Bangladesh Awami League
95.9K subscribers
11K photos
2.82K videos
25 files
12K links
Official Telegram Channel of Bangladesh Awami League.
Stay Connceted on Web 👉 www.albd.org
Follow us on -
🔴 Insta 👉 https://instagram.com/albd1949
🟣 Tw 👉 https://twitter.com/albd1971
🔵 FB 👉https://www.facebook.com/awamileague.1949
Download Telegram
⁨একজন অসহায় আইনজীবী এবং একজন মৃত আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের করুন আর্তনাদ
———

এ কে আজাদ, সবুজবাগ ২০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
দুইটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামী। একটি সন্ত্রাস বিরোধী আইন আর একটি পেনাল কোর্টের ৩২৬ ধারার মামলা।

৩রা মার্চ জনাব এ কে আজাদ জেলখানায় ব্রেন স্ট্রোক করেন।

তার নিযুক্ত আইনজীবী মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে ৮, ৯, ১০ মার্চ যথাক্রমে মেনশন করে কোর্টকে অবহিত করে, আসামী জনাব এ কে আজাদ ব্রেন স্ট্রোক করে তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আই সি ইউ তে ভর্তি আছে, অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন বিবেচনায় মামলার সিরিয়াল আপগ্রেড করার জন্য। কিন্তু মহামান্য কোর্ট আইনজীবীর কথা শুনেননি।

গত ১১ই মার্চ সিরিয়াল অনুযায়ী তার জামিন হয়। ১৮ মার্চ আসামী জামিন লাভ করেন। জামিনের পর আসামির পরিবার তাকে চিকিৎসা করান কিন্তু ডাক্তারের ভাষ্যমতে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

অবশেষে গতকাল জনাব এ কে আজাদ মৃত্যুবরন করেন এবং তার স্ত্রী এবং মাসুম বাচ্চাদের আর্তনাদ যে উকিল সাহেব জজসাহেবকে ঠিক ভাবে বলেন নি যে এ কে আজাদ আইসিইউতে কারন জজ সাহেবরা কখনোই এতো নিষ্ঠুর হতে পারেন না।

আমি একজন উকিল হিসেবে এই অভিযোগের কোনো উত্তর দিতে পারবো না। শুধু মাননীয় জজ সাহেবদের বলবো আপনাদের উপর সাধারণ মানুষের এখোনো অবিচল আস্থা আছে, দয়া করে আইনজীবীদের কথা শুনুন এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন

আইনজীবীরা আপনাদের কাছে ব্যক্তিগত ফেবার বা করুনা চায় না, তারা শুধু একজন বিচারপ্রাথী মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে মাত্র।

সন্ত্রাস বিরোধী আইন এবং ৩২৬ ধারার মামলায় একজন সন্দেহভাজন আসামীকে ও হাইকোর্টের দারস্থ হতে হয় এর চাইতে লজ্জার কি আছে!!

ক্ষমা করেন আজাদ ভাই। ওপারে ভালো থাকেন।⁩

#Bangladesh
17😢10😁9🔥1
😢40😁176🔥1
কক্সবাজারে শিশু মৃত্যুর মিছিল, কিন্তু ঢাকায় কি সেটা টের পাচ্ছে কেউ?

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে কক্সবাজারে প্রায় নয় হাজারের কাছাকাছি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। গত তিন দিনে চারটি শিশু মারা গেছে। জেলা সদর হাসপাতালে এখন একসাথে ৩১ জন শিশু ভর্তি, আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড পর্যন্ত নেই। অথচ ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার এই পুরো সময়টা জুড়ে এমন আচরণ করে গেছে যেন এই দেশে কিছুই ঘটছে না।

এটাকে অবহেলা বললে কম বলা হয়। এটা আসলে একটা রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা, যেটা অনেকটা ইচ্ছাকৃত বলেই মনে হয়।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কথা বলা হচ্ছে বলে অনেকে হয়তো ভাবছেন এটা "আমাদের" সমস্যা না। কিন্তু কক্সবাজার শহর এবং আশপাশের এলাকায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাম্পের বাইরের সাধারণ বাংলাদেশি পরিবারের শিশুরাও এখন ঝুঁকিতে। হাম এমন একটা রোগ যেটা বাতাসের মধ্য দিয়ে ছড়ায়, সীমানা বোঝে না। একটা গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখা যায় না। তারপরেও সরকারের তরফ থেকে কোনো জরুরি ঘোষণা নেই, কোনো জাতীয় টিকাদান অভিযানের কথা নেই, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কোনো বক্তব্য নেই চাপাবাজি করা ছাড়া।

বিএনপি এমন একটা দল যার জন্মটাই হয়েছিল সেনাছাউনিতে, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির যে স্বাভাবিক ধারা সেটার সাথে এই দলের সম্পর্ক শুরু থেকেই বিচ্ছিন্ন। এবারও ক্ষমতায় এসেছে ১২ ফেব্রুয়ারির এমন একটা ভোটের মাধ্যমে যেখানে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, জনগণ বয়কট করেছে। ফলে যে মন্ত্রিসভা এখন বসে আছে, তাদের কাছে জনগণের কাছে জবাবদিহি করার কোনো বাধ্যবাধকতা আছে বলে তারা নিজেরাও মনে করে না। আর সেটা এখন এই মহামারির মধ্যে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।

একটা বৈধ সরকার হলে এতদিনে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কমপক্ষে একটা জরুরি বিজ্ঞপ্তি বের হতো। কক্সবাজারে অতিরিক্ত চিকিৎসক ও ওষুধ পাঠানো হতো। শিশুদের জন্য বিশেষ টিকাদান ক্যাম্প চালু হতো। মিডিয়ায় সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু হতো। কিছুই হয়নি। হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড "করার পরিকল্পনা আছে" এটুকুই পাওয়া গেছে।

শিশু মরছে। এবং সরকার পরিসংখ্যান লুকাচ্ছে। ঘটনাটাকে যেভাবে সামনে আনার কথা ছিল সেটা হচ্ছে না। স্থানীয় চিকিৎসকরা কথা বলছেন, স্থানীয় হাসপাতাল তথ্য দিচ্ছে, কিন্তু জাতীয় পর্যায় থেকে কোনো সাড়া নেই। এটা মহামারি লুকানোর আরেকটা রূপ, সরাসরি মিথ্যা না বললেও নীরব থেকে ঘটনার ভয়াবহতাকে জনমানসে পৌঁছাতে না দেওয়া।

যে সরকার নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ছাড়াই ক্ষমতায় বসেছে, সে সরকারের কাছে জনস্বাস্থ্য একটা রাজনৈতিক হিসাবের বিষয়, মানবিক দায়িত্বের বিষয় না। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিশুদের মৃত্যু তাদের ভোটব্যাংকে কোনো প্রভাব ফেলে না, কক্সবাজারের সাধারণ মানুষের আতঙ্কও তাদের ক্ষমতায় কোনো টান দেয় না। তাই বিকার নেই। সত্যিই কোনো বিকার নেই।

#Bangladesh #BangladeshCrisis
18👍7😁7😢1
😢277😁6👍1
A measles outbreak has spread across 56 districts, with more than 50 children reported dead. The World Health Organization has expressed concern and urged urgent vaccination for all children aged 6 months to 5 years.

Health experts point to major gaps in routine immunization over recent years as the key cause behind the crisis. The situation highlights the urgent need for a nationwide vaccination campaign and immediate public health action.

https://www.bdperspectives.com/3093/

#Bangladesh #BangladeshCrisis
👍21😁65🔥1
Legal concerns are rising in Bangladesh after the decision to ban the Bangladesh Awami League based on a proposed amendment to anti-terrorism laws.

The move, linked to Muhammad Yunus’s leadership, is facing criticism for allegedly bypassing due process—acting before the law was formally approved by parliament.

Experts warn:
⚖️ Ordinances must become law before enforcement
⚖️ Banning a political party without judicial review raises constitutional concerns
⚖️ Skipping official gazette publication could make the decision legally vulnerable

🗳️ Critics say the move could undermine political rights, including freedom of association and fair electoral participation.

With questions over judicial independence and fundamental rights growing, all eyes are now on the Bangladesh Nationalist Party.

Read ➡️ https://www.bdvortex.com/1100/legal-questions-raised-over-political-party-ban-in-bangladesh/

#Bangladesh #BangladeshCrisis #AwamiLeague #BNP
22😁10👍3
তথ্য সংগ্রহ | নির্দেশনা ১/২০২৬

আপনার এলাকায় -
জ্বালানী তেলের সমস্যা - পাম্পে দীর্ঘ লাইন
বিদ্যুতের লোডশেডিং
সারের জন্য হাহাকার
এই পরিস্থিতির সচিত্র প্রতিবেদন, আর্টিকেল - নিউজ এবং ছবি পাঠান
পেজের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অথবা info@albd.org ইমেইলে।

[যারা নাম প্রকাশ করতে চান, তাদেরটা করা হবে - যারা গোপন রাখতে চান, তাদেরটা গোপন রাখা হবে]
👍40😁159
জুলাইয়ের ভুয়া মামলায় গ্রেফতার করা হলো স্পিকার শিরিন শারমিনকে।

মামলার ভাষ্য, ৫ আগস্টে তিনিও পুলিশের সাথে জুলাই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে রাস্তায় ছিলেন! তাহলে সংসদের ভেতর থেকে তাকে রাত আড়াইটায় সেনাবাহিনী উদ্ধার করেছিল, সেই ঘটনার কি হবে?

একটা দেশে যখন আইন-কানুন কিংবা আইনের শাসন থাকেনা, সেই দেশ চরম বিশৃঙ্খলায় পর্যবসিত হয়। বাংলাদেশকে পরিকল্পিতভাবে সেই দিকেই নেওয়া হচ্ছে।

আজ দেশের মানুষের তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, সার আর নিত্যপণ্যের হাহাকার থেকে নজর অন্য দিকে নিতেই মঞ্চস্থ করা হলো এই নাটক। মিডিয়া ব্যস্ত শিরিন শারমিনের গ্রেফতারের খবর নিয়ে, যেন দেশের সবকিছুই স্বাভাবিক।

সবকিছুর জবাব জনগণ খুব দ্রুতই দিয়ে দেবে।
দমন নিপীড়ন করে দীর্ঘদিন মানুষকে দমিয়ে রাখা যায় না।

https://www.facebook.com/share/p/18b4jW2oEz/?mibextid=wwXIfr
👍22😁226🔥1
এই ছবিটার দিকে তাকিয়ে দেখেন কি ভয়াবহ নির্যাতন করা হয়েছে। ১৯ মাস বন্দী রেখে ফ্যাসিস্ট ইউনূস, স্বৈরশাসকের দল বিএনপি এবং রাজাকারের দল জামায়াত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত মেধাবী ও নম্র ভদ্র, নিরহংকারী, সজ্জন এবং মার্জিত রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর এই অমানবিক নির্যাতন আগামী রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত। এই অপরাধের বিচার ৫৬ হাজার বর্গমাইলের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশেই হবে। কোনো পাপি তার প্রায়শ্চিত্ত না করে বিদায় নিতে পারেনি এবং আগামীতেও পার পাবে না। প্রকৃতির বিচার বলেন আর রাষ্ট্রের লিপিবদ্ধ আইনের বিচারে বলেন তার যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। সময় থমকে দাঁড়ায় না, সময় বয়ে চলে এবং তার কাঠগড়ায় কৃতকর্ম হাজির করে শাস্তি নিশ্চিত করে। আমরাও সেই সময়ের অপেক্ষায় রইলাম।

মাহবুব খান
সদস্য, কৃষি ও সমবায় উপ কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
😢53😁32👍6🤬65🔥1
বিশেষ নির্দেশনা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা - কর্মীদের জামিনের তথ্য কেউ ফেসবুক, টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপ এ পোস্ট করবেন না। এতে করে জামিন বাতিল হওয়া এবং জেলে থাকা নেতা কর্মীদের জামিন কার্যক্রম এ বাঁধা হতে পারে।
👍60😁2920🔥1
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭ ই এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা বাণী:-

“বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও প্রতি বছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হয়।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই চিকিৎসা সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে। স্বাস্থ্যখাতে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ আওয়ামীগ সরকারের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করেছে এমডিজি অ্যাওয়ার্ড, সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড ও গ্যাভি অ্যাওয়ার্ডের মত আন্তর্জাতিক পুরস্কার। টিকাদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য ও বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ ‘ভ্যাকসিন হিরো’ নামে আখ্যায়িত হয়েছে। বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এছাড়া, আওয়ামীলীগ সরকারের শাষনামলে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন, পর্যাপ্ত সংখ্যক জনবল নিয়োগ, পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, নার্সিং সেবার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, আইন ও নীতিমালা প্রণয়নসহ স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছে। আমরা নতুন নার্সিং কলেজ, মেডিকেল কলেজ ও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি এবং চিকিৎসকদের পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্সের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করেছি। হাসপাতালে রোগীদের সেবার জন্য চিকিৎসক, নার্স, সাধারণ বেড ও ICU বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছি। এছাড়াও, বিভিন্ন হাসপাতালে টেলিমেডিসিন সেবা চালু করা হয়েছিল। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য সারাদেশে ১৪ হাজার ২৮৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিকে সহজতর করা হয়েছে। ৫ম স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সকল চ্যালেঞ্জসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে তা মোকাবিলার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। এ সমস্ত সেবার মাধ্যমে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই বাংলাদেশে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনের পথ সুগম হয়েছিল।
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)’র অন্যতম একটি লক্ষ্য হচ্ছে সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। আওয়ামী লীগ সরকার বৈশ্বিক এই ঘোষণার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছিল এবং আমরা স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির অধিকারকে অন্যতম মানবাধিকার হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করার ফলে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ঈর্ষনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিশুমৃত্যু, মাতৃমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছিল।
কিন্তু দু:খের বিষয়
আগষ্ট ২০২৪ এ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে ডঃ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকার অতীতের ধারাবাহিকতায় পঞ্চম সেক্টর প্রোগ্রাম চালু করেনি। অপারেশন প্ল্যান না থাকায় বিভিন্ন হাসপাতালে র‌্যাবিস ভ্যাকসিন বরাদ্ধ বন্ধ হয়ে গেছে। ২৬ জুন থেকে টানা তিন দিন রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালেও ভ্যাকসিন সেবা বন্ধ ছিল।

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ড.ইউনূচ এর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা দু তিন মাস আন্দোলনে ছিলেন, কারন তারা বেতন পাচ্ছিলেন না। তারা কর্মীদের বেতন দেয়নি, ডাটা মনিটরিং করেনি এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য হচ্ছে- যথেষ্ট ভ্যাক্সিন সরবরাহ করেনি।
২০২৫ সালে হামের টিকা পায়নি ৪৪% শিশু।

যার ফলশ্রুতিতে দেশে এখন হাম রোগের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। এ পর্যন্ত হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৩৮ জন শিশুর মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার ছাড়িয়েছে। এই মৃত্যুর দায়ভার কোনভাবেই ড: ইউনূচ এড়াতে পারে না। আমি এই হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করছি।

আমি ‘বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস ২০২৬' উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা সংস্লিষ্ট সকল পর্যায়ের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী সহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
😢19😁12👍6
25😁11👍4