চট্টগ্রামের একাংশ যখন পানির নিচে।
তখন চট্টগ্রাম ভার্সিটিতেই বৃষ্টি তে ভেজে ফুটবল উন্মাদনায় একদল শিক্ষিত৷
ভার্সিটি গুলো কে আমি একটা প্যারালাইজড ম্যা-ট্রিক্স মনে করি। এসব ভার্সিটিতে জনগণের শতকোটি টাকা প্রতিবছর ব্যয়৷
কতটা নির্লজ্জ হইলে এসব খেলা দেখার পিক আবার ভার্সিটি গ্রুপেও দেয়৷ এদের সেন্স থাকা দরকার ছিলো এই সিচুয়েশনে এমন উন্মাদনা অন্তত শিক্ষিতদের সাথে যায় না৷
খেলা কে আপনি বিনোদন মনে করলে আপনার মত নির্বোধ কেউ নাই। যখন পানির নিচে ডুবে যাবেন। আর অন্যপাশে মানুষ উল্লাস খেলা দেখা নিয়ে। তখন বুঝবেন এই খেলা মানুষ কে কিভাবে মোহগ্রস্ত করেছে৷
এই খেলা আফিমের মত প্রবৃত্তির এক মরণ ধর্ম।
জাতি হিসাবে আমরা নির্লজ্জ।
এই যে দেখেন হুজুররা যখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বললো। তখন শিক্ষিত নামক পশুরা ট্রলের কোনো কমতি রাখে নাই।
জাতি তুমি দেখো তোমার বিপদে মোল্লারা যখন পানিতে ব্যস্ত। তখন তোমাদের শিক্ষিত প্রজন্ম মেসির পায়ের দিকে বুঁদ হয়ে আছে৷
তখন চট্টগ্রাম ভার্সিটিতেই বৃষ্টি তে ভেজে ফুটবল উন্মাদনায় একদল শিক্ষিত৷
ভার্সিটি গুলো কে আমি একটা প্যারালাইজড ম্যা-ট্রিক্স মনে করি। এসব ভার্সিটিতে জনগণের শতকোটি টাকা প্রতিবছর ব্যয়৷
কতটা নির্লজ্জ হইলে এসব খেলা দেখার পিক আবার ভার্সিটি গ্রুপেও দেয়৷ এদের সেন্স থাকা দরকার ছিলো এই সিচুয়েশনে এমন উন্মাদনা অন্তত শিক্ষিতদের সাথে যায় না৷
খেলা কে আপনি বিনোদন মনে করলে আপনার মত নির্বোধ কেউ নাই। যখন পানির নিচে ডুবে যাবেন। আর অন্যপাশে মানুষ উল্লাস খেলা দেখা নিয়ে। তখন বুঝবেন এই খেলা মানুষ কে কিভাবে মোহগ্রস্ত করেছে৷
এই খেলা আফিমের মত প্রবৃত্তির এক মরণ ধর্ম।
জাতি হিসাবে আমরা নির্লজ্জ।
এই যে দেখেন হুজুররা যখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বললো। তখন শিক্ষিত নামক পশুরা ট্রলের কোনো কমতি রাখে নাই।
জাতি তুমি দেখো তোমার বিপদে মোল্লারা যখন পানিতে ব্যস্ত। তখন তোমাদের শিক্ষিত প্রজন্ম মেসির পায়ের দিকে বুঁদ হয়ে আছে৷
মানুষ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনকে ডোনেশন দিবে না তো কাকে দিবে?
সেকুলার নামধারী মুসলমান সেলিব্রিটিরা ২৪ সালের বন্যায় বহু টাকা উঠিয়েছিলো। দুঃখজনক বাস্তবতা হলো বন্যার পানি যতদিন ছিলো ততদিন তারাও ডোনেশন-ডোনেশন গেইম খেলেছিলো। এরপর তারা হাওয়া। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সেসময় বহু টাকা উঠিয়েছিলো। এবং সেই টাকা প্রথমে তারা ব্যাংকে জমিয়ে রাখে। পরবর্তীতে মানুষের সমালোচনার শিকার হয়ে তারা তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে সেই টাকা রাখে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলও ঠিকভাবে বন্যার্তদের জন্য কাজ করেনি। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্তদের কথা সবাই ভুলে যায়।
অথচ ২৪ সালের সেই বন্যার পর থেকেই শায়খ আহমাদুল্লাহ পরিচালিত আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আজও বন্যায় আক্রান্ত মানুষদেরকে ঘরবাড়ি করে দিচ্ছে। আস-সুন্নাহর কাজ এখনও থামেনি তার মধ্যে নতুন বন্যা এসে হাজির। এখন পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন প্রথম ধাপে প্রায় ১৫০০ সেমি পাকা ঘর করে দিয়েছে। এরপর আরও ১৫০০ বন্যাকবলিত অঞ্চলের পরিবারকে মেঝে পাকা ঘর দেওয়ার কাজ এখনও চলমান রেখেছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ'র আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন যেন একাই একটি রাষ্ট্র। আলহামদুলিল্লাহ 💥
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ডোনেশনের বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো 👇
বৃহত্তর চট্টগ্রামে বন্যা দুর্গতদের মাঝে আমাদের জরুরি ত্রান ও পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশ-বিদেশের যেকোনো পেমেন্ট মেথড থেকে জরুরি ত্রাণ প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে ক্লিক করুন :
https://assunnahfoundation.org/donate/flood
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট :
Shahjalal Islami Bank PLC
A/c Name: As Sunnah Foundation
A/c No.401913100000177
Progati sarani Branch
SWIFT Code: SJBLBDDH
Routing: 190260718
Dhaka
বিকাশ/নগদ মার্চেন্ট: 01897-655733
(পেমেন্ট অপশন থেকে পাঠাতে হবে)
সেকুলার নামধারী মুসলমান সেলিব্রিটিরা ২৪ সালের বন্যায় বহু টাকা উঠিয়েছিলো। দুঃখজনক বাস্তবতা হলো বন্যার পানি যতদিন ছিলো ততদিন তারাও ডোনেশন-ডোনেশন গেইম খেলেছিলো। এরপর তারা হাওয়া। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সেসময় বহু টাকা উঠিয়েছিলো। এবং সেই টাকা প্রথমে তারা ব্যাংকে জমিয়ে রাখে। পরবর্তীতে মানুষের সমালোচনার শিকার হয়ে তারা তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে সেই টাকা রাখে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলও ঠিকভাবে বন্যার্তদের জন্য কাজ করেনি। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্তদের কথা সবাই ভুলে যায়।
অথচ ২৪ সালের সেই বন্যার পর থেকেই শায়খ আহমাদুল্লাহ পরিচালিত আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আজও বন্যায় আক্রান্ত মানুষদেরকে ঘরবাড়ি করে দিচ্ছে। আস-সুন্নাহর কাজ এখনও থামেনি তার মধ্যে নতুন বন্যা এসে হাজির। এখন পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন প্রথম ধাপে প্রায় ১৫০০ সেমি পাকা ঘর করে দিয়েছে। এরপর আরও ১৫০০ বন্যাকবলিত অঞ্চলের পরিবারকে মেঝে পাকা ঘর দেওয়ার কাজ এখনও চলমান রেখেছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ'র আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন যেন একাই একটি রাষ্ট্র। আলহামদুলিল্লাহ 💥
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ডোনেশনের বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো 👇
বৃহত্তর চট্টগ্রামে বন্যা দুর্গতদের মাঝে আমাদের জরুরি ত্রান ও পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশ-বিদেশের যেকোনো পেমেন্ট মেথড থেকে জরুরি ত্রাণ প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে ক্লিক করুন :
https://assunnahfoundation.org/donate/flood
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট :
Shahjalal Islami Bank PLC
A/c Name: As Sunnah Foundation
A/c No.401913100000177
Progati sarani Branch
SWIFT Code: SJBLBDDH
Routing: 190260718
Dhaka
বিকাশ/নগদ মার্চেন্ট: 01897-655733
(পেমেন্ট অপশন থেকে পাঠাতে হবে)
ঈমান ও আমল
Photo
আমরা যখন খেলা নিয়ে উন্মাদনায় মেতে আছি ঠিক তখন চট্টগ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে ৪৫ টা মানুষ মারা গেছে।
১০ লাখের বেশি মানুষ পানিতে ভেসে আছে, ১৬ হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে, ৯১ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।
বড়রা সাঁতার জানলেও ছোটরা জানে না। তাই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো পানিতে ডুবে ডুবে মারা যাচ্ছে।
এক বাবার বড় ছেলেটা গত বন্যায় ডুবে মারা গিয়েছিল। ছোট ছেলেটার দিকে তাকিয়ে সেই কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।
ভেবেছিলেন এই ছেলেটা বড় হয়ে অভাবের সংসারটার হাল ধরবে। অথচ ছোট ছেলেটাও আজকে বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেল।
ছেলেটাকে যে মাটি দিবে সে মাটিটুকও অবশিষ্ট নেই। সমস্ত এলাকা ডুবে গেছে।
গতবছরের বন্যার মতো এবারেও কবর দেয়ার মতো পরিস্থিতি নেই, অবস্থাটা এমন যে কলাগাছের ভেলায় করে লা*শ ভাসিয়ে দিতে হবে।
পানিতে ডুবে যারা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল তাদেরকে পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেছে কিন্তু পায়নি।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের ফুলে ফেঁপে উঠা লা*শগুলোই এখন একটু পর পর ভেসে উঠছে। গলা অব্দি পানিতে দাঁড়িয়ে পরিবারের লোকজনরা অপেক্ষা করছে কখন লা*শটা পাবে।
খোঁজে পাওয়া কিছু লা*শ ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে পানিতে। জীবিত মানুষের বেঁচে থাকার জন্যেই মাটি নেই, লা*শ কবর দেয়ার মাটি পাবে কোথা থেকে?
আরেক অসহায় বাবা কিছুদিন আগে তার ছেলেকে কবর দিয়েছিলেন। কিন্তু পানির স্রোত সে কবরটাও ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
বাবা'টা সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা করছিলেন কবরটা আঁকরে ধরে রাখতে। ছেলের শেষ স্মৃতিটুকু ধরে রাখতে হবে যে!
কিন্তু তিনি পারছিলেন না। পানির স্রোত যেন শেষ স্মৃতিটুকুও জোর করে কেড়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
বাবা'টা সারাক্ষণ অসহায়ের মতো চেয়ে ছিল শুধু। চোখ দিয়ে একটু পানিও আসছিল না। যে সব হারিয়ে ফেলে সে বোধহয় কাঁদার সামর্থ্যটুকু হারিয়ে ফেলে।
আগামী কয়েকদিন আরও ভারী বৃষ্টিপাত হবে, বাকি অঞ্চলগুলোও ডুবে যাবে। ধারণা করা হচ্ছে এভাবে আর মাত্র দুইদিন চললেই শত শত মানুষ মারা যাবে। কবর দেয়ার জায়গাটুকুও পাওয়া যাবে না।
এই যে এত এত মানুষ মারা যাচ্ছে, বাচ্চারা মারা যাচ্ছে অথচ সরকারের বিন্দুমাত্র উদ্যেগ নাই, যথাযথ ত্রাণ নাই , দীর্ঘমেয়াদী কোন ব্যবস্থা নাই।
প্রতিবছরই উত্তরবঙ্গ, চট্টগ্রাম ,ফেনী এলাকায় বন্যা হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের লোকজন আগে থেকেই জানে কোন দিন কোন এলাকায় কতটুকু বৃষ্টি হবে। কিন্তু আগাম কোন ব্যবস্থা নেয় না।
বন্যা হলে দু একদিন গিয়ে নামমাত্র ত্রাণ দিয়ে চলে আসে অথচ দীর্ঘমেয়াদি কোন ব্যবস্থা নেয় না। এমনকি বন্যার পর পুনর্বাসনের টাকাটাও দেয় না।
প্রতি অর্থবছর শুধুমাত্র দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যেই ১০ হাজার ৩৬২ কোটি টাকার বাজেট পাশ হয়। আই রিপিট ১০ হাজার কোটি টাকা!
এতগুলো টাকার বাজেট হওয়ার পরও ওরা দীর্ঘমেয়াদী কোন ব্যবস্থা নেয় না। কারণ ব্যবস্থা নিলে ওদের পকেটে আর টাকা ভরতে পারবে না।
প্রতিবছর এমপি, মন্ত্রী , আমলারা এই কোটি কোটি টাকাগুলো নিজেদের পকেটে ঢুকায়, বিদেশে বেগমপাড়া বানায়। অথচ এগুলো আমার আপনার কষ্টের ট্যাক্সের টাকা।
আমাদের কষ্টের টাকা চুরি করে ওরা ওদের ছেলে-মেয়েকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ায়, ফ্যাশন শিখায় আর জনগণের ছেলে-মেয়েরারা বন্যার পানিতে ডুবে মরে।
দক্ষিণ কুরিয়ায় এক্সিডেন্টে মাত্র কিছু লোক মারা যাওয়ায় সেখানের মন্ত্রী পদত্যাগ করেছিল। আর আমাদের দেশে শত শত লোক রাস্তায় এক্সিডেন্টে মরে, পানিতে ডুবে মরে কিন্তু মন্ত্রীরা একটু ক্ষমাও চায় না।
কারণ এদেশের জনগণরা প্রজা আর ওরা লাটসাহেব।
বিএনপির এক এমপি আজকে চেহারে বসে বসে বন্যা দেখতে গিয়েছে। তার হাসি হাসি মুখ দেখে মনে হচ্ছে সে কোন পিকনিকে এসেছে। অথচ তার সামনেই মানুষজন পানিতে ডুবে মরছে।
যেই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো পানিতে ডুবে মরেছে তাদের এখন স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল ,বন্ধুদের সাথে হাসিমুখে খেলার কথা ছিল। না জানি আরও কতশত ইচ্ছে ছিল।
এমপি, মন্ত্রীদের ছেলেমেয়েরা ঠিকই স্কুলে গিয়েছে, হাসিমুখে খেলা করেছে অথচ জনগণের মাসুম বাচ্চাগুলোর মরা লা*শ ভেসে আছে পানিতে
Ibrahim Khalil Shawon
১০ লাখের বেশি মানুষ পানিতে ভেসে আছে, ১৬ হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে, ৯১ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।
বড়রা সাঁতার জানলেও ছোটরা জানে না। তাই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো পানিতে ডুবে ডুবে মারা যাচ্ছে।
এক বাবার বড় ছেলেটা গত বন্যায় ডুবে মারা গিয়েছিল। ছোট ছেলেটার দিকে তাকিয়ে সেই কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।
ভেবেছিলেন এই ছেলেটা বড় হয়ে অভাবের সংসারটার হাল ধরবে। অথচ ছোট ছেলেটাও আজকে বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেল।
ছেলেটাকে যে মাটি দিবে সে মাটিটুকও অবশিষ্ট নেই। সমস্ত এলাকা ডুবে গেছে।
গতবছরের বন্যার মতো এবারেও কবর দেয়ার মতো পরিস্থিতি নেই, অবস্থাটা এমন যে কলাগাছের ভেলায় করে লা*শ ভাসিয়ে দিতে হবে।
পানিতে ডুবে যারা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল তাদেরকে পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেছে কিন্তু পায়নি।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের ফুলে ফেঁপে উঠা লা*শগুলোই এখন একটু পর পর ভেসে উঠছে। গলা অব্দি পানিতে দাঁড়িয়ে পরিবারের লোকজনরা অপেক্ষা করছে কখন লা*শটা পাবে।
খোঁজে পাওয়া কিছু লা*শ ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে পানিতে। জীবিত মানুষের বেঁচে থাকার জন্যেই মাটি নেই, লা*শ কবর দেয়ার মাটি পাবে কোথা থেকে?
আরেক অসহায় বাবা কিছুদিন আগে তার ছেলেকে কবর দিয়েছিলেন। কিন্তু পানির স্রোত সে কবরটাও ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
বাবা'টা সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা করছিলেন কবরটা আঁকরে ধরে রাখতে। ছেলের শেষ স্মৃতিটুকু ধরে রাখতে হবে যে!
কিন্তু তিনি পারছিলেন না। পানির স্রোত যেন শেষ স্মৃতিটুকুও জোর করে কেড়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
বাবা'টা সারাক্ষণ অসহায়ের মতো চেয়ে ছিল শুধু। চোখ দিয়ে একটু পানিও আসছিল না। যে সব হারিয়ে ফেলে সে বোধহয় কাঁদার সামর্থ্যটুকু হারিয়ে ফেলে।
আগামী কয়েকদিন আরও ভারী বৃষ্টিপাত হবে, বাকি অঞ্চলগুলোও ডুবে যাবে। ধারণা করা হচ্ছে এভাবে আর মাত্র দুইদিন চললেই শত শত মানুষ মারা যাবে। কবর দেয়ার জায়গাটুকুও পাওয়া যাবে না।
এই যে এত এত মানুষ মারা যাচ্ছে, বাচ্চারা মারা যাচ্ছে অথচ সরকারের বিন্দুমাত্র উদ্যেগ নাই, যথাযথ ত্রাণ নাই , দীর্ঘমেয়াদী কোন ব্যবস্থা নাই।
প্রতিবছরই উত্তরবঙ্গ, চট্টগ্রাম ,ফেনী এলাকায় বন্যা হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের লোকজন আগে থেকেই জানে কোন দিন কোন এলাকায় কতটুকু বৃষ্টি হবে। কিন্তু আগাম কোন ব্যবস্থা নেয় না।
বন্যা হলে দু একদিন গিয়ে নামমাত্র ত্রাণ দিয়ে চলে আসে অথচ দীর্ঘমেয়াদি কোন ব্যবস্থা নেয় না। এমনকি বন্যার পর পুনর্বাসনের টাকাটাও দেয় না।
প্রতি অর্থবছর শুধুমাত্র দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যেই ১০ হাজার ৩৬২ কোটি টাকার বাজেট পাশ হয়। আই রিপিট ১০ হাজার কোটি টাকা!
এতগুলো টাকার বাজেট হওয়ার পরও ওরা দীর্ঘমেয়াদী কোন ব্যবস্থা নেয় না। কারণ ব্যবস্থা নিলে ওদের পকেটে আর টাকা ভরতে পারবে না।
প্রতিবছর এমপি, মন্ত্রী , আমলারা এই কোটি কোটি টাকাগুলো নিজেদের পকেটে ঢুকায়, বিদেশে বেগমপাড়া বানায়। অথচ এগুলো আমার আপনার কষ্টের ট্যাক্সের টাকা।
আমাদের কষ্টের টাকা চুরি করে ওরা ওদের ছেলে-মেয়েকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ায়, ফ্যাশন শিখায় আর জনগণের ছেলে-মেয়েরারা বন্যার পানিতে ডুবে মরে।
দক্ষিণ কুরিয়ায় এক্সিডেন্টে মাত্র কিছু লোক মারা যাওয়ায় সেখানের মন্ত্রী পদত্যাগ করেছিল। আর আমাদের দেশে শত শত লোক রাস্তায় এক্সিডেন্টে মরে, পানিতে ডুবে মরে কিন্তু মন্ত্রীরা একটু ক্ষমাও চায় না।
কারণ এদেশের জনগণরা প্রজা আর ওরা লাটসাহেব।
বিএনপির এক এমপি আজকে চেহারে বসে বসে বন্যা দেখতে গিয়েছে। তার হাসি হাসি মুখ দেখে মনে হচ্ছে সে কোন পিকনিকে এসেছে। অথচ তার সামনেই মানুষজন পানিতে ডুবে মরছে।
যেই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো পানিতে ডুবে মরেছে তাদের এখন স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল ,বন্ধুদের সাথে হাসিমুখে খেলার কথা ছিল। না জানি আরও কতশত ইচ্ছে ছিল।
এমপি, মন্ত্রীদের ছেলেমেয়েরা ঠিকই স্কুলে গিয়েছে, হাসিমুখে খেলা করেছে অথচ জনগণের মাসুম বাচ্চাগুলোর মরা লা*শ ভেসে আছে পানিতে
Ibrahim Khalil Shawon
ঈমান ও আমল
Photo
পতিত সরকারের আমলে As sunnah Foundation-কে চেপে ধরার সব ধরনের আয়োজন ছিল। খোদ সরকারের নীতিনির্ধারণী বোর্ড পরোক্ষভাবে দাঁড়িয়েছিল শায়খ আহমাদুল্লাহ ও তাঁর পরিচালিত আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে। আরেকদল তিলকে তাল বানিয়ে বিদ্যানন্দকে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল।
নিঝুম মজুমদার এবং তার ডগ-টিম এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। আস সুন্নাহর হিসাব, বার্ষিক অডিট এবং ত্রাণ বিতরণের স্বচ্ছতা নিয়েও নানান গালগল্প তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে বিতর্কিত করার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছিল। ব্যারিস্টার সুমন এগুলোতে ঘি ঢেলে উসকে দিত ক্ষণেক্ষণে। আস সুন্নাহর কার্যক্রম তাদেরকে অস্থির করে রাখত সবসময়।
করোনাকালীন এবং বিভিন্ন বন্যার সময়ে সংস্থাটি যখন বিশাল অঙ্কের অনুদান সংগ্রহ ও ত্রাণ বিতরণ শুরু করে, তখন অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকিং লেনদেন ও বৈদেশিক অনুদান ছাড়করণের ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক ও আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তাদের জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে সহজ রাখা কখনোই সহজ ছিল না।
পাহাড়সম বাধা পেরিয়ে আজকের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এ-পর্যায়ে এসেছে। ভুঁইফোঁড় কোনো অর্গানাইজেশন নয় এটি। আগুনে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, বাতাসের গতি সামলে নিজের জায়গায় শক্ত করে আসন গেড়েছে। যোগ্যতা, মননশীলতা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, তড়িৎ সিদ্ধান্ত এবং গৃহীত টেকসই পদক্ষেপের কারণে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের নাম আপামর জনতার মুখে। ঠিক একারণেই গতকাল বলেছিলাম যে, আস সুন্নাহ যা পারবে সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তাও পারবে না। এটাই সত্য, এটাই রূঢ় বাস্তবতা।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আস সুন্নাহ এক মাইলফলক ছুঁয়েছে। অন্যরা চেষ্টা করছে। তারা মাঝপথে অথবা স্টার্টিং পয়েন্টেই আছে। পোর্টফলিও অনুযায়ী আস সুন্নাহ যা করার সক্ষমতা রাখে তা অন্যান্য দাতব্য সংস্থা রাখে না। এমনকি এতো শর্ট টাইমে সরকারও পারবে না। এক্ষেত্রে সরকারের আর্জেন্ট কিছু করার ইচ্ছা থাকলে আস সুন্নাহর মাধ্যমে করতে পারে তাদেরকে পূর্ণ স্বাধীন রেখে।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের একটি আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আছে। আমাদের একজন কাজপাগল শায়খ Ahmadullah হাফি. আছেন। বেঁচে থাকুন কাজের ভেতর।
লেখক: নজরুল ইসলাম
নিঝুম মজুমদার এবং তার ডগ-টিম এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। আস সুন্নাহর হিসাব, বার্ষিক অডিট এবং ত্রাণ বিতরণের স্বচ্ছতা নিয়েও নানান গালগল্প তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে বিতর্কিত করার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছিল। ব্যারিস্টার সুমন এগুলোতে ঘি ঢেলে উসকে দিত ক্ষণেক্ষণে। আস সুন্নাহর কার্যক্রম তাদেরকে অস্থির করে রাখত সবসময়।
করোনাকালীন এবং বিভিন্ন বন্যার সময়ে সংস্থাটি যখন বিশাল অঙ্কের অনুদান সংগ্রহ ও ত্রাণ বিতরণ শুরু করে, তখন অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকিং লেনদেন ও বৈদেশিক অনুদান ছাড়করণের ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক ও আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তাদের জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে সহজ রাখা কখনোই সহজ ছিল না।
পাহাড়সম বাধা পেরিয়ে আজকের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এ-পর্যায়ে এসেছে। ভুঁইফোঁড় কোনো অর্গানাইজেশন নয় এটি। আগুনে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, বাতাসের গতি সামলে নিজের জায়গায় শক্ত করে আসন গেড়েছে। যোগ্যতা, মননশীলতা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, তড়িৎ সিদ্ধান্ত এবং গৃহীত টেকসই পদক্ষেপের কারণে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের নাম আপামর জনতার মুখে। ঠিক একারণেই গতকাল বলেছিলাম যে, আস সুন্নাহ যা পারবে সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তাও পারবে না। এটাই সত্য, এটাই রূঢ় বাস্তবতা।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আস সুন্নাহ এক মাইলফলক ছুঁয়েছে। অন্যরা চেষ্টা করছে। তারা মাঝপথে অথবা স্টার্টিং পয়েন্টেই আছে। পোর্টফলিও অনুযায়ী আস সুন্নাহ যা করার সক্ষমতা রাখে তা অন্যান্য দাতব্য সংস্থা রাখে না। এমনকি এতো শর্ট টাইমে সরকারও পারবে না। এক্ষেত্রে সরকারের আর্জেন্ট কিছু করার ইচ্ছা থাকলে আস সুন্নাহর মাধ্যমে করতে পারে তাদেরকে পূর্ণ স্বাধীন রেখে।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের একটি আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আছে। আমাদের একজন কাজপাগল শায়খ Ahmadullah হাফি. আছেন। বেঁচে থাকুন কাজের ভেতর।
লেখক: নজরুল ইসলাম
ঈমান ও আমল pinned «মানুষ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনকে ডোনেশন দিবে না তো কাকে দিবে? সেকুলার নামধারী মুসলমান সেলিব্রিটিরা ২৪ সালের বন্যায় বহু টাকা উঠিয়েছিলো। দুঃখজনক বাস্তবতা হলো বন্যার পানি যতদিন ছিলো ততদিন তারাও ডোনেশন-ডোনেশন গেইম খেলেছিলো। এরপর তারা হাওয়া। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী…»
শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ স্বচ্ছতার সাথে যে পরিমাণ কাজ করছেন, অন্য কেউ এর তিন ভাগের এক ভাগ করলে একুশে পদক পেত। শুধু আলেম হওয়ার কারণে তাঁকে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন শুধু বন্যা নিয়ে কাজ করে না, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে আস-সুন্নাহ এক বিপ্লব তৈরি করেছে।
রাষ্ট্রের উচিত আস-সুন্নাহকে সহযোগিতা করা। আল্লাহ শায়খ আহমাদুল্লাহকে হিংসুকদের হিংসা থেকে হেফাজত করুন। উম্মাহর কল্যাণে আরও নিবেদিতপ্রাণ হওয়ার তাওফিক দান করুন।
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন শুধু বন্যা নিয়ে কাজ করে না, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে আস-সুন্নাহ এক বিপ্লব তৈরি করেছে।
রাষ্ট্রের উচিত আস-সুন্নাহকে সহযোগিতা করা। আল্লাহ শায়খ আহমাদুল্লাহকে হিংসুকদের হিংসা থেকে হেফাজত করুন। উম্মাহর কল্যাণে আরও নিবেদিতপ্রাণ হওয়ার তাওফিক দান করুন।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন:
.
"যে ব্যক্তি তার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করে, আল্লাহ তার গোপন দোষগুলো গোপন রাখেন। যে ব্যক্তি তার রাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে, আল্লাহ তার থেকে তাঁর আযাবকে দূরে সরিয়ে রাখেন। আর যে ব্যক্তি নিজ রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তার ওযর (অক্ষমতা ও ভুল) কবুল করে নেন।"
.
তথ্যসূত্র: ইমাম মুনযিরি (রহ.)-এর আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব, খণ্ড ৩, হাদিস নং: ১৭২১।
.
"যে ব্যক্তি তার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করে, আল্লাহ তার গোপন দোষগুলো গোপন রাখেন। যে ব্যক্তি তার রাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে, আল্লাহ তার থেকে তাঁর আযাবকে দূরে সরিয়ে রাখেন। আর যে ব্যক্তি নিজ রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তার ওযর (অক্ষমতা ও ভুল) কবুল করে নেন।"
.
তথ্যসূত্র: ইমাম মুনযিরি (রহ.)-এর আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব, খণ্ড ৩, হাদিস নং: ১৭২১।
চারজন মুসলিম বোন ও একজন নওমুসলিম দা'ঈ ভাইয়ের পাশে দাঁড়ান।
আমার বন্ধু আব্দুল্লাহ সুজিত মানুষের বিপদে যে সর্বদা সবার আগে ছুটে যেত।
গতকাল রাতে ইস্কনের ইন্ধনে তাকে এবং আরও চারজন নওমুসলিমা বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। নওমুসল বোনেরা সাভারে একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। ঘটনাটা সাভারের। কিন্তু সাভার থানা জানে না।
যারাই নিয়ে যাক, শোনা যাচ্ছে এটার সাথে প্রত্যক্ষভাবে বেলকুচি থানার একজন আইও জড়িত। যারাই জড়িত থাকুক, ২৪ এর বাংলা তো মগের মুল্লুক না। দিল্লির ইস্কনকে এখানে এভাবে ফুটবল খেলতে দেওয়া হবে না৷
সবাই সোচ্চার হয়ে উঠুন। আমার আপনার মুসলিম ভাই বোনের জন্য, সবাই আওয়াজ তুলুন।
© হাফিজ আল মুনাদী
আমার বন্ধু আব্দুল্লাহ সুজিত মানুষের বিপদে যে সর্বদা সবার আগে ছুটে যেত।
গতকাল রাতে ইস্কনের ইন্ধনে তাকে এবং আরও চারজন নওমুসলিমা বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। নওমুসল বোনেরা সাভারে একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। ঘটনাটা সাভারের। কিন্তু সাভার থানা জানে না।
যারাই নিয়ে যাক, শোনা যাচ্ছে এটার সাথে প্রত্যক্ষভাবে বেলকুচি থানার একজন আইও জড়িত। যারাই জড়িত থাকুক, ২৪ এর বাংলা তো মগের মুল্লুক না। দিল্লির ইস্কনকে এখানে এভাবে ফুটবল খেলতে দেওয়া হবে না৷
সবাই সোচ্চার হয়ে উঠুন। আমার আপনার মুসলিম ভাই বোনের জন্য, সবাই আওয়াজ তুলুন।
© হাফিজ আল মুনাদী
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
তোমরা যখন খেলা দেখায় মত্ত, ঠিক তখন তোমাদের প্রিয় আর্জেন্টিনার বন্ধু হিংস্রাইল এভাবেই গাজায় বোম্বিং করেছে। জানো, মেসিরা এসব বর্বরতা সমর্থন করে, আর তুমি মেসিকে ভালোবাসো! আজ ১৬ জুলাই রাতের ঘটনা।
জেনে রাখো তোমাদের হাশর কুফ্ফারদের সাথেই হবে ইনশা-আল্লাহ, এটা কতই না নিকৃষ্ট ও ভয়াবহ দিন হবে।
জেনে রাখো তোমাদের হাশর কুফ্ফারদের সাথেই হবে ইনশা-আল্লাহ, এটা কতই না নিকৃষ্ট ও ভয়াবহ দিন হবে।
খেলা নাকি ঐচ্ছিক বিনোদন, সুতরাং সো কল্ড বিনোদনের কিছু আপডেট দেই, গতরাতে হবিগঞ্জে ইংল্যান্ড এবং আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সং'ঘর্ষ, আহ'ত ৫০।
নগরীর ২নং গেইটে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড খেলা চলাকালীন এক যুবককে ছু/রি/কা/ঘা/ত, চট্টগ্রাম মেডিক্যালে প্রেরণ, রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে র/ক্তে/র দাগ!
ডিবিসি নিউজে দেখলাম নেত্রকোনা আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু।
আন অফিশিয়াল স্থানীয় পোস্টের খবর, আর্জেন্টিনার বিজয় উৎযাপন করতে গিয়ে দ্বিতীয় তলা থেকে পড়ে মৃত্যু।
কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ দেখার সময় ঝগড়ায় একজন (শরিফুল ইসলাম) নিহত।
সিলেট (জকিগঞ্জ) খেলা দেখে উল্লাস নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত।
আশুলিয়াতে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ নিয়ে ঝগড়ায় কিশোর নাহিদ হাসান নিহত।
২ জুলাই আর্জেন্টিনা সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মরদেহ বালুচাপা ব্রাজিল সমর্থকদের।
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্জেন্টিনা-মিশর খেলা দেখা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, ১০+ আহত।
জুন-জুলাই পর্যন্ত সো কল্ড বিনোদনে ২২-২৪ জন নিহত এবং ১৫০+ জন আহত হয়েছে।
এতকিছুর পরও কিভাবে বলেন, খেলা জাস্ট বিনোদন!?
এই প্রজন্ম ইন্টেলেকচুয়ালি দাসত্বের অতল গহ্বরে প্রবেশ করছে, বিনোদন নামক আধুনিক আফিমের অদৃশ্য শিকলে বাঁধা! তাওহিদের যে বিপ্লবী তেজ, এক আল্লাহর প্রতি ঈমানের যে স্বাদ, এরা অনেক আগেই হারিয়েছে...! -সংগৃহিত
নগরীর ২নং গেইটে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড খেলা চলাকালীন এক যুবককে ছু/রি/কা/ঘা/ত, চট্টগ্রাম মেডিক্যালে প্রেরণ, রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে র/ক্তে/র দাগ!
ডিবিসি নিউজে দেখলাম নেত্রকোনা আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু।
আন অফিশিয়াল স্থানীয় পোস্টের খবর, আর্জেন্টিনার বিজয় উৎযাপন করতে গিয়ে দ্বিতীয় তলা থেকে পড়ে মৃত্যু।
কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ দেখার সময় ঝগড়ায় একজন (শরিফুল ইসলাম) নিহত।
সিলেট (জকিগঞ্জ) খেলা দেখে উল্লাস নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত।
আশুলিয়াতে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ নিয়ে ঝগড়ায় কিশোর নাহিদ হাসান নিহত।
২ জুলাই আর্জেন্টিনা সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মরদেহ বালুচাপা ব্রাজিল সমর্থকদের।
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্জেন্টিনা-মিশর খেলা দেখা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, ১০+ আহত।
জুন-জুলাই পর্যন্ত সো কল্ড বিনোদনে ২২-২৪ জন নিহত এবং ১৫০+ জন আহত হয়েছে।
এতকিছুর পরও কিভাবে বলেন, খেলা জাস্ট বিনোদন!?
এই প্রজন্ম ইন্টেলেকচুয়ালি দাসত্বের অতল গহ্বরে প্রবেশ করছে, বিনোদন নামক আধুনিক আফিমের অদৃশ্য শিকলে বাঁধা! তাওহিদের যে বিপ্লবী তেজ, এক আল্লাহর প্রতি ঈমানের যে স্বাদ, এরা অনেক আগেই হারিয়েছে...! -সংগৃহিত
কেউ যদি ৭৫ বছরের হায়াত পায়, তাহলে পৃথিবীতে সাকুল্যে সে বেঁচে থাকবে ৩৬০০ টি সপ্তাহ। আবারও পড়ুন—৩৬০০ টি সপ্তাহ কেবল!!
এখন ভাবুন তো, আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা সপ্তাহ কতোটা অবহেলা আর অযত্নে কেটে যাচ্ছে।
একটা সপ্তাহ পার হওয়া মানে ৩৬০০ টি সপ্তাহ থেকে ১ টা সপ্তাহ বিয়োগ হয়।
আপনার বয়স যদি এখন ৩০ বছর হয়, আর যদি ধরে নিই যে আপনি ৭৫ বছরের হায়াত পাবেন, তাহলে দুনিয়ায় আপনি আর বেঁচে থাকবেন কেবল ২১৬০ সপ্তাহ।
গত জুমুয়াহ পড়েছি মনে হয় দুই দিনও পার হয়নি৷ অথচ আরেকটা জুমুয়াহ দরোজায় এসে উপস্থিত হয়ে গেল৷ কতো দ্রুত ফুরোচ্ছে হায়াতের দিন। এটাও কিয়ামতের একটা আলামত যে—শেষ সময়ে সময়গুলো দ্রুত ফুরোবে। একদম চোখের পলকে।
সেই বরফওয়ালার বরফের মতো আমাদের জীবনও ফুরিয়ে যাচ্ছে যে বাজারে বরফ বিক্রি করতে এসেছিল। দিন যতো গড়ায়, তার বরফ ক্রমে গলতে থাকে। প্রতিটা সপ্তাহ পার হচ্ছে আর গলে যাচ্ছে জীবনের বরফটুকু যাকে আমরা ‘হায়াত’ নামে চিনি।
- আরিফ আজাদ
এখন ভাবুন তো, আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা সপ্তাহ কতোটা অবহেলা আর অযত্নে কেটে যাচ্ছে।
একটা সপ্তাহ পার হওয়া মানে ৩৬০০ টি সপ্তাহ থেকে ১ টা সপ্তাহ বিয়োগ হয়।
আপনার বয়স যদি এখন ৩০ বছর হয়, আর যদি ধরে নিই যে আপনি ৭৫ বছরের হায়াত পাবেন, তাহলে দুনিয়ায় আপনি আর বেঁচে থাকবেন কেবল ২১৬০ সপ্তাহ।
গত জুমুয়াহ পড়েছি মনে হয় দুই দিনও পার হয়নি৷ অথচ আরেকটা জুমুয়াহ দরোজায় এসে উপস্থিত হয়ে গেল৷ কতো দ্রুত ফুরোচ্ছে হায়াতের দিন। এটাও কিয়ামতের একটা আলামত যে—শেষ সময়ে সময়গুলো দ্রুত ফুরোবে। একদম চোখের পলকে।
সেই বরফওয়ালার বরফের মতো আমাদের জীবনও ফুরিয়ে যাচ্ছে যে বাজারে বরফ বিক্রি করতে এসেছিল। দিন যতো গড়ায়, তার বরফ ক্রমে গলতে থাকে। প্রতিটা সপ্তাহ পার হচ্ছে আর গলে যাচ্ছে জীবনের বরফটুকু যাকে আমরা ‘হায়াত’ নামে চিনি।
- আরিফ আজাদ
Forwarded from সত্য কথন
চরম মিথ্যুকও কখনো সত্য বলে
-
গ|জা উপত্যকার বেসামরিক শাসনভার পরিচালনার জন্য গঠিত নিজেদের প্রশাসনিক 'জরুরি কমিটি' বিলুপ্ত করেছে হামাস। এর ফলে অঞ্চলটির বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে কায়রো-ভিত্তিক 'ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গ|জা' (এনসিএজি)।
গত কয়েক বছরের দীর্ঘ যু*দ্ধে ই'সর|য়েলের বর্বর হ|ম'লায় পুরো গ|জ্জ|হ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে, মু'জ|হি'দদের অবিশ্বাস্য প্রতিরোধের বরকতে ইজ**রায়েল সরাসরি নিজেরা গ|জ্জ|হ দখল করতে পারেনি। বাস্তবতা হল, গ|জ্জ|র বীর মু'জ|হিদ এবং বীর জনগণ যেভাবে ল'ড়|ই করেছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের আরব শাসকেরা আ/মে'রিকা ই'সর|য়েলের সহযোগিতা না করে গ|জ্জ|র সহযোগি হত, তাহলে গ|জ্জ|হকে এতটা ক্ষয়-ক্ষতির মুখোমোখি হতে হতনা। সুতরাং তু'ফ|নুল আকসার যু*দ্ধে আল্লাহর ইচ্ছায় যেসব অবিস্মরণীয় অর্জন সামনে এসেছে, সেগুলোর কৃতিত্ব গ|জ্জ|র বীর জনগণ এবং বীর মু'জ|হি'দদেরই প্রাপ্য। আর এই ধ্বং'সযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী মূলত ই'সর|য়েল-আ/মে'রিকার দোসর গা'দ্দার শাসকেরা। মুসলিম নামধারী এই শাসকেরা যদি খেয়ানত না করতো, বাইতুল মাকদিসের নুসরতের হক আদায় করতো, তাহলে গ|জ্জ|হবাসী এই যু*দ্ধে জাগতিকভাবেও অগ্রসর থাকতেন এবং উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই এই যু*দ্ধের সমাপ্তি হতে পারতো।
নে'ত|নি'য়াহুর জবানে শ|সকদের খেয়ানতের তথ্যঃ চরম মিথ্যুকও কখনো সত্য বলে।
জ|তি'সংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে প্রদত্ত বিশ্ব স'ন্ত্র|সী নে'ত|নি'য়াহুর ভাষণ অনেকেই শুনেছিলেন। শ'য়ত|নটা বলেছিল: “প্রকাশ্যে নিন্দা করলেও অনেক নেতাই গোপনে আমাদের ধন্যবাদ দেন”। মূলত, তার ভাষণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াকআউট শুরু হলে পরিস্থিতিকে স্বাভাবিকরণ করার লক্ষ্যে সে এসব কথা বলে। চরম পর্যায়ের মিথ্যাবাদী ও বিশ্বস'ন্ত্র|সী এই নেতা যদি সারাজীবনে একটাও সত্য কথা বলে থাকে, তাহলে এটিই সেই একমাত্র সত্য কথা। তার এই কথাটা শোনার পর একটি হাদীস মনে পড়েছে। হাদীসটি থেকে শেখার আছে অনেক কিছুই৷
হযরত আবু হুরাইরাহ রা. বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সাদাকার মাল হেফাজতের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এক রাতে আমি দেখলাম, এক লোক এসে সাদাকার মাল নিয়ে যাচ্ছে। আমি তাকে ধরে বললাম: তোমাকে আমি রাসূলের কাছে নিয়ে যাব। লোকটি অনেক কাতরতার সাথে বলল, আমি অনেক দরিদ্র। আমার পরিবার-পরিজন আছে। অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। আমাকে ছেড়ে দাও। (আবু হুরাইরা বলেন) আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা. জিজ্ঞেস করলেন, আবু হুরাইরা! তোমার গত রাতের কয়েদী কী করলো? আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! সে অনেক প্রয়োজনের কথা বলছিল, পরিবারের কথা বলছিল, আমি দয়াপরবশ হয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ সা. বললেন: সে তোমার সাথে মিথ্যা বলেছে। সে কিন্তু আবার আসবে! সত্যি সত্যিই লোকটি আবার আসলো এবং একই ঘটনা ঘটলো। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালেও একই ঘটনা ঘটলো। আবারো রাসূল বলে দিলেন, আজকে রাতে সে আবার আসবে। সত্যি সত্যিই আসলো। আমি তাকে ধরলাম আর বললাম, তিনবার হয়ে গেছে আজ আর ছাড়ব না। এবার লোকটি বলল: আমাকে ছেড়ে দাও বিনিময়ে তোমাকে এমন কিছু কথা শিখিয়ে দেব যার দ্বারা আল্লাহ তাআলা তোমার মঙ্গল করবেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম সেগুলো কী? লোকটি বলল: তুমি যখন রাতে ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসী পড়ে নিও। তাহলে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর তরফ থেকে তোমার জন্য একজন হেফাজতকারী নিয়োজিত থাকবে এবং কোনো শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না। এটা শুনে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা.কে সব খুলে বললাম। তিনি বললেন, আবু হুরাইরা! সে চরম মিথ্যুক, তবে এই কথাটা সত্য বলেছে। তুমি কি জানো, এই তিন রাত ধরে তুমি কার সাথে কথা বলছিলে? সে ছিল শয়তান। (সহীহ বুখারী-২৩১১)
নে'ত|নি'য়াহু চরম মি'থ্যু'ক হওয়া সত্ত্বেও এই কথাটি নির্ভেজাল সত্য বলেছে। তার এই কথার বুক চিড়ে বেড়িয়ে এসেছে গ|জ|র জন্য সময়ে সময়ে বিভিন্ন র|ষ্ট্রের মায়াকান্নার নোংরা বাস্তবতা। মূলত গ|জ|র মুসলমানদের জন্য ওদের অন্তরে বিন্দুমাত্রও দয়া নেই। কারণ, এই জনপদটি মুসলিম জনপদ। কিন্তু বিশ্ব পলিটিক্স মেনে চলতে মাঝে মাঝে এই জে'নোসাইডের বিরুদ্ধে লোক দেখানো সোচ্চার হতে হয়। বিশ্বের সামনে কিছু আহ আর কিছু উহ খরচ করতে হয়। এটাই কুফরের রাজনীতি, যার পুরাটাই ধোঁকা আর প্রতারণা দিয়ে ঠাসা। এই সারিতে সবার থেকে এগিয়ে আছে আরব বিশ্বের নপুংসক, পশ্চিমাদের একনিষ্ঠ গোলাম, তাবেদার, দালাল, ফ্যাসিস্ট, জিন্দিক শাসকগুলো। নতুবা এই গ'ণহ^ত্যা নে'ত|নি'য়াহু কোনোমতেই চালাতে পারত না। মুসলিমদের প্রাণকেন্দ্র আরব। সেই আরবের সিংহাসনগুলো এখন দখল করে রেখেছে কিছু নামধারী মুসলমান, যারা লেবাসে-পোশাকে মুসলমান হলেও বাস্তবে জিন্দিক। তাদের প্রভু হলো আ/মে'রিকা। সুতরাং প্রভু রেগে যাবেন এমন কোনো কাজ করা যাবে না। পাছে না আবার গদি চলে যায়! কারণ এই গদিও তো দিয়েছে আ/মে'রিকা প্রভুই। যারা বিচক্ষণ তারা আসলে বোঝেন যে, মুসলিমদের সমস্যার সমাধান জাতিসঙ্ঘও করবে না, নামধারী মুসলিম শাসকেরাও করবে না।
-
গ|জা উপত্যকার বেসামরিক শাসনভার পরিচালনার জন্য গঠিত নিজেদের প্রশাসনিক 'জরুরি কমিটি' বিলুপ্ত করেছে হামাস। এর ফলে অঞ্চলটির বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে কায়রো-ভিত্তিক 'ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গ|জা' (এনসিএজি)।
গত কয়েক বছরের দীর্ঘ যু*দ্ধে ই'সর|য়েলের বর্বর হ|ম'লায় পুরো গ|জ্জ|হ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে, মু'জ|হি'দদের অবিশ্বাস্য প্রতিরোধের বরকতে ইজ**রায়েল সরাসরি নিজেরা গ|জ্জ|হ দখল করতে পারেনি। বাস্তবতা হল, গ|জ্জ|র বীর মু'জ|হিদ এবং বীর জনগণ যেভাবে ল'ড়|ই করেছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের আরব শাসকেরা আ/মে'রিকা ই'সর|য়েলের সহযোগিতা না করে গ|জ্জ|র সহযোগি হত, তাহলে গ|জ্জ|হকে এতটা ক্ষয়-ক্ষতির মুখোমোখি হতে হতনা। সুতরাং তু'ফ|নুল আকসার যু*দ্ধে আল্লাহর ইচ্ছায় যেসব অবিস্মরণীয় অর্জন সামনে এসেছে, সেগুলোর কৃতিত্ব গ|জ্জ|র বীর জনগণ এবং বীর মু'জ|হি'দদেরই প্রাপ্য। আর এই ধ্বং'সযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী মূলত ই'সর|য়েল-আ/মে'রিকার দোসর গা'দ্দার শাসকেরা। মুসলিম নামধারী এই শাসকেরা যদি খেয়ানত না করতো, বাইতুল মাকদিসের নুসরতের হক আদায় করতো, তাহলে গ|জ্জ|হবাসী এই যু*দ্ধে জাগতিকভাবেও অগ্রসর থাকতেন এবং উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই এই যু*দ্ধের সমাপ্তি হতে পারতো।
নে'ত|নি'য়াহুর জবানে শ|সকদের খেয়ানতের তথ্যঃ চরম মিথ্যুকও কখনো সত্য বলে।
জ|তি'সংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে প্রদত্ত বিশ্ব স'ন্ত্র|সী নে'ত|নি'য়াহুর ভাষণ অনেকেই শুনেছিলেন। শ'য়ত|নটা বলেছিল: “প্রকাশ্যে নিন্দা করলেও অনেক নেতাই গোপনে আমাদের ধন্যবাদ দেন”। মূলত, তার ভাষণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াকআউট শুরু হলে পরিস্থিতিকে স্বাভাবিকরণ করার লক্ষ্যে সে এসব কথা বলে। চরম পর্যায়ের মিথ্যাবাদী ও বিশ্বস'ন্ত্র|সী এই নেতা যদি সারাজীবনে একটাও সত্য কথা বলে থাকে, তাহলে এটিই সেই একমাত্র সত্য কথা। তার এই কথাটা শোনার পর একটি হাদীস মনে পড়েছে। হাদীসটি থেকে শেখার আছে অনেক কিছুই৷
হযরত আবু হুরাইরাহ রা. বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সাদাকার মাল হেফাজতের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এক রাতে আমি দেখলাম, এক লোক এসে সাদাকার মাল নিয়ে যাচ্ছে। আমি তাকে ধরে বললাম: তোমাকে আমি রাসূলের কাছে নিয়ে যাব। লোকটি অনেক কাতরতার সাথে বলল, আমি অনেক দরিদ্র। আমার পরিবার-পরিজন আছে। অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। আমাকে ছেড়ে দাও। (আবু হুরাইরা বলেন) আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা. জিজ্ঞেস করলেন, আবু হুরাইরা! তোমার গত রাতের কয়েদী কী করলো? আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! সে অনেক প্রয়োজনের কথা বলছিল, পরিবারের কথা বলছিল, আমি দয়াপরবশ হয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ সা. বললেন: সে তোমার সাথে মিথ্যা বলেছে। সে কিন্তু আবার আসবে! সত্যি সত্যিই লোকটি আবার আসলো এবং একই ঘটনা ঘটলো। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালেও একই ঘটনা ঘটলো। আবারো রাসূল বলে দিলেন, আজকে রাতে সে আবার আসবে। সত্যি সত্যিই আসলো। আমি তাকে ধরলাম আর বললাম, তিনবার হয়ে গেছে আজ আর ছাড়ব না। এবার লোকটি বলল: আমাকে ছেড়ে দাও বিনিময়ে তোমাকে এমন কিছু কথা শিখিয়ে দেব যার দ্বারা আল্লাহ তাআলা তোমার মঙ্গল করবেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম সেগুলো কী? লোকটি বলল: তুমি যখন রাতে ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসী পড়ে নিও। তাহলে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর তরফ থেকে তোমার জন্য একজন হেফাজতকারী নিয়োজিত থাকবে এবং কোনো শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না। এটা শুনে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা.কে সব খুলে বললাম। তিনি বললেন, আবু হুরাইরা! সে চরম মিথ্যুক, তবে এই কথাটা সত্য বলেছে। তুমি কি জানো, এই তিন রাত ধরে তুমি কার সাথে কথা বলছিলে? সে ছিল শয়তান। (সহীহ বুখারী-২৩১১)
নে'ত|নি'য়াহু চরম মি'থ্যু'ক হওয়া সত্ত্বেও এই কথাটি নির্ভেজাল সত্য বলেছে। তার এই কথার বুক চিড়ে বেড়িয়ে এসেছে গ|জ|র জন্য সময়ে সময়ে বিভিন্ন র|ষ্ট্রের মায়াকান্নার নোংরা বাস্তবতা। মূলত গ|জ|র মুসলমানদের জন্য ওদের অন্তরে বিন্দুমাত্রও দয়া নেই। কারণ, এই জনপদটি মুসলিম জনপদ। কিন্তু বিশ্ব পলিটিক্স মেনে চলতে মাঝে মাঝে এই জে'নোসাইডের বিরুদ্ধে লোক দেখানো সোচ্চার হতে হয়। বিশ্বের সামনে কিছু আহ আর কিছু উহ খরচ করতে হয়। এটাই কুফরের রাজনীতি, যার পুরাটাই ধোঁকা আর প্রতারণা দিয়ে ঠাসা। এই সারিতে সবার থেকে এগিয়ে আছে আরব বিশ্বের নপুংসক, পশ্চিমাদের একনিষ্ঠ গোলাম, তাবেদার, দালাল, ফ্যাসিস্ট, জিন্দিক শাসকগুলো। নতুবা এই গ'ণহ^ত্যা নে'ত|নি'য়াহু কোনোমতেই চালাতে পারত না। মুসলিমদের প্রাণকেন্দ্র আরব। সেই আরবের সিংহাসনগুলো এখন দখল করে রেখেছে কিছু নামধারী মুসলমান, যারা লেবাসে-পোশাকে মুসলমান হলেও বাস্তবে জিন্দিক। তাদের প্রভু হলো আ/মে'রিকা। সুতরাং প্রভু রেগে যাবেন এমন কোনো কাজ করা যাবে না। পাছে না আবার গদি চলে যায়! কারণ এই গদিও তো দিয়েছে আ/মে'রিকা প্রভুই। যারা বিচক্ষণ তারা আসলে বোঝেন যে, মুসলিমদের সমস্যার সমাধান জাতিসঙ্ঘও করবে না, নামধারী মুসলিম শাসকেরাও করবে না।
Forwarded from সত্য কথন
বরং তারাই তো গ|জ্জ|হকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে, ইজ**রায়েলকে টিকিয়ে রেখেছে! সুতরাং, যা করার করতে হবে নিজেদেরকেই এবং সেটা আন্দোলন আর মিছিলের ভাষায় ক্ষান্ত থাকলে কোনোদিনও সমাধান হবে না। এই ধাপ বহু আগেই পার হয়ে গেছে। এখন কেবলই অস্ত্রের মাধ্যমে সমাধান হবে। জি/হ|দ ফী সাবিলিল্লাহ-ই আল আকসার মুক্তি, স্বাধীনতা ও সম্মান পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ।
তামিম আল আদনানী
join: সত্যকথন
তামিম আল আদনানী
join: সত্যকথন