2 subscribers
1 photo
8 links
Crypto Mining Airdrop join
Download Telegram
Channel created
Forwarded from Okay
https://t.me/tapswap_bot?start=r_6355824778
🎁 +2.5k Shares as a first-time gift
Forwarded from Hamster Kombat
Invite friends and get bonuses for everyone who signs up 🎁

Your referral link: https://t.me/hamster_kombat_bot?start=kentId6355824778
Claim Compad coins, Completely free.
Compad is a Multi-chain Launchpad and Audit Company Aim to Build a Safe Place for Investors and
thereby Create Organic Community of Investors for Projects at the Lowest Cost
Download Compad app
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.compad.app
Use My Referral code
3844e46392b5
Hey! Have you heard about Kelp? They are building a new global reserve currency and to get people to start using it when it goes live, they are offering free ways to reserve Kelp today. There is no personal limit as to how much you can reserve. As a Welcome Bonus, you can reserve 5,307.7 Kelp right now and all you need to do is download their free mobile app. Here is my personal link to get started https://link.kelp.finance/SE7o?ref=6yw1rcsw
Channel name was changed to «Ok»
কিছু সম্ভাবনা
কিছু ভাবনা
কিছু ভবিষ্যৎ
কিছু স্বপ্ন




কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে সংগৃহীত।
দেবস্মিতা-র শিল্পী হওয়ার গল্প

নদীয়ার বাদকুল্লা গ্রামের মেয়ে দেবস্মিতা। ছোট্ট, শান্ত স্বভাবের—কিন্তু তার চোখে ছিল এক অন্যরকম স্বপ্ন। ক্লাস ফাইভে পড়ে সে, বয়স মাত্র ১২। পড়াশোনার ফাঁকে যখনই একটু সময় পায়, তখনই খাতা-কলম নিয়ে বসে যায়। কখনও ছবি আঁকে, কখনও গুনগুন করে গান গায়, আবার কখনও নিজের মনে গল্প বানায়।
দেবস্মিতার বাড়ি খুব সাধারণ। বাবা একজন ছোট ব্যবসায়ী, মা সংসার সামলান। বাড়িতে খুব বেশি কিছু নেই, কিন্তু ভালোবাসার কোনো অভাব নেই। মা মাঝে মাঝে বলে, “তুই যা ভালোবাসিস, সেটাই মন দিয়ে কর।” এই কথাটা দেবস্মিতা মনে গেঁথে নিয়েছে।
একদিন স্কুলে আঁকার প্রতিযোগিতা হলো। সবাই যখন সুন্দর সুন্দর রঙে ছবি আঁকছিল, দেবস্মিতা নিজের মনের ছবি আঁকল—একটা মেয়ে, আকাশের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখছে। তার ছবিটা প্রথম হয়নি, কিন্তু শিক্ষিকা বললেন, “তোমার ছবিতে প্রাণ আছে।” সেই দিন থেকেই দেবস্মিতা বুঝল, সে অন্যরকম কিছু করতে চায়।
গ্রামের লোকজন অনেকেই বলত, “এইসব করে কি হবে? পড়াশোনা কর, ভালো চাকরি কর।” কিন্তু দেবস্মিতা থামেনি। প্রতিদিন একটু একটু করে সে নিজের শিল্পকে গড়ে তুলতে লাগল—কখনও ছবি আঁকা, কখনও গান, কখনও কবিতা লেখা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে বড় হতে লাগল। স্কুল থেকে কলেজ—সব জায়গায় তার প্রতিভা ধীরে ধীরে সবার নজরে পড়তে লাগল। একদিন সে বড় শহরে গিয়ে একটি আর্ট এক্সিবিশনে অংশ নিল। সেখানে তার আঁকা ছবি দেখে অনেকেই অবাক হয়ে গেল।
কয়েক বছর পর, সেই ছোট্ট গ্রামের মেয়ে দেবস্মিতা হয়ে উঠল একজন পরিচিত শিল্পী। তার ছবি প্রদর্শনীতে মানুষ ভিড় করে, তার গান শুনে অনেকে মুগ্ধ হয়। টিভিতে, সংবাদপত্রে তার নাম আসে।
তবু সে ভুলে যায় না তার ছোট্ট গ্রাম বাদকুল্লাকে। মাঝে মাঝে সে ফিরে আসে নিজের স্কুলে, ছোটদের শেখায়—“স্বপ্ন দেখতে ভয় পেও না, আর নিজের ভালোবাসাকে কখনও ছেড়ো না।”
দেবস্মিতার গল্প আমাদের শেখায়—বড় হওয়ার জন্য বড় শহর দরকার নেই, দরকার শুধু বড় স্বপ্ন আর সেই স্বপ্নকে ধরে রাখার সাহস। 🌼
দেবস্মিতা নাচ করতে ভালোবাসে

নদীয়ার বাদকুল্লা গ্রামের ছোট্ট মেয়ে দেবস্মিতা। বয়স মাত্র ১২, ক্লাস ফাইভে পড়ে। কিন্তু তার একটা বড় পরিচয় আছে—সে নাচ করতে ভীষণ ভালোবাসে।

যখনই কোথাও গান বাজে, দেবস্মিতার পা যেন নিজে থেকেই নড়ে ওঠে। টিভিতে নাচের অনুষ্ঠান দেখলে সে মন দিয়ে দেখে, তারপর নিজের মতো করে সেই স্টেপগুলো প্র্যাকটিস করে। বাড়ির ছোট্ট ঘরটাই তার কাছে যেন একটা মঞ্চ।

প্রথমে সবাই এটাকে শুধু খেলা ভাবত। কিন্তু ধীরে ধীরে মা বুঝতে পারলেন, দেবস্মিতার নাচের প্রতি ভালোবাসা সত্যিই গভীর। মা তাকে একটা সাধারণ নাচের ক্লাসে ভর্তি করে দিলেন। সেখানে গিয়ে দেবস্মিতা আরও উৎসাহ পেল। নতুন নতুন স্টেপ শিখতে লাগল, নিজের ভুলগুলো ঠিক করতে লাগল।

স্কুলে একদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলো। দেবস্মিতা সাহস করে নাচে অংশ নিল। মঞ্চে ওঠার সময় তার খুব ভয় লাগছিল, কিন্তু গান শুরু হতেই সে সব ভুলে গেল। তার নাচে ছিল আনন্দ, ছিল আত্মবিশ্বাস। সবাই হাততালি দিয়ে তাকে উৎসাহ দিল।

সেই দিন থেকেই দেবস্মিতা ঠিক করল—সে বড় হয়ে একজন ভালো নৃত্যশিল্পী হবে।

অনেক সময় পড়াশোনা আর নাচ একসাথে সামলানো কঠিন হয়ে যেত। কখনও ক্লান্ত লাগত, কখনও ভুল করত। কিন্তু সে থামেনি। প্রতিদিন একটু একটু করে প্র্যাকটিস করত। তার চোখে ছিল একটাই স্বপ্ন—একদিন বড় মঞ্চে নাচবে।

বছর কেটে গেল। সেই ছোট্ট দেবস্মিতা একদিন বড় হয়ে সত্যিই একজন পরিচিত নৃত্যশিল্পী হয়ে উঠল। টিভি, স্টেজ—সব জায়গায় তার নাচ দেখে মানুষ মুগ্ধ হয়।

তবুও সে ভুলে যায় না তার গ্রামের কথা, তার প্রথম মঞ্চের কথা। মাঝে মাঝে সে বাদকুল্লায় ফিরে এসে ছোটদের শেখায়—
“যা ভালোবাসো, সেটাকে মন দিয়ে করো। একদিন তোমার স্বপ্নও সত্যি হবে।”

দেবস্মিতার গল্প আমাদের শেখায়—স্বপ্ন ছোট-বড় নয়, সত্যিকারের ভালোবাসা আর পরিশ্রমই একদিন তাকে বড় করে তোলে। 💃
দেবস্মিতা – একদিন আইএএস অফিসার

নদীয়ার বাদকুল্লা গ্রাম। অঞ্জনা নদীর কাছেই দেবস্মিতার বাড়ি। ক্লাস ফাইভে পড়ে সে। বয়স মাত্র দশ–এগারো, কিন্তু স্বপ্নের বয়স নেই।

দেবস্মিতার সবচেয়ে বড় ভালোলাগা—নাচ। বাড়ির আঙিনায় যখন গান বাজে, তখন তার পা থামে না। মা বলেন, "তুই নাচতে গিয়ে সবকিছু ভুলে যাস।" কিন্তু দেবস্মিতা জানে, নাচের তালে তালে তার মন শক্তি পায়।

একদিন স্কুলে শিক্ষিকা দেশের বিভিন্ন চাকরির কথা বলছিলেন। তখনই প্রথম দেবস্মিতা শুনল "আইএএস অফিসার" শব্দটা। শিক্ষিকা বললেন, "আইএএস মানে ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস। এরা জেলা চালায়, মানুষের সমস্যার সমাধান করে, স্কুল–হাসপাতাল তৈরি করে, গ্রামের রাস্তা ঠিক করে।"

সেদিন রাতে দেবস্মিতা মাকে জিজ্ঞাসা করল, "মা, আমি কি আইএএস অফিসার হতে পারি?"

মা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, "আমাদের গ্রামের মেয়ে? তুই নাচতে ভালোবাসিস, পড়াও ভালো করিস। কিন্তু এটা খুব কঠিন পরীক্ষা।"

দেবস্মিতা বলল, "কঠিন মানেই তো অসম্ভব না, মা।"

সেদিন থেকেই তার যাত্রা শুরু। সে আগের চেয়ে বেশি মন দিয়ে পড়তে বসল। নাচকে সে ছাড়েনি—বরং নাচের মধ্য দিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে লাগল। স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে সে নাচে প্রথম পুরস্কার পেল, আবার ক্লাসের পড়াতেও প্রথম।

গ্রামের অনেকে বলত, "ও বাবা, আইএএস! কলকাতার ছেলেরাও পায় না।" কেউ কেউ হাসত। দেবস্মিতা কান দেয়নি।

সে প্রতিদিন সকাল ছয়টায় উঠে পড়ত। বিকেলে নাচের প্র্যাকটিস। রাতে আবার বই খুলে বসত। মাঝে মাঝে চোখ লাল হয়ে যেত, কিন্তু সে থামেনি।

সময় উড়ে গেল। দশম শ্রেণিতে দেবস্মিতা জেলার মধ্যে দ্বিতীয় হল। দ্বাদশে প্রথম। তারপর কলকাতায় গিয়ে পড়ল স্নাতকে। সেখান থেকে আইএএসের প্রস্তুতি নিতে লাগল।

প্রথমবার পরীক্ষা দিয়ে নির্বাচিত হল না। মন ভেঙেছিল। কিন্তু সে আবার পড়তে বসল। নাচতে নাচতে নিজেকে বলত, "থেমে যাওয়ার মতো আমি কেউ নই।"

দ্বিতীয়বার সে সফল হল। শুধু পাশ নয়—অল ইন্ডিয়া র‌‌‌‌‌‌‌‌্যাঙ্ক বিশের মধ্যে এসে গেল। বাদকুল্লার ছোট্ট মেয়ে এখন ভারতীয় প্রশাসনিক আধিকারিক।

প্রথম পোস্টিং পেল নিজের জেলায়। সেদিন অঞ্জনা নদীর ধারে গ্রামে ফিরে এসে সে প্রথমে গেল সেই প্রাথমিক স্কুলে, যেখানে প্রথম আইএএস শব্দটা শুনেছিল। শিক্ষিকা তখন অবসর নিয়েছেন। দেবস্মিতা তার হাত ধরে বলল, "আপনার সেই কথাটা আমায় বদলে দিয়েছে।"

তারপর সে গ্রামে তৈরি করল নতুন পাকা রাস্তা, রাতের বেলা পড়ার জন্য সোলার লাইট লাগাল, আর গ্রামের মেয়েদের জন্য শুরু করল নাচের স্কুল।

আজ বাদকুল্লার মানুষ গর্ব করে বলে, "আমাদের দেবস্মিতা—যে একদিন এখানে খালি পায়ে ঘুরত, নাচত, স্বপ্ন দেখত—সে এখন আইএএস অফিসার।"

আর দেবস্মিতা যখনই কোনো ছোট মেয়েকে দেখে, তাকে বলে—
"তুই নাচ, তুই পড়, তুই স্বপ্ন দেখ। তোর স্বপ্নকে কেউ ছোট করতে দিস না। তুই একদিন যা চাস, হতে পারিস।"
রাজকুমারী দেবস্মিতা

নদীয়ার বাদকুল্লা গ্রামের এক কোণে থাকত ছোট্ট মেয়ে দেবস্মিতা। বয়স মাত্র ১২, ক্লাস ফাইভে পড়ে। তার চোখে ছিল অনেক স্বপ্ন, আর মনে ছিল এক অদ্ভুত সাহস। গ্রামের সবাই তাকে ভালোবেসে ডাকত—“রাজকুমারী দেবস্মিতা”।

দেবস্মিতা খুব কৌতূহলী ছিল। নতুন কিছু জানতে, বই পড়তে, আর চারপাশের মানুষকে সাহায্য করতে সে সবসময় আগ্রহী থাকত। কেউ বিপদে পড়লে সে আগে এগিয়ে যেত। তাই ছোট হলেও তার মধ্যে একটা বড় মনের পরিচয় ছিল।

একদিন পূর্ণিমার রাতে, জানলার পাশে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে দেবস্মিতা এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখল। সে যেন এক বিশাল রাজ্যের রাজকুমারী—চারদিকে বড় বড় প্রাসাদ, সুন্দর বাগান, আর অনেক মানুষ তার দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।

কিন্তু এই রাজকুমারী শুধু সাজগোজ করে থাকত না। সে মানুষের সমস্যার কথা শুনত, তাদের সাহায্য করত, আর সবাইকে একসাথে নিয়ে চলার চেষ্টা করত। তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তার দয়া আর বুদ্ধি।

হঠাৎ রাজ্যে একটা সমস্যা দেখা দিল। মানুষ দুঃখী, চিন্তিত। তখন রাজকুমারী দেবস্মিতা সাহস করে সামনে এল। সে সবার কথা শুনল, সমাধানের পথ খুঁজল, আর ধীরে ধীরে সবাইকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনল।

মানুষ খুশি হয়ে বলল,
“এই আমাদের সত্যিকারের রাজকুমারী!”

স্বপ্ন ভেঙে গেলে দেবস্মিতা বুঝল—রাজকুমারী হওয়া মানে শুধু মুকুট বা প্রাসাদ নয়। রাজকুমারী হওয়া মানে হলো দয়ালু হওয়া, সাহসী হওয়া, আর অন্যদের জন্য কিছু করা।

সেই দিন থেকে দেবস্মিতা আরও মন দিয়ে পড়াশোনা করতে লাগল, নিজের স্বপ্নকে বড় করতে লাগল। সে জানত, একদিন সে বড় হয়ে মানুষের জন্য কাজ করবে, সবার জীবনে সুখ আনবে।

আর গ্রামের সবাই গর্ব করে বলতে লাগল—
“এই আমাদের রাজকুমারী দেবস্মিতা!” 👑
)

1. I can’t solve this problem.
2. She can’t come to school today.
3. They can’t understand the lesson.
4. He can’t lift such a heavy box.
5. We can’t finish the work on time.

### 🔹 Sentences with “can’t help” (meaning unable to stop oneself)

1. I can’t help laughing at his joke.
2. She can’t help crying when she watches sad movies.
3. He can’t help smiling when he sees her.
4. They can’t help admiring the beautiful scenery.
5. We can’t help feeling proud of our team.