This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যুবকদের অনুরোধ করবো তৈরি হোন। বলবেন, আর কতবার জীবন দেব?
দেশের জন্য যতবার প্রয়োজন, আমিও তোমাদের কাতারে দাঁড়িয়ে বলছি যতবার প্রয়োজন ততবারই জীবন দিতেই থাকবো ইনশাআল্লাহ্। বিড়ালের মতো শত বছর, হাজার বছর বাঁচতে চাইনা। সিংহের মতো এক সেকেন্ড বাঁচতে চাই। এর মাঝে আর কোন কম্প্রমাইজ হবেনা। আধিপত্যবাদীদের কোন ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা। সবকিছুকেই ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ্।
- ডা. শফিকুর রহমান
দেশের জন্য যতবার প্রয়োজন, আমিও তোমাদের কাতারে দাঁড়িয়ে বলছি যতবার প্রয়োজন ততবারই জীবন দিতেই থাকবো ইনশাআল্লাহ্। বিড়ালের মতো শত বছর, হাজার বছর বাঁচতে চাইনা। সিংহের মতো এক সেকেন্ড বাঁচতে চাই। এর মাঝে আর কোন কম্প্রমাইজ হবেনা। আধিপত্যবাদীদের কোন ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা। সবকিছুকেই ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ্।
- ডা. শফিকুর রহমান
আড়াই মাস হয়ে গেল বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু ছাত্রদল ঢাবির একটা হল দখল করতে পারে নাই। এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ৭০/৮০ বছরের ইতিহাসের বিরলতম ঘটনা।
বলা হয় বাংলাদেশে ক্যান্টনমেন্ট হল দুইটা:
১। উত্তরপাড়া (সেনানিবাস)
২। দক্ষিনপাড়া (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এই দুই জায়গা নিয়ন্ত্রনে থাকলে সরকার নিরাপদ। বিএনপির জন্য দুশ্চিন্তার জায়গা হল ঢাবিতে ছাত্রদলের একেবারেই ফুন্টপ্রিন্ট নাই। বাইরে থেকে, বস্তি থেকে লোক নিয়ে এসে মিছিল দিতে হয়। অধিকাংশ নেতা-কর্মী আদুভাই। নতুন রিক্রুট সীমিত, হলে নেতা-কর্মীর সংখ্যা বেশ কম।
ঢাবিসহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্ষমতাসীন দলের রিক্রুট করার প্রধান তরিকা হল হল দখল করা। হল দখলের পরে যেভাবে রিক্রুট হয়:
১। গণরুম প্রতিষ্ঠা করে হলে নিজেদের মত করে ছাত্র উঠায়। গনরুম মানে একরুমে ৬০/৭০ জন করে থাকে। এখানে বহিরাগতও উঠায়।
২। গণরুম থেকে বিভিন্ন রুমে ছাত্রদের সিট বরাদ্দ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩। প্রতিটি সিটে একজন করে এক্সট্রা ছাত্র দেয়। (I.E ঢাবিতে সিঙ্গেল খাটে দুইজন থাকতো, একজন বৈধ আরেকজন উঠতো ক্ষমতাসীন দলের কোটায়।)
শিবির সকল ছাত্রসংসদে জেতার পরে এই গণরুম, গেস্টরুম, এবং অতিরিক্ত ছাত্র উঠানোর ব্যাপারটা বেশ সফলতার সাথে চেক দিয়েছে। ছাত্রদল অনেক চেষ্টা করেও পারছে না।
সর্বশেষ বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক, ঢাবি ভিসি, সেই ২০০৫-০৬ সেশনের আদু ভাইদের হলে সিট বরাদ্দ দিচ্ছে, যাদের বয়স এখন ৪৫ এর কাছাকাছি। হল দখলের জন্য কোন লেভেলের ডেসপারেট হলে এই ধরনের হাস্যকর সিদ্ধান্ত নেয়। সেটাও ডাকসু আটকে দিয়েছে।
তাই ছাত্রদলের হিতাহিত জ্ঞান নাই। থানার ভেতরে গিয়ে মোসাদ্দেক, জুবায়েরদের উপর হামলা করতেছে। সাংবাদিকদের পিটিয়েছে, ক্যামেরা ভেঙ্গে দিচ্ছে। আরো কি করে সামনে কে জানে।
- মীর সালমান
সাবেক শিক্ষার্থী, ঢাবি
বলা হয় বাংলাদেশে ক্যান্টনমেন্ট হল দুইটা:
১। উত্তরপাড়া (সেনানিবাস)
২। দক্ষিনপাড়া (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এই দুই জায়গা নিয়ন্ত্রনে থাকলে সরকার নিরাপদ। বিএনপির জন্য দুশ্চিন্তার জায়গা হল ঢাবিতে ছাত্রদলের একেবারেই ফুন্টপ্রিন্ট নাই। বাইরে থেকে, বস্তি থেকে লোক নিয়ে এসে মিছিল দিতে হয়। অধিকাংশ নেতা-কর্মী আদুভাই। নতুন রিক্রুট সীমিত, হলে নেতা-কর্মীর সংখ্যা বেশ কম।
ঢাবিসহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্ষমতাসীন দলের রিক্রুট করার প্রধান তরিকা হল হল দখল করা। হল দখলের পরে যেভাবে রিক্রুট হয়:
১। গণরুম প্রতিষ্ঠা করে হলে নিজেদের মত করে ছাত্র উঠায়। গনরুম মানে একরুমে ৬০/৭০ জন করে থাকে। এখানে বহিরাগতও উঠায়।
২। গণরুম থেকে বিভিন্ন রুমে ছাত্রদের সিট বরাদ্দ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩। প্রতিটি সিটে একজন করে এক্সট্রা ছাত্র দেয়। (I.E ঢাবিতে সিঙ্গেল খাটে দুইজন থাকতো, একজন বৈধ আরেকজন উঠতো ক্ষমতাসীন দলের কোটায়।)
শিবির সকল ছাত্রসংসদে জেতার পরে এই গণরুম, গেস্টরুম, এবং অতিরিক্ত ছাত্র উঠানোর ব্যাপারটা বেশ সফলতার সাথে চেক দিয়েছে। ছাত্রদল অনেক চেষ্টা করেও পারছে না।
সর্বশেষ বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক, ঢাবি ভিসি, সেই ২০০৫-০৬ সেশনের আদু ভাইদের হলে সিট বরাদ্দ দিচ্ছে, যাদের বয়স এখন ৪৫ এর কাছাকাছি। হল দখলের জন্য কোন লেভেলের ডেসপারেট হলে এই ধরনের হাস্যকর সিদ্ধান্ত নেয়। সেটাও ডাকসু আটকে দিয়েছে।
তাই ছাত্রদলের হিতাহিত জ্ঞান নাই। থানার ভেতরে গিয়ে মোসাদ্দেক, জুবায়েরদের উপর হামলা করতেছে। সাংবাদিকদের পিটিয়েছে, ক্যামেরা ভেঙ্গে দিচ্ছে। আরো কি করে সামনে কে জানে।
- মীর সালমান
সাবেক শিক্ষার্থী, ঢাবি
তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার পর কোন কোন বীরবল মাঠে নেমেছিলি?
বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পর কারা থানায় গিয়ে আক্রমণ করেছিলি?
তারেক রহমানকে কুলাঙ্গার বলার পর কারা হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলি?
জাইমা রহমানকে নিয়ে ডাক্তার মুরাদ যখন বাজে কথা বলেছিল তখন কারা প্রতিবাদ করেছিলি?
যদি ঐ সময় ভয়ে চুপ করে থেকে থাকিস আর এখন সুসময়ে বীরত্ব ফলাতে আসিস তাহলে তুই গুপ্ত, তোর বাপ গুপ্ত, তোর চৌদ্দগোষ্ঠী গুপ্ত।
বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পর কারা থানায় গিয়ে আক্রমণ করেছিলি?
তারেক রহমানকে কুলাঙ্গার বলার পর কারা হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলি?
জাইমা রহমানকে নিয়ে ডাক্তার মুরাদ যখন বাজে কথা বলেছিল তখন কারা প্রতিবাদ করেছিলি?
যদি ঐ সময় ভয়ে চুপ করে থেকে থাকিস আর এখন সুসময়ে বীরত্ব ফলাতে আসিস তাহলে তুই গুপ্ত, তোর বাপ গুপ্ত, তোর চৌদ্দগোষ্ঠী গুপ্ত।
👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হয় ফাঁ’সিতে ঝুলবো, না হয় আইন হাতে তুলে গুপ্ত শিবিরকে হ’ত্যা করবো: ইবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
তেলের দাম বৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে ঢাকা - চট্রগ্রাম মহাসরক ব্লক করেছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। চিন্তা করতে পারেন?
অথচ ইউনুস এর সময় এরা এগুলো করার সাহস পায়নি। তারেক রহমানের পালিত হিজ্রা গুলো শুধু পারে জামায়াতের সাথে। অথচ এগুলো রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকার দলের নেতাকর্মীদের।
অথচ ইউনুস এর সময় এরা এগুলো করার সাহস পায়নি। তারেক রহমানের পালিত হিজ্রা গুলো শুধু পারে জামায়াতের সাথে। অথচ এগুলো রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকার দলের নেতাকর্মীদের।
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ক্ষেতে নষ্ট হচ্ছে ধান, তেলের জন্য কাঁদছেন লালপুরের কৃষক বুদু মিয়া;
মুক্ত গণমাধ্যমকে কেন এত ভয়?
ছাত্রদল কর্তৃক সাংবাদিকদের উপর চালানো সকল হামলার বিচার করতে হবে।
#ChhatradalTerror #ChhatradalTerrorist #JCDTerror
ছাত্রদল কর্তৃক সাংবাদিকদের উপর চালানো সকল হামলার বিচার করতে হবে।
#ChhatradalTerror #ChhatradalTerrorist #JCDTerror
অনেকেই বলছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এককভাবে খু/নি হাসিনার অবদান। কিন্তু ইতিহাসটা একটু খুলে দেখলে ছবিটা ভিন্ন।
১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা করে। ১৯৬৩ সালে পাবনার রূপপুরে জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ১৯৭৭–৮৬ সালে ফরাসি কোম্পানি সোফ্রাটম সম্ভাব্যতা যাচাই করে। ১৯৮৭–৮৮ সালে জার্মান কোম্পানি লাহমেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ও মোটর কলম্বাস পুনরায় সমীক্ষা চালায়। ১৯৯৭–২০০১ সালে বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন নতুন করে উদ্যোগ নেয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০১৭ সালে রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালে এসে প্রথম ইউনিট চালু।
এটা কোনো এক সরকারের হঠাৎ করে নেওয়া সিদ্ধান্ত না বরং এটা ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে চলা একটি প্রকল্প।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কারো বাপের না, এটা জনগনের টাকার ফসল।
যদিও এই টাকা থেকে ৫৯ হাজার কোটি টাকা খুনি হাসিনা লুট করছে এই কৃতিত্ব তারে দিয়ে দাও।
১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা করে। ১৯৬৩ সালে পাবনার রূপপুরে জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ১৯৭৭–৮৬ সালে ফরাসি কোম্পানি সোফ্রাটম সম্ভাব্যতা যাচাই করে। ১৯৮৭–৮৮ সালে জার্মান কোম্পানি লাহমেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ও মোটর কলম্বাস পুনরায় সমীক্ষা চালায়। ১৯৯৭–২০০১ সালে বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন নতুন করে উদ্যোগ নেয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০১৭ সালে রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালে এসে প্রথম ইউনিট চালু।
এটা কোনো এক সরকারের হঠাৎ করে নেওয়া সিদ্ধান্ত না বরং এটা ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে চলা একটি প্রকল্প।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কারো বাপের না, এটা জনগনের টাকার ফসল।
যদিও এই টাকা থেকে ৫৯ হাজার কোটি টাকা খুনি হাসিনা লুট করছে এই কৃতিত্ব তারে দিয়ে দাও।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইলেকশনটা পার করে দেন, তারপরে দেখবেন আমার জাউরা রূপ।
এই জাউরাই এখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, যে নাকি আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ করেছে।
এই জাউরাই এখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, যে নাকি আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ করেছে।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ভারতের পার্লামেন্টে গতকাল কংগ্রেস প্রধান পিয়াঙ্কা গান্ধী বক্তব্যে পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে ১৯৭১ সালে ভারত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিল তাদর স্বার্থে যাতে পাকিস্তান ভেঙ্গে যায়, এবং দুর্বল হয়; বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়াক এটা ভারতের ইচ্ছে ছিলো না। পার্লামেন্টে নরেন্দ্র মো'দি, অমিত শাহ-গং উপস্থিত ছিলেন।।
সত্য ইতিহাস কখনোই চাপা থাকে না।।
সত্য ইতিহাস কখনোই চাপা থাকে না।।