🔴#Live
বিএনপির প্রতিহিংসার রাজনীতি ও আগামীর বাংলাদেশ
➡️ https://www.youtube.com/live/CAwzOiVyerg?si=8spEl9RLrkR4rVeL
➡️ https://www.facebook.com/share/v/1DcpMB6Gae/?mibextid=wwXIfr
বিএনপির প্রতিহিংসার রাজনীতি ও আগামীর বাংলাদেশ
➡️ https://www.youtube.com/live/CAwzOiVyerg?si=8spEl9RLrkR4rVeL
➡️ https://www.facebook.com/share/v/1DcpMB6Gae/?mibextid=wwXIfr
YouTube
বিএনপির প্রতিহিংসার রাজনীতি ও আগামীর বাংলাদেশ
সময়ের যোদ্ধা লাইভ
বাংলাদেশ আজ গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটে। দেশ আজ ৭১ এর পরাজিত শক্তির থাবায়। এই অন্ধকার থেকে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে পুনরুদ্ধার করতে যারা প্রতিনিয়ত কথা বলে যাচ্ছে সেইসব কণ্ঠস্বরের একটি কন্ঠস্বর "সময়ের যোদ্ধা"
বিষয়:
বিএনপির…
বাংলাদেশ আজ গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটে। দেশ আজ ৭১ এর পরাজিত শক্তির থাবায়। এই অন্ধকার থেকে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে পুনরুদ্ধার করতে যারা প্রতিনিয়ত কথা বলে যাচ্ছে সেইসব কণ্ঠস্বরের একটি কন্ঠস্বর "সময়ের যোদ্ধা"
বিষয়:
বিএনপির…
👍22😁16
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং মিথ্যা ও বানোয়াট হত্যা মামলায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
----
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর সংঘটিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
শিরীন শারমিন চৌধুরী মহান জাতীয় সংসদে সংবিধানসম্মত পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং তিনি দেশের প্রথম নারী স্পিকার। একজন মেধাবী, পরিশীলিত ও মানবিক বোধসম্পন্ন নারী রাজনীতিবিদের প্রতি এ ধরনের অমানবিক আচরণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মর্যাদা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে এ ধরনের আচরণ শুধু ন্যক্কারজনকই নয়, বরং তা নিকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের মিথ্যা মামলা ও নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিপন্ন করেছে। এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং আইনের অপব্যবহারের একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত।
আমরা অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। পাশাপাশি জাতীয় নেতৃবৃন্দ-সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং সকল রাজবন্দির মুক্তি চাই। বাংলাদেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে এর বিকল্প নেই।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
----
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর সংঘটিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
শিরীন শারমিন চৌধুরী মহান জাতীয় সংসদে সংবিধানসম্মত পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং তিনি দেশের প্রথম নারী স্পিকার। একজন মেধাবী, পরিশীলিত ও মানবিক বোধসম্পন্ন নারী রাজনীতিবিদের প্রতি এ ধরনের অমানবিক আচরণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মর্যাদা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে এ ধরনের আচরণ শুধু ন্যক্কারজনকই নয়, বরং তা নিকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের মিথ্যা মামলা ও নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিপন্ন করেছে। এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং আইনের অপব্যবহারের একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত।
আমরা অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। পাশাপাশি জাতীয় নেতৃবৃন্দ-সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং সকল রাজবন্দির মুক্তি চাই। বাংলাদেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে এর বিকল্প নেই।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
❤19😁12😢5🔥1
A formal communication issued by the United Nations Special Procedures on 29 December 2025 raises serious concerns regarding measures taken by the interim government of Bangladesh, led by Muhammad Yunus. The measures include the banning of the Bangladesh Awami League, restrictions on political activity, and the use of counter-terrorism and tribunal laws.
The UN experts conclude that these actions may be inconsistent with Bangladeshʼs obligations under international human rights law.
https://www.bdperspectives.com/3102/international-law-concerns-regardingthe-ban-on-the-bangladesh-awami-league/
The UN experts conclude that these actions may be inconsistent with Bangladeshʼs obligations under international human rights law.
https://www.bdperspectives.com/3102/international-law-concerns-regardingthe-ban-on-the-bangladesh-awami-league/
Bangladesh Perspectives
International Law Concerns Regarding the Ban on the Bangladesh Awami League - Bangladesh Perspectives
A formal communication issued by the United Nations Special Procedures on 29 December 2025 raises serious concerns regarding measures taken by the interim government of Bangladesh, led by Muhammad Yunus. The measures include the banning of the Bangladesh…
👍14😁11❤6
সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের বিবৃতি
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর নগ্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে পরিচালিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট হত্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় আমরা সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. লুৎফর রহমান রুপন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল তানসেন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমন-পীড়ন কেবল ব্যক্তি নয়, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের কর্মকাণ্ড একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় দায়িত্ব পালনকারী একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর মতো একজন প্রতিষ্ঠিত, সুশিক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে হঠাৎ করে একটি পুরনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো সমগ্র দেশের বিচার ব্যবস্থার এক লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত। বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী ক্ষতের সৃষ্টি করবে, যার ফলাফল দেশ ও জাতির জন্য চূড়ান্ত অশনিসংকেত।”
সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছে। একইসঙ্গে সকল মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমন-পীড়ন বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
বার্তা প্রেরক
(সাখাওয়াত হোসেন বাঁধন)
দপ্তর সম্পাদক
সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর নগ্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে পরিচালিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট হত্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় আমরা সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. লুৎফর রহমান রুপন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল তানসেন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমন-পীড়ন কেবল ব্যক্তি নয়, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের কর্মকাণ্ড একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় দায়িত্ব পালনকারী একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর মতো একজন প্রতিষ্ঠিত, সুশিক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে হঠাৎ করে একটি পুরনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো সমগ্র দেশের বিচার ব্যবস্থার এক লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত। বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী ক্ষতের সৃষ্টি করবে, যার ফলাফল দেশ ও জাতির জন্য চূড়ান্ত অশনিসংকেত।”
সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছে। একইসঙ্গে সকল মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমন-পীড়ন বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
বার্তা প্রেরক
(সাখাওয়াত হোসেন বাঁধন)
দপ্তর সম্পাদক
সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ
👍21😁8🥰3❤2
একপাক্ষিক সংসদে একপেশে বিল পাসের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
——
আজ বাংলাদেশের মহান সংসদ কলঙ্কিত হল। ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি হলো। তথাকথিত নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে গঠিত সংসদ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ না করে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিল পাস করেছে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মহান জাতীয় সংসদ একটি পবিত্রতম স্থান। দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বাতাবরণ মেলে ধরে। সেই মহান সংসদকে ব্যবহার করে স্বাধীনত ও দেশবিরোধী শক্তির আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় এহেন অপতৎপরতা। এই ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল একটি রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে নেওয়া পদক্ষেপ নয়; বরং এটি দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা, সুষ্ঠু রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের পথ বেয়ে গড়ে ওঠা গণমানুষের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ গণতন্ত্রের মূল চেতনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং রাষ্ট্রকে একদলীয় বা স্বৈরতান্ত্রিক ধারার দিকে ঠেলে দেয়। একই তা ইতিহাসের প্রতি রক্তচক্ষু দেখানো। যা দেশের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একটি রাজনৈতিক দলের কার্যকারিতা নির্ভর করে জনগণের উপর। জনগণের প্রিয় সংগঠন হয়ে থাকলে পৃথিবীর কোনো শক্তি প্রয়োগ করে সেটা আটকানো যায় না। দমন-পীড়ন, নিষেধাজ্ঞা বা আইনের অপপ্রয়োগ কখনোই স্থায়ী সমাধান বয়ে আনতে পারে না; বরং এটি সমাজে অস্থিরতা ও বিভাজন সৃষ্টি করে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অন্তরায়।
এই প্রেক্ষাপটে আমরা দেশের সকল গণতন্ত্রকামী মানুষ, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে শামিল হোন।
জনগণ ও গণতন্ত্রের বিজয় অবশ্যম্ভাবী। ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ও নিজেদের বিশ্বাসকে দৃঢ় আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখব।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
#Bangladesh #AwamiLeague
——
আজ বাংলাদেশের মহান সংসদ কলঙ্কিত হল। ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি হলো। তথাকথিত নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে গঠিত সংসদ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ না করে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিল পাস করেছে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মহান জাতীয় সংসদ একটি পবিত্রতম স্থান। দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বাতাবরণ মেলে ধরে। সেই মহান সংসদকে ব্যবহার করে স্বাধীনত ও দেশবিরোধী শক্তির আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় এহেন অপতৎপরতা। এই ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল একটি রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে নেওয়া পদক্ষেপ নয়; বরং এটি দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা, সুষ্ঠু রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের পথ বেয়ে গড়ে ওঠা গণমানুষের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ গণতন্ত্রের মূল চেতনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং রাষ্ট্রকে একদলীয় বা স্বৈরতান্ত্রিক ধারার দিকে ঠেলে দেয়। একই তা ইতিহাসের প্রতি রক্তচক্ষু দেখানো। যা দেশের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একটি রাজনৈতিক দলের কার্যকারিতা নির্ভর করে জনগণের উপর। জনগণের প্রিয় সংগঠন হয়ে থাকলে পৃথিবীর কোনো শক্তি প্রয়োগ করে সেটা আটকানো যায় না। দমন-পীড়ন, নিষেধাজ্ঞা বা আইনের অপপ্রয়োগ কখনোই স্থায়ী সমাধান বয়ে আনতে পারে না; বরং এটি সমাজে অস্থিরতা ও বিভাজন সৃষ্টি করে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অন্তরায়।
এই প্রেক্ষাপটে আমরা দেশের সকল গণতন্ত্রকামী মানুষ, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে শামিল হোন।
জনগণ ও গণতন্ত্রের বিজয় অবশ্যম্ভাবী। ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ও নিজেদের বিশ্বাসকে দৃঢ় আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখব।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
#Bangladesh #AwamiLeague
❤23😁13👍2👏1
Statement by Bangladesh Awami League Condemning the Ban Passed Through a One-Sided Bill in a Unilateral Parliament
——
https://x.com/albd1971/status/2041865708456624358?s=46
——
https://x.com/albd1971/status/2041865708456624358?s=46
X (formerly Twitter)
Bangladesh Awami League (@albd1971) on X
Statement by Bangladesh Awami League Condemning the Ban Passed Through a One-Sided Bill in a Unilateral Parliament
——
Today, the National Parliament of Bangladesh has been disgraced. A shameful chapter has been written in history. Through a so-called election…
——
Today, the National Parliament of Bangladesh has been disgraced. A shameful chapter has been written in history. Through a so-called election…
❤18😁9👍4
আপনার প্রফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, নিজের ছবি মাঝখানে এড করে
https://drive.google.com/file/d/19v-ebfJoiCyQ_bWIiEvGAqjxXh2JL-BX/view?usp=drivesdk
https://drive.google.com/file/d/19v-ebfJoiCyQ_bWIiEvGAqjxXh2JL-BX/view?usp=drivesdk
❤67😁28👍6
সৌজন্য বনাম প্রতিহিংসা: ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ব্যবচ্ছেদ
বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে স্পিকারের আসনটি পরম শ্রদ্ধার এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলী আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক অন্ধকার দিক উন্মোচিত করেছে। একদিকে আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের উদারতা ও আইনি মহানুভবতা, অন্যদিকে বর্তমান অস্থির সময়ে দেশের প্রথম নারী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রতি আচরণের বৈপরীত্য। এই দুই চিত্রই বলে দেয়—কে প্রতিহিংসা করে আর কে গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করে।
মেধার আলোকবর্তিকা ও আইনের শাসনের অঙ্গীকার
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি বাংলাদেশের নারী জাগরণ ও মেধার প্রতীক। তার ছাত্রজীবনের একটি গল্প আজও অনেকের মুখে মুখে ফেরে। বোর্ড পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করার পর সাংবাদিকরা যখন তার স্বপ্নের কথা জানতে চেয়েছিলেন, কিশোরী শিরীন শারমিন বিনয়ের সাথে বলেছিলেন, “আমি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে চাই।” তিনি তার কথা রেখেছেন। লন্ডনের বিখ্যাত এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পিএইচডিধারী এই ব্যক্তিত্ব যখন স্পিকারের চেয়ারে বসেছেন, তখন তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যে সেই আইনি পাণ্ডিত্যের ছাপ ছিল স্পষ্ট। অথচ আজ তাকে যেভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়ানো হচ্ছে, তা যেন সেই 'আইনের শাসন' প্রতিষ্ঠার স্বপ্নটাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার: আওয়ামী লীগের উদারতার দলিল
রাজনীতিতে সৌজন্যবোধের অভাব যখন প্রকট, তখন আমাদের ফিরে তাকাতে হয় আওয়ামী লীগ আমলের একটি দৃষ্টান্তের দিকে। বিএনপির সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে চিকিৎসার নামে সরকারি অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পাঁচটি মামলা ছিল। আওয়ামী লীগ চাইলে তাকে আইনি গ্যাঁড়াকলে আটকে রাখতে পারত। কিন্তু দলটির রাজনৈতিক দর্শন প্রতিহিংসার নয়, বরং সংশোধনের।
বিবেচনা ও ন্যায়বিচার: আওয়ামী লীগ সরকার তাকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা না করে বিষয়টি আদালতের ওপর ছেড়ে দেয়।
সম্মানজনক সমাধান: আদালত যখন তাকে আত্মসাৎকৃত ২৭ লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৪ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন, তিনি তা পরিশোধ করেন। এরপর আপিল বিভাগ তার মামলাগুলো বাতিল করে তাকে সসম্মানে অব্যাহতি দেয়।
সুযোগ থাকা সত্ত্বেও একজন প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক স্পিকারকে কারাগারে না পাঠিয়ে তাকে আইনি পথে ফেরার সুযোগ করে দেওয়া—এটিই হলো আওয়ামী লীগের উদার রাজনীতির প্রকৃত প্রতিফলন।
গণতন্ত্রের সূতিকাগার বনাম প্রতিহিংসার রাজনীতি
আওয়ামী লীগকে বলা হয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সূতিকাগার। দলটি সবসময় বিশ্বাস করেছে যে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখা জরুরি। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মতো একজন স্বচ্ছ ইমেজের ব্যক্তিত্বকে যখন ভিত্তিহীন মামলার জালে জড়ানো হয়, তখন তা কেবল তাকে অপমান করা নয়, বরং পুরো সংসদীয় কাঠামোর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার শামিল।
"আওয়ামী লীগ সবসময় উদার গণতন্ত্র এবং সহনশীলতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মতো মেধাবী মানুষদের যখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হেনস্তা করা হয়, তখন তা ইতিহাসের একটি কলঙ্কময় অধ্যায় হিসেবেই বিবেচিত হবে।”
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা। আওয়ামী লীগ তার শাসনামলে বিরোধী দলের স্পিকারের প্রতি যে সম্মান ও আইনি শিথিলতা দেখিয়েছে, তা ছিল সুস্থ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ।
একটি দেশের গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী, তা বোঝা যায় সেই রাষ্ট্র তার গুণীজনদের প্রতি কেমন আচরণ করছে তা দেখে। আওয়ামী লীগ দেখিয়েছিল কীভাবে বিরোধী দলের শীর্ষ ব্যক্তিদের আইনি অধিকার ও সম্মান নিশ্চিত করতে হয়। আর আজ আমরা দেখছি তার বিপরীত এক নিষ্ঠুর চিত্র। ক্ষমতার হাতবদল হতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক শিষ্টাচার হারিয়ে গেলে সেই ক্ষতি অপূরণীয়। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মতো মেধাবী মানুষেরা ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল হয়েই থাকবেন, আর প্রতিহিংসার রাজনীতি নিক্ষিপ্ত হবে আস্তাকুঁড়ে।
পল্লব রানা পারভেজ
কর্মসংস্থান সম্পাদক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়৷
বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে স্পিকারের আসনটি পরম শ্রদ্ধার এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলী আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক অন্ধকার দিক উন্মোচিত করেছে। একদিকে আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের উদারতা ও আইনি মহানুভবতা, অন্যদিকে বর্তমান অস্থির সময়ে দেশের প্রথম নারী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রতি আচরণের বৈপরীত্য। এই দুই চিত্রই বলে দেয়—কে প্রতিহিংসা করে আর কে গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করে।
মেধার আলোকবর্তিকা ও আইনের শাসনের অঙ্গীকার
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি বাংলাদেশের নারী জাগরণ ও মেধার প্রতীক। তার ছাত্রজীবনের একটি গল্প আজও অনেকের মুখে মুখে ফেরে। বোর্ড পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করার পর সাংবাদিকরা যখন তার স্বপ্নের কথা জানতে চেয়েছিলেন, কিশোরী শিরীন শারমিন বিনয়ের সাথে বলেছিলেন, “আমি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে চাই।” তিনি তার কথা রেখেছেন। লন্ডনের বিখ্যাত এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পিএইচডিধারী এই ব্যক্তিত্ব যখন স্পিকারের চেয়ারে বসেছেন, তখন তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যে সেই আইনি পাণ্ডিত্যের ছাপ ছিল স্পষ্ট। অথচ আজ তাকে যেভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়ানো হচ্ছে, তা যেন সেই 'আইনের শাসন' প্রতিষ্ঠার স্বপ্নটাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার: আওয়ামী লীগের উদারতার দলিল
রাজনীতিতে সৌজন্যবোধের অভাব যখন প্রকট, তখন আমাদের ফিরে তাকাতে হয় আওয়ামী লীগ আমলের একটি দৃষ্টান্তের দিকে। বিএনপির সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে চিকিৎসার নামে সরকারি অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পাঁচটি মামলা ছিল। আওয়ামী লীগ চাইলে তাকে আইনি গ্যাঁড়াকলে আটকে রাখতে পারত। কিন্তু দলটির রাজনৈতিক দর্শন প্রতিহিংসার নয়, বরং সংশোধনের।
বিবেচনা ও ন্যায়বিচার: আওয়ামী লীগ সরকার তাকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা না করে বিষয়টি আদালতের ওপর ছেড়ে দেয়।
সম্মানজনক সমাধান: আদালত যখন তাকে আত্মসাৎকৃত ২৭ লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৪ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন, তিনি তা পরিশোধ করেন। এরপর আপিল বিভাগ তার মামলাগুলো বাতিল করে তাকে সসম্মানে অব্যাহতি দেয়।
সুযোগ থাকা সত্ত্বেও একজন প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক স্পিকারকে কারাগারে না পাঠিয়ে তাকে আইনি পথে ফেরার সুযোগ করে দেওয়া—এটিই হলো আওয়ামী লীগের উদার রাজনীতির প্রকৃত প্রতিফলন।
গণতন্ত্রের সূতিকাগার বনাম প্রতিহিংসার রাজনীতি
আওয়ামী লীগকে বলা হয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সূতিকাগার। দলটি সবসময় বিশ্বাস করেছে যে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখা জরুরি। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মতো একজন স্বচ্ছ ইমেজের ব্যক্তিত্বকে যখন ভিত্তিহীন মামলার জালে জড়ানো হয়, তখন তা কেবল তাকে অপমান করা নয়, বরং পুরো সংসদীয় কাঠামোর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার শামিল।
"আওয়ামী লীগ সবসময় উদার গণতন্ত্র এবং সহনশীলতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মতো মেধাবী মানুষদের যখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হেনস্তা করা হয়, তখন তা ইতিহাসের একটি কলঙ্কময় অধ্যায় হিসেবেই বিবেচিত হবে।”
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা। আওয়ামী লীগ তার শাসনামলে বিরোধী দলের স্পিকারের প্রতি যে সম্মান ও আইনি শিথিলতা দেখিয়েছে, তা ছিল সুস্থ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ।
একটি দেশের গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী, তা বোঝা যায় সেই রাষ্ট্র তার গুণীজনদের প্রতি কেমন আচরণ করছে তা দেখে। আওয়ামী লীগ দেখিয়েছিল কীভাবে বিরোধী দলের শীর্ষ ব্যক্তিদের আইনি অধিকার ও সম্মান নিশ্চিত করতে হয়। আর আজ আমরা দেখছি তার বিপরীত এক নিষ্ঠুর চিত্র। ক্ষমতার হাতবদল হতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক শিষ্টাচার হারিয়ে গেলে সেই ক্ষতি অপূরণীয়। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর মতো মেধাবী মানুষেরা ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল হয়েই থাকবেন, আর প্রতিহিংসার রাজনীতি নিক্ষিপ্ত হবে আস্তাকুঁড়ে।
পল্লব রানা পারভেজ
কর্মসংস্থান সম্পাদক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়৷
👍19😁10❤3
Bangladesh Awami League pinned «A brazen assault on democracy: How Bangladesh’s interim regime and its successors turned counter-terror laws into weapons of political annihilation»