4.08K subscribers
1K photos
135 videos
61 files
169 links
Download Telegram
যদিও মাওলানা ইসরার আহমেদ রহিমাহুল্লাহর সাথে উলামায়ে কেরামের কিছু মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিলো, কিন্তু তিনি দিনশেষে তাদের সাথেই ছিলেন অর্থাৎ মাওলানা ইসরার আহমেদ রহিমাহুল্লাহ উজুদি আকিদার ছিলেন, অর্থ্যাৎ তিনি ওয়াহদাতুল উজুদকেই সবচেয়ে বিশুদ্ধ মনে করতেন।
❤10👍3
Forwarded from Meer Salman
সিরিয়া এবং ইরাকের মুসলমানরা ধ্বংস হয়েছে শুধু চরমপন্থার কারনে। দায়েশ যদি চরমপন্থা গ্রহণ না করে লড়াই এবং রাজনীতি যুগপৎ করতো তবে ইরাকে অন্তত সুন্নি বেল্টে ইসলাম শক্তিশালী থাকতো। অন্যদিকে চরমপন্থী আচার আচরণের কারণে সিরিয়াতেও বিপ্লব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো। সিরিয়ায় ইসলামপন্থী গ্রুপগুলো শীর্ষ নেতারা যতটা আমেরিকা, রাশিয়া এবং আসাদ-ইরান-হিযবুল্লাত গং মেরেছে তার চেয়ে বেশি মেরেছে দায়েশ একা। এক ইফতারে আহরারুশ শামের সকল নেতাকে সুইসাইড এটাক করে হত্যা করেছে। শেষ পর্যন্ত শামে যেটুকু ইসলাম বেঁচেছে সেটুকু বেঁচেছে আহমাদ আল শারাহ চরমপন্থা পরিত্যাগ করায়। নয়তো শামের মুসলমানদের পরিনতি সাফাভি ইরানের চেয়ে মোটেই ভালো হতো না। বাংলাদেশ, পাকিস্তানেও চরমপন্থীদের কারণে মুসলমানদের অপরিসীম ক্ষতি হয়েছে।

আহলে সুন্নাহর মানহায পরিত্যাগ করা, মধ্যপন্থার পরিবর্তে চরমপন্থা গ্রহণ করার দ্বারা কখনো কল্যাণ সাধিত হবে না। আপাতদৃষ্টিতে কখনো লাভ মনে হতে পারে। কিন্তু এই লাভ হলো শয়তানের ধোকা। এর ভেতরেই পরাজয় লুকিয়ে থাকে।
❤8👎3👍1
মু**জাহিদ হওয়ার জন্য সুফি হওয়া শর্ত কি না এই ধরনের প্রশ্ন অনেকেই করে থাকেন। যদিও এই প্রশ্নগুলোই অমূলক, তাও কিছু বলা প্রয়োজন।

দেখেন, সাহাবাদের সময়ে উসুলুল হাদিস, উসুলুল কুরআন রিজাল শাস্ত্র সহ আরো অনেক কিছুই ছিলো যেগুলোর অস্তিত্ব ছিলো না। এমনকি ইসলামী রাষ্ট্র কাঠামোর বেশিরভাগ বিধান হানাফি ও শাফেয়ী ফুকাহাদের হাত ধরে পরবর্তীতে আসছে, এখন কেউ যদি অক্ষরবাদীদের আক্ষরিকতা খুঁজে, তাহলে উমাইয়ারা তো আছেই, উসমানি খেলাফত পর্যন্ত সবাই বাতিল গন্য হবে‌, কিংবা বলতে হবে তারা সকলেই জঘন্যতম বিদআতি এবং গোমরাহ।

সাহাবা এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন horizontal এবং vertical plan এর ক্রস পয়েন্ট, অর্থাৎ তারা ছিলেন প্রিন্সিপাল, অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে ছিলেন ইনসানে কামিল, আর তাঁর দৃষ্টিতে সাহাবারা সেই কামালাতে ইনসানির দরজা অর্জন করেছিলেন, এজন্য তাদের আলাদাভাবে তাসাউফ লাগে নাই, হাদিসের সনদ যাচাইয়ের জন্য একে অপরের ব্যাপারে রিজাল শাস্ত্র গড়তে হয় নাই, বরং তারা প্রত্যেকেই রুহানিয়াতের ওই স্তরে ছিলেন, যেটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামদের পরের স্তর।

এগুলো স্বাভাবিক আকলমন্দ সবাই বুঝে যাদের নূন্যতম চিন্তায় গভীরতা আছে।

এখন প্রশ্ন হলো তাসাউফ ও সুফি হাওয়ার মুজাহিদ হওয়ার জন্য শর্ত কি না। যারা এই ধরনের প্রশ্ন করে, তারা আসলে জানেই না, তাসাউফ কি জিনিস। তাসাউস খালি আত্মশুদ্ধির জন্য না, তাসাউফের স্তর আছে, এরমধ্যে প্রাথমিক স্তর হলো আখলাক। ব্যাপারটা এমনো না যে কেউ একজন আগে সুফি হবে, তারপর গিয়ে আলেম হবে তারপর গিয়ে জি***দ করবে— ব্যাপারটা মোটেই এমন না। বরং এই তিনটা জিনিসই চলমান থাকবে একই সাথে, কিন্তু নিশ্চিতভাবেই তৃতীয়টা সময় ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার সাথে শর্তযুক্ত।

হাদিস বুঝার জন্য যেমন উসুল বুঝা এখন গুরুত্বপূর্ণ, কুরআন বুঝার জন্য উসুল যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ইলম ধারণ করার জন্য এবং খালিসভাবে আল্লাহর রাস্তায় জি***দ করার জন্যেও ইলমুল আখলাক ও তাসাউফ গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হচ্ছে কামালাতে ইনসানি এবং তাক্বাররুবে রবের সম্পূরক। এই সম্পূরক না থাকার অর্থই হলো নফসে আম্মারাহ এবং শয়তান তার উপর বিভিন্ন নেক সুরত ও বদ সুরতে ভর করবে।

তাসাউফকে অস্বীকার যারা করে তারা উম্মতের সবচেয়ে ছোট্ট অংশ, ইবনে তাইমিয়া আসার আগ পর্যন্ত তাসাউফের মতো গুরুতর বিষয়কে অস্বীকার করছে এমন কাউকে পাওয়া যায় না, খোদ হাম্বলি মাযহাবে তাসাউফ আগ থেকেই প্রচলিত ছিলো যেমন শায়খ আব্দুর কাদির জিলানী রহ। তাসাউফকে জঘন্যভাবে সমালোচনা করছে ইবনে তাইমিয়া রহ এবং খারেজি নজদী, নজদী বরং এই ব্যাপারে একধাপ আগায় ছিলো ইবনে তাইমিয়ার চেয়ে।

দেখেন, কাদার কিছু জঘন্যতম সিদ্ধান্তগুলোথ মধ্যে একটা হলো অযোগ্যদেরকে তারা রিক্রুট করতো, এজন্য খারেজিদের উত্থান তাদের মাধ্যমে হইছে তালিবদের মাধ্যমে হয় নাই। আমি কাদা হক মনে করি কিন্তু নির্ভুল না। তালিবদের মতো সমস্তরের না তারা, তবে অবশ্যই তারা আল্লাহর রাস্তার মুজা*দ। যারকাভীর মতো ফ্যানাটিক লোকদের হাত ধরেই কা*দায় খারেজিদের উত্থান হইছে, যারা "আদর্শ" ধারন করতো, কিন্তু না ছিলো তাদের মধ্যে ইলম আর না ছিলো তাসাউফ। যারা জাহেল তারা তাসাউফ কেন, তারা এমন প্রশ্নও করবে যে মু***হিদ হওয়ার জন্য ইলম জরুরি কি না বা এমন কোনো শর্ত শরিয়তে আছে কি না‌! এগুলো ফ্যান্টাসি আর জাহালত ছাড়া আর কিছুই না।

আমি সমানভাবেই বলি ইলম তাসাউফ ছাড়া কেউ যদি জি***দ করতে চায়, তাহলে আল্লাহর ফজল না থাকলে তার পরিণতি খারেজিদের মতোই হবে‌। হকের উপর থাকার জন্য দুইটা জিনিস লাগে। একটা হলো ইলম আরেকটা আল্লাহর ফজল।

ইবনে তাইমিয়া যদি আজকে বেঁচে থাকতো, তাহলে শাহ ওয়ালিউল্লাহকে যিন্দিকে আকবার আখ্যায়িত করতো, আর সাইয়েদ আহমাদ সিরহিন্দিকে বলতো যিন্দিকে আসগর‌। কারণ সাইয়েদ আহমাদ সিরহিন্দি ওয়াহদাতুশ শুহুদের কথা বলছে, সেটা ওয়াহাদতুল উজুদেরই একটা নিম্নতর স্তর। আর শাহ ওয়ালিউল্লাহকে তাকফির এজন্য করতো যে শাহ ওয়ালিউল্লাহ ইবনে আরাবীর ওয়াহদাতুল উজুদকে শুধু যে ব্যাখ্যা করছে এমন না, বরং তার মধ্যে Neoplatonic ও মাশাঈদের লজিক ও ফিলোসফিক্যাল আর্গুমেন্টকেও কম্বাইনকে করে শায়খে আকবারের উজুদকে সর্বোচ্চ মাক্বাম দিছেন। আর তিনিই শাহ ওয়ালিউল্লাহ, যিনি উপমহাদেশে আবারো শুহুদের চেয়ে উজুদ বিশুদ্ধ এই কথা বলে গেছেন।

অথচ এই উজুদের কারণে ইবনে তাইমিয়া ইবনে আরাবীকে তাকফির করছে।

এগুলো বলার কারণ হলো শাহ ওয়ালিউল্লাহ তাসাউফকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন, তাসাউফ ছাড়া মানুষের সাথে আল্লাহর সম্পর্ক গভীর হয় না। দেখেন, ইবনে তাইমিয়া আর ইবনুল জাওযী যেই তাসাউফের কথা বলছে, এগুলো সাধারণ আমল দৈনন্দিন জীবনের, এটা সবচেয়ে আদনা স্তর। নিজের রুহকে পরিচর্যা করা এবং এটাকে পলিশ করা একটা আলাদা অনুশীলন। যওক্বে খোদা ও লাজ্জাতে খোদা এগুলো আলাদা জিনিস। যওক্বে খোদা পাওয়ার জন্য আলাদা মেহনত লাগে। এগুলো দৈনন্দিন
❤6
তাযকিয়াহর বয়ানের চেয়েও আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহর ব্যাপারে আলোচনা করা আর লাজ্জাতে খোদা পাওয়া ভিন্ন ভিন্ন দুটো জিনিস। একটা ঈমানের তাওহীদের গুরুত্ব তুলে ধরে, অন্যটা তাওহীদ ও দিদারে খোদার পথকে উন্মুক্ত করে দেয়।
👍3
Hasan
https://youtu.be/kvHQQWztwg8?feature=shared
ইসরার আহমেদ রহিমাহুল্লাহ ওয়াহদাতুল উজুদ নিয়ে বয়ান করছেন, দুই ঘন্টার বয়ান, যদিও এখানে সারমর্ম উঠে আসছে।
রকমারি বা ওয়াফি লাইফ বই সরিয়ে ফেলেছে দেখেই আপনাদের এমন রিয়েক্টিভ আচরণটা কেমন হলো? ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান তো আর আপনাদের কারো নিজস্ব না। যাকে তাকে শত্রু বানানোর এই প্রবণতাটা বাদ দিতে হবে আপনাদের।

নিজেদের চিন্তার বাইরে সবাইকে শত্রু ভাবাটা আপনাদের একটা সাধারণ সমস্যা হয়ে গেছে ভাই। আহমাদ রফিক ভাই, আপনার স্টেটমেন্টগুলো সবচেয়ে জঘন্য হয়েছে, শুনতেই তো লজ্জা লাগে। এই ধরনের লাগাম ছাড়া কথাবার্তা শোনার পর আমার বলতে মন চাচ্ছে শক্তি ভাইয়ের তার সঙ্গ পরিবর্তন করা উচিত।
👍3🤣3
Forwarded from Meer Salman
সমাজের উপর ইসলামের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাওয়ার একটা কারণ বড় কারণ তাসাউফের সিলসিলাগুলোর অধঃপতন। সমালোচকদের নিন্দা করে লাভ নাই। কারণ তারা নিন্দা করবেই। আপনারা জানেন নজদি দাওয়াতে সাবস্ক্রাইব না করেও তাদের প্রতি আমার গভীর সহানুভূতি আছে তাওহীদের পক্ষে এবং বিদয়াতের বিরুদ্ধে তাদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে। কিন্তু তাদের সুফিদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনাগুলো আমি অপছন্দ করি এবং মনে করি তাদের জাহেরি প্রবনতা, সুফিদের বক্তব্যগুলোর মূল অর্থ বুঝতে চেষ্টা না করা, সমাজ ও মানবীয় স্বভাব-চরিত্রের বাস্তবতা সম্পর্কে অনভিজ্ঞতা এবং কিছু ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় কঠোরতা তাসাউফ নামক প্রতিষ্ঠানটির ভয়াবহ ক্ষতি করেছে। এই ক্ষতি শুধু মুসলিম সমাজে ইমান, তাকওয়া এবং আখলাকের ক্ষতি নয় বরং সভ্যতাগতভাবে মুসলমানদের ক্ষতির কারণ হয়েছে। কিন্তু সমালোচক বা বিরোধীদের বিরোধিতা কখনো কারও পতন ঘটাতে পারে না বরং নিজেদের অযোগ্যতা, অদক্ষতা এবং অবক্ষয়ই যে কোন গোষ্ঠীর পতনের প্রধান কারণ। কিন্তু আমরা মানুষ প্রায়ই নিজে দায় না নিয়ে অন্যদের ঘাড়ে দোষ চাপাতে পছন্দ করি। কিন্তু এতে কাজের কাজ কিছু হয় না।

একটা সময় ছিলো যখন সুফিরা ছিলেন অত্যন্ত বিদগ্ধ পন্ডিত যারা দুনিয়া এবং আখিরাত উভয় বিষয়ে গভীর জ্ঞাণ রাখতেন। তাদের কুরআন, হাদিস, ফিকহের পাশাপাশি সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি, সংস্কৃতি সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ধারণা ছিল। পাশাপাশি তারা খুবই উন্নত চরিত্র, সুদৃঢ় ব্যাক্তিত্ব এবং ক্যারিশমার অধিকারী ছিলেন। এজন্য সুফিদের জায়ান্টদের নামগুলো দেখুন। ইব্রাহিম আদহাম, ইমাম গাযযালি, শাইখ আব্দুল কাদির জিলানি, মাওলানা জালালুদ্দিন রুমি, খাজা বাকি বিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আলফে সানি, শাহ ওয়ালিউল্লাহ, শাহ আব্দুল আযিয (রহ) প্রমুখ। কিন্তু আমাদের যুগে এমন ভালো শিক্ষিত, সামাজিক বোধবুদ্ধিসম্পন্ন, ব্যাক্তিত্বের দৃঢ়তাসম্পন্ন সুফি নেই বললেই চলে। অথচ রুহানিয়াতের আকাল বাজারে তীব্র। মানুষ পুঁজিবাদের যাতাকলে তীব্র মানসিক অশান্তিতে ভুগছে। আবুল হাসান আলী নদভী (রহ) তাঁর মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কি হারালো পুস্তকে মূলত রুহানিয়াতের পতনকে বিশ্বের বড় ক্ষতি হিসেবে দেখিয়েছেন। দেখুন আমরা মুখে যাই বলি কেউই কিন্তু বস্তুবাদের বাহিরে চিন্তা করতে পারছে না। আমরা জাশির নিন্দা করতে পারবো মেয়েদের ভলিবল আয়োজন করায়। কিন্তু আমরা সবাই যার যার জায়গায় বস্তুবাদে আটকে গিয়েছি। এই বাস্তবতা জাশি এবং অন্যান্য ইসলামি দলগুলোর ভেতর একই। মাত্রায় কম-বেশি হতে পারে। সাদিক কাইয়্যুমকে এগুলো তাদের পরিবেশ অনুযায়ী করতে হচ্ছে। আপনি ঢাবির বাস্তবতা জানেন না। বাহির থেকে ফেসবুকে মন্তব্য করা সহজ। কিন্তু প্রায়ই সমালোচকরা বিশেষ বিশেষ জায়গার বিশেষ বিশেষ বাস্তবতা সম্পর্কে অবহিত না। আবার অন্যরা এই বাস্তবতায় নাই, অন্য বাস্তবতায় আছে। তারা সে অনুযায়ী আপোষ করছেন। কিন্তু মূল সংকট হলো রুহানিয়াতের অভাব। তায়াক্কুল মায়াল্লাহর অভাব৷ মানুষের নিজের আত্মশুদ্ধি এবং অন্যের জন্য এহসান মূলনীতির অনুপস্থিতি আমাদের সংকটকে ঘনীভূত করছে। মানুষের চারিত্রিক উন্নয়ন ও আত্মার প্রশান্তির যে চাহিদা বাজারে আছে সে অনুযায়ী যদি তাসাউফ নামক প্রতিষ্ঠানটিকে ঢেলে সাজানো যায় তবে এর অভূতপূর্ব উন্নয়ন সম্ভব এবং মুসলমানদের সভ্যতা বিনির্মানে সুফি সিলসিলাগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।

আমাদের মাদ্রাসাগুলোকে খানকা বানাতে হবে। থানভী বা মাদানি রহমাতুল্লাহি আলাইহিরা কাজটা করতে চেষ্টা করেছিলেন। এর ফলও তারা পেতেছেন। তবে আরও বিস্তৃত পরিসরে কাজ করতে হবে।

আমরা আজও পশ্চিমের কলোনি। সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব যারা দিবে তাদের মেয়েদের ভলিবল আয়োজন করতে হবে। এই রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী যদি তারেক রহমান না হয়ে মুহিবুল্লাহ বাবুনগরি হন তবে পরিস্থিতির রাতারাতি খুব বড় উন্নতি হয়ে যাবে তা নয়। হ্যাঁ ইসলামপন্থীরা কিছু সুযোগ সুবিধা বেশি পাবে। সেটাও বস্তুগত। হুযুররাও যে তাহাজ্জুদ পড়া বাড়িয়ে দিবে তা নয়। আমাদেরকে বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে। সুতরাং এখন করনীয় কি? করনীয় হলো মানুষের সাথে ইসলাহী সম্পর্ক তৈরি করা। মানুষের সাথে ফতোয়ার মেজাজে না মিশে দরদের সাথে মেশা। একজন অভিনেতা, অভিনেত্রী বা রাজনীতিবিদের সাথে ইশক তৈরি করা। অভিনেত্রী হয়তো প্রথম দিন অভিনয় ছাড়বেন না। তিনি সালাত৷ আদায় শুরু করবেন। সাথে শায়েখের প্রতি ভক্তি ও প্রম অনুভব করবেন। এই অনুভূতি হয়তো তাদের পাপাচার থেকে বিরত রাখতে পারবে না কিন্তু তাদের রিদ্দা থেকে বাঁচাবে। একজন রাজনীতিবিদ হয়তো রাজনৈতিক বাটপারি অব্যাহত রাখবেন কিন্তু তিনি দিলের ভেতর শায়েখের ইশকও রাখবেন ফলে তিনি পাশ্চাত্যের কাফেরদের গোলামি করেও উম্মাহর সাথে একটা সুতায় কোথাও না কোথাও বাঁধা থাকবেন। হয়তো তিনি দ্বীনের উপর থাকবেন না কিন্তু তাঁর বংশধর কেউ দ্বীনের উপর আসবে। যেমন আকবরের মতো মুরতাদ, জাহাঙ্গীরের মতো ফাসিকের বংশের আওরঙ্গজেব আলমগীর (রহ) এর মতো ওলিয়ে কামেল পয়দা হয়েছেন।
❤4👍1
একটা আনন্দের বিষয় হলো গত বছর আমি ভালোভাবেই তাসাউফের আলোচনা উঠাইছি, তখন সবাই নানানভাবে আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে আমি আমায় মানহাজ থেকে সরে গেছি। কিন্তু আজকে অনেকেই তাসাউফের গুরুত্ব বুঝতে পারতেছেন। অনেকেই এটাও বুঝতেছেন যে নন-ডেমোক্রেটিক "বিপ্লবী ইসলামপন্থার পক্ষে বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কিছু করার সম্ভাবনা নাই। তাদের অত্যন্ত অদূরদর্শি লোকজনে ভরা। তারা বন্ধুর চেয়ে বেশি শত্রু তৈরি করতে জানে।

মীর সালমান ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে বেশ কয়েকবার, তিনিও বুজতেছেন যে তাসাউফের গুরুত্ব এখন কতটুকু।

বিপ্লবী ইসলামপন্থার ব্যাপারে আমি বলছি যে এটা মডার্নিজমের ডানপন্থার কপি, ফলে তাদের মাধ্যমে হাইপ তৈরি হয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কোনো ফলাফল আসবে না, কারণ একটা ম্যাটেরিয়ালিস্ট রাজনৈতিক আন্দোলনের কপি ভার্সন। এটা একটা রাজনৈতিক আন্দোলনের রিয়েকশন, কিন্তু সত্ত্বাগত পিউর আর খাঁটি ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করে না। ইসলামের নিজস্ব গতি আছে, দাবি ও বাস্তবতা আছে, সেগুলো বাইপাস করে কোনো রিয়েকশন হিসেবে এটাকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব না। এই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা আমার পিন পোস্ট থেকে পড়ে নিতে পারবেন।

মানহাযি নন-ডাইকোটমি গুলো ফালতু, নিজেকে মানহাযি দাবি করার মধ্যে ভালো কিছু নাই, বরং এই দাবির মাধ্যমে আমি আরো বাকিদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম। আমাদের লিবারেল সেক্যুলার মতো ছোটলোকি আচরণ করলে হবে না, বরং রাজনৈতিক আন্দোলনের ক‌্যাচালের বাইরে গিয়ে ইসলাহের যেই কাজ সেটা করতে হবে। যদি আপনি ইসলাহের নজরে তাকান, তাহলে আপনাকে বহুত মানুষ আপন করবে, আর যদি রাজনৈতিক আন্দোলন হিসেবে দেখেন, তাহলে ঘরের ভাইও পর হয়ে যাবে।

খালি বই বেচা বন্ধ করে দিছে, দেখে নন-ডেমোক্রেটিক ইসলামপন্থীদের ভেতরে অবস্থা প্রকাশ পেয়ে গেছে, এমন অযোগ্য লোকদের মাধ্যমে আপনারা কিভাবে আশা করেন যে ইসলামী শাসনব্যবস্থায় তাদের কোনো ভূমিকা থাকবে? আমার নিজের যোগ্যতা তো তাদের চেয়েও কম, আমি শুধু আপনাদের চিন্তা করার কথা বলতেছি। ইসলাম কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন না, এটা মডার্নিস্ট ডান-বামের সাথে তূলনা করে, তাদের রাজনৈতিক আন্দোলন ও কর্মপন্থাকে কপি করে রাজনৈতিক বিপ্লব করার স্বপ্ন যারা দেখায়, তাদের "খাঁটি" হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নাই। বরং সন্দেহের চোখে দেখেন।
❤3👍1
যতটুকু মনে পড়ে ফ্রান্সিস বেকন (Francis Bacon) হলো প্রথম ব্যাক্তি যিনি পশ্চিমাদের মধ্যে জ্ঞান (knowledge) ও ইলমের ডেফিনেশনকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দিয়েছে। সে জ্ঞানকে উপস্থাপন করছে শক্তি (power politics) ও আধিপত্যের আসল উৎস হিসেবে। কারণ, যখন জ্ঞান তার প্রি-মডার্ন ইউনিভার্সাল ডেফিনিশন হারায়, যেটা উর্ধ্বজাগিক বা ascending nature, তখন এটা descending ফর্মের রূপ ধারণ করে। (অর্থাৎ জ্ঞানকে যদি কেউ শক্তি বা ক্ষমতার সাথে যুক্ত করে, তাহলে এটা হচ্ছে জ্ঞানের descending ফর্ম।)

অর্থাৎ রেনেসাঁর পর মানুষ যখন এবার নিজেকে খোদার আসনে বসিয়েছে, এবং খোদার অবস্থান যখন পশ্চিমা বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেণীর মধ্যে অনুপস্থিত বা অস্পষ্ট, তখন তারা প্রকৃতিকে আর জ্ঞানকে নতুনভাবে তুলে ধরছে শক্তি বা ক্ষমতা (power and monopoly) অর্জনের মাধ্যম হিসাবে। অর্থাৎ Knowledge এখন তার আপওয়ার্ড ডেফিনেশন থেকে ডাউন-ওয়ার্ডের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, অর্থাৎ অধ্বঃমুখী।

বেকন নিজে ব্যাপারটা আবিষ্কার করছে এমন না, বরং বেকনের এই চিন্তাটা হলো রেনেসাঁর ফলাফল আর এর কারিগর হলো রেনেসাঁর বস্তুবাদী সময়কাল। বেকনই সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে জ্ঞানকে শক্তি ও আধিপত্যের উৎস হিসেবে ঘোষণা করে, আর তারপরে পশ্চিমা লিটেরিচার আর টিভি সিরিয়াল গুলোর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে "Knowledge Is power"
..
এতটুকু বলার কারণ হলো জ্ঞান কখনো শক্তি আধিপত্যের উৎস হিসেবে বিবেচিত করা হয় নাই ইসলামের মধ্যে। ইসলামে জ্ঞান হলো ইবাদত, এটা আল্লাহকে পাওয়ার রাস্তা, তাঁকে চেনা ও জানার উপায়। তার নিয়ামত ও প্রকৃতিতে তাঁর রেখে দেওয়া রহস্য যা তিনি রেখেছেন মুমিনদের জন্য যারা তাঁকে চিনতে ও জানতে চায়। এজন্য ইসলামে যারা যত জ্ঞানী হয়, তারা ততই লোকচক্ষুর অন্তরালে হারিয়ে যায়।
..
পশ্চিমাদের মধ্যে এই যে জ্ঞানের সংজ্ঞাই পরিবর্তন করা হয়েছে, ঠিক এরকম আরো বহুত বিষয় আছে, যেগুলো প্রি-মডার্ন ফিলোসফির মধ্যে ছিলো না। অর্থাৎ তারা মানুষের চিন্তার পুরো প্যারাডাইমকে চেঞ্জ করে ফেলছে।
..
উদাহরণস্বরূপ আমরা আখলাকের কথা ধরতে পারি। আরবী আখলাক শব্দের সাধারণ অনুবাদ করা হয়, নৈতিকতা আর আমরা নৈতিকতা বলতে বুঝে সাধারণত ভালো আচরণ ইত্যাদি। আবার ইংরেজিতে এটাকে অনুবাদ করা হয় Morality বা ethics দিয়ে। কিন্তু এর কোনোটাই কিন্তু আখলাকের পুরো মর্ম তুলে ধরে না।
..
আরবী আখলাক শব্দটা অনেক পরিব্যপ্ত, এর মধ্যে মানুষের ভেতর এবং বাহিরের জগত ইনক্লুডেড।
ইসলামী শাসনব্যবস্থার অধিকাংশ হুকুম আহকাম ইলমুল আখলাকের সাথে জড়িত, আর ইলমুল আকলাকের এই ফিকহি দিকটাকে সাধারণ বলা হয় মেজাজে শরিয়ত বুঝা। ট্যাকনিক্যালি তাফাক্কুহ ফি-দ্দীন।
..
এখন পশ্চিমারা এটাকে বিকৃত করছে নিছকই আচার-ব্যবহারের মধ্যে সীমিত করে, কারণ তাদের বেশিরভাগ ম্যাটেরিয়ালিস্টিক ডেফিনেশন নিছকই তাদের (pre-assumption)"ধারনা"। আর ইলমুল আখলাককেই বলা হয়ে থাকে ইলমে তাসাউফ‌। কিন্তু পশ্চিমারা এই ইলমুল আখলাক বা তাসাউফকে দেখে esoteric হিসেবে।

কারণ, তাদের "ধারনা" হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের মতো সম্ভবত ইসলামের মধ্যেই esoteric knowledge বলে কিছু আছে ( মূলতগতভাবে analogical similarity খোঁজার প্রবণতা ওরিয়েন্টালিস্টদের, যারা নবী- সাহাবাদের জীবনকে বিকৃত করতো)। এজন্য তারা তাসাউফকে ভাবে এমন esoteric কোনো কিছু। অথচ যদি ইলমুল আখলাক হয়, ফিকহ ও শরিয়তের ফাউন্ডেশন, মেজাজে শরিয়ত ও ইলমে শরিয়তকে ধারন করার ফাউন্ডেশন, তাহলে এখানে esoteric বলে কিছু অবশিষ্ট থাকছে না, বরং যেটাই শরিয়ত সেটাই তাসাউফ। (তবে এটা সত্য যে তাসাউফের ধারা নিজস্ব কিছু কার্যক্রম আছে, এটা ভিন্ন এবং বিস্তারিত আলাপ)

কেউ যদি ভাবে ইলমে শরিয়ত আর তাসাউফ আলাদা জিনিস, তাহলে এখানে শরিয়ত হয়ে পড়বে বস্তুবাদী শরিয়ত, কারণ ইসলামের মধ্যেই এমন distinction নাই। কিন্তু যখন মানুষকে পশ্চিমা প্রোপাগান্ডা ও তাদের ইন্টেলেকচুয়াল assumption কে প্রোপার ডেফিনেশন হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করলো, তখন থেকেই তাসাউফকে ইলমে শরিয়তের মেজাজের চেয়ে ভিন্ন কিছু মনে করতো শুরু করলো। ফলে এখানে শরিয়ত ইলম বস্তুবাদের ইলম ও ইনফরমেশন বেইসড নলেজের সমান হয়ে গেলো, যেখানে শরিয়তের নিছকই কিছু ফ্যাক্ট ও ইনফরমেশনকে মানুষ কনজিউম করতেছে, মাওলানারা ফ্যাক্ট বেইজড মাওলানা হচ্ছে। অর্থাৎ এখানে material knowledge=Divine knowledge সমান হয়ে গেলো‌।
..
কারণ কি? কারণ তারা পশ্চিমা একাডেমিকদের ইন্টেলেকচুয়াল assumptionকে বেশি সঠিক মনে করে। মানে ইসলামকে বুঝার মানদণ্ড পশ্চিমাদের একাডেমিক প্রোপাগান্ডা!!!
..
এখন বলি তাসাউফ কী? তাসাউফ হলো ইলমুল আখলাকের ভেতরের অংশ। অর্থাৎ মানুষের ভেতরের জগতের বিভিন্ন স্তরকে পরিশালিত করা। মানুষ আত্মিকতা, আধ্যাত্মিক ও রুহানি জগতের সাতটা বিভিন্ন স্তর আছে। এর সর্বোচ্চ স্তর শায়খ আহমাদ সিহি্ন্দের আলাপ অনুযায়ী ফানাফিল্লাহ যেটাকে তিনি বলছেন মুশাহাদায়ে রব। আর শাহ ওয়ালিউল্লাহ ইবনে আরাবী এবং জোনায়েদ আল বাগদাদী রহ মতামত
🔥1
অনুযায়ী এবং এটাই অধিকাংশের মতো বাক্কা বিল্লাহ। এগুলো কি কি অবস্থা এগুলো বিস্তারিত আলাপ।
..
তো যেটা বলতে চাচ্ছি, সেটা পশ্চিমারা যেমন জ্ঞানের ডেফিনেশনকে বদলে ফেলছে, ইসলামের অংশের বিকৃত ঘটাইছে, তাসাউফকে তারা esoteric বলে থাকে, যেটা শাহ ওয়ালিউল্লাহর সংজ্ঞার বিপরীত এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আলেমদের অবস্থান। তাসাউফ সর্বোচ্চ উচ্চতর স্তরের জ্ঞান বলা যায়, তবে এটা esoteric না, বরং ইসলামের বিভিন্ন শাখার ইলমের মতো এটাও উচ্চতর একটা স্তর, যেটার নাগাল সবাই পায় না‌।
❤1🔥1
“তাসাউফ সামগ্রিকভাবে ফরজে কিফায়াহ। এর কোন কোনো অংশ সবার উপর ফরজে আইন আবার কোনো অংশ ফরজে কিফায়াহর অন্তর্ভুক্ত হবে‌ এবং লক্ষ্য উদ্দেশ্যের বিবেচনায় আমল ও মাশগালাহর হুকুম তাই একই ধরনের হবে।”

–মাওলানা উবায়দুর রহমান মারদান।

প্রায় এক বছর হতে চললো বইটা অনুবাদ করছি। আজকে আবার চোখ বুলাতে গিয়ে নিজের ভুলত্রুটি চোখে পড়তেছে। দেখা যাক, আল্লাহ কখন এটাকে কবুল করেন।
❤7
Hasan
Photo
বই কিনেন এটা
❤4
Channel photo updated
Hasan
Photo
বইটা কেন পড়বেন?

দেখেন, ইবনে খালদুনের যেমন সভ্যতার উত্থান-পতনের আলাদা থিউরি আছে, তেমনিভাবে শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভীর সভ্যতা কিভাবে উন্নতির দিকে এবং কিভাবে তাদের মধ্যে ঘুণ ধরে ধ্বংস দিকে আগায়— এগুলোর পেছনে সাধারণত যেই ফ্যাক্টরগুলো কাজ করে তা নিয়ে উনার নিজস্ব চিন্তা আছে। উনি তাঁর এই পরিভাষায নাম দিছেন ইরতিফাক্ব‌‌।

তাছাড়া বইটাতে মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধির নিজস্ব কিছু চিন্তা তুলে ধরেছেন, যেটার মূলভাষা ও আবেদন ইউনিভার্সাল এবং দাওয়াতি; কিন্তু শাহ সাহেবের চিন্তার উপর ভিত্তি করেই। তাঁর আবেদন ওই সমস্ত সুফিদের মতো যারা উপমহাদেশে মুসলমান সভ‌্যতা গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যাদের দরবার এবং খানকাহ সবসময়ই মুসলিম অমুসলিম সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিলো, যারা ছিলেন এই ভূমিতে মুসলিম সভ্যতার গোড়ে তোলার প্রধান কারিগর।

বইটা যারা পড়বেন তাদের জন্য এখানে চিন্তা করার মতো অনেক কিছুই আছে, আর যাদের পিপাসা আছে, তাদের জন্য রয়েছে আরো বিভিন্ন পথ। আর যাদের শাহ সাহেবের চিন্তার উপর আগ্রহ আছে এবং এটাও যাদের জানার আগ্রহ যে একটা শক্তিশালী ও সম্ভাবনায় নৈতিক সভ্যতা ও শক্তি কিভাবে অন্যান্য সভ্যতা নিয়ে চিন্তা করে– তাদের জন্য প্রাথমিক এবং মৌলিক কিছু চিন্তা-ভাবনার খোরাক।

বইটা পাবেন বাতায়ন পাবলিকেশনে, পূর্ব গেইট, বায়তুল মোকাররম। আগামীকাল যারা মেলায় যাবেন, তারা অবশ্যই কিনবেন বইটা।
❤8
কোয়ালিটি মেটার। যারা সিরিজটা পড়ছেন, তাদের এতদিনে বুঝে যাওয়ার কথা। আর আমি কেন তাসাউফের কথা বলি এবং এই নন-ডেমোক্রেটিক বিপ্লবী ইসলামপন্থীকে মডার্নিজমের ডানপন্থার কপি পেস্ট বলি এটা হলো তার অন্যতম একটা উদাহরণ। তাসাউফ ছাড়া লিবারেল আইডিওলজি আর ইসলামের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নাই। পুরোটাই ম্যাটেরিয়াল রিলিজিয়ন হয়ে যাবে। যাইহোক, সিরিজের পঞ্চম পর্ব লেখা শুরু করছি ইনশাআল্লাহ।
👍4
কে কার সাথে জোট করছে না করছে এগুলো সেকেন্ডারি আলাপ ভাই। গণতান্ত্রিক রাজনীতিই যেখানে হারাম, সেখান জামাত না বিএনপি এই ধরনের বাছাইয়ের সুযোগ নাই। উলামায়ে কেরামদের অবস্থান সবসময়ই নিউট্রাল থাকা উচিত।
❤7🤣3👍1
জীবনে এখন একটা আশা আছে, আল্লাহ যেন এই ইশরাককে চরমভাবে লাঞ্ছিত করে একটা দৃষ্টান্ত বানিয়ে দেন।

খতিব ওবায়দুল হক রহ বিরুদ্ধে একবার এরকম উঠে পড়ে লেগেছিলো একদল, পরে শেষ পর্যন্ত তার পায়ে ধরে মাফ চাইছিলো। আল্লাহ যেন এই সুশীলকে এর চেয়েও অপদস্থ করে।
❤10