Attack on Humanitarian Physician Professor Dr. Kamrul Islam by BNP Leader
- Has the Country Become a Safe Haven for Thugs?
https://x.com/albd1971/status/2043060399533363268
- Has the Country Become a Safe Haven for Thugs?
https://x.com/albd1971/status/2043060399533363268
X (formerly Twitter)
Bangladesh Awami League (@albd1971) on X
Attack on Humanitarian Physician Professor Dr. Kamrul Islam by BNP Leader
😁16😢15🔥1
“Measles: Our Children in a March of Death”
Twitter https://x.com/albd1971/status/2042260591902130235
Twitter https://x.com/albd1971/status/2042260591902130235
X (formerly Twitter)
Bangladesh Awami League (@albd1971) on X
We thought measles was behind us. It isn’t.
Day by day, we are losing more children, not to the unknown, but to something preventable. And still, there’s silence where there should be urgency.
Is this just tragedy… or something far more deliberate?
Mothers…
Day by day, we are losing more children, not to the unknown, but to something preventable. And still, there’s silence where there should be urgency.
Is this just tragedy… or something far more deliberate?
Mothers…
😁10❤6👍5
গত এক বছরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অধ্যাদেশের মতো শক্তিশালী 'বর্ম' থাকার পরেও আমাদের চারপাশের চিত্রটা পাল্টায়নি। দুই দুইটা সরকার আসলো, দুইটাই চরমভাবে ব্যর্থ। তাদের ব্যর্থতার জেরে ফেব্রুয়ারি '২৬ পর্যন্ত ১৩ মাসে ৭৭৬টি ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। অথচ আমাদের মা-বোন-মেয়েদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ছিল সরকারের।
সুদ ব্যবসায়ী ইউনুসের সরকারের বেশিরভাগ উপদেষ্টাই ছিল এনজিও নেতা-কর্মী। গণতান্ত্রিক সরকারের সময় তারা প্রতিবাদলিপি, মানববন্ধন। গোলটেবিল বৈঠকের মত অব্যর্থ অস্ত্র প্রয়োগ করে নারীদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য সোচ্চার হতো। কিন্তু নিজেরা রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থেকে এত বড় বড় ডিম পেড়েছে যে সেগুলোর ভারে দেশটাই ডুবতে বসেছে। তারা একটা আইন করেছে ঠিকই, কিন্তু আইন প্রয়োগের সকল মেকানিজমকে নিষ্ক্রিয় করে গিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করা ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার গুলো এখন নিজেরাই ক্রাইসিসে ভুগছে।
জুলাই জঙ্গি হামলার সময় পুলিশের ওপর যেভাবে হামলা করা হয়েছিল সেই হামলার বিচার ইউনুস সরকার করেনি। বর্তমান বিএনপি সরকারও পুলিশের মনোবল ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে উদ্যোগী নয়। অথচ বর্তমান তথাকথিত নির্বাচিত সরকারের লোকজন ভোটে জেতা আগে থেকেই পুলিশ-র্যাবের উচ্চপদ দখল করেছেন, আইন-আদালতেও তাদের জয়জয়কার। কিন্তু আইন প্রয়োগের বেলায় তাদেরকে আগেও দেখা যায়নি, এখনো দেখা যাচ্ছে না। তারা গ্রাম্য সালিশের হাতে নারী নির্যাতনের বিচারের দায়িত্ব সঁপে দিয়ে নিশ্চিন্তে আছেন।
একদিকে কঠোর আইন, অন্যদিকে ১৩ মাসে ৭৭৬টি ধর্ষণের ঘটনা—এই ব্যবধানটাই বলে দেয় আমাদের বিচারব্যবস্থা আর বাস্তব প্রয়োগের মাঝখানে কত বড় ফাঁক রয়ে গেছে। নরসিংদীর সেই কিশোরী বা সীতাকুণ্ডের সেই ৭ বছরের শিশুটি আজ বেঁচে থাকত, যদি সমাজ আর সালিশি ব্যবস্থা আইনের ঊর্ধ্বে না যেত।
আর কত রক্ত ঝরলে আমরা বুঝব যে, দেশের এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সদিচ্ছা বর্তমান সরকারের নাই? আর কত মা-বোনের চোখের পানি ঝরার পরে আমাদের বিবেক জাগ্রত হবে?
#Bangladesh #BangladeshCrisis
সুদ ব্যবসায়ী ইউনুসের সরকারের বেশিরভাগ উপদেষ্টাই ছিল এনজিও নেতা-কর্মী। গণতান্ত্রিক সরকারের সময় তারা প্রতিবাদলিপি, মানববন্ধন। গোলটেবিল বৈঠকের মত অব্যর্থ অস্ত্র প্রয়োগ করে নারীদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য সোচ্চার হতো। কিন্তু নিজেরা রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থেকে এত বড় বড় ডিম পেড়েছে যে সেগুলোর ভারে দেশটাই ডুবতে বসেছে। তারা একটা আইন করেছে ঠিকই, কিন্তু আইন প্রয়োগের সকল মেকানিজমকে নিষ্ক্রিয় করে গিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করা ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার গুলো এখন নিজেরাই ক্রাইসিসে ভুগছে।
জুলাই জঙ্গি হামলার সময় পুলিশের ওপর যেভাবে হামলা করা হয়েছিল সেই হামলার বিচার ইউনুস সরকার করেনি। বর্তমান বিএনপি সরকারও পুলিশের মনোবল ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে উদ্যোগী নয়। অথচ বর্তমান তথাকথিত নির্বাচিত সরকারের লোকজন ভোটে জেতা আগে থেকেই পুলিশ-র্যাবের উচ্চপদ দখল করেছেন, আইন-আদালতেও তাদের জয়জয়কার। কিন্তু আইন প্রয়োগের বেলায় তাদেরকে আগেও দেখা যায়নি, এখনো দেখা যাচ্ছে না। তারা গ্রাম্য সালিশের হাতে নারী নির্যাতনের বিচারের দায়িত্ব সঁপে দিয়ে নিশ্চিন্তে আছেন।
একদিকে কঠোর আইন, অন্যদিকে ১৩ মাসে ৭৭৬টি ধর্ষণের ঘটনা—এই ব্যবধানটাই বলে দেয় আমাদের বিচারব্যবস্থা আর বাস্তব প্রয়োগের মাঝখানে কত বড় ফাঁক রয়ে গেছে। নরসিংদীর সেই কিশোরী বা সীতাকুণ্ডের সেই ৭ বছরের শিশুটি আজ বেঁচে থাকত, যদি সমাজ আর সালিশি ব্যবস্থা আইনের ঊর্ধ্বে না যেত।
আর কত রক্ত ঝরলে আমরা বুঝব যে, দেশের এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সদিচ্ছা বর্তমান সরকারের নাই? আর কত মা-বোনের চোখের পানি ঝরার পরে আমাদের বিবেক জাগ্রত হবে?
#Bangladesh #BangladeshCrisis
❤16😁6👍3😢2
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
কুমিল্লার পেট্রোল পাম্পের সামনে পাঁচ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে একজন মানুষ পাচ্ছেন মাত্র চার লিটার তেল। এটা কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের গল্প না। এটা ২০২৬ সালের বাংলাদেশ, যেখানে একটি সরকার আছে, একটি মন্ত্রিসভা আছে, এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলে একটি প্রতিষ্ঠানও আছে।
বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের পর ক্ষমতায় বসেছে। সেই ভোটে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো ছিল না, সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল না, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। যা ছিল সেটাকে নির্বাচন বলার চেয়ে একটা প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা বলা বেশি সৎ। সেই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের কাছে জনগণের জ্বালানি সংকটের জবাব চাওয়ার নৈতিক জায়গাটা কোথায়?
সমস্যা হলো, জনগণ সেই জবাব চাইতেও পারছে না। কারণ যে সরকারের ভোটের বৈধতাই নেই, তার জবাবদিহিতার প্রশ্নটা তুলতে গেলেও একটা অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি হয়। মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, কিন্তু সেই ক্ষোভ যাবে কোথায়? কে শুনবে?
বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সেনানিবাসের ছায়ায় জন্ম নেওয়া এই দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা কিছু যোগ করেছে তার মধ্যে দুর্নীতি, পেশিশক্তি আর ক্ষমতার অপব্যবহার অন্যতম। কিন্তু এবারের ক্ষমতায় আসার গল্পটা আগের বারগুলোর চেয়েও বেশি বেদনার, কারণ এবার অন্তত একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভান করা হয়নি।
মন্ত্রিসভার সদস্যরা এখন কী করছেন? জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার বসিয়ে লাইন ম্যানেজ করাটাকে যদি সমাধান মনে করা হয়, তাহলে বুঝতে হবে এই সরকারের কাছে সমস্যার গভীরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। একটা সরকার যখন সংকট সমাধানের বদলে সংকট ব্যবস্থাপনাকেই লক্ষ্য বানিয়ে ফেলে, তখন বুঝতে হয় পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
মজুদদারির অভিযোগও উঠছে। কেউ কেউ পাম্পে ভিড় করছেন তেল মজুদ করতে। এই ধরনের পরিস্থিতি কখনো এমনি এমনি তৈরি হয় না। যখন সরবরাহ অনিশ্চিত থাকে, মানুষ মজুদ করে। আর যখন মজুদ হয়, সংকট আরও বাড়ে। এই চক্রটা ভাঙার দায়িত্ব সরকারের, যে সরকার এখন কার্যত নীরব।
কুমিল্লার উজ্জ্বল হোসেন পাঁচ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বাইকে তেল দেওয়ার জন্য, কারণ বাইক ছাড়া তিনি কর্মস্থলে যেতে পারবেন না। আরজু চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পেয়েছেন চার লিটার। এই মানুষগুলো কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করছেন না, তারা শুধু বাঁচার চেষ্টা করছেন। আর এই বাঁচার চেষ্টাটাকে এতটা কঠিন করে তোলার দায় যাদের, তারা আপাতত মন্ত্রিত্বের আরামে বসে আছেন।
#Bangladesh #BangladeshCrisis
কুমিল্লার পেট্রোল পাম্পের সামনে পাঁচ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে একজন মানুষ পাচ্ছেন মাত্র চার লিটার তেল। এটা কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের গল্প না। এটা ২০২৬ সালের বাংলাদেশ, যেখানে একটি সরকার আছে, একটি মন্ত্রিসভা আছে, এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলে একটি প্রতিষ্ঠানও আছে।
বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের পর ক্ষমতায় বসেছে। সেই ভোটে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো ছিল না, সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল না, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। যা ছিল সেটাকে নির্বাচন বলার চেয়ে একটা প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা বলা বেশি সৎ। সেই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের কাছে জনগণের জ্বালানি সংকটের জবাব চাওয়ার নৈতিক জায়গাটা কোথায়?
সমস্যা হলো, জনগণ সেই জবাব চাইতেও পারছে না। কারণ যে সরকারের ভোটের বৈধতাই নেই, তার জবাবদিহিতার প্রশ্নটা তুলতে গেলেও একটা অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি হয়। মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, কিন্তু সেই ক্ষোভ যাবে কোথায়? কে শুনবে?
বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সেনানিবাসের ছায়ায় জন্ম নেওয়া এই দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা কিছু যোগ করেছে তার মধ্যে দুর্নীতি, পেশিশক্তি আর ক্ষমতার অপব্যবহার অন্যতম। কিন্তু এবারের ক্ষমতায় আসার গল্পটা আগের বারগুলোর চেয়েও বেশি বেদনার, কারণ এবার অন্তত একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভান করা হয়নি।
মন্ত্রিসভার সদস্যরা এখন কী করছেন? জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার বসিয়ে লাইন ম্যানেজ করাটাকে যদি সমাধান মনে করা হয়, তাহলে বুঝতে হবে এই সরকারের কাছে সমস্যার গভীরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। একটা সরকার যখন সংকট সমাধানের বদলে সংকট ব্যবস্থাপনাকেই লক্ষ্য বানিয়ে ফেলে, তখন বুঝতে হয় পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
মজুদদারির অভিযোগও উঠছে। কেউ কেউ পাম্পে ভিড় করছেন তেল মজুদ করতে। এই ধরনের পরিস্থিতি কখনো এমনি এমনি তৈরি হয় না। যখন সরবরাহ অনিশ্চিত থাকে, মানুষ মজুদ করে। আর যখন মজুদ হয়, সংকট আরও বাড়ে। এই চক্রটা ভাঙার দায়িত্ব সরকারের, যে সরকার এখন কার্যত নীরব।
কুমিল্লার উজ্জ্বল হোসেন পাঁচ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বাইকে তেল দেওয়ার জন্য, কারণ বাইক ছাড়া তিনি কর্মস্থলে যেতে পারবেন না। আরজু চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পেয়েছেন চার লিটার। এই মানুষগুলো কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করছেন না, তারা শুধু বাঁচার চেষ্টা করছেন। আর এই বাঁচার চেষ্টাটাকে এতটা কঠিন করে তোলার দায় যাদের, তারা আপাতত মন্ত্রিত্বের আরামে বসে আছেন।
#Bangladesh #BangladeshCrisis
👍15😁5❤4
প্রবাদপ্রতিম সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে গভীর শোক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছে।
নিজের শৈল্পিক সত্ত্বা ছাপিয়ে আশা ভোঁসলে ছিলেন এক যুগের সাংস্কৃতিক স্পন্দন, সুরের ভুবনে এক অনন্য উচ্চারণ। তাঁর কণ্ঠে ধরা পড়েছে প্রেম, বেদনা, জীবনসংগ্রাম ও মানবিক অনুভূতির অসংখ্য রূপ। বাংলা, হিন্দি ও বিভিন্ন ভাষায় তাঁর অগণিত কালজয়ী গান উপমহাদেশের সংগীত ঐতিহ্যকে দিয়েছে এক নতুন মাত্রা, যা সময় ও প্রজন্ম অতিক্রম করেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও প্রভাবশালী। তাঁর শিল্পসাধনা ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমী মানুষও তাঁর সুরের মূর্ছনায় আবেগ, স্মৃতি ও সংস্কৃতির গভীর বন্ধন খুঁজে পেয়েছে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনে করে, তাঁর প্রয়াণ উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করলো। তবে তাঁর সৃষ্টিকর্ম, কণ্ঠের জাদু এবং নান্দনিক উত্তরাধিকার যুগে যুগে শিল্পী ও শ্রোতাদের প্রেরণা জোগাতে থাকবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছে।
নিজের শৈল্পিক সত্ত্বা ছাপিয়ে আশা ভোঁসলে ছিলেন এক যুগের সাংস্কৃতিক স্পন্দন, সুরের ভুবনে এক অনন্য উচ্চারণ। তাঁর কণ্ঠে ধরা পড়েছে প্রেম, বেদনা, জীবনসংগ্রাম ও মানবিক অনুভূতির অসংখ্য রূপ। বাংলা, হিন্দি ও বিভিন্ন ভাষায় তাঁর অগণিত কালজয়ী গান উপমহাদেশের সংগীত ঐতিহ্যকে দিয়েছে এক নতুন মাত্রা, যা সময় ও প্রজন্ম অতিক্রম করেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও প্রভাবশালী। তাঁর শিল্পসাধনা ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমী মানুষও তাঁর সুরের মূর্ছনায় আবেগ, স্মৃতি ও সংস্কৃতির গভীর বন্ধন খুঁজে পেয়েছে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনে করে, তাঁর প্রয়াণ উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করলো। তবে তাঁর সৃষ্টিকর্ম, কণ্ঠের জাদু এবং নান্দনিক উত্তরাধিকার যুগে যুগে শিল্পী ও শ্রোতাদের প্রেরণা জোগাতে থাকবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।
❤20😁11👍6
মব দমনের প্রশিক্ষণ নেবে পুলিশের বিশেষ ইউনিট
পুলিশদের মব করে যারা হত্যা করেছে তাদের কি করবেন?
#Bangladesh
পুলিশদের মব করে যারা হত্যা করেছে তাদের কি করবেন?
#Bangladesh
❤26😁14👍6
পহেলা বৈশাখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা
——
’মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’
প্রিয় দেশবাসী,
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।
বাঙালির জাতীয় ঐতিহ্যের প্রধান উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিন নতুনের বার্তা নিয়ে দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতা ভুলে সবাই জেগে ওঠে আনন্দে।
ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতির এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এটি এখন বৈশ্বিক বাঙালির প্রাণের উৎসব। পরাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি সরকার বাঙালিকে শেকড়চ্যুত করার কৌশল হিসেবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বাধা দিয়েছিল। বাধা দিয়েছিল বাংলা ভাষার প্রধান লেখক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনেও। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ হয়ে ওঠে বাঙালির জাতীয় জাগরণ ও বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা এখন বিশ্ব-ঐতিহ্যের অংশ। আওয়ামী লীগ সরকারের চেষ্টায় ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমাদের সরকার চাকরিজীবীদের ‘বৈশাখী ভাতা’চালু করে। আমরা দেখছি, স্বাধীনতাবিরোধী ও অসাংবিধানিক সরকার বাঙালির এই উৎসবকে ধ্বংস করতে তৎপর ছিল, যা এখনও চলমান। তারা মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। তৎকালীন বাংলার নতুন ফসল ঘরে তোলার সূত্র ধরে আবহমান কাল ধরে গড়ে ওঠা লোকজ ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে কৃষিভিত্তিক সমাজের অর্থ বর্ষ গণনাই কালক্রমে নতুন বছরের উৎসব হয়ে ওঠে। চীন, ইরাননহ দেশে দেশে নতুন বছরের উৎসবই দেশের প্রধান উৎসব হয়ে আছে। বৈশাখী উৎসব এই নৃতাত্ত্বিক ধারারই আরেকটি স্মারক। ধর্মকে পুঁজি করে এই উৎসবকে বাধাদান ভেদবুদ্ধিরই নামান্তর।
প্রিয় দেশবাসী,
আমরা বিশ্বাস করি বৈশাখী উৎসব উদযাপনের অগ্রযাত্রায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ফিরবে।
সবাইকে আবারো নববর্ষের শুভেচ্ছা।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
#Bangladesh #SheikhHasina #PohelaBoishakh
——
’মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’
প্রিয় দেশবাসী,
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।
বাঙালির জাতীয় ঐতিহ্যের প্রধান উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিন নতুনের বার্তা নিয়ে দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতা ভুলে সবাই জেগে ওঠে আনন্দে।
ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতির এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এটি এখন বৈশ্বিক বাঙালির প্রাণের উৎসব। পরাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি সরকার বাঙালিকে শেকড়চ্যুত করার কৌশল হিসেবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বাধা দিয়েছিল। বাধা দিয়েছিল বাংলা ভাষার প্রধান লেখক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনেও। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ হয়ে ওঠে বাঙালির জাতীয় জাগরণ ও বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা এখন বিশ্ব-ঐতিহ্যের অংশ। আওয়ামী লীগ সরকারের চেষ্টায় ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমাদের সরকার চাকরিজীবীদের ‘বৈশাখী ভাতা’চালু করে। আমরা দেখছি, স্বাধীনতাবিরোধী ও অসাংবিধানিক সরকার বাঙালির এই উৎসবকে ধ্বংস করতে তৎপর ছিল, যা এখনও চলমান। তারা মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। তৎকালীন বাংলার নতুন ফসল ঘরে তোলার সূত্র ধরে আবহমান কাল ধরে গড়ে ওঠা লোকজ ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে কৃষিভিত্তিক সমাজের অর্থ বর্ষ গণনাই কালক্রমে নতুন বছরের উৎসব হয়ে ওঠে। চীন, ইরাননহ দেশে দেশে নতুন বছরের উৎসবই দেশের প্রধান উৎসব হয়ে আছে। বৈশাখী উৎসব এই নৃতাত্ত্বিক ধারারই আরেকটি স্মারক। ধর্মকে পুঁজি করে এই উৎসবকে বাধাদান ভেদবুদ্ধিরই নামান্তর।
প্রিয় দেশবাসী,
আমরা বিশ্বাস করি বৈশাখী উৎসব উদযাপনের অগ্রযাত্রায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ফিরবে।
সবাইকে আবারো নববর্ষের শুভেচ্ছা।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
#Bangladesh #SheikhHasina #PohelaBoishakh
❤27😁7
A widow in Faridpur, already struggling to survive, was allegedly lured with false promises and brutally assaulted. The accused has been arrested, but her fight for justice has just begun.
https://x.com/albd1971/status/2043566540508012748?s=46
https://x.com/albd1971/status/2043566540508012748?s=46
X (formerly Twitter)
Bangladesh Awami League (@albd1971) on X
A widow in Faridpur, already struggling to survive, was allegedly lured with false promises and brutally assaulted. The accused has been arrested, but her fight for justice has just begun.
In Kushtia, a sixth-grade student was found in critical condition…
In Kushtia, a sixth-grade student was found in critical condition…
👍18😁7❤2
৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত:
👉 ভুয়া মামলায় গ্রেফতার – মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
👉 জামিন হওয়ার পরও ভুয়া মামলায় শো-অন অ্যারেস্ট – পরবর্তীতে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
👉 ডিবি, র্যাব ও থানা পুলিশের মামলার ভয় দেখিয়ে বাড়িঘরে হামলা এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
এসব ঘটনার তথ্য পাঠান info@albd.org ইমেইলে অথবা +1 (917) 569-9327 WhatsApp নম্বরে
#Bangladesh #FreedomOfSpeech #Politics #BDPolitics #Police
👉 ভুয়া মামলায় গ্রেফতার – মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
👉 জামিন হওয়ার পরও ভুয়া মামলায় শো-অন অ্যারেস্ট – পরবর্তীতে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
👉 ডিবি, র্যাব ও থানা পুলিশের মামলার ভয় দেখিয়ে বাড়িঘরে হামলা এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
এসব ঘটনার তথ্য পাঠান info@albd.org ইমেইলে অথবা +1 (917) 569-9327 WhatsApp নম্বরে
#Bangladesh #FreedomOfSpeech #Politics #BDPolitics #Police
❤24😁12🥰4👍3🔥1
From Fields to Famine: Bangladesh’s Growing Food Crisis
https://youtube.com/shorts/JoBj1VBQ71A?si=lSl2vxlZ8zzZuyMD
https://youtube.com/shorts/JoBj1VBQ71A?si=lSl2vxlZ8zzZuyMD
YouTube
From Fields to Famine: Bangladesh’s Growing Food Crisis
From Fields to Famine: Bangladesh’s Growing Food CrisisFertilizer factories shutting down.Irrigation pumps running dry.Farmers can’t get fertiliser.Fuel shor...
❤17😁11
তথ্য সংগ্রহ | নির্দেশনা ১/২০২৬
আপনার এলাকায় -
➡️ জ্বালানী তেলের সমস্যা - পাম্পে দীর্ঘ লাইন
➡️ বিদ্যুতের লোডশেডিং
➡️ সারের জন্য হাহাকার
এই পরিস্থিতির সচিত্র প্রতিবেদন, আর্টিকেল - নিউজ এবং ছবি পাঠান
+1 (917) 569-9327 হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অথবা info@albd.org ইমেইলে।
[যারা নাম প্রকাশ করতে চান, তাদেরটা করা হবে - যারা গোপন রাখতে চান, তাদেরটা গোপন রাখা হবে]
#Bangladesh #BangladeshCrisis
আপনার এলাকায় -
➡️ জ্বালানী তেলের সমস্যা - পাম্পে দীর্ঘ লাইন
➡️ বিদ্যুতের লোডশেডিং
➡️ সারের জন্য হাহাকার
এই পরিস্থিতির সচিত্র প্রতিবেদন, আর্টিকেল - নিউজ এবং ছবি পাঠান
+1 (917) 569-9327 হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অথবা info@albd.org ইমেইলে।
[যারা নাম প্রকাশ করতে চান, তাদেরটা করা হবে - যারা গোপন রাখতে চান, তাদেরটা গোপন রাখা হবে]
#Bangladesh #BangladeshCrisis
❤42😁19👍3🔥2🥰1