বিয়ে আর চিরকুমার থাকার টেন্ডেসি নিয়ে অনেক ফান করা হলো। এবার কিছু সিরিয়াস আলাপে আসি।
সত্যি বলতে চিরকুমার থাকার সিদ্ধান্ত বা থাকার কথা বলা তাদের জন্য একটা সার্ভাইভাল ম্যাকানিজম। সাধারণভাবে বিয়ের উদ্দেশ্য থাকে প্রশান্তি(সুকুন) লাভ। কিন্তু বিয়ের পর বেশ স্বাভাবিকভাবে মানসিক প্রশান্তি উলটো কমে যাচ্ছে। এরপর বিয়ের সম্পর্কে স্রেফ রয়ে যাচ্ছে বস্তুগত চাওয়া-পাওয়া আর চাহিদা পূরণ।
কাজেই স্বাভাবিকভাবে নতুন জেনারেশন চিন্তা করছে যাস্ট শারীরিক চাহিদার জন্য শুধু শুধু মানসিক যাতনা বাড়িয়ে লাভ কি৷ এর থেকে রোজা রেখে একা থাকাই ভালো। আর তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের মানসিকতা, চিন্তাধারা, ইবাদতগুজারি মোটেও খারাপ পাইনি।
বিপরীতে আমি তেমন ভালো কিছু দেখিনি। একটা জনপ্রিয় ইসলামিক মেট্রিমনি সাইটে পাত্রীপক্ষ একটু ভালো থাকার আশায় কিংবা নিজের ডিমান্ড ধরে রাখতে বয়স সম্পর্কে মিথ্যা বলছে অহরহ। তো যে সংসার শুরুই হচ্ছে মিথ্যার উপর তা ঠিক কতটুকু সুকুন দিতে পারবে? এই প্রশ্নটা এখন গুরুত্বপূর্ণ।
এখন আবার নতুন করে প্রেমের হিরিক পরেছে। রিসেন্টলি এরকম বেশ কয়েকটা ঘটনা শুনলাম যেখানে মেয়ে দ্বীনদার কিন্তু তার বয়ফ্রেন্ডের সংখ্যা প্রায় হাতের আঙুলগুলোর সমান। আমি এদের দ্বীনদার মনে করিনা, কারণ আমার মতে ইসলাম শুধু বাহ্যিকভাবে প্রেকটিস করার জিনিস না, বরং তা মগজে গেথে রাখার এবং সে অনুযায়ী মানসিকতা গঠনের।
তারা দ্বীনদার, চেহারাও ভালো কিন্তু হাতেগুনে একজন হকপন্থী আলিমের নামও বলতে পারে না। আলিমেরর স্থানে বলতে থাকে ফেমাস সেলিব্রিটি ইন্টারন্যাশনাল বক্তাদের কথা। আর বই? "পড়বো ইনশাআল্লাহ " এতটুকুতে সীমাবদ্ধ। কিংবা পড়লেও সেখানে থাকে ইকিগাই, মোটিবেশনাল মোমেন্টস। আমার কথা হলো যে ছেলে বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা করে সে আপনাদের ইকিগাই দিয়ে করবে কি? বেশি বছর বেচে তার লাভ আছে নাকি।
মূলত সুকুন আসে আত্মিক সম্পর্কের ফলে। কিন্তু আজকাল বিয়েতে আত্মিক সম্পর্ককে ছেলেমানুষী খেলা মনে করা হয়। এখানে কেবল চাহিদার সম্পর্ক। আর যেহেতু রোমান্টিকতাও এক চাহিদা তাই তা পূরণও প্রয়োজন। এই রোমান্টিকতাকে ভালোবাসাও মনে করা হয়। তাহলে দেখা গেলো একজন বিয়ে করলো, সংসার করলো এরপর সংসারে সুকুন তো পেলোই না উলটো তার মানসিক প্রশান্তি উড়ে গেলো, এর উপর দেখা গেলো সংসারটা স্রেফ চাহিদার সম্পর্ক, ভালোবাসা বলতে এখানে কিছু নেই। তো তখন একজন যে ধকল অনুভব করবে তা থেকে রিকভার হতে যে সময় লাগবে তাও তার বিপ্লবের জন্য প্রোডাক্টিভ না।
এখন আমাকে বলুন ঠিক কি কারণে সে বিয়ে করবে?
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের নির্দেশ সছে বিয়ের ব্যাপারে কিন্তু শরীয়াহ বিয়ের যে কল্যাণের কথা বলে আজকাল তাই তো নেই।
হিজাব তো কমন পোশাক বলা চলে। আর তাছাড়া একশ্রেণী হিজাব পরে মাস্ক দ্বারা মুখ ঢেকে রাখে, কারণ চোখ বেশি মোহগ্রস্ত করতে পারে। আর তাদের চোখের পর্দার প্রসঙ্গে বললে চোখের পর্দা যেন তাদের জন্য নেই। এছাড়া বেগানা লোকদের সাথে অনলাইন চ্যাটিং তো আছেই। ইসলামিক হলেও মেসেজ না করলে কমেন্ট ঠিকই করবে। আবার ইসলামী সেলিব্রিটিদের ফ্যান হওয়ার কালচার তো আছেই।
নিজেকে ফান্ডামেন্টালিস্ট দাবি করলেও, কাজকর্ম ফান্ডামেন্টাল হলেও মানসিকতা এখনো ইসলামিক হয়নি। এরা জানেও না জীবনের মানে কি, জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য কি। যাস্ট জানে নামাজ পড়ে, রোজা রাখে, পর্দা করে তাই সে ফান্ডামেন্টালিস্ট।
পরিশেষে, অনেক ভালো নারী আছে যারা সত্যিই বিপ্লবীদের পথ সুগম করতে পারবে। কিন্তু সকলের কানেক্টিভিটি একরকম না। কানেক্টিভিটির কারণে অনেকেই ভালো স্ত্রী পেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু যাদের কানেক্টিভিটি কম, যারা ফেমাস না, সেলিব্রিটি না তাদের জন্য সুকুনের জীবন পেতে হলে বায়োডাটা হাতে নিয়ে দিনরাত খুজতে হবে। এত সময় কারও নেই আর দুনিয়াতে স্রেফ বিয়ে করতে তারা আসেনি। চুড়ান্ত লক্ষ পূরণে কিছু বাধা হলে তা স্বেচ্ছায় টেনে আনার দরকার কি।
লেখা অবশ্যই রিয়েকশনারি এঙ্গেল থেকে লেখা। আর আমি এইসব টপিক নিয়ে কথা বলাও পছন্দ করি না। তবে রিমাইন্ডার থাকলো।
- Muhammad Tahmid
সত্যি বলতে চিরকুমার থাকার সিদ্ধান্ত বা থাকার কথা বলা তাদের জন্য একটা সার্ভাইভাল ম্যাকানিজম। সাধারণভাবে বিয়ের উদ্দেশ্য থাকে প্রশান্তি(সুকুন) লাভ। কিন্তু বিয়ের পর বেশ স্বাভাবিকভাবে মানসিক প্রশান্তি উলটো কমে যাচ্ছে। এরপর বিয়ের সম্পর্কে স্রেফ রয়ে যাচ্ছে বস্তুগত চাওয়া-পাওয়া আর চাহিদা পূরণ।
কাজেই স্বাভাবিকভাবে নতুন জেনারেশন চিন্তা করছে যাস্ট শারীরিক চাহিদার জন্য শুধু শুধু মানসিক যাতনা বাড়িয়ে লাভ কি৷ এর থেকে রোজা রেখে একা থাকাই ভালো। আর তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের মানসিকতা, চিন্তাধারা, ইবাদতগুজারি মোটেও খারাপ পাইনি।
বিপরীতে আমি তেমন ভালো কিছু দেখিনি। একটা জনপ্রিয় ইসলামিক মেট্রিমনি সাইটে পাত্রীপক্ষ একটু ভালো থাকার আশায় কিংবা নিজের ডিমান্ড ধরে রাখতে বয়স সম্পর্কে মিথ্যা বলছে অহরহ। তো যে সংসার শুরুই হচ্ছে মিথ্যার উপর তা ঠিক কতটুকু সুকুন দিতে পারবে? এই প্রশ্নটা এখন গুরুত্বপূর্ণ।
এখন আবার নতুন করে প্রেমের হিরিক পরেছে। রিসেন্টলি এরকম বেশ কয়েকটা ঘটনা শুনলাম যেখানে মেয়ে দ্বীনদার কিন্তু তার বয়ফ্রেন্ডের সংখ্যা প্রায় হাতের আঙুলগুলোর সমান। আমি এদের দ্বীনদার মনে করিনা, কারণ আমার মতে ইসলাম শুধু বাহ্যিকভাবে প্রেকটিস করার জিনিস না, বরং তা মগজে গেথে রাখার এবং সে অনুযায়ী মানসিকতা গঠনের।
তারা দ্বীনদার, চেহারাও ভালো কিন্তু হাতেগুনে একজন হকপন্থী আলিমের নামও বলতে পারে না। আলিমেরর স্থানে বলতে থাকে ফেমাস সেলিব্রিটি ইন্টারন্যাশনাল বক্তাদের কথা। আর বই? "পড়বো ইনশাআল্লাহ " এতটুকুতে সীমাবদ্ধ। কিংবা পড়লেও সেখানে থাকে ইকিগাই, মোটিবেশনাল মোমেন্টস। আমার কথা হলো যে ছেলে বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা করে সে আপনাদের ইকিগাই দিয়ে করবে কি? বেশি বছর বেচে তার লাভ আছে নাকি।
মূলত সুকুন আসে আত্মিক সম্পর্কের ফলে। কিন্তু আজকাল বিয়েতে আত্মিক সম্পর্ককে ছেলেমানুষী খেলা মনে করা হয়। এখানে কেবল চাহিদার সম্পর্ক। আর যেহেতু রোমান্টিকতাও এক চাহিদা তাই তা পূরণও প্রয়োজন। এই রোমান্টিকতাকে ভালোবাসাও মনে করা হয়। তাহলে দেখা গেলো একজন বিয়ে করলো, সংসার করলো এরপর সংসারে সুকুন তো পেলোই না উলটো তার মানসিক প্রশান্তি উড়ে গেলো, এর উপর দেখা গেলো সংসারটা স্রেফ চাহিদার সম্পর্ক, ভালোবাসা বলতে এখানে কিছু নেই। তো তখন একজন যে ধকল অনুভব করবে তা থেকে রিকভার হতে যে সময় লাগবে তাও তার বিপ্লবের জন্য প্রোডাক্টিভ না।
এখন আমাকে বলুন ঠিক কি কারণে সে বিয়ে করবে?
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের নির্দেশ সছে বিয়ের ব্যাপারে কিন্তু শরীয়াহ বিয়ের যে কল্যাণের কথা বলে আজকাল তাই তো নেই।
হিজাব তো কমন পোশাক বলা চলে। আর তাছাড়া একশ্রেণী হিজাব পরে মাস্ক দ্বারা মুখ ঢেকে রাখে, কারণ চোখ বেশি মোহগ্রস্ত করতে পারে। আর তাদের চোখের পর্দার প্রসঙ্গে বললে চোখের পর্দা যেন তাদের জন্য নেই। এছাড়া বেগানা লোকদের সাথে অনলাইন চ্যাটিং তো আছেই। ইসলামিক হলেও মেসেজ না করলে কমেন্ট ঠিকই করবে। আবার ইসলামী সেলিব্রিটিদের ফ্যান হওয়ার কালচার তো আছেই।
নিজেকে ফান্ডামেন্টালিস্ট দাবি করলেও, কাজকর্ম ফান্ডামেন্টাল হলেও মানসিকতা এখনো ইসলামিক হয়নি। এরা জানেও না জীবনের মানে কি, জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য কি। যাস্ট জানে নামাজ পড়ে, রোজা রাখে, পর্দা করে তাই সে ফান্ডামেন্টালিস্ট।
পরিশেষে, অনেক ভালো নারী আছে যারা সত্যিই বিপ্লবীদের পথ সুগম করতে পারবে। কিন্তু সকলের কানেক্টিভিটি একরকম না। কানেক্টিভিটির কারণে অনেকেই ভালো স্ত্রী পেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু যাদের কানেক্টিভিটি কম, যারা ফেমাস না, সেলিব্রিটি না তাদের জন্য সুকুনের জীবন পেতে হলে বায়োডাটা হাতে নিয়ে দিনরাত খুজতে হবে। এত সময় কারও নেই আর দুনিয়াতে স্রেফ বিয়ে করতে তারা আসেনি। চুড়ান্ত লক্ষ পূরণে কিছু বাধা হলে তা স্বেচ্ছায় টেনে আনার দরকার কি।
লেখা অবশ্যই রিয়েকশনারি এঙ্গেল থেকে লেখা। আর আমি এইসব টপিক নিয়ে কথা বলাও পছন্দ করি না। তবে রিমাইন্ডার থাকলো।
- Muhammad Tahmid
❤2
মদিনার ফক্বিহ ইমাম মালেক রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
لا يصلح آخر هذه الأمة إلا ما أصلح أولها
.
"এই উম্মতের শেষভাগের লোকদের অবস্থা ততক্ষণ পর্যন্ত শুধরানো সম্ভব নয়, যতক্ষণ না তারা সেই পথ ও পদ্ধতি অনুসরণ করবে যার মাধ্যমে এই উম্মতের প্রথমভাগের মানুষেরা সংশোধন বা সফলতা লাভ করেছিলো।"
এর অর্থ হলো:
أن أول هذه الأمة صلحوا بالتوحيد والقيام بأمر الله، وأداء حقه والجهاد في سبيله، والإيمان بالله وبرسوله، فهذا الذي صلح به أول هذه الأمة،
.
এই উম্মতের প্রথমভাগের (সাহাবায়ে কেরাম) মানুষেরা সংশোধিত হয়েছিলেন তাওহীদ প্রতিষ্ঠা, আল্লাহর বিধান পালন, তাঁর হক আদায়, তাঁর পথে জিহাদ এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনয়নের মাধ্যমে। সুতরাং, এগুলোই ছিল সেই মাধ্যম যার দ্বারা এই উম্মতের প্রথমভাগ সংশোধন হয়েছিল।
📚 শারহু সহিহ ইবনে খুযাইমাহ (৯/২২ পৃষ্ঠা)
لا يصلح آخر هذه الأمة إلا ما أصلح أولها
.
"এই উম্মতের শেষভাগের লোকদের অবস্থা ততক্ষণ পর্যন্ত শুধরানো সম্ভব নয়, যতক্ষণ না তারা সেই পথ ও পদ্ধতি অনুসরণ করবে যার মাধ্যমে এই উম্মতের প্রথমভাগের মানুষেরা সংশোধন বা সফলতা লাভ করেছিলো।"
এর অর্থ হলো:
أن أول هذه الأمة صلحوا بالتوحيد والقيام بأمر الله، وأداء حقه والجهاد في سبيله، والإيمان بالله وبرسوله، فهذا الذي صلح به أول هذه الأمة،
.
এই উম্মতের প্রথমভাগের (সাহাবায়ে কেরাম) মানুষেরা সংশোধিত হয়েছিলেন তাওহীদ প্রতিষ্ঠা, আল্লাহর বিধান পালন, তাঁর হক আদায়, তাঁর পথে জিহাদ এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনয়নের মাধ্যমে। সুতরাং, এগুলোই ছিল সেই মাধ্যম যার দ্বারা এই উম্মতের প্রথমভাগ সংশোধন হয়েছিল।
📚 শারহু সহিহ ইবনে খুযাইমাহ (৯/২২ পৃষ্ঠা)
❤3🥰1
ছাত্রদলের এক ৪০ বছরের অবিবাহিত নেত্রী ১৮ বছরের আগে বিয়ে করাকে অপরাধ দাবি করে একাধিক পোস্ট করেছেন, যারা বিয়ে করে তাদের শিশুকামী বলে গালি দিয়েছে। শুধু তিনি না পৃথিবীর যে কেও ‘বাল্যবিবাহ’ কে অপরাধ মনে করবে সে মুরতাদ, কাফের।
শুধু তাই নয়, কেও শরয়ী হুকুম বা সুন্নাহ যেমষ বড় দাঁড়ি বা পর্দা ইত্যাদি যে কোনো জিনিসকে কটাক্ষ কারী কাফের হয়ে যাবে। কারণ সে ক্ষেত্রে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা ও কাজের সাথেই বিদ্রূপকারী হিসেবে গণ্য হবে।
“বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ এবং তাঁর রাসূলকে নিয়ে বিদ্রূপ করছিলে? তোমরা ওজর পেশ করো না, তোমরা ঈমান আনার পর কুফরি করেছ।” সূরা তওবা/৬৫-৬৬
ফখরুদ্দীন রাযী (৬০৬ হি.) বলেন—
إن الاستهزاء بالدين كيف كان كفر بالله، وذلك لأن الاستهزاء يدل على الاستخفاف، والعمدة الكبرى في الإيمان.
দ্বীন নিয়ে উপহাস করা যেভাবেই হোক না কেন তা আল্লাহর সাথে কুফরি; কেননা উপহাস করা অবজ্ঞার প্রমাণ বহন করে, আর ঈমানের প্রধান স্তম্ভই হলো সম্মান প্রদর্শন করা।
[ তাফসীরুল কাবীর ১৬/৯৫ ]
লাজনাদ দায়িমাহর ফতোয়া :
سب الدين والاستهزاء بشيء من القرآن والسنة والاستهزاء بالمتمسك بهما نظرا لما تمسك به كإعفاء اللحية وتحجب المسلمة؛ هذا كفر إذا صدر من مكلف، وينبغي أن يبين له أن هذا كفر فإن أصر بعد العلم فهو كافر.
দ্বীনকে গালি দেওয়া, কুরআন ও সুন্নাহর কোনো বিষয় নিয়ে উপহাস করা এবং যারা এগুলো আঁকড়ে ধরে আছে তাদের সেই অনুসরণের কারণে উপহাস করা—যেমন দাড়ি রাখা বা মুসলিম নারীর হিজাব করা—এগুলো কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি থেকে প্রকাশ পেলে তা কুফরি। তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত যে এটি কুফরি, যদি সে জানার পর একগুঁয়েমি করে তবে সে কাফির।
[ ফাতাওয়াল লাজনাদ দায়িমাহ ১/৩৮৭ ]
.
MD Nur Hasib
শুধু তাই নয়, কেও শরয়ী হুকুম বা সুন্নাহ যেমষ বড় দাঁড়ি বা পর্দা ইত্যাদি যে কোনো জিনিসকে কটাক্ষ কারী কাফের হয়ে যাবে। কারণ সে ক্ষেত্রে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা ও কাজের সাথেই বিদ্রূপকারী হিসেবে গণ্য হবে।
“বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ এবং তাঁর রাসূলকে নিয়ে বিদ্রূপ করছিলে? তোমরা ওজর পেশ করো না, তোমরা ঈমান আনার পর কুফরি করেছ।” সূরা তওবা/৬৫-৬৬
ফখরুদ্দীন রাযী (৬০৬ হি.) বলেন—
إن الاستهزاء بالدين كيف كان كفر بالله، وذلك لأن الاستهزاء يدل على الاستخفاف، والعمدة الكبرى في الإيمان.
দ্বীন নিয়ে উপহাস করা যেভাবেই হোক না কেন তা আল্লাহর সাথে কুফরি; কেননা উপহাস করা অবজ্ঞার প্রমাণ বহন করে, আর ঈমানের প্রধান স্তম্ভই হলো সম্মান প্রদর্শন করা।
[ তাফসীরুল কাবীর ১৬/৯৫ ]
লাজনাদ দায়িমাহর ফতোয়া :
سب الدين والاستهزاء بشيء من القرآن والسنة والاستهزاء بالمتمسك بهما نظرا لما تمسك به كإعفاء اللحية وتحجب المسلمة؛ هذا كفر إذا صدر من مكلف، وينبغي أن يبين له أن هذا كفر فإن أصر بعد العلم فهو كافر.
দ্বীনকে গালি দেওয়া, কুরআন ও সুন্নাহর কোনো বিষয় নিয়ে উপহাস করা এবং যারা এগুলো আঁকড়ে ধরে আছে তাদের সেই অনুসরণের কারণে উপহাস করা—যেমন দাড়ি রাখা বা মুসলিম নারীর হিজাব করা—এগুলো কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি থেকে প্রকাশ পেলে তা কুফরি। তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত যে এটি কুফরি, যদি সে জানার পর একগুঁয়েমি করে তবে সে কাফির।
[ ফাতাওয়াল লাজনাদ দায়িমাহ ১/৩৮৭ ]
.
MD Nur Hasib
❤4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
শামের পবিত্র ভূমি প্রস্তুত হচ্ছে আল-কুদসের মুক্তির জন্য বি-ইযনিল্লাহ৷
💔1
ঘোড়া এক এমেইজিং প্রাণী। ঘোড়া সম্পর্কে কিছু ইন্টারেস্টিং তথ্য আপনাদের দেই..
- ঘোড়া সাধারণত সাপের কামড়ে মরে না বরং তার থেকেই এন্টিভেনম তৈরি হয়।
- ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে।
- ঘোড়া অন্ধকার রাতেও চোখে দেখে।
- ঘোড়া রাস্তা ভুলে না।
- ঘোড়া মাইলের পর মাইল বিরতিহীন ভাবে চলতে পারে আর অনেক ভারী বোঝা বহন করতে পারে।
- ঘোড়া সামনে পিছনে (৩৬০° প্যানোরামিক ভিউ) এক সাথে দেখতে পারে।
ইসলাম ও ঘোড়াকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে- রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ লিখে দেওয়া হয়েছে।" [সহীহ মুসলিম]। আর আপনি জেনে অবাক হবে যে- ঘোড়া চালাতে পেট্রোল লাগে না এবং অচিরেই আবার ঘোড়ার যুগ ফিরে আসছে।
- সুমন আহমাদ
- ঘোড়া সাধারণত সাপের কামড়ে মরে না বরং তার থেকেই এন্টিভেনম তৈরি হয়।
- ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে।
- ঘোড়া অন্ধকার রাতেও চোখে দেখে।
- ঘোড়া রাস্তা ভুলে না।
- ঘোড়া মাইলের পর মাইল বিরতিহীন ভাবে চলতে পারে আর অনেক ভারী বোঝা বহন করতে পারে।
- ঘোড়া সামনে পিছনে (৩৬০° প্যানোরামিক ভিউ) এক সাথে দেখতে পারে।
ইসলাম ও ঘোড়াকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে- রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ লিখে দেওয়া হয়েছে।" [সহীহ মুসলিম]। আর আপনি জেনে অবাক হবে যে- ঘোড়া চালাতে পেট্রোল লাগে না এবং অচিরেই আবার ঘোড়ার যুগ ফিরে আসছে।
- সুমন আহমাদ
❤5
"যে তার ভাইকে গোপনে উপদেশ দেয় সে আসলে তাকে নসীহাহ দেয় এবং তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে। আর যে তার ভাইকে প্রকাশ্যে উপদেশ দেয় সে তাকে লাঞ্ছিত করে এবং তার সাথে খেয়ানত করে"।
.
~ ইমাম আশ শাফিঈ [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৯/১৪০]
প্রয়োজনীয় নাসীহাহ দিতে পারেন
hushup.app/muhammad_nafsan
.
~ ইমাম আশ শাফিঈ [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৯/১৪০]
প্রয়োজনীয় নাসীহাহ দিতে পারেন
hushup.app/muhammad_nafsan
আমি সবসময় উপদেশ, নাসীহা এবং পরামর্শের জন্য অপেন। আমার ভুল ত্রুটি অনুচিত কাজকর্ম চোখে পড়লে সাথেসাথে জানানোর অনুরোধ।
❤4
কারো যদি রাতে বিতরের সালাত ছুটে যায়, তার উচিত ফজরের পরে তা জোড় সংখ্যায় আদায় করে নেয়া!
আল্লামা ইবনু বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
যদি ফজরের আজান হয়ে যায় এবং কোনো ব্যক্তি বিতর পড়তে না পারে, তবে সে তা দুহার সময় পর্যন্ত পিছিয়ে দেবে। অর্থাৎ সূর্য ওঠার পর সে তার সাধ্যমতো সালাত আদায় করে নেবে-দুই রাকাত বা চার রাকাত (দুই দুই রাকাত করে)।
যদি তার অভ্যাস থাকে তিন রাকাত বিতর পড়ার কিন্তু তা পড়তে না পারে, তবে সে দুহার সময় দুই সালামে চার রাকাত পড়বে। আর যদি তার অভ্যাস থাকে পাঁচ রাকাত পড়ার এবং রাতে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে সে দুহার সময় তিন সালামে ছয় রাকাত পড়বে।
এভাবেই নবী ﷺ অধিকাংশ সময় এগারো রাকাত বিতর পড়তেন। আর যদি অসুস্থতা বা ঘুমের কারণে তা আদায় করতে না পারতেন, তাহলে দিনে তিনি বারো রাকাত পড়তেন। এই কথাটি উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বর্ণনা করেছেন।
অর্থাৎ তিনি ছয় সালামে বারো রাকাত পড়তেন, প্রতি দুই রাকাত পর পর সালাম ফিরাতেন।
এটাই উম্মতের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি, যাতে তারা তাঁর ﷺ অনুসরণ করতে পারে।
.
إذا أذن الفجر، ولم يوتر الإنسان أخره إلى الضحى بعد أن ترتفع الشمس فيصلي ما تيسر، يصلي اثنتين أو أربعًا، اثنتين اثنتين، فإذا كانت عادته ثلاثًا، ولم يصلها، صلاها الضحى أربعًا بتسليمتين، وإذا كانت عادته خمسًا، ولم يتيسر له فعلها في الليل صلاها الضحى ستًا بثلاث تسليمات، وهكذا كان عليه الصلاة والسلام -في الغالب- يوتر بإحدى عشرة فإذا شغله مرض أو نوم صلاها من النهار اثنتي عشرة ركعة، هكذا قالت عائشة رضي الله عنها، إن صلاها اثني عشرة يعني ست تسليمات، يسلم من كل اثنتين عليه الصلاة والسلام، هذا هو المشروع للأمة اقتداء به عليه الصلاة والسلام
📚 মাজমূ' আল-ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত (৩০/৪৬ পৃষ্ঠা)
- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ
আল্লামা ইবনু বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
যদি ফজরের আজান হয়ে যায় এবং কোনো ব্যক্তি বিতর পড়তে না পারে, তবে সে তা দুহার সময় পর্যন্ত পিছিয়ে দেবে। অর্থাৎ সূর্য ওঠার পর সে তার সাধ্যমতো সালাত আদায় করে নেবে-দুই রাকাত বা চার রাকাত (দুই দুই রাকাত করে)।
যদি তার অভ্যাস থাকে তিন রাকাত বিতর পড়ার কিন্তু তা পড়তে না পারে, তবে সে দুহার সময় দুই সালামে চার রাকাত পড়বে। আর যদি তার অভ্যাস থাকে পাঁচ রাকাত পড়ার এবং রাতে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে সে দুহার সময় তিন সালামে ছয় রাকাত পড়বে।
এভাবেই নবী ﷺ অধিকাংশ সময় এগারো রাকাত বিতর পড়তেন। আর যদি অসুস্থতা বা ঘুমের কারণে তা আদায় করতে না পারতেন, তাহলে দিনে তিনি বারো রাকাত পড়তেন। এই কথাটি উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বর্ণনা করেছেন।
অর্থাৎ তিনি ছয় সালামে বারো রাকাত পড়তেন, প্রতি দুই রাকাত পর পর সালাম ফিরাতেন।
এটাই উম্মতের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি, যাতে তারা তাঁর ﷺ অনুসরণ করতে পারে।
.
إذا أذن الفجر، ولم يوتر الإنسان أخره إلى الضحى بعد أن ترتفع الشمس فيصلي ما تيسر، يصلي اثنتين أو أربعًا، اثنتين اثنتين، فإذا كانت عادته ثلاثًا، ولم يصلها، صلاها الضحى أربعًا بتسليمتين، وإذا كانت عادته خمسًا، ولم يتيسر له فعلها في الليل صلاها الضحى ستًا بثلاث تسليمات، وهكذا كان عليه الصلاة والسلام -في الغالب- يوتر بإحدى عشرة فإذا شغله مرض أو نوم صلاها من النهار اثنتي عشرة ركعة، هكذا قالت عائشة رضي الله عنها، إن صلاها اثني عشرة يعني ست تسليمات، يسلم من كل اثنتين عليه الصلاة والسلام، هذا هو المشروع للأمة اقتداء به عليه الصلاة والسلام
📚 মাজমূ' আল-ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত (৩০/৪৬ পৃষ্ঠা)
- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ
❤1
ইমাম ইবনু রজব আল-হাম্বালী রহ. বলেছেন,
এমন কিছু নেককার নারী ছিলেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচন্ড গরমের দিনগুলো বেছে নিতেন সিয়াম রাখার জন্য। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলতেন: "যখন কোনো পণ্যের দাম কমে যায়, তখন তো সবাইই তা কিনে নেয়।"
অর্থাৎ, এর মাধ্যমে তারা বুঝাতে চেয়েছেন যে-এমন আমলকেই তারা প্রাধান্য দেন, যা খুব অল্প মানুষই করতে সাহস করে। কারণ তা পালন করা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন।
.
كانت بعض الصالحات تتوخى اشد الايام حرا فتصومه فيقال لها في ذلك فتقول : ان السعر اذا رخص اشتراه كل احد. تشير الى انها لا تؤثر الا العمل الذي لا يقدر عليه الا قليل من الناس لشدته عليهم
📚 লাত্বাইফুল মা'আরিফ (৩২২ পৃষ্ঠা)
এমন কিছু নেককার নারী ছিলেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচন্ড গরমের দিনগুলো বেছে নিতেন সিয়াম রাখার জন্য। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলতেন: "যখন কোনো পণ্যের দাম কমে যায়, তখন তো সবাইই তা কিনে নেয়।"
অর্থাৎ, এর মাধ্যমে তারা বুঝাতে চেয়েছেন যে-এমন আমলকেই তারা প্রাধান্য দেন, যা খুব অল্প মানুষই করতে সাহস করে। কারণ তা পালন করা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন।
.
كانت بعض الصالحات تتوخى اشد الايام حرا فتصومه فيقال لها في ذلك فتقول : ان السعر اذا رخص اشتراه كل احد. تشير الى انها لا تؤثر الا العمل الذي لا يقدر عليه الا قليل من الناس لشدته عليهم
📚 লাত্বাইফুল মা'আরিফ (৩২২ পৃষ্ঠা)
❤4
আপনার মা-বাবা ইন্তেকাল করেছেন। পরিবার শোকে মুহ্যমান।
লাশ এখন জানাজার জন্যে অপেক্ষমান।
এর মাঝে মুরব্বী গোছের কেউ এসে আপনাকে বললো – ৩/৪ দিনের ফাতেহা (খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন) কবে হবে? এর ঘোষণা কি দিয়ে দেব?
শোকে কাতর আপনি বললেন, টাকা-পয়সা নেই।
সমাজের লোকেরা খেক খেক করে তেড়ে আসল। বললো - তোমার মা-বাবার প্রতি তোমার কোন দায়িত্ব নেই?
পরিবারের ঘনিষ্ঠেরা বললো — আমাদের পরিবারের মান-সম্মান যাবে।
মান -সম্মান আর সমাজের রীতির জন্যে ধার কর্জ করে খাবারের আয়োজনে নেমে যেতে হলো আপনাকে।
শোকের সময়ে এই বাধ্যতামূলক খাওয়ার আয়োজন - যৌতুকের চেয়েও বা-জে। এর থেকে বেরিয়ে আসুন।
সমাজের কু-প্রথা ভেঙ্গে দেওয়ার শ-ক্তি আছে তো আপনার?
~ ড. সানাউল্লাহ চৌধুরী
প্রফেসর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
লাশ এখন জানাজার জন্যে অপেক্ষমান।
এর মাঝে মুরব্বী গোছের কেউ এসে আপনাকে বললো – ৩/৪ দিনের ফাতেহা (খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন) কবে হবে? এর ঘোষণা কি দিয়ে দেব?
শোকে কাতর আপনি বললেন, টাকা-পয়সা নেই।
সমাজের লোকেরা খেক খেক করে তেড়ে আসল। বললো - তোমার মা-বাবার প্রতি তোমার কোন দায়িত্ব নেই?
পরিবারের ঘনিষ্ঠেরা বললো — আমাদের পরিবারের মান-সম্মান যাবে।
মান -সম্মান আর সমাজের রীতির জন্যে ধার কর্জ করে খাবারের আয়োজনে নেমে যেতে হলো আপনাকে।
শোকের সময়ে এই বাধ্যতামূলক খাওয়ার আয়োজন - যৌতুকের চেয়েও বা-জে। এর থেকে বেরিয়ে আসুন।
সমাজের কু-প্রথা ভেঙ্গে দেওয়ার শ-ক্তি আছে তো আপনার?
~ ড. সানাউল্লাহ চৌধুরী
প্রফেসর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
😢2
আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনু সালেহ আল-উসাইমিন রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
"স্ত্রী তার স্বামীর উপর উচ্চস্বরে কথা বলা অসভ্যতার পরিচায়ক, কারণ তার স্বামীই তার অভিভাবক ও রক্ষক। তাই তার উচিত তাকে সম্মান করা এবং নম্রভাবে সম্বোধন করা, যা তাদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।"
.
الزوجة إن رفع صوتها على زوجها من سوء الأدب؛ وذلك لأن الزوج هو القوّام عليها وهو الراعي لها، فينبغي أن تحترمه وأن تخاطبه بالأدب، لأن ذلك أحرى أن يؤدم بينهما وأن تبقى الألفة بينهما ذلك أحرى أن يؤدم بينهما وأن تبقى الألفة بينهما.
🔈ফাতাওয়া নূরুন আ'লা আদ-দারব (টেপ নং ৩১২ এর অংশবিশেষ)
- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ৷
"স্ত্রী তার স্বামীর উপর উচ্চস্বরে কথা বলা অসভ্যতার পরিচায়ক, কারণ তার স্বামীই তার অভিভাবক ও রক্ষক। তাই তার উচিত তাকে সম্মান করা এবং নম্রভাবে সম্বোধন করা, যা তাদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।"
.
الزوجة إن رفع صوتها على زوجها من سوء الأدب؛ وذلك لأن الزوج هو القوّام عليها وهو الراعي لها، فينبغي أن تحترمه وأن تخاطبه بالأدب، لأن ذلك أحرى أن يؤدم بينهما وأن تبقى الألفة بينهما ذلك أحرى أن يؤدم بينهما وأن تبقى الألفة بينهما.
🔈ফাতাওয়া নূরুন আ'লা আদ-দারব (টেপ নং ৩১২ এর অংশবিশেষ)
- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ৷
❤3
উম্মুল মু'মিনিন উম্মে সালামাহ (রা.) বলেন,
যখন কুরআনের এই আয়াত নাজিল হলো,
يُدنينَ عَلَيهِنَّ مِن جَلابيبِهِنَّ
'তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়' (সূরা আহযাব: ৫৯)
এরপর থেকে আনসারী নারীরা এমনভাবে (ঘর থেকে) বের হতেন, যেন মনে হতো তাদের মাথার ওপর কালো দাঁড়কাক বসে আছে (অর্থাৎ তারা কালো চাদর দিয়ে মাথা ও শরীর এমনভাবে আবৃত করেছিলেন, যেনো তাদের দেখতে মনে হতো কালো দাঁড়কাক)
.
خرج نساء الأنصار كأن على رؤوسهن الغربان من الأكسية
📚 সুনানু আবী দাঊদ (হাদিস নং: ৪১০১)
তাহকিক: মুহাদ্দিস নাসিরউদ্দীন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।
- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ৷
যখন কুরআনের এই আয়াত নাজিল হলো,
يُدنينَ عَلَيهِنَّ مِن جَلابيبِهِنَّ
'তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়' (সূরা আহযাব: ৫৯)
এরপর থেকে আনসারী নারীরা এমনভাবে (ঘর থেকে) বের হতেন, যেন মনে হতো তাদের মাথার ওপর কালো দাঁড়কাক বসে আছে (অর্থাৎ তারা কালো চাদর দিয়ে মাথা ও শরীর এমনভাবে আবৃত করেছিলেন, যেনো তাদের দেখতে মনে হতো কালো দাঁড়কাক)
.
خرج نساء الأنصار كأن على رؤوسهن الغربان من الأكسية
📚 সুনানু আবী দাঊদ (হাদিস নং: ৪১০১)
তাহকিক: মুহাদ্দিস নাসিরউদ্দীন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।
- শাহারিয়ার মুহাম্মাদ৷
❤4
"দুনিয়াপ্রেমী ব্যক্তি তিনটি বিষয় থেকে কখনো মুক্ত হয় না:
১) আবশ্যক দুশ্চিন্তা,
২) নিরন্তর ক্লান্তি এবং
৩) কখনো শেষ না হওয়া আফসোস"।
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ ইগাসাতুল লাহফান: ১/৮৫]
১) আবশ্যক দুশ্চিন্তা,
২) নিরন্তর ক্লান্তি এবং
৩) কখনো শেষ না হওয়া আফসোস"।
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[ ইগাসাতুল লাহফান: ১/৮৫]
😢5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রতিদিন নিয়ম করে ফজরের ঠিক আগ মুহুর্তে পাখিদের এই মধুর আওয়াজে অনন্য এক প্রশান্তি কাজ করে,
সুবহানাল্লাহ৷
যেন তারা প্রত্যেকেই এই সময় রবের যিকিরে আনন্দ খুজে পাই৷
এখানে অবশ্য ভিডিওতে ডাক দিচ্ছে পুরুষ পাখি,বসে আছে নারী পাখি(সম্ভবত)
পুরো রমাদান এ সেহেরীর ঠিক আগ মুহুর্তে এই পাখির আওয়াজ শুনে অন্তরে এক অনন্য প্রশান্তি কাজ করত৷
ভোর- ৪:২৫ মিনিট
সুবহানাল্লাহ৷
যেন তারা প্রত্যেকেই এই সময় রবের যিকিরে আনন্দ খুজে পাই৷
এখানে অবশ্য ভিডিওতে ডাক দিচ্ছে পুরুষ পাখি,বসে আছে নারী পাখি(সম্ভবত)
পুরো রমাদান এ সেহেরীর ঠিক আগ মুহুর্তে এই পাখির আওয়াজ শুনে অন্তরে এক অনন্য প্রশান্তি কাজ করত৷
ভোর- ৪:২৫ মিনিট
❤7