Bangladesh Awami League
96K subscribers
11K photos
2.82K videos
25 files
12K links
Official Telegram Channel of Bangladesh Awami League.
Stay Connceted on Web 👉 www.albd.org
Follow us on -
🔴 Insta 👉 https://instagram.com/albd1949
🟣 Tw 👉 https://twitter.com/albd1971
🔵 FB 👉https://www.facebook.com/awamileague.1949
Download Telegram
18😁8👍4🤯1
১০১ জন সাংবাদিকের বিবৃতি

রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমকে আইনগত প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করা গণতান্ত্রিক চর্চার পরীপন্থী

https://www.facebook.com/share/p/1NoMgnDCfk
24😁11👍2🔥2
কোন দাবি নয়
এগুলো জনগণের অধিকার

➡️ https://www.facebook.com/share/p/1CkejcjnWU/?mibextid=wwXIfr
38😁11👍4
বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত করার প্রতিবেদিত সিদ্ধান্তের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে একটি আন্তর্জাতিক নাগরিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর জোট।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে— গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন (কানাডা), সাউথ এশিয়ান রাইটস ইনিসিয়েটিভ (ফ্রান্স), হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফাউন্ডেশন (বেলজিয়াম), ড্যানিস সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ ডেভেলোপমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস (ডেনমার্ক), গ্লোবাল ডায়োসোপরা কম্যুনিটি (ফিনল্যান্ড), গ্লোবাল বাংলাদেশ ইউনিটি নেটওয়ার্ক (অস্ট্রেলিয়া) এবং ইনটারন্যাশনাল ফোরাম ফর সেকুলার বাংলাদেশ (সুইজারল্যান্ড)।

জোটটি জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের পক্ষে কাজ করবে।

https://bddigest.news/news/49257/
34😁8
Attack on Humanitarian Physician Professor Dr. Kamrul Islam by BNP Leader
- Has the Country Become a Safe Haven for Thugs?
https://x.com/albd1971/status/2043060399533363268
😁16😢15🔥1
এবার কি শিশু স্বাস্থ্য কার্ড?

#Bangladesh
😁27👍141
গত এক বছরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অধ্যাদেশের মতো শক্তিশালী 'বর্ম' থাকার পরেও আমাদের চারপাশের চিত্রটা পাল্টায়নি। দুই দুইটা সরকার আসলো, দুইটাই চরমভাবে ব্যর্থ। তাদের ব্যর্থতার জেরে ফেব্রুয়ারি '২৬ পর্যন্ত ১৩ মাসে ৭৭৬টি ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। অথচ আমাদের মা-বোন-মেয়েদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ছিল সরকারের।

সুদ ব্যবসায়ী ইউনুসের সরকারের বেশিরভাগ উপদেষ্টাই ছিল এনজিও নেতা-কর্মী। গণতান্ত্রিক সরকারের সময় তারা প্রতিবাদলিপি, মানববন্ধন। গোলটেবিল বৈঠকের মত অব্যর্থ অস্ত্র প্রয়োগ করে নারীদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য সোচ্চার হতো। কিন্তু নিজেরা রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থেকে এত বড় বড় ডিম পেড়েছে যে সেগুলোর ভারে দেশটাই ডুবতে বসেছে। তারা একটা আইন করেছে ঠিকই, কিন্তু আইন প্রয়োগের সকল মেকানিজমকে নিষ্ক্রিয় করে গিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করা ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার গুলো এখন নিজেরাই ক্রাইসিসে ভুগছে।

জুলাই জঙ্গি হামলার সময় পুলিশের ওপর যেভাবে হামলা করা হয়েছিল সেই হামলার বিচার ইউনুস সরকার করেনি। বর্তমান বিএনপি সরকারও পুলিশের মনোবল ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে উদ্যোগী নয়। অথচ বর্তমান তথাকথিত নির্বাচিত সরকারের লোকজন ভোটে জেতা আগে থেকেই পুলিশ-র‍্যাবের উচ্চপদ দখল করেছেন, আইন-আদালতেও তাদের জয়জয়কার। কিন্তু আইন প্রয়োগের বেলায় তাদেরকে আগেও দেখা যায়নি, এখনো দেখা যাচ্ছে না। তারা গ্রাম্য সালিশের হাতে নারী নির্যাতনের বিচারের দায়িত্ব সঁপে দিয়ে নিশ্চিন্তে আছেন।

একদিকে কঠোর আইন, অন্যদিকে ১৩ মাসে ৭৭৬টি ধর্ষণের ঘটনা—এই ব্যবধানটাই বলে দেয় আমাদের বিচারব্যবস্থা আর বাস্তব প্রয়োগের মাঝখানে কত বড় ফাঁক রয়ে গেছে। নরসিংদীর সেই কিশোরী বা সীতাকুণ্ডের সেই ৭ বছরের শিশুটি আজ বেঁচে থাকত, যদি সমাজ আর সালিশি ব্যবস্থা আইনের ঊর্ধ্বে না যেত।

আর কত রক্ত ঝরলে আমরা বুঝব যে, দেশের এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সদিচ্ছা বর্তমান সরকারের নাই? আর কত মা-বোনের চোখের পানি ঝরার পরে আমাদের বিবেক জাগ্রত হবে?

#Bangladesh #BangladeshCrisis
16😁6👍3😢2
😢3011😁9👍5
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!

কুমিল্লার পেট্রোল পাম্পের সামনে পাঁচ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে একজন মানুষ পাচ্ছেন মাত্র চার লিটার তেল। এটা কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের গল্প না। এটা ২০২৬ সালের বাংলাদেশ, যেখানে একটি সরকার আছে, একটি মন্ত্রিসভা আছে, এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলে একটি প্রতিষ্ঠানও আছে।

বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের পর ক্ষমতায় বসেছে। সেই ভোটে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো ছিল না, সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল না, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। যা ছিল সেটাকে নির্বাচন বলার চেয়ে একটা প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা বলা বেশি সৎ। সেই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের কাছে জনগণের জ্বালানি সংকটের জবাব চাওয়ার নৈতিক জায়গাটা কোথায়?

সমস্যা হলো, জনগণ সেই জবাব চাইতেও পারছে না। কারণ যে সরকারের ভোটের বৈধতাই নেই, তার জবাবদিহিতার প্রশ্নটা তুলতে গেলেও একটা অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি হয়। মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, কিন্তু সেই ক্ষোভ যাবে কোথায়? কে শুনবে?

বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সেনানিবাসের ছায়ায় জন্ম নেওয়া এই দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা কিছু যোগ করেছে তার মধ্যে দুর্নীতি, পেশিশক্তি আর ক্ষমতার অপব্যবহার অন্যতম। কিন্তু এবারের ক্ষমতায় আসার গল্পটা আগের বারগুলোর চেয়েও বেশি বেদনার, কারণ এবার অন্তত একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভান করা হয়নি।

মন্ত্রিসভার সদস্যরা এখন কী করছেন? জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার বসিয়ে লাইন ম্যানেজ করাটাকে যদি সমাধান মনে করা হয়, তাহলে বুঝতে হবে এই সরকারের কাছে সমস্যার গভীরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। একটা সরকার যখন সংকট সমাধানের বদলে সংকট ব্যবস্থাপনাকেই লক্ষ্য বানিয়ে ফেলে, তখন বুঝতে হয় পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

মজুদদারির অভিযোগও উঠছে। কেউ কেউ পাম্পে ভিড় করছেন তেল মজুদ করতে। এই ধরনের পরিস্থিতি কখনো এমনি এমনি তৈরি হয় না। যখন সরবরাহ অনিশ্চিত থাকে, মানুষ মজুদ করে। আর যখন মজুদ হয়, সংকট আরও বাড়ে। এই চক্রটা ভাঙার দায়িত্ব সরকারের, যে সরকার এখন কার্যত নীরব।

কুমিল্লার উজ্জ্বল হোসেন পাঁচ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বাইকে তেল দেওয়ার জন্য, কারণ বাইক ছাড়া তিনি কর্মস্থলে যেতে পারবেন না। আরজু চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পেয়েছেন চার লিটার। এই মানুষগুলো কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করছেন না, তারা শুধু বাঁচার চেষ্টা করছেন। আর এই বাঁচার চেষ্টাটাকে এতটা কঠিন করে তোলার দায় যাদের, তারা আপাতত মন্ত্রিত্বের আরামে বসে আছেন।

#Bangladesh #BangladeshCrisis
👍15😁54
29👍11😁9😢6🤬3🔥1