This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
রিজিকের বরকত কেন কমে যায়
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ক্ষমা চাওয়া একটি মহৎ গুণ।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নামাজ ছাড়া সফলতা কি আসলেই পাওয়া যায়?
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
শয়তান থেকে নিজেকে বাঁচানোর এক আশ্চর্য জিকির।
یٰبَنِیْۤ اٰدَمَ قَدْ اَنْزَلْنَا عَلَیْكُمْ لِبَاسًا یُّوَارِیْ سَوْاٰتِكُمْ وَ رِیْشًا ؕ وَ لِبَاسُ التَّقْوٰی ۙ ذٰلِكَ خَیْرٌ ؕ ذٰلِكَ مِنْ اٰیٰتِ اللّٰهِ لَعَلَّهُمْ یَذَّكَّرُوْنَ۲۶
হে আদমের সন্তান-সন্ততি! আমি তোমাদের জন্য পোশাকের ব্যবস্থা করেছি, যা তোমাদের দেহের যে অংশ প্রকাশ করা দূষণীয় তা আবৃত করে এবং তা শোভাস্বরূপ। বস্তুত তাকওয়ার যে পোশাক সেটাই সর্বোত্তম। এসব আল্লাহর নিদর্শনাবলির অন্যতম, যাতে মানুষ উপদেশ গ্রহণ করে।
সূরা আল-আরাফ, আয়াত ২৬
সূত্র : তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন
হে আদমের সন্তান-সন্ততি! আমি তোমাদের জন্য পোশাকের ব্যবস্থা করেছি, যা তোমাদের দেহের যে অংশ প্রকাশ করা দূষণীয় তা আবৃত করে এবং তা শোভাস্বরূপ। বস্তুত তাকওয়ার যে পোশাক সেটাই সর্বোত্তম। এসব আল্লাহর নিদর্শনাবলির অন্যতম, যাতে মানুষ উপদেশ গ্রহণ করে।
সূরা আল-আরাফ, আয়াত ২৬
সূত্র : তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Consequences of Sin in Islam
Sin can darken the heart, weaken faith, and make good deeds feel harder.
It can bring spiritual consequences in this life—guilt, unrest, and distance from Allah.
If unrepented, it may lead to accountability and punishment in the Hereafter.
But sincere tawbah (repentance), stopping the sin, and making amends bring Allah’s mercy and forgiveness.
Sin can darken the heart, weaken faith, and make good deeds feel harder.
It can bring spiritual consequences in this life—guilt, unrest, and distance from Allah.
If unrepented, it may lead to accountability and punishment in the Hereafter.
But sincere tawbah (repentance), stopping the sin, and making amends bring Allah’s mercy and forgiveness.
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Companionship shapes who we become. The people you spend time with influence your mindset, habits, and even your future—often more than you realize.
Choose companions who bring out your best: those who are honest, kind, and consistent; who celebrate your wins without envy; who advise you gently when you’re wrong; and who respect your boundaries.
Also, be that companion. Show up, listen well, keep confidences, and offer support without judgment. The right company is a blessing—and being good company is a responsibility.
Choose companions who bring out your best: those who are honest, kind, and consistent; who celebrate your wins without envy; who advise you gently when you’re wrong; and who respect your boundaries.
Also, be that companion. Show up, listen well, keep confidences, and offer support without judgment. The right company is a blessing—and being good company is a responsibility.
উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি মানুষের কাছে নিজেকে এমন গুণের অধিকারী হিসেবে জাহির করে, যা তার আসল স্বভাবের উল্টো বলে আল্লাহ জানেন, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছনা ও অপদস্থ করবেন।"
[আদ-দারাকুতনী, ৪/২০৭]
"যে ব্যক্তি মানুষের কাছে নিজেকে এমন গুণের অধিকারী হিসেবে জাহির করে, যা তার আসল স্বভাবের উল্টো বলে আল্লাহ জানেন, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছনা ও অপদস্থ করবেন।"
[আদ-দারাকুতনী, ৪/২০৭]
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন :
وَ مَنْ یَّرْتَدِدْ مِنْكُمْ عَنْ دِیْنِهٖ فَیَمُتْ وَ هُوَ كَافِرٌ فَاُولٰٓىِٕكَ حَبِطَتْ اَعْمَالُهُمْ فِی الدُّنْیَا وَ الْاٰخِرَةِ ۚ وَ اُولٰٓىِٕكَ اَصْحٰبُ النَّارِ ۚ هُمْ فِیْهَا خٰلِدُوْنَ۲۱۷
যদি তোমাদের মধ্যে কেউ নিজ দীন পরিত্যাগ করে, তারপর কাফির অবস্থায় মারা যায়, তবে এরূপ লোকের কর্ম দুনিয়া ও আখিরাতে বৃথা যাবে। তারাই জাহান্নামী। তারা সেখানেই সর্বদা থাকবে।
সূরা বাকারা, আয়াত : ২১৭
وَ مَنْ یَّرْتَدِدْ مِنْكُمْ عَنْ دِیْنِهٖ فَیَمُتْ وَ هُوَ كَافِرٌ فَاُولٰٓىِٕكَ حَبِطَتْ اَعْمَالُهُمْ فِی الدُّنْیَا وَ الْاٰخِرَةِ ۚ وَ اُولٰٓىِٕكَ اَصْحٰبُ النَّارِ ۚ هُمْ فِیْهَا خٰلِدُوْنَ۲۱۷
যদি তোমাদের মধ্যে কেউ নিজ দীন পরিত্যাগ করে, তারপর কাফির অবস্থায় মারা যায়, তবে এরূপ লোকের কর্ম দুনিয়া ও আখিরাতে বৃথা যাবে। তারাই জাহান্নামী। তারা সেখানেই সর্বদা থাকবে।
সূরা বাকারা, আয়াত : ২১৭
যেসব উপায়ে জিন শিশুদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে ও আছর করতে পারে
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়
শাইখ ইবনুল উসাইমীন রহিমাহুল্লাহ বলেছেন:
❝কিছু মূর্খ, অজ্ঞ এবং বুদ্ধিহীন মানুষ তাদের ছোট্ট নিষ্পাপ শিশুদের ভয় দেখায় এবং ভীত-সন্ত্রস্ত করে বলে: অমুক এসে তোমাকে নিয়ে যাবে, কিংবা অমুক তোমার সাথে এমন-এমন করবে। ফলে শিশুটি ভয় পেয়ে যায় এবং এই ভয় ও উদ্বেগ তার হৃদয়ে গেঁথে যায়, আর এটি তার মনে স্থায়ী হয়ে যায়, যাতে সে সর্বদা দুশ্চিন্তা, ভয় এবং কষ্টের মধ্যে থাকে।
কখনো বাবা তার ছেলেকে ভয় দেখায়, আবার কখনো মা তার ছেলে এবং মেয়েকে ভয় দেখায়।
কিন্তু সবচেয়ে বেশি মূর্খ তারা, যারা আমাদের বলে যে শিশু যখন কোনো ভুল করে (তখন শাস্তি হিসেবে) তাকে তার রুমের ভেতর একা বন্ধ করে রাখতে হবে। এমনকি যখন সে চিৎকার করে এবং কান্নাকাটি করে, তখনও তারা তার প্রতি দয়া দেখায় না এবং দরজা খোলে না।
আর এটি এমন একটি মাধ্যম, যার দ্বারা জিন শিশুর ওপর প্রভাব বিস্তার করে (এবং আছর করে)। এ ব্যাপারে, এক জিন বলেছিল যে, সে এভাবে একটি শিশুকে আছর করেছিল। সে বলেছিল যে, সে তার ভেতরে প্রবেশ করেছিল, যখন তার বাবা তাকে রুমের ভেতর বন্ধ করে রেখেছিল, এবং সে চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করেছিল, আর ঠিক সেই মুহূর্তেই সে তাকে আছর করেছিল।
সুতরাং আমাদের সতর্ক থাকা উচিত এবং যেসব বিষয় জিনের প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম হতে পারে, সেগুলো থেকে সাবধান থাকা উচিত।❞
সূত্র:
[ "বায়ানু হাক্বীক্বাতি সার'ইল জিন্নি লিল ইনস; মাওয়াইয আম্মাহ ওয়া মাওয়াদ্বী মুতাফাররিক্বাহ লিশ শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-উসাইমীন রহিমাহুল্লাহু তা'আলা" ]
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়
শাইখ ইবনুল উসাইমীন রহিমাহুল্লাহ বলেছেন:
❝কিছু মূর্খ, অজ্ঞ এবং বুদ্ধিহীন মানুষ তাদের ছোট্ট নিষ্পাপ শিশুদের ভয় দেখায় এবং ভীত-সন্ত্রস্ত করে বলে: অমুক এসে তোমাকে নিয়ে যাবে, কিংবা অমুক তোমার সাথে এমন-এমন করবে। ফলে শিশুটি ভয় পেয়ে যায় এবং এই ভয় ও উদ্বেগ তার হৃদয়ে গেঁথে যায়, আর এটি তার মনে স্থায়ী হয়ে যায়, যাতে সে সর্বদা দুশ্চিন্তা, ভয় এবং কষ্টের মধ্যে থাকে।
কখনো বাবা তার ছেলেকে ভয় দেখায়, আবার কখনো মা তার ছেলে এবং মেয়েকে ভয় দেখায়।
কিন্তু সবচেয়ে বেশি মূর্খ তারা, যারা আমাদের বলে যে শিশু যখন কোনো ভুল করে (তখন শাস্তি হিসেবে) তাকে তার রুমের ভেতর একা বন্ধ করে রাখতে হবে। এমনকি যখন সে চিৎকার করে এবং কান্নাকাটি করে, তখনও তারা তার প্রতি দয়া দেখায় না এবং দরজা খোলে না।
আর এটি এমন একটি মাধ্যম, যার দ্বারা জিন শিশুর ওপর প্রভাব বিস্তার করে (এবং আছর করে)। এ ব্যাপারে, এক জিন বলেছিল যে, সে এভাবে একটি শিশুকে আছর করেছিল। সে বলেছিল যে, সে তার ভেতরে প্রবেশ করেছিল, যখন তার বাবা তাকে রুমের ভেতর বন্ধ করে রেখেছিল, এবং সে চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করেছিল, আর ঠিক সেই মুহূর্তেই সে তাকে আছর করেছিল।
সুতরাং আমাদের সতর্ক থাকা উচিত এবং যেসব বিষয় জিনের প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম হতে পারে, সেগুলো থেকে সাবধান থাকা উচিত।❞
সূত্র:
[ "বায়ানু হাক্বীক্বাতি সার'ইল জিন্নি লিল ইনস; মাওয়াইয আম্মাহ ওয়া মাওয়াদ্বী মুতাফাররিক্বাহ লিশ শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-উসাইমীন রহিমাহুল্লাহু তা'আলা" ]
*আল্লাহকে কী বলবো?*
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) একবার কয়েকজন সাথীকে নিয়ে সফরে বের হলেন। পথিমধ্যে তাঁরা এক মেষপালকের দেখা পেলেন।
তাঁরা মেষপালককে তাঁদের সাথে খাবার খেতে আমন্ত্রণ জানালেন।
মেষপালক বললেন: 'আমি রোজা রেখেছি।'
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন: 'তুমি রোজা রেখেছ এই প্রচণ্ড গরমে, আর এতসব গাছপালা আর মেষের মাঝে থেকেও?'
মেষপালক উত্তর দিলেন: 'আমি আমার বাকি দিনগুলোর সদ্ব্যবহার করছি' (অর্থাৎ, মৃত্যুর আগের দিনগুলো)।
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) এই উত্তরে মুগ্ধ হয়ে বললেন:
'তুমি কি আমাদের কাছে তোমার একটি ভেড়া বিক্রি করতে পারবে? তুমি ইফতার করার সময় আমরা তোমাকে এর গোশত খাওয়াবো, আর দামও দেবো।'
মেষপালক বললেন: 'এটা আমার নয়। এটা আমার মনিবের।'
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) (পরীক্ষা করে) জিজ্ঞেস করলেন: 'তাহলে তোমার মনিবকে যদি বলো যে নেকড়ে খেয়ে ফেলেছে, তিনি কী বলবেন?'
মেষপালক আকাশের দিকে আঙুল তুলে বললেন: 'আল্লাহকে কী বলবো?'
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) সেখান থেকে চলে গেলেন। এই উত্তর তাঁকে এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে তিনি নিজের মনে বারবার সেই কথাটাই আওড়াতে লাগলেন:
'আল্লাহকে কী বলবো?'
'আল্লাহকে কী বলবো?'
'আল্লাহকে কী বলবো?'
যখন তিনি (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) শহরে পৌঁছলেন, তখন তিনি মেষপালকের মালিকের কাছে গিয়ে তাকে এবং তার মেষপাল কিনে নিলেন। তারপর মেষপালককে মুক্ত করে দিলেন এবং মেষগুলো উপহার হিসেবে তাকে দিয়ে দিলেন।
[লাতায়িফ আল-মা'আরিফ, ইবনে রজব আল-হাম্বলী (রহিমাহুল্লাহ), পৃ. ৩২৩]
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) একবার কয়েকজন সাথীকে নিয়ে সফরে বের হলেন। পথিমধ্যে তাঁরা এক মেষপালকের দেখা পেলেন।
তাঁরা মেষপালককে তাঁদের সাথে খাবার খেতে আমন্ত্রণ জানালেন।
মেষপালক বললেন: 'আমি রোজা রেখেছি।'
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন: 'তুমি রোজা রেখেছ এই প্রচণ্ড গরমে, আর এতসব গাছপালা আর মেষের মাঝে থেকেও?'
মেষপালক উত্তর দিলেন: 'আমি আমার বাকি দিনগুলোর সদ্ব্যবহার করছি' (অর্থাৎ, মৃত্যুর আগের দিনগুলো)।
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) এই উত্তরে মুগ্ধ হয়ে বললেন:
'তুমি কি আমাদের কাছে তোমার একটি ভেড়া বিক্রি করতে পারবে? তুমি ইফতার করার সময় আমরা তোমাকে এর গোশত খাওয়াবো, আর দামও দেবো।'
মেষপালক বললেন: 'এটা আমার নয়। এটা আমার মনিবের।'
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) (পরীক্ষা করে) জিজ্ঞেস করলেন: 'তাহলে তোমার মনিবকে যদি বলো যে নেকড়ে খেয়ে ফেলেছে, তিনি কী বলবেন?'
মেষপালক আকাশের দিকে আঙুল তুলে বললেন: 'আল্লাহকে কী বলবো?'
ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) সেখান থেকে চলে গেলেন। এই উত্তর তাঁকে এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে তিনি নিজের মনে বারবার সেই কথাটাই আওড়াতে লাগলেন:
'আল্লাহকে কী বলবো?'
'আল্লাহকে কী বলবো?'
'আল্লাহকে কী বলবো?'
যখন তিনি (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) শহরে পৌঁছলেন, তখন তিনি মেষপালকের মালিকের কাছে গিয়ে তাকে এবং তার মেষপাল কিনে নিলেন। তারপর মেষপালককে মুক্ত করে দিলেন এবং মেষগুলো উপহার হিসেবে তাকে দিয়ে দিলেন।
[লাতায়িফ আল-মা'আরিফ, ইবনে রজব আল-হাম্বলী (রহিমাহুল্লাহ), পৃ. ৩২৩]
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইসলামের দৃষ্টিতে ক্ষমা ও সহমর্মিতা ঈমানের সৌন্দর্য—কষ্ট পেলেও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ক্ষমা করতে শেখায়।
ক্ষমা মানে অন্যায়কে বৈধ করা নয়; বরং প্রতিশোধের বদলে ন্যায় ও ধৈর্যের পথে থাকা, আর প্রয়োজন হলে সীমারেখা বজায় রাখা।
সহমর্মিতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রত্যেকে কোনো না কোনো পরীক্ষার ভেতর দিয়ে যায়, তাই নরম কথা, সাহায্য, ও দোয়া অনেক বড় ইবাদত।
আল্লাহ ক্ষমাশীলদের ভালোবাসেন—তাই নিজের ভুলের জন্য তাওবা করি, আর অন্যের ভুলে দয়া ও সুবিচারকে অগ্রাধিকার দিই।
ক্ষমা মানে অন্যায়কে বৈধ করা নয়; বরং প্রতিশোধের বদলে ন্যায় ও ধৈর্যের পথে থাকা, আর প্রয়োজন হলে সীমারেখা বজায় রাখা।
সহমর্মিতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রত্যেকে কোনো না কোনো পরীক্ষার ভেতর দিয়ে যায়, তাই নরম কথা, সাহায্য, ও দোয়া অনেক বড় ইবাদত।
আল্লাহ ক্ষমাশীলদের ভালোবাসেন—তাই নিজের ভুলের জন্য তাওবা করি, আর অন্যের ভুলে দয়া ও সুবিচারকে অগ্রাধিকার দিই।