বছর ঘুরে আবার এলো।
*৫ দিনব্যাপী কুরআনী ইজতেমা*
📖 মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর
নৈশ (রাত্রিকালীন) মাদরাসা
শুরু হতে যাচ্ছে ৫ দিনব্যাপী কুরআনী ইজতেমা।
এখানে অংশগ্রহণকারীরা ৫ দিন অবস্থান করে সহীহ ও শুদ্ধভাবে কোরআন শিখতে পারবে এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনী বিষয়সমূহের জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।
📅 তারিখ: ২৩ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত
📍 স্থান: মাদরাসাতুল হুদা, দিনাজপুর
পুরাতন ৬ নাম্বার তারকাটা মিলের দক্ষিণে
📞 যোগাযোগ:
📱 ০১৩২৪১০৫৭৬৪
📱 ০১৯৪৫৬৭২৪৭০
🕌 সবাইকে আন্তরিক আমন্ত্রণ—
এসে নিজে শুদ্ধভাবে শিখুন, অন্যদেরও শিখতে উৎসাহিত করুন।
*৫ দিনব্যাপী কুরআনী ইজতেমা*
📖 মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর
নৈশ (রাত্রিকালীন) মাদরাসা
শুরু হতে যাচ্ছে ৫ দিনব্যাপী কুরআনী ইজতেমা।
এখানে অংশগ্রহণকারীরা ৫ দিন অবস্থান করে সহীহ ও শুদ্ধভাবে কোরআন শিখতে পারবে এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনী বিষয়সমূহের জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।
📅 তারিখ: ২৩ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত
📍 স্থান: মাদরাসাতুল হুদা, দিনাজপুর
পুরাতন ৬ নাম্বার তারকাটা মিলের দক্ষিণে
📞 যোগাযোগ:
📱 ০১৩২৪১০৫৭৬৪
📱 ০১৯৪৫৬৭২৪৭০
🕌 সবাইকে আন্তরিক আমন্ত্রণ—
এসে নিজে শুদ্ধভাবে শিখুন, অন্যদেরও শিখতে উৎসাহিত করুন।
❤1
উস্তাদ পরিচিতি ০৩
মুফতি রমজান খান
(একজন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, শিক্ষক, গবেষক, বয়স্ক কর্মব্যস্তদের পাঠদানে বিশেষ পারদর্শী।)
তিনি হিফজ সম্পন্ন করেন
এমদাদিয়া মাদ্রাসা জামালপুর।
তিনি দাওরায়ে হাদীস সম্পন্ন করেন "
জামিআ হাকিমুল উম্মাহ কেরানীগঞ্জ ঢাকা
এরপর তাখাচ্ছুছ ফিল ফিকহিল ইসলামী তথা উচ্চতর ইসলামী আইন গবেষণা বিভাগ (ইফতা বিভাগ) এ পড়াশোনা করেছেন আল-মারকাযুস শারইয়্যাহ আদাবর, ঢাকা ।
তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে লেখাপড়া করেন ইসলামী দাওয়াহ ইনস্টিটিউট
মান্ডা মুগদা ঢাকা।
বর্তমানে তিনি মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর - Madrasatul Huda এর সিনিয়র উস্তাদ হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
মুফতি রমজান খান
(একজন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, শিক্ষক, গবেষক, বয়স্ক কর্মব্যস্তদের পাঠদানে বিশেষ পারদর্শী।)
তিনি হিফজ সম্পন্ন করেন
এমদাদিয়া মাদ্রাসা জামালপুর।
তিনি দাওরায়ে হাদীস সম্পন্ন করেন "
জামিআ হাকিমুল উম্মাহ কেরানীগঞ্জ ঢাকা
এরপর তাখাচ্ছুছ ফিল ফিকহিল ইসলামী তথা উচ্চতর ইসলামী আইন গবেষণা বিভাগ (ইফতা বিভাগ) এ পড়াশোনা করেছেন আল-মারকাযুস শারইয়্যাহ আদাবর, ঢাকা ।
তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে লেখাপড়া করেন ইসলামী দাওয়াহ ইনস্টিটিউট
মান্ডা মুগদা ঢাকা।
বর্তমানে তিনি মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর - Madrasatul Huda এর সিনিয়র উস্তাদ হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
মুফতী আবুবকর সিদ্দিক
একজন নিষ্ঠাবান ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষক ও সমাজসেবক
মুফতী আবুবকর সিদ্দিক হাফিযাহুল্লাহ ইসলামী শিক্ষায় সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত একজন আলেমে দ্বীন। তাঁর জীবন ও কর্মধারা দ্বীন প্রচার এবং সমাজ উন্নয়নে নিবেদিত।
প্রাথমিক ও ধর্মীয় শিক্ষা:
তাঁর কুরআনের হিফজ সম্পন্ন হয় পীরগাছা এমদাদুল উলূম মাদ্রাসা, পীরগাছা, রংপুরে। ইসলামী জ্ঞানের উচ্চতর স্তর—দাওরায়ে হাদীস (ইসলামী স্নাতকোত্তর)—অর্জন করেন জামিয়া আরাবিয়া, নিউটাউন, দিনাজপুর থেকে। পরবর্তীতে তিনি ইফতা ও ফিকহে তাখাস্সুস (ইসলামী আইন ও ফতোয়া বিষয়ক উচ্চতর শিক্ষা) সম্পন্ন করেন রওজাতুল উলূম মাদ্রাসা, বাউনিয়া বাঁধ, কালশী, মিরপুর, ঢাকা থেকে।
কর্মজীবন:
শিক্ষা ও দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা ও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কর্মজীবনের সূচনা হয় আবু হুরায়রা মাদ্রাসা, সেতাবগঞ্জে। অতঃপর তিনি আমতলী বাজার মাদ্রাসা ও মসজিদ এবং আল্লা করীম মাদ্রাসা, বদরগঞ্জে দ্বীনি খেদমতে নিয়োজিত থাকেন।
বর্তমানে তিনি দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট জামে মসজিদে পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মাদরাসাতুল হুদা, দিনাজপুর-এ একজন সহকারী শিক্ষক হিসেবে দ্বীনী শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন।
তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য হলো কুরআন-হাদীসের আলোকে সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে ইসলামী শিক্ষায় গড়ে তোলা।
একজন নিষ্ঠাবান ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষক ও সমাজসেবক
মুফতী আবুবকর সিদ্দিক হাফিযাহুল্লাহ ইসলামী শিক্ষায় সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত একজন আলেমে দ্বীন। তাঁর জীবন ও কর্মধারা দ্বীন প্রচার এবং সমাজ উন্নয়নে নিবেদিত।
প্রাথমিক ও ধর্মীয় শিক্ষা:
তাঁর কুরআনের হিফজ সম্পন্ন হয় পীরগাছা এমদাদুল উলূম মাদ্রাসা, পীরগাছা, রংপুরে। ইসলামী জ্ঞানের উচ্চতর স্তর—দাওরায়ে হাদীস (ইসলামী স্নাতকোত্তর)—অর্জন করেন জামিয়া আরাবিয়া, নিউটাউন, দিনাজপুর থেকে। পরবর্তীতে তিনি ইফতা ও ফিকহে তাখাস্সুস (ইসলামী আইন ও ফতোয়া বিষয়ক উচ্চতর শিক্ষা) সম্পন্ন করেন রওজাতুল উলূম মাদ্রাসা, বাউনিয়া বাঁধ, কালশী, মিরপুর, ঢাকা থেকে।
কর্মজীবন:
শিক্ষা ও দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা ও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কর্মজীবনের সূচনা হয় আবু হুরায়রা মাদ্রাসা, সেতাবগঞ্জে। অতঃপর তিনি আমতলী বাজার মাদ্রাসা ও মসজিদ এবং আল্লা করীম মাদ্রাসা, বদরগঞ্জে দ্বীনি খেদমতে নিয়োজিত থাকেন।
বর্তমানে তিনি দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট জামে মসজিদে পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মাদরাসাতুল হুদা, দিনাজপুর-এ একজন সহকারী শিক্ষক হিসেবে দ্বীনী শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন।
তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য হলো কুরআন-হাদীসের আলোকে সমাজকে সঠিক পথের দিশা দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে ইসলামী শিক্ষায় গড়ে তোলা।
চির শান্তির পথে .pdf
19.4 MB
চির শান্তির পথে .pdf
আপনার রিংটোন হিসেবে সেট করতে পারেন
সাধারণ মানুষের ইলম অর্জনের কোর্স: আকাবিরের ভাবনা
হযরত আশরাফ আলী থানবী (রহ.) বলেন,
প্রয়োজন পরিমাণ ইলমে দ্বীন হাসিল করা ফরযে আইন। কারো যদি ফরযে কিফায়া পরিমাণ ইলম হাসিল করার হিম্মত না হয়, তাহলে ফরযে আইন পরিমাণ তো অবশ্যই হাসিল করতে হবে। আজ কাল লোকেরা মনে করে যে, ইলমে দ্বীন শিখতে হলে আলেম হওয়ার পুরো নেসাব অবশ্যই পড়তে হবে। তা না হলে জাহেল থেকে যাবে। এটি জঘন্যতম ভুল।
যাদের আলেম হওয়ার সময় সুযোগ নেই, তারা দ্বীনের জরুরী বিষয়গুলো জেনে দুনিয়াবী কাজ-কর্মে লেগে যাবে। এতে তাদের এক বছর সময় লাগবে। এরচে' বেশি নয়। এ সময়ের ভিতরে তারা কুরআন মাজীদ এক/দু' পারা পড়ার পর জরুরী মাসাইল শিক্ষা করবে। এক বছর ব্যাপী এ সংক্ষিপ্ত কোর্সে গ্রামের লোকেরাও অংশ গ্রহণ করতে পারবে।
মোটকথা, দ্বীনের প্রয়োজনীয় আহকাম শেখার জন্য সকলকে এক বছর সময় অবশ্যই দিতে হবে। আমি এ সংক্ষিপ্ত সময় শুধু তাদের জন্য নির্বাচন করেছি যাদের পুরো কুরআন মাজীদ পড়ার সুযোগ নেই। তবে আরো কিছু সময় বাড়িয়ে পুরো কুরআন মাজীদ শিক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা আরবী পড়তে চায়, কিন্তু সময়-সুযোগ তাদের কম, এ ধরনের লোকদের জন্য জরুরী কিছু কিতাব নির্বাচন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাদেরকে অন্তত:পক্ষে আড়াই বছর সময় ব্যয় করতে হবে। এ সংক্ষিপ্ত কোর্স যারা সম্পন্ন করবে তারা ইলমী গভীরতায় পৌছাতে না পারলেও মাধ্যমিক স্তরের যোগ্যতাসম্পন্ন আলেম হতে পারবে। (কওমী মাদ্রাসা নেসাব ও নেযাম পৃ. ২৭ ও ২৯)
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন আল্লামা ইউসুফ বিননূরী (রহ.) বলেন,
এ প্রসঙ্গে আমার কামনা, আমাদের প্রধান প্রধান মাদ্রাসায় যেখানে ইলমী নেসাব ও ইলমী গভীরতার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে সেখানে এমন একটি সংক্ষিপ্ত কোর্স তাদের জন্য প্রণয়ন করা প্রয়োজন যারা প্রয়োজনমত সাধারণ শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন তারা শিক্ষক বা আলেম হতে চান না; বরং শুধুমাত্র নিজেদের দ্বীনি প্রয়োজনের প্রতি লক্ষ্য রেখে কুরআন- হাদীস ও ইসলামী বিদ্যাসমূহে অবগতি লাভ করতে চান। এজন্য অনধিক তিন বছরের কোর্স প্রণয়ন করা যেতে পারে। এতে ছরফ, নাহব, কুরআন, হাদীস ফিকহ, আকাইদ এবং আদব ও তারীখসহ সবই অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এগুলো পড়ে তারা আরবী ভাষায় কথা বলতে ও লিখতে সক্ষম হওয়ার সাথে সাথে নিজ নিজ প্রয়োজন মিটাতে পারবে।
আমি যতদূর জানি, বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান চাহিদা এটি। প্রচুর সংখ্যক মানুষের মনে এ অদম্য আগ্রহ রয়েছে। এর একটি উপকার হবে এই যে, একজন জেনারেল গ্রাজুয়েট আলেমে দ্বীন হতে পারবে। সাথে সাথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকার হবে এই যে, দ্বীনি ও দুনিয়াবী শিক্ষায় যে ব্যবধান রয়েছে এবং দু'সম্প্রদায় মনোভাব ও কর্ম পন্থায় দু'মেরুতে অবস্থান করছে, তাদের সম্মিলনের ফলে সমাজে সুষম অবস্থা সৃষ্টি হবে। দু'সম্প্রদায় পরস্পর নিকটবর্তী হয়ে যাবে এবং দু'সম্প্রদায় যে কুধারণায় লিপ্ত রয়েছে সে পার্থক্য ঘুচে যাবে। এজন্য আমাদের তিনটি নেসাব প্রয়োজন হবে-
১. মুদাররিস আলেমের জন্য
২. বিশেষজ্ঞ আলেম তৈরীর জন্য
৩. শুধুমাত্র দ্বীনি প্রয়োজন মিটানোর জন্য আলেম হওয়ার নেসাব। (কওমী মাদ্রাসা: আকাবিরের ভাবনা, পৃ.৫৯)
হযরতজী মাওলানা ইলিয়াস রহ. বলেন,
আলেমগণের নিকট আরজ, তাবলীগ-জামাআতের চলাফেরা এবং মেহনত ও কোশেশ দ্বারা সর্বসাধারণের মাঝে শুধু দ্বীনের আগ্রহ ও দ্বীনের মূল্য বোঝার যোগ্যতা সৃষ্টি করা যাবে এবং তাদেরকে দ্বীন শেখার জন্য প্রস্তুত করা যাবে। এরপর তাদেরকে দ্বীন শেখানো এবং দ্বীনি তরবিয়তের কাজ উলামায়ে কেরাম ও হক্কানী বুযুর্গানে দ্বীনের মনোযোগ ও প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সম্পন্ন হতে পারে। তাই এদিকে আপনাদের সদয় দৃষ্টির বড় প্রয়োজন। (মালফুযাত, হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস রহ, সংকলনে মাওলানা মুহাম্মদ মনযূর নুমানী রহ. মালফুয নং ১৪২ ও ২১২)
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম সমাজ ও চিন্তাবিদ মনীষীগণের স্বপ্ন বাস্তবায়ন কল্পে বিজ্ঞ আলেমদের সুপরামর্শে আল-হুদা ইসলামী ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে ২০০৬ ঈ. সাল থেকে অদ্যাবধি দেশের বিভিন্ন এলাকায় নৈশ মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে এতে পেশাজীবি, কর্মজীবি, চাকুরিজীবি, সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে দ্বীন শিখতে এগিয়ে আসছেন।
হযরত আশরাফ আলী থানবী (রহ.) বলেন,
প্রয়োজন পরিমাণ ইলমে দ্বীন হাসিল করা ফরযে আইন। কারো যদি ফরযে কিফায়া পরিমাণ ইলম হাসিল করার হিম্মত না হয়, তাহলে ফরযে আইন পরিমাণ তো অবশ্যই হাসিল করতে হবে। আজ কাল লোকেরা মনে করে যে, ইলমে দ্বীন শিখতে হলে আলেম হওয়ার পুরো নেসাব অবশ্যই পড়তে হবে। তা না হলে জাহেল থেকে যাবে। এটি জঘন্যতম ভুল।
যাদের আলেম হওয়ার সময় সুযোগ নেই, তারা দ্বীনের জরুরী বিষয়গুলো জেনে দুনিয়াবী কাজ-কর্মে লেগে যাবে। এতে তাদের এক বছর সময় লাগবে। এরচে' বেশি নয়। এ সময়ের ভিতরে তারা কুরআন মাজীদ এক/দু' পারা পড়ার পর জরুরী মাসাইল শিক্ষা করবে। এক বছর ব্যাপী এ সংক্ষিপ্ত কোর্সে গ্রামের লোকেরাও অংশ গ্রহণ করতে পারবে।
মোটকথা, দ্বীনের প্রয়োজনীয় আহকাম শেখার জন্য সকলকে এক বছর সময় অবশ্যই দিতে হবে। আমি এ সংক্ষিপ্ত সময় শুধু তাদের জন্য নির্বাচন করেছি যাদের পুরো কুরআন মাজীদ পড়ার সুযোগ নেই। তবে আরো কিছু সময় বাড়িয়ে পুরো কুরআন মাজীদ শিক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা আরবী পড়তে চায়, কিন্তু সময়-সুযোগ তাদের কম, এ ধরনের লোকদের জন্য জরুরী কিছু কিতাব নির্বাচন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাদেরকে অন্তত:পক্ষে আড়াই বছর সময় ব্যয় করতে হবে। এ সংক্ষিপ্ত কোর্স যারা সম্পন্ন করবে তারা ইলমী গভীরতায় পৌছাতে না পারলেও মাধ্যমিক স্তরের যোগ্যতাসম্পন্ন আলেম হতে পারবে। (কওমী মাদ্রাসা নেসাব ও নেযাম পৃ. ২৭ ও ২৯)
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন আল্লামা ইউসুফ বিননূরী (রহ.) বলেন,
এ প্রসঙ্গে আমার কামনা, আমাদের প্রধান প্রধান মাদ্রাসায় যেখানে ইলমী নেসাব ও ইলমী গভীরতার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে সেখানে এমন একটি সংক্ষিপ্ত কোর্স তাদের জন্য প্রণয়ন করা প্রয়োজন যারা প্রয়োজনমত সাধারণ শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন তারা শিক্ষক বা আলেম হতে চান না; বরং শুধুমাত্র নিজেদের দ্বীনি প্রয়োজনের প্রতি লক্ষ্য রেখে কুরআন- হাদীস ও ইসলামী বিদ্যাসমূহে অবগতি লাভ করতে চান। এজন্য অনধিক তিন বছরের কোর্স প্রণয়ন করা যেতে পারে। এতে ছরফ, নাহব, কুরআন, হাদীস ফিকহ, আকাইদ এবং আদব ও তারীখসহ সবই অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এগুলো পড়ে তারা আরবী ভাষায় কথা বলতে ও লিখতে সক্ষম হওয়ার সাথে সাথে নিজ নিজ প্রয়োজন মিটাতে পারবে।
আমি যতদূর জানি, বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান চাহিদা এটি। প্রচুর সংখ্যক মানুষের মনে এ অদম্য আগ্রহ রয়েছে। এর একটি উপকার হবে এই যে, একজন জেনারেল গ্রাজুয়েট আলেমে দ্বীন হতে পারবে। সাথে সাথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকার হবে এই যে, দ্বীনি ও দুনিয়াবী শিক্ষায় যে ব্যবধান রয়েছে এবং দু'সম্প্রদায় মনোভাব ও কর্ম পন্থায় দু'মেরুতে অবস্থান করছে, তাদের সম্মিলনের ফলে সমাজে সুষম অবস্থা সৃষ্টি হবে। দু'সম্প্রদায় পরস্পর নিকটবর্তী হয়ে যাবে এবং দু'সম্প্রদায় যে কুধারণায় লিপ্ত রয়েছে সে পার্থক্য ঘুচে যাবে। এজন্য আমাদের তিনটি নেসাব প্রয়োজন হবে-
১. মুদাররিস আলেমের জন্য
২. বিশেষজ্ঞ আলেম তৈরীর জন্য
৩. শুধুমাত্র দ্বীনি প্রয়োজন মিটানোর জন্য আলেম হওয়ার নেসাব। (কওমী মাদ্রাসা: আকাবিরের ভাবনা, পৃ.৫৯)
হযরতজী মাওলানা ইলিয়াস রহ. বলেন,
আলেমগণের নিকট আরজ, তাবলীগ-জামাআতের চলাফেরা এবং মেহনত ও কোশেশ দ্বারা সর্বসাধারণের মাঝে শুধু দ্বীনের আগ্রহ ও দ্বীনের মূল্য বোঝার যোগ্যতা সৃষ্টি করা যাবে এবং তাদেরকে দ্বীন শেখার জন্য প্রস্তুত করা যাবে। এরপর তাদেরকে দ্বীন শেখানো এবং দ্বীনি তরবিয়তের কাজ উলামায়ে কেরাম ও হক্কানী বুযুর্গানে দ্বীনের মনোযোগ ও প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সম্পন্ন হতে পারে। তাই এদিকে আপনাদের সদয় দৃষ্টির বড় প্রয়োজন। (মালফুযাত, হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস রহ, সংকলনে মাওলানা মুহাম্মদ মনযূর নুমানী রহ. মালফুয নং ১৪২ ও ২১২)
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম সমাজ ও চিন্তাবিদ মনীষীগণের স্বপ্ন বাস্তবায়ন কল্পে বিজ্ঞ আলেমদের সুপরামর্শে আল-হুদা ইসলামী ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে ২০০৬ ঈ. সাল থেকে অদ্যাবধি দেশের বিভিন্ন এলাকায় নৈশ মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে এতে পেশাজীবি, কর্মজীবি, চাকুরিজীবি, সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে দ্বীন শিখতে এগিয়ে আসছেন।
Forwarded from Tazkiyah - تزكية - তাজকিয়াহ
নবী (সঃ) এর জীবনী অর্থাৎ সীরাত জানার জন্য যে বইগুলো পড়তে পারেন ইন শা আল্লাহ।
১। আর রাহিকুল মাখতুম
সমকালীন প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/Ne2MIAl5TomT/
২। নবীয়ে রহমত
মাকতাবাতুল হেরা
📚 https://rkmri.co/pe3I5R5eeele/
৩। শামায়েলে তিরমিজি ২ খন্ড
পথিক প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/eMe2oSSNelAA/
৪। সিরাতুন নবী (সঃ) ৩ খন্ড
কালান্তর প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/leREmIA2T3Mo/
৫। সীরাহ ২ খন্ড
রেইন্ড্রপ প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/MS2ee3yyITe0/
৬। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
প্রকাশনী : রাহবার
📚 https://rkmri.co/eMEeeM0yo5EE/
৭। ফিদাকা ইয়া রাসুলাল্লাহ
প্রকাশনী : ইত্তিহাদ পাবলিকেশন
📚 https://rkmri.co/l0e0oM2MeMeA/
৮। সীরাতে ইবনে হিসাম
সমকালীন প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/pENpMM33eyRE/
১০। উসওয়ায়ে রাসূলে আকরাম
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল হেরা
📚 https://rkmri.co/Meeeeem2ERe5/
১১। রাসূলে আরাবি (সা.) হার্ডকাভার
প্রকাশনী : সন্দীপন প্রকাশন
📚 https://rkmri.co/NMAMAAe0ATMM/
১২। যেমন ছিলেন তিনি ২খন্ড
রুহামা পাবলিকেশন
📚 https://rkmri.co/RSeeoSTAe5yR/
এই রমজানে,আপনার কিংবা আপনার পরিবারের উইশলিস্ট এ রাখতে পারেন....
১। আর রাহিকুল মাখতুম
সমকালীন প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/Ne2MIAl5TomT/
২। নবীয়ে রহমত
মাকতাবাতুল হেরা
📚 https://rkmri.co/pe3I5R5eeele/
৩। শামায়েলে তিরমিজি ২ খন্ড
পথিক প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/eMe2oSSNelAA/
৪। সিরাতুন নবী (সঃ) ৩ খন্ড
কালান্তর প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/leREmIA2T3Mo/
৫। সীরাহ ২ খন্ড
রেইন্ড্রপ প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/MS2ee3yyITe0/
৬। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
প্রকাশনী : রাহবার
📚 https://rkmri.co/eMEeeM0yo5EE/
৭। ফিদাকা ইয়া রাসুলাল্লাহ
প্রকাশনী : ইত্তিহাদ পাবলিকেশন
📚 https://rkmri.co/l0e0oM2MeMeA/
৮। সীরাতে ইবনে হিসাম
সমকালীন প্রকাশনী
📚 https://rkmri.co/pENpMM33eyRE/
১০। উসওয়ায়ে রাসূলে আকরাম
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল হেরা
📚 https://rkmri.co/Meeeeem2ERe5/
১১। রাসূলে আরাবি (সা.) হার্ডকাভার
প্রকাশনী : সন্দীপন প্রকাশন
📚 https://rkmri.co/NMAMAAe0ATMM/
১২। যেমন ছিলেন তিনি ২খন্ড
রুহামা পাবলিকেশন
📚 https://rkmri.co/RSeeoSTAe5yR/
এই রমজানে,আপনার কিংবা আপনার পরিবারের উইশলিস্ট এ রাখতে পারেন....
রমাদ্বান আসছে। কুরআনের মাস আসছে। কুরআনের মাসে আমাদের ধ্যান জ্ঞান কুরআন ছাড়া অন্য কিছু কেন হবে বলুন?
ইমাম যুহরী রহ. যিনি মদীনার শ্রেষ্ঠ উলামাদের একজন। ছিলেন হাদিসের ভাণ্ডার। রমাদ্বান এলে সব বাদ দিয়ে আল্লাহর কিতাব তুলে নিতেন আর বলতেন: রমাদ্বান শুধু কুরআন ও মানুষকে খাওয়ানোর মাস।
ইমাম মালিক সব কাজকর্ম ও ইলমী মাজালিস বাদ দিয়ে কুরআনে ঢুকে পড়তেন। ইমাম সুফিয়ান সাওরী রহ. অন্যান্য নফল আমল বাদ দিয়ে শুধু কুরআন পড়তেন।
এভাবে ইমাম বুখারী...ইমাম শাফেঈ...সবাই। একদম সবাই...
আমার আপনার কুরআন কেন্দ্রিক প্রস্তুতি কতটুকু?
কোরআনকে শিক্ষা সহজ করতে
ফরজে আঈন কোর্স, তরজমাতুল কোর্সসহ বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি চলছে
📌ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন।
01324105764
01615672470
নৈশ মাদরাসা সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন
https://madrasatulhudadinajpur.com
পোস্টটিতে আপনার পরিচিতদের ট্যাগ/মেনশন করুন অথবা শেয়ার করে দিন; হয়তো এর দ্বারা কেউ দ্বীনি শিক্ষা লাভ করবেন আর আপনি সদকায়ে জারিয়ার অংশিদার হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ!
ইমাম যুহরী রহ. যিনি মদীনার শ্রেষ্ঠ উলামাদের একজন। ছিলেন হাদিসের ভাণ্ডার। রমাদ্বান এলে সব বাদ দিয়ে আল্লাহর কিতাব তুলে নিতেন আর বলতেন: রমাদ্বান শুধু কুরআন ও মানুষকে খাওয়ানোর মাস।
ইমাম মালিক সব কাজকর্ম ও ইলমী মাজালিস বাদ দিয়ে কুরআনে ঢুকে পড়তেন। ইমাম সুফিয়ান সাওরী রহ. অন্যান্য নফল আমল বাদ দিয়ে শুধু কুরআন পড়তেন।
এভাবে ইমাম বুখারী...ইমাম শাফেঈ...সবাই। একদম সবাই...
আমার আপনার কুরআন কেন্দ্রিক প্রস্তুতি কতটুকু?
কোরআনকে শিক্ষা সহজ করতে
ফরজে আঈন কোর্স, তরজমাতুল কোর্সসহ বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি চলছে
📌ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন।
01324105764
01615672470
নৈশ মাদরাসা সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন
https://madrasatulhudadinajpur.com
পোস্টটিতে আপনার পরিচিতদের ট্যাগ/মেনশন করুন অথবা শেয়ার করে দিন; হয়তো এর দ্বারা কেউ দ্বীনি শিক্ষা লাভ করবেন আর আপনি সদকায়ে জারিয়ার অংশিদার হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ!
আমাদের শিক্ষা বর্ষ রমজান থেকে রমজান 🌙
রমজান মাস রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস।
এই বরকতময় মাসেই যদি কেউ ইলমে দ্বীনের পথে যাত্রা শুরু করে, ইনশাআল্লাহ তার নেকির পাল্লা হবে আরও ভারী।
📖 ফরজে আঈন কোর্স, তরজমাতুল কুরআন কোর্সসহ বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি চলছে।
নিজে শিখুন, পরিবারকে শিখান, সমাজকে আলোকিত করুন।
📌 ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন:
📞 01324-105764
🌐 নৈশ মাদরাসা সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন:
🔗 https://madrasatulhudadinajpur.com
🤝 পোস্টটিতে আপনার পরিচিতদের ট্যাগ/মেনশন করুন অথবা শেয়ার করে দিন;
হয়তো এর মাধ্যমে কেউ দ্বীনি শিক্ষা লাভ করবেন, আর আপনি হয়ে যাবেন সদকায়ে জারিয়ার অংশীদার — ইনশাআল্লাহ।
#রমজান #ইলমে_দ্বীন #ভর্তি_চলছে #সদকায়ে_জারিয়া
রমজান মাস রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস।
এই বরকতময় মাসেই যদি কেউ ইলমে দ্বীনের পথে যাত্রা শুরু করে, ইনশাআল্লাহ তার নেকির পাল্লা হবে আরও ভারী।
📖 ফরজে আঈন কোর্স, তরজমাতুল কুরআন কোর্সসহ বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি চলছে।
নিজে শিখুন, পরিবারকে শিখান, সমাজকে আলোকিত করুন।
📌 ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন:
📞 01324-105764
🌐 নৈশ মাদরাসা সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন:
🔗 https://madrasatulhudadinajpur.com
🤝 পোস্টটিতে আপনার পরিচিতদের ট্যাগ/মেনশন করুন অথবা শেয়ার করে দিন;
হয়তো এর মাধ্যমে কেউ দ্বীনি শিক্ষা লাভ করবেন, আর আপনি হয়ে যাবেন সদকায়ে জারিয়ার অংশীদার — ইনশাআল্লাহ।
#রমজান #ইলমে_দ্বীন #ভর্তি_চলছে #সদকায়ে_জারিয়া
আর মাত্র চার দিন বাকী
সবাই শেয়ার করি।
জেনারেল ভাই-বোনদের জন্য Islamic Online Madrasah-IOM এর উদ্যোগে আয়োজিত দেশ ব্যাপী কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬।
সহিহ তিলাওয়াত ও দ্বীনি জ্ঞানে নিজেকে শাণিত করার এক অনন্য আয়োজন। যুক্ত হোন এই নূরানী কাফেলায়।
🕘 তারিখ :
০৭ মার্চ রোজ শনিবার
▶️ প্রতিযোগিতার বিষয়াবলী:
ক)তেলাওয়াত- ৩০ নং পারা
খ) মুখস্থ: সূরা ফাতিহা সহ শেষের ১০ টি সূরা
গ) মাসআলা: নামাজ ভঙ্গের কারণ ১৯ টি অথবা ঈমান ভঙ্গের কারণ দশটি
🔶 পুরস্কার: ক্রেস্ট, নগদ অর্থ এবং মূল্যবান সামগ্রী
▶️ বিস্তারিত জানতে:
https://iom.edu.bd/iqc/
⏩ অনলাইনে ফরম পূরণ করতে:
http://tiny.cc/iqc
সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য আজ থেকেই আমাদের অফলাইন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে!
🚓 ভেন্যু: মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর
https://madrasatulhudadinajpur.com
🔶 লোকেশন: পুরাতন ৬ নং নিউ টাউন সদর দিনাজপুর
https://maps.app.goo.gl/9PxbEvoY8ANguSvv5
📞01324105764
✴️শেয়ার করে নেকির অংশীদার হোন।
সবাই শেয়ার করি।
জেনারেল ভাই-বোনদের জন্য Islamic Online Madrasah-IOM এর উদ্যোগে আয়োজিত দেশ ব্যাপী কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬।
সহিহ তিলাওয়াত ও দ্বীনি জ্ঞানে নিজেকে শাণিত করার এক অনন্য আয়োজন। যুক্ত হোন এই নূরানী কাফেলায়।
🕘 তারিখ :
০৭ মার্চ রোজ শনিবার
▶️ প্রতিযোগিতার বিষয়াবলী:
ক)তেলাওয়াত- ৩০ নং পারা
খ) মুখস্থ: সূরা ফাতিহা সহ শেষের ১০ টি সূরা
গ) মাসআলা: নামাজ ভঙ্গের কারণ ১৯ টি অথবা ঈমান ভঙ্গের কারণ দশটি
🔶 পুরস্কার: ক্রেস্ট, নগদ অর্থ এবং মূল্যবান সামগ্রী
▶️ বিস্তারিত জানতে:
https://iom.edu.bd/iqc/
⏩ অনলাইনে ফরম পূরণ করতে:
http://tiny.cc/iqc
সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য আজ থেকেই আমাদের অফলাইন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে!
🚓 ভেন্যু: মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর
https://madrasatulhudadinajpur.com
🔶 লোকেশন: পুরাতন ৬ নং নিউ টাউন সদর দিনাজপুর
https://maps.app.goo.gl/9PxbEvoY8ANguSvv5
📞01324105764
✴️শেয়ার করে নেকির অংশীদার হোন।
iom.edu.bd
ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসা
হাটহাজারি কওমি বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত ও ISO সনদপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন নবীন উদ্যোক্তা সম্মাননা-২০২১ এ ৩০০০ প্রতিষ্ঠান থেকে সেরা দশে স্থান পেয়ে পুরষ্কার গ্রহণ করে
আর মাত্র চার দিন বাকী
সবাই শেয়ার করি।
জেনারেল ভাই-বোনদের জন্য Islamic Online Madrasah-IOM এর উদ্যোগে আয়োজিত দেশ ব্যাপী কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬।
সহিহ তিলাওয়াত ও দ্বীনি জ্ঞানে নিজেকে শাণিত করার এক অনন্য আয়োজন। যুক্ত হোন এই নূরানী কাফেলায়।
🕘 তারিখ :
০৭ মার্চ রোজ শনিবার
▶️ প্রতিযোগিতার বিষয়াবলী:
ক)তেলাওয়াত- ৩০ নং পারা
খ) মুখস্থ: সূরা ফাতিহা সহ শেষের ১০ টি সূরা
গ) মাসআলা: নামাজ ভঙ্গের কারণ ১৯ টি অথবা ঈমান ভঙ্গের কারণ দশটি
🔶 পুরস্কার: ক্রেস্ট, নগদ অর্থ এবং মূল্যবান সামগ্রী
▶️ বিস্তারিত জানতে:
https://iom.edu.bd/iqc/
⏩ অনলাইনে ফরম পূরণ করতে:
http://tiny.cc/iqc
সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য আজ থেকেই আমাদের অফলাইন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে!
🚓 ভেন্যু: মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর
https://madrasatulhudadinajpur.com
🔶 লোকেশন: পুরাতন ৬ নং নিউ টাউন সদর দিনাজপুর
https://maps.app.goo.gl/9PxbEvoY8ANguSvv5
📞01324105764
✴️শেয়ার করে নেকির অংশীদার হোন।
সবাই শেয়ার করি।
জেনারেল ভাই-বোনদের জন্য Islamic Online Madrasah-IOM এর উদ্যোগে আয়োজিত দেশ ব্যাপী কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬।
সহিহ তিলাওয়াত ও দ্বীনি জ্ঞানে নিজেকে শাণিত করার এক অনন্য আয়োজন। যুক্ত হোন এই নূরানী কাফেলায়।
🕘 তারিখ :
০৭ মার্চ রোজ শনিবার
▶️ প্রতিযোগিতার বিষয়াবলী:
ক)তেলাওয়াত- ৩০ নং পারা
খ) মুখস্থ: সূরা ফাতিহা সহ শেষের ১০ টি সূরা
গ) মাসআলা: নামাজ ভঙ্গের কারণ ১৯ টি অথবা ঈমান ভঙ্গের কারণ দশটি
🔶 পুরস্কার: ক্রেস্ট, নগদ অর্থ এবং মূল্যবান সামগ্রী
▶️ বিস্তারিত জানতে:
https://iom.edu.bd/iqc/
⏩ অনলাইনে ফরম পূরণ করতে:
http://tiny.cc/iqc
সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য আজ থেকেই আমাদের অফলাইন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে!
🚓 ভেন্যু: মাদরাসাতুল হুদা দিনাজপুর
https://madrasatulhudadinajpur.com
🔶 লোকেশন: পুরাতন ৬ নং নিউ টাউন সদর দিনাজপুর
https://maps.app.goo.gl/9PxbEvoY8ANguSvv5
📞01324105764
✴️শেয়ার করে নেকির অংশীদার হোন।
iom.edu.bd
ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসা
হাটহাজারি কওমি বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃত ও ISO সনদপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন নবীন উদ্যোক্তা সম্মাননা-২০২১ এ ৩০০০ প্রতিষ্ঠান থেকে সেরা দশে স্থান পেয়ে পুরষ্কার গ্রহণ করে
দ্বীনকে বিজয় করতে চাই এমন প্রত্যেক ভাই কেনো আমরা ইতেকাফ করবো?
.
আপনি যে কালিমা বিশ্বাস করেন, এই কালিমাই আপনাকে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তির শত্রুতে পরিনত করেছে। একজন মুসলমান যতই নিজেকে সুশীল ও সহনশীল ইত্যাদি হাবিজাবি পরিচয় দিক, সে শুধু একটি কালিমা—লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ, এই কথাটুকু বিশ্বাস করার কারণে শত্রুতে পরিনত হয়েছে তামাম দুনিয়ার সকল শক্তির সাথে। এই শত্রুতা এই কালিমা ত্যাগ করা পর্যন্ত চলতেই থাকবে।
কালিমার এই শত্রুদের শক্তির ব্যাপারে আমাদের ধারণা নাই বললেই চলে। আমি যতই সচেতন হই, পৃথিবীর যেখানে ও যত সুরক্ষিত জায়গায় থাকি, এই কালিমার শত্রুরা আমাকে ধ্বংস করার সক্ষমতা রাখে।
.
বিপরীত দিকে এই কালিমার মাধ্যমে আমি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছি এমন এক মহান শক্তিধর সত্তাকে, যিনি আসমান ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা। যার আদেশ ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না৷ কালিমার শত্রুদের সকল শক্তি যদি এক সাথে করা হয়, তাহলে কালিমা পড়ার দ্বারা যাকে বন্ধু বানিয়েছি, তার সামনে একটি মাছির ডানার সমানও কোনো মূল্য রাখে না৷
এই বন্ধু যদি সিন্ধান্ত নেন আমাকে জীবিত রাখার, তাহলে তামাম দুনিয়ার সকল শত্রু তাদের হাজারো প্রচেষ্ঠার সবটুকুর সর্বোচ্চ দিলেও আমার একটি পশমও ছিড়তে পারবে না৷
আর ইতেকাফ হলো সে শক্তিধর রবের সাথে সম্পর্ক করার সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম। পুরো দশটিদিন সে মহান রবের ঘরে, দুনিয়ার সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে আমি তাকে পাওয়ার জন্য যখন বসে যাবো, তখন অবশ্যই তিনিই হয়ে যাবেন আমার জন্য যথেষ্ট। এটাই হলো ইতিকাফের গূঢ় রহস্য। দেখুন ইবনে রজম হাম্বলি ইতিকাফের এই গূঢ় রহস্যের কথাই বলছেন ইতিকাফের পরিচয়ে,
قطع العلائق عن الخلائق للاتصال بالخالق
স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করাই হলো ইতেকাফ। -লাতায়েফুল মাআরেফ
.
মনে রাখবেন, কালিমার এত বিশাল শক্তিধর শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কালিমার মাধ্যমে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া আমার রব আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলার সাথে সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কোনো অপশন নেই। রবের সাথে সম্পর্ক ছাড়া এক মুহুর্তও আমি আমার শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবো না। আর যখন সম্পর্ক হয়ে যাবে, তখন আমার শত্রু হয়ে যাবে আমার সামনে মৃতজন্তুরূপ!
.
তাই দ্বীনের বিজয় যদি বাস্তবিকই আমি চাই, আমার জন্য ইতেকাফে বসা বাধ্যতামূলক করে নিতে হবে।
.
এতটুকুই কী আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়, যে রাসুলকে সে মহান রব দ্বীনকে বিজয়ের জন্য প্রেরণ করেছেন, যার ব্যাপারে ঘোষণা করেছেন, মহান শক্তিধর রব তাকে নিজে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন, সে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি মদিনায় যাওয়ার পর কখনো ইতিকাফ ছাড়েন নি। দ্বীনকে বিজয় করার মহান দায়িত্ব ও ব্যস্ততা তাকে ইতিকাফ থেকে কখনোই বিরত রাখতে পারেননি! তাহলে আমি কেনো ইতিকাফ ছেড়ে দিবো? কোন অজুহাতে ছাড়বো!...
.
আল্লাহ আমাদের প্রতিটি ভাইকে দ্বীনের বিজয়ী সৈনিক হিসেবে কবুল করুক। আমীন৷
.
আপনি যে কালিমা বিশ্বাস করেন, এই কালিমাই আপনাকে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তির শত্রুতে পরিনত করেছে। একজন মুসলমান যতই নিজেকে সুশীল ও সহনশীল ইত্যাদি হাবিজাবি পরিচয় দিক, সে শুধু একটি কালিমা—লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ, এই কথাটুকু বিশ্বাস করার কারণে শত্রুতে পরিনত হয়েছে তামাম দুনিয়ার সকল শক্তির সাথে। এই শত্রুতা এই কালিমা ত্যাগ করা পর্যন্ত চলতেই থাকবে।
কালিমার এই শত্রুদের শক্তির ব্যাপারে আমাদের ধারণা নাই বললেই চলে। আমি যতই সচেতন হই, পৃথিবীর যেখানে ও যত সুরক্ষিত জায়গায় থাকি, এই কালিমার শত্রুরা আমাকে ধ্বংস করার সক্ষমতা রাখে।
.
বিপরীত দিকে এই কালিমার মাধ্যমে আমি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছি এমন এক মহান শক্তিধর সত্তাকে, যিনি আসমান ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা। যার আদেশ ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না৷ কালিমার শত্রুদের সকল শক্তি যদি এক সাথে করা হয়, তাহলে কালিমা পড়ার দ্বারা যাকে বন্ধু বানিয়েছি, তার সামনে একটি মাছির ডানার সমানও কোনো মূল্য রাখে না৷
এই বন্ধু যদি সিন্ধান্ত নেন আমাকে জীবিত রাখার, তাহলে তামাম দুনিয়ার সকল শত্রু তাদের হাজারো প্রচেষ্ঠার সবটুকুর সর্বোচ্চ দিলেও আমার একটি পশমও ছিড়তে পারবে না৷
আর ইতেকাফ হলো সে শক্তিধর রবের সাথে সম্পর্ক করার সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম। পুরো দশটিদিন সে মহান রবের ঘরে, দুনিয়ার সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে আমি তাকে পাওয়ার জন্য যখন বসে যাবো, তখন অবশ্যই তিনিই হয়ে যাবেন আমার জন্য যথেষ্ট। এটাই হলো ইতিকাফের গূঢ় রহস্য। দেখুন ইবনে রজম হাম্বলি ইতিকাফের এই গূঢ় রহস্যের কথাই বলছেন ইতিকাফের পরিচয়ে,
قطع العلائق عن الخلائق للاتصال بالخالق
স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করাই হলো ইতেকাফ। -লাতায়েফুল মাআরেফ
.
মনে রাখবেন, কালিমার এত বিশাল শক্তিধর শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কালিমার মাধ্যমে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া আমার রব আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলার সাথে সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কোনো অপশন নেই। রবের সাথে সম্পর্ক ছাড়া এক মুহুর্তও আমি আমার শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবো না। আর যখন সম্পর্ক হয়ে যাবে, তখন আমার শত্রু হয়ে যাবে আমার সামনে মৃতজন্তুরূপ!
.
তাই দ্বীনের বিজয় যদি বাস্তবিকই আমি চাই, আমার জন্য ইতেকাফে বসা বাধ্যতামূলক করে নিতে হবে।
.
এতটুকুই কী আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়, যে রাসুলকে সে মহান রব দ্বীনকে বিজয়ের জন্য প্রেরণ করেছেন, যার ব্যাপারে ঘোষণা করেছেন, মহান শক্তিধর রব তাকে নিজে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন, সে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি মদিনায় যাওয়ার পর কখনো ইতিকাফ ছাড়েন নি। দ্বীনকে বিজয় করার মহান দায়িত্ব ও ব্যস্ততা তাকে ইতিকাফ থেকে কখনোই বিরত রাখতে পারেননি! তাহলে আমি কেনো ইতিকাফ ছেড়ে দিবো? কোন অজুহাতে ছাড়বো!...
.
আল্লাহ আমাদের প্রতিটি ভাইকে দ্বীনের বিজয়ী সৈনিক হিসেবে কবুল করুক। আমীন৷