Al Firdaws
11K subscribers
10.6K photos
865 videos
46 links
আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন-
https://linktr.ee/AlFirdaws01
Download Telegram
পুলিশ জানায়, গত ৭ অক্টোবর সকাল পৌনে ৯টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে রাজধানীর শাহবাগে রমনা কালীমন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। মন্দিরের কালী মূর্তির জিভে রাখা আনুমানিক ছয় আনা ওজনের স্বর্ণ চুরি হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় মন্দিরের পুরোহিত সুজিত চক্রবর্তী শাহবাগ থানায় অভিযোগ করে।

অভিযোগের পর মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করে পুলিশ। একপর্যায়ে উত্তরখান থানার দোবাদিয়া এলাকা থেকে অর্ণব রায় ও লিপি কর্মকারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে পাঠানো হলে দুজনই দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক হোসেন সাংবাদিকদের জানায়, গ্রেফতার দম্পতির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান এলাকার সাদিয়া জুয়েলার্সের মালিক মো. মুহিনকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে দুই আনা এক রতি ওজনের স্বর্ণের পাত উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, উদ্ধার করা স্বর্ণের পাতটি রমনা কালীমন্দির থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণের অংশ।

এ ছাড়া গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরে স্বর্ণ চুরির ঘটনায়ও অর্ণব রায় ও লিপি কর্মকারের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ওই ঘটনায় রমনা থানায় মামলা হয়েছিল। দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, চুরির পর ওই স্বর্ণালংকার জাকারিয়া ইসলাম নামের এক জুয়েলারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেছিল এ দম্পতি। এ অভিযোগে তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, দুই মন্দিরে চুরির পাশাপাশি গত ১১ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে একটি মন্দিরে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর গলার স্বর্ণের চেইন চুরির চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে অর্ণব রায়ের বিরুদ্ধে। চেইন নিয়ে পালানোর সময় মন্দিরের পুরোহিত তাকে ধরে ফেলে। পরে মন্দির কমিটির সদস্যরা তাকে ছেড়ে দেয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা চোর চক্রের সদস্য উল্লেখ করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি ঘটনায় অর্ণব রায় ও লিপি কর্মকারের সম্পৃক্ততার কথা জানা গেছে। তারা বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে ঘুরে চুরি করত। এর বাইরে অতীতে একই ধরনের আরও কোনো চুরির ঘটনায় তারা জড়িত ছিল কি না এবং এই চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
❤3👍1
রাজধানীর সচিবালয় মেট্রোরেল স্টেশন থেকে অপহৃত নয় মাস বয়সী এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় অপহরণে জড়িত রানা (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এ ঘটনা ঘটে।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সকালে প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বরত আনসার সদস্য মো. শাহিন মিয়া লক্ষ্য করেন, এক ব্যক্তি অবিরত ক্রন্দনরত একটি শিশুকে কোলে নিয়ে অস্বাভাবিক তাড়াহুড়ো করে প্ল্যাটফর্ম ছাড়ার চেষ্টা করছে। শিশুর কান্না ও ওই ব্যক্তির আচরণে সন্দেহ তৈরি হলে আনসার সদস্য ও উপস্থিত যাত্রীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এ সময় কোনো সদুত্তর দিতে না পেরে ব্যক্তিটি স্টেশন থেকে নিচে নেমে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে আনসার সদস্য শাহিন মিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে রানাকে আটক করে।

পরবর্তীতে স্টেশনের অঙ্গীভূত আনসারের প্ল্যাটফর্ম কমান্ডার (পিসি) মো. রিপন বেপারী বিষয়টি স্টেশন কন্ট্রোলারকে অবহিত করে এবং উদ্ধার হওয়া শিশুসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
👍3
এমআরটি পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক রানা স্বীকার করেছে যে, সে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি বস্তি থেকে শিশুটিকে চুরি করে এনেছিল। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান ও তাদের কাছে তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
❤2👍1👏1
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসরুমে নিকাব পরিহিতা এক নারী শিক্ষার্থীকে শিক্ষিকা কর্তৃক অপমান ও বডি শেমিংয়ের (দেহ নিয়ে বিদ্রূপ) ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ১৫৮ জন শিক্ষক। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘ইসলামোফোবিয়া বিরোধী নীতিমালা’ প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ‘মূল্যবোধ আন্দোলন’-এর মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ সাদাতের পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে শিক্ষকবৃন্দ এই প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, একটি ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত পোশাক, ধর্মীয় রীতিনীতি এবং শারীরিক গঠন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য শোনা গেছে। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ স্পষ্টতই উগ্র ইসলামোফোবিয়ার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ এবং তা শিক্ষকের নৈতিক দায়িত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
👍3
সাম্প্রতিক এক গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে দৃশ্যমানভাবে ধর্মপালনকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীদের ৫৫.৭ শতাংশ শিক্ষাগত বা পেশাগত জায়গায় বৈষম্যের শিকার হন। এর মধ্যে ৬৩.৪ শতাংশ ঘটনার জন্যই শিক্ষকরা দায়ী। পুরুষদের তুলনায় হিজাব-নিকাব পরা নারীরাই এই বৈষম্যের সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে না দাঁড়িয়ে একাংশের শিক্ষক ও তাদের সংগঠন 'একাডেমিক স্বাধীনতার' দোহাই দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের সাফাই গাইছেন। একাডেমিক স্বাধীনতার অজুহাতে কারো ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ বা শ্রেণিকক্ষে কাউকে অপমান করা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

শিক্ষকদের মূল দাবিগুলো:

১. অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে অনতিবিলম্বে সকল শিক্ষাদান কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া।
২. নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষ প্রমাণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
৩. ধর্মীয় পরিচয় ও পোশাকের কারণে হেনস্থা বন্ধে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ইসলামোফোবিয়া বিরোধী নীতিমালা’ প্রণয়ন ও কার্যকর করা।

বিবৃতিতে ৩৫ জন অধ্যাপক, ২৭ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৪৫ জন সহকারী অধ্যাপক এবং ৫১ জন প্রভাষকসহ মোট ১৫৮ জন শিক্ষক স্বাক্ষর করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মানজুরুল করিম ও অধ্যাপক ড. জুলফিকার হাসান খান, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ মাসুদ করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান, আইইউবি-এর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামীমা তাসনীমসহ প্রমুখ।

বিবৃতিদাতাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা মূল্যবোধ আন্দোলন-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এ প্রকাশ করা হয়েছে।
❤5🥰2👍1
পশ্চিম আফ্রিকার সংঘাতপূর্ণ দেশ মালিতে জান্তা বাহিনী ও তাদের সহযোগী রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পস বাহিনীকে লক্ষ্য করে ৪টি হামলা চালিয়েছেন আল-কা!য়ে@দা সংশ্লিষ্ট জামাআত নু/স/রাতুল ইসলাম ওয়াল মু/সলি/মিন (জেএনআইএম) প্রতিরোধ যো/দ্ধারা।

প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএমের অফিসিয়াল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'আয-যাল্লাকা'তে প্রকাশিত পৃথক চারটি বিবৃতিতে হামলার তথ্যগুলো নিশ্চিত করা হয়েছে। এই হা/মলাগুলো গত ১১ ও ১২ অক্টোবর মালির মধ্যাঞ্চলীয় দুই প্রদেশ মোপ্তি ও সেগুতে সংঘটিত হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরেই জেএনআইএমের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

বিবৃতির তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর রাতে, মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্যের কোনা ও সেভারি এলাকার মধ্যবর্তী সড়কে শত্রু বাহিনীর একটি পদাতিক টহল দলের উপর গাইডেড বো/মা দিয়ে হাম/লা চালিয়েছেন জেএনআইএম যো/দ্ধারা।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর সকালে, মোপ্তি রাজ্যের কোনা ও কোনসার মধ্যবর্তি এলাকায় রুশ বাহিনীর একটি টহলদলকে আইইডি দিয়ে টার্গেট করা হয়। প্রায় একই সময়ে রাজ্যের সোমাদুগো শহরের উপকণ্ঠে জান্তা সমর্থিত মিলিশিয়াদের একটি দলকে অ্যামবুশে ফেলেন প্রতিরোধ যো/দ্ধারা।
👍2
এর আগে গত ১১ অক্টোবর সকালে, মোপ্তি রাজ্যের কোনা ও কোনসার মধ্যবর্তি এলাকায় রুশ বাহিনীর একটি টহলদলকে আইইডি দিয়ে টার্গেট করা হয়। প্রায় একই সময়ে রাজ্যের সোমাদুগো শহরের উপকণ্ঠে জান্তা সমর্থিত মিলিশিয়াদের একটি দলকে অ্যামবুশে ফেলেন প্রতিরোধ যো/দ্ধারা।

এদিন সন্ধ্যায়, সেগু রাজ্যের দোগাবুগো ও মারকালা এলাকার মধ্যবর্তী সড়কে জান্তা বাহিনীকে আরও একটি সফল অ্যাম্বুশ ফেলেন প্রতিরোধ যো/দ্ধারা। এই অ্যাম্বুশের সময় প্রতিরোধ যো/দ্ধারা প্রথমে একাধিক বোমা বি/স্ফোরণ ঘটিয়ে মালিয়ান জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক কনভয়ের গতিরোধ করেন। এরপর কনভয়টিতে বিভিন্ন ধরনের ভারী ও মাঝারি অস্ত্র ব্যবহার করে অতর্কিত আক্রমণ চালানো হয়।

এদিকে প্রতিরোধ যো/দ্ধাদের এসকল অভিযানে জান্তা ও রুশ বাহিনীতে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযানগুলোর একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায়, সেগু রাজ্যে পরিচালিত সামরিক কনভয়ে জেএনআইএমের হাম/লায় বেশ কিছু নিহত জান্তা ও রুশ সৈন্যের রক্তাক্ত মৃতদেহ যু/দ্ধক্ষেত্রে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া অন্য অভিযানগুলোতে ধ্বংসপ্রাপ্ত জান্তার সামরিক যানবাহনের ৫টি ছবি দেখা গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রগুলো উল্লেখ করছে যে, ধ্বংসপ্রাপ্ত এসব যানবাহনে থাকা সমস্ত জান্তা সদস্যই নিহত হয়েছে।
❤10👍1
গাজীপুরের শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সি স্টেজ বিডি লিমিটেড কারখানার শ্রমিকেরা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে অবরোধ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। তাদের লক্ষ্য করে গুলিও ছোড়া হয়। এতে রাবার বুলেট বিদ্ধ অবস্থায় ৯ শ্রমিক শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যান। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত শ্রমিকেরা হলেন জেসমিন (২৮), শাহীনুর (৩৮), হাফিজা (২২), অলকা রাণী (৩০), নিলুফা (৩৬), সাথী (৩০), পেয়ার বেগম (৩৫), রেহেনা (২০) ও আবেদা (৩৫)। তাদের সবাই সি স্টেজ বিডি লিমিটেড কারখানার শ্রমিক।

গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মুলাইদ গ্রামের এমসি বাজার এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা অবরোধে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
🤬2👍1
আন্দোলনরত শ্রমিক তরিকুল, মাহফুজ ও হাসমত আলী সাংবাদিকদের জানান, গত ১০ অক্টোবরের আন্দোলনের পর কারখানা কর্তৃপক্ষ ১৩ অক্টোবর গত সেপ্টেম্বর মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তাদের বেতন দেয়া হয়নি। বুধবারও (১৪ অক্টোবর) বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা মহাসড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।

শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন না পাওয়ায় তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। বারবার আশ্বাস দিয়েও বেতন পরিশোধ না করায় বাধ্য হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন তারা। বেতন না দিয়ে উল্টো পুলিশের বলপ্রয়োগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দোলনকারীরা।

খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করে। একই সঙ্গে বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে শ্রমিকেরা অবরোধ অব্যাহত রাখলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এ সময় গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠে।

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাবিকুন্নাহার ইতি সাংবাদিকদের বলেন, রাবার বুলেট বিদ্ধ অবস্থায় ৯ জন শ্রমিক জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। বাকি তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে আন্দোলনে নেমে আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রমিকেরা। তারা দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
😢4❤1
গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। নৃশংস এ ঘটনার পর অভিযুক্তদের প্রাণনাশের হুমকির কারণে দুই দিন ঘরবন্দি ছিল তারা। পরে স্বজনদের সহায়তায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মামলায় নয়ন মিয়া (২৮) ও ফারুক (৩০) নাম উল্লেখ করে আরও দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারীর ছদ্মনাম লিলি। তিনি শেরপুর জেলার বাসিন্দা। শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের হানু মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। স্বামীকে নিয়ে সেখানেই বসবাস করতেন তিনি।
😢4❤1
লিলি গণমাধ্যমে জানান, গত ছয় মাস ধরে হানু মার্কেট এলাকার হারুনের বাসায় ভাড়া থাকেন তারা। সম্প্রতি এলাকায় চুরির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করে সোমবার (১২ অক্টোবর) বাসা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। বাড়ির মালিক হারুন অর রশিদকে তিন মাসের অগ্রিম ভাড়া পরিশোধ করে মালামাল সরানোর কাজ শুরু করেন তারা। এ সময় স্থানীয় দুই যুবক ফারুক ও নয়ন বাসায় এসে তার স্বামীকে জোর করে ডেকে নিয়ে যায়। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও স্বামী ফিরে না আসায় তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যার পর স্বামী বাড়ি ফেরেন।

লিলি জানান, রাত সাড়ে ৮টার কিছুক্ষণ পর ফারুক ও নয়ন আরও দুজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে তাদের ঘরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর তাদের আচরণ বদলে যায়। তারা তার স্বামীকে মারধর করে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখে।

লিলি আরও জানান, ফারুক তাকে জানান, তার স্বামীর কাছে টাকা পাওনা থাকায় তাকে আটকে রাখা হয়েছে। এরপর তার কথামতো কাজ করলে দুজনকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন ফারুক। এতে রাজি না হওয়ায় ফারুক, নয়ন ও অপর এক ব্যক্তি তার হাত বেঁধে ফেলে। গলায় ধারালো ছুরি ধরে এবং দুই পা দুই দিকে বেঁধে রেখে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী বলেন, তিনি বারবার তাদের কাছে বাবা ও ভাই বলে আকুতি-মিনতি করলেও তারা শোনেনি। চারজন মিলে তার ওপর নির্যাতন চালায়। ঘটনার সময় অভিযুক্তদের ভয়ে আশপাশের কেউ তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পরও অভিযুক্তরা তাদের বাড়ির আশপাশে নজরদারি করছিল। তাদের ভয়ে তিনি থানায় যাওয়ার সাহস পায়নি। পরে স্বজনদের খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাদের সহযোগিতায় থানায় এসে বিচার চাইতে পেরেছেন তিনি।

ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, তাকে পাশের ঘরে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় তাকে বলা হয়, তার স্ত্রী টাকা আনতে গিয়েছেন। তবে তার স্ত্রীকে নির্যাতন করা হচ্ছে, তা তাকে জানানো হয় নি।

তিনি জানান, সবকিছু শেষ হওয়ার পর তাকে স্ত্রীর কাছে যেতে দেওয়া হয়। সেখানে গিয়ে স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের বিষয়টি বুঝতে পারেন। বিচার চাইতে বের হতে চাইলে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে তারা বের হতে পারেননি। পরে কৌশলে বের হওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে আত্মীয়স্বজনকে খবর দিলে তাদের সহযোগিতায় থানায় আসেন।

এদিকে এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি পুলিশ।
🤬2👍1
আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের সিমেন্ট কারখানায় উৎপাদিত সিমেন্ট আমদানি করা সিমেন্টের তুলনায় উন্নত মানের ও কম দামের বলে জানিয়েছেন কারখানাটির কর্মকর্তারা। তাদের মতে, স্থানীয়ভাবে সিমেন্ট উৎপাদন বাজারে দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।

কারখানাটির কর্মকর্তারা জানান, দেশীয়ভাবে উৎপাদিত সিমেন্টের মান ও দাম—দুই দিক থেকেই বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় উৎপাদন বাড়লে নির্মাণসামগ্রীর সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং বাজারে সিমেন্টের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

কান্দাহারে সিমেন্ট উৎপাদনের এই উদ্যোগ আফগানিস্তানের নির্মাণশিল্পে দেশীয় উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে। উৎপাদন ও সরবরাহ ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকলে তা নির্মাণ খাতের ব্যয় নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
❤7🔥3
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোয় জান্তা-সমর্থিত মিলিশিয়াদের দুটি পৃথক ঘাঁটির উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে আল-কা/য়েদা সংশ্লিষ্ট প্রতিরোধ বাহিনী জামা'আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন (জেএন/আইএম)। দলটির অফিসিয়াল প্রচারমাধ্যম আয-যাল্লাকার বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

আয-যাল্লাকার প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, দুটি অভিযানই গত ১১ অক্টোবর চালানো হয়েছে। এরমধ্যে প্রথম অভিযানটি ১১ অক্টোবর সকালে বুরকিনা ফাসোর উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় কায়া রাজ্যের নামসিগি এলাকায় চালানো হয়েছে। সেখানে বুরকিনাবে মিলিশিয়াদের একটি ঘাঁটিতে জেএন/আইএমের বেশ কিছু প্রতিরোধ যো/দ্ধারা তীব্র অতর্কিত আক্রমণ চালান। এতে মিলিশিয়া বাহিনীতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটলে, তারা সামরিক অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মিলিশিয়া সদস্যদের এই পলায়নের পর জেএন/আইএম যো/দ্ধারা সামরিক অবস্থানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেন।
❤1
দ্বিতীয় অভিযানটি চালানো হয় একই দিন সন্ধ্যায়, যা দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় বোবো-জুলাসো প্রদেশের সিতাসো গ্রামে চালানো হয়েছে। এই এলাকাতেও জান্তা-সমর্থিত আরেকটি মিলিশিয়া ঘাঁটিতে অতর্কিত আক্রমণ চালান জেএন/আইএমের প্রতিরোধ যো/দ্ধারা। এখানেও সংক্ষিপ্ত লড়াইয়ের পর প্রতিরোধ যো/দ্ধারা ঘাঁটির উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।
আল ফিরদাউস বুলেটিন || ৩য় সপ্তাহ, অক্টোবর ২০২৬