আমলকী
-বৈজ্ঞানিক নাম : Phyllantus emblica
-সংস্কৃত ভাষায় : আমলক
-ইংরেজি নাম : Amla
-আমলকী কে মাদার অফ ফ্রুট বলে। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে।
উপকারী দিক :
-বহুমূত্র, জন্ডিস ও লিভারের রোগে কার্যকর।
-এর নির্যাস দীর্ঘমেয়াদী সর্দি-কাশির জন্য উপকারী।
-দাঁত,চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী।
-ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
ইত্যাদি.....
- @Bangla_Knowledge
-বৈজ্ঞানিক নাম : Phyllantus emblica
-সংস্কৃত ভাষায় : আমলক
-ইংরেজি নাম : Amla
-আমলকী কে মাদার অফ ফ্রুট বলে। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে।
উপকারী দিক :
-বহুমূত্র, জন্ডিস ও লিভারের রোগে কার্যকর।
-এর নির্যাস দীর্ঘমেয়াদী সর্দি-কাশির জন্য উপকারী।
-দাঁত,চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী।
-ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
ইত্যাদি.....
- @Bangla_Knowledge
🍓7👍1
Forwarded from FUN FACTS ™️ (Loyal🤍)
জাতিসংঘের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর যার জনসংখ্যা প্রায় ৩৬.৬ মিলিয়ন (৩.৬৬ কোটি)! পৃথিবীর প্রায় ১৫৫টি দেশের জনসংখ্যা ৩৬ মিলিয়নের কম।
ভাবুন তো, আমাদের এই একটি শহরের জনসংখ্যা বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। নিচে মহাদেশ ভিত্তিক কিছু দেশের তালিকা দেওয়া হলো যাদের জনসংখ্যা ঢাকার থেকে কম :
এশিয়া: সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ইয়েমেন, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, কাজাখস্তান, কম্বোডিয়া, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE), তাজিকিস্তান, ইসরায়েল, সিঙ্গাপুর।
ইউরোপ: পোল্যান্ড, ইউক্রেন, রোমানিয়া, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, গ্রিস, পর্তুগাল, সুইডেন, হাঙ্গেরি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে।
ওশেনিয়া: অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড।
আফ্রিকা: ঘানা, মোজাম্বিক, মাদাগাস্কার, ক্যামেরুন, নাইজার, মালি, বুরকিনা ফাসো, মালাউই, জাম্বিয়া, চাদ, সোমালিয়া, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে।
আমেরিকা: পেরু, ভেনিজুয়েলা, চিলি, গুয়াতেমালা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, হাইতি, ডোমিনিকান রিপাবলিক, কিউবা, হন্ডুরাস।
> @FunfactsTM
ভাবুন তো, আমাদের এই একটি শহরের জনসংখ্যা বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। নিচে মহাদেশ ভিত্তিক কিছু দেশের তালিকা দেওয়া হলো যাদের জনসংখ্যা ঢাকার থেকে কম :
এশিয়া: সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ইয়েমেন, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, কাজাখস্তান, কম্বোডিয়া, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE), তাজিকিস্তান, ইসরায়েল, সিঙ্গাপুর।
ইউরোপ: পোল্যান্ড, ইউক্রেন, রোমানিয়া, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, গ্রিস, পর্তুগাল, সুইডেন, হাঙ্গেরি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে।
ওশেনিয়া: অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড।
আফ্রিকা: ঘানা, মোজাম্বিক, মাদাগাস্কার, ক্যামেরুন, নাইজার, মালি, বুরকিনা ফাসো, মালাউই, জাম্বিয়া, চাদ, সোমালিয়া, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে।
আমেরিকা: পেরু, ভেনিজুয়েলা, চিলি, গুয়াতেমালা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, হাইতি, ডোমিনিকান রিপাবলিক, কিউবা, হন্ডুরাস।
> @FunfactsTM
👍3👎1😢1
Forwarded from FUN FACTS ™️ (Loyal🤍)
FUN FACTS ™️
জাতিসংঘের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর যার জনসংখ্যা প্রায় ৩৬.৬ মিলিয়ন (৩.৬৬ কোটি)! পৃথিবীর প্রায় ১৫৫টি দেশের জনসংখ্যা ৩৬ মিলিয়নের কম। ভাবুন তো, আমাদের এই একটি শহরের জনসংখ্যা বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও…
কিছু অবিশ্বাস্য ফ্যাক্টস
💡আপনি যদি ঢাকাকে একটি দেশ হিসেবে কল্পনা করেন, তবে এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের ৪০তম বৃহত্তম দেশ হতো।
💡ঢাকার প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ২৩,২৩৪ জন মানুষ বাস করে! এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
💡২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর হওয়ার পথে রয়েছে। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৭ লাখেরও বেশি নতুন মানুষ যুক্ত হচ্ছে।
> @FunfactsTM
💡আপনি যদি ঢাকাকে একটি দেশ হিসেবে কল্পনা করেন, তবে এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের ৪০তম বৃহত্তম দেশ হতো।
💡ঢাকার প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ২৩,২৩৪ জন মানুষ বাস করে! এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
💡২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর হওয়ার পথে রয়েছে। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৭ লাখেরও বেশি নতুন মানুষ যুক্ত হচ্ছে।
> @FunfactsTM
😢6👍1👎1🥰1😱1
সামনে ঈদ, এই উপলক্ষে চলেন মেহেদী নিয়ে কিছু জেনে নেয়..
মেহেদী (উদ্ভিদ)
বৈজ্ঞানিক নাম :Lawsonia inermis
মেহেদী ( মেহেদি, মেহেন্দী, মেন্দি, ইংরেজীতে হেনা যা আরবি "হিন্না" থেকে এসেছে)।
এটি একধরনের সপুষ্পক উদ্ভিদ, যার পাতা প্রাচীনকাল থেকে ত্বক,চুল,নখ,পশুর চামড়া ও পশম রঙ করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
পৃথিবীর বহুদেশে এটি উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাংলাদেশ ও ভারতে ঈদ ও বিয়ে উপলক্ষে এর ব্যবহার অনেকটা আবশ্যিক রুপে প্রচলিত।
মেহেদী পাতার নির্যাসে প্রধান উপাদান অম্লধর্মী লাসোন(Lawsone) নামক 2-হাইড্রক্সি-1,4-ন্যাপথাকুইনোন জৈব যৌগ থাকে। এটি চুল ও চামড়ার বহিঃস্তরের প্রোটিনের অ্যামিনো গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে গাঢ় বাদামি রং সৃষ্টি করে। লাসোন গরম পানিতে ও অম্লীয় দ্রবণে সহজে দ্রবণীয়।মেহেদি পেস্ট এর pH মান 5.5 হলে এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
- @Bangla_Knowledge
মেহেদী (উদ্ভিদ)
বৈজ্ঞানিক নাম :Lawsonia inermis
মেহেদী ( মেহেদি, মেহেন্দী, মেন্দি, ইংরেজীতে হেনা যা আরবি "হিন্না" থেকে এসেছে)।
এটি একধরনের সপুষ্পক উদ্ভিদ, যার পাতা প্রাচীনকাল থেকে ত্বক,চুল,নখ,পশুর চামড়া ও পশম রঙ করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
পৃথিবীর বহুদেশে এটি উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাংলাদেশ ও ভারতে ঈদ ও বিয়ে উপলক্ষে এর ব্যবহার অনেকটা আবশ্যিক রুপে প্রচলিত।
মেহেদী পাতার নির্যাসে প্রধান উপাদান অম্লধর্মী লাসোন(Lawsone) নামক 2-হাইড্রক্সি-1,4-ন্যাপথাকুইনোন জৈব যৌগ থাকে। এটি চুল ও চামড়ার বহিঃস্তরের প্রোটিনের অ্যামিনো গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে গাঢ় বাদামি রং সৃষ্টি করে। লাসোন গরম পানিতে ও অম্লীয় দ্রবণে সহজে দ্রবণীয়।মেহেদি পেস্ট এর pH মান 5.5 হলে এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
- @Bangla_Knowledge
👍5❤1🔥1
★WHO এর মতে আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা - ০.০১ মিলিগ্রাম/লিটার
★বাংলাদেশের জন্য আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা - ০.০৫ মিলিগ্রাম/লিটার
অথচ! বাংলাদেশের পানিতে প্রাপ্ত আর্সেনিকের মাত্রা - ১.০১ মিলিগ্রাম/লিটার
মানে কিছু বলার নাই। যাইহোক, আর্সেনিকমুক্ত জেলা - ৩ টি ( বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি)
- @Bangla_Knowledge
★বাংলাদেশের জন্য আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা - ০.০৫ মিলিগ্রাম/লিটার
অথচ! বাংলাদেশের পানিতে প্রাপ্ত আর্সেনিকের মাত্রা - ১.০১ মিলিগ্রাম/লিটার
মানে কিছু বলার নাই। যাইহোক, আর্সেনিকমুক্ত জেলা - ৩ টি ( বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি)
- @Bangla_Knowledge
🔥4❤1👍1
কুমকুম ফল
Bixa orellana প্রজাতির একটি ছোট গাছ, যার ফল থেকে প্রাকৃতিক লাল-কমলা রঙের সিঁদুর বা পিগমেন্ট পাওয়া যায়। এর রোমশ, লাল-বাদামী কাঁটাযুক্ত ফলের ভেতরের বীজ থেকে এই রঙ পাওয়া যায়, যা ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর, খাবারে রঙ ও রান্নার মশলা হিসেবে ব্যবহূত হয়। এই গাছটি ভেষজগুণ সম্পন্ন এবং ক্যানসার চিকিৎসাতেও এর ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলছে।
আঞ্চলিকভাবে এটি কামিলা, বা সিঁদুর গাছ নামে পরিচিত।
সংগৃহীত
- @Bangla_Knowledge
Bixa orellana প্রজাতির একটি ছোট গাছ, যার ফল থেকে প্রাকৃতিক লাল-কমলা রঙের সিঁদুর বা পিগমেন্ট পাওয়া যায়। এর রোমশ, লাল-বাদামী কাঁটাযুক্ত ফলের ভেতরের বীজ থেকে এই রঙ পাওয়া যায়, যা ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর, খাবারে রঙ ও রান্নার মশলা হিসেবে ব্যবহূত হয়। এই গাছটি ভেষজগুণ সম্পন্ন এবং ক্যানসার চিকিৎসাতেও এর ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলছে।
আঞ্চলিকভাবে এটি কামিলা, বা সিঁদুর গাছ নামে পরিচিত।
সংগৃহীত
- @Bangla_Knowledge
❤2
🌿 বুনো ফুল 'কুকসিমা' 🌿
সাধারণ নাম: কুকসিমা
আয়ুর্বেদিক বা ভেষজ নাম: সাহাদেবী বা দেবীকা।
🔬 বৈজ্ঞানিক পরিচয়:
বৈজ্ঞানিক নাম: Cyanthillium cinereum (পূর্বতন নাম: Vernonia cinerea)
ইংরেজি নাম: Little ironweed
গাছটি দেখতে ছোট আর অবহেলিত হলেও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ও আয়ুর্বেদে এর দারুণ সব ঔষধি গুণ রয়েছে। জ্বর, সর্দি-কাশি, ক্ষত এবং চর্মরোগ উপশমে এর পাতার রস ও মূল ব্যবহার করা হয়।
সংগৃহীত ও পরিমার্জিত
Join ~ @Link_Trees 🌿
সাধারণ নাম: কুকসিমা
আয়ুর্বেদিক বা ভেষজ নাম: সাহাদেবী বা দেবীকা।
🔬 বৈজ্ঞানিক পরিচয়:
বৈজ্ঞানিক নাম: Cyanthillium cinereum (পূর্বতন নাম: Vernonia cinerea)
ইংরেজি নাম: Little ironweed
গাছটি দেখতে ছোট আর অবহেলিত হলেও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ও আয়ুর্বেদে এর দারুণ সব ঔষধি গুণ রয়েছে। জ্বর, সর্দি-কাশি, ক্ষত এবং চর্মরোগ উপশমে এর পাতার রস ও মূল ব্যবহার করা হয়।
সংগৃহীত ও পরিমার্জিত
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤3
সাধারণ জ্ঞান | Bangla Knowledge
Photo
🇧🇩 বাংলাদেশের বিভাগসমূহ✅
🇧🇩 বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ👉
১️⃣ ঢাকা বিভাগ
২️⃣ চট্টগ্রাম বিভাগ
৩️⃣ রাজশাহী বিভাগ
৪️⃣ খুলনা বিভাগ
৫️⃣ বরিশাল বিভাগ
৬️⃣ সিলেট বিভাগ
৭️⃣ রংপুর বিভাগ
৮️⃣ ময়মনসিংহ বিভাগ
📍 প্রস্তাবিত নতুন বিভাগ 🔹 ফরিদপুর বিভাগ
🔹 কুমিল্লা বিভাগ
ঢাকা বিভাগ👉 প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২৯ সালে। এখানে জনসংখ্যা প্রায় ৩৬,০৫৪,৪১৮ জন এবং আয়তন ২০,৫৩৯ বর্গকিমি। জনসংখ্যা ঘনত্ব প্রায় ১,৭৫১ জন/বর্গকিমি। এর বৃহত্তম শহর ঢাকা, যেখানে জনসংখ্যা প্রায় ৭,০৩৩,০৭৫ জন।
১৩টি জেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা বিভাগ: ঢাকা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর
চট্টগ্রাম বিভাগ👉 ১৮২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। এর জনসংখ্যা ২৮,৪২৩,০১৯ জন এবং আয়তন ৩৩,৭৭১ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৮৪১ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর চট্টগ্রাম, জনসংখ্যা প্রায় ২,৫৯২,৪৩৯ জন।
১১টি জেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম বিভাগ: বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি
রাজশাহী বিভাগ👉 ১৮২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। এখানে জনসংখ্যা ১৮,৪৮৪,৮৫৮ জন এবং আয়তন ১৮,১৯৭ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ১,০১৫ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর রাজশাহী, জনসংখ্যা প্রায় ৪৪৯,৭৫৬ জন।
৮টি জেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী বিভাগ: বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ
খুলনা বিভাগ👉 ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ১৫,৬৮৭,৭৫৯ জন এবং আয়তন ২২,২৭২ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৭০৪ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর খুলনা, জনসংখ্যা প্রায় ৬৬৩,৩৪২ জন।
১০টি জেলা নিয়ে গঠিত খুলনা বিভাগ: বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর, নড়াইল, সাতক্ষীরা
সিলেট বিভাগ👉 ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ৯,৯১০,২১৯ জন এবং আয়তন ১২,৫৯৬ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৭৮০ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর সিলেট, জনসংখ্যা প্রায় ৪৭৯,৮৩৭ জন।
৪টি জেলা নিয়ে গঠিত সিলেট বিভাগ: হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, সিলেট
বরিশাল বিভাগ👉 ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ৮,৩২৫,৬৬৬ জন এবং আয়তন ১৩,২৯৭ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৬২৬ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর বরিশাল, জনসংখ্যা প্রায় ৩২৮,২৭৮ জন।
৬টি জেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল বিভাগ: বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর
রংপুর বিভাগ👉 ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ১৫,৭৮৭,৭৫৮ জন এবং আয়তন ১৬,৩১৭ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৯৬০ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর রংপুর, জনসংখ্যা প্রায় ৩৪৩,১২২ জন।
৮টি জেলা নিয়ে গঠিত রংপুর বিভাগ: দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রংপুর, ঠাকুরগাঁও
ময়মনসিংহ বিভাগ 👉২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ১১,৩৭০,০০০ জন এবং আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ১,০৭৪ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর ময়মনসিংহ, জনসংখ্যা প্রায় ৪৭১,৮৫৮ জন।
৪টি জেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ বিভাগ: জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর
📊 সারসংক্ষেপ
বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে। মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭৪,০৪৩,৬৯৭ জন এবং মোট আয়তন ১৪৭,৫৭০ বর্গকিমি। গড় জনঘনত্ব প্রায় ৯৭৬ জন/বর্গকিমি। সবচেয়ে জনবহুল বিভাগ হলো ঢাকা বিভাগ।
🆕 প্রস্তাবিত বিভাগসমূহ
বাংলাদেশে আরও দুটি নতুন বিভাগ প্রস্তাব করা হয়েছে—
ফরিদপুর বিভাগ
কুমিল্লা বিভাগ
Join ~ @Link_Trees 🌿
🇧🇩 বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ👉
১️⃣ ঢাকা বিভাগ
২️⃣ চট্টগ্রাম বিভাগ
৩️⃣ রাজশাহী বিভাগ
৪️⃣ খুলনা বিভাগ
৫️⃣ বরিশাল বিভাগ
৬️⃣ সিলেট বিভাগ
৭️⃣ রংপুর বিভাগ
৮️⃣ ময়মনসিংহ বিভাগ
📍 প্রস্তাবিত নতুন বিভাগ 🔹 ফরিদপুর বিভাগ
🔹 কুমিল্লা বিভাগ
ঢাকা বিভাগ👉 প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২৯ সালে। এখানে জনসংখ্যা প্রায় ৩৬,০৫৪,৪১৮ জন এবং আয়তন ২০,৫৩৯ বর্গকিমি। জনসংখ্যা ঘনত্ব প্রায় ১,৭৫১ জন/বর্গকিমি। এর বৃহত্তম শহর ঢাকা, যেখানে জনসংখ্যা প্রায় ৭,০৩৩,০৭৫ জন।
১৩টি জেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা বিভাগ: ঢাকা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর
চট্টগ্রাম বিভাগ👉 ১৮২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। এর জনসংখ্যা ২৮,৪২৩,০১৯ জন এবং আয়তন ৩৩,৭৭১ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৮৪১ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর চট্টগ্রাম, জনসংখ্যা প্রায় ২,৫৯২,৪৩৯ জন।
১১টি জেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম বিভাগ: বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি
রাজশাহী বিভাগ👉 ১৮২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। এখানে জনসংখ্যা ১৮,৪৮৪,৮৫৮ জন এবং আয়তন ১৮,১৯৭ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ১,০১৫ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর রাজশাহী, জনসংখ্যা প্রায় ৪৪৯,৭৫৬ জন।
৮টি জেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী বিভাগ: বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ
খুলনা বিভাগ👉 ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ১৫,৬৮৭,৭৫৯ জন এবং আয়তন ২২,২৭২ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৭০৪ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর খুলনা, জনসংখ্যা প্রায় ৬৬৩,৩৪২ জন।
১০টি জেলা নিয়ে গঠিত খুলনা বিভাগ: বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর, নড়াইল, সাতক্ষীরা
সিলেট বিভাগ👉 ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ৯,৯১০,২১৯ জন এবং আয়তন ১২,৫৯৬ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৭৮০ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর সিলেট, জনসংখ্যা প্রায় ৪৭৯,৮৩৭ জন।
৪টি জেলা নিয়ে গঠিত সিলেট বিভাগ: হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, সিলেট
বরিশাল বিভাগ👉 ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ৮,৩২৫,৬৬৬ জন এবং আয়তন ১৩,২৯৭ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৬২৬ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর বরিশাল, জনসংখ্যা প্রায় ৩২৮,২৭৮ জন।
৬টি জেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল বিভাগ: বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর
রংপুর বিভাগ👉 ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ১৫,৭৮৭,৭৫৮ জন এবং আয়তন ১৬,৩১৭ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ৯৬০ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর রংপুর, জনসংখ্যা প্রায় ৩৪৩,১২২ জন।
৮টি জেলা নিয়ে গঠিত রংপুর বিভাগ: দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রংপুর, ঠাকুরগাঁও
ময়মনসিংহ বিভাগ 👉২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। জনসংখ্যা ১১,৩৭০,০০০ জন এবং আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিমি। জনঘনত্ব ১,০৭৪ জন/বর্গকিমি। বৃহত্তম শহর ময়মনসিংহ, জনসংখ্যা প্রায় ৪৭১,৮৫৮ জন।
৪টি জেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ বিভাগ: জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর
📊 সারসংক্ষেপ
বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে। মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭৪,০৪৩,৬৯৭ জন এবং মোট আয়তন ১৪৭,৫৭০ বর্গকিমি। গড় জনঘনত্ব প্রায় ৯৭৬ জন/বর্গকিমি। সবচেয়ে জনবহুল বিভাগ হলো ঢাকা বিভাগ।
🆕 প্রস্তাবিত বিভাগসমূহ
বাংলাদেশে আরও দুটি নতুন বিভাগ প্রস্তাব করা হয়েছে—
ফরিদপুর বিভাগ
কুমিল্লা বিভাগ
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤6
সাধারণ জ্ঞান | Bangla Knowledge
Photo
🌏 এশিয়ার ৪৮টি দেশের পতাকা, রাজধানী ও মুদ্রা একসাথে! 🇦🇸✅
দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা:
১. আফগানিস্তান — কাবুল — আফগানি
২. বাহরাইন — মানামা — বাহরাইনি দিনার
৩. বাংলাদেশ — ঢাকা — টাকা
৪. ভুটান — থিম্পু — গুলট্রাম
৫. ব্রুনেই — বন্দর সেরি বেগাওয়ান — ব্রুনেই ডলার
৬. কম্বোডিয়া — নম পেন — রিয়েল
৭. চীন — বেইজিং — ইউয়ান (রেনমিনবি)
৮. সাইপ্রাস — নিকোসিয়া — ইউরো
৯. পূর্ব তিমুর (তিমুর-লেস্তে) — দিলি — মার্কিন ডলার
১০. জর্জিয়া — তিবিলিসি — লারি
১১. ভারত — নয়াদিল্লি — ভারতীয় রুপি
১২. ইন্দোনেশিয়া — জাকার্তা — রুপিয়াহ
১৩. ইরান — তেহরান — ইরানি রিয়াল
১৪. ইরাক — বাগদাদ — ইরাকি দিনার
১৫. ইসরায়েল — জেরুজালেম — নতুন শেকেল
১৬. জাপান — টোকিও — ইয়েন
১৭. জর্ডান — আম্মান — জর্ডানিয়ান দিনার
১৮. কাজাখস্তান — আস্তানা — টেঙ্গে
১৯. কুয়েত — কুয়েত সিটি — কুয়েতি দিনার
২০. কিরগিজস্তান — বিশকেক — সোম
২১. লাওস — ভিয়েনতিয়েন — কিপ
২২. লেবানন — বৈরুত — লেবানিজ পাউন্ড
২৩. মালয়েশিয়া — কুয়ালালামপুর — রিঙ্গিত
২৪. মালদ্বীপ — মালে — রুফিয়া
২৫. মঙ্গোলিয়া — উলানবাটর — তুগ্রিক
২৬. মিয়ানমার — নেপিদো — কিয়াত
২৭. নেপাল — কাঠমান্ডু — নেপালি রুপি
২৮. উত্তর কোরিয়া — পিয়ংইয়ং — উত্তর কোরীয় ওন
২৯. ওমান — মাস্কাট — ওমানি রিয়াল
৩০. পাকিস্তান — ইসলামাবাদ — পাকিস্তানি রুপি
৩১. ফিলিস্তিন — রামাল্লাহ (প্রশাসনিক) — নতুন শেকেল ও জর্ডানিয়ান দিনার
৩২. ফিলিপাইন — ম্যানিলা — ফিলিপাইন পেসো
৩৩. কাতার — দোহা — কাতারি রিয়াল
৩৪. রাশিয়া (এশীয় অংশ) — মস্কো — রুবল
৩৫. সৌদি আরব — রিয়াদ — সৌদি রিয়াল
৩৬. সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুর ডলার
৩৭. দক্ষিণ কোরিয়া — সিউল — দক্ষিণ কোরীয় ওন
৩৮. শ্রীলঙ্কা — শ্রী জয়বর্ধনেপুর কোট্টে — শ্রীলঙ্কান রুপি
৩৯. সিরিয়া — দামেস্ক — সিরিয়ান পাউন্ড
৪০. তাইওয়ান — তাইপেই — নতুন তাইওয়ান ডলার
৪১. তাজিকিস্তান — দুশানবে — সোমোনি
৪২. থাইল্যান্ড — ব্যাংকক — বাত
৪৩. তুরস্ক — আঙ্কারা — তুর্কি লিরা
৪৪. তুর্কমেনিস্তান — আশগাবাত — মানাত
৪৫. সংযুক্ত আরব আমিরাত — আবুধাবি — দিরহাম
৪৬. উজবেকিস্তান — তাশখন্দ — সোম
৪৭. ভিয়েতনাম — হ্যানয় — ডং
৪৮. ইয়েমেন — সানা — ইয়েমেনি রিয়াল
Join ~ @Link_Trees 🌿
দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা:
১. আফগানিস্তান — কাবুল — আফগানি
২. বাহরাইন — মানামা — বাহরাইনি দিনার
৩. বাংলাদেশ — ঢাকা — টাকা
৪. ভুটান — থিম্পু — গুলট্রাম
৫. ব্রুনেই — বন্দর সেরি বেগাওয়ান — ব্রুনেই ডলার
৬. কম্বোডিয়া — নম পেন — রিয়েল
৭. চীন — বেইজিং — ইউয়ান (রেনমিনবি)
৮. সাইপ্রাস — নিকোসিয়া — ইউরো
৯. পূর্ব তিমুর (তিমুর-লেস্তে) — দিলি — মার্কিন ডলার
১০. জর্জিয়া — তিবিলিসি — লারি
১১. ভারত — নয়াদিল্লি — ভারতীয় রুপি
১২. ইন্দোনেশিয়া — জাকার্তা — রুপিয়াহ
১৩. ইরান — তেহরান — ইরানি রিয়াল
১৪. ইরাক — বাগদাদ — ইরাকি দিনার
১৫. ইসরায়েল — জেরুজালেম — নতুন শেকেল
১৬. জাপান — টোকিও — ইয়েন
১৭. জর্ডান — আম্মান — জর্ডানিয়ান দিনার
১৮. কাজাখস্তান — আস্তানা — টেঙ্গে
১৯. কুয়েত — কুয়েত সিটি — কুয়েতি দিনার
২০. কিরগিজস্তান — বিশকেক — সোম
২১. লাওস — ভিয়েনতিয়েন — কিপ
২২. লেবানন — বৈরুত — লেবানিজ পাউন্ড
২৩. মালয়েশিয়া — কুয়ালালামপুর — রিঙ্গিত
২৪. মালদ্বীপ — মালে — রুফিয়া
২৫. মঙ্গোলিয়া — উলানবাটর — তুগ্রিক
২৬. মিয়ানমার — নেপিদো — কিয়াত
২৭. নেপাল — কাঠমান্ডু — নেপালি রুপি
২৮. উত্তর কোরিয়া — পিয়ংইয়ং — উত্তর কোরীয় ওন
২৯. ওমান — মাস্কাট — ওমানি রিয়াল
৩০. পাকিস্তান — ইসলামাবাদ — পাকিস্তানি রুপি
৩১. ফিলিস্তিন — রামাল্লাহ (প্রশাসনিক) — নতুন শেকেল ও জর্ডানিয়ান দিনার
৩২. ফিলিপাইন — ম্যানিলা — ফিলিপাইন পেসো
৩৩. কাতার — দোহা — কাতারি রিয়াল
৩৪. রাশিয়া (এশীয় অংশ) — মস্কো — রুবল
৩৫. সৌদি আরব — রিয়াদ — সৌদি রিয়াল
৩৬. সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুর ডলার
৩৭. দক্ষিণ কোরিয়া — সিউল — দক্ষিণ কোরীয় ওন
৩৮. শ্রীলঙ্কা — শ্রী জয়বর্ধনেপুর কোট্টে — শ্রীলঙ্কান রুপি
৩৯. সিরিয়া — দামেস্ক — সিরিয়ান পাউন্ড
৪০. তাইওয়ান — তাইপেই — নতুন তাইওয়ান ডলার
৪১. তাজিকিস্তান — দুশানবে — সোমোনি
৪২. থাইল্যান্ড — ব্যাংকক — বাত
৪৩. তুরস্ক — আঙ্কারা — তুর্কি লিরা
৪৪. তুর্কমেনিস্তান — আশগাবাত — মানাত
৪৫. সংযুক্ত আরব আমিরাত — আবুধাবি — দিরহাম
৪৬. উজবেকিস্তান — তাশখন্দ — সোম
৪৭. ভিয়েতনাম — হ্যানয় — ডং
৪৮. ইয়েমেন — সানা — ইয়েমেনি রিয়াল
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤7
Forwarded from FUN FACTS ™️
পানি ও ক্ষয়ের মাধ্যমে তৈরি এই পাঁচটি ভূগঠন আলাদা মাপ ও গভীরতার।
উপত্যকা চওড়া ও মাঝখানে নদী থাকে, ক্যানিয়ন গভীর ও খাড়া পাথরের দেয়াল বিশিষ্ট।
গিরিখাত সরু ও পাথুরে, রাভিন ছোট ও গভীর ক্ষয়খাত।
গালি ক্ষয়খাত সবচেয়ে ছোট, সাধারণত বৃষ্টির পানির ক্ষয়ে তৈরি। প্রতিটিই ভূপৃষ্ঠের বিবর্তনের
চিহ্ন।
সূত্র: USGS, National Geographic
Join ~ @Link_Trees 🌿
উপত্যকা চওড়া ও মাঝখানে নদী থাকে, ক্যানিয়ন গভীর ও খাড়া পাথরের দেয়াল বিশিষ্ট।
গিরিখাত সরু ও পাথুরে, রাভিন ছোট ও গভীর ক্ষয়খাত।
গালি ক্ষয়খাত সবচেয়ে ছোট, সাধারণত বৃষ্টির পানির ক্ষয়ে তৈরি। প্রতিটিই ভূপৃষ্ঠের বিবর্তনের
চিহ্ন।
সূত্র: USGS, National Geographic
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤3🏆1
🏛 নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University)
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের বিহার রাজ্যে অবস্থিত প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। এটি গুপ্ত সম্রাট কুমারগুপ্ত প্রথম পঞ্চম শতকে প্রতিষ্ঠা করেন।
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং (Xuanzang) এখানে বহু বছর অধ্যয়ন করেন। তিনি নালন্দার আচার্য শীলভদ্র-এর কাছে শিক্ষা ও দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্ত থেকেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যায়।
১২শ শতকের শেষদিকে আক্রমণের ফলে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমানে এর ধ্বংসাবশেষ ভারতের বিহার রাজ্যে সংরক্ষিত রয়েছে এবং ২০১৬ সালে UNESCO World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
প্রাচীন নালন্দার ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করতে ২০১০ সালে রাজগীরে নতুন Nalanda University প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়।
collected
Join ~ @Link_Trees 🌿
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের বিহার রাজ্যে অবস্থিত প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। এটি গুপ্ত সম্রাট কুমারগুপ্ত প্রথম পঞ্চম শতকে প্রতিষ্ঠা করেন।
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং (Xuanzang) এখানে বহু বছর অধ্যয়ন করেন। তিনি নালন্দার আচার্য শীলভদ্র-এর কাছে শিক্ষা ও দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্ত থেকেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যায়।
১২শ শতকের শেষদিকে আক্রমণের ফলে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমানে এর ধ্বংসাবশেষ ভারতের বিহার রাজ্যে সংরক্ষিত রয়েছে এবং ২০১৬ সালে UNESCO World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
প্রাচীন নালন্দার ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করতে ২০১০ সালে রাজগীরে নতুন Nalanda University প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়।
collected
Join ~ @Link_Trees 🌿
🔥4❤1
🌿 মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত সিলেট বিভাগের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত-এ অবস্থিত। এটি মাধবকুণ্ড ইকোপার্ক-এর ভেতরে অবস্থিত এবং দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ।
🔹 অবস্থান: বড়লেখা উপজেলা, মৌলভীবাজার জেলা
🔹 উচ্চতা: প্রায় ২০০ ফুট (প্রায় ৬১ মিটার)
🔹 উৎস: পাহাড়ি ছড়ার পানি খাড়া পাথরের গা বেয়ে নিচে নেমে এই জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে।
🔹 বিশেষত্ব: বর্ষাকালে জলপ্রপাতটি সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর রূপ ধারণ করে এবং প্রতিবছর হাজারো পর্যটক এখানে ভ্রমণে আসেন।
জানেন কি? 🤔
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতকে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ও বৃহত্তম প্রাকৃতিক জলপ্রপাত হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান।
Join ~ @Link_Trees 🌿
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত সিলেট বিভাগের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত-এ অবস্থিত। এটি মাধবকুণ্ড ইকোপার্ক-এর ভেতরে অবস্থিত এবং দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ।
🔹 অবস্থান: বড়লেখা উপজেলা, মৌলভীবাজার জেলা
🔹 উচ্চতা: প্রায় ২০০ ফুট (প্রায় ৬১ মিটার)
🔹 উৎস: পাহাড়ি ছড়ার পানি খাড়া পাথরের গা বেয়ে নিচে নেমে এই জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে।
🔹 বিশেষত্ব: বর্ষাকালে জলপ্রপাতটি সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর রূপ ধারণ করে এবং প্রতিবছর হাজারো পর্যটক এখানে ভ্রমণে আসেন।
জানেন কি? 🤔
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতকে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ও বৃহত্তম প্রাকৃতিক জলপ্রপাত হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান।
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤4
Forwarded from 𝘕𝘖𝘛𝘌 ☘️
MOOD OFF? 😔
1️⃣ t.me/Bangla_Memes
2️⃣ t.me/Mood_Posting
3️⃣ t.me/MoodxBoost
4️⃣ t.me/Prank_King
5️⃣ t.me/TG_sarcasm
❇️ Check out - Click here
জয়েন করো নিচের চ্যানেলগুলোতে। মুড অন না হলে এমবি ফেরত!
1️⃣ t.me/Bangla_Memes
2️⃣ t.me/Mood_Posting
3️⃣ t.me/MoodxBoost
4️⃣ t.me/Prank_King
5️⃣ t.me/TG_sarcasm
❇️ Check out - Click here
❤3
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান ছিল প্রাচীন বিশ্বের সাতটি আশ্চর্যের অন্যতম। ধারণা করা হয়, এটি প্রাচীন ব্যাবিলন নগরীতে নির্মিত হয়েছিল এবং রাজা নেবুচাদনেজার দ্বিতীয়ের শাসনামলে, খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের দিকে এর নির্মাণের কথা বলা হয়। প্রাচীন বর্ণনায় উদ্যানটিকে বিশাল ধাপ বা টেরেসের ওপর সাজানো গাছপালা, ফুল ও লতাগুল্মে ভরা এক অসাধারণ স্থাপনা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
‘Hanging’ বা ‘ঝুলন্ত’ বলা হলেও বাগানগুলো সত্যিই আকাশে ঝুলে ছিল—এমনটা নয়। সম্ভবত একটির ওপর আরেকটি উঁচু ধাপ বা টেরেসের ওপর গাছপালা লাগানো ছিল। এত উঁচুতে গাছ বাঁচিয়ে রাখার জন্য কীভাবে পানি সরবরাহ করা হতো, সেটিও এই কাহিনির অন্যতম রহস্য।
সবচেয়ে রহস্যময় বিষয় হলো, উদ্যানটির অস্তিত্ব নিয়েই ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। ব্যাবিলনের অন্যান্য বিশাল স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া গেলেও শূন্য উদ্যানের এমন কোনো ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়নি, যেটিকে নিশ্চিতভাবে এর অংশ বলা যায়। এমনকি কিছু গবেষক মনে করেন, প্রাচীন লেখকদের বর্ণনা হয়তো অন্য কোনো রাজ্যের উদ্যানের সঙ্গে মিশে গেছে।
Collected
Join ~ @Link_Trees 🌿
‘Hanging’ বা ‘ঝুলন্ত’ বলা হলেও বাগানগুলো সত্যিই আকাশে ঝুলে ছিল—এমনটা নয়। সম্ভবত একটির ওপর আরেকটি উঁচু ধাপ বা টেরেসের ওপর গাছপালা লাগানো ছিল। এত উঁচুতে গাছ বাঁচিয়ে রাখার জন্য কীভাবে পানি সরবরাহ করা হতো, সেটিও এই কাহিনির অন্যতম রহস্য।
সবচেয়ে রহস্যময় বিষয় হলো, উদ্যানটির অস্তিত্ব নিয়েই ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। ব্যাবিলনের অন্যান্য বিশাল স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া গেলেও শূন্য উদ্যানের এমন কোনো ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়নি, যেটিকে নিশ্চিতভাবে এর অংশ বলা যায়। এমনকি কিছু গবেষক মনে করেন, প্রাচীন লেখকদের বর্ণনা হয়তো অন্য কোনো রাজ্যের উদ্যানের সঙ্গে মিশে গেছে।
Collected
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤1
কখনো কি ভেবে দেখেছেন, বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মানুষ কীভাবে মারা যায়, কেন মারা যায়?
মানবদেহের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তা শরীরের স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। বিদ্যুতের প্রবাহ স্নায়ু ও পেশির কাজকে প্রভাবিত করে, যার ফলে পেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে।সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয় যখন বিদ্যুৎ হৃদপিণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে ventricular fibrillation হতে পারে। তখন হৃদপিণ্ড কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না এবং দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু ঘটতে পারে।
বিদ্যুৎ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয় পেশিগুলোকেও অচল করে দিতে পারে। ফলে শ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আবার বিদ্যুৎ শরীরের টিস্যুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় তাপ তৈরি করে গভীর পোড়া সৃষ্টি করতে পারে, যা বাইরে থেকে দেখা পোড়ার তুলনায় অনেক বেশি গুরুতর হতে পারে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ক্ষতি শুধু বিদ্যুতের ভোল্টেজের ওপর নির্ভর করে না। বিদ্যুতের প্রবাহের পরিমাণ, শরীরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ কোন পথে গেছে, কতক্ষণ সংস্পর্শ ছিল এবং ত্বক ভেজা নাকি শুকনো—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
collected
Join ~ @Link_Trees 🌿
মানবদেহের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তা শরীরের স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। বিদ্যুতের প্রবাহ স্নায়ু ও পেশির কাজকে প্রভাবিত করে, যার ফলে পেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে।সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয় যখন বিদ্যুৎ হৃদপিণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে ventricular fibrillation হতে পারে। তখন হৃদপিণ্ড কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না এবং দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু ঘটতে পারে।
বিদ্যুৎ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয় পেশিগুলোকেও অচল করে দিতে পারে। ফলে শ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আবার বিদ্যুৎ শরীরের টিস্যুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় তাপ তৈরি করে গভীর পোড়া সৃষ্টি করতে পারে, যা বাইরে থেকে দেখা পোড়ার তুলনায় অনেক বেশি গুরুতর হতে পারে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ক্ষতি শুধু বিদ্যুতের ভোল্টেজের ওপর নির্ভর করে না। বিদ্যুতের প্রবাহের পরিমাণ, শরীরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ কোন পথে গেছে, কতক্ষণ সংস্পর্শ ছিল এবং ত্বক ভেজা নাকি শুকনো—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
collected
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤1
🌊 নদী সমাচার
১) পৃথিবীর বৃহত্তম ও প্রশস্ততম নদী — আমাজন নদী।
২) পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী — নীল নদ।
৩) এশিয়ার দীর্ঘতম নদী — ইয়াংসিকিয়াং (ইয়াংজি) নদী।
৪) আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী — নীল নদ।
৫) ইউরোপের দীর্ঘতম নদী — ভলগা নদী।
৬) উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী — মিসিসিপি-মিসৌরি নদীব্যবস্থা।
৭) দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী — আমাজন নদী।
Join ~ @Link_Trees 🌿
১) পৃথিবীর বৃহত্তম ও প্রশস্ততম নদী — আমাজন নদী।
২) পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী — নীল নদ।
৩) এশিয়ার দীর্ঘতম নদী — ইয়াংসিকিয়াং (ইয়াংজি) নদী।
৪) আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী — নীল নদ।
৫) ইউরোপের দীর্ঘতম নদী — ভলগা নদী।
৬) উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী — মিসিসিপি-মিসৌরি নদীব্যবস্থা।
৭) দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী — আমাজন নদী।
Join ~ @Link_Trees 🌿
❤4