ইসলাম সাদাসিধা জীবনযাপন করতে উৎসাহিত করে, তাই কোনও পণ্য বা সেবা ক্রয় করার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন এটা ছাড়াও কি আপনার চলবে কিনা।
যদি চলে তাহলে অযথা অর্থ খরচ করবেন না, অতিরিক্ত অর্থ দান করুন অথবা বিনিয়োগ করুন।
বিনিয়োগ মুসলিম দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সবল করবে যা থেকে সাধারণ মুসলিমরা উপকৃত হবে। এটাও হয়তো আপনার নিয়তের জন্য সওয়াবের কারণ হবে।
আর দান করার ফজিলত তো সবাই জানি।
কখনও এটা মনে করবেন না এই অল্প কয়টা টাকায় কি হবে? আপনার মতো আরো অনেকের অল্প অল্প টাকাই অনেক টাকা হয়ে যাবে।
যদি চলে তাহলে অযথা অর্থ খরচ করবেন না, অতিরিক্ত অর্থ দান করুন অথবা বিনিয়োগ করুন।
বিনিয়োগ মুসলিম দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সবল করবে যা থেকে সাধারণ মুসলিমরা উপকৃত হবে। এটাও হয়তো আপনার নিয়তের জন্য সওয়াবের কারণ হবে।
আর দান করার ফজিলত তো সবাই জানি।
কখনও এটা মনে করবেন না এই অল্প কয়টা টাকায় কি হবে? আপনার মতো আরো অনেকের অল্প অল্প টাকাই অনেক টাকা হয়ে যাবে।
❤🔥20❤1👌1
বয়কট ক্যাম্পেইন সম্পর্কে আপনার অবস্থান কি?
Final Results
96%
আমি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এটা সমর্থন করি (ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে নৈতিকতা অন্তর্ভুক্ত)
3%
আমি নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটা সমর্থন করি (ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়)
1%
বয়কট ক্যাম্পেইন সমর্থন করি না
কুরবানীর দিনে বয়কট লিস্টে থাকা পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকবো সবাই।
ইন শা আল্লাহ
ইন শা আল্লাহ
❤38👍6
মোহাম্মদপুরের এক বড় ডিলারের (FMCG আইটেম) সাথে কথা হচ্ছিলো সেদিন। বিশাল বড় তার মার্কেট, বিশাল বড় তার ব্যবসা। বর্তমানে একটা কোম্পানিরই প্রায় কোটি টাকার মার্কেট তার। বেশ কয়েকটা কোম্পানির ডিলারশীপ নেয়া।
তার সাথে ডিলারশীপ ব্যবসার পজিটিভ দিক নেগেটিভ দিক নিয়ে কথা হচ্ছিলো। এই ট্রেডের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো মার্কেটে টাকা পড়ে থাকা। অনেক কোম্পানিই মার্কেট ধরার জন্য বাকিতে প্রোডাক্ট দেয়। এই বাকির ঝাল পুরোটা যায় এই ডিলারদের উপর দিয়ে।
নতুন বা ছোট কোম্পানিগুলো এই কাজটা বেশি করে। তবে তার কাছে ইন্টারেস্টিং একটা খবর পেলাম। আগে বাকিতে মাল না দিলেও বয়কট ইস্যুতে ইউনিলিভারও বাকিতে মাল দেয়া শুরু করেছে। এর পাশাপাশি দোকানদারদের ডিসকাউন্ট, উপহারসহ দিচ্ছে নানা ইন্সেন্টিভ।
একটা ব্রান্ড তার প্রোডাক্ট প্রমোশনের জন্য বিভিন্ন স্ট্রাটেজি ফলো করে। আমরা সবাই মূলত বিভিন্ন মাধ্যমে পণ্যের এ্যাড দেয়াকেই প্রোডাক্ট প্রমোশনের একমাত্র মাধ্যম মনে করি। কিন্তু রিটেইল দোকানদারদের বিভিন্ন ইন্সেন্টিভ প্রদানের মাধ্যমেও পণ্যের প্রচারণা চালানো হয়। এটা ফুল ডিরেক্ট প্রমোশন এবং এটার ইম্প্যাক্ট অনেক বেশি।
বয়কটের কারণে ইউনিলিভার, কোক, পেপসী এই স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করা শুরু করেছে। বিভিন্ন পণ্যে থাকছে বিশাল ডিসকাউন্ট, বোনাস, উপহার, বাকি সুবিধাসহ নানা উপহার। এই যে আপনারা মুদি দোকানে গেলে বা রেষ্টুরেন্টে খেতে গেলে কিনলে বা একোয়াফিনা ছাড়া যে অন্য পানি পান না, তার বড় একটা কারণ হলো এই বিশাল ডিসকাউন্ট, বোনাস ও বাকি সুবিধা। এর পাশাপাশি প্রতিটা দোকানে, রেষ্টুরেন্টে তারা বড় বড় ফ্রিজ দিয়ে রেখেছে। একেকটা ডিসপ্লে ফ্রিজ কিনতে গেলে বর্তমানে ৬০ হাজার টাকার উপরে প্রয়োজন। এই জিনিস তারা ফেলে রেখেছে দোকানদারের ঘরে।
একেকটা হাফ লিটারের কিনলে বা একোয়াফিনার কেনা সম্ভবত ৭ বা ৮ টাকা, বিক্রি ২০ টাকা, যেখানে অন্য যেকোন কোম্পানির হাফ লিটার পানির কেনা দাম দশ টাকার উপরে। তাহলে এতো সুবিধার পর দোকানদার কিনলে, একোয়াফিনা রাখবে না তো অন্য কিছু রাখবে?!?
তবে প্রোডাক্ট প্রমোশনের জন্য রিটেইল চ্যানেল ইউস করার সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও রয়েছে। রিটেইল চ্যানেলের রেসপন্সটা খুব ইমিডিয়েট ও ফাস্ট পাওয়া যায়। বিভিন্ন ইন্সেন্টিভ দিয়ে পুশ সেল দিয়ে যেমন ইন্সট্যান্ট রেজাল্ট পাওয়া যায় অন দ্যা আদার হ্যান্ড কাস্টমার যদি এই পন্য গ্রহণ না করে সেটার রেজাল্টও ইমিডিয়েট পাওয়া যায়। তাই সেলফে রাখা কিনলে, একোয়াফিনা বা ইউনিলিভারের পণ্য যখন মানুষ কেনা বন্ধ করে দিবে, কোন দু:খে দোকানদার এই অচল মাল দিয়ে শেলফ ভর্তি করে রাখবে, যতোই উপঢৌকন, ডিসকাউন্ট, বাকি দেয়া হোক।
বয়কট আন্দোলনের সময় অনেকেই মকারি করেছিলো, এইসব বয়কট দিয়ে কি এতো বড়, এতো পুরনো, এতো শক্তিশালি প্রতিষ্ঠানের কিছু করা সম্ভব? এতো মাছি দিয়ে হাতিকে নড়ানোর সামিল। একটা মশা বা একটা মাছির পক্ষে হয়তো হাতিকে নড়ানো সম্ভব নয় কিন্তু যখন ঝাঁকে ঝাঁকে, লাখে লাখে মশা হাতিকে দাবড়ানি দিবে তখন তার পক্ষে স্থির থাকা সম্ভব নয়।
সময়ের প্রভাবে আমাদের বয়কটের মধ্যে শিথিলতা চলে আসলেও মধ্যপ্রাচ্যের বর্বর দেশটির বর্বরতা কিন্তু থেমে নেই। যতোদিন এই বোম্বিং চলতে থাকবে আমাদের বয়কটে এক বিন্দু শিথিলতা প্রদর্শন করা যাবে না। কে বলেছে মশা দিয়ে হাতি তাড়ানো সম্ভব নয়। আমরা শয়ে শয়ে, লাখে লাখে তাদের পৃথিবীর শেষপ্রান্ত পর্যন্ত তাড়িয়ে বেড়াবো, তাদের অর্থনৈতিক শক্তি ধ্বসিয়ে দিবো। আমাদের এই সংগ্রাম জারি থাকবে ততোদিন পর্যন্ত, যতোদিন না জড় পাথরও সাক্ষি দিবে তার পেছনে লুকিয়ে আছে অভিশপ্ত একজন!
আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
— হাসনাত সাগর
তার সাথে ডিলারশীপ ব্যবসার পজিটিভ দিক নেগেটিভ দিক নিয়ে কথা হচ্ছিলো। এই ট্রেডের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো মার্কেটে টাকা পড়ে থাকা। অনেক কোম্পানিই মার্কেট ধরার জন্য বাকিতে প্রোডাক্ট দেয়। এই বাকির ঝাল পুরোটা যায় এই ডিলারদের উপর দিয়ে।
নতুন বা ছোট কোম্পানিগুলো এই কাজটা বেশি করে। তবে তার কাছে ইন্টারেস্টিং একটা খবর পেলাম। আগে বাকিতে মাল না দিলেও বয়কট ইস্যুতে ইউনিলিভারও বাকিতে মাল দেয়া শুরু করেছে। এর পাশাপাশি দোকানদারদের ডিসকাউন্ট, উপহারসহ দিচ্ছে নানা ইন্সেন্টিভ।
একটা ব্রান্ড তার প্রোডাক্ট প্রমোশনের জন্য বিভিন্ন স্ট্রাটেজি ফলো করে। আমরা সবাই মূলত বিভিন্ন মাধ্যমে পণ্যের এ্যাড দেয়াকেই প্রোডাক্ট প্রমোশনের একমাত্র মাধ্যম মনে করি। কিন্তু রিটেইল দোকানদারদের বিভিন্ন ইন্সেন্টিভ প্রদানের মাধ্যমেও পণ্যের প্রচারণা চালানো হয়। এটা ফুল ডিরেক্ট প্রমোশন এবং এটার ইম্প্যাক্ট অনেক বেশি।
বয়কটের কারণে ইউনিলিভার, কোক, পেপসী এই স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করা শুরু করেছে। বিভিন্ন পণ্যে থাকছে বিশাল ডিসকাউন্ট, বোনাস, উপহার, বাকি সুবিধাসহ নানা উপহার। এই যে আপনারা মুদি দোকানে গেলে বা রেষ্টুরেন্টে খেতে গেলে কিনলে বা একোয়াফিনা ছাড়া যে অন্য পানি পান না, তার বড় একটা কারণ হলো এই বিশাল ডিসকাউন্ট, বোনাস ও বাকি সুবিধা। এর পাশাপাশি প্রতিটা দোকানে, রেষ্টুরেন্টে তারা বড় বড় ফ্রিজ দিয়ে রেখেছে। একেকটা ডিসপ্লে ফ্রিজ কিনতে গেলে বর্তমানে ৬০ হাজার টাকার উপরে প্রয়োজন। এই জিনিস তারা ফেলে রেখেছে দোকানদারের ঘরে।
একেকটা হাফ লিটারের কিনলে বা একোয়াফিনার কেনা সম্ভবত ৭ বা ৮ টাকা, বিক্রি ২০ টাকা, যেখানে অন্য যেকোন কোম্পানির হাফ লিটার পানির কেনা দাম দশ টাকার উপরে। তাহলে এতো সুবিধার পর দোকানদার কিনলে, একোয়াফিনা রাখবে না তো অন্য কিছু রাখবে?!?
তবে প্রোডাক্ট প্রমোশনের জন্য রিটেইল চ্যানেল ইউস করার সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও রয়েছে। রিটেইল চ্যানেলের রেসপন্সটা খুব ইমিডিয়েট ও ফাস্ট পাওয়া যায়। বিভিন্ন ইন্সেন্টিভ দিয়ে পুশ সেল দিয়ে যেমন ইন্সট্যান্ট রেজাল্ট পাওয়া যায় অন দ্যা আদার হ্যান্ড কাস্টমার যদি এই পন্য গ্রহণ না করে সেটার রেজাল্টও ইমিডিয়েট পাওয়া যায়। তাই সেলফে রাখা কিনলে, একোয়াফিনা বা ইউনিলিভারের পণ্য যখন মানুষ কেনা বন্ধ করে দিবে, কোন দু:খে দোকানদার এই অচল মাল দিয়ে শেলফ ভর্তি করে রাখবে, যতোই উপঢৌকন, ডিসকাউন্ট, বাকি দেয়া হোক।
বয়কট আন্দোলনের সময় অনেকেই মকারি করেছিলো, এইসব বয়কট দিয়ে কি এতো বড়, এতো পুরনো, এতো শক্তিশালি প্রতিষ্ঠানের কিছু করা সম্ভব? এতো মাছি দিয়ে হাতিকে নড়ানোর সামিল। একটা মশা বা একটা মাছির পক্ষে হয়তো হাতিকে নড়ানো সম্ভব নয় কিন্তু যখন ঝাঁকে ঝাঁকে, লাখে লাখে মশা হাতিকে দাবড়ানি দিবে তখন তার পক্ষে স্থির থাকা সম্ভব নয়।
সময়ের প্রভাবে আমাদের বয়কটের মধ্যে শিথিলতা চলে আসলেও মধ্যপ্রাচ্যের বর্বর দেশটির বর্বরতা কিন্তু থেমে নেই। যতোদিন এই বোম্বিং চলতে থাকবে আমাদের বয়কটে এক বিন্দু শিথিলতা প্রদর্শন করা যাবে না। কে বলেছে মশা দিয়ে হাতি তাড়ানো সম্ভব নয়। আমরা শয়ে শয়ে, লাখে লাখে তাদের পৃথিবীর শেষপ্রান্ত পর্যন্ত তাড়িয়ে বেড়াবো, তাদের অর্থনৈতিক শক্তি ধ্বসিয়ে দিবো। আমাদের এই সংগ্রাম জারি থাকবে ততোদিন পর্যন্ত, যতোদিন না জড় পাথরও সাক্ষি দিবে তার পেছনে লুকিয়ে আছে অভিশপ্ত একজন!
আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
— হাসনাত সাগর
👍24😱3❤2
আমরা চাইলেই অতিরিক্ত খরচ থেকে একটুখানি অংশ সাদাকাহ করতে পারি।
আমরা যদি এটা না করি, আল্লাহর কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
আমরা যদি এটা না করি, আল্লাহর কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
❤17👍8
বয়কট_ড_রাগিব_সারজানী_1.pdf
6.5 MB
বয়কট কি , কেন? ইত্যাদি বিষয়ে ধারণা পেতে নিচের বইটা পড়তে পারেন। সিরিয়ার যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ডাক্তারদের সম্বোধন করে বইটা লিখেছেন জনাব রাগিব সারজানি। উল্লেখ্য: সিরিয়ায় ঔষধশিল্প ব্যাপক। আর অনেকেই হয়তো সিরিয়ার যুদ্ধে ডাক্তারদের সাথে বিপ্লবের সূচনার যোগসূত্র টা জেনে থাকবেন।
কোকাকোলার দাম ১৫ টাকায় চলে আসছে, নাম দিছে জিরো সুগার। আজ দেড় বছর পর কোকাকোলা খাইসি, বাজে টেস্ট। যারা বলেন বয়কট আজাইরা, তারা কোকাকোলার দিকে দেখেন। বাজার ধ্বসে গেসে। জায়োনিস্ট কোম্পানিগুলো যথাসম্ভব বর্জন করেন, কোক, লরিয়াল, নেস্টলে এসব। কোক স্টুডিওর ও তো গান শুনেন আপনারা, কারণ ফিলিস্তিনের শিশুদের রক্ত আপনাদের কাছে পানি মনে হয়।
‐ M J Babu
‐ M J Babu
😢32👍10
Forwarded from Brothers for Crescent
শীত আসছে, এই বিষয়ে কিছু কথা
https://t.me/brothersforcrescent/973
https://t.me/brothersforcrescent/973
Telegram
Brothers for Crescent
আসসালামু আলাইকুম,
আমরা সচরাচর গাজ্জার অভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ে কিছু বলি না আপনাদের, তবে আজকে একটু বলবো। আশা করি অর্থ সংগ্রহ সংক্রান্ত বিষয় বহির্ভূত লেখা দেখে বিরক্ত হবেন না।
সামনে আসছে শীত, একটা রাত কল্পনা করুন — আপনার কাছে যথেষ্ট পরিমাণ খাবার নাই, ঘর…
আমরা সচরাচর গাজ্জার অভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ে কিছু বলি না আপনাদের, তবে আজকে একটু বলবো। আশা করি অর্থ সংগ্রহ সংক্রান্ত বিষয় বহির্ভূত লেখা দেখে বিরক্ত হবেন না।
সামনে আসছে শীত, একটা রাত কল্পনা করুন — আপনার কাছে যথেষ্ট পরিমাণ খাবার নাই, ঘর…
Forwarded from 𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙
পাড়ার গরিব পরিবারের জন্য বড়সড় একটি ছাগল কিনে কুরবানির জন্য হাদিয়া পাঠাল এক দানশীল ব্যক্তি। পাঠানোর সময় বলে দিল, দাতার নাম যেন না বলা হয়। পরদিন দাতা কুরবানির হাটে গিয়ে দেখলেন, দান করা ছাগলটা নিয়ে গরীব মানুষটা বাজারে হাজির।
দাতা বেচারা তার মনে বেশ ব্যথা পেল। তারপরও যাচাই করার জন্য এগিয়ে গিয়ে জানতে চাইল,
-ছাগলটা বিক্রি করবেন?
-জি,
-ছাগলটা নিজে পেলেছেন?
- জি না, আল্লাহর এক দয়ালু বান্দা আমাকে ছাগলটা কুরবানির জন্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন। আমার এক গরীব আত্মীয় আছে। কুরবানির সামর্থ নেই। চিন্তা করলাম, এতবড় ছাগল আমি একা কুরবানি না দিয়ে, এটাকে বিক্রি করে, কুরবানির উপযোগী দুটি ছাগল কিনতে পারি। একটা নিজের জন্য আরেকটা গরিব আত্মীয়ের জন্য। দুটি কুরবানি হলে, দাতাও দ্বিগুন সওয়াব পাবেন, গরীব আত্মীয়ও খুশি হবে।
- আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ
দাতা বেচারা তার মনে বেশ ব্যথা পেল। তারপরও যাচাই করার জন্য এগিয়ে গিয়ে জানতে চাইল,
-ছাগলটা বিক্রি করবেন?
-জি,
-ছাগলটা নিজে পেলেছেন?
- জি না, আল্লাহর এক দয়ালু বান্দা আমাকে ছাগলটা কুরবানির জন্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন। আমার এক গরীব আত্মীয় আছে। কুরবানির সামর্থ নেই। চিন্তা করলাম, এতবড় ছাগল আমি একা কুরবানি না দিয়ে, এটাকে বিক্রি করে, কুরবানির উপযোগী দুটি ছাগল কিনতে পারি। একটা নিজের জন্য আরেকটা গরিব আত্মীয়ের জন্য। দুটি কুরবানি হলে, দাতাও দ্বিগুন সওয়াব পাবেন, গরীব আত্মীয়ও খুশি হবে।
- আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ
❤🔥32❤6🔥4
ফিলিস্তিনের পতাকা কেনা, জার্সি কেনা, টুপি কেনা এসবের থেকে ঐ টাকাটা ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকার সাধারণ মানুষের জন্য সদকা করতে পারেন কিন্তু............
অনেক মাধ্যম আছে এখন।
অনেক মাধ্যম আছে এখন।
❤24😢6👍2
অ্যাপলের লেটেস্ট আইফোন নিয়ে দেখলাম প্র্যাকটিসিংদের মধ্যেও অনেক মাতামাতি।
অথচ নো থ্যাংকস অ্যাপে গেলেই দেখা যায় এটা বয়কটের তালিকায় আছে। এখন বলতে পারেন, প্রায় সব কোম্পানিই তাহলে বাদ পড়ে যাবে, আমি বাধ্য হয়ে নিচ্ছি। বাধ্য হওয়ার সুরত যদি “মাতামাতি” পর্যায়ের হয় তবে আমাদেরকে বোকা বানাতে পারবেন ঠিক কিন্তু আল্লাহকে না।
প্রাচুর্যের ফিতনার ব্যাপারে আলাপ নাহয় এখন বাদই দিলাম। আপনি তাদের প্রমোশন করছেন, তাদের প্রোডাক্টের প্রতি মানুষের মনে মুগ্ধতা তৈরি করছেন, দরকারি না হলেও এটাকে নেসেসিটি বানাচ্ছেন। এতকিছুর দায় এড়াবেন কীভাবে?
না, আর ভাল্লাগছে না এটা নিয়ে কথা বলতে। আপনারা এভাবেই ভালো থাকেন।
- মেরাজ হোসেন ভাই
অথচ নো থ্যাংকস অ্যাপে গেলেই দেখা যায় এটা বয়কটের তালিকায় আছে। এখন বলতে পারেন, প্রায় সব কোম্পানিই তাহলে বাদ পড়ে যাবে, আমি বাধ্য হয়ে নিচ্ছি। বাধ্য হওয়ার সুরত যদি “মাতামাতি” পর্যায়ের হয় তবে আমাদেরকে বোকা বানাতে পারবেন ঠিক কিন্তু আল্লাহকে না।
প্রাচুর্যের ফিতনার ব্যাপারে আলাপ নাহয় এখন বাদই দিলাম। আপনি তাদের প্রমোশন করছেন, তাদের প্রোডাক্টের প্রতি মানুষের মনে মুগ্ধতা তৈরি করছেন, দরকারি না হলেও এটাকে নেসেসিটি বানাচ্ছেন। এতকিছুর দায় এড়াবেন কীভাবে?
না, আর ভাল্লাগছে না এটা নিয়ে কথা বলতে। আপনারা এভাবেই ভালো থাকেন।
- মেরাজ হোসেন ভাই
😭20😢6❤5👍2
যেসব উপায়ে আপনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শামিল হতে পারেন-
এক: বাংলাদেশে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্যের সবচেয়ে বড় টুল হল ভারতীয় চ্যানেলগুলো। ঘরে ঘরে মা, খালা, আপুরা প্রতিজ্ঞা করুন আপনার ঘরে আর কোনোদিন ভারতীয় চ্যানেল চলবে না।
এই চ্যানেলের হাত ধরেই পরকীয়ার মত সামাজিক ব্যধি থেকে শুরু করে হিন্দুত্ববাদি ইতিহাস, হিন্দুত্ববাদি শিশুতোষ কার্টুন, হিন্দু দেব-দেবি ও মূর্তিগুলোর ইতিহাস, পরিচয় ও বহুক্ষেত্রে শ্রদ্ধা আমাদের মন-মগজে ঢুকে যাচ্ছে।
আপনাকে দিয়ে ভারতীয় প্রোডাক্ট কেনানোর আগের ধাপ হল আপনার মগজকে প্রস্তুত করা যেন আপনি ভারতকে চিনেন, তাদেরকে বিশ্বাস করেন, তাদের পণ্যের উপর আস্থা রাখেন।
দেখেন আজকে যদি আমি আপনাকে বলি যে ডি আর কঙ্গো থেকে আমি একটা ফেসওয়াশ আনছি, যেটা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ফেসওয়াশ, আপনি এটা কেনার আগে ৫০ বার ভাব্বেন। কারণ ডি আর কঙ্গো কে, কোথায়, আদৌ কোনো অস্তিত্ব আছে কিনা তা আপনি নিশ্চিত না।
কিন্তু আপনার বাসায় যদি ডি আর কঙ্গোর টিভি চ্যানেলগুলো জাস্ট ২ সপ্তাহ চলে, আমি সেখানকার লাখ টাকার প্রোডাক্ট আপনার কাছে বিক্রি করতে পারব। আপনিও সেটা সানন্দে লুফে নিবেন বিন্দুমাত্র চিন্তা ছাড়াই।
ভারতীয় চ্যানেল আর সিরিজের ভয়াবহতা না বুঝলে আপনি কোনোদিন ভারতীয় আধিপত্যবাদ বুঝতেই পারবেন না, মোকাবিলা তো বহুদূর।
দুই: ভারতীয় প্রোডাক্ট বয়কট করা। স্পেশালি ভারতীয় প্রসাধনী।
হ্যাঁ, এক্ষেত্রে আমি আপনাকে আবেগি হইতে বলব না, রিয়েলিস্টিক হইতে বলব।
আপনি দেখেন আপনার লাইফে যত ভারতীয় পণ্য আছে, তার মধ্যে কোনটা সবচেয়ে কম ভ্যালু এড করে, ফলে যেটা আপনি বাদ দিলে তেমন কোনো প্রভাবই পড়বে না, সেটা সবার আগে বাদ দেন।
কিংবা যেসব প্রোডাক্টের ভালো দেশি বা অন্য কোনো দেশের বিকল্প প্রোডাক্ট আছে, সেগুলো বাদ দেন। কারণ এখানে ভারতীয় এই প্রোডাক্ট বাদ দেওয়ার ফলে আপনার লাইফে কোনো ক্ষতিই হচ্ছে না।
জাস্ট আপনার সদিচ্ছা দরকার।
এইভাবে প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতি মাসে একটা করে ভারতীয় প্রোডাক্ট আপনার ঘর থেকে আউট করেন।
আলহামদুলিল্লাহ, আমি এবং আমার বউ সুপারশপ থেকে কেনাকাটা করার সময় বয়কট লিস্টে থাকা দেশের পণ্য কিনা তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে চেক করি।
তিন: ক্ষুদ্র ই-কমার্স উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে পেঁয়াজ-চিনির সিন্ডিকেট পর্যন্ত ব্যবসার প্রতিটা লেয়ারে ভারতীয় পণ্যের ব্যবসা পরিহার করা।
দোকানদাররা ভারতীয় পণ্য রাখা বন্ধ করা। ভারতীয় পন্যের ডিলারশিপ, ডিস্ট্রিবিউটরশিপ ত্যাগ করা।
এক্ষেত্রেও ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মতভাবে আগাইতে থাকা। বাট যত কমই হোক, আগাইতে থাকা, কন্টিনিউয়াসলি।
চার: আপনার যদি মনে হয় যে আপনি ভারতীয় কোনো একটা পণ্যের বিকল্প পণ্য প্রস্তুত কিংবা বাজারজাত করতে পারবেন, সেটা করা।
আপনার ব্যবসাও হল, প্রতিরোধও হল।
রাকিবুল হাসান
এক: বাংলাদেশে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্যের সবচেয়ে বড় টুল হল ভারতীয় চ্যানেলগুলো। ঘরে ঘরে মা, খালা, আপুরা প্রতিজ্ঞা করুন আপনার ঘরে আর কোনোদিন ভারতীয় চ্যানেল চলবে না।
এই চ্যানেলের হাত ধরেই পরকীয়ার মত সামাজিক ব্যধি থেকে শুরু করে হিন্দুত্ববাদি ইতিহাস, হিন্দুত্ববাদি শিশুতোষ কার্টুন, হিন্দু দেব-দেবি ও মূর্তিগুলোর ইতিহাস, পরিচয় ও বহুক্ষেত্রে শ্রদ্ধা আমাদের মন-মগজে ঢুকে যাচ্ছে।
আপনাকে দিয়ে ভারতীয় প্রোডাক্ট কেনানোর আগের ধাপ হল আপনার মগজকে প্রস্তুত করা যেন আপনি ভারতকে চিনেন, তাদেরকে বিশ্বাস করেন, তাদের পণ্যের উপর আস্থা রাখেন।
দেখেন আজকে যদি আমি আপনাকে বলি যে ডি আর কঙ্গো থেকে আমি একটা ফেসওয়াশ আনছি, যেটা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ফেসওয়াশ, আপনি এটা কেনার আগে ৫০ বার ভাব্বেন। কারণ ডি আর কঙ্গো কে, কোথায়, আদৌ কোনো অস্তিত্ব আছে কিনা তা আপনি নিশ্চিত না।
কিন্তু আপনার বাসায় যদি ডি আর কঙ্গোর টিভি চ্যানেলগুলো জাস্ট ২ সপ্তাহ চলে, আমি সেখানকার লাখ টাকার প্রোডাক্ট আপনার কাছে বিক্রি করতে পারব। আপনিও সেটা সানন্দে লুফে নিবেন বিন্দুমাত্র চিন্তা ছাড়াই।
ভারতীয় চ্যানেল আর সিরিজের ভয়াবহতা না বুঝলে আপনি কোনোদিন ভারতীয় আধিপত্যবাদ বুঝতেই পারবেন না, মোকাবিলা তো বহুদূর।
দুই: ভারতীয় প্রোডাক্ট বয়কট করা। স্পেশালি ভারতীয় প্রসাধনী।
হ্যাঁ, এক্ষেত্রে আমি আপনাকে আবেগি হইতে বলব না, রিয়েলিস্টিক হইতে বলব।
আপনি দেখেন আপনার লাইফে যত ভারতীয় পণ্য আছে, তার মধ্যে কোনটা সবচেয়ে কম ভ্যালু এড করে, ফলে যেটা আপনি বাদ দিলে তেমন কোনো প্রভাবই পড়বে না, সেটা সবার আগে বাদ দেন।
কিংবা যেসব প্রোডাক্টের ভালো দেশি বা অন্য কোনো দেশের বিকল্প প্রোডাক্ট আছে, সেগুলো বাদ দেন। কারণ এখানে ভারতীয় এই প্রোডাক্ট বাদ দেওয়ার ফলে আপনার লাইফে কোনো ক্ষতিই হচ্ছে না।
জাস্ট আপনার সদিচ্ছা দরকার।
এইভাবে প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতি মাসে একটা করে ভারতীয় প্রোডাক্ট আপনার ঘর থেকে আউট করেন।
আলহামদুলিল্লাহ, আমি এবং আমার বউ সুপারশপ থেকে কেনাকাটা করার সময় বয়কট লিস্টে থাকা দেশের পণ্য কিনা তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে চেক করি।
তিন: ক্ষুদ্র ই-কমার্স উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে পেঁয়াজ-চিনির সিন্ডিকেট পর্যন্ত ব্যবসার প্রতিটা লেয়ারে ভারতীয় পণ্যের ব্যবসা পরিহার করা।
দোকানদাররা ভারতীয় পণ্য রাখা বন্ধ করা। ভারতীয় পন্যের ডিলারশিপ, ডিস্ট্রিবিউটরশিপ ত্যাগ করা।
এক্ষেত্রেও ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মতভাবে আগাইতে থাকা। বাট যত কমই হোক, আগাইতে থাকা, কন্টিনিউয়াসলি।
চার: আপনার যদি মনে হয় যে আপনি ভারতীয় কোনো একটা পণ্যের বিকল্প পণ্য প্রস্তুত কিংবা বাজারজাত করতে পারবেন, সেটা করা।
আপনার ব্যবসাও হল, প্রতিরোধও হল।
রাকিবুল হাসান
❤🔥21❤10👍4🔥2