From Fields to Famine: Bangladesh’s Growing Food Crisis
https://youtube.com/shorts/JoBj1VBQ71A?si=lSl2vxlZ8zzZuyMD
https://youtube.com/shorts/JoBj1VBQ71A?si=lSl2vxlZ8zzZuyMD
YouTube
From Fields to Famine: Bangladesh’s Growing Food Crisis
From Fields to Famine: Bangladesh’s Growing Food CrisisFertilizer factories shutting down.Irrigation pumps running dry.Farmers can’t get fertiliser.Fuel shor...
❤17😁11
তথ্য সংগ্রহ | নির্দেশনা ১/২০২৬
আপনার এলাকায় -
➡️ জ্বালানী তেলের সমস্যা - পাম্পে দীর্ঘ লাইন
➡️ বিদ্যুতের লোডশেডিং
➡️ সারের জন্য হাহাকার
এই পরিস্থিতির সচিত্র প্রতিবেদন, আর্টিকেল - নিউজ এবং ছবি পাঠান
+1 (917) 569-9327 হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অথবা info@albd.org ইমেইলে।
[যারা নাম প্রকাশ করতে চান, তাদেরটা করা হবে - যারা গোপন রাখতে চান, তাদেরটা গোপন রাখা হবে]
#Bangladesh #BangladeshCrisis
আপনার এলাকায় -
➡️ জ্বালানী তেলের সমস্যা - পাম্পে দীর্ঘ লাইন
➡️ বিদ্যুতের লোডশেডিং
➡️ সারের জন্য হাহাকার
এই পরিস্থিতির সচিত্র প্রতিবেদন, আর্টিকেল - নিউজ এবং ছবি পাঠান
+1 (917) 569-9327 হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অথবা info@albd.org ইমেইলে।
[যারা নাম প্রকাশ করতে চান, তাদেরটা করা হবে - যারা গোপন রাখতে চান, তাদেরটা গোপন রাখা হবে]
#Bangladesh #BangladeshCrisis
❤42😁19👍3🔥2🥰1
বিএনপির ব্যর্থতায় তেল সংকট, তেলের দাবিতে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন ফরিদপুরের কৃষকেরা
https://youtube.com/shorts/eWA5z6677kg?si=qqM5ZlAJh_F805hH
https://youtube.com/shorts/eWA5z6677kg?si=qqM5ZlAJh_F805hH
YouTube
বিএনপির ব্যর্থতায় তেল সংকট, তেলের দাবিতে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন ফরিদপুরের কৃষকেরা
❤30😁14👍4🔥2🤔1
ঋণের ফাঁদে বাংলাদেশের পঞ্চাশ বছর : গরিবের বন্ধুর ফুটানি আসলে কার টাকায় চলে?
পঞ্চাশ বছর পরে ফিরে এসে নিজের তৈরি ব্যাংকে নিজের সংবর্ধনা নেওয়াটা একটা বিশেষ রকম সাহসের কাজ। বিশেষত যখন ওই পঞ্চাশ বছরের হিসাবটা ঠিকঠাক মেলানো যাচ্ছে না।
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেল নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়া এবং নোবেল কমিটি যে রূপকথাটা তৈরি করেছে, সেটার ভেতরে একটু ঢুকলেই দেখা যায় ফাঁকগুলো কোথায়। ব্যাংকটির ফ্ল্যাট রেট হিসাবে সুদ দেখানো হয় ২০ শতাংশের আশপাশে, কিন্তু ডিক্লাইনিং ব্যালেন্স পদ্ধতিতে হিসাব করলে কার্যকর সুদের হার দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশে। যে মানুষটা সুদখোর মহাজনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর গল্প বলে নোবেল নিলেন, তাঁর ব্যাংকই আরেক ধরনের সুদের ফাঁদ তৈরি করেছে কিনা, এই প্রশ্নটা কিন্তু অনেক আগে থেকেই উঠছে। নরওয়ের গবেষক টমাস পরেলো এবং মিলফোর্ড ব্যাটম্যানের মতো অর্থনীতিবিদরা দীর্ঘদিন ধরে দেখিয়ে আসছেন যে ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য কমানোর বদলে অনেক ক্ষেত্রে ঋণনির্ভর একটা অর্থনীতি তৈরি করে, যেখান থেকে বের হওয়াটা ঋণগ্রহীতার পক্ষে আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
২০১০ সালে নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এনআরকে একটা তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখানো হয় যে নরওয়ে সরকারের দেওয়া প্রায় ১০ কোটি ডলার অনুদান গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অন্য একটি সংস্থায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, অনুদানদাতার সম্মতি ছাড়াই। এটা নিয়ে নরওয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে। ইউনূস পরে অর্থ ফেরত দেন এবং বলেন ট্যাক্স এড়াতে এটা করা হয়েছিল। ট্যাক্স এড়ানোর জন্য একটা দাতব্য সংস্থার অনুদানের অর্থ সরিয়ে নেওয়া, এটাকে কোন ভাষায় বলা উচিত সেটা পাঠকের বিবেচনায় রইল।
২০১১ সালে তাঁকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরানোর পর তিনি হাইকোর্ট, আপিল বিভাগ পর্যন্ত গেছেন। সর্বোচ্চ আদালত তাঁর বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। বয়সসীমার নিয়ম মেনে চলা একটা অবিশ্বাস্য দাবি হয়ে উঠেছিল তাঁর কাছে, অথচ ওই নিয়ম তাঁর আমলেই তৈরি। এরপর তেরো বছর তিনি ব্যাংকের দিকে ফিরে তাকাননি। এখন সেখানে ফুলের মালা নিয়ে হাজির হওয়াটা আবেগের দৃশ্য হিসেবে ভালোই লাগে, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতার দিক থেকে দেখলে এটা স্পষ্টতই একটা পারফরম্যান্স।
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিকদের লভ্যাংশ ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়ে। এটাকে তাঁর সমর্থকরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে উড়িয়ে দেন, কিন্তু যে শ্রমিকদের পাওনা মেটানো হয়নি, তাদের কথা এই আখ্যানে কোথাও নেই।
২০২৪ সালের আগস্টে অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি যখন দায়িত্ব নিলেন, তখন তাঁর বয়স ৮৪। দেশের অর্থনীতি তখন চাপে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির। তাঁর সরকারের প্রায় দেড় বছরে নির্বাচনের কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ আসেনি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, বিনিয়োগ পরিবেশ আরও খারাপ হয়েছে। অথচ এই পুরো সময়ে দেশে-বিদেশে তাঁর ভাবমূর্তি রক্ষার কাজটা চলেছে পুরোদমে। দাভোসে গেছেন, বিদেশে বক্তৃতা দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। দেশের ভেতরে কী হচ্ছে সেটার চেয়ে বাইরে কেমন দেখাচ্ছে সেটা তাঁর কাছে সবসময়ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মনে হয়।
একজন মানুষ নোবেল পাওয়ার পরে অপ্রতিরোধ্য হয়ে যান না। প্রশ্নের বাইরে চলে যান না। পঞ্চাশ বছরের উদযাপনের এই মুহূর্তে আসল প্রশ্নটা হলো, গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষ লক্ষ নারী ঋণগ্রহীতা কি আসলেই স্বাবলম্বী হয়েছেন, নাকি একটা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণচক্রের নির্ভরযোগ্য গ্রাহক হয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেয়ে ফটোসেশন করা অনেক সহজ, সেটা অবশ্য সত্যি।
#Bangladesh
পঞ্চাশ বছর পরে ফিরে এসে নিজের তৈরি ব্যাংকে নিজের সংবর্ধনা নেওয়াটা একটা বিশেষ রকম সাহসের কাজ। বিশেষত যখন ওই পঞ্চাশ বছরের হিসাবটা ঠিকঠাক মেলানো যাচ্ছে না।
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেল নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়া এবং নোবেল কমিটি যে রূপকথাটা তৈরি করেছে, সেটার ভেতরে একটু ঢুকলেই দেখা যায় ফাঁকগুলো কোথায়। ব্যাংকটির ফ্ল্যাট রেট হিসাবে সুদ দেখানো হয় ২০ শতাংশের আশপাশে, কিন্তু ডিক্লাইনিং ব্যালেন্স পদ্ধতিতে হিসাব করলে কার্যকর সুদের হার দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশে। যে মানুষটা সুদখোর মহাজনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর গল্প বলে নোবেল নিলেন, তাঁর ব্যাংকই আরেক ধরনের সুদের ফাঁদ তৈরি করেছে কিনা, এই প্রশ্নটা কিন্তু অনেক আগে থেকেই উঠছে। নরওয়ের গবেষক টমাস পরেলো এবং মিলফোর্ড ব্যাটম্যানের মতো অর্থনীতিবিদরা দীর্ঘদিন ধরে দেখিয়ে আসছেন যে ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য কমানোর বদলে অনেক ক্ষেত্রে ঋণনির্ভর একটা অর্থনীতি তৈরি করে, যেখান থেকে বের হওয়াটা ঋণগ্রহীতার পক্ষে আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
২০১০ সালে নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এনআরকে একটা তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখানো হয় যে নরওয়ে সরকারের দেওয়া প্রায় ১০ কোটি ডলার অনুদান গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অন্য একটি সংস্থায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, অনুদানদাতার সম্মতি ছাড়াই। এটা নিয়ে নরওয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে। ইউনূস পরে অর্থ ফেরত দেন এবং বলেন ট্যাক্স এড়াতে এটা করা হয়েছিল। ট্যাক্স এড়ানোর জন্য একটা দাতব্য সংস্থার অনুদানের অর্থ সরিয়ে নেওয়া, এটাকে কোন ভাষায় বলা উচিত সেটা পাঠকের বিবেচনায় রইল।
২০১১ সালে তাঁকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরানোর পর তিনি হাইকোর্ট, আপিল বিভাগ পর্যন্ত গেছেন। সর্বোচ্চ আদালত তাঁর বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। বয়সসীমার নিয়ম মেনে চলা একটা অবিশ্বাস্য দাবি হয়ে উঠেছিল তাঁর কাছে, অথচ ওই নিয়ম তাঁর আমলেই তৈরি। এরপর তেরো বছর তিনি ব্যাংকের দিকে ফিরে তাকাননি। এখন সেখানে ফুলের মালা নিয়ে হাজির হওয়াটা আবেগের দৃশ্য হিসেবে ভালোই লাগে, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতার দিক থেকে দেখলে এটা স্পষ্টতই একটা পারফরম্যান্স।
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিকদের লভ্যাংশ ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়ে। এটাকে তাঁর সমর্থকরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে উড়িয়ে দেন, কিন্তু যে শ্রমিকদের পাওনা মেটানো হয়নি, তাদের কথা এই আখ্যানে কোথাও নেই।
২০২৪ সালের আগস্টে অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি যখন দায়িত্ব নিলেন, তখন তাঁর বয়স ৮৪। দেশের অর্থনীতি তখন চাপে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির। তাঁর সরকারের প্রায় দেড় বছরে নির্বাচনের কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ আসেনি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, বিনিয়োগ পরিবেশ আরও খারাপ হয়েছে। অথচ এই পুরো সময়ে দেশে-বিদেশে তাঁর ভাবমূর্তি রক্ষার কাজটা চলেছে পুরোদমে। দাভোসে গেছেন, বিদেশে বক্তৃতা দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। দেশের ভেতরে কী হচ্ছে সেটার চেয়ে বাইরে কেমন দেখাচ্ছে সেটা তাঁর কাছে সবসময়ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মনে হয়।
একজন মানুষ নোবেল পাওয়ার পরে অপ্রতিরোধ্য হয়ে যান না। প্রশ্নের বাইরে চলে যান না। পঞ্চাশ বছরের উদযাপনের এই মুহূর্তে আসল প্রশ্নটা হলো, গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষ লক্ষ নারী ঋণগ্রহীতা কি আসলেই স্বাবলম্বী হয়েছেন, নাকি একটা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণচক্রের নির্ভরযোগ্য গ্রাহক হয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেয়ে ফটোসেশন করা অনেক সহজ, সেটা অবশ্য সত্যি।
#Bangladesh
❤20😁7👍4🥰1
৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত
👉 ভুয়া মামলায় গ্রেফতার - মামলার ছোট বিবরণ
👉 জামিন হওয়ার পরও ভুয়া মামলায় শোওন এরেস্ট - পরবর্তীতে মামলার ছোট বিবরণ
👉 ডিবি, র্যাব ও থানা পুলিশের মামলার ভয় দেখিয়ে বাড়িঘরে হামলা ও ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
এসব ঘটনার তথ্য পাঠান info@albd.org ইমেইলে অথবা +1 (917) 569-9327 WhatsApp নম্বরে
#Bangladesh #FreesomOfSpeech #Politics #BDPolitics #Police
👉 ভুয়া মামলায় গ্রেফতার - মামলার ছোট বিবরণ
👉 জামিন হওয়ার পরও ভুয়া মামলায় শোওন এরেস্ট - পরবর্তীতে মামলার ছোট বিবরণ
👉 ডিবি, র্যাব ও থানা পুলিশের মামলার ভয় দেখিয়ে বাড়িঘরে হামলা ও ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
এসব ঘটনার তথ্য পাঠান info@albd.org ইমেইলে অথবা +1 (917) 569-9327 WhatsApp নম্বরে
#Bangladesh #FreesomOfSpeech #Politics #BDPolitics #Police
❤26😁9🔥7👍2🤬2😢2🥰1
Bloodshed in the name of politics — how many more lives must be lost?
https://youtube.com/shorts/SFKLtCiEgDk?si=zCGO4PvxhWaHVH7Q
https://youtube.com/shorts/SFKLtCiEgDk?si=zCGO4PvxhWaHVH7Q
YouTube
Bangladesh Awami League Official
30 likes, 1 comment. "Bloodshed in the name of politics — how many more lives must be lost?"
😢23❤8😁6🔥1🤬1
মানবিক চিকিৎসক প্রফেসর কামরুল ইসলামের কাছে চাঁ'দা দাবি করা চাঁ'দাবাজ মঈন নাকি যুবদল করে না !
তাহলে এই ছবিগুলো কিসের প্রমাণ ?
#Bangladesh
তাহলে এই ছবিগুলো কিসের প্রমাণ ?
#Bangladesh
❤22👍13😁12🤬5
The BNP government is failing Bangladesh, spectacularly and dangerously.
In just the first ten days of April 2026, Bangladesh has witnessed a horrifying cascade of human rights violations under the fledgling BNP government. Murders, gang rapes, mob attacks, temple desecrations, arbitrary arrests, and a measles outbreak claiming over 100 children’s lives have laid bare the party’s catastrophic failure to provide even basic security or governance.
This is not governance; it is anarchy with an election mandate. The BNP, which promised stability after the 2024 upheaval, has instead presided over chaos that would shame any functioning state.
The world must take notice: a government that cannot protect its citizens from thugs, rapists, or preventable disease has no legitimacy to rule.
https://www.bdperspectives.com/3116/10-days-of-terror-why-bangladesh-is-spiraling-under-bnps-incompetence/
In just the first ten days of April 2026, Bangladesh has witnessed a horrifying cascade of human rights violations under the fledgling BNP government. Murders, gang rapes, mob attacks, temple desecrations, arbitrary arrests, and a measles outbreak claiming over 100 children’s lives have laid bare the party’s catastrophic failure to provide even basic security or governance.
This is not governance; it is anarchy with an election mandate. The BNP, which promised stability after the 2024 upheaval, has instead presided over chaos that would shame any functioning state.
The world must take notice: a government that cannot protect its citizens from thugs, rapists, or preventable disease has no legitimacy to rule.
https://www.bdperspectives.com/3116/10-days-of-terror-why-bangladesh-is-spiraling-under-bnps-incompetence/
Bangladesh Perspectives
10 Days of Terror – Why Bangladesh is Spiraling Under BNP’s Incompetence - Bangladesh Perspectives
The BNP government is failing Bangladesh, spectacularly and dangerously. In just the first ten days of April 2026, Bangladesh has witnessed a horrifying cascade of human rights violations under the fledgling BNP government. Murders, gang rapes, mob attacks…
❤15😁8👍3
Leaflet_April_2026.pdf
1.4 MB
আজ গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কার্যত নির্বাসিত। নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন, এবং মব সন্ত্রাস সবকিছুই একটি দমনমূলক শাসনব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি বহন করছে। একইসাথে, মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী বাঙালি জাতির রক্তে লেখা সংবিধান, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে ন্যায়, সত্য ও গণতন্ত্রের পক্ষে নিম্নোক্ত দাবিসমূহ আদায়ে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলি
[ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা নীচের লিফলেট টি ডাউনলোড করবেন এবং প্রিন্ট করে জনগণের মধ্যে বিতরণ করবেন, একই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করবেন ]
আসুন, আমরা সবাই মিলে ন্যায়, সত্য ও গণতন্ত্রের পক্ষে নিম্নোক্ত দাবিসমূহ আদায়ে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলি
[ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা নীচের লিফলেট টি ডাউনলোড করবেন এবং প্রিন্ট করে জনগণের মধ্যে বিতরণ করবেন, একই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করবেন ]
❤40😁7👍4🔥1
ডিবি, এসবি, র্যাব আর পুলিশ সদস্যরা যারা অন্যায়ভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক ও নেতা কর্মীদের
- শোওন এরেস্ট
- বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর
- মিথ্যা মামলায় নাম দিয়ে চাঁদাবাজি
- মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার
এসব ঘটনার সাথে জড়িত, তাদের নাম, ছবি, পরিচিতি বা ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিও পাঠান
info@albd.org ইমেইলে অথবা +1 (917) 569-9327 WhatsApp নম্বরে
#Bangladesh #HumanRights
- শোওন এরেস্ট
- বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর
- মিথ্যা মামলায় নাম দিয়ে চাঁদাবাজি
- মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার
এসব ঘটনার সাথে জড়িত, তাদের নাম, ছবি, পরিচিতি বা ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিও পাঠান
info@albd.org ইমেইলে অথবা +1 (917) 569-9327 WhatsApp নম্বরে
#Bangladesh #HumanRights
❤54😁15👍4
খাম্বা আর বিএনপি একই সূত্রে গাঁথা!
কেউ অস্বীকার করলে গ্রামে যেয়ে ঘুরে আসতে পারেন...
#Bangladesh #BangladeshCrisis
কেউ অস্বীকার করলে গ্রামে যেয়ে ঘুরে আসতে পারেন...
#Bangladesh #BangladeshCrisis
😁74👍35❤9😱2🔥1