ষা করতে।
এটি পুরুষদের শেখায় নিজের কামনাকে সংযত করতে, অবৈধ সম্পর্কে না জড়াতে এবং পরিবারকে খারাপ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করতে।
আমরা কি দেখিনি, নারীদের নিয়ে মানুষ নিজেদের মধ্যেই লড়াই করে?
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন এবং সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।
কুকুরের কাছে মাংস এমন কিছু, যা তারা পাওয়ার জন্য লড়াই করে, এমনকি নিজেদের মধ্যেও সংঘর্ষে জড়ায়। কিন্তু সিংহ সেই মাংসকে কুকুরদের ঘেরাও থেকে রক্ষা করে।
ঠিক তেমনি, কিছু পুরুষ নারীদের শুধু কামনার বস্তু হিসেবে দেখে, অথচ নারী সম্মান ও মর্যাদার যোগ্য। একজন মানুষ কামনার বশবর্তী হয়ে তার বিবেক ও সঠিকভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হারাতে পারে।
কবিতাটি আমাদের শেখায় সিংহের মতো হতে, কুকুরের মতো নয়—অর্থাৎ নারীদের মূল্য দিতে, সম্মান করতে এবং মর্যাদা রক্ষা করতে।
এটি পুরুষদের শেখায় নিজের কামনাকে সংযত করতে, অবৈধ সম্পর্কে না জড়াতে এবং পরিবারকে খারাপ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করতে।
আমরা কি দেখিনি, নারীদের নিয়ে মানুষ নিজেদের মধ্যেই লড়াই করে?
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন এবং সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।
❤4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
3 Important Duas for University or College Students.
❤1
আমাদের অনেক দূরের পথ পাড়ি দিতে হবে। আমরা বেশিরভাগই একজন আরেকজনকে চিনি না, কিন্ত আমরা সবাই একটা উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে উঠে দাঁড়িয়েছি- আল্লাহর জমিনে আল্লাহর মনোনীত দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। উঠে দাঁড়িয়েছি, কারণ আমাদের সবার একই সাধারণ পরিচয় আছে- আমরা আল্লাহর দাস। আমরা গায়রুল্লাহর দাসত্ব অস্বীকার করেছি জন্যই উঠে দাঁড়িয়েছি। আমরা উঠে দাঁড়িয়েছি, কারণ আমরা ইসলাম ভালবাসি, ইসলামেই সম্মান খুঁজি।
যখন শুনি, আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন, তখন উঠে না দাঁড়ানোর আমাদের কাছে কি কোন কারণ থাকতে পারে? যখন শুনি আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন, তখন আমরা কেনো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো না? যখন শুনি আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন, তখন কী এমন ইস্যু আসতে পারে যার কারণে এক ভাই আরেক ভাইকে গালি দিতে পারে?
আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই হিসেবে সম্বোধন করেছেন! আমরা যেন সেই ভাই শব্দের মর্যাদা রাখতে পারি, আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন।
-Khandker Muhammad Mahmudul Hasan স্যার
যখন শুনি, আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন, তখন উঠে না দাঁড়ানোর আমাদের কাছে কি কোন কারণ থাকতে পারে? যখন শুনি আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন, তখন আমরা কেনো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো না? যখন শুনি আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই বলে সম্বোধন করেছেন, তখন কী এমন ইস্যু আসতে পারে যার কারণে এক ভাই আরেক ভাইকে গালি দিতে পারে?
আল্লাহর রসূল (সা.) আমাদের ভাই হিসেবে সম্বোধন করেছেন! আমরা যেন সেই ভাই শব্দের মর্যাদা রাখতে পারি, আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন।
-Khandker Muhammad Mahmudul Hasan স্যার
❤1
আজ গাজায় দুইজন নতুন বর শহীদ হয়েছেন। একজন দারবিশ আল-আত্তার, অন্যজন আব্দুল জলিল জুনায়েদ।
একজনের আজ ওলিমা হওয়ার কথা ছিল, অন্যজনের আগামীকাল। বন্ধু-বান্ধব দাওয়াত দেওয়া শেষ, কেনা হয়ে গেছে নতুন পোশাক-জুতোও। কিন্তু বিমান হা'মলায় নিভে গেল সব আলো। পার্থিব ওলিমার মেহমান না হয়ে তারা আজ জান্নাতের দুলহা। পেছনে রেখে গেলেন এক সমুদ্র শোক...
দুই নবদুলহান ও তাদের পরিবারকে রব এই শোক সইবার তাওফিক দান করেন।
গাজা, ফিলিস্তিন।
২২ এপ্রিল ২০২৬
- Nayema Tamanna.
একজনের আজ ওলিমা হওয়ার কথা ছিল, অন্যজনের আগামীকাল। বন্ধু-বান্ধব দাওয়াত দেওয়া শেষ, কেনা হয়ে গেছে নতুন পোশাক-জুতোও। কিন্তু বিমান হা'মলায় নিভে গেল সব আলো। পার্থিব ওলিমার মেহমান না হয়ে তারা আজ জান্নাতের দুলহা। পেছনে রেখে গেলেন এক সমুদ্র শোক...
দুই নবদুলহান ও তাদের পরিবারকে রব এই শোক সইবার তাওফিক দান করেন।
গাজা, ফিলিস্তিন।
২২ এপ্রিল ২০২৬
- Nayema Tamanna.
😢1