Faisal's Vision
85 subscribers
505 photos
169 videos
10 files
575 links
A channel run by Muhammad Faisal
Download Telegram
Coke-Pepsi 'র দিন শেষ, Mojo'র বাংলাদেশ!
Forwarded from Sorowar's talks
দেশে তৃতীয় লিংগ বলতে হি/জড়া লিংগ বুঝায়, ট্রা&ন্স&জেন্ডার বুঝায় না। মেডিকেল পরীক্ষার মাধ্যমের তাদের নিবন্ধন করার সিস্টেম চালু করেছিল সরকার ২০১৪ সালের দিকে। এই টেস্ট করতে গিয়ে কারোর কারোর গোপ্ত অংগ (পেনিস) নিয়ে বিবৃতকর ইস্যু তৈরি হয় যা নিয়ে হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন রিপোর্ট করে। এভাবে তাদেরকে অসন্মান করার অভিযোগ করা হয়। সেই ইস্যু থেকে মূলত হি/জড়া এবং ট্রা&ন্স আলাদা হয়। মেডিকেল টেস্ট বাদ দিতে প্রচারণা করে পত্রিকার অফিসে গোল টেবিল বৈঠক এবং নেটওয়ার্কিং করে। খেয়াল করলে দেখবেন মিডিয়াতে এখন রিপোর্ট হয় দুটি শব্দ একসাথে হি/জড়া ও ট্রা%ন্স।

২০২২ সালের আদমশুমারীতে ট্রা&ন্সরা হি/জড়া হিসেবে নিবন্ধন করতে (সম্ভবত মেডিকেল টেস্ট ছাড়াই) মাঠ লেভেলে কাজ করেছে কিছু এনজিও। ফর্ম ফিলাপের সময় যেন হি/জড়ার জায়গায় টিক দেয় ট্রা&ন্সরা।

এতকিছুর পরও দেশে সর্ব সাকুল্যে ১১ হাজার ৬০০+ হি/জড়া হিসেবে নিবন্ধন করেছে যার মধ্যে ভোটার সংখ্যা মাত্র ৮০০+।

অবলেলিত হি/জড়াদের সামাজিক পূর্নবাসন করা সবার ঈমানী দায়িত্ব। যে কারোর সন্তান জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে।

হি/জড়ারা মোগল শাসন (মুসলিম) আমলে সন্মানিত ছিলেন। তারা সরকারি বড় বড় পজিশনসহ পলিসিমেকার ছিলেন। এই অবস্থা দেখে ইংরেজরা বিস্মিত হয়। তারা ১৮৫৭ সালে ক্ষমতা দখল করে Tribe Act এর মাধ্যমে তাদেরকে ক্রিমিনাল হিসেবে গ্রেফতারের নির্দেশ জারী করে পলিটিক্যাল কারনে। এভাবে তারাকে সমাজচ্যুত করা হয় করে ব্রিটিশরা।

এইডস প্রতিরোধ করতে গিয়ে হি/জড়াদের আবার রি-সোস্যাল করতে পশ্চিমাদেশগুলো সক্রিয় হয়। এখন সেই অবহেলিত হি/জড়াদের ব্যবহার করে নিজেদের স*কামী/এলজি টিভি এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ নিচ্ছে আমাদের অজ্ঞতা, নিষ্ক্রিয়তা এবং অসচেতনতার কারণে।

#এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ
একটা নতুন জিনিস শিখলাম। বিছানা প্রস্তুত করতে হলে তাতে প্রথমে ঘুমাতে হয়, তারপর বিছানা থেকে নামতে হয়!

আর সবচেয়ে কিউট ব্যাপারটা হচ্ছে এসব ভিডিও বানিয়ে, পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করে মানুষকে শেখাতে হয়। দারুণ না?

https://fb.watch/osyAAVjf99/?mibextid=Nif5oz
Mark Zuckerdiot strikes again! Facebook is nowadays a disgusting media to express opinion.
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিম অ্যানাউন্সড হলো, সেখানে ঢাকঢোল পিটিয়ে বিশ্বকাপে নিয়ে যাওয়া নাসুমের নাম কোনো ফরমেটেই নেই। টিম দেখে আমি এখন মোটামুটি নিশ্চিত, যে রিয়াসাদ আজিমের রিপোর্টটাই আসলে ঠিক৷ একজন বিশেষ খেলোয়াড়ের পা-চাটা ভক্তকূল রিয়াসাদ আজিমকে যতই চক্ষুশূল ভাবুক না কেনো, এই রিপোর্ট দেখলে চোখ খুললেও খুলতে পারে।

কোচ হাথুরুসিংহে, যে কিনা সাইলেন্টলি বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, বিশ্বকাপ চলাকালীন এই ক্রিমিনাল নাসুমকে চড় মেরেছিলো। শুধু এখানেই শেষ না, জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড় কোচের হাতে মার খায়, বিসিবি এখানে নির্বিকার তো ছিলোই, পাশাপাশি এটাও এনশিওর করা হয়েছে, যে নাসুম এই ইস্যুতে মিডিয়াসহ কারো সাথে যেন কোনো কথা শেয়ার না করে। এই হাথুরু, যার আয় ৩৫ লক্ষ টাকা, এমনকি যার আয়করটা পর্যন্ত বিসিবিই পে করে, তাকে বাঁচাতে বিসিবির এই প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। দেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন খেলোয়াড় চড় খায়, আর যে চড় দিলো তাকেই উল্টো আড়ালে সেভ করার চেষ্টা চলে! আশ্চর্য, কি বিচিত্র এই দেশ! কি বিচিত্র এই দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ অভিভাবক সংস্থা!

তামিম, রিয়াদসহ সিনিয়র ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার শেষের চক্রান্তে হামেশাই লিপ্ত থাকা এই ক্রিমিনালের সাথে নাকি বিসিবির ২০২৫ পর্যন্ত চুক্তি আছে! যার অর্থ এখন স্যাক করা যাবে না। আর ওই লম্বা সময়ের মধ্যেই বোধ হয় আমাদের ক্রিকেটের অন্তিম সৎকার হয়ে যাবে!

কি ঘটেছিলো : https://youtu.be/_hyhDc82JUo?si=NjMwEOgdo7re9yH1

হাথুরুর কি হতে পারে: https://youtu.be/_hyhDc82JUo?si=NjMwEOgdo7re9yH1
৫.২ বা মতান্তরে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প.. মোটেও ছোটখাটো ব্যাপার না। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল লক্ষীপুর জেলায়। অফিসে ছিলাম, হঠাৎ এক পর্যায়ে অনুভব করলাম চেয়ারটা কাঁপছে।


এরকম ঘন ঘন ছোট মাত্রার ভূমিকম্প আসলে একটি বড় মাত্রার ভূকম্পনের আলামত। সেই মহাবিপর্যয় থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিফাযাত করুন, আমীন।


"তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে সহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?"

[সূরা আল-মুলক, ১৬]
এতো কঠিন এবং এতো দীর্ঘ সময় ধরে ভূমিকম্প জীবনে আর অনুভব করিনি। শরীর থরথর করে কাঁপছিলো! আস্ত বিল্ডিং যেন গাছের পাতার মতো দুলছিলো এদিক-সেদিক!

মহান রব হিফাযত করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ৷ জীবন যে কতো তুচ্ছ আর ক্ষণিক—এরকম মুহূর্তগুলো সেটাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে যায়৷ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদেরকে পরিপূর্ণ ঈমান নিয়ে তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তনের তাওফিক দিন।

- Arif Azad
স্যাটেলার ই*স*রা*ইল হা*মা*সের হাতে মাসখানেক মার খাবে। এরপর আবার যুদ্ধ বিরতির জন্য আবেদন করবে, বন্দী বিনিময় করতে বাধ্য হবে।
মাঝখানে তাদের কয়েক হাজার দখ*ল*দার সৈন্য খোয়া যাবে।

অলরেডি ৭০% সৈন্য সরিয়ে ফেলেছে হানাদার, খুনী ইসরাইল!
কওমে লুতের অপকর্মে লিপ্ত হোচিমিন ও তার প্রমোটার, দোসরদের শাস্তি চাই।
ফুডাপ্পি তথা মনীষার মতো জঘন্য, ফালতু, নষ্টা, বারোভাতারি, কুলটা, গোল্ডডিগার মহিলারা যতদিন সমাজে বেঁচে থাকবে, আরেকজনকে বা আরেকটি ছেলেকে নষ্ট করতে থাকবে, তাদের কাবিন-খোরপোশ ব্যবসা ফুলে-ফেঁপে উঠবে। সমাজও উচ্ছন্নে যেতে থাকবে, পরিবারপ্রথা, বিয়ে ওসবের উপর থেকে মানুষের আগ্রহ হারিয়ে যাবে।

আরজে কিবরিয়া, যে কিনা নিজেই বউয়ের হাতে মারধর খাওয়া লোক, খুব স্বাভাবিকভাবেই এই নারীশক্তি দেখে ভয়ে মনীষাকেই সাপোর্ট করেছে, সে পরিষ্কার কালপ্রিট - এই ব্যাপারটা ক্লিয়ার হবার পরেও। এবং পাবলিকের ঘাড়ানি খেয়ে এখন ভিডিও ডিলিট অথবা প্রাইভেসি মেরে দিয়েছে। মনীষার মতো বস্তির মেয়েদের থেকে আল্লাহ আমাদের পুরুষ সমাজকে হিফাযাত করুন। শরীয়াহ আইন ছাড়া মুক্তি নেই, তাই অবিলম্বে শরীয়াহ আইন আল্লাহ আমাদের নসীব করুন।


এই ইস্যুতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে ভালো ও বিশ্লেষণধর্মী, যুক্তিসঙ্গত লেখনীটা দেখলাম খালিদ মাহমুদ তন্ময়ের টাইমলাইনে। লেখাটা এরকম -


ফুডা আপ্পি নামে পরিচিত ফাবিহা হাসান মণিষা আপুকে নিয়ে আরজে কিবরিয়া ভাইয়ের উপস্থাপনায় একমাসের ব্যাবধানে পরপর দুইটা শো দেখলাম। প্রথম শো এর শিরোনাম ছিল "আমি কত বোকা ছিলাম"। মেয়েটার পুরো বক্তব্যের সারমর্ম ছিল সে অনেক বোকা, এবং এতটাই বোকা যে ভাজা মাছটা পর্যন্ত উল্টে খেতে জানেন না। আর তার প্রাক্তন স্বামী রুহুল আমিন এতটাই চালাক, যে তাকে শুধু ঠকায়, উচ্চকাবিন দেয় না, ২০১৩ সালে মাত্র একলাখ টাকা কাবিনে বিয়ে করে। আর এতটাই অত্যাচারী যে তাকে প্রচুর নির্যাতন করে, যৌতুক চায়, রবীন্দ্র সরোবরে নাকি একদিন লাথি মারে, অনেক মানুষ দেখে কিন্তু কিছুই বলে না, স্বামীর যৌতুকের দাবি পূরণ করতে গিয়ে নিজের একটা কিডনি পর্যন্ত বিক্রি করে দিতে চায়, পরে কি যেন ভেবে আর কিডনি বিক্রি করে না। ডিভোর্স হয়। নতুন একটা ছেলেকে বিয়ে করে। এবং বিয়ের আগে নিজের অতীত অর্থাৎ আগের সংসারের কথা জানায়। জেনেও ছেলে রাজি হয়। এখন সেখানে সুখের সংসার করছে ইত্যাদি ইত্যাদি। স্বীকার করতে দ্বিধা নাই যে ফুডাপ্পি ক্যামেরার সামনে অনেক ভালো পারফর্ম করেছে। এতটাই ভালো পারফর্ম যা দেখে পুরো দেশবাসী কেঁদেছে। আমি নিজেও আমার চোঁখের পানি ধরে রাখতে পারি নাই।

এখানে বলে রাখা উচিত যে, ফুডাপ্পি মণিষা সত্যি বলছে নাকি বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা গল্প বলছে সেটা যাচাই না করেই প্রচার করা হয়, এমনকি মণিষার বক্তব্য ক্রসচেকের জন্য তার প্রাক্তন স্বামীকে ফোনে যুক্ত করারও প্রয়োজন মনে করেন নাই আরজে কিবরিয়া ভাই। নারীদের কথায় অধিকাংশ মানুষই সহজে দ্রবীভূত হয়ে যায়, এবং বিশ্বাস করে। ওদের এক ফোঁটা চোঁখের জল দেখা মাত্রই পৃথিবীর কোন মানুষেরই আর বিবেক কাজ করে না, শুধু আবেগ কাজ করে। উপস্থাপক আরজে কিবরিয়া ভাইয়ের ক্ষেত্রেও হয়তো সেটাই হয়েছে। শুধু আবেগ কাজ করছে, বিবেক কাজ করে নাই।

কিন্তু সমস্যা হল, যার নামে এত নিন্দা আর বিদ্বেষ ছড়ানো হলো তিনি অর্থাৎ ফুডাপ্পি মণিষার প্রথম স্বামী রুহুল আমিন ভাই তার নামে এই "মিথ্যাচার" মেনে নিতে পারেন না। তিনি আরজে কিবরিয়া ভাইকে ফোন করে বলেন, "ভাই, আপনার প্লাটফর্মকে ব্যাবহার করে আমার প্রাক্তন স্ত্রী মণিষা আমার নামে মিথ্যাচার করছে, যা আমার এবং আমার ৭ বছরের সন্তানের উপরে প্রভাব ফেলছে। আমি এর জবাব দিতে চাই। ডিভোর্সের ৭ বছর হয়েছে, কিন্তু শুধুমাত্র আমার সন্তানের মঙ্গলের কথা ভেবে আমি এখন পর্যন্ত বিয়ে করিনাই। আপনার শো-এর মাধ্যমে আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যেটা আমি সহ্য করতে পারছি না। সত্যিটা তুলে ধরার জন্য আমাকে আপনার শো-তে এসে কথা বলার একটা সুযোগ দেওয়া হোক। কিবরিয়া ভাই তাকে সুযোগ দেন ঠিকই, কিন্তু যেহেতু রুহুল আমিন নারী নন, তিনি একজন পুরুষ, তাই এবার আর কিবরিয়া ভাইয়ের আবেগ কাজ করে না, শুধু বিবেক কাজ করে। তিনি বলেন, "আপনাকে কথা বলতে দেওয়া হবে, তবে আপনি মিথ্যা বলছেন কিনা সেটা যাচাই করার জন্য আপনার প্রাক্তন স্ত্রী মণিষাও সাথে থাকবে"। কারণ এবার তো পুরুষ মানুষ, যদি মিথ্যা কথা বলে, এরা নারীদের মত "সত্যবাদী" তো আর না। রুহুল আমিন ভাই বললেন আমার তাতে কোন আপত্তি নাই।

ফুডাপ্পি মণিষা এবং রুহুল আমিন ভাই দুইজনকে যখন একই শো-তে আনা হলো তখন দেখা গেল আগের শো-তে ফুডাপ্পি মণিষা যেসব গল্প বলেছিল তার অধিকাংশই বানানো। এবং এর প্রতিটা ডকুমেন্টস রুহুল আমিন ভাই সাথে করে নিয়ে এসেছেন।

১. যৌতুক আসলে রুহুল আমিন ভাই চাননি, বরং উল্টো মণিষার পরিবারই রুহুল আমিনের কাছে যৌতুক চেয়েছে। বলেছে, মণিষাদের তিনতলা বাড়ির উপরে চতুর্থ তালাটা কমপ্লিট করে দিতে হবে রুহুল আমিনকে। রুহুল আমিনের তখন মাসিক বেতন মাত্র ২০ হাজার টাকা। তার বাবাও রিটায়ার্ড করেছেন। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার। তার বাবার শেষ সম্বল পেনশনের টাকা দিয়ে মণিষাদের তিনতলা বাড়ির চতুর্থ তলাটা কমপ্লিট করে দেওয়া হয়। রুহুল আমিনের বাবা বিজিবিতে চাকুরী করতেন। রিটায়ার্ডের পর তিনি তার শেষ সম্বলটুকু এখানে খরচ করতে রাজি ছিলেন না। রুহুল আমিন সহ সবাই মিলে বহু কষ্টে তাকে রাজি করান।
তবে শর্ত ছিল শুধুমাত্র চতুর্থ তলার ভাড়ার টাকাটা রুহুল আমিনের পরিবার ভোগ করবে। কিন্তু কাজ কমপ্লিট হয়ে যাওয়ার পর মণিষারা আর ভাড়ার টাকা দেয় না, ভাড়া তুলে তুলে নিজেরা ভোগ করে। তখন প্রস্তাব দেওয়া হয়, চতুর্থ তলাটা কমপ্লিট করতে খরচ হওয়া ১১ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে, সেটাও ওরা দেয় না। তখন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র চতুর্থ ফ্লোরটা রুহুল আমিন এবং মণিষা উভয়ের নামে যৌথভাবে দলিল করে দেওয়ার। সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি মণিষার পরিবার।
অথচ মণিষারা ছিল মোটামুটি স্বচ্ছল পরিবার। মণিষার বাবা ব্যাবসায়ী, এবং ঢাকা শহরের একজন বাড়িওয়ালা। মণিষার বড় ভাই জাপানে থাকে।

২. ফুডাপ্পি মণিষা তার স্বামী রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা নারী নির্যাতন এবং যৌতুকের মামলা দেয়, যার ফলে রুহুল আমিনকে জেল খাটতে হয়। অস্থায়ীভাবে জামিনে একবার বের হয়ে আসার পর, তাকে আবারও জেলে ঢুকানোর জন্য মিথ্যা নারী নির্যাতনের অভিযোগে থানায় জিডি করে ফুডাপ্পি মণিষা। কিন্তু প্রথম শো-তে মণিষা বলেছে সে তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়নি। দিয়েছে মণিষার বাবা-মা। মামলার ব্যাপারে সে কিছুই জানত না। অথচ রুহুল আমিন যখন দ্বিতীয় শো-তে মামলা এবং জিডির সবগুলো কপি দেখায়, যেখানে প্রত্যেকটাতেই ফুডাপ্পি মণিষার সাইন আছে, তখন মণিষা এটা স্বীকার করে।

৩. ফুডাপ্পি মণিষা এবং তার ছেলেবন্ধু আকিলের গোপন চ্যাটিং একবার তার স্বামী রুহুল আমিন দেখে ফেলে। যেখানে রুহুল আমিনকে কিভাবে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসানো হবে তার পুরো পরিকল্পনা নিয়ে মণিষা তার ছেলেবন্ধু আকিলের সাথে পরামর্শ করে। তখন রুহুল আমিন এই বিপদ থেকে বাঁচার জন্য আইনজীবির সাথে পরামর্শ করেন। ওই এলাকার কাউন্সিলরের সাথেও পরামর্শ করেন। এবং ডিভোর্সর কথা ভাবতে শুরু করেন। কারণ ডিভোর্সের পরে মিথ্যা মামলা দিলে, কিছুদিনের জন্য হাজতে আটকানো গেলেও শেষ পর্যন্ত সেটা টেকার সম্ভাবনা কম। জামিন নেওয়া সম্ভব। কিন্তু ডিভোর্সের আগে মামলা দিয়ে ফেললে, সহজে জামিন হয় না, জেল প্রায় নিশ্চিত।
যাই হোক, ডিভোর্স হয়, এবং মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলাও হয়। স্বামী রুহুল আমিন গ্রেফতার হন, এবং জেলও খাটেন, তবে শেষ পর্যন্ত তাঁর জামিন হয়।
প্রয়োজন হলে স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার অধিকার ইসলাম দেয়, এবং দেশের আইনও দেয়। কিন্তু শো-তে কিবরিয়া ভাই বারবার বলতেছিল ডিভোর্স দেওয়াটা নাকি তার উচিত হয় নাই। যখন একজন স্বামী জেনে যায় যে তাকে নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পরিকল্পনা হচ্ছে, তখন বাঁচার জন্য একজন পুরুষের ডিভোর্স ছাড়া আর কী অপশন খোলা থাকে? ডিভোর্স দিয়ে সে শুধু তাঁর স্ত্রীকে হারাইলো, কিন্তু ডিভোর্স না দিলে সে আজকে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় জেলে থাকত, তখন সে বউ, বাচ্চা, বাবা, মা, ভাই, বোন, চাকরি-বাকরি সবই হারাইতো। আর যেই স্ত্রী সংসারে থেকে শ্বশুর শাশুড়ীর সাথে বেয়াদবি করছে, শুধু তাই না, গোপনে গোপনে তার ছেলেবন্ধুর সাথে পরামর্শ করছে যে স্বামীকে কিভাবে জেলের ভাত খাওয়ানো যায়, সেই স্ত্রীকে সংসারে রাখলেই বা এমন কী লাভ হত?

৪. ফুডাপ্পি মণিষা তার দ্বিতীয় স্বামীর সাথেও প্রতারণা করে। মণিষা ডিভোর্সী হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে কুমারী পরিচয় দিয়ে পুনরায় বিয়ে করে। আমার মতে এটা অত্যন্ত অনৈতিক একটা কাজ। আর বাংলাদেশের দন্ডবিধি ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী এটা অপরাধ, যার শাস্তি ১০ বছরের জেল। তবে মণিষার দ্বিতীয় স্বামী অনেক দয়ালু মানুষ, তাই স্ত্রীর প্রতারণার ভিক্টিম হয়েও আইনের আশ্রয় নেন নাই।
রুহুল আমিন শো-তে সেই কাবিননামার কপিও দেখান। সুতরাং ফুডাপ্পির প্রথম শো-এর বক্তব্য মিথ্যা। ফুডাপ্পি বলেছিল সে নাকি তার দ্বিতীয় স্বামীকে তার সকল অতীত জানিয়েই তাকে বিয়ে করেছে।

৫. ফুডাপ্পি মণিষা প্রথম শো-তে বলেছিল যে রবীন্দ্র সরোবরে নাকি অনেক মানুষের সামনে তার স্বামী তাকে লাথি মেরেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় শো-তে যখন কিবরিয়া ভাই দুজনকেই জিজ্ঞেস করে যে আপনাদের দু'জনের মধ্যে কখনো মারামারি বা হাতাহাতি হয়েছে কিনা, মণিষা বলেছে যে হয় নাই।
এখন কোনটা সত্যি? আরেকটা প্রশ্ন হচ্ছে পাবলিক প্লেসে কেউ যদি কোন মহিলাকে লাথি মারে, পাবলিক কি তাকে ছেড়ে দেবে? রুহুল আমিনের দাবি এরকম কোন ঘটনা ঘটে নাই। কেউই প্রমাণ দিতে পারে নাই। তবে ফুডাপ্পি মণিষার অভিযোগ যথেষ্ট দুর্বল।

৬. ফুডাপ্পি মণিষা প্রথমদিন বলেছিল যে তার বাবা নাকি মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিল। কিন্তু রুহুল আমিন বলেন যে এটা সে মিথ্যা বলেছে। এবং মণিষা নিজেও দ্বিতীয় শো-তে এসে স্বীকার করে যে প্রথম শো-তে সে মিথ্যা বলেছিল। ফুডাপ্পি মণিষা এরকম আরও অসংখ্য মিথ্যা কথা তার প্রথম শো-তে বলেছিল, যেগুলো লিখতে গেলে লেখাটা অনেক বড় হয়ে যাবে।

৭. রুহুল আমিন সন্তানের কথা ভেবে এখনো বিয়ে করেননি। কিন্তু মণিষা ডিভোর্সের পর দ্বিতীয় বিয়ে করে ফেলে দ্বিতীয় স্বামীর বাচ্চাও গর্ভে ধারণ করে। এই সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে বাচ্চার কাস্টডি আদালত বাচ্চার বাবাকেই দেয়।
বাচ্চার মা কোন খরচ বহন করে না। সম্পূর্ণ ভরণপোষণের দায়িত্ব এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র বাচ্চার বাবাই বহন করে। তবুও বাচ্চার বাবা বাচ্চাকে নিয়মিত তার মায়ের সাথে দেখা করতে দেয়, কোন আপত্তি করে না। একদিন বাচ্চা তার মায়ের সাথে দেখা করে ফিরে এসে তাঁর বাবাকে বলছে "বাবা, মায়ের বাসায় আরেকটা বাবা আছে, মা বলেছে উনিই নাকি এখন থেকে আমার বাবা। ওই বাবাটা মাকে কোলে নিয়েছে। মণিষা তার বাচ্চাকে অন্য আরেকজন মানুষকে বাবা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে, এবং এখন থেকে নিজের জন্ম দেওয়া সন্তান অন্য আরেকজনকে বাবা ডাকবে এটা রুহুল আমিন কোনভাবেই মেনে নিতে পারেন না। মণিষার আসল মতলবটা তাহলে কী সেটা নিয়ে সন্দেহও তৈরী হয়।

এরই মধ্যে একবার বাচ্চাকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়, পরিকল্পনা হচ্ছে ফুডাপ্পি মণিষা তার জাপানে থাকা ভাইয়ের সহায়তায় বাচ্চাকে নিয়ে জাপানে চলে যাবে। বাচ্চাকে আর কখনো ফেরত দেবে না, বাচ্চাকে তার বাবার সাথে দেখাও করতে দেবে না। এলাকার গুন্ডাপান্ডা দিয়ে বাচ্চাকে তার দাদীর কোল থেকে কেড়ে নিয়ে অপহরণ করে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক ঝামেলার পর বাচ্চাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু প্রাক্তন স্ত্রী মণিষার এই বিশ্বাসঘাতকতা এবং অপহরণের ঘটনার পর থেকে বাচ্চার বাবা রুহুল আমিন আর মণিষাকে আগের মত বিশ্বাস করতে পারে না। তাই মণিষাকে বলে এখন থেকে বাচ্চার সাথে দেখা করতে চাইলে আমাদের বাড়িতে এসে দেখা করতে হবে। কিন্তু কয়েকবার বাড়িতে দেখা করার পর, বাচ্চাকে আবারও বাহিরে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু বাচ্চার বাবা থানায় ইনফর্ম করার শর্তে বাচ্চাকে বাহিরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়। কিন্তু ফুডাপ্পি মণিষা এই শর্ত মানতে রাজি না। এখন সে দুই বছর ধরে বাচ্চার সাথে দেখাও করে না, ফোন করেও বাচ্চার কোন খোঁজখবর নেয় না।

প্রথম শো-তে ফুডাপ্পি মণিষা বলেছিল বাচ্চাকে দেখতে দেওয়া হয় না। অথচ দ্বিতীয় শো-তে বাচ্চার সাথে মণিষা বসে গল্প করছে এরকম অনেকগুলো ছবি রুহুল আমিন সাথে করে নিয়ে এসেছেন। পরে মণিষাও স্বীকার করে যে দেখা করতে দেওয়া হয়, কিন্তু পাহাড়া দিয়ে, যাতে আগেরবারের মত বাচ্চাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, বাচ্চাকে তাঁর বাবার কাছ থেকে আলাদা করতে না পারে। তাহলে প্রথমদিন মণিষা ওই মিথ্যা কথাটা কেন বলল?

এইবার দেখা যাক কার কতটা লাভ এবং কার কতটা ক্ষতি হল।

ফুডাপ্পি মণিষা এবং তার পরিবার মিলে রুহুল আমিনের বাবার পেনশনের ১১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করল। এই এগারো লক্ষ টাকায় মণিষাদের বাড়ির চতুর্থ তলাটা ফ্রীতেই কমপ্লিট হয়ে গেল। এখন সেখান থেকে মাসে মাসে ভাড়া পাচ্ছে মণিষারা। বিনা ইনভেস্টমেন্টে বিজনেস। মণিষা নতুন একটা স্বামী পেল, নতুন সংসার হল, বাচ্চাকাচ্চা হল। বিয়ের সময় আলোচনা সাপেক্ষে কাবিন নির্ধারিত হয়েছিল ১ লক্ষ টাকা। যেখানে ছেলের মাসিক বেতন মাত্র ২০ হাজার টাকা। যা কাবিননামা সুস্পষ্টভাবে লেখা ছিল। কিন্তু তবুও পরবর্তীতে কনেপক্ষ থেকে (মূলত মণীষার মায়ের পরামর্শে) কাবিনের নামে ৫ লক্ষ টাকা আদায়ের একটা চেষ্টা করা হয়। স্বামীকে মিথ্যা যৌতুক এবং নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসিয়ে জেলের ভাত খাওয়ানোর যে খায়েশ ছিল সেই খায়েশও পূরণ হয় মণিষার। আবার এইসব নিয়ে কিছুটা সত্য কিছুটা মিথ্যা মিশিয়ে গল্প বানিয়ে ক্যামেরার সামনে এসে কান্নাকাটি করে সেগুলো প্রচার করে মানুষের সহানুভূতিও আদায় করে। এগুলো বিক্রি প্রচুর ভিউজ হয়, প্রচুর ফ্যান ফলোয়ারও হয়। ফুডাপ্পির একটা খায়েশ শুধু পূরণ হয় নাই, সেটা হচ্ছে বাচ্চাটাকে কোনভাবে তার বাবার কাছে থেকে সরিয়ে একবার জাপান নিয়ে যাওয়া। যাতে বাচ্চাটাকে তাঁর বাবার কাছ থেকে চিরতরে আলাদা করে ফেলা যায়।

অন্যদিকে বাচ্চাটা আর তার বাবা রুহুল আমিনের কী কী ক্ষতি হল দেখেন। রুহুল আমিনের বাবার সারাজীবনের চাকরি করে জমানো শেষ সম্বল পেনশনের ১১ লক্ষ টাকা হারাতে হল। রুহুল আমিনের নিজেকে জেল খাটতে হল তার স্ত্রীর কারণে। ডিভোর্স হল। রুহুল আমিন তার স্ত্রীকে হারালো, তাঁর সন্তান হারালো মাকে। ৭ বছর ধরে রুহুল আমিনকে সিঙ্গেল অবস্থায় জীবনযাপন করতে হচ্ছে শুধুমাত্র তাঁর সন্তানের মঙ্গলের কথা ভেবে।
.

খালিদ এম তন্ময়
শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

.
.
আমার এই লেখাটির তথ্যসূত্র হচ্ছে ফুডাপ্পি নামে পরিচিত ফাবিহা হাসান মণিষা এবং তার প্রথম স্বামী রুহুল আমিনকে নিয়ে করা আরজে কিবরিয়ার দুইটি শো। শো দুইটি আরজে কিবরিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা আছে, যার লিঙ্ক কমেন্টে দেওয়া হয়েছে। পুরো ভিডিওটি দেখে আমার লেখাটির সত্যতা যাচাই করে নিন।
শুনলাম এককুত্তার টিভির জলবিয়োগ (পড়ুন খেলাযোগ) -এ মুশফিকুর রহিমের বিরুদ্ধে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে! এই চ্যানেল আর তাদের রিপোর্টার্স-কলাকুশলীরা হলুদ-গোয়েবলসীয় সাংবাদিকতার পুরোধা হিসেবে পরিচিত অনেক আগে থেকেই। ফাহিম রহমান নামক ভাঁড় থেকে শুরু করে এককালের দেব "দালাল" চৌধুরী, শামসুল আরেফিন হয়ে আজকের সাইফুল রুপক...সবকয়টার একই অবস্থা।

এদের সাংবাদিকতা(!) শুরুর আগে থেকে মুশফিকুর রহিম তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেছে। এরকম বাংলাদেশের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে এমন নোংরা অভিযোগ কিভাবে তুলতে পারে এরা? সবাইকে এদের #পীরসাপ মনে হয়? সে করেছে বলে যার তার নামেই এখন ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলা হবে? এই যে অভিযোগ, এটার লজ্জা দেশের সকল স্পোর্টস রিপোর্টারদের। এককুত্তার টিভির উচিত অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া আর মুশফিকের উচিত এদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা।

বি:দ্র: কয়েক বছর আগে ভিন্ন একটা ইস্যুতে এককুত্তার টিভি বয়কট করার পর ঐ ডাস্টবিনমুখো কখনো হইনি। আজ এই ব্যাপারটা জানার পর তাদের পেইজে গিয়ে দেখি, ভিডিওটা নেই, ডিলিট করা হয়েছে সম্ভবত পাবলিকের ঘাড়ানি খাওয়ার পর।

এককুত্তার টিভি : সংবাদ নয়, জলবিয়োগ

🎥 : https://fb.watch/oNOkpM0a2R/?mibextid=Nif5oz
১২০-১৩০ এর পেঁয়াজ মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ২০০ এর কোটা স্পর্শ করলো! সাধারণ জনগণের উপর এহেন জু*লু*মের পেছনের কুশীলব সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত Each & every হা*মখো* ব্যবসায়ীদের উপর আল্লাহর খাস গ*য*ব নাযিল হোক।
Starbucks Corporation has lost $10.98 billion dollars in value, with these losses erasing 9.4% of the company’s total value (market cap), amidst an ongoing boycott . (Source in comment box)

Who said boycott doesn’t work? It works, it really works!

#FreePalestine 🇵🇸
#FreeGaza
Channel photo updated
World's 3rd biggest sports brand Puma declined their sponsorship with Israel NFT.


https://www.ft.com/content/93014af0-80bc-4b53-bb4a-a621d8c932b0
পুমা যতই বলুক, চলমান ফিলিস্তিন ও ইসরাইলী হানাদার-খুনীদের মধ্যকার যুদ্ধের সাথে তাদের ইসরাইলী ফুটবলের সাথে স্পন্সরশীপ ডিক্লাইনের কোনো সম্পর্ক নেই, এটা অনুমিত যে সামান্য হলেও এটার প্রভাব এই সিদ্ধান্তের উপর পড়েছে। বয়কটের ডাক দেয়ার পর অনেক কোম্পানীরই একই অবস্থা। কেউ চুক্তি বাতিল করছে কেউবা আবার অফার দিচ্ছে। চলতে থাকুক তবে...

https://www.ft.com/content/93014af0-80bc-4b53-bb4a-a621d8c932b0
দান-সদকা না করে টাকা জমাবেন, ডাক্তার ঠিকই সেই টাকা নিয়ে নেবে। নিশ্চিত থাকেন।

দান-সদকার নিশ্চিত উপকারিতা সমূহ :

#এক. দানে বিপদাপদ দূর হয়। (আবু দাউদ:১১৯১)

#দুই. সম্পদে বরকত হয়। (সহিহ মুসলিম:২৫৮৮)

#তিন. জটিল অসুখ ভালো হয়। (সহি জামে: ৩৩৫৮)

#চার. আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়।
(সহিহ জামে: ৩৭৬৬)

#পাঁচ. খারাপ মৃত্যু ঠেকিয়ে দেয়।
(সিলসিলাহ সহিহা: ১৯০৭)

#ছয়. কিয়ামতে ছায়া হিসেবে হাজির হয়।
(সহিহ ইবনু খুযাইমা ১৭৬৬)

#সাত. ফেরেশতারা দুয়া করেন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য। (বুখারী: ১৩৭৪)

#আট. গোনাহ মাফ হয়। (তিরমিজি: ২৬১৬)

#নয়. জান্নাত নসিব হয়। (সহিহ বুখারী: ১৮৯৭)

#আমলি_টিপস


Abdullah Al Monsur
পুরুষ একই সময় একাধিক নারীতে আসক্ত হতে পারে, এবং ভালোও বাসতে পারে, এটা পুরুষদের একটা কমন বৈশিষ্ট্য। যে দু'একজন অস্বীকার করবে তারা কখনোই দলিল নয়।

আচ্ছা একজন পুরুষ হিসেবে আর্থিক শারীরিক দায়িত্বের দিক দিয়ে কেন আপনি আমি পারফেক্ট নয়! এই প্রশ্ন নিজেকে কেন করি না? একজন স্ত্রীর দায়িত্ব নিতেই ভারতীয় উপমহাদেশের পুরুষরা অনেকাংশে ব্যর্থ, এটা স্বীকার করতে এত লজ্জা কিসের?

গতকাল একাধিক বিয়ের পোস্ট দিয়েছিলাম। কিছু ভাই এমন ভাবে কমেন্ট করলেন, মনে হয় নিজে সব ক্ষেত্রে পারফেক্ট। অথচ নিজের আর্থিক, শারীরিক, দায়িত্বহীনতার মতো সত্য কথা স্বীকার করেন না।

যেখানে আরব কান্ট্রিগুলোতে একাধিক বিয়ে বা উপযুক্ত বয়সে বিয়ে একটা কমন বিষয়। অথচ আমাদের আর্থিক যোগ্যতা অর্জন করতে করতে শারীরিক যোগ্যতায়ও ভাটা পড়ে। এটা স্বীকার করতে এত লজ্জা কিসের?

তবে সমস্যা পুরুষের আর্থিক যোগ্যতায় নয়, কারণ অনেক পুরুষ বাংলাদেশেও আছে একাধিক বিয়ের যোগ্যতা রাখে। তাই সমস্যা হলো নারীদের অধিক চাহিদায়। অর্থাৎ নারী তিনজনের সম্পদ একজনে খেতে চায়।

ধরুন আমাদের দেশে সরকারি চাকরিতে সাধারণত মাসে বিশ হাজার টাকা আয় করতে পারলেই বিয়ে করার জন্য অসংখ্য মেয়ে পাওয়া যায়।

তাহলে দেখুন যার চল্লিশ হাজার টাকা। তখন সেই পুরুষ তো দুজন স্ত্রী ডিজার্ভ করে। তখন দেখবেন তার এক স্ত্রী আরেক বৌ চলার মতো খরচ নিজে একা করছে। আবার ওদিকে পুরুষের আর্থিক যোগ্যতা থাকলেও শারীরিক যোগ্যতা, সংসারের দায়িত্বহীনতা। এসব স্বীকার করতে লজ্জা পাওয়ার কিছু নাই।

যখন মেয়েরা দেখবে টাকা ওয়ালা পুরুষরা এভাবে একাধিক বিয়ে করছে। তখন মেয়েরাও সতীনের ভয়ে তাদের চাহিদা কমিয়ে দিয়ে কম টাকা ওয়ালা মধ্যবিত্ত পুরুষেই সন্তুষ্ট থাকবে। একাধিক বিয়ের প্রচলন নাই, তাই দেখবেন গ্রামের পিন্টু চাচার বারো রাইস খাওয়া মেয়েও গভ. জব ওয়ালা পুরুষের একমাত্র স্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখে।

কিন্তু টাকা ওয়ালা পুরুষের একাধিক বিয়ের প্রচলন থাকলে মেয়েরা সেই স্বপ্ন দেখার সাহস আর করতো না। আর কম টাকা ওয়ালা আপনিও এখন আনম্যারিড থাকতেন না। কিংবা ম্যারিড হলেও বৌ বেশি টাকা ওয়ালা পুরুষের সাথে খোটা দিয়ে তুলনা করতো না, বরং কম টাকায় আরো শুকরিয়া আদায় করতো সতীনের ভয়ে।

Be Real Man আইডি/পেইজ থেকে