পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি, সম্প্রতি দেশটির জান্তা প্রশাসনের বিরুদ্ধে শহুরে অভিযানের তীব্রতা বাড়িয়েছেন আল-কা/য়েদা সংশ্লিষ্ট জামা'আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএন/আইএম)মু*জাহি/দিনরা। এই ধারাবাহিকতায় জেএন/আইএম মু*জাহি/দিনরা গত ৭মে থেকে ১৪মে পর্যন্ত অন্তত ১২টি সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন।
আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম আয-যাল্লাকা কর্তৃক প্রকাশিত একাধিক ফটো কার্ড রিপোর্ট অনুযায়ী, জেএন/আইএম মু*জাহি/দিনরা উক্ত ৭ দিনে মালির ৪টি রাজ্যে অন্তত ১০টি সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। অভিযানগুলো রাজধানীর নিকটতম দক্ষিণাঞ্চলের সেগু রাজ্যে ৫টি, মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্যে ৩টি এবং উত্তরাঞ্চলীয় টিম্বুকটো রাজ্যে ৪টি চালানো হয়েছে।
আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম আয-যাল্লাকা কর্তৃক প্রকাশিত একাধিক ফটো কার্ড রিপোর্ট অনুযায়ী, জেএন/আইএম মু*জাহি/দিনরা উক্ত ৭ দিনে মালির ৪টি রাজ্যে অন্তত ১০টি সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। অভিযানগুলো রাজধানীর নিকটতম দক্ষিণাঞ্চলের সেগু রাজ্যে ৫টি, মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্যে ৩টি এবং উত্তরাঞ্চলীয় টিম্বুকটো রাজ্যে ৪টি চালানো হয়েছে।
❤19
মু*জাহি/দদের বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানের সফল লক্ষ্যবস্তু ছিলো মালির জান্তা বাহিনী এবং তাদের দ্বারা সমর্থিত ডোজো মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্যরা, এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে রাশিয়ার ভাড়াটে আফ্রিকান কর্পসের সাথে যুক্ত সেনা সদস্যরাও ৪বার মু*জাহি/দদের ভারী আক্রমণের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে টিম্বুকটো রাজ্যের অবরুদ্ধ বের শহরের উপকণ্ঠে মু*জাহি/দদের পরিচালিত এক অভিযানেই অন্তত ৫ রাশিয়ান সৈন্য নিহত হয়েছে।
সূত্রমতে, মু*জাহি/দদের বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানে জান্তা ও রাশিয়ান বাহিনীর পাশাপাশি অসংখ্য ডোজো মিলিশিয়া সদস্যও নিহত হয়েছে। এছাড়াও মু*জাহি/দিনরা ২টি সদর দপ্তর এবং ২টি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। আর এসকল অভিযান শেষে মু*জাহি/দিনরা অসংখ্য সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
সূত্রমতে, মু*জাহি/দদের বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানে জান্তা ও রাশিয়ান বাহিনীর পাশাপাশি অসংখ্য ডোজো মিলিশিয়া সদস্যও নিহত হয়েছে। এছাড়াও মু*জাহি/দিনরা ২টি সদর দপ্তর এবং ২টি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। আর এসকল অভিযান শেষে মু*জাহি/দিনরা অসংখ্য সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
❤15
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সম্প্রতি পশু কোরবানি সংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। গরু বহনে নানা ধরনের হুমকি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। এরফলে গরু ক্রয় এড়িয়ে চলতে বাধ্য হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বাসিন্দাগণ।
গরু কেনাবেচা ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় মুসলিম ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি হিন্দু পশু ব্যবসায়ীরাও তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়েছে। পশু ব্যবসায়ীদের সারাবছরের জীবিকার অধিকাংশ নির্ভর করে কোরবানি ঈদে কেনাবেচার ওপর। তীব্র আর্থিক ক্ষতি ও ক্রমবর্ধমান ঋণের কবলে পড়ে অনেক হিন্দু ব্যবসায়ী তাদের মারাত্মক দুর্দশার কথা ব্যক্ত করেছে।
গরু কেনাবেচা ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় মুসলিম ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি হিন্দু পশু ব্যবসায়ীরাও তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়েছে। পশু ব্যবসায়ীদের সারাবছরের জীবিকার অধিকাংশ নির্ভর করে কোরবানি ঈদে কেনাবেচার ওপর। তীব্র আর্থিক ক্ষতি ও ক্রমবর্ধমান ঋণের কবলে পড়ে অনেক হিন্দু ব্যবসায়ী তাদের মারাত্মক দুর্দশার কথা ব্যক্ত করেছে।
🔥13❤3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পশ্চিমবঙ্গে হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়ায় একটি মসজিদে প্রবেশ মুখে গেরুয়া রঙে 'জয় শ্রীরাম' লিখে যায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি কর্মীরা। এছাড়া তারা গেরুয়া রঙ দিয়ে বিজেপি প্রতীক পদ্ম ফুলও অঙ্কন করেছে। ১৭মে ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে প্রবেশকালে এই দৃশ্যগুলো দেখতে পায় মুসলিম বাসিন্দাগণ।
🤬18😡3❤1
আল-কা/য়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা'আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএন/আইএম) মু*জাহি/দিনরা, সম্প্রতি বুরকিনা ফাসোতে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯টি পৃথক সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন।
আয-যাল্লাকা মিডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩মে থেকে ১৬মে পর্যন্ত, জেএন/আইএম মু*জাহি/দিনরা বুরকিনা ফাসোতে প্রায় এক ডজন সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানগুলোর ৫টি উয়াহিগুয়া রাজ্যে, ২টি কায়া রাজ্যে, ১টি ফাদানগোরম রাজ্যে এবং ১টি উদালা রাজ্যে চালানো হয়েছে। বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানের মাধ্যমে জেএন/আইএম মু*জাহি/দিনরা জান্তা বাহিনীকে হটিয়ে ৫টি এবং খারেজি গোষ্ঠী আই/এস সন্ত্রাসীদের হটিয়ে আরও ১টি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেন। সেই সাথে বিজিত এসকল ঘাঁটির আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা মু*জাহি/দিনরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হন।
সূত্রমতে, জেএন/আইএম মু*জাহি/দদের এসকল অভিযানে অসংখ্য জান্তা এবং খারেজি গোষ্ঠীর সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে। এছাড়াও মু*জাহি/দিনরা বহু সংখ্যক অস্ত্র, গোলাবারুদ, মোটরসাইকেল এবং সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
আয-যাল্লাকা মিডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩মে থেকে ১৬মে পর্যন্ত, জেএন/আইএম মু*জাহি/দিনরা বুরকিনা ফাসোতে প্রায় এক ডজন সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানগুলোর ৫টি উয়াহিগুয়া রাজ্যে, ২টি কায়া রাজ্যে, ১টি ফাদানগোরম রাজ্যে এবং ১টি উদালা রাজ্যে চালানো হয়েছে। বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানের মাধ্যমে জেএন/আইএম মু*জাহি/দিনরা জান্তা বাহিনীকে হটিয়ে ৫টি এবং খারেজি গোষ্ঠী আই/এস সন্ত্রাসীদের হটিয়ে আরও ১টি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেন। সেই সাথে বিজিত এসকল ঘাঁটির আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা মু*জাহি/দিনরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হন।
সূত্রমতে, জেএন/আইএম মু*জাহি/দদের এসকল অভিযানে অসংখ্য জান্তা এবং খারেজি গোষ্ঠীর সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে। এছাড়াও মু*জাহি/দিনরা বহু সংখ্যক অস্ত্র, গোলাবারুদ, মোটরসাইকেল এবং সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
❤26
স্কুল শেষে বাসায় ফেরার পথে প্রতিবেশীর লালসার শিকার হলেন সাত বছরের ছোট্ট নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তার। নিজ ফ্ল্যাটে ঢোকার আগেই পাশের ফ্ল্যাটের মাদকাসক্ত সোহেল রানা টেনে বাথরুমে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে তাকে। হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ করা হয় বলে ধারণা পুলিশের।
১৯ মে (মঙ্গলবার) সকালে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ঘটে নৃশংস এ হত্যার ঘটনা। অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩২) রিক্সা মেকানিক। শিশুটাকে হত্যা করে পালায় সোহেল। সন্ধ্যায় তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে পুলিশ। তবে এর আগেই তার স্ত্রী সম্পাকে বাসা থেকে আটক করা হয়।
সোহেল-সম্পা দম্পতির ঘরে মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে। সোহেল একটি রিকশার গ্যারেজে কাজ করে। প্রতিবেশী হওয়ায় রামিসা ও তার বাবা-মায়ের সঙ্গে সোহেলের পরিচয় ছিল।
১৯ মে (মঙ্গলবার) সকালে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ঘটে নৃশংস এ হত্যার ঘটনা। অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩২) রিক্সা মেকানিক। শিশুটাকে হত্যা করে পালায় সোহেল। সন্ধ্যায় তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে পুলিশ। তবে এর আগেই তার স্ত্রী সম্পাকে বাসা থেকে আটক করা হয়।
সোহেল-সম্পা দম্পতির ঘরে মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে। সোহেল একটি রিকশার গ্যারেজে কাজ করে। প্রতিবেশী হওয়ায় রামিসা ও তার বাবা-মায়ের সঙ্গে সোহেলের পরিচয় ছিল।
🤬11❤1😭1
রামিসা মিরপুর পল্লবীর পপুলার মডেল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার সকালে রামিসা বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বাইরে কোথাও খুঁজে না পেয়ে প্রতিবেশী সোহেলের বাসার বন্ধ দরজায় টোকা দেন। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। ডাকাডাকি করে ভেতর থেকে কারও সাড়া না পেয়ে ৯৯৯ এ বিষয়টি জানানো হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বন্ধ দরজা ভেঙে পুলিশ বাসায় ঢুকে সোহেলের ঘরে রক্ত দেখতে পায়। এর পর প্রথমে খাটের নিচ থেকে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়। শরীর বিববস্ত্র ছিল। খাটের নিচে এক কোণায় রঙয়ের খালি প্লাস্টিক বালতির মধ্যে কাটা মাথার সন্ধান মেলে।
সোহেলের স্ত্রী সম্পা রান্না ঘরে লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগেই সোহেল পালিয়ে যায়। অপর দুটি কক্ষে তালাবদ্ধ ছিল।
পল্লবী থানা পুলিশ ছাড়াও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ট্রাভেল এজেন্সির কর্মচারি আব্দুল হান্নান পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্লাটে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন। এর পাশের ফ্ল্যাটের তিনটি কক্ষে আলাদা তিন পরিবার বাস করে।
একটি ঘরে বাস করে সোহেল-সম্পা দম্পতি। ওই ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় শিশুটির মাথা শরীর বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। পুলিশের প্রাথমিকভাবে ধারণা, ধর্ষণের পর রামিসাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির যুগান্তরকে বলেন, শিশুটি স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিল। তাদের পাশের ফ্ল্যাটেই থাকত ঘাতক মাদকাসক্ত সোহেল। দুই ফ্ল্যাটের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা থেকে সোহেল শিশুটিকে টেনে রুমের মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়। পরে বাথরুমে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। আমাদের ধারণা ধর্ষণ করে মিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করেছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় সোহেলের বউ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। শিশুটির লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রথমে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ওই বাসার ভেতরে একটি বালতির মধ্যে মাথাটি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, প্রতিবেশী সোহেল শিশুটিকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেলের স্ত্রীকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পল্লবী থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পেছনের কারণ, ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি এবং অন্য কেউ জড়িত ছিল কিনা সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহভাজন সোহেলকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বন্ধ দরজা ভেঙে পুলিশ বাসায় ঢুকে সোহেলের ঘরে রক্ত দেখতে পায়। এর পর প্রথমে খাটের নিচ থেকে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়। শরীর বিববস্ত্র ছিল। খাটের নিচে এক কোণায় রঙয়ের খালি প্লাস্টিক বালতির মধ্যে কাটা মাথার সন্ধান মেলে।
সোহেলের স্ত্রী সম্পা রান্না ঘরে লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগেই সোহেল পালিয়ে যায়। অপর দুটি কক্ষে তালাবদ্ধ ছিল।
পল্লবী থানা পুলিশ ছাড়াও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ট্রাভেল এজেন্সির কর্মচারি আব্দুল হান্নান পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্লাটে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন। এর পাশের ফ্ল্যাটের তিনটি কক্ষে আলাদা তিন পরিবার বাস করে।
একটি ঘরে বাস করে সোহেল-সম্পা দম্পতি। ওই ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় শিশুটির মাথা শরীর বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। পুলিশের প্রাথমিকভাবে ধারণা, ধর্ষণের পর রামিসাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির যুগান্তরকে বলেন, শিশুটি স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিল। তাদের পাশের ফ্ল্যাটেই থাকত ঘাতক মাদকাসক্ত সোহেল। দুই ফ্ল্যাটের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা থেকে সোহেল শিশুটিকে টেনে রুমের মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়। পরে বাথরুমে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। আমাদের ধারণা ধর্ষণ করে মিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করেছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় সোহেলের বউ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। শিশুটির লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রথমে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ওই বাসার ভেতরে একটি বালতির মধ্যে মাথাটি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, প্রতিবেশী সোহেল শিশুটিকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেলের স্ত্রীকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পল্লবী থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পেছনের কারণ, ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি এবং অন্য কেউ জড়িত ছিল কিনা সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহভাজন সোহেলকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে
🤬10❤3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় ১৮ বছর বয়সী এক হিন্দু যুবক স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন। এই যুবক মূলত উত্তরপ্রদেশের বিজনর জেলার স্থানীয় বাসিন্দা।
কুপওয়ারা জেলার স্থানীয় একটি মসজিদে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে উক্ত যুবককে কালিমা শাহাদাত ঘোষণা দিতে দেখা যায়। পূর্ব হিন্দু নাম 'বিশাল' পরিবর্তন করে তিনি মুসলিম নাম 'হামজা' গ্রহণ করেছেন।
স্থানীয়গণ জানান, তার ইসলাম গ্রহণকালে বেশ কয়েকজন মুসলমান মসজিদ উপস্থিত ছিলেন। স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণে ব্যাপারে একটি লিখিত ঘোষণাও তিনি দিয়েছেন।
অপরদিকে এই যুবককে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তার হিন্দু পরিবার। ১৮ বছর বয়স হওয়া সত্ত্বেও এই যুবককে নাবালক বলে দাবি করেছে তার হিন্দু স্বজনেরা। ওয়াসিম নামের এক মুসলিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে যুবকটির পিতা কৃষ্ণ কুমার। হিন্দুদের দায়ের করা এফআইআর এর প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে কুপওয়ারা জেলার স্থানীয় পুলিশ।
কুপওয়ারা জেলার স্থানীয় একটি মসজিদে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে উক্ত যুবককে কালিমা শাহাদাত ঘোষণা দিতে দেখা যায়। পূর্ব হিন্দু নাম 'বিশাল' পরিবর্তন করে তিনি মুসলিম নাম 'হামজা' গ্রহণ করেছেন।
স্থানীয়গণ জানান, তার ইসলাম গ্রহণকালে বেশ কয়েকজন মুসলমান মসজিদ উপস্থিত ছিলেন। স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণে ব্যাপারে একটি লিখিত ঘোষণাও তিনি দিয়েছেন।
অপরদিকে এই যুবককে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তার হিন্দু পরিবার। ১৮ বছর বয়স হওয়া সত্ত্বেও এই যুবককে নাবালক বলে দাবি করেছে তার হিন্দু স্বজনেরা। ওয়াসিম নামের এক মুসলিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে যুবকটির পিতা কৃষ্ণ কুমার। হিন্দুদের দায়ের করা এফআইআর এর প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে কুপওয়ারা জেলার স্থানীয় পুলিশ।
❤21🔥1
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতার পথে আরেকটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে লোগার প্রদেশের মোহাম্মদ আগা জেলার শিল্প পার্কে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি ব্যয়ে একটি আধুনিক লৌহ গলন (আয়রন স্মেল্টিং) কারখানার নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, বেসরকারি খাতের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই বৃহৎ শিল্প প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে দেশের শিল্পখাতে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং হাজার হাজার মানুষের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এই বিশাল শিল্প কমপ্লেক্সটি ৬০ হাজার বর্গমিটারেরও বেশি জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের বিনিয়োগকারী মাহবুবুল্লাহ গারদিজি জানান, কমপ্লেক্সটির প্রতিটি অংশ ভিন্ন ভিন্ন উৎপাদন কার্যক্রমের জন্য পরিকল্পিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের ভারী শিল্প খাতকে শক্তিশালী ভিত্তি দেবে।
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, বেসরকারি খাতের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই বৃহৎ শিল্প প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে দেশের শিল্পখাতে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং হাজার হাজার মানুষের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এই বিশাল শিল্প কমপ্লেক্সটি ৬০ হাজার বর্গমিটারেরও বেশি জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের বিনিয়োগকারী মাহবুবুল্লাহ গারদিজি জানান, কমপ্লেক্সটির প্রতিটি অংশ ভিন্ন ভিন্ন উৎপাদন কার্যক্রমের জন্য পরিকল্পিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের ভারী শিল্প খাতকে শক্তিশালী ভিত্তি দেবে।
❤13🔥1
লোগারের উপ-গভর্নর এনামুল্লাহ সালাহউদ্দিন বলেন, “আমাদের আশা, কারখানাটি দ্রুত চালু হবে এবং এর মাধ্যমে বহু মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আহমাদুল্লাহ জাহিদ বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে এবং বর্তমানে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অনুকূল।
তিনি বিদেশে অবস্থানরত আফগান ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, “৪৫ বছরের যুদ্ধের পর এখন দেশ পুনর্গঠন ও যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাই সবাইকে নিজ দেশে ফিরে এসে বিনিয়োগে অংশ নেওয়া উচিত।”
লোগার শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান বশির আহমদ সিদ্দিকী জানান, শিল্প পার্কে মোট প্রায় ৫০০ জেরিব জমি রয়েছে, যার মধ্যে ২৫০ জেরিব ইতোমধ্যে ৮৪টি কোম্পানির জন্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি কোম্পানির নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শিল্পপার্ক সম্প্রসারণের জন্য আরও ১,০০০ জেরিব জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই তা নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনে দেশের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতির কারণে আফগানিস্তানে শিল্প খাতের বিকাশ দ্রুততর হচ্ছে। লোগারের এই বৃহৎ লৌহ গলন কারখানা সেই অগ্রযাত্রার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, ইনশাআল্লাহ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আহমাদুল্লাহ জাহিদ বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে এবং বর্তমানে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি অনুকূল।
তিনি বিদেশে অবস্থানরত আফগান ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, “৪৫ বছরের যুদ্ধের পর এখন দেশ পুনর্গঠন ও যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাই সবাইকে নিজ দেশে ফিরে এসে বিনিয়োগে অংশ নেওয়া উচিত।”
লোগার শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান বশির আহমদ সিদ্দিকী জানান, শিল্প পার্কে মোট প্রায় ৫০০ জেরিব জমি রয়েছে, যার মধ্যে ২৫০ জেরিব ইতোমধ্যে ৮৪টি কোম্পানির জন্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি কোম্পানির নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শিল্পপার্ক সম্প্রসারণের জন্য আরও ১,০০০ জেরিব জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই তা নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনে দেশের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতির কারণে আফগানিস্তানে শিল্প খাতের বিকাশ দ্রুততর হচ্ছে। লোগারের এই বৃহৎ লৌহ গলন কারখানা সেই অগ্রযাত্রার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, ইনশাআল্লাহ।
❤9🔥1
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি তীব্র অনাস্থা প্রকাশ করেছেন তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তিনি বলেন, ‘আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোনো রেকর্ড নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়েও আর ফিরে আসবে না। এটা বড়জোর ১৫ দিন চলবে, আবার অন্য কোনো ঘটনা ঘটবে। এরপর এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে।’
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাশের বাসার প্রতিবেশী সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে রামিসাদের উল্টো পাশের ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়েও আর ফিরে আসবে না। এটা বড়জোর ১৫ দিন চলবে, আবার অন্য কোনো ঘটনা ঘটবে। এরপর এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে।’
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাশের বাসার প্রতিবেশী সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে রামিসাদের উল্টো পাশের ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠে।
❤1
জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে তার মা ওই ফ্ল্যাটের সামনে মেয়ের স্যান্ডেল দেখতে পান। দরজায় বারবার নক করার সময় ভেতরে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূল আসামি সোহেল রানাকে পালানোর সুযোগ করে দিতে তার স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ রাখেন বলেও জানায় পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত গোপন ও লাশ গুমের উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত গোপন ও লাশ গুমের উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
🤬7😢4
দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ার ফলে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানে একের পর এক বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আধুনিক নগরায়ণ, উন্নত আবাসন ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বালখ প্রদেশে ‘লাপিস লাজুলি আবাসন নগরী’ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের উদ্বোধনকালে উপ-প্রধানমন্ত্রী (অর্থনৈতিক বিষয়ক) মোল্লা আবদুল গনি বরাদার হাফিযাহুল্লাহ বলেন, আফগানিস্তানের জনগণেরও পূর্ণ অধিকার রয়েছে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো মানসম্মত শহর, আধুনিক অবকাঠামো এবং উন্নত আবাসিক কমপ্লেক্সে বসবাস করার। তিনি বলেন, লাপিস লাজুলি প্রকল্প কেবল কয়েকটি ভবনের সমষ্টি নয়; বরং এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিকল্পিত নগরায়ণ, জাতীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি মূল্যবান উত্তরাধিকারের প্রতীক।
এই প্রকল্পের উদ্বোধনকালে উপ-প্রধানমন্ত্রী (অর্থনৈতিক বিষয়ক) মোল্লা আবদুল গনি বরাদার হাফিযাহুল্লাহ বলেন, আফগানিস্তানের জনগণেরও পূর্ণ অধিকার রয়েছে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো মানসম্মত শহর, আধুনিক অবকাঠামো এবং উন্নত আবাসিক কমপ্লেক্সে বসবাস করার। তিনি বলেন, লাপিস লাজুলি প্রকল্প কেবল কয়েকটি ভবনের সমষ্টি নয়; বরং এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিকল্পিত নগরায়ণ, জাতীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি মূল্যবান উত্তরাধিকারের প্রতীক।
❤2
এই প্রকল্পের আওতায় আধুনিক নকশা ও উন্নত সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন প্রায় ১,৪৪৮টি আবাসিক ইউনিট নির্মাণ করা হবে। এতে বসবাসকারীরা নিরাপদ, আরামদায়ক এবং মানসম্মত জীবনযাপনের সুযোগ পাবেন।
মোল্লা বরাদার বলেন, দেশব্যাপী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ফলে বর্তমানে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলেই অবকাঠামো, শিল্প, কৃষি, জ্বালানি ও নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে একের পর এক বৃহৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, লাপিস লাজুলি আবাসন নগরীর মতো প্রকল্প বলখকে দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করবে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
অর্থনৈতিক উপ-প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া শুধু কুশতেপা খাল, সড়ক নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প কারখানা স্থাপনেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সারা দেশে মাস্টারপ্ল্যানভিত্তিক নগর উন্নয়ন কার্যক্রমও সমান গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছে।
তিনি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের আফগানিস্তানের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, লাপিস লাজুলি আবাসন নগরী প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বলখে পরিকল্পিত নগরায়ণের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, হাজারো মানুষের জন্য আবাসনের সুযোগ তৈরি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এই প্রকল্পের উদ্বোধনকে দেশের সমৃদ্ধি, আধুনিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে মোল্লা বরাদার হাফিযাহুল্লাহ আশা প্রকাশ করেন যে, এটি আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে এবং জনগণের স্বপ্নের আধুনিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে, ইনশাআল্লাহ।
মোল্লা বরাদার বলেন, দেশব্যাপী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ফলে বর্তমানে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলেই অবকাঠামো, শিল্প, কৃষি, জ্বালানি ও নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে একের পর এক বৃহৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, লাপিস লাজুলি আবাসন নগরীর মতো প্রকল্প বলখকে দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করবে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
অর্থনৈতিক উপ-প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া শুধু কুশতেপা খাল, সড়ক নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প কারখানা স্থাপনেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সারা দেশে মাস্টারপ্ল্যানভিত্তিক নগর উন্নয়ন কার্যক্রমও সমান গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছে।
তিনি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের আফগানিস্তানের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, লাপিস লাজুলি আবাসন নগরী প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বলখে পরিকল্পিত নগরায়ণের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে, হাজারো মানুষের জন্য আবাসনের সুযোগ তৈরি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এই প্রকল্পের উদ্বোধনকে দেশের সমৃদ্ধি, আধুনিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে মোল্লা বরাদার হাফিযাহুল্লাহ আশা প্রকাশ করেন যে, এটি আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে এবং জনগণের স্বপ্নের আধুনিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে, ইনশাআল্লাহ।
❤7
পাকিস্তান ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী ইত্তেহাদুল মু*জাহি/দিন পাকিস্তান (আইএমপি), সম্প্রতি দলটি পাকিস্তান জুড়ে তাদের পরিচালিত অভিযানের একটি ইনফোগ্রাফি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১০ দিনে দলটির মু*জাহি/দদের পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের অভিযানে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর অন্তত ৮৫ সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।
আইএমপির অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে গত ১৯শে মে, ইনফোগ্রাফি আকারে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে গত ৯মে থেকে ১৮মে পর্যন্ত, পাকিস্তান জুড়ে দলটির মু*জাহি/দদের পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানের একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়েছে।
আইএমপির অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে গত ১৯শে মে, ইনফোগ্রাফি আকারে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে গত ৯মে থেকে ১৮মে পর্যন্ত, পাকিস্তান জুড়ে দলটির মু*জাহি/দদের পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানের একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়েছে।
❤6
পাকিস্তানের উত্তর ও দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান, বান্নু, খাইবার এজেন্সি এবং ওয়ারাকজাই এজেন্সির পাশাপাশি হাঙ্গু জেলায় উক্ত ১০ দিনে মু*জাহি/দিনরা কয়েক ডজন সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মু*জাহি/দদের এসকল অভিযানের কয়েকটিতেই অন্তত ৮৫ সন্ত্রাসী সেনা সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে, যার মধ্যে ৬০ সন্ত্রাসী নিহত এবং ২৫ সন্ত্রাসী গুরুতর আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। মু*জাহি/দদের অন্যান্য অভিযানগুলোতেও আরও বহু সংখ্যক সন্ত্রাসী সেনা, এফসি ও পুলিশ সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।
প্রতিবেদনে অনুযায়ী, বান্নুর ফতেহ খেইল এলাকায় মু*জাহি/দদের বীরত্বপূর্ণ একটি অভিযানেই অন্তত ২৯ সেনা ও পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। এসময় মু*জাহি/দদের আক্রমণে সন্ত্রাসী বাহিনীর ১টি সাঁজোয়া যান, ৬টি সরবরাহকারী গাড়ি এবং একটি নিরাপত্তা ক্যামেরা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। একই এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনীর একটি নিরাপত্তা চৌকিরও নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন মু*জাহি/দিনরা। এসময় উক্ত চৌকি থেকে মু*জাহি/দিনরা ৬টি ক্লাশিনকোভ রাইফেল, ১টি পিকা, ৩টি রকেট লঞ্চার, ১টি স্নাইপার, ১টি পিস্তল, ২টি দুশকা অস্ত্র, ১১টি হ্যান্ডগান এবং ১১টি গ্রেনেড লঞ্চার গনিমত হিসাবে জব্দ করেছেন। এছাড়াও ৩০টি ম্যাগাজিন এবং ১৫০০এরও বেশি পিকা ও কালাশনিকভের গুলি গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
প্রতিবেদনে অনুযায়ী, বান্নুর ফতেহ খেইল এলাকায় মু*জাহি/দদের বীরত্বপূর্ণ একটি অভিযানেই অন্তত ২৯ সেনা ও পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। এসময় মু*জাহি/দদের আক্রমণে সন্ত্রাসী বাহিনীর ১টি সাঁজোয়া যান, ৬টি সরবরাহকারী গাড়ি এবং একটি নিরাপত্তা ক্যামেরা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। একই এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনীর একটি নিরাপত্তা চৌকিরও নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন মু*জাহি/দিনরা। এসময় উক্ত চৌকি থেকে মু*জাহি/দিনরা ৬টি ক্লাশিনকোভ রাইফেল, ১টি পিকা, ৩টি রকেট লঞ্চার, ১টি স্নাইপার, ১টি পিস্তল, ২টি দুশকা অস্ত্র, ১১টি হ্যান্ডগান এবং ১১টি গ্রেনেড লঞ্চার গনিমত হিসাবে জব্দ করেছেন। এছাড়াও ৩০টি ম্যাগাজিন এবং ১৫০০এরও বেশি পিকা ও কালাশনিকভের গুলি গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
❤9
দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বর্বর ইসরায়েলি বিমান ও ড্রোন হামলায় ১৯ মে, মঙ্গলবার নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ জনের বেশি মানুষ। লেবাননের চিকিৎসা ও স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রমতে, দক্ষিণ লেবাননের টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালানো হয়। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থানীয় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং সেখানে চারজন নিহত হয়েছেন। নাবাতিয়েহ ও বিনত জবেইল জেলাতেও ড্রোন হামলায় আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রমতে, দক্ষিণ লেবাননের টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালানো হয়। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থানীয় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং সেখানে চারজন নিহত হয়েছেন। নাবাতিয়েহ ও বিনত জবেইল জেলাতেও ড্রোন হামলায় আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
😢6
মঙ্গলবার দিনভর সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বিমানবাহিনী কফাররিমান, কাফরা, আল-শাহাবিয়া এবং মারাকাসহ দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালায়।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে দেশটিতে এ পর্যন্ত নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২ জনে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৩০১ জন মানুষ।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে দেশটিতে এ পর্যন্ত নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২ জনে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৩০১ জন মানুষ।
😢7
সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাত ও আমু দরিয়ার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাদাখশান প্রদেশের কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় দুর্গত মানুষের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিমান বাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৫০ জন আটকে পড়া বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, বাদাখশানের শহর-ই বুজুর্গ জেলায় পানি বৃদ্ধির কারণে কয়েকটি এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং অনেক পরিবারের জরুরি সহায়তার প্রয়োজন হয়। এ সময় ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
ইমারাতে ইসলামিয়ার বিমান বাহিনীর তৃতীয় কোরের মুখপাত্র নূরুল্লাহ নাজারি হাফিযাহুল্লাহ জানান, মন্ত্রণালয়ের হেলিকপ্টার ছয়টি পৃথক ফ্লাইট পরিচালনা করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে ৫০ জনকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করেছে।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, বাদাখশানের শহর-ই বুজুর্গ জেলায় পানি বৃদ্ধির কারণে কয়েকটি এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং অনেক পরিবারের জরুরি সহায়তার প্রয়োজন হয়। এ সময় ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
ইমারাতে ইসলামিয়ার বিমান বাহিনীর তৃতীয় কোরের মুখপাত্র নূরুল্লাহ নাজারি হাফিযাহুল্লাহ জানান, মন্ত্রণালয়ের হেলিকপ্টার ছয়টি পৃথক ফ্লাইট পরিচালনা করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে ৫০ জনকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করেছে।
🔥9❤1
কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্যা ও পানির উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে যেসব পরিবার কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছিল, তাদের দ্রুত সহায়তা ও জীবনরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান পরিচালিত হয়।
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সম্ভাব্য নতুন বন্যা ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন হলে আরও উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এ ধরনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার প্রতিফলন ঘটায়।
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সম্ভাব্য নতুন বন্যা ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন হলে আরও উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এ ধরনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার প্রতিফলন ঘটায়।
❤12