Bangladesh Awami League
95.6K subscribers
11.1K photos
2.83K videos
25 files
12.1K links
Official Telegram Channel of Bangladesh Awami League.
Stay Connceted on Web 👉 www.albd.org
Follow us on -
🔴 Insta 👉 https://instagram.com/albd1949
🟣 Tw 👉 https://twitter.com/albd1971
🔵 FB 👉https://www.facebook.com/awamileague.1949
Download Telegram
খালি তাক, খালি হাত, পূর্ণ নির্লিপ্ততা

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের নরহরিপুরের বাসিন্দা সাফায়েত হোসেন প্রতিবার অসুস্থ হলে ৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। কারণটা সহজ, তার এলাকার কমিউনিটি ক্লিনিকে গত ছয় মাস ধরে ওষুধ নেই। ক্লিনিক আছে, স্বাস্থ্যকর্মী আছেন, কিন্তু দেওয়ার মতো ওষুধ নেই। পরামর্শ নিতে আসা মানুষ শুধু পরামর্শ নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন, চিকিৎসা ছাড়া।

এটা শুধু মনোহরগঞ্জের গল্প নয়। সারা দেশের গ্রামীণ জনপদে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক এখন প্রায় কার্যত অচল। যে ক্লিনিকগুলো একসময় গ্রামের গরিব মানুষের কাছে বিনামূল্যে ২২ ধরনের ওষুধ পৌঁছে দিত, সেই ক্লিনিকগুলো থেকে এখন মানুষ খালি হাতে ফিরছে।

শেখ হাসিনা যখন কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ে তুলেছিলেন, তখন দেশে এবং বিদেশে সবাই এটাকে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক নানা সংস্থা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। গ্রামের একজন গর্ভবতী নারী, একজন বৃদ্ধ, একজন দিনমজুর যে হাসপাতালে যাওয়ার সময় বা সামর্থ্য রাখেন না, তিনি ঘরের কাছেই একটু স্বস্তির ঠিকানা পেতেন। সেই ঠিকানা এখন নামেমাত্র টিকে আছে।

বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির একটি নির্বাচনের মাধ্যমে, যেখানে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ছিল না। জনগণের একটি বড় অংশ সেই ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে। যে দলের জন্ম সেনানিবাসে, যার গায়ে দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের দাগ বহু পুরনো, সেই দল এখন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দায়িত্বে। ফলাফল চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছে।

মনোহরগঞ্জের সিএইচসিপি কাজী আবু মঞ্জুর জানিয়েছেন, সর্বশেষ গত বছরের আগস্টে মাত্র ৪ কার্টন ওষুধ পেয়েছিলেন। তারপর থেকে আর কিছু আসেনি। যা ছিল তা রোগীদের মধ্যে ভাগ করে দিয়ে কোনোরকমে ২-৩ মাস চালিয়েছেন। এখন শুধু পরামর্শ দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। গর্ভবতী মায়েদের পাঠিয়ে দিতে হচ্ছে উপজেলা কমপ্লেক্সে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কোনো সাড়া নেই। মানে দাঁড়াচ্ছে, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান আরেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিচ্ছে, আর সেই চিঠি কোনো টেবিলে পড়ে আছে, কেউ দেখছে না।

এটা অদক্ষতার সমস্যা হতে পারে। অব্যবস্থাপনার সমস্যা হতে পারে। কিন্তু ছয় মাস ধরে টানা ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকা, বারবার চিঠি দিয়েও সাড়া না পাওয়া এটাকে আর শুধু অদক্ষতা বলা যায় না। এটা দায়িত্বহীনতা। গ্রামের সাধারণ মানুষের প্রতি সরাসরি উদাসীনতা।

বিএনপির মন্ত্রিপরিষদ এখন দেশ চালাচ্ছেন। তাদের কাছে প্রশ্নটা একটাই, ছয় মাসে একটিবারও কি মাথায় আসেনি যে মনোহরগঞ্জের মতো দেশের হাজারো প্রান্তিক এলাকায় মানুষ ওষুধের অভাবে ভুগছে? নাকি আসলে এই মানুষগুলোর কথা মাথায় রাখার প্রয়োজনই মনে হয়নি?

শেখ হাসিনার হাতে গড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ধ্বংস করতে বিএনপির আলাদা কোনো উদ্যোগ নিতে হয়নি। শুধু চুপ করে বসে থাকলেই হয়েছে। আর সেই কাজটা তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করে যাচ্ছে।

#Bangladesh #BangladeshCrisis #BNP
👍20😁121
😢29😁121🔥1
কানসাটের পর রাঙামাটি? : তেলের লাইনে দাঁড়িয়ে ধুঁকছে কৃষক, ইনকিলাবের পুত্র-কন্যারা কোথায় এখন?

রাঙামাটিতে কৃষকরা ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দুপুরে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। জমির মাটি ফেটে যাচ্ছে, সেচ দেওয়া যাচ্ছে না, বোরো ধান মাঠেই মরে যাওয়ার উপক্রম। অকটেনের অভাবে তিনদিন ধরে স্পিডবোট বন্ধ। ট্রাকে তরমুজ নিয়ে চট্টগ্রাম যেতে পারছেন না চালক। এই দৃশ্য ২০২৬ সালের এপ্রিলের, বিএনপি সরকারের আমলের।

কী এক আশ্চর্য নিয়তি এই দেশের। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে, সবার আগে বিপদে পড়েন কৃষকরা। জ্বালানি নেই, সার নেই, বিদ্যুৎ নেই। আগের আমলে কানসাটে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। সেটা এই দেশের মানুষ ভোলেনি। এবার কি তেলের জন্য লাইনে দাঁড়ানো কৃষকদের গুলি করা হবে?

২০২৪ সালের জুলাই দাঙ্গায় জুলাই সন্ত্রাসীরা স্লোগান দিয়েছিল পাঁচশ টাকায় গরুর মাংস খাওয়ার দাবীতে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে গলা ফাটিয়েছিল। দেশকে বেহেশত বানিয়ে দেয়ার স্বপ্নদোষে ভাসিয়ে দিয়েছিলো সবাইকে। সেই মানুষগুলোকে কিন্তু এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! কারন তারা নিজেরাই এখন তাদের বাইকের জন্য, ট্রলারের জন্য তেল পাচ্ছেন না। গরুর মাংস তো দূরের কথা, ডিজেল কিনতে ভোর ছয়টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে বেলা এগারোটায় খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। এখন কি আর ইনকিলাব জিন্দাবাদের চিৎকার বের হয়?

ইউনুসের অ-সরকার ষোল মাস এই দেশকে যেভাবে চালিয়েছে, সেটা ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। বিদেশি অর্থে, জঙ্গি সংগঠনের কাঁধে ভর করে, সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদতে একটা নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় বসা মানুষটা এই দেশের অর্থনীতির যে ক্ষতি করে গেছেন, তার হিসাব মেলানো কঠিন। কিন্তু সেই ইউনুসকে সরিয়ে যে বিএনপি এলো ফেব্রুয়ারিতে, তারাও কি একটু অন্যরকম কিছু করছে? রাঙামাটির কৃষকের উত্তর সোজা, না।

সপ্তাহে তিনদিন, মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য ডিজেল বিক্রির নিয়ম বানিয়ে প্রশাসন যে সংকট তৈরি করেছে, সেটা দিয়ে কৃষকের জমির তেষ্টা মেটানো যাচ্ছে না। বালুখালীর কৃষক ভোর ছয়টায় লাইনে দাঁড়াচ্ছেন, বরকল থেকে নৌকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাড়ি দিয়ে আসছেন সোহেল চাকমারা, আর ফিরছেন খালি হাতে। জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে, বৃষ্টির জন্য আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া উপায় নেই।

একটা দেশকে এভাবেই ধ্বংস করতে হয়। একটু একটু করে, চুপচাপ। বিদেশে বক্তৃতা দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে আসা সুদী মহাজন তো চলে গেছেন। কিন্তু যে ধ্বংসস্তূপ রেখে গেছেন, তার উপর দাঁড়িয়ে বিএনপিও কৃষককে একটা কেরোসিনের টিন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারছে না। সাজানো গোছানো দেশটা ধ্বংস হয়ে গেছে, আর সেই ধ্বংসের মধ্যে রাঙামাটির কৃষক এখনও লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, কারো দিকে তাকিয়ে।

#Bangladesh #BangladeshCrisis
19😁12👍5😢3
😁25👍195😢4🥰3🔥2
পুরো দেশ ও জাতির ফেঁসে যাওয়ার আখ্যান : একটা পাম্প, তিনশো গাড়ি, আর রাশি রাশি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি

শহীদুল ইসলাম ভোর থেকে পাঁচটা পাম্প ঘুরলেন। শাহরিয়ার রহমান খিলক্ষেত থেকে বের হলেন, তিনটা পাম্প ঘুরলেন। আবদুল্লাহ আল মামুন ভোর পাঁচটায় লাইনে দাঁড়ালেন, আট ঘণ্টা পরেও তেল নেই। এরা সবাই সাধারণ মানুষ। কেউ গাড়িচালক, কেউ চাকরিজীবী, কেউ কলেজপড়ুয়া ছেলে। এদের কারো কাছে সময় ফেলনা জিনিস না। তবু রাস্তায় বসে আছেন, গাছের ছায়ায় ঘুমাচ্ছেন, অপেক্ষা করছেন।

এটা ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের ছবি। রাজধানী ঢাকার ছবি।

আসাদগেটের একটা পাম্পে দুপুর বারোটায় ২৩০টা প্রাইভেট কার আর ১৩৮টা মোটরসাইকেল লাইনে। বিজয় সরণিতে ৪২১টা গাড়ি, ৬৩৩টা মোটরসাইকেল। লাইন তেজগাঁও পার হয়ে যাচ্ছে। পাম্পের কর্মকর্তা বলছেন, গতকাল রাতেই তেল শেষ। ডিপোতে গাড়ি গেছে, কখন আসবে জানি না। এই "জানি না" কথাটাই আসলে গোটা শাসনব্যবস্থার সারসংক্ষেপ।

অথচ মন্ত্রী বলছেন তেলের অভাব নেই।

এই দেশে এখন এটাই নিয়ম হয়ে গেছে। মানুষ রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কষ্ট পাচ্ছেন আর উপরমহল থেকে বলা হচ্ছে সব ঠিক আছে। এই ফাঁকটা, মানুষের বাস্তব জীবন আর সরকারি বয়ানের মাঝখানের এই বিশাল খাদটা, এটাই বিএনপি সরকারের আসল পরিচয় হয়ে উঠেছিল।

২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া দল যে দেশের জ্বালানি সংকট সামলাতে পারবে না, সেটা কি অবাক করার মতো কিছু?

গত সপ্তাহে আত্মীয়ের কাছ থেকে দুই লিটার তেল ধার করে কলেজে যাওয়া একটা ছেলের গল্প আসলে এই সময়টার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলিল।

যে দেশের মানুষ "মাংসের স্বাধীনতা" চেয়েছিলেন, সে দেশের মানুষ এখন মোটরসাইকেলের জন্য দুই লিটার তেলও ঠিকমতো পাচ্ছেন না। এটা নিছক জ্বালানি সংকট না। এটা একটা ব্যর্থতার গল্প। পরিকল্পনার ব্যর্থতা, অগ্রাধিকারের ব্যর্থতা, মানুষের দিকে তাকানোর ব্যর্থতা।

ইউনুস সরকার এখন নেই, ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বিএনপি ক্ষমতায়। কিন্তু ওই দেড় বছরের ক্ষত সহজে যাওয়ার না। একটা দেশের অর্থনীতি, জ্বালানি অবকাঠামো, সরবরাহ ব্যবস্থা এত সহজে ঠিক হয় না। এই পাম্পে পাম্পে লাইন, এই "কখন তেল আসবে জানি না" জবাব, এই রাস্তায় আটকে থাকা মানুষগুলো সেই ক্ষতেরই চিহ্ন।

শহীদুল ইসলাম বলেছিলেন, "তেল নিতে এসে ফেঁসে গেছি মনে হচ্ছে।"

না ভাই, শুধু আপনি না। ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর পুরো দেশটাই ফেঁসে গেছে।

#Bangladesh #BangladeshCrisis
👍18😁96🔥1😢1
👍38😁113😢2
⁨একজন অসহায় আইনজীবী এবং একজন মৃত আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের করুন আর্তনাদ
———

এ কে আজাদ, সবুজবাগ ২০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
দুইটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামী। একটি সন্ত্রাস বিরোধী আইন আর একটি পেনাল কোর্টের ৩২৬ ধারার মামলা।

৩রা মার্চ জনাব এ কে আজাদ জেলখানায় ব্রেন স্ট্রোক করেন।

তার নিযুক্ত আইনজীবী মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে ৮, ৯, ১০ মার্চ যথাক্রমে মেনশন করে কোর্টকে অবহিত করে, আসামী জনাব এ কে আজাদ ব্রেন স্ট্রোক করে তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আই সি ইউ তে ভর্তি আছে, অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন বিবেচনায় মামলার সিরিয়াল আপগ্রেড করার জন্য। কিন্তু মহামান্য কোর্ট আইনজীবীর কথা শুনেননি।

গত ১১ই মার্চ সিরিয়াল অনুযায়ী তার জামিন হয়। ১৮ মার্চ আসামী জামিন লাভ করেন। জামিনের পর আসামির পরিবার তাকে চিকিৎসা করান কিন্তু ডাক্তারের ভাষ্যমতে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

অবশেষে গতকাল জনাব এ কে আজাদ মৃত্যুবরন করেন এবং তার স্ত্রী এবং মাসুম বাচ্চাদের আর্তনাদ যে উকিল সাহেব জজসাহেবকে ঠিক ভাবে বলেন নি যে এ কে আজাদ আইসিইউতে কারন জজ সাহেবরা কখনোই এতো নিষ্ঠুর হতে পারেন না।

আমি একজন উকিল হিসেবে এই অভিযোগের কোনো উত্তর দিতে পারবো না। শুধু মাননীয় জজ সাহেবদের বলবো আপনাদের উপর সাধারণ মানুষের এখোনো অবিচল আস্থা আছে, দয়া করে আইনজীবীদের কথা শুনুন এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন

আইনজীবীরা আপনাদের কাছে ব্যক্তিগত ফেবার বা করুনা চায় না, তারা শুধু একজন বিচারপ্রাথী মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে মাত্র।

সন্ত্রাস বিরোধী আইন এবং ৩২৬ ধারার মামলায় একজন সন্দেহভাজন আসামীকে ও হাইকোর্টের দারস্থ হতে হয় এর চাইতে লজ্জার কি আছে!!

ক্ষমা করেন আজাদ ভাই। ওপারে ভালো থাকেন।⁩

#Bangladesh
17😢10😁9🔥1
😢40😁176🔥1
কক্সবাজারে শিশু মৃত্যুর মিছিল, কিন্তু ঢাকায় কি সেটা টের পাচ্ছে কেউ?

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে কক্সবাজারে প্রায় নয় হাজারের কাছাকাছি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। গত তিন দিনে চারটি শিশু মারা গেছে। জেলা সদর হাসপাতালে এখন একসাথে ৩১ জন শিশু ভর্তি, আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড পর্যন্ত নেই। অথচ ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার এই পুরো সময়টা জুড়ে এমন আচরণ করে গেছে যেন এই দেশে কিছুই ঘটছে না।

এটাকে অবহেলা বললে কম বলা হয়। এটা আসলে একটা রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা, যেটা অনেকটা ইচ্ছাকৃত বলেই মনে হয়।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কথা বলা হচ্ছে বলে অনেকে হয়তো ভাবছেন এটা "আমাদের" সমস্যা না। কিন্তু কক্সবাজার শহর এবং আশপাশের এলাকায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাম্পের বাইরের সাধারণ বাংলাদেশি পরিবারের শিশুরাও এখন ঝুঁকিতে। হাম এমন একটা রোগ যেটা বাতাসের মধ্য দিয়ে ছড়ায়, সীমানা বোঝে না। একটা গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখা যায় না। তারপরেও সরকারের তরফ থেকে কোনো জরুরি ঘোষণা নেই, কোনো জাতীয় টিকাদান অভিযানের কথা নেই, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কোনো বক্তব্য নেই চাপাবাজি করা ছাড়া।

বিএনপি এমন একটা দল যার জন্মটাই হয়েছিল সেনাছাউনিতে, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির যে স্বাভাবিক ধারা সেটার সাথে এই দলের সম্পর্ক শুরু থেকেই বিচ্ছিন্ন। এবারও ক্ষমতায় এসেছে ১২ ফেব্রুয়ারির এমন একটা ভোটের মাধ্যমে যেখানে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, জনগণ বয়কট করেছে। ফলে যে মন্ত্রিসভা এখন বসে আছে, তাদের কাছে জনগণের কাছে জবাবদিহি করার কোনো বাধ্যবাধকতা আছে বলে তারা নিজেরাও মনে করে না। আর সেটা এখন এই মহামারির মধ্যে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।

একটা বৈধ সরকার হলে এতদিনে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কমপক্ষে একটা জরুরি বিজ্ঞপ্তি বের হতো। কক্সবাজারে অতিরিক্ত চিকিৎসক ও ওষুধ পাঠানো হতো। শিশুদের জন্য বিশেষ টিকাদান ক্যাম্প চালু হতো। মিডিয়ায় সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু হতো। কিছুই হয়নি। হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড "করার পরিকল্পনা আছে" এটুকুই পাওয়া গেছে।

শিশু মরছে। এবং সরকার পরিসংখ্যান লুকাচ্ছে। ঘটনাটাকে যেভাবে সামনে আনার কথা ছিল সেটা হচ্ছে না। স্থানীয় চিকিৎসকরা কথা বলছেন, স্থানীয় হাসপাতাল তথ্য দিচ্ছে, কিন্তু জাতীয় পর্যায় থেকে কোনো সাড়া নেই। এটা মহামারি লুকানোর আরেকটা রূপ, সরাসরি মিথ্যা না বললেও নীরব থেকে ঘটনার ভয়াবহতাকে জনমানসে পৌঁছাতে না দেওয়া।

যে সরকার নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ছাড়াই ক্ষমতায় বসেছে, সে সরকারের কাছে জনস্বাস্থ্য একটা রাজনৈতিক হিসাবের বিষয়, মানবিক দায়িত্বের বিষয় না। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিশুদের মৃত্যু তাদের ভোটব্যাংকে কোনো প্রভাব ফেলে না, কক্সবাজারের সাধারণ মানুষের আতঙ্কও তাদের ক্ষমতায় কোনো টান দেয় না। তাই বিকার নেই। সত্যিই কোনো বিকার নেই।

#Bangladesh #BangladeshCrisis
18👍7😁7😢1
😢277😁6👍1
A measles outbreak has spread across 56 districts, with more than 50 children reported dead. The World Health Organization has expressed concern and urged urgent vaccination for all children aged 6 months to 5 years.

Health experts point to major gaps in routine immunization over recent years as the key cause behind the crisis. The situation highlights the urgent need for a nationwide vaccination campaign and immediate public health action.

https://www.bdperspectives.com/3093/

#Bangladesh #BangladeshCrisis
👍21😁65🔥1
Legal concerns are rising in Bangladesh after the decision to ban the Bangladesh Awami League based on a proposed amendment to anti-terrorism laws.

The move, linked to Muhammad Yunus’s leadership, is facing criticism for allegedly bypassing due process—acting before the law was formally approved by parliament.

Experts warn:
⚖️ Ordinances must become law before enforcement
⚖️ Banning a political party without judicial review raises constitutional concerns
⚖️ Skipping official gazette publication could make the decision legally vulnerable

🗳️ Critics say the move could undermine political rights, including freedom of association and fair electoral participation.

With questions over judicial independence and fundamental rights growing, all eyes are now on the Bangladesh Nationalist Party.

Read ➡️ https://www.bdvortex.com/1100/legal-questions-raised-over-political-party-ban-in-bangladesh/

#Bangladesh #BangladeshCrisis #AwamiLeague #BNP
22😁10👍3
তথ্য সংগ্রহ | নির্দেশনা ১/২০২৬

আপনার এলাকায় -
জ্বালানী তেলের সমস্যা - পাম্পে দীর্ঘ লাইন
বিদ্যুতের লোডশেডিং
সারের জন্য হাহাকার
এই পরিস্থিতির সচিত্র প্রতিবেদন, আর্টিকেল - নিউজ এবং ছবি পাঠান
পেজের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অথবা info@albd.org ইমেইলে।

[যারা নাম প্রকাশ করতে চান, তাদেরটা করা হবে - যারা গোপন রাখতে চান, তাদেরটা গোপন রাখা হবে]
👍41😁1510