কোনোরুপ সন্দেহ ছাড়াই বাংলাদেশের, বাংলাদেশীদের সবচেয়ে বড় ও জাতীয় উৎসব হচ্ছে এই দুই ঈদ। ইম্প্যাক্টের বিচারে অন্য যে কোনো উৎসব এর ধারেকাছেও থাকার যোগ্যতা অন্তত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাখে না। কথিত বাংলা নববর্ষ, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব উৎসব, জাতীয় দিবস হিসেবে পরিচিত কিছু দিবস - কোনোটারই এত বিশাল অর্থনৈতিক প্রভাব নেই। এত লোক গ্রামের বাড়ি যায় না, শপিং কমপ্লেক্সগুলোতে এত কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয় না, অফার-ডিসকাউন্টের ছড়াছড়ি থাকে না, পার্লার হাউজফুল থাকে না, রেস্টুরেন্টগুলো জমজমাট থাকে না, কোনো বিশেষ দিনে মানুষের নিজেকে সুন্দর করে সাজানোর অভিপ্রায় থাকে না। মিডিয়া বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে ৩-১০ দিনব্যাপী, যা অন্য কোনো উৎসবেই দেখা যায় না। দেশের অভিভাবক থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা পর্যন্ত আরো কিছু দিবসেও হয়তো মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে, কিন্তু সেখানে এত লম্বা লাইন থাকে না। মানুষ আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে, এই অবস্থার মধ্যেও উৎসবটি উপলক্ষে ভালো খাওয়া, উত্তম পোশাক পরিধান, একটা স্টাইলিশ লুকের চেষ্টা - কিছুই কিন্তু বাদ নেই। ঢাকাসিটি অন্য কোনো উৎসবেই ঈদের মতো ফাঁকা হয় না। বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভীড়ও থাকে না। এখন এই সবগুলো ফ্যাক্টই একত্রিত করুন আর একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উৎসব (ধর্মীয় ক্যাটাগরিতে না ফেলে) হিসেবে আর কোনোটাকেই কি এর কাছাকাছি মনে হয়?
এবার আসুন জাতীয় উৎসব প্রসঙ্গে৷ সাধারণত সর্বস্তরের লোকজন যেখানে অংশগ্রহণ করতে পারে, তাকেই জাতীয় উৎসব হিসেবে অভিহিত করা হয়। ৯০% মুসলমানদের দেশে মাত্র ১০% এর জন্য ঈদের মতো একটা ইম্প্যাক্টফুল (ইম্প্যাক্ট সব উপরে উল্লেখ করেছি) উৎসবকে জাতীয় উৎসব বলা যাবে না, এটা কিভাবে হয়? যে ১০% বাকি আছে, ওরা চাকরিক্ষেত্রে বোনাস পায়, ঈদের ছুটি পায়, অনেকে মুসলমানদের বাসায় দাওয়াতও খেতে যায়। তাহলে সেই ১০% ঈদের প্রভাবের বাইরে কিভাবে রইলো? তারাও তো এর মধ্যেই শামিল আছে। সুতরাং কোনোরকম সন্দেহ ব্যতিরেকে ঈদ বাংলাদেশের জাতীয় উৎসবও বটে।
বি:দ্র: আমি সার্বজনীন রুপ দেবার ব্যাপারে বলছি না যদিও, কারণ শরীয়াহ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ঈদ কেবল তাদের জন্যই আল্লাহর উপহার হিসেবে এসেছে, যারা রমযানের এক মাসের সিয়াম সাধনা পালন করেছে। মোটাদাগে ফেস্টিভ্যালটা আসলে তাদেরই। আমি জাস্ট ইম্প্যাক্ট আর ব্যাপকতার দিকটা হাইলাইট করলাম।
এবার আসুন জাতীয় উৎসব প্রসঙ্গে৷ সাধারণত সর্বস্তরের লোকজন যেখানে অংশগ্রহণ করতে পারে, তাকেই জাতীয় উৎসব হিসেবে অভিহিত করা হয়। ৯০% মুসলমানদের দেশে মাত্র ১০% এর জন্য ঈদের মতো একটা ইম্প্যাক্টফুল (ইম্প্যাক্ট সব উপরে উল্লেখ করেছি) উৎসবকে জাতীয় উৎসব বলা যাবে না, এটা কিভাবে হয়? যে ১০% বাকি আছে, ওরা চাকরিক্ষেত্রে বোনাস পায়, ঈদের ছুটি পায়, অনেকে মুসলমানদের বাসায় দাওয়াতও খেতে যায়। তাহলে সেই ১০% ঈদের প্রভাবের বাইরে কিভাবে রইলো? তারাও তো এর মধ্যেই শামিল আছে। সুতরাং কোনোরকম সন্দেহ ব্যতিরেকে ঈদ বাংলাদেশের জাতীয় উৎসবও বটে।
বি:দ্র: আমি সার্বজনীন রুপ দেবার ব্যাপারে বলছি না যদিও, কারণ শরীয়াহ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ঈদ কেবল তাদের জন্যই আল্লাহর উপহার হিসেবে এসেছে, যারা রমযানের এক মাসের সিয়াম সাধনা পালন করেছে। মোটাদাগে ফেস্টিভ্যালটা আসলে তাদেরই। আমি জাস্ট ইম্প্যাক্ট আর ব্যাপকতার দিকটা হাইলাইট করলাম।
লিভারপুলে তারেক মনোয়ার আর চেলসিতে জাইমা রহমান...নট ব্যাড! এসব শুনলে লিস্টার সিটিতে হামযা চৌধুরীর খেলাটা গুজব বলে মনে হয়৷
Faisal's Vision
কোনোরুপ সন্দেহ ছাড়াই বাংলাদেশের, বাংলাদেশীদের সবচেয়ে বড় ও জাতীয় উৎসব হচ্ছে এই দুই ঈদ। ইম্প্যাক্টের বিচারে অন্য যে কোনো উৎসব এর ধারেকাছেও থাকার যোগ্যতা অন্তত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাখে না। কথিত বাংলা নববর্ষ, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব উৎসব, জাতীয় দিবস…
লক্ষীবাজার গিয়েছিলাম ঘুরতে। মেলা ও স্ট্রীটফুডের দোকানগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভীড়, যার মধ্যে আনুমানিক ৬০%+ মানুষ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। শাঁখারীবাজারে ঈদের মেলা আর লক্ষীবাজারে ঈদের মেলার সাথে এই স্ট্রীটফুডের দোকানের ভীড়ের সাথে আমার সকালে করা পোস্টটা মেলান৷ দুইয়ে দুইয়ে চার মিলে গেলে এবার ভাবুন যে ঈদকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও জাতীয় উৎসব বলতে আর কোনো লজিক দেয়া লাগবে কিনা।
বিঃদ্রঃ যারা ঢাকা শহর সম্পর্কে জানেন না, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি৷ পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, লক্ষীবাজার এই এলাকাগুলো হিন্দুপ্রধান তথা হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা৷
বিঃদ্রঃ যারা ঢাকা শহর সম্পর্কে জানেন না, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি৷ পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, লক্ষীবাজার এই এলাকাগুলো হিন্দুপ্রধান তথা হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা৷
এলজি ইস্যুতে দেশের একমাত্র ফ্রন্টলাইন ফাইটার ডঃ সরোয়ারকে নিয়ে পুষ্টির পরামর্শদাতা অপুষ্টিতে ভোগা লো টেস্টোস্টেরন সজল, জাশির ম্যাঁ-ধাবীদের গর্ব ততোধিক ম্যাঁ-ধাবী ছাগল ইশরাক সহ কিছু কুলাঙ্গার সস্তা ট্রলে মেতেছে। স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, কুখ্যাত ট্র্যাশগন্ডার হোচিমিন ঈদ মিছিলের ছবি শেয়ার করে কি ক্যাপশন দিয়েছে। এরপরও এই সজল-ইশরাকের মতো বা*র্ডগুলো নোংরা ট্রলের মাধ্যমে এলজি নরমালাইজেশন এর কাজ করে যাচ্ছে৷
দু'আ করি, এদের ঘরেই এলজি পয়দা হোক৷ ঘা নিজের গায়ে না হলে বাঙ্গুরা আবার সমস্যা অনুভব করতে পারে না৷
(শুধু লো টেস্টোস্টেরনের স্ক্রিনশটটা দিলাম৷ ম্যাঁ-ধাবী ছাগল ইশরাকেরটা দেয়া যাচ্ছে না৷ কারণ ঐ কাঁঠালপাতাখোর আমাকে ব্লক করেছে৷
দু'আ করি, এদের ঘরেই এলজি পয়দা হোক৷ ঘা নিজের গায়ে না হলে বাঙ্গুরা আবার সমস্যা অনুভব করতে পারে না৷
(শুধু লো টেস্টোস্টেরনের স্ক্রিনশটটা দিলাম৷ ম্যাঁ-ধাবী ছাগল ইশরাকেরটা দেয়া যাচ্ছে না৷ কারণ ঐ কাঁঠালপাতাখোর আমাকে ব্লক করেছে৷
জাইমা রহমানকে নিয়ে যত সস্তা ট্রল হচ্ছে, এর জন্য আমি ট্রলকারীদের চেয়ে আমিনুল হককেই বেশি দায়ী করবো৷ জাইমা তাকে কি বলেছে না বলেছে, এটা এভাবে ঘটা করে, গর্ব করে পাবলিকলি না বললেও চলতো৷ তেলবাজির একটা লিমিট থাকে, যা আওয়ামী ছাপড়িরা বহু আগেই ক্রস করে একটা ভিন্ন মাত্রা এতে যোগ করেছে৷ এখন ক্ষমতার পালাবদলে বিএনপির ছাপড়িরা সেই শুন্যস্থান পুরণে দেদারসে উঠেপড়ে লেগেছে। আমিনুল হক নিজেই নিজ এলাকায় একজন পরাজিত প্রার্থী। ইলেকশনে হেরেও ক্যাবিনেটে জায়গা পাওয়া এই লোক গদির মূল্যটা বুঝতে পারছে না৷ এদের অবিলম্বে উচিত মুখের লাগাম টেনে ধরা৷ তারেক রহমান বহুকালের দেশী রাজনীতির খোলনলচে বদলে ফেলার যত চেষ্টাই করুক না কেনো, এই ছাপড়িরা পণ করে নেমেছে তাকে কোনোভাবেই সফল হতে দেবে না৷ তারেক রহমানের এদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত।
ঈদ সালামী পেয়েই ঈদের মেলা থেকে পিস্তল, বন্দুক, একে-৪৭, স্টেনগান কিনে পোলাপান খালি রাস্তায় এমনভাবে টহল দিতে থাকে, দেখে মনে হয় আতংকে খালি হয়ে যাওয়া ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা অস্ত্রহাতে মহড়া দিচ্ছে।
কই যেনো দেখলাম, যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নাকি সাকিবল্যান্ডে পালিত হচ্ছে জাতীয় আব্বা দিবস! তবে একটা ব্যাপার নিয়ে কনফিউজড...এরা আব্বা দিবস পালন করছে কোন সাকিবকে ঘিরে? ওর তো হাজারটা রূপ আছে.....ব্যক্তি সাকিব, খেলোয়াড় সাকিব, পলিটিশিয়ান সাকিব, জুয়াড়ি সাকিব, ম্যাচফিক্সার সাকিব, ওমরাহ সেরে পূজা উদ্বোধনকারী সাকিব, একাধিক বাপওয়ালা সাকিব, ক্রিমিনাল সাকিব, জাঙ্গিয়া মিথিলার বয়ফ্রেন্ড সাকিব, আমার দেয়া টাইটেল #পীরসাপ সাকিব, আরো কত কি! তার নাজায়েজ সন্তানের দল আর বিসিবিতে কিছুদিন কাজ করা কুমিল্লার এক ইতর গায়ক ঠিক কোন সাকিবকে আব্বা ডেকে দিবসটি পালন করছে, জাতি জানতে চায়!
Faisal's Vision
কই যেনো দেখলাম, যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নাকি সাকিবল্যান্ডে পালিত হচ্ছে জাতীয় আব্বা দিবস! তবে একটা ব্যাপার নিয়ে কনফিউজড...এরা আব্বা দিবস পালন করছে কোন সাকিবকে ঘিরে? ওর তো হাজারটা রূপ আছে.....ব্যক্তি সাকিব, খেলোয়াড় সাকিব, পলিটিশিয়ান সাকিব…
আব্বা দিবস পালন শেষে ক্লান্ত সাকিবিয়ান সন্তানেরা!
😁2
৫৫ বছর আগের এই দিনে, হরতাল ডেকে, সহযোগী নেতাকে "নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো"র নির্দেশ দিয়ে, তিনি গোসল করে, পরিপাটি হয়ে স্বেচ্ছাগ্রেফতারের জন্য রেডি হয়ে ছিলেন। কামালের মা'র সহায়তায় স্যুটকেসে হুক্কা আর ঢোলা পায়জামার ফিতা ঢুকিয়ে পাকিস্তানে পালিয়েছিলেন জনৈক কথিত "পিতা"(!)......
Faisal's Vision
৫৫ বছর আগের এই দিনে, হরতাল ডেকে, সহযোগী নেতাকে "নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো"র নির্দেশ দিয়ে, তিনি গোসল করে, পরিপাটি হয়ে স্বেচ্ছাগ্রেফতারের জন্য রেডি হয়ে ছিলেন। কামালের মা'র সহায়তায় স্যুটকেসে হুক্কা আর ঢোলা পায়জামার ফিতা ঢুকিয়ে পাকিস্তানে পালিয়েছিলেন জনৈক কথিত "পিতা"(!)......
Jugantor
‘মুজিব ভাই তো গোসল করে পরিপাটি হয়ে গ্রেফতার হওয়ার জন্য রেডি’
চব্বিশের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার মতোই একাত্তরের ২৫ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্র
যে কারণে আমি মেয়েদের অতিরিক্ত পড়াশোনা, চাকরি, বা কথিত ক্যারিয়ার বিল্ডিংয়ের সাফ বিপক্ষে…
https://www.facebook.com/share/v/1FRpxJhfN4/
https://www.facebook.com/share/v/1FRpxJhfN4/
নিচের ভিডিওটি যদি সত্য হয়, তাহলে বলবো একারণেই জাহান্নামে নারীর সংখ্যা বেশি, দাজ্জালের অধিকাংশ অনুসারী নারীই হবে৷ এমন নারী যার ঘরে আছে, সে শুধু অভাগাই না, বরং পুরুষত্বহীন। কারণ এভাবে জুতার বারি খাওয়ার চেয়ে পুরুষ মরে যাওয়া শ্রেয় মনে করে যদি সে আসলেই পুরুষ হয়ে থাকে৷ এমন স্ত্রীকে রাস্তাঘাটে প্রকাশ্যেই জুতাপেটা করতে করতে স্পটডেড বানিয়ে ফেলা দরকার।
https://www.facebook.com/share/v/1CSzXDJk6n/
https://www.facebook.com/share/v/1CSzXDJk6n/
https://www.facebook.com/share/v/1GrRqPRvDJ/
https://www.facebook.com/share/r/18LExsYBzc/
উপরের দুইটা ফেসবুক ভিডিও দুর্ঘটনায় মানুষের জীবনাবসানের৷ প্রথমটায় যাত্রীবাহী বাস ফেরীতে উঠতে গিয়ে পানিতে পড়ে তলিয়ে গেছে৷ আর নিচের ভিডিওটিতে ট্রাক ইজিবাইককে চাপা দিয়ে ৩ জনকে মেরে ফেলেছে৷ আল্লাহ ভালো জানেন, কিন্তু আমার মনে হয় দুইটা ক্ষেত্রেই চালক মাদকাসক্ত ছিলো। মানুষের জীবন এতই সস্তা আমাদের দেশে!
https://www.facebook.com/share/r/18LExsYBzc/
উপরের দুইটা ফেসবুক ভিডিও দুর্ঘটনায় মানুষের জীবনাবসানের৷ প্রথমটায় যাত্রীবাহী বাস ফেরীতে উঠতে গিয়ে পানিতে পড়ে তলিয়ে গেছে৷ আর নিচের ভিডিওটিতে ট্রাক ইজিবাইককে চাপা দিয়ে ৩ জনকে মেরে ফেলেছে৷ আল্লাহ ভালো জানেন, কিন্তু আমার মনে হয় দুইটা ক্ষেত্রেই চালক মাদকাসক্ত ছিলো। মানুষের জীবন এতই সস্তা আমাদের দেশে!
ইমাম মালেক বিন আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
ইমাম মালেক বিন আনাস (রাঃ) মুরসাল সূত্রে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেন যে, ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি বস্তু ছেড়ে গেলাম। তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না, যতদিন তোমরা সে দু’টিকে কঠিনভাবে ধরে থাকবে। সে দু’টি বস্তু হল : আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত’ (মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/১৮৬)।
ঊপদেশ, হাদিস নং ১৭৪
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
#প্রতিদিন_একটি_হাদীস
ইমাম মালেক বিন আনাস (রাঃ) মুরসাল সূত্রে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেন যে, ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি বস্তু ছেড়ে গেলাম। তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না, যতদিন তোমরা সে দু’টিকে কঠিনভাবে ধরে থাকবে। সে দু’টি বস্তু হল : আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত’ (মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/১৮৬)।
ঊপদেশ, হাদিস নং ১৭৪
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
#প্রতিদিন_একটি_হাদীস
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) বিবাহ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদি তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।” (ই.ফা. ৩৩৫৬, ই.সে. ৩৩৫৫)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩৮২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
#প্রতিদিন_একটি_হাদীস
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) বিবাহ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদি তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।” (ই.ফা. ৩৩৫৬, ই.সে. ৩৩৫৫)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩৮২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
#প্রতিদিন_একটি_হাদীস
একজন বাবা কাঁদতে কাঁদতে বলছিল- আমার টাকা পয়সা কিচ্ছু লাগবে না, আমার সন্তানের লা*শটা খালি বুঝাইয়া দেন, আমার এত ছোট সন্তানডা..
কথাগুলো বলেই হাউমাউ করে কাঁদছিলেন তিনি।
আরেকটা ছোট্ট ছেলে ফেরি থেকে হাতটা বাড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে ডাকছিল- মা ও মা গো, আমার হাতটা ধরো।
ছেলেটা মাকে বাঁচাতে না পেরে ফেরিতে এসে চিৎকার করে বলছিল- মাগো, তুমি আমারে এতিম বানাইয়া চইলা গেলা, ও মাগো।
আরেকজন লোক মর্মাহত সুরে বলছিল- "আমার বউটারে বলছিলাম, আমার ডিউটি আছে তোমরা বাড়িতে থাকো। কিন্তু বউটা শুনলো না।
বলল, আব্দুল্লাহর বাপ তোমারে না দেখলে আমার ভালো লাগে না, আমি থাকমু না। তোমারে না দেখলে আমার অস্থির লাগে। এখন আমার কি হইব? আমি কেমনে বাঁচমু?"
কথাগুলো বলতে বলতে এই লোকটাও হাউমাউ করে কাঁদছিল। মনে হচ্ছিল পরিবারের লোকজনকে হারিয়ে
যেন একদম নিঃস্ব হয়ে গেছে সে।
আরেকটা ছোট্ট ছেলে আফসোস করে বলছিল- আমার আম্মু এখনো বাসের ভিতরে। আমি আম্মুরে বের করতে পারি নাই, দম নিতে পারি নাই পানির ভিতর। পরে জানালা দিয়া বের হইয়া গেছি।
ছেলেটা এখন হন্য হয়ে তার মাকে খুঁজতেছে আর আফসোস করছে কেন তার মাকে বের করতে পারে নাই। কেন সে একা একাই বের হলো।
আরেকজন ফেরি দেখার জন্যে বাস থেকে বের হয়েছিল। তার বউ, বাচ্চা তখন বাসেই ছিল। লোকটার চোখের সামনেই বাসটা পড়ে গেল। লোকটা বাসের পিছন পিছন দৌঁড়েছে কতক্ষণ কিন্তু ধরতে পারে নাই।
লোকটা এখন শোকে পাথর হয়ে গেছে ঠিকমতো কাঁদতেও পারছে না। বারবার শুধু বলছে- আমিও মরে গেলাম না কেন? আমার কি হইবো এখন!
এগুলো মাত্র কয়েকজনের আর্তনাদ। এমন আরও বহু পরিবার, বহু নারী, ছোট ছোট বাচ্চারা ডুবে আছে পানির নিচে। মাত্র ১৭ জন বের হয়ে আসতে পারছে, বাকিরা পারে নাই। তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও নাই।
উদ্ধারার্মীরা এসে দুই ঘন্টা এমনি বসেছিল। তাদের না-কি আধুনিক যন্ত্রপাতি নাই। ততক্ষণে বাসটা ৯০ ফুট গভীরে চলে গেছে, ভিতরের লোকগুলোও দমবন্ধ হয়ে মারা গেছে। ভিতরের একটা মানুষও আর জীবিত নাই।
কাকে দোষ দিব? এদেশে এমপি-মন্ত্রীদের সমস্যা, আইনকানুনে সমস্যা, জনগণের সমস্যা। বাস ড্রাইভারদের সমস্যা।
এই বাসের ড্রাইভারও নিজে বাস না চালিয়ে চালাতে দিয়েছিল হেলপারকে। পরে বাস পড়ে গেছে নদীতে।
এদেশে প্রতিটা পদে পদে মৃত্যু। লঞ্চে চড়লে মৃত্যু, ট্রেনে চড়লে মৃত্যু, বাসে চড়লেও মৃত্যু। এদেশে আমাদের জন্মই হয়েছে ডুবে মরার জন্যে।
যেই মানুষগুলো মারা গিয়েছে তাদের প্রত্যেকে হাসিখুশিভাবে ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরছিল। পরিবারের কাছ থেকেও হাসিখুশিভাবে বিদায় নিয়েছিল।
ইচ্ছে ছিল পরেরবার আবারও পরিবারের সাথে একসাথে ঈদ করবে, আনন্দ করবে কিন্তু সে ইচ্ছেটা আর পূরণ হলো না।
বাবা-মা যত্ন করে বাড়ি থেকে যে খাবারগুলো বক্সভর্তি করে রান্না করে দিয়েছে সেগুলো এখন পড়ে আছে পানিতে, সেগুলোও আর খাওয়া হবে না তাদের। তার আগেই এই মানুষগুলো চলে গেল পরপারে।
পরের ঈদে এই মানুষগুলোর পরিবারের সাথে কুরবানির ঈদ করার কথা ছিল অথচ তারা তখন থাকবে কবরে।
এই মানুষগুলোও জানতো না তারা মারা যাবে। না জেনেই হয়তো কত প্ল্যান করে রেখেছিল, পরের ঈদের জন্যে স্বপ্ন দেখেছিল। অথচ মুহুর্তেই সব শেষ!
আমরা প্রতিনিয়ত কতশত প্ল্যান করি অথচ জীবন কত অনিশ্চিত
- Ibrahim Khalil Shawon
কথাগুলো বলেই হাউমাউ করে কাঁদছিলেন তিনি।
আরেকটা ছোট্ট ছেলে ফেরি থেকে হাতটা বাড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে ডাকছিল- মা ও মা গো, আমার হাতটা ধরো।
ছেলেটা মাকে বাঁচাতে না পেরে ফেরিতে এসে চিৎকার করে বলছিল- মাগো, তুমি আমারে এতিম বানাইয়া চইলা গেলা, ও মাগো।
আরেকজন লোক মর্মাহত সুরে বলছিল- "আমার বউটারে বলছিলাম, আমার ডিউটি আছে তোমরা বাড়িতে থাকো। কিন্তু বউটা শুনলো না।
বলল, আব্দুল্লাহর বাপ তোমারে না দেখলে আমার ভালো লাগে না, আমি থাকমু না। তোমারে না দেখলে আমার অস্থির লাগে। এখন আমার কি হইব? আমি কেমনে বাঁচমু?"
কথাগুলো বলতে বলতে এই লোকটাও হাউমাউ করে কাঁদছিল। মনে হচ্ছিল পরিবারের লোকজনকে হারিয়ে
যেন একদম নিঃস্ব হয়ে গেছে সে।
আরেকটা ছোট্ট ছেলে আফসোস করে বলছিল- আমার আম্মু এখনো বাসের ভিতরে। আমি আম্মুরে বের করতে পারি নাই, দম নিতে পারি নাই পানির ভিতর। পরে জানালা দিয়া বের হইয়া গেছি।
ছেলেটা এখন হন্য হয়ে তার মাকে খুঁজতেছে আর আফসোস করছে কেন তার মাকে বের করতে পারে নাই। কেন সে একা একাই বের হলো।
আরেকজন ফেরি দেখার জন্যে বাস থেকে বের হয়েছিল। তার বউ, বাচ্চা তখন বাসেই ছিল। লোকটার চোখের সামনেই বাসটা পড়ে গেল। লোকটা বাসের পিছন পিছন দৌঁড়েছে কতক্ষণ কিন্তু ধরতে পারে নাই।
লোকটা এখন শোকে পাথর হয়ে গেছে ঠিকমতো কাঁদতেও পারছে না। বারবার শুধু বলছে- আমিও মরে গেলাম না কেন? আমার কি হইবো এখন!
এগুলো মাত্র কয়েকজনের আর্তনাদ। এমন আরও বহু পরিবার, বহু নারী, ছোট ছোট বাচ্চারা ডুবে আছে পানির নিচে। মাত্র ১৭ জন বের হয়ে আসতে পারছে, বাকিরা পারে নাই। তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও নাই।
উদ্ধারার্মীরা এসে দুই ঘন্টা এমনি বসেছিল। তাদের না-কি আধুনিক যন্ত্রপাতি নাই। ততক্ষণে বাসটা ৯০ ফুট গভীরে চলে গেছে, ভিতরের লোকগুলোও দমবন্ধ হয়ে মারা গেছে। ভিতরের একটা মানুষও আর জীবিত নাই।
কাকে দোষ দিব? এদেশে এমপি-মন্ত্রীদের সমস্যা, আইনকানুনে সমস্যা, জনগণের সমস্যা। বাস ড্রাইভারদের সমস্যা।
এই বাসের ড্রাইভারও নিজে বাস না চালিয়ে চালাতে দিয়েছিল হেলপারকে। পরে বাস পড়ে গেছে নদীতে।
এদেশে প্রতিটা পদে পদে মৃত্যু। লঞ্চে চড়লে মৃত্যু, ট্রেনে চড়লে মৃত্যু, বাসে চড়লেও মৃত্যু। এদেশে আমাদের জন্মই হয়েছে ডুবে মরার জন্যে।
যেই মানুষগুলো মারা গিয়েছে তাদের প্রত্যেকে হাসিখুশিভাবে ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরছিল। পরিবারের কাছ থেকেও হাসিখুশিভাবে বিদায় নিয়েছিল।
ইচ্ছে ছিল পরেরবার আবারও পরিবারের সাথে একসাথে ঈদ করবে, আনন্দ করবে কিন্তু সে ইচ্ছেটা আর পূরণ হলো না।
বাবা-মা যত্ন করে বাড়ি থেকে যে খাবারগুলো বক্সভর্তি করে রান্না করে দিয়েছে সেগুলো এখন পড়ে আছে পানিতে, সেগুলোও আর খাওয়া হবে না তাদের। তার আগেই এই মানুষগুলো চলে গেল পরপারে।
পরের ঈদে এই মানুষগুলোর পরিবারের সাথে কুরবানির ঈদ করার কথা ছিল অথচ তারা তখন থাকবে কবরে।
এই মানুষগুলোও জানতো না তারা মারা যাবে। না জেনেই হয়তো কত প্ল্যান করে রেখেছিল, পরের ঈদের জন্যে স্বপ্ন দেখেছিল। অথচ মুহুর্তেই সব শেষ!
আমরা প্রতিনিয়ত কতশত প্ল্যান করি অথচ জীবন কত অনিশ্চিত
- Ibrahim Khalil Shawon
লাশেরও এখন পাইকারি দর আছে এই রাষ্ট্রে। নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ২০১৮! যে আন্দোলনটা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছিল, রাস্তায় মানুষ মরলেও রাষ্ট্র কতটা নির্লজ্জ হতে পারে। সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটে বাসের সংঘর্ষে শহীদ হয়েছিল দুইজন শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম এবং আব্দুল করিম রাজীব। তখন রাষ্ট্র ১০ লাখ টাকা করে দিয়েছিল। কারণ তখন ক্যামেরা ছিল, জনরোষ ছিল, চাপ ছিল।লাশের দাম একটু বেশি ছিল।
আর এখন? ৪০টা লাশ।একেকটার দাম ২৫ হাজার টাকা! এখন আর ক্যামেরা নাই, চাপ নাই তাই লাশের দর কমে গেছে? ক্ষমতার লোকেরা এখন লাশ গুনে না, লাশ ম্যানেজ করে। একসময় বলা হতো মানুষের জীবন অমূল্য।এখন বাস্তবতা হলো মানুষের জীবনেরও ডিসকাউন্ট চলছে।
আজ ১০ লাখে ২টা লাশ,কাল ১০ লাখে ৪০টা লাশ,পরশু হয়তো ১০ লাখে ১০০টা লাশও হয়ে যাবে। কারণ এই রাষ্ট্র শিখে গেছে মানুষ মরে গেলে বিচার লাগে না,একটা টাকার অঙ্ক ছুঁড়ে দিলেই সব চুপ হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি কী জানেন? আমরা এই হিসাব দেখে রাগ করি, স্ট্যাটাস দেই তারপর আবার স্বাভাবিক হয়ে যাই। আর ওরা? ওরা জানে! এই দেশে মানুষের জীবনের দাম কমানো খুব সহজ, কারণ মানুষের প্রতিবাদের দাম আরও কম।
- সালাউদ্দিন আম্মার
আর এখন? ৪০টা লাশ।একেকটার দাম ২৫ হাজার টাকা! এখন আর ক্যামেরা নাই, চাপ নাই তাই লাশের দর কমে গেছে? ক্ষমতার লোকেরা এখন লাশ গুনে না, লাশ ম্যানেজ করে। একসময় বলা হতো মানুষের জীবন অমূল্য।এখন বাস্তবতা হলো মানুষের জীবনেরও ডিসকাউন্ট চলছে।
আজ ১০ লাখে ২টা লাশ,কাল ১০ লাখে ৪০টা লাশ,পরশু হয়তো ১০ লাখে ১০০টা লাশও হয়ে যাবে। কারণ এই রাষ্ট্র শিখে গেছে মানুষ মরে গেলে বিচার লাগে না,একটা টাকার অঙ্ক ছুঁড়ে দিলেই সব চুপ হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি কী জানেন? আমরা এই হিসাব দেখে রাগ করি, স্ট্যাটাস দেই তারপর আবার স্বাভাবিক হয়ে যাই। আর ওরা? ওরা জানে! এই দেশে মানুষের জীবনের দাম কমানো খুব সহজ, কারণ মানুষের প্রতিবাদের দাম আরও কম।
- সালাউদ্দিন আম্মার
😢1
ডিফেন্স সিস্টেম নাই, আগুন লাগলে রেস্কিউ সিস্টেম সেই মান্ধাতার আমলের, সড়কে, নৌপথে শতশত মানুষ নিত্যদিনই মা রা যাচ্ছে, কথিত "উন্নয়ন"(!) এর অভিশাপে চাপা পড়ে মা রা যাচ্ছে, জীবনের নিরাপত্তা নেই, স্বাভাবিক মৃ ত্যুর গ্যারান্টি নেই!
এমন জনপদ, এমন মৃ ত্যু উপত্যকারও আবার স্বাধীনতা দিবস আছে! সেই স্বাধীনতা দিবসের আবার ৫৫ বছর হয়েও গেছে! এ এক নির্মম পরিহাস!
এমন জনপদ, এমন মৃ ত্যু উপত্যকারও আবার স্বাধীনতা দিবস আছে! সেই স্বাধীনতা দিবসের আবার ৫৫ বছর হয়েও গেছে! এ এক নির্মম পরিহাস!
😢1
ঠিকই তো, সংবিধান অনুযায়ী ঘোষক এখনও তো মজুগুণ্ডাই.....সেই ইউএনও মহিলা তো সংবিধানই অনুসরণ করেছে৷ তাকে বদলি কেনো করা হলো?
https://www.facebook.com/share/r/1CUYLiDn1t/
https://www.facebook.com/share/r/1CUYLiDn1t/
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.