শুনলাম এককুত্তার টিভির জলবিয়োগ (পড়ুন খেলাযোগ) -এ মুশফিকুর রহিমের বিরুদ্ধে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে! এই চ্যানেল আর তাদের রিপোর্টার্স-কলাকুশলীরা হলুদ-গোয়েবলসীয় সাংবাদিকতার পুরোধা হিসেবে পরিচিত অনেক আগে থেকেই। ফাহিম রহমান নামক ভাঁড় থেকে শুরু করে এককালের দেব "দালাল" চৌধুরী, শামসুল আরেফিন হয়ে আজকের সাইফুল রুপক...সবকয়টার একই অবস্থা।
এদের সাংবাদিকতা(!) শুরুর আগে থেকে মুশফিকুর রহিম তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেছে। এরকম বাংলাদেশের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে এমন নোংরা অভিযোগ কিভাবে তুলতে পারে এরা? সবাইকে এদের #পীরসাপ মনে হয়? সে করেছে বলে যার তার নামেই এখন ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলা হবে? এই যে অভিযোগ, এটার লজ্জা দেশের সকল স্পোর্টস রিপোর্টারদের। এককুত্তার টিভির উচিত অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া আর মুশফিকের উচিত এদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা।
বি:দ্র: কয়েক বছর আগে ভিন্ন একটা ইস্যুতে এককুত্তার টিভি বয়কট করার পর ঐ ডাস্টবিনমুখো কখনো হইনি। আজ এই ব্যাপারটা জানার পর তাদের পেইজে গিয়ে দেখি, ভিডিওটা নেই, ডিলিট করা হয়েছে সম্ভবত পাবলিকের ঘাড়ানি খাওয়ার পর।
এককুত্তার টিভি : সংবাদ নয়, জলবিয়োগ
🎥 : https://fb.watch/oNOkpM0a2R/?mibextid=Nif5oz
এদের সাংবাদিকতা(!) শুরুর আগে থেকে মুশফিকুর রহিম তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেছে। এরকম বাংলাদেশের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে এমন নোংরা অভিযোগ কিভাবে তুলতে পারে এরা? সবাইকে এদের #পীরসাপ মনে হয়? সে করেছে বলে যার তার নামেই এখন ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলা হবে? এই যে অভিযোগ, এটার লজ্জা দেশের সকল স্পোর্টস রিপোর্টারদের। এককুত্তার টিভির উচিত অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া আর মুশফিকের উচিত এদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা।
বি:দ্র: কয়েক বছর আগে ভিন্ন একটা ইস্যুতে এককুত্তার টিভি বয়কট করার পর ঐ ডাস্টবিনমুখো কখনো হইনি। আজ এই ব্যাপারটা জানার পর তাদের পেইজে গিয়ে দেখি, ভিডিওটা নেই, ডিলিট করা হয়েছে সম্ভবত পাবলিকের ঘাড়ানি খাওয়ার পর।
এককুত্তার টিভি : সংবাদ নয়, জলবিয়োগ
🎥 : https://fb.watch/oNOkpM0a2R/?mibextid=Nif5oz
১২০-১৩০ এর পেঁয়াজ মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ২০০ এর কোটা স্পর্শ করলো! সাধারণ জনগণের উপর এহেন জু*লু*মের পেছনের কুশীলব সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত Each & every হা*মখো* ব্যবসায়ীদের উপর আল্লাহর খাস গ*য*ব নাযিল হোক।
Starbucks Corporation has lost $10.98 billion dollars in value, with these losses erasing 9.4% of the company’s total value (market cap), amidst an ongoing boycott . (Source in comment box)
Who said boycott doesn’t work? It works, it really works!
#FreePalestine 🇵🇸
#FreeGaza ✊
Who said boycott doesn’t work? It works, it really works!
#FreePalestine 🇵🇸
#FreeGaza ✊
World's 3rd biggest sports brand Puma declined their sponsorship with Israel NFT.
https://www.ft.com/content/93014af0-80bc-4b53-bb4a-a621d8c932b0
https://www.ft.com/content/93014af0-80bc-4b53-bb4a-a621d8c932b0
পুমা যতই বলুক, চলমান ফিলিস্তিন ও ইসরাইলী হানাদার-খুনীদের মধ্যকার যুদ্ধের সাথে তাদের ইসরাইলী ফুটবলের সাথে স্পন্সরশীপ ডিক্লাইনের কোনো সম্পর্ক নেই, এটা অনুমিত যে সামান্য হলেও এটার প্রভাব এই সিদ্ধান্তের উপর পড়েছে। বয়কটের ডাক দেয়ার পর অনেক কোম্পানীরই একই অবস্থা। কেউ চুক্তি বাতিল করছে কেউবা আবার অফার দিচ্ছে। চলতে থাকুক তবে...
https://www.ft.com/content/93014af0-80bc-4b53-bb4a-a621d8c932b0
https://www.ft.com/content/93014af0-80bc-4b53-bb4a-a621d8c932b0
দান-সদকা না করে টাকা জমাবেন, ডাক্তার ঠিকই সেই টাকা নিয়ে নেবে। নিশ্চিত থাকেন।
দান-সদকার নিশ্চিত উপকারিতা সমূহ :
#এক. দানে বিপদাপদ দূর হয়। (আবু দাউদ:১১৯১)
#দুই. সম্পদে বরকত হয়। (সহিহ মুসলিম:২৫৮৮)
#তিন. জটিল অসুখ ভালো হয়। (সহি জামে: ৩৩৫৮)
#চার. আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়।
(সহিহ জামে: ৩৭৬৬)
#পাঁচ. খারাপ মৃত্যু ঠেকিয়ে দেয়।
(সিলসিলাহ সহিহা: ১৯০৭)
#ছয়. কিয়ামতে ছায়া হিসেবে হাজির হয়।
(সহিহ ইবনু খুযাইমা ১৭৬৬)
#সাত. ফেরেশতারা দুয়া করেন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য। (বুখারী: ১৩৭৪)
#আট. গোনাহ মাফ হয়। (তিরমিজি: ২৬১৬)
#নয়. জান্নাত নসিব হয়। (সহিহ বুখারী: ১৮৯৭)
#আমলি_টিপস
Abdullah Al Monsur
দান-সদকার নিশ্চিত উপকারিতা সমূহ :
#এক. দানে বিপদাপদ দূর হয়। (আবু দাউদ:১১৯১)
#দুই. সম্পদে বরকত হয়। (সহিহ মুসলিম:২৫৮৮)
#তিন. জটিল অসুখ ভালো হয়। (সহি জামে: ৩৩৫৮)
#চার. আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়।
(সহিহ জামে: ৩৭৬৬)
#পাঁচ. খারাপ মৃত্যু ঠেকিয়ে দেয়।
(সিলসিলাহ সহিহা: ১৯০৭)
#ছয়. কিয়ামতে ছায়া হিসেবে হাজির হয়।
(সহিহ ইবনু খুযাইমা ১৭৬৬)
#সাত. ফেরেশতারা দুয়া করেন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য। (বুখারী: ১৩৭৪)
#আট. গোনাহ মাফ হয়। (তিরমিজি: ২৬১৬)
#নয়. জান্নাত নসিব হয়। (সহিহ বুখারী: ১৮৯৭)
#আমলি_টিপস
Abdullah Al Monsur
পুরুষ একই সময় একাধিক নারীতে আসক্ত হতে পারে, এবং ভালোও বাসতে পারে, এটা পুরুষদের একটা কমন বৈশিষ্ট্য। যে দু'একজন অস্বীকার করবে তারা কখনোই দলিল নয়।
আচ্ছা একজন পুরুষ হিসেবে আর্থিক শারীরিক দায়িত্বের দিক দিয়ে কেন আপনি আমি পারফেক্ট নয়! এই প্রশ্ন নিজেকে কেন করি না? একজন স্ত্রীর দায়িত্ব নিতেই ভারতীয় উপমহাদেশের পুরুষরা অনেকাংশে ব্যর্থ, এটা স্বীকার করতে এত লজ্জা কিসের?
গতকাল একাধিক বিয়ের পোস্ট দিয়েছিলাম। কিছু ভাই এমন ভাবে কমেন্ট করলেন, মনে হয় নিজে সব ক্ষেত্রে পারফেক্ট। অথচ নিজের আর্থিক, শারীরিক, দায়িত্বহীনতার মতো সত্য কথা স্বীকার করেন না।
যেখানে আরব কান্ট্রিগুলোতে একাধিক বিয়ে বা উপযুক্ত বয়সে বিয়ে একটা কমন বিষয়। অথচ আমাদের আর্থিক যোগ্যতা অর্জন করতে করতে শারীরিক যোগ্যতায়ও ভাটা পড়ে। এটা স্বীকার করতে এত লজ্জা কিসের?
তবে সমস্যা পুরুষের আর্থিক যোগ্যতায় নয়, কারণ অনেক পুরুষ বাংলাদেশেও আছে একাধিক বিয়ের যোগ্যতা রাখে। তাই সমস্যা হলো নারীদের অধিক চাহিদায়। অর্থাৎ নারী তিনজনের সম্পদ একজনে খেতে চায়।
ধরুন আমাদের দেশে সরকারি চাকরিতে সাধারণত মাসে বিশ হাজার টাকা আয় করতে পারলেই বিয়ে করার জন্য অসংখ্য মেয়ে পাওয়া যায়।
তাহলে দেখুন যার চল্লিশ হাজার টাকা। তখন সেই পুরুষ তো দুজন স্ত্রী ডিজার্ভ করে। তখন দেখবেন তার এক স্ত্রী আরেক বৌ চলার মতো খরচ নিজে একা করছে। আবার ওদিকে পুরুষের আর্থিক যোগ্যতা থাকলেও শারীরিক যোগ্যতা, সংসারের দায়িত্বহীনতা। এসব স্বীকার করতে লজ্জা পাওয়ার কিছু নাই।
যখন মেয়েরা দেখবে টাকা ওয়ালা পুরুষরা এভাবে একাধিক বিয়ে করছে। তখন মেয়েরাও সতীনের ভয়ে তাদের চাহিদা কমিয়ে দিয়ে কম টাকা ওয়ালা মধ্যবিত্ত পুরুষেই সন্তুষ্ট থাকবে। একাধিক বিয়ের প্রচলন নাই, তাই দেখবেন গ্রামের পিন্টু চাচার বারো রাইস খাওয়া মেয়েও গভ. জব ওয়ালা পুরুষের একমাত্র স্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখে।
কিন্তু টাকা ওয়ালা পুরুষের একাধিক বিয়ের প্রচলন থাকলে মেয়েরা সেই স্বপ্ন দেখার সাহস আর করতো না। আর কম টাকা ওয়ালা আপনিও এখন আনম্যারিড থাকতেন না। কিংবা ম্যারিড হলেও বৌ বেশি টাকা ওয়ালা পুরুষের সাথে খোটা দিয়ে তুলনা করতো না, বরং কম টাকায় আরো শুকরিয়া আদায় করতো সতীনের ভয়ে।
Be Real Man আইডি/পেইজ থেকে
আচ্ছা একজন পুরুষ হিসেবে আর্থিক শারীরিক দায়িত্বের দিক দিয়ে কেন আপনি আমি পারফেক্ট নয়! এই প্রশ্ন নিজেকে কেন করি না? একজন স্ত্রীর দায়িত্ব নিতেই ভারতীয় উপমহাদেশের পুরুষরা অনেকাংশে ব্যর্থ, এটা স্বীকার করতে এত লজ্জা কিসের?
গতকাল একাধিক বিয়ের পোস্ট দিয়েছিলাম। কিছু ভাই এমন ভাবে কমেন্ট করলেন, মনে হয় নিজে সব ক্ষেত্রে পারফেক্ট। অথচ নিজের আর্থিক, শারীরিক, দায়িত্বহীনতার মতো সত্য কথা স্বীকার করেন না।
যেখানে আরব কান্ট্রিগুলোতে একাধিক বিয়ে বা উপযুক্ত বয়সে বিয়ে একটা কমন বিষয়। অথচ আমাদের আর্থিক যোগ্যতা অর্জন করতে করতে শারীরিক যোগ্যতায়ও ভাটা পড়ে। এটা স্বীকার করতে এত লজ্জা কিসের?
তবে সমস্যা পুরুষের আর্থিক যোগ্যতায় নয়, কারণ অনেক পুরুষ বাংলাদেশেও আছে একাধিক বিয়ের যোগ্যতা রাখে। তাই সমস্যা হলো নারীদের অধিক চাহিদায়। অর্থাৎ নারী তিনজনের সম্পদ একজনে খেতে চায়।
ধরুন আমাদের দেশে সরকারি চাকরিতে সাধারণত মাসে বিশ হাজার টাকা আয় করতে পারলেই বিয়ে করার জন্য অসংখ্য মেয়ে পাওয়া যায়।
তাহলে দেখুন যার চল্লিশ হাজার টাকা। তখন সেই পুরুষ তো দুজন স্ত্রী ডিজার্ভ করে। তখন দেখবেন তার এক স্ত্রী আরেক বৌ চলার মতো খরচ নিজে একা করছে। আবার ওদিকে পুরুষের আর্থিক যোগ্যতা থাকলেও শারীরিক যোগ্যতা, সংসারের দায়িত্বহীনতা। এসব স্বীকার করতে লজ্জা পাওয়ার কিছু নাই।
যখন মেয়েরা দেখবে টাকা ওয়ালা পুরুষরা এভাবে একাধিক বিয়ে করছে। তখন মেয়েরাও সতীনের ভয়ে তাদের চাহিদা কমিয়ে দিয়ে কম টাকা ওয়ালা মধ্যবিত্ত পুরুষেই সন্তুষ্ট থাকবে। একাধিক বিয়ের প্রচলন নাই, তাই দেখবেন গ্রামের পিন্টু চাচার বারো রাইস খাওয়া মেয়েও গভ. জব ওয়ালা পুরুষের একমাত্র স্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখে।
কিন্তু টাকা ওয়ালা পুরুষের একাধিক বিয়ের প্রচলন থাকলে মেয়েরা সেই স্বপ্ন দেখার সাহস আর করতো না। আর কম টাকা ওয়ালা আপনিও এখন আনম্যারিড থাকতেন না। কিংবা ম্যারিড হলেও বৌ বেশি টাকা ওয়ালা পুরুষের সাথে খোটা দিয়ে তুলনা করতো না, বরং কম টাকায় আরো শুকরিয়া আদায় করতো সতীনের ভয়ে।
Be Real Man আইডি/পেইজ থেকে
Result
New Zealand vs Bangladesh, 1st T20I
Bangladesh tour of New Zealand
NZ 134/9
BAN 137/5
Bangladesh won by 5 wickets (with 8 balls remaining)
Click here to view more @espncricinfo :https://www.espncricinfo.com/series/bangladesh-in-new-zealand-2023-24-1388181/new-zealand-vs-bangladesh-1st-t20i-1388213/full-scorecard
New Zealand vs Bangladesh, 1st T20I
Bangladesh tour of New Zealand
NZ 134/9
BAN 137/5
Bangladesh won by 5 wickets (with 8 balls remaining)
Click here to view more @espncricinfo :https://www.espncricinfo.com/series/bangladesh-in-new-zealand-2023-24-1388181/new-zealand-vs-bangladesh-1st-t20i-1388213/full-scorecard
ESPNcricinfo
NZ vs BAN, Bangladesh in New Zealand 2023/24, 1st T20I at Napier, December 27, 2023 - Full Scorecard
Get cricket scorecard of 1st T20I, NZ vs BAN, Bangladesh in New Zealand 2023/24 at McLean Park, Napier dated December 27, 2023.
12th Fail নিয়ে বাঙ্গালদের আবেগ একদম উথলে উঠছে। আরে আবালা পোলাপান, এর কাহিনিতেই তো প্রব্লেম আছে। গফ ইন্সপাইরেশন দিছে, তাই মনোজ আইপিএস হইছে - এই ফালতু কনসেপ্ট কেম্নে তোদের মাথায় আসে? সে আই লাভ ইউ না বললে আইপিএস হতে পারতো না মনোজ? সবচেয়ে বড় ইন্সপাইরেশন তো বাপ-মা। যার বাপ-মা ছাড়াও গার্লফ্রেন্ডের প্রণোদনা লাগে, সে বিয়ের পর বাপ-মারে ছুঁড়ে ফেলে সেই গফ বা বউয়েরই চামচামি করবে। দুঃখজনক হলেও এটাই সত্য। এটা কোনো মোটিভেশনাল স্টোরি না, এটাকে আমি লাভ স্টোরিই বরং বলবো। এসব সিনেমাতেই মানায়। বাস্তবে গার্লফ্রেন্ডের পাল্লায় পড়লে পোলাপান পড়াশোনা থেকে বরং কনসান্ট্রেশনটাই হারিয়ে ফেলে। বাপের কষ্টের পয়সা, সময়, শক্তির নিদারুণ অপচয় করে পোলাপান নিজের ক্যারিয়ারটা নষ্ট করে।
বহুত হাইপ দেখে মুভিটা দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এখন মনে হলো জীবন থেকে মূল্যবান আড়াই ঘন্টা হারিয়ে গেছে। এসব অলীক কাহিনীর সিনেমা দেখিয়ে যারা মানুষের সময় নষ্ট করে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। আমার আড়াই ঘন্টা ফিরিয়ে দে!
#UnpopularOpinion নামে একটা পেইজের লেখা
বহুত হাইপ দেখে মুভিটা দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এখন মনে হলো জীবন থেকে মূল্যবান আড়াই ঘন্টা হারিয়ে গেছে। এসব অলীক কাহিনীর সিনেমা দেখিয়ে যারা মানুষের সময় নষ্ট করে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। আমার আড়াই ঘন্টা ফিরিয়ে দে!
#UnpopularOpinion নামে একটা পেইজের লেখা
চিরকালের রক্তচোষা মোবাইল অপারেটর হিসেবে পরিচিত গ্রামীণফোন আচমকা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সর্বনিম্ন রিচার্জ ৩০ টাকা করার। কিন্তু সাধারণ জনতার তীব্র প্রতিবাদ, ট্রল ও আপত্তির মুখে আজ তারা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
মানুষের প্রতিবাদের কি শক্তি! আফসোস... সমাজের প্রতিটা অনাচার, দুর্নীতি, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সবাই যদি এভাবেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করতো! তাহলে হয়তো দেশে কোনো অবিচার, অন্যায়ই থাকতো না।
https://www.jagonews24.com/m/technology/news/914452
মানুষের প্রতিবাদের কি শক্তি! আফসোস... সমাজের প্রতিটা অনাচার, দুর্নীতি, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সবাই যদি এভাবেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করতো! তাহলে হয়তো দেশে কোনো অবিচার, অন্যায়ই থাকতো না।
https://www.jagonews24.com/m/technology/news/914452
Jagonews24
গ্রাহকদের আপত্তির মুখে পিছু হটলো গ্রামীণফোন
৩০ টাকার নিচে গ্রামীণফোনের সিমে রিচার্জ করা যাবে না- এমন নিয়ম চালুর কথা জানানোর পর থেকেই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা...
প্রিয় শায়খ আহমাদুল্লাহ সাহেবের কিছু সাহসী উচ্চারণ ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামিতা ইস্যুতে। ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
https://fb.watch/pvNVBnxspc/?mibextid=Nif5oz
https://fb.watch/pvNVBnxspc/?mibextid=Nif5oz
আলহামদুলিল্লাহ, পিওর/অরিজিনাল ঢাকাইয়া হলেও জীবনে এসব "সাকরাইন" এর মতো ফালতু কাজে জড়াইনি, সাপোর্টও করিনি। মানুষের মুখে অনেক টিপ্পনী-বিদ্রুপ শুনেছি যে তুই তো ঢাকাইয়া নামের কলংক, তোর অরিজিন ভিন্ন কোনো ডিস্ট্রিক্ট... কিন্তু তাতেও এসবের বিরোধিতা থেকে কখনোই পিছপা হইনি। এই মকর/পৌষ সংক্রান্তির ঘুড়ি উৎসব গুজরাট তথা ভারত থেকে একটি বিশেষ ধর্মের মাধ্যমে আগত। এসব হতে তাই শুরু থেকেই দূরে আছি। গত কিছু বছর যাবৎ গ্রামীণফোন স্পন্সর করে একে একটা সার্বজনীন রুপ দেয়ার চেষ্টা করছে। আর বলা চলে কিছু ভিন্নধর্মের পুরান ঢাকাবাসীর সাথে শহরের অভিজাত এলাকার লাফাঙ্গা পোলাপান যারা বেহায়াপনাতে লিপ্ত থাকতে খুবই পছন্দ করে, তাদের হুজুগের উপরই টিকে আছে এসব।
পুরান ঢাকার শুধু কিছু বিশেষ অঞ্চল যেমন একটি বিশেষ ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত তাঁতী/শাঁখারীবাজার আর সূত্রাপুর-নারিন্দা....সাকরাইনের ব্যাপ্তি মূলত এই সামান্য এলাকাগুলোর মধ্যেই। পুরান ঢাকা এরিয়াটা বিশাল। বংশাল থেকে সুদূর লালবাগ পর্যন্ত এই অংশটা পুরোনো ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বলা চলে। এখানে সাকরাইন পালন তো দূর, এরা নামটা পর্যন্ত কেউ উচ্চারণ করে না। শীতকালে প্রায় প্রতিটা বাসায় ঘুড়ি ওড়ানোর মহোৎসব দেখা যায় ঠিকই, কিন্তু সেসব এলাকার মতো অশ্লীল নর্তন-কুর্দন, ডিজে, বেলেল্লাপনা, আতশবাজি, লাইটিংস, ফানুস, মদ-গাঁজার পার্টি এসবের বিন্দুমাত্র উপস্থিতি থাকে না। যে সময়টায় এসব শুরু হয়, সেটা মাগরিবের আযান ও নামাযের সময়। আযানের তোয়াক্কা না করেই চলতে থাকে ভিন্নধর্মের,ভিন্নরাষ্ট্রের অনুকরণে এই "উৎসব" (!)... ফরিদাবাদ মাদ্রাসার ছাত্রভাইদের মুবারাকবাদ, যে তারা এই নোংরামির প্রতিবাদ করেছেন আর ভবিষ্যতে এমনটা হবে না সেই প্রতিশ্রুতি আদায় করেই ছেড়েছেন।
আল্লাহ হিফাযাত করুন আমাদের...
(বি:দ্র: লালবাগের লোকজনের কাছে শোনা, কর্তৃপক্ষ নাকি নিজেই ফান্ডিং আর তাগিদ দিয়েছে এসব বেহায়াপনার আয়োজনের। চিন্তা করুন, ব্যাপারটা কোথায় পৌঁছে গেছে!)
বেহায়াপনার একটা স্যাম্পল দেখুন : https://fb.watch/pB4HEP5dqT/?mibextid=Nif5oz
ফরিদাবাদ মাদ্রাসার ছাত্রভাইদের প্রতিবাদ : https://fb.watch/pB4OhJXg4J/?mibextid=Nif5oz
পুরান ঢাকার শুধু কিছু বিশেষ অঞ্চল যেমন একটি বিশেষ ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত তাঁতী/শাঁখারীবাজার আর সূত্রাপুর-নারিন্দা....সাকরাইনের ব্যাপ্তি মূলত এই সামান্য এলাকাগুলোর মধ্যেই। পুরান ঢাকা এরিয়াটা বিশাল। বংশাল থেকে সুদূর লালবাগ পর্যন্ত এই অংশটা পুরোনো ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বলা চলে। এখানে সাকরাইন পালন তো দূর, এরা নামটা পর্যন্ত কেউ উচ্চারণ করে না। শীতকালে প্রায় প্রতিটা বাসায় ঘুড়ি ওড়ানোর মহোৎসব দেখা যায় ঠিকই, কিন্তু সেসব এলাকার মতো অশ্লীল নর্তন-কুর্দন, ডিজে, বেলেল্লাপনা, আতশবাজি, লাইটিংস, ফানুস, মদ-গাঁজার পার্টি এসবের বিন্দুমাত্র উপস্থিতি থাকে না। যে সময়টায় এসব শুরু হয়, সেটা মাগরিবের আযান ও নামাযের সময়। আযানের তোয়াক্কা না করেই চলতে থাকে ভিন্নধর্মের,ভিন্নরাষ্ট্রের অনুকরণে এই "উৎসব" (!)... ফরিদাবাদ মাদ্রাসার ছাত্রভাইদের মুবারাকবাদ, যে তারা এই নোংরামির প্রতিবাদ করেছেন আর ভবিষ্যতে এমনটা হবে না সেই প্রতিশ্রুতি আদায় করেই ছেড়েছেন।
আল্লাহ হিফাযাত করুন আমাদের...
(বি:দ্র: লালবাগের লোকজনের কাছে শোনা, কর্তৃপক্ষ নাকি নিজেই ফান্ডিং আর তাগিদ দিয়েছে এসব বেহায়াপনার আয়োজনের। চিন্তা করুন, ব্যাপারটা কোথায় পৌঁছে গেছে!)
বেহায়াপনার একটা স্যাম্পল দেখুন : https://fb.watch/pB4HEP5dqT/?mibextid=Nif5oz
ফরিদাবাদ মাদ্রাসার ছাত্রভাইদের প্রতিবাদ : https://fb.watch/pB4OhJXg4J/?mibextid=Nif5oz
নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে নিয়ে মীর সালমান শামিলের একটি সময়োপযোগী লেখা-
স্মরণ: খাজা সলিমুল্লাহ— অকালে ঝরে পরা এক ডেফোডিল
--------------------------------------------------------------
আচ্ছা একটা প্রশ্ন, খাজা সলিমুল্লাহ কত বছর বয়েসে মারা যান? ...৬০?! ...৭০? নাকি ৮০?। উত্তর মাথায় রাখুন।
খাজা সলিমুল্লাহ কি কি করেছেন তার একটা নমুনা বলি। শুধু মাত্র গুরুত্বপূর্ণ গুলো—
১। মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা।
২। বাংলা-আসাম শিক্ষা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা।
৩। আলীগড় আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য।
৪। ভারতে মুসলমানদের শিক্ষা বিস্তারে অল-ইন্ডিয়া মােহামেডান এডুকেশন্যাল কাউন্সিল গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা।
৫। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
৬। বঙ্গভঙ্গে পূর্ব বাংলার মানুষদের নেতৃত্ব দান।
৭। আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বুয়েট) এর প্রতিষ্ঠাতা।
এর যেকোন একটিই একজন ব্যক্তির সুদীর্ঘ জীবনের পরিচয়ের জন্য যথেষ্ট। তিনি সবকিছু করেছেন। কত বছরে? মাত্র চুয়াল্লিশ বছর...!!
তিনি মাত্র চুয়াল্লিশ বছর বয়েসে ইন্তেকাল করেন। উনার মৃত্যু সম্পর্কে কিছু খোঁজ করে তেমন বিশদ কোন নিবন্ধ পেলাম না। দুইটা তথ্য পেলাম। তবে দুইজনের বর্ণনা আবার ভিন্ন। কিন্তু দুইজনই বলেছেন উনার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না এবং মৃত্যুর পরে ব্রিটিশ সরকার পরিবারকে খাজা সলিমুল্লাহর মৃতদেহ দেখতে দেয়নি। আর জীবিত অবস্থায় বেশ কয়েকবার গুপ্ত ঘাতক খাজা সলিমুল্লাহকে হত্যার চেস্টা করে।
এক-
❝...খাজা শামসুল হকের ডায়রিতে নওয়াব সলিমুল্লাহর লাশ দাফনের সময়কার কিছু রহস্যজনক রেফারেন্স রয়েছে। খাজা শাসমুল হক ছিলেন নওয়াব সলিমুল্লাহর ১৪/১৫ বছরের ছােট। তিনি ১৯০৫ থেকে মৃত্যুর আগে ১৯৭৭ পর্যন্ত নিয়মিত ডায়েরি লিখেছেন। তাঁর ডায়রিতে নওয়াব পরিবারের অনেক অজানা ঘটনারও তথ্যের উল্লেখ রয়েছে। নওয়াব সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পরে উদ্ভুত ঘটনাও তার মনে নিশ্চয়ই রেখাপাত করেছিল। তাই তিনি সেসব অকপটে লিখেও গেছেন। সলিমুল্লাহর স্বাভাবিক মৃত্যু হলে তার লাশ নওয়াব পরিবারের লােকজনের দেখাতে বা স্পর্শ করতে দিতে কি বাঁধা ছিল? আর লাশ দাফনের সময় এত কঠোর পুলিশী নিরাপত্তাই ছিল কেন?
তা হলে কি নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহর স্বাভাবিক মৃত্যু হনি? এ প্রশ্ন অবশ্যই উঠার কথা। ব্যক্তিগতভাবে নওয়াব পরিবারের বিভিন্নজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায় যে, তাঁদেরও বিশ্বাস নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। ঢাকা পৌরসভার সাবেক কমিশনার রাজনৈতিক ও সমাজকর্মী খাজা মােহাম্মদ হালিম বলেন, আমার দাদা খাজা আবদুর রহিম ও চাচা খাজা মােহাম্মদ আলীম ছিলেন নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহর সমসাময়িক। তাদের কাছে নওয়াব সাহেব প্রায়ই বলতেন 'বাংলা একদিন স্বাধীন হবে। এ কারণে নওয়াব সলিমুল্লাহ বৃটিশ ও তার দোসরদের কাছে সব সময়ই বিপজ্জনক ছিলেন। এজন্যেই তাকে কৌশলে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পর তাঁর লাশ আমাদের পরিবারের সদস্যদেরকে কাউকে দেখতেও দেয়া হয়নি। শুনেছি শুর্থা সৈন্যরা একমাস ধরে তাঁর কবর পাহারা দিয়েছিল। কাউকে কবরের পাশে ঘেঁষতে দেয়নি। তাই স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ করা হয় যে, নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহকে কলকাতায় বিষ প্রয়ােগে হত্যা করা হয়েছিল। অবশ্য এ ব্যাপারে কোন প্রমাণ নেই।
নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহকে কলকাতায় বিষ প্রয়ােগেই হত্যা করা হয়েছিল। একথা আমি শুনেছি নওয়াবের স্ত্রী আজিজ বেগমের কাছ থেকেও। আজিজ বেগম ছিলেন আমার নানীর ভাই কাজী আবদুল কাইউমের মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে এই কথা জানান জনাব মােহাম্মদ লাল মিঞা। জনাব লাল মিঞার জন্য ১৯০৯ সালে ঢাকায়। তিনি নওয়াব পরিবারের খাজা শামসুল হকের মেয়ের জামাই এবং পুরনাে ঢাকার প্রেক্ষাগৃহ প্যারাডাইস সিনেমা'র (অধুনালুপ্ত) মালিক। পুরানাে ঢাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করেছেন দৈনিক ইনকিলাব’-এর বিশেষ প্রতিনিধি জনাব নুরউদ্দিন ভূইয়া। নওয়াব পরিবারের একজন পুরনাে বিশ্বকর্মচারীর সূত্র ধরে তিনিও জানান যে মৃত্যুর পর নওয়াব সলিমুল্লাহর লাশ কাউকে দেখতে দেয়া হয়নি। শােনা যায় তাঁকে কলকাতায় বিষ প্রয়ােগে হত্যা করা হয়েছিল। ❞
— অনুপম হায়াৎ, নওয়াব পরিবারের ডায়েরিতে ঢাকার সমাজ এবং সংস্কৃতি, পৃঃ ৮২-৮৩
দুই-
❝...মৃত্যু সম্পর্কে নবাবের দুধমাতা (নবাবের মৃত্যুর পরও অনেক দিন বেঁচে ছিলেন) এবং ঢাকার কাদের সর্দারের উদ্ধৃতি দিয়ে ইতিহাসবিদ গবেষক কবি ফারুক মাহমুদ এ গ্রন্থাকারকে বলেছেনঃ “কোলকাতার ব্রহ্মাণ্যবাদী হিন্দুদের চক্রান্তের ফলে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে বড়লাটের সাথে নবাবের মতবিরোধ দেখা দেয় এবং উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে বড় লাট নবাবকে অপমানজনক কথা বলেন। তার সহ্য হয়নি। নবাবের সাথে সব সময় একটি ছড়ি থাকতো। সে ছড়ি দিয়ে নবাব বড় লাটের টেবিলে আঘাত করেন। এ নিয়ে চরম তীর্যক বাদানুবাদ শুরু হয়। এক পর্যায়ে বড় লাটের ইঙ্গিতে তার দেহরক্ষী নবাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় নিশ্চিদ্র প্রহরায়
স্মরণ: খাজা সলিমুল্লাহ— অকালে ঝরে পরা এক ডেফোডিল
--------------------------------------------------------------
আচ্ছা একটা প্রশ্ন, খাজা সলিমুল্লাহ কত বছর বয়েসে মারা যান? ...৬০?! ...৭০? নাকি ৮০?। উত্তর মাথায় রাখুন।
খাজা সলিমুল্লাহ কি কি করেছেন তার একটা নমুনা বলি। শুধু মাত্র গুরুত্বপূর্ণ গুলো—
১। মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা।
২। বাংলা-আসাম শিক্ষা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা।
৩। আলীগড় আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য।
৪। ভারতে মুসলমানদের শিক্ষা বিস্তারে অল-ইন্ডিয়া মােহামেডান এডুকেশন্যাল কাউন্সিল গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা।
৫। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
৬। বঙ্গভঙ্গে পূর্ব বাংলার মানুষদের নেতৃত্ব দান।
৭। আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বুয়েট) এর প্রতিষ্ঠাতা।
এর যেকোন একটিই একজন ব্যক্তির সুদীর্ঘ জীবনের পরিচয়ের জন্য যথেষ্ট। তিনি সবকিছু করেছেন। কত বছরে? মাত্র চুয়াল্লিশ বছর...!!
তিনি মাত্র চুয়াল্লিশ বছর বয়েসে ইন্তেকাল করেন। উনার মৃত্যু সম্পর্কে কিছু খোঁজ করে তেমন বিশদ কোন নিবন্ধ পেলাম না। দুইটা তথ্য পেলাম। তবে দুইজনের বর্ণনা আবার ভিন্ন। কিন্তু দুইজনই বলেছেন উনার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না এবং মৃত্যুর পরে ব্রিটিশ সরকার পরিবারকে খাজা সলিমুল্লাহর মৃতদেহ দেখতে দেয়নি। আর জীবিত অবস্থায় বেশ কয়েকবার গুপ্ত ঘাতক খাজা সলিমুল্লাহকে হত্যার চেস্টা করে।
এক-
❝...খাজা শামসুল হকের ডায়রিতে নওয়াব সলিমুল্লাহর লাশ দাফনের সময়কার কিছু রহস্যজনক রেফারেন্স রয়েছে। খাজা শাসমুল হক ছিলেন নওয়াব সলিমুল্লাহর ১৪/১৫ বছরের ছােট। তিনি ১৯০৫ থেকে মৃত্যুর আগে ১৯৭৭ পর্যন্ত নিয়মিত ডায়েরি লিখেছেন। তাঁর ডায়রিতে নওয়াব পরিবারের অনেক অজানা ঘটনারও তথ্যের উল্লেখ রয়েছে। নওয়াব সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পরে উদ্ভুত ঘটনাও তার মনে নিশ্চয়ই রেখাপাত করেছিল। তাই তিনি সেসব অকপটে লিখেও গেছেন। সলিমুল্লাহর স্বাভাবিক মৃত্যু হলে তার লাশ নওয়াব পরিবারের লােকজনের দেখাতে বা স্পর্শ করতে দিতে কি বাঁধা ছিল? আর লাশ দাফনের সময় এত কঠোর পুলিশী নিরাপত্তাই ছিল কেন?
তা হলে কি নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহর স্বাভাবিক মৃত্যু হনি? এ প্রশ্ন অবশ্যই উঠার কথা। ব্যক্তিগতভাবে নওয়াব পরিবারের বিভিন্নজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায় যে, তাঁদেরও বিশ্বাস নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। ঢাকা পৌরসভার সাবেক কমিশনার রাজনৈতিক ও সমাজকর্মী খাজা মােহাম্মদ হালিম বলেন, আমার দাদা খাজা আবদুর রহিম ও চাচা খাজা মােহাম্মদ আলীম ছিলেন নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহর সমসাময়িক। তাদের কাছে নওয়াব সাহেব প্রায়ই বলতেন 'বাংলা একদিন স্বাধীন হবে। এ কারণে নওয়াব সলিমুল্লাহ বৃটিশ ও তার দোসরদের কাছে সব সময়ই বিপজ্জনক ছিলেন। এজন্যেই তাকে কৌশলে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পর তাঁর লাশ আমাদের পরিবারের সদস্যদেরকে কাউকে দেখতেও দেয়া হয়নি। শুনেছি শুর্থা সৈন্যরা একমাস ধরে তাঁর কবর পাহারা দিয়েছিল। কাউকে কবরের পাশে ঘেঁষতে দেয়নি। তাই স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ করা হয় যে, নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহকে কলকাতায় বিষ প্রয়ােগে হত্যা করা হয়েছিল। অবশ্য এ ব্যাপারে কোন প্রমাণ নেই।
নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহকে কলকাতায় বিষ প্রয়ােগেই হত্যা করা হয়েছিল। একথা আমি শুনেছি নওয়াবের স্ত্রী আজিজ বেগমের কাছ থেকেও। আজিজ বেগম ছিলেন আমার নানীর ভাই কাজী আবদুল কাইউমের মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে এই কথা জানান জনাব মােহাম্মদ লাল মিঞা। জনাব লাল মিঞার জন্য ১৯০৯ সালে ঢাকায়। তিনি নওয়াব পরিবারের খাজা শামসুল হকের মেয়ের জামাই এবং পুরনাে ঢাকার প্রেক্ষাগৃহ প্যারাডাইস সিনেমা'র (অধুনালুপ্ত) মালিক। পুরানাে ঢাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করেছেন দৈনিক ইনকিলাব’-এর বিশেষ প্রতিনিধি জনাব নুরউদ্দিন ভূইয়া। নওয়াব পরিবারের একজন পুরনাে বিশ্বকর্মচারীর সূত্র ধরে তিনিও জানান যে মৃত্যুর পর নওয়াব সলিমুল্লাহর লাশ কাউকে দেখতে দেয়া হয়নি। শােনা যায় তাঁকে কলকাতায় বিষ প্রয়ােগে হত্যা করা হয়েছিল। ❞
— অনুপম হায়াৎ, নওয়াব পরিবারের ডায়েরিতে ঢাকার সমাজ এবং সংস্কৃতি, পৃঃ ৮২-৮৩
দুই-
❝...মৃত্যু সম্পর্কে নবাবের দুধমাতা (নবাবের মৃত্যুর পরও অনেক দিন বেঁচে ছিলেন) এবং ঢাকার কাদের সর্দারের উদ্ধৃতি দিয়ে ইতিহাসবিদ গবেষক কবি ফারুক মাহমুদ এ গ্রন্থাকারকে বলেছেনঃ “কোলকাতার ব্রহ্মাণ্যবাদী হিন্দুদের চক্রান্তের ফলে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে বড়লাটের সাথে নবাবের মতবিরোধ দেখা দেয় এবং উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে বড় লাট নবাবকে অপমানজনক কথা বলেন। তার সহ্য হয়নি। নবাবের সাথে সব সময় একটি ছড়ি থাকতো। সে ছড়ি দিয়ে নবাব বড় লাটের টেবিলে আঘাত করেন। এ নিয়ে চরম তীর্যক বাদানুবাদ শুরু হয়। এক পর্যায়ে বড় লাটের ইঙ্গিতে তার দেহরক্ষী নবাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় নিশ্চিদ্র প্রহরায়
'নারীরা হলো শয়তানের ফাঁদ।'
'আমি আমার পর পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক অন্য কোনো ফিতনা রেখে যাচ্ছি না!'
নারীকে মা হিসেবে, স্ত্রী হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বোন হিসেবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঠিক কতটা ভালোবাসতেন? তাদের কতটা সম্মান ও মর্যাদা দিতেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলতেই হয়—নবিজি তাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মান, মর্যাদা ও ভালোবাসা দিতেন। যা তাঁর কথা-কাজ, আচার-আচরণ ও নীতি-নৈতিকতায় দেদীপ্যমান হয়ে আছে। তিনি বলেছেন, 'কোনো পুরুষ ভালো না মন্দ; তার প্রমাণ মিলবে তার স্ত্রীর কথায়। স্ত্রী ভালো বললে সে ভালো, নতুবা সে ভালো নয়।' পুরুষ জাতিকে সতর্ক করে বলেছেন, 'নারীরা কেবল আল্লাহ তাআলার দাসী; তোমাদের নয়। সুতরাং কখনোই তাদের মারধর করবে না।’ আরও বলেছেন, 'নারীরা স্বচ্ছ কাচ, সাবধানে চলো, নয়তো ওরা কষ্ট পেয়ে ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাবে।' মায়ের মর্যাদা বৃদ্ধি করে বলেছেন, 'মায়ের সেবায় সন্তানের জান্নাত।' এক হাদিসে এসেছে, 'মায়ের মর্যাদা পিতার চার গুণ বেশি।' কন্যা সন্তানের সম্মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাদিসে এসেছে, 'কন্যা সন্তান জান্নাত লাভের কারণ।' বোন হিসেবেও নারী জান্নাত লাভের কারণ। হাদিসের ভাষায়, 'যে ভাই তার বোনকে উত্তম সাহচর্যে রেখে লালন-পালন করবে, তার জন্য রয়েছে জান্নাত।' পুরো নারী জাতির মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রেখে বলেছেন, 'পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হচ্ছে সৎ চরিত্রবান নারী।' শুধু কি তাই? প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের আবেগ-অনুভূতি; এমনকি ন্যূনতম কষ্টের প্রতিও যথেষ্ট খেয়াল রাখতেন। তিনি বলেছেন, 'আমি যদি নামাজে দাঁড়িয়ে তা দীর্ঘ করার ইচ্ছা রাখি, এমতবস্থায় যদি শিশুর কান্নার আওয়াজ পাই, তাহলে শিশুর মায়ের কষ্ট হবে ভেবে নামাজ ছেড়ে বাচ্চার কান্না থামাব।'
এতটাই মর্যাদা দিতেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের। এতটাই ভালোবাসতেন নবিজি তাদের। অথচ সেই তিনিই কিনা বলেছেন, 'নারীরা হলো শয়তানের ফাঁদ।' অন্যত্র বলেছেন, 'আমি আমার পর পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক অন্য কোনো ফিতনা রেখে যাচ্ছি না!' কেন? কেন এত কঠিন মন্তব্য করেছেন প্রাণের নবি মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? কী নিগুঢ় রহস্য লুকিয়ে আছে এতে? সকল নারীই কি এর অন্তর্ভূক্ত? প্রিয় পাঠক! সাদা কাগজে কালো হরফে লেখা বক্ষমান এই গ্রন্থের প্রতিটি পাতায় এর মোক্ষম জবাব পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ। চলুন, শুরু করা যাক...
ফিতনাতুন নিসা
শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ , সালিম আবদুল্লাহ (অনুবাদক)
'আমি আমার পর পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক অন্য কোনো ফিতনা রেখে যাচ্ছি না!'
নারীকে মা হিসেবে, স্ত্রী হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বোন হিসেবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঠিক কতটা ভালোবাসতেন? তাদের কতটা সম্মান ও মর্যাদা দিতেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলতেই হয়—নবিজি তাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মান, মর্যাদা ও ভালোবাসা দিতেন। যা তাঁর কথা-কাজ, আচার-আচরণ ও নীতি-নৈতিকতায় দেদীপ্যমান হয়ে আছে। তিনি বলেছেন, 'কোনো পুরুষ ভালো না মন্দ; তার প্রমাণ মিলবে তার স্ত্রীর কথায়। স্ত্রী ভালো বললে সে ভালো, নতুবা সে ভালো নয়।' পুরুষ জাতিকে সতর্ক করে বলেছেন, 'নারীরা কেবল আল্লাহ তাআলার দাসী; তোমাদের নয়। সুতরাং কখনোই তাদের মারধর করবে না।’ আরও বলেছেন, 'নারীরা স্বচ্ছ কাচ, সাবধানে চলো, নয়তো ওরা কষ্ট পেয়ে ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাবে।' মায়ের মর্যাদা বৃদ্ধি করে বলেছেন, 'মায়ের সেবায় সন্তানের জান্নাত।' এক হাদিসে এসেছে, 'মায়ের মর্যাদা পিতার চার গুণ বেশি।' কন্যা সন্তানের সম্মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাদিসে এসেছে, 'কন্যা সন্তান জান্নাত লাভের কারণ।' বোন হিসেবেও নারী জান্নাত লাভের কারণ। হাদিসের ভাষায়, 'যে ভাই তার বোনকে উত্তম সাহচর্যে রেখে লালন-পালন করবে, তার জন্য রয়েছে জান্নাত।' পুরো নারী জাতির মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রেখে বলেছেন, 'পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হচ্ছে সৎ চরিত্রবান নারী।' শুধু কি তাই? প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের আবেগ-অনুভূতি; এমনকি ন্যূনতম কষ্টের প্রতিও যথেষ্ট খেয়াল রাখতেন। তিনি বলেছেন, 'আমি যদি নামাজে দাঁড়িয়ে তা দীর্ঘ করার ইচ্ছা রাখি, এমতবস্থায় যদি শিশুর কান্নার আওয়াজ পাই, তাহলে শিশুর মায়ের কষ্ট হবে ভেবে নামাজ ছেড়ে বাচ্চার কান্না থামাব।'
এতটাই মর্যাদা দিতেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের। এতটাই ভালোবাসতেন নবিজি তাদের। অথচ সেই তিনিই কিনা বলেছেন, 'নারীরা হলো শয়তানের ফাঁদ।' অন্যত্র বলেছেন, 'আমি আমার পর পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক অন্য কোনো ফিতনা রেখে যাচ্ছি না!' কেন? কেন এত কঠিন মন্তব্য করেছেন প্রাণের নবি মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? কী নিগুঢ় রহস্য লুকিয়ে আছে এতে? সকল নারীই কি এর অন্তর্ভূক্ত? প্রিয় পাঠক! সাদা কাগজে কালো হরফে লেখা বক্ষমান এই গ্রন্থের প্রতিটি পাতায় এর মোক্ষম জবাব পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ। চলুন, শুরু করা যাক...
ফিতনাতুন নিসা
শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ , সালিম আবদুল্লাহ (অনুবাদক)
Rokomari
ফিতনাতুন নিসা - শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ, ক্যাটাগরিঃ নারী সম্পর্কীয়, মূল্যঃ 206.0, লিংকঃ www.rokomari.com/book/281149 , সার সংক্ষেপঃ নারীকে মা হিসেবে, স্ত্রী হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বোন হিসেবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঠিক কতটা ভালোবাসতেন? তাদের…
বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারিজম, সমকামিতাসহ পাশ্চাত্যের চাপিয়ে দেয়া ফিতনাগুলোর বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছেন যারা, তাদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য নাম আসিফ আদনান। এই ইস্যুতে চিন্তার খোরাক যোগানো কিছু গবেষণা লেখনী আছে তার। তন্মধ্যে বাংলাদেশে সমকামি এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও প্রসারের পুরোধা কারা, এ নিয়ে কিছু লেখা তার চিন্তাপরাধ সাইটে রয়েছে। এখানে সেভ করে রাখলাম।
https://chintaporadh.com/category/civilization-conflict
https://chintaporadh.com/category/civilization-conflict
বাংলাদেশে LGBTQ এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে কারা? এই ইতিহাস নিজে জানুন অপরকে জানান।
আসিফ আদনান ভাইয়ের লিখা ভুমিকাসহ মোট ৫ পর্বের এই পোস্ট লিংকঃ
ভুমিকাঃ
https://chintaporadh.com/id/9793
পর্বসমুহঃ
https://chintaporadh.com/id/9794
https://chintaporadh.com/id/9803
https://chintaporadh.com/id/9827
https://chintaporadh.com/id/9873
https://chintaporadh.com/id/9907
আসিফ আদনান ভাইয়ের লিখা ভুমিকাসহ মোট ৫ পর্বের এই পোস্ট লিংকঃ
ভুমিকাঃ
https://chintaporadh.com/id/9793
পর্বসমুহঃ
https://chintaporadh.com/id/9794
https://chintaporadh.com/id/9803
https://chintaporadh.com/id/9827
https://chintaporadh.com/id/9873
https://chintaporadh.com/id/9907
Asif Adnan - Archive
বাংলাদেশে এলজিবিটি এজেন্ডার নেপথ্যে কারা?
ভূমিকা বাংলাদেশে বিকৃত যৌনতার স্বাভাবিকীকরণের কার্যক্রম শুরু হয় নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে। পঁচিশ বছরের বেশি সময় ধরে নানান আঙ্গিকে কাজ কর্ম চলছে। মূল আলোচনাতে যাবার আগে, একটা সামারি দিয়ে দেই, বাংলাদেশে যতো ধরনের এলজিবিটি কর্মকান্ড হয়েছে সবগুলোর মধ্য
জারীর বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে সম্প্রদায় যখন বিভিন্ন পাপাচারে লিপ্ত হয়, তখন তাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি থাকে, যার বাধা দেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যদি তারা তাদেরকে বাধা না দেয় (এবং ঐ পাপাচরণ বন্ধ না করে), তাহলে (তাদের জীবদ্দশাতেই) মহান আল্লাহ তাদেরকে ব্যাপকভাবে তাঁর কোন শাস্তি ভোগ করান।”
📔 (আহমাদ ৪/৩৬৪, আবু দাউদ ৪৩৩৯, ইবনে মাজাহ ৪০০৯, ইবনে হিব্বান, সহীহ আবু দাউদ ৩৬৪৬)
✅ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে সম্প্রদায় যখন বিভিন্ন পাপাচারে লিপ্ত হয়, তখন তাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি থাকে, যার বাধা দেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যদি তারা তাদেরকে বাধা না দেয় (এবং ঐ পাপাচরণ বন্ধ না করে), তাহলে (তাদের জীবদ্দশাতেই) মহান আল্লাহ তাদেরকে ব্যাপকভাবে তাঁর কোন শাস্তি ভোগ করান।”
📔 (আহমাদ ৪/৩৬৪, আবু দাউদ ৪৩৩৯, ইবনে মাজাহ ৪০০৯, ইবনে হিব্বান, সহীহ আবু দাউদ ৩৬৪৬)
✅ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
"আজকে আমি ব্র্যাকে রেগুলার ক্লাস নিয়েছি। আমাকে এইমাত্র ফোন করে জানানো হয়েছে যে, আমি যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর ক্লাস না নিতে না যাই। আমি জানি না হটাৎ করে এই সিদ্ধান্ত তারা কেন নিলো। আমাকে কোনো কারণ তারা দেয়নি।
Time (12:35 AM) Explanatory note: There is still a question of verification if this caller is real or not. This could be a trap.
Time (7: 15 AM) It is confirmed that the call was legitimate. I am not to return and take classes until further notice."
- Asif Mahtab Utsha
বাংলাদেশে ট্র্যাশগন্ডার মতবাদের ব্যাপক প্রচলন ঘটাতে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ব্র্যাক তাদের আওকাত দেখিয়ে দিয়েছে। ভিডিওতে বই ছিঁড়ে ফেলা এই শিক্ষককে অব্যাহতি দিয়ে ব্র্যাক প্রমাণ করলো তারা আসলে কি চায়, কার হয়ে কাজ করছে। এই শিক্ষককে আল্লাহ ধৈর্য্য ধারণের তাওফীক দিন।
#BoycottBRAC
BRAC University এর সেই উৎস স্যারের বই ছেঁড়ার ভিডিও: https://fb.watch/pJNiFgCWwu/?mibextid=Nif5oz
Time (12:35 AM) Explanatory note: There is still a question of verification if this caller is real or not. This could be a trap.
Time (7: 15 AM) It is confirmed that the call was legitimate. I am not to return and take classes until further notice."
- Asif Mahtab Utsha
বাংলাদেশে ট্র্যাশগন্ডার মতবাদের ব্যাপক প্রচলন ঘটাতে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ব্র্যাক তাদের আওকাত দেখিয়ে দিয়েছে। ভিডিওতে বই ছিঁড়ে ফেলা এই শিক্ষককে অব্যাহতি দিয়ে ব্র্যাক প্রমাণ করলো তারা আসলে কি চায়, কার হয়ে কাজ করছে। এই শিক্ষককে আল্লাহ ধৈর্য্য ধারণের তাওফীক দিন।
#BoycottBRAC
BRAC University এর সেই উৎস স্যারের বই ছেঁড়ার ভিডিও: https://fb.watch/pJNiFgCWwu/?mibextid=Nif5oz
আমরা যে ব্র্যাক বয়কট করবো, বিকল্প কি? - এমন প্রশ্ন সবার মাথাতেই ঘুরপাক খাচ্ছে। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যে কয়টা বিকল্প ধরা পড়েছে, তা শেয়ার করার চেষ্টা করলাম।
এনজিওগুলো সাধারণত বিদেশী ফান্ড বা মদদপুষ্ট হয়ে থাকে। এসব সুদখোর ও বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী এনজিওগুলোকে আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে বয়কট করুন। ব্র্যাকসহ বিশ্বব্যাপী যত এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে, তাদের সকল প্রকার সহযোগিতা বন্ধ করুন। গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে আমরা জানি। এদের মাইক্রোক্রেডিট দ্বারা হাতেগোণা কয়েক পরিবার সামান্য সচ্ছলতার মুখ দেখলেও বেশিরভাগ পরিবার বা ব্যক্তিই ছিলো ক্ষতিগ্রস্ত। ব্র্যাকের ব্যাপারটাও অনেকটাই এমন। শিক্ষা, নারীর উন্নয়ন, শিশু কল্যাণসহ সবই আসলে স্ক্যাম!
এবার আসি আড়ং এ। এটি একটি জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউজ। ফ্যাশন ও স্টাইল সচেতন ইয়াং জেনারেশনের কাছে এটি একটি প্রায়োরিটির নাম। অনেকেই আড়ংকে বেঞ্চমার্কের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ঈদের পোশাকসহ গিফট আইটেম, শোপিস এমনকি বিউটি প্রোডাক্ট, ফুড আইটেম পর্যন্ত এটি মানুষের একদম গভীরে পৌঁছে আছে। অবস্থাসম্পন্নদের পাশাপাশি নিম্নবিত্তরাও এদের পোশাক বা অন্যান্য পণ্য ক্রয়ের চেষ্টা করে। পোশাক বেশি দামী হওয়ায় সুইচ করে নাগরদোলা, বাংলার মেলা, কে ক্র্যাফট, অঞ্জনস, নবরুপাতে আসা উচিত। সাদাকালোও ভালো। দেশীয় ফ্যাশনেবল পোশাক এরাও তৈরি করে। এছাড়া নুরজাহান-বদরুদ্দোজা রীতিমতো এক্সট্রিম লেভেলের পপুলার ছেলেদের কাছে। মেয়েরা ইস্টার্ন মল্লিকা, চাঁদনীচক, নিউমার্কেট, গাউসিয়াতে সুইচ করতে পারে। আবার ছেলেদের আরো আছে ক্যাটস আই, লে রেভে, ইলিয়েন, রাইস, সেইলর, ইনফিনিটি ইত্যাদির পোশাক আড়ং এর চেয়ে যথেষ্ট ভালো আর দামেও সাশ্রয়ী। বিউটি প্রোডাক্ট আড়ং এর পূর্বে মহিলারা যা ব্যবহার করেছে, সেটাই করবে। আর মিল্কভিটা, ইগলু তো দুধের জগতে সেরা নাম। আড়ং এর চেয়ে এদের ডেইরি প্রোডাক্ট যথেষ্ট ভালো।
মোবাইল ব্যাংকিং জগতে আবার যে কারোর চেয়ে ঢের এগিয়ে আছে বিকাশ। নগদ, রকেট, উপায়, শিওরক্যাশ, ট্যাপ কোনোটাই ধারেকাছেও নেই। এই সত্য মেনে নিয়েই আমাদের সুইচ করতে হবে নগদে অথবা রকেটে। ইসলামি ব্যাংক জয়বাংলা হয়ে যাওয়ার আগে দেশের সবচেয়ে পপুলার ব্যাংক ছিলো। ব্র্যাক ব্যাংকের বদলে এটাই সাজেস্ট করতাম। কিন্তু এখন আর ইচ্ছে করে না। ব্যাংকটা ধ্বংস হয়ে গেছে। ব্যাংকিং লেনদেন এমনিতেই হারাম মিশ্রিত, তবে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এসব নির্ভর হওয়ায় আমাদের ব্যাংকের দ্বারস্থ হতেই হয়। সেক্ষেত্রে ইবিএল, সিটি ব্যাংক, এমটিবিতে আমরা স্থানান্তরিত হতে পারি।
সবশেষে আসি ভার্সিটির ব্যাপারে। পাবলিক ভার্সিটির সিট কম থাকায় প্রাইভেটে একটা বড় অংশ ভর্তি হয়। যদিও একটা বড় অংশের ইউজিসির অ্যাপ্রুভাল নেই। আবার চাকরির বাজারে অনেক ভার্সিটির ডিমান্ড জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়েও কম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটা অপশন হতে পারে। আর তা না হলে এআইইউবি, নর্থ সাউথ, ইস্ট ওয়েস্ট, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও ভালো ভার্সিটি। ব্র্যাকে ভর্তি হতে না পারলে যে পড়াশোনাই হবে না, এই ভাবনা বৃথা।
এলজিবিটি প্রমোটার ও স্পন্সর ব্র্যাকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। পণ্য বয়কট করলে তাদের পতন অনিবার্য ইনশা আল্লাহ। আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করি। এই অল্পেই হবে অনেক। আল্লাহ তাওফীক দিন। আমীন
এনজিওগুলো সাধারণত বিদেশী ফান্ড বা মদদপুষ্ট হয়ে থাকে। এসব সুদখোর ও বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী এনজিওগুলোকে আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে বয়কট করুন। ব্র্যাকসহ বিশ্বব্যাপী যত এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে, তাদের সকল প্রকার সহযোগিতা বন্ধ করুন। গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে আমরা জানি। এদের মাইক্রোক্রেডিট দ্বারা হাতেগোণা কয়েক পরিবার সামান্য সচ্ছলতার মুখ দেখলেও বেশিরভাগ পরিবার বা ব্যক্তিই ছিলো ক্ষতিগ্রস্ত। ব্র্যাকের ব্যাপারটাও অনেকটাই এমন। শিক্ষা, নারীর উন্নয়ন, শিশু কল্যাণসহ সবই আসলে স্ক্যাম!
এবার আসি আড়ং এ। এটি একটি জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউজ। ফ্যাশন ও স্টাইল সচেতন ইয়াং জেনারেশনের কাছে এটি একটি প্রায়োরিটির নাম। অনেকেই আড়ংকে বেঞ্চমার্কের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ঈদের পোশাকসহ গিফট আইটেম, শোপিস এমনকি বিউটি প্রোডাক্ট, ফুড আইটেম পর্যন্ত এটি মানুষের একদম গভীরে পৌঁছে আছে। অবস্থাসম্পন্নদের পাশাপাশি নিম্নবিত্তরাও এদের পোশাক বা অন্যান্য পণ্য ক্রয়ের চেষ্টা করে। পোশাক বেশি দামী হওয়ায় সুইচ করে নাগরদোলা, বাংলার মেলা, কে ক্র্যাফট, অঞ্জনস, নবরুপাতে আসা উচিত। সাদাকালোও ভালো। দেশীয় ফ্যাশনেবল পোশাক এরাও তৈরি করে। এছাড়া নুরজাহান-বদরুদ্দোজা রীতিমতো এক্সট্রিম লেভেলের পপুলার ছেলেদের কাছে। মেয়েরা ইস্টার্ন মল্লিকা, চাঁদনীচক, নিউমার্কেট, গাউসিয়াতে সুইচ করতে পারে। আবার ছেলেদের আরো আছে ক্যাটস আই, লে রেভে, ইলিয়েন, রাইস, সেইলর, ইনফিনিটি ইত্যাদির পোশাক আড়ং এর চেয়ে যথেষ্ট ভালো আর দামেও সাশ্রয়ী। বিউটি প্রোডাক্ট আড়ং এর পূর্বে মহিলারা যা ব্যবহার করেছে, সেটাই করবে। আর মিল্কভিটা, ইগলু তো দুধের জগতে সেরা নাম। আড়ং এর চেয়ে এদের ডেইরি প্রোডাক্ট যথেষ্ট ভালো।
মোবাইল ব্যাংকিং জগতে আবার যে কারোর চেয়ে ঢের এগিয়ে আছে বিকাশ। নগদ, রকেট, উপায়, শিওরক্যাশ, ট্যাপ কোনোটাই ধারেকাছেও নেই। এই সত্য মেনে নিয়েই আমাদের সুইচ করতে হবে নগদে অথবা রকেটে। ইসলামি ব্যাংক জয়বাংলা হয়ে যাওয়ার আগে দেশের সবচেয়ে পপুলার ব্যাংক ছিলো। ব্র্যাক ব্যাংকের বদলে এটাই সাজেস্ট করতাম। কিন্তু এখন আর ইচ্ছে করে না। ব্যাংকটা ধ্বংস হয়ে গেছে। ব্যাংকিং লেনদেন এমনিতেই হারাম মিশ্রিত, তবে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এসব নির্ভর হওয়ায় আমাদের ব্যাংকের দ্বারস্থ হতেই হয়। সেক্ষেত্রে ইবিএল, সিটি ব্যাংক, এমটিবিতে আমরা স্থানান্তরিত হতে পারি।
সবশেষে আসি ভার্সিটির ব্যাপারে। পাবলিক ভার্সিটির সিট কম থাকায় প্রাইভেটে একটা বড় অংশ ভর্তি হয়। যদিও একটা বড় অংশের ইউজিসির অ্যাপ্রুভাল নেই। আবার চাকরির বাজারে অনেক ভার্সিটির ডিমান্ড জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়েও কম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটা অপশন হতে পারে। আর তা না হলে এআইইউবি, নর্থ সাউথ, ইস্ট ওয়েস্ট, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও ভালো ভার্সিটি। ব্র্যাকে ভর্তি হতে না পারলে যে পড়াশোনাই হবে না, এই ভাবনা বৃথা।
এলজিবিটি প্রমোটার ও স্পন্সর ব্র্যাকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। পণ্য বয়কট করলে তাদের পতন অনিবার্য ইনশা আল্লাহ। আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করি। এই অল্পেই হবে অনেক। আল্লাহ তাওফীক দিন। আমীন
আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভোগা এই দেশের কালচাড়াল কাঙ্গালদের ঘৃণা করি কেনো জানেন? বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে মন্দির করা হলো, তা উদ্বোধনে বিজেপির গেরুয়া সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি প্রোগ্রামে উপস্থিত হলো তারা, যাদের এদেশের ফালতু পোলাপাইন আইডল মানে, যাদের মুভি না দেখলে তাদের খাবার হজম হয় না, রাতের ঘুম হয় না, যাদের গানে নাচতে না পারলে, যাদের গান না শুনলে এদেশে কারো বিয়েই হয় না, বিশেষ দিবস পালিত হয় না! এই লুলা প্রজন্ম আবার করবে ভাঁড়-ত বয়কট? ফ্যানগিরি মারাতে গিয়ে পা চাটাটা শুধু বাকি রেখেছে, বয়কট ফয়কট এদের দ্বারা হবে না।
ভিডিও: https://fb.watch/pKnGtT6eql/?mibextid=Nif5oz
ভিডিও: https://fb.watch/pKnGtT6eql/?mibextid=Nif5oz
