বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের ১৫১ জন নেতাকর্মী এক যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেয়া মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
👍45😁32❤6🔥2
*সংকটকালীন বাংলাদেশ,রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বই সমাধান*
বাংলাদেশ আজ এক গভীর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের স্থিতিশীল নেতৃত্ব হঠাৎ থেমে যাওয়ার পর রাষ্ট্রযন্ত্রে যে বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, তা দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। সরকার পরিবর্তনের পর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রশাসন, অর্থনীতি ও উন্নয়ন খাতে। নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলা কতটা ভয়াবহ হতে পারে—আজকের বাস্তবতা তারই প্রমাণ।
বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন দেশের জন্য কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারছে না। সিদ্ধান্তহীনতা, অভ্যন্তরীণ অরাজকতা এবং প্রশাসনিক অক্ষমতা মিলিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো স্থগিত, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে, ব্যবসাবাণিজ্য সংকুচিত, এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। নেতৃত্বহীনতার চেয়ে রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক কিছু নেই—বাংলাদেশ আজ সেই বাস্তবতার মুখোমুখি।
বাংলাদেশের মানুষ জানে—স্থিতিশীলতা, পূর্বাভাসযোগ্যতা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতার প্রতীক ছিলেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের উন্নয়ন, অবকাঠামো বিপ্লব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা প্রতিষ্ঠা—এসব কোনো আকস্মিক সাফল্য নয়; এটি ছিল সুচিন্তিত নেতৃত্বের ফল। সেই নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে দেশ যে ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, তা ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক সবাই অনুভব করছে।
উন্নয়নের যে ট্রেন একসময় দ্রুতগতিতে এগোচ্ছিল, নেতৃত্ব বদলের পর তা হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলি টানেল, চারলেন মহাসড়ক—যে সব প্রকল্প দেশের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছিল, এখন সেগুলো অগ্রগতিহীন। বড় বড় প্রকল্পে অর্থায়ন অনিশ্চিত, আন্তর্জাতিক সংস্থার আস্থা দুর্বল। রাষ্ট্র পরিচালনায় অস্থিরতা তৈরি হলে উন্নয়ন কত সহজে ভেঙে পড়ে—বাংলাদেশ আজ সে কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করে দিচ্ছে—অদক্ষ নেতৃত্ব রাষ্ট্রকে সংকটে ঠেলে দিতে পারে। আইনশৃঙ্খলা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে, বাজার নিয়ন্ত্রণহীন, এবং প্রশাসন নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চিত। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনসমর্থন ও বৈধতা। এই দুটি বৈশিষ্ট্য ছাড়া রাষ্ট্র কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে না। দেশের ভেতরে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা রোধ করার মতো দৃঢ় নেতৃত্ব এখন নেই বললেই চলে।
এই পরিস্থিতিতে জনগণের একটি বড় অংশের মত স্পষ্ট—দেশকে আবার স্থিতিশীল পথে ফেরাতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন। নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা শুধু উন্নয়ন নয়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানকেও শক্তিশালী করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা আজ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক, কারণ দেশের সংকট এখন আরও গভীর। অনিশ্চয়তার এই সময়ে একটি শক্ত, সুসংগঠিত ও জনসমর্থিত সরকারের উপস্থিতি ছাড়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ থাকবে না।
দেশের সাধারণ মানুষের রায়ও স্পষ্ট। অস্থিরতার মাঝেও অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে—বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে হলে আওয়ামীলীগের মতো সংগঠিত দল প্রয়োজন, আর দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে হলে শেখ হাসিনার মতো অভিজ্ঞ, প্রমাণিত ও স্থিতিশীল নেতৃত্বই অপরিহার্য। আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটাই সত্য—দেশকে সংকট থেকে টেনে তুলতে হলে আবার শক্ত হাতে হাল ধরতে হবে সেই নেতৃত্বকেই, যিনি এক সময় বাংলাদেশকে উন্নয়নের উচ্চতায় তুলেছিলেন এবং যিনি জানেন রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালনা করতে হয়।
#Bangladesh #SheikhHasina
বাংলাদেশ আজ এক গভীর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের স্থিতিশীল নেতৃত্ব হঠাৎ থেমে যাওয়ার পর রাষ্ট্রযন্ত্রে যে বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, তা দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। সরকার পরিবর্তনের পর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রশাসন, অর্থনীতি ও উন্নয়ন খাতে। নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলা কতটা ভয়াবহ হতে পারে—আজকের বাস্তবতা তারই প্রমাণ।
বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন দেশের জন্য কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারছে না। সিদ্ধান্তহীনতা, অভ্যন্তরীণ অরাজকতা এবং প্রশাসনিক অক্ষমতা মিলিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো স্থগিত, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে, ব্যবসাবাণিজ্য সংকুচিত, এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। নেতৃত্বহীনতার চেয়ে রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক কিছু নেই—বাংলাদেশ আজ সেই বাস্তবতার মুখোমুখি।
বাংলাদেশের মানুষ জানে—স্থিতিশীলতা, পূর্বাভাসযোগ্যতা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতার প্রতীক ছিলেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের উন্নয়ন, অবকাঠামো বিপ্লব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা প্রতিষ্ঠা—এসব কোনো আকস্মিক সাফল্য নয়; এটি ছিল সুচিন্তিত নেতৃত্বের ফল। সেই নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে দেশ যে ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, তা ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক সবাই অনুভব করছে।
উন্নয়নের যে ট্রেন একসময় দ্রুতগতিতে এগোচ্ছিল, নেতৃত্ব বদলের পর তা হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলি টানেল, চারলেন মহাসড়ক—যে সব প্রকল্প দেশের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছিল, এখন সেগুলো অগ্রগতিহীন। বড় বড় প্রকল্পে অর্থায়ন অনিশ্চিত, আন্তর্জাতিক সংস্থার আস্থা দুর্বল। রাষ্ট্র পরিচালনায় অস্থিরতা তৈরি হলে উন্নয়ন কত সহজে ভেঙে পড়ে—বাংলাদেশ আজ সে কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করে দিচ্ছে—অদক্ষ নেতৃত্ব রাষ্ট্রকে সংকটে ঠেলে দিতে পারে। আইনশৃঙ্খলা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে, বাজার নিয়ন্ত্রণহীন, এবং প্রশাসন নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চিত। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনসমর্থন ও বৈধতা। এই দুটি বৈশিষ্ট্য ছাড়া রাষ্ট্র কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে না। দেশের ভেতরে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা রোধ করার মতো দৃঢ় নেতৃত্ব এখন নেই বললেই চলে।
এই পরিস্থিতিতে জনগণের একটি বড় অংশের মত স্পষ্ট—দেশকে আবার স্থিতিশীল পথে ফেরাতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন। নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা শুধু উন্নয়ন নয়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানকেও শক্তিশালী করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা আজ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক, কারণ দেশের সংকট এখন আরও গভীর। অনিশ্চয়তার এই সময়ে একটি শক্ত, সুসংগঠিত ও জনসমর্থিত সরকারের উপস্থিতি ছাড়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ থাকবে না।
দেশের সাধারণ মানুষের রায়ও স্পষ্ট। অস্থিরতার মাঝেও অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে—বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে হলে আওয়ামীলীগের মতো সংগঠিত দল প্রয়োজন, আর দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে হলে শেখ হাসিনার মতো অভিজ্ঞ, প্রমাণিত ও স্থিতিশীল নেতৃত্বই অপরিহার্য। আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটাই সত্য—দেশকে সংকট থেকে টেনে তুলতে হলে আবার শক্ত হাতে হাল ধরতে হবে সেই নেতৃত্বকেই, যিনি এক সময় বাংলাদেশকে উন্নয়নের উচ্চতায় তুলেছিলেন এবং যিনি জানেন রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালনা করতে হয়।
#Bangladesh #SheikhHasina
❤34😁18🔥1
বিশ্বব্যাংকের দেয়া গা শিউরে ওঠা প্রতিবেদন
২০১০-২০২২: দুই কোটি মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত, ২০২৪-২৫: ছয় কোটি মানুষ দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে
বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনটি যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে, তা দেখে আর অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন রাস্তায় নামানো হাজার হাজার তরুণকে ব্যবহার করে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তখন থেকেই এই পরিণতি অনিবার্য ছিল। মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন যে তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তার পেছনে বিদেশি শক্তির অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীর সক্রিয় সহযোগিতা এবং সেনাবাহিনীর একাংশের মদদ থাকার অভিযোগ এখন আর গোপন কিছু নয়।
বাংলাদেশ ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছিল, তা রাতারাতি বিপন্ন হয়ে পড়েছে। দুই কোটি বিশ লাখ মানুষ যখন দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে মধ্যবিত্ত স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই অবৈধ ক্ষমতা দখলের ঘটনা ঘটল। এখন সেই মানুষগুলোই আবার দারিদ্র্যসীমার দিকে ঠেলে যাওয়ার হুমকিতে রয়েছে। ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যে যেকোনো সময় আবার দরিদ্র হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে, এই পরিসংখ্যান শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি জাতীয় বিপর্যয়ের পূর্বাভাস।
ইউনুস ও তার দলবল ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়ার সব লক্ষণই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি যেভাবে বেড়ে চলেছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেভাবে কমছে, বেকারত্ব যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিশ্বব্যাংকের এই সতর্কবার্তা মোটেই অতিরঞ্জিত মনে হয় না। উল্টো মনে হয়, বাস্তবতা হয়তো আরও ভয়াবহ হতে পারে।
জুলাইয়ের সেই তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের আসল চরিত্র এখন আর কারও কাছে অজানা নেই। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনটি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, তার পেছনে বিদেশি অর্থায়ন আর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে নানা সূত্র থেকে। ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো যেভাবে রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, পুলিশ প্রশাসনকে পঙ্গু করে দিয়েছিল, সেটা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত জনআন্দোলনের বৈশিষ্ট্য বহন করে না। এটা ছিল একটা সুপরিকল্পিত ক্যু, যেখানে তরুণ প্রজন্মকে ব্যবহার করা হয়েছে কামানের খোরাক হিসেবে।
মুহাম্মদ ইউনুস, যিনি নিজেকে দরিদ্রদের বন্ধু হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেন, তার নেতৃত্বেই এখন দেশের সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য সংকট তৈরি হতে যাচ্ছে। কী নিদারুণ পরিহাস! যে মানুষটি ক্ষুদ্রঋণের নামে দরিদ্র মানুষকে চক্রবৃদ্ধি সুদের জালে আটকে ফেলার অভিযোগে বারবার সমালোচিত হয়েছেন, সেই মানুষটিই এখন পুরো দেশকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। গ্রামীণ বাংলার মহিলারা যেভাবে তার প্রতিষ্ঠানের ঋণের বোঝায় জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন, এখন পুরো দেশকেই সেই একই পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে যে আয়বৈষম্য বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, তা আরও বেশি উদ্বেগজনক। জুলাইয়ের পর থেকে ধনীরা আরও ধনী হয়েছে, আর গরিবরা আরও গরিব হচ্ছে। এটাই হলো এই অবৈধ শাসনের আসল চেহারা। যারা ক্ষমতায় এসেছে ন্যায়বিচার আর সমতার কথা বলে, তারাই দেশে বৈষম্যকে আকাশছোঁয়া করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যা কিছু সুফল ছিল, তা এখন মুষ্টিমেয় ক্ষমতাসীনদের পকেটে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে, তাদের বেশিরভাগই সেই মানুষ যারা গত দেড় দশকে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের জীবনমান উন্নত করেছিল। ছোট ব্যবসায়ী, দিনমজুর, রিকশাচালক, গার্মেন্টস শ্রমিক, এই মানুষগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি অসহায়। যেকোনো অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ছোট কোনো আর্থিক ধাক্কায় তারা আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। এই অবস্থার জন্য দায়ী কারা? যারা দেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যারা নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, তারাই এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।
বিদেশি শক্তির টাকায় পরিচালিত এই অন্তর্বর্তী সরকার দেশের স্বার্থের চেয়ে তাদের প্রভুদের স্বার্থই বেশি দেখছে। দেশের অর্থনীতি যখন ডুবে যাচ্ছে, তখন তারা ব্যস্ত থাকছে বিদেশি দাতা সংস্থা আর পশ্চিমা শক্তিগুলোকে খুশি করতে। যে দেশের মানুষ একসময় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল, সেই দেশেই এখন খাদ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ছে, আমদানি ব্যয় বাড়ছে, রফতানি কমছে, আর সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছে মূল্যস্ফীতির চাপে।
২০১০-২০২২: দুই কোটি মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত, ২০২৪-২৫: ছয় কোটি মানুষ দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে
বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনটি যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে, তা দেখে আর অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন রাস্তায় নামানো হাজার হাজার তরুণকে ব্যবহার করে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তখন থেকেই এই পরিণতি অনিবার্য ছিল। মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন যে তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তার পেছনে বিদেশি শক্তির অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীর সক্রিয় সহযোগিতা এবং সেনাবাহিনীর একাংশের মদদ থাকার অভিযোগ এখন আর গোপন কিছু নয়।
বাংলাদেশ ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছিল, তা রাতারাতি বিপন্ন হয়ে পড়েছে। দুই কোটি বিশ লাখ মানুষ যখন দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে মধ্যবিত্ত স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই অবৈধ ক্ষমতা দখলের ঘটনা ঘটল। এখন সেই মানুষগুলোই আবার দারিদ্র্যসীমার দিকে ঠেলে যাওয়ার হুমকিতে রয়েছে। ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যে যেকোনো সময় আবার দরিদ্র হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে, এই পরিসংখ্যান শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি জাতীয় বিপর্যয়ের পূর্বাভাস।
ইউনুস ও তার দলবল ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়ার সব লক্ষণই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি যেভাবে বেড়ে চলেছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেভাবে কমছে, বেকারত্ব যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিশ্বব্যাংকের এই সতর্কবার্তা মোটেই অতিরঞ্জিত মনে হয় না। উল্টো মনে হয়, বাস্তবতা হয়তো আরও ভয়াবহ হতে পারে।
জুলাইয়ের সেই তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের আসল চরিত্র এখন আর কারও কাছে অজানা নেই। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনটি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, তার পেছনে বিদেশি অর্থায়ন আর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে নানা সূত্র থেকে। ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো যেভাবে রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, পুলিশ প্রশাসনকে পঙ্গু করে দিয়েছিল, সেটা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত জনআন্দোলনের বৈশিষ্ট্য বহন করে না। এটা ছিল একটা সুপরিকল্পিত ক্যু, যেখানে তরুণ প্রজন্মকে ব্যবহার করা হয়েছে কামানের খোরাক হিসেবে।
মুহাম্মদ ইউনুস, যিনি নিজেকে দরিদ্রদের বন্ধু হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেন, তার নেতৃত্বেই এখন দেশের সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য সংকট তৈরি হতে যাচ্ছে। কী নিদারুণ পরিহাস! যে মানুষটি ক্ষুদ্রঋণের নামে দরিদ্র মানুষকে চক্রবৃদ্ধি সুদের জালে আটকে ফেলার অভিযোগে বারবার সমালোচিত হয়েছেন, সেই মানুষটিই এখন পুরো দেশকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। গ্রামীণ বাংলার মহিলারা যেভাবে তার প্রতিষ্ঠানের ঋণের বোঝায় জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন, এখন পুরো দেশকেই সেই একই পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে যে আয়বৈষম্য বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, তা আরও বেশি উদ্বেগজনক। জুলাইয়ের পর থেকে ধনীরা আরও ধনী হয়েছে, আর গরিবরা আরও গরিব হচ্ছে। এটাই হলো এই অবৈধ শাসনের আসল চেহারা। যারা ক্ষমতায় এসেছে ন্যায়বিচার আর সমতার কথা বলে, তারাই দেশে বৈষম্যকে আকাশছোঁয়া করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যা কিছু সুফল ছিল, তা এখন মুষ্টিমেয় ক্ষমতাসীনদের পকেটে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে, তাদের বেশিরভাগই সেই মানুষ যারা গত দেড় দশকে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের জীবনমান উন্নত করেছিল। ছোট ব্যবসায়ী, দিনমজুর, রিকশাচালক, গার্মেন্টস শ্রমিক, এই মানুষগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি অসহায়। যেকোনো অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ছোট কোনো আর্থিক ধাক্কায় তারা আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। এই অবস্থার জন্য দায়ী কারা? যারা দেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যারা নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, তারাই এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।
বিদেশি শক্তির টাকায় পরিচালিত এই অন্তর্বর্তী সরকার দেশের স্বার্থের চেয়ে তাদের প্রভুদের স্বার্থই বেশি দেখছে। দেশের অর্থনীতি যখন ডুবে যাচ্ছে, তখন তারা ব্যস্ত থাকছে বিদেশি দাতা সংস্থা আর পশ্চিমা শক্তিগুলোকে খুশি করতে। যে দেশের মানুষ একসময় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল, সেই দেশেই এখন খাদ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ছে, আমদানি ব্যয় বাড়ছে, রফতানি কমছে, আর সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছে মূল্যস্ফীতির চাপে।
❤20😁15👍7
সামরিক বাহিনীর যে অংশটি এই ক্যুর সাথে জড়িত ছিল, তারা কী ভেবেছিল দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে? সেনাবাহিনী তো দেশের মানুষের সেবা করার জন্য, দেশকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু যখন তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে যায়, তখন দেশের সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বড় মূল্য দেয়। ছয় কোটি বিশ লাখ মানুষ যারা এখন দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে যাওয়ার হুমকিতে আছে, তাদের জন্য কে দায়বদ্ধ? যারা দেশকে এই অরাজকতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে, তারাই এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।
বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, যখন দারিদ্র্য কমছিল, যখন মানুষ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হলো। ইউনুস আর তার দলবলের একটাই লক্ষ্য ছিল, ক্ষমতায় আসা। দেশের মানুষের ভালো নিয়ে তাদের কোনো ভাবনাই ছিল না, নেই এখনও। এই অবৈধ সরকারের শাসনামলে দেশের অর্থনীতি যেভাবে ধসে পড়ছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হয়তো আরও একটা দশক লেগে যাবে। আর এই দশকে হারিয়ে যাবে আরও লাখো মানুষের ভবিষ্যৎ।
#Bangladesh #BangladeshCrisis #YunusMustGo
বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিল, যখন দারিদ্র্য কমছিল, যখন মানুষ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হলো। ইউনুস আর তার দলবলের একটাই লক্ষ্য ছিল, ক্ষমতায় আসা। দেশের মানুষের ভালো নিয়ে তাদের কোনো ভাবনাই ছিল না, নেই এখনও। এই অবৈধ সরকারের শাসনামলে দেশের অর্থনীতি যেভাবে ধসে পড়ছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হয়তো আরও একটা দশক লেগে যাবে। আর এই দশকে হারিয়ে যাবে আরও লাখো মানুষের ভবিষ্যৎ।
#Bangladesh #BangladeshCrisis #YunusMustGo
👍26😁15😢4❤2
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বানে দলের নেতাকর্মীরা জীবন বাজি রেখে খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। জনগণও অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছে। জনগণের এই সমর্থনই আওয়ামী লীগের অফুরান প্রেরণার উৎস।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই লিফলেটটি প্রচার করা হচ্ছে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কারণে কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করে বিলি করা সম্ভব হচ্ছে না। সুতরাং লিফলেটটি নিজ উদ্যোগে প্রকাশ করে প্রচারের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংগঠনের সকল সাংগঠনিক জেলা/মহানগর, উপজেলা/ থানা/ পৌর, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
#AwamiLeague #Bangladesh
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই লিফলেটটি প্রচার করা হচ্ছে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কারণে কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করে বিলি করা সম্ভব হচ্ছে না। সুতরাং লিফলেটটি নিজ উদ্যোগে প্রকাশ করে প্রচারের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংগঠনের সকল সাংগঠনিক জেলা/মহানগর, উপজেলা/ থানা/ পৌর, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
#AwamiLeague #Bangladesh
👍35😁15❤7
#Live #SheikhHasina
‘দায়মুক্তি’ শীর্ষক
লাইভ প্রোগ্রামের বিশেষ পর্ব
২৯ নভেম্বর ২০২৫, শনিবার
রাত ৯:৩০টা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।
জুলাই-আগস্ট থেকে শুরু করে এ যাবত অপশক্তির হাতে শহীদ হওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পরিবারের সদস্যদের দুঃখ দুর্দশা ও নির্যাতনের কথা শুনবেন এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।
#AwamiLeague #SheikhHasinaLive #ALBDLive
‘দায়মুক্তি’ শীর্ষক
লাইভ প্রোগ্রামের বিশেষ পর্ব
২৯ নভেম্বর ২০২৫, শনিবার
রাত ৯:৩০টা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।
জুলাই-আগস্ট থেকে শুরু করে এ যাবত অপশক্তির হাতে শহীদ হওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পরিবারের সদস্যদের দুঃখ দুর্দশা ও নির্যাতনের কথা শুনবেন এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।
#AwamiLeague #SheikhHasinaLive #ALBDLive
❤49😁26👍3🔥3
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা রায়, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, বাংলাদেশের নতুন জাগরণ
----
ইতিহাস কখনও নীরব নয়; এটি তার নিজের ভাষায় কথা বলে—কখনও রক্তে, কখনও রায়ে, কখনও প্রতিরোধের গর্জনে। ভারত উপমহাদেশে প্রতিটি ফাঁসির রায়ই সাম্রাজ্যবাদকে কাঁপিয়েছে, দখলদারকে তাড়িয়েছে, আর স্বাধীনতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
খুদি রাম বসুর ফাঁসি সেই বিস্ফোরণ ছিল—যেখানে এক কিশোর বিপ্লবীর মৃত্যুদণ্ডই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের গর্ব ভেঙে দিল, ভারতবর্ষকে জাগিয়ে তুলল। ব্রিটিশরা বুঝেছিল—এই রায় কেবল একজনকে হত্যা করেনি, বরং সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে এক ঝড়কে জাগিয়ে তুলেছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসেও একই প্রতিধ্বনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফাঁসির রায় দেওয়া মাত্রই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী তাদের পতনের ঘন্টা শুনেছিল। বাংলার জনগণ সেই রায়কে মৃত্যুর ঘোষণাপত্র নয় স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করেছিল। কয়েক মাসের লড়াইয়ে পাকিস্তানীদের বিদায়ের পথ নিশ্চিত হয়েছিল।
আজকের বাস্তবতা আবার সেই ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে মামলা, যে রায়—অনেক বিশ্লেষক বলছেন, এটি আইনের নয়, রাজনীতির সত্যের নয়, ষড়যন্ত্রের প্রতীক। ইতিহাস প্রায়ই এমন সময়ে একটি জাতিকে পরীক্ষা করে—কে সত্যের পাশে, কে স্বার্থের? কে দেশগঠন করে, আর কে ইতিহাস ভাঙতে চায়?
বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এখন প্রশ্ন জাগছে—
যখন ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ফাঁসির রায় অন্যায়কে উন্মোচন করে, তখন কি এটি আবারও নতুন জাগরণের সূচনা করবে?
বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়ের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, জনগণের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, এবং রাজনীতিকে বদলে দিতে “আইনি মুখোশে রাজনৈতিক প্রতিশোধ” চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতদিন যে শক্তি দেশকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছে—ঘৃণার রাজনীতি, পুরনো পাকিস্তানি দর্শন, রাজাকার মানসিকতার উত্তরাধিকার—তারা এই রায়ে উল্লাস করতে পারে, কিন্তু ইতিহাস তাঁদের কখনও সমর্থন করেনি।
এখন প্রশ্নটা স্পষ্ট—বাংলাদেশ কি আবার সেই পুরনো অন্ধকারে ফিরে যাবে, নাকি নতুন জাগরণের পথে এগোবে?
দেশের মানুষ সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে খুদি রামের ফাঁসি যেমন বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির রায় যেমন পাকিস্তানীদের শেষ যাত্রার ঘণ্টা বাজিয়েছিল—তেমনই আজকের বাংলাদেশেও একটি নতুন উত্তাল জনআন্দোলনের জন্ম হতে পারে ন্যায়বিচারের দাবিতে।
এটি প্রতিহিংসা নয়; এটি ইতিহাসের স্বাভাবিক গতি—যেখানে মিথ্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, আর জাতির ইচ্ছাই শেষ কথা বলে।
বাংলাদেশের মানুষ আজ স্পষ্ট বলছে:
একটি ষড়যন্ত্রমূলক রায় কখনো জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।
দেশের পথে বাধা সৃষ্টি করা, স্বাধীনতার চেতনাকে আঘাত করা, কিংবা রাজাকার মানসিকতার ধারকরা—ইতিহাসের বিচারে টিকে থাকবে না।
বাংলাদেশ টিকে থাকবে, এগিয়ে যাবে—এটাই নিশ্চিত।
এই রায় তাই নতুন প্রশ্ন নয়, বরং নতুন জাগরণের আহ্বান।
ইতিহাসের তিনটি রায়েরই বার্তা এক—অন্যায়ের রায় কখনোই জাতিকে থামাতে পারেনি, কখনো পারবেও না।
#Bangladesh
----
ইতিহাস কখনও নীরব নয়; এটি তার নিজের ভাষায় কথা বলে—কখনও রক্তে, কখনও রায়ে, কখনও প্রতিরোধের গর্জনে। ভারত উপমহাদেশে প্রতিটি ফাঁসির রায়ই সাম্রাজ্যবাদকে কাঁপিয়েছে, দখলদারকে তাড়িয়েছে, আর স্বাধীনতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
খুদি রাম বসুর ফাঁসি সেই বিস্ফোরণ ছিল—যেখানে এক কিশোর বিপ্লবীর মৃত্যুদণ্ডই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের গর্ব ভেঙে দিল, ভারতবর্ষকে জাগিয়ে তুলল। ব্রিটিশরা বুঝেছিল—এই রায় কেবল একজনকে হত্যা করেনি, বরং সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে এক ঝড়কে জাগিয়ে তুলেছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসেও একই প্রতিধ্বনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফাঁসির রায় দেওয়া মাত্রই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী তাদের পতনের ঘন্টা শুনেছিল। বাংলার জনগণ সেই রায়কে মৃত্যুর ঘোষণাপত্র নয় স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করেছিল। কয়েক মাসের লড়াইয়ে পাকিস্তানীদের বিদায়ের পথ নিশ্চিত হয়েছিল।
আজকের বাস্তবতা আবার সেই ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে মামলা, যে রায়—অনেক বিশ্লেষক বলছেন, এটি আইনের নয়, রাজনীতির সত্যের নয়, ষড়যন্ত্রের প্রতীক। ইতিহাস প্রায়ই এমন সময়ে একটি জাতিকে পরীক্ষা করে—কে সত্যের পাশে, কে স্বার্থের? কে দেশগঠন করে, আর কে ইতিহাস ভাঙতে চায়?
বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এখন প্রশ্ন জাগছে—
যখন ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ফাঁসির রায় অন্যায়কে উন্মোচন করে, তখন কি এটি আবারও নতুন জাগরণের সূচনা করবে?
বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়ের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, জনগণের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, এবং রাজনীতিকে বদলে দিতে “আইনি মুখোশে রাজনৈতিক প্রতিশোধ” চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতদিন যে শক্তি দেশকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছে—ঘৃণার রাজনীতি, পুরনো পাকিস্তানি দর্শন, রাজাকার মানসিকতার উত্তরাধিকার—তারা এই রায়ে উল্লাস করতে পারে, কিন্তু ইতিহাস তাঁদের কখনও সমর্থন করেনি।
এখন প্রশ্নটা স্পষ্ট—বাংলাদেশ কি আবার সেই পুরনো অন্ধকারে ফিরে যাবে, নাকি নতুন জাগরণের পথে এগোবে?
দেশের মানুষ সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে খুদি রামের ফাঁসি যেমন বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির রায় যেমন পাকিস্তানীদের শেষ যাত্রার ঘণ্টা বাজিয়েছিল—তেমনই আজকের বাংলাদেশেও একটি নতুন উত্তাল জনআন্দোলনের জন্ম হতে পারে ন্যায়বিচারের দাবিতে।
এটি প্রতিহিংসা নয়; এটি ইতিহাসের স্বাভাবিক গতি—যেখানে মিথ্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, আর জাতির ইচ্ছাই শেষ কথা বলে।
বাংলাদেশের মানুষ আজ স্পষ্ট বলছে:
একটি ষড়যন্ত্রমূলক রায় কখনো জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।
দেশের পথে বাধা সৃষ্টি করা, স্বাধীনতার চেতনাকে আঘাত করা, কিংবা রাজাকার মানসিকতার ধারকরা—ইতিহাসের বিচারে টিকে থাকবে না।
বাংলাদেশ টিকে থাকবে, এগিয়ে যাবে—এটাই নিশ্চিত।
এই রায় তাই নতুন প্রশ্ন নয়, বরং নতুন জাগরণের আহ্বান।
ইতিহাসের তিনটি রায়েরই বার্তা এক—অন্যায়ের রায় কখনোই জাতিকে থামাতে পারেনি, কখনো পারবেও না।
#Bangladesh
❤33😁18👍5
বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ বাতিল : পাকিস্তানপন্থীদের কাছে বাপের পরাজয় উদযাপন বিব্রতকর!
একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন। যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, সেদিন রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনে বিজয়ী বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। সেই বিজয়ের স্মৃতি বহন করে আসছে প্রতি বছরের কুচকাওয়াজ। কিন্তু টানা দুই বছর ধরে সেই ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ বাতিল করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়ে দিয়েছেন, এবারও জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ হবে না। শুধু রাজধানীতে নয়, জেলা-উপজেলা পর্যায়েও এই আয়োজন থাকছে না।
প্রশ্ন হলো, কেন? কোন যুক্তিতে একটি স্বাধীন দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান বাতিল করতে হবে? নিরাপত্তার অজুহাত দেখানো হচ্ছে, কিন্তু সত্যিকারের কারণ কি আসলে অন্য কিছু? যে সরকার গণতান্ত্রিক পথে নয়, বরং রক্তাক্ত গণআন্দোলনের নামে সহিংসতা সৃষ্টি করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর বিজয়ের গৌরব কতটুকু মূল্য রাখে, এই সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে যা ঘটেছিল, তা ইতিহাসের পাতায় কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। একটি নির্বাচিত সরকারকে সহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে উৎখাত করা হয়েছে। রাস্তায় নামানো হয়েছে উন্মত্ত জনতা, যাদের হাতে ছিল অস্ত্র, যাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিদ্বেষ। পুলিশ, প্রশাসন, সাধারণ মানুষ - কেউই রক্ষা পায়নি সেই বর্বরতা থেকে। সরকারি সম্পদ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, সংসদ ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহের পেছনে কারা ছিল, কাদের মদদ ছিল, সেটা এখন আর গোপন নয়।
বিদেশি শক্তির অর্থায়ন, ধর্মীয় চরমপন্থী গোষ্ঠীর সক্রিয় সহায়তা এবং সামরিক বাহিনীর একাংশের নীরব সমর্থন - এই তিনটি উপাদান মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল জুলাইয়ের সেই ভয়াবহ পরিস্থিতি। যে দেশটি একাত্তরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছিল, সেই দেশেই আবার পাকিস্তানি মদদপুষ্ট শক্তি ক্ষমতায় বসানো হলো। ইউনূস সাহেবকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বসানো হয়েছে, যার পেছনে আন্তর্জাতিক সুদী পুঁজি এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার ছায়া স্পষ্ট। এটা কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নয়, বাস্তবতা।
এখন যখন বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ বাতিল করা হচ্ছে, তখন বিষয়টি আর শুধু একটি অনুষ্ঠান বাতিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটা আসলে একটি প্রতীকী আত্মসমর্পণ। পাকিস্তান যে দেশটিকে ১৯৭১ সালে হারিয়েছিল, সেই পাকিস্তানের ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা শক্তি এখন বাংলাদেশে ক্ষমতায়। তারা কীভাবে সেই পরাজয়ের দিনটি উদযাপন করবে? কীভাবে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিজয় কুচকাওয়াজ দেখবে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি উজ্জীবিত হয়? যেখানে পাকিস্তানের পরাজয়ের কথা স্মরণ করা হয়?
এই অ-সরকার যেহেতু পাকিস্তানের আশীর্বাদপুষ্ট, তাই তাদের জন্য ১৬ ডিসেম্বর একটি বিব্রতকর দিন। বিজয় দিবস উদযাপন করতে গেলে তাদের প্রভুদের অসম্মান করা হয়। তাই সহজ পথ বেছে নেওয়া হয়েছে - কুচকাওয়াজ বাতিল করে দেওয়া। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাবাহিনীর বুট খুলিয়ে দেওয়া, যেখানে তাদের গর্বিত পদচারণা থাকার কথা ছিল।
বাস্তবতা হলো, এই সরকারের কোনো গণভিত্তি নেই। তারা ক্ষমতায় এসেছে সুপরিকল্পিত সহিংসতার মাধ্যমে। নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে। তাদের বৈধতা নেই, জনসমর্থন নেই। তাই তারা ভয়ে আছে। বিজয় দিবসে লাখো মানুষ যদি একসঙ্গে জড়ো হয়, তাহলে তাদের অবৈধ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠতে পারে। তাই সহজ উপায় হলো, সেই সমাবেশের সুযোগই না দেওয়া। কুচকাওয়াজ বাতিল করে মানুষকে ঘরে বসিয়ে রাখা।
কিন্তু এই কাপুরুষোচিত সিদ্ধান্ত বাঙালি জাতির মনোবল ভাঙতে পারবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এত সহজে মুছে ফেলা যায় না। বিজয়ের গৌরব মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে। যে সেনাবাহিনী একাত্তরে পাকিস্তানিদের পরাজিত করেছিল, সেই সেনাবাহিনীকে এখন কুচকাওয়াজ থেকে বিরত রাখা হচ্ছে। এটা শুধু একটি অনুষ্ঠান বাতিল নয়, এটা জাতীয় আত্মসম্মানের ওপর আঘাত।
ইতিহাস এই কাপুরুষতার বিচার করবে। যারা বিদেশি অর্থে, জঙ্গি সহায়তায় এবং সামরিক মদদে ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের পতন অনিবার্য। কোনো অবৈধ সরকার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। জনগণের শক্তি সব সময় বিজয়ী হয়। আর সেই বিজয়ের দিন আবার ফিরে আসবে, যখন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আবার কুচকাওয়াজ হবে, যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সরকার ক্ষমতায় ফিরে আসবে। সেদিন বাংলাদেশ আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, আর পাকিস্তানপন্থী শক্তি আবার পরাজিত হবে। ইতিহাসের চাকা একবার ঘুরলে, তা আর পেছনে ফেরে না।
#Bangladesh #BangladeshCrisis
একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন। যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, সেদিন রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনে বিজয়ী বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। সেই বিজয়ের স্মৃতি বহন করে আসছে প্রতি বছরের কুচকাওয়াজ। কিন্তু টানা দুই বছর ধরে সেই ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ বাতিল করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়ে দিয়েছেন, এবারও জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ হবে না। শুধু রাজধানীতে নয়, জেলা-উপজেলা পর্যায়েও এই আয়োজন থাকছে না।
প্রশ্ন হলো, কেন? কোন যুক্তিতে একটি স্বাধীন দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান বাতিল করতে হবে? নিরাপত্তার অজুহাত দেখানো হচ্ছে, কিন্তু সত্যিকারের কারণ কি আসলে অন্য কিছু? যে সরকার গণতান্ত্রিক পথে নয়, বরং রক্তাক্ত গণআন্দোলনের নামে সহিংসতা সৃষ্টি করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর বিজয়ের গৌরব কতটুকু মূল্য রাখে, এই সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে যা ঘটেছিল, তা ইতিহাসের পাতায় কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। একটি নির্বাচিত সরকারকে সহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে উৎখাত করা হয়েছে। রাস্তায় নামানো হয়েছে উন্মত্ত জনতা, যাদের হাতে ছিল অস্ত্র, যাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিদ্বেষ। পুলিশ, প্রশাসন, সাধারণ মানুষ - কেউই রক্ষা পায়নি সেই বর্বরতা থেকে। সরকারি সম্পদ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, সংসদ ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহের পেছনে কারা ছিল, কাদের মদদ ছিল, সেটা এখন আর গোপন নয়।
বিদেশি শক্তির অর্থায়ন, ধর্মীয় চরমপন্থী গোষ্ঠীর সক্রিয় সহায়তা এবং সামরিক বাহিনীর একাংশের নীরব সমর্থন - এই তিনটি উপাদান মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল জুলাইয়ের সেই ভয়াবহ পরিস্থিতি। যে দেশটি একাত্তরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছিল, সেই দেশেই আবার পাকিস্তানি মদদপুষ্ট শক্তি ক্ষমতায় বসানো হলো। ইউনূস সাহেবকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বসানো হয়েছে, যার পেছনে আন্তর্জাতিক সুদী পুঁজি এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার ছায়া স্পষ্ট। এটা কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নয়, বাস্তবতা।
এখন যখন বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ বাতিল করা হচ্ছে, তখন বিষয়টি আর শুধু একটি অনুষ্ঠান বাতিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটা আসলে একটি প্রতীকী আত্মসমর্পণ। পাকিস্তান যে দেশটিকে ১৯৭১ সালে হারিয়েছিল, সেই পাকিস্তানের ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা শক্তি এখন বাংলাদেশে ক্ষমতায়। তারা কীভাবে সেই পরাজয়ের দিনটি উদযাপন করবে? কীভাবে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিজয় কুচকাওয়াজ দেখবে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি উজ্জীবিত হয়? যেখানে পাকিস্তানের পরাজয়ের কথা স্মরণ করা হয়?
এই অ-সরকার যেহেতু পাকিস্তানের আশীর্বাদপুষ্ট, তাই তাদের জন্য ১৬ ডিসেম্বর একটি বিব্রতকর দিন। বিজয় দিবস উদযাপন করতে গেলে তাদের প্রভুদের অসম্মান করা হয়। তাই সহজ পথ বেছে নেওয়া হয়েছে - কুচকাওয়াজ বাতিল করে দেওয়া। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাবাহিনীর বুট খুলিয়ে দেওয়া, যেখানে তাদের গর্বিত পদচারণা থাকার কথা ছিল।
বাস্তবতা হলো, এই সরকারের কোনো গণভিত্তি নেই। তারা ক্ষমতায় এসেছে সুপরিকল্পিত সহিংসতার মাধ্যমে। নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে। তাদের বৈধতা নেই, জনসমর্থন নেই। তাই তারা ভয়ে আছে। বিজয় দিবসে লাখো মানুষ যদি একসঙ্গে জড়ো হয়, তাহলে তাদের অবৈধ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠতে পারে। তাই সহজ উপায় হলো, সেই সমাবেশের সুযোগই না দেওয়া। কুচকাওয়াজ বাতিল করে মানুষকে ঘরে বসিয়ে রাখা।
কিন্তু এই কাপুরুষোচিত সিদ্ধান্ত বাঙালি জাতির মনোবল ভাঙতে পারবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এত সহজে মুছে ফেলা যায় না। বিজয়ের গৌরব মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে। যে সেনাবাহিনী একাত্তরে পাকিস্তানিদের পরাজিত করেছিল, সেই সেনাবাহিনীকে এখন কুচকাওয়াজ থেকে বিরত রাখা হচ্ছে। এটা শুধু একটি অনুষ্ঠান বাতিল নয়, এটা জাতীয় আত্মসম্মানের ওপর আঘাত।
ইতিহাস এই কাপুরুষতার বিচার করবে। যারা বিদেশি অর্থে, জঙ্গি সহায়তায় এবং সামরিক মদদে ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের পতন অনিবার্য। কোনো অবৈধ সরকার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। জনগণের শক্তি সব সময় বিজয়ী হয়। আর সেই বিজয়ের দিন আবার ফিরে আসবে, যখন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আবার কুচকাওয়াজ হবে, যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সরকার ক্ষমতায় ফিরে আসবে। সেদিন বাংলাদেশ আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, আর পাকিস্তানপন্থী শক্তি আবার পরাজিত হবে। ইতিহাসের চাকা একবার ঘুরলে, তা আর পেছনে ফেরে না।
#Bangladesh #BangladeshCrisis
❤40😁16🔥2
🛑#Live #SheikhHasina
বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্ত আছেন “দায়মুক্তি” শীর্ষক লাইভ অনুষ্ঠানে।
➡️ https://www.facebook.com/share/v/1HGzPVJh5Z/?mibextid=wwXIfr
➡️ https://www.youtube.com/live/Lc9mh7B2EHo?si=9Gh0cbQaEeHFodS7
বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্ত আছেন “দায়মুক্তি” শীর্ষক লাইভ অনুষ্ঠানে।
➡️ https://www.facebook.com/share/v/1HGzPVJh5Z/?mibextid=wwXIfr
➡️ https://www.youtube.com/live/Lc9mh7B2EHo?si=9Gh0cbQaEeHFodS7
YouTube
দায়মুক্তি’র ৫৬ তম পর্ব
#Live #SheikhHasina
দায়মুক্তি’র ৫৬ তম পর্ব
বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্ত আছেন “দায়মুক্তি” শীর্ষক লাইভ অনুষ্ঠানে।
জুলাই–আগস্ট থেকে শুরু করে এ যাবৎ অপশক্তির আক্রমণের শিকার ও শহীদ হওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পরিবারের সদস্যদের দুঃখ–দুর্দশা…
দায়মুক্তি’র ৫৬ তম পর্ব
বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্ত আছেন “দায়মুক্তি” শীর্ষক লাইভ অনুষ্ঠানে।
জুলাই–আগস্ট থেকে শুরু করে এ যাবৎ অপশক্তির আক্রমণের শিকার ও শহীদ হওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পরিবারের সদস্যদের দুঃখ–দুর্দশা…
❤35😁17