This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
বিএ জামায়াতের বিরুদ্ধে যেভাবে হাসিনাকে উস্কে দিতেন বসুন্ধরা চেয়ারম্যান
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
স্বৈরাচার হাসিনার আমলে কালচারাল ফ্যাসিস্টরা যে ভাবে জিয়াকে পাকিস্তানি বলে ব্যাঙ করতো।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফিরে দেখা জুলাই!
আমি বিধবা! আমার কি বিধবা হওয়ার বয়স হইছে বলেন! আমার মাত্র ২২ বছর বয়স।
আমি একটা বড় বাসা নিয়ে থাকি। আমার বাসা থেকে বের হয়ে যেতে হবে। আমি ভাড়া কোত্থেকে দিবো! আমার বাচ্চার ভবিষ্যত কী হবে!
নুসাইরের আব্বু! আমরা কিভাবে বাচবো!
কেউ একজন বলেন এর বিচার করবেন, নয়তো আমি বডি বের করতে দিবো না।
আমি বিধবা! আমার কি বিধবা হওয়ার বয়স হইছে বলেন! আমার মাত্র ২২ বছর বয়স।
আমি একটা বড় বাসা নিয়ে থাকি। আমার বাসা থেকে বের হয়ে যেতে হবে। আমি ভাড়া কোত্থেকে দিবো! আমার বাচ্চার ভবিষ্যত কী হবে!
নুসাইরের আব্বু! আমরা কিভাবে বাচবো!
কেউ একজন বলেন এর বিচার করবেন, নয়তো আমি বডি বের করতে দিবো না।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জুলাই গনঅভ্যুত্থান এতো সহজ ছিলো না
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
শেখ হাসিনার ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডিং থেকে জানা গেছে, গত বছরের জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের অনুমতি তিনি নিজেই দিয়েছিলেন।
বিবিসি আইয়ের যাচাই করা ওই রেকর্ডিং অনুসারে, শেখ হাসিনা তাঁর নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার’ করার অনুমতি দিয়েছেন এবং বলেছেন ‘তাঁরা (এসব বাহিনীর সদস্যরা) যেখানেই তাঁদের (আন্দোলনকারী) পাবেন, গুলি করবেন।’
এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ যে তিনি জুলাই গনঅভ্যূত্থানকালে বিক্ষোভকারীদের গুলি করার জন্য সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন।
শেখ হাসিনার উপযুক্ত বিচার অবশ্যই হবে বাংলাদেশে।
বিবিসি আইয়ের যাচাই করা ওই রেকর্ডিং অনুসারে, শেখ হাসিনা তাঁর নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার’ করার অনুমতি দিয়েছেন এবং বলেছেন ‘তাঁরা (এসব বাহিনীর সদস্যরা) যেখানেই তাঁদের (আন্দোলনকারী) পাবেন, গুলি করবেন।’
এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ যে তিনি জুলাই গনঅভ্যূত্থানকালে বিক্ষোভকারীদের গুলি করার জন্য সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন।
শেখ হাসিনার উপযুক্ত বিচার অবশ্যই হবে বাংলাদেশে।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
তাহাজ্জুতী আপা
মুজিবের নাতি জয় আমেরিকান নাগরিক। তার বউ ছিলো আমেরিকান সাদা চামড়ার খ্রিস্টান, কিছুদিন আগে ডিভোর্স হয়েছে তাদের।
মুজিবের নাতনী পুতুল কানাডিয়ান নাগরিক, বিয়ে করেছিলো আরেক কানাডিয়ান নাগরিক মাশরুরকে। বিনিময়ে মাশরুরের বাপ মোশাররফকে হাসিনা মন্ত্রী বানিয়েছিলো। কানাডিয়ান পুতুল-মাশরুর বিয়ে করছে ঢাকার কোর্টে, ডিভোর্স দিয়েছে দুবাইয়ের কোর্টে, তালাকের পর জামাইয়ের কাছ থেকে সম্পত্তি আদায় করেছে আমেরিকার ফ্লোরিডায়- নগদ তিন কোটি টাকা, দুইটা বাড়ি, এবং এযাবতকালের সব গিফট ফেরত।
আর জয়-পুতুলের মা মানবতাবিরোধী অপরাধে দন্ডিত ফাঁসির আসামী হাসিনা পালিয়ে আছে ইন্ডিয়ায়। বিচার ফেস করার ভয়ে বাংলাদেশে আসতে সাহস করছে না।
মুজিবের ছোট মেয়ে রেহানা ব্রিটিশ নাগরিক। তার মেয়ে টিউলিপ ব্রিটিশ নাগরিক, বিয়ে করছে সাদা চামড়ার ইহুদিকে, সেও ব্রিটিশ নাগরিক। ছেলে ববিও ব্রিটিশ নাগরিক।
পুরো বংশের একজনও বাংলাদেশে নাই। গত পনের বছর লুটপাট করে বাংলাদেশের সম্পদ সব বিদেশে জমিয়েছে।
আর এদিকে গলাচিপার ছাত্রলীগ যুবলীগ নেতা যার একটা পাসপোর্টও ঠিকমতো নাই, সে স্বপ্ন দেখে খুনী হাসিনা আসবে ওদের দেখভাল করতে 😬
মুজিবের নাতনী পুতুল কানাডিয়ান নাগরিক, বিয়ে করেছিলো আরেক কানাডিয়ান নাগরিক মাশরুরকে। বিনিময়ে মাশরুরের বাপ মোশাররফকে হাসিনা মন্ত্রী বানিয়েছিলো। কানাডিয়ান পুতুল-মাশরুর বিয়ে করছে ঢাকার কোর্টে, ডিভোর্স দিয়েছে দুবাইয়ের কোর্টে, তালাকের পর জামাইয়ের কাছ থেকে সম্পত্তি আদায় করেছে আমেরিকার ফ্লোরিডায়- নগদ তিন কোটি টাকা, দুইটা বাড়ি, এবং এযাবতকালের সব গিফট ফেরত।
আর জয়-পুতুলের মা মানবতাবিরোধী অপরাধে দন্ডিত ফাঁসির আসামী হাসিনা পালিয়ে আছে ইন্ডিয়ায়। বিচার ফেস করার ভয়ে বাংলাদেশে আসতে সাহস করছে না।
মুজিবের ছোট মেয়ে রেহানা ব্রিটিশ নাগরিক। তার মেয়ে টিউলিপ ব্রিটিশ নাগরিক, বিয়ে করছে সাদা চামড়ার ইহুদিকে, সেও ব্রিটিশ নাগরিক। ছেলে ববিও ব্রিটিশ নাগরিক।
পুরো বংশের একজনও বাংলাদেশে নাই। গত পনের বছর লুটপাট করে বাংলাদেশের সম্পদ সব বিদেশে জমিয়েছে।
আর এদিকে গলাচিপার ছাত্রলীগ যুবলীগ নেতা যার একটা পাসপোর্টও ঠিকমতো নাই, সে স্বপ্ন দেখে খুনী হাসিনা আসবে ওদের দেখভাল করতে 😬
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কেমন লাগলো আলভারেজের গোল টা ?
শেখ হাসিনার অবস্থা একেবারেই উগান্ডার স্বৈরশাসক ইদি আমিন এর মত। ভদ্রলোক গণআন্দোলনে তোপের মুখে পড়ে উগান্ডা ছেড়ে পালিয়ে ছিলেন। বিভিন্ন দেশ ঘুরেফিরে পাশের দেশ রুগান্ডাতে আশ্রয় নিয়েছিলেন ।
রুয়ান্ডাতে আশ্রয় কালীন অবস্থায় থাকার সময়, সে উগান্ডার বিরুদ্ধে এবং উগান্ডার মানুষের বিরুদ্ধে বড় ধরনের চক্রান্তের শামিল হয়।
ইদি আমিন বারবার চেষ্টা করেন যেন যে কোনোভাবেই উগান্ডায় প্রতি বিপ্লব ঘটানো যায়। দেশের রাজনৈতিক কাঠামো বিনষ্ট করা যায়। দেশীয় অরাজকতা তৈরি করা যায়। এবং নিজের হারানোর শাসন ফিরে পাওয়া যায়।
কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, তার করুন মৃত্যু হয়। দেহবশেষ টুকু উগান্ডাতে নিয়ে যেতে পারেনি। তাকে দাফন করা হয় বিদেশের মাটিতে।
যারা শেখ হাসিনার পতন মেনে নিতে পারছেন না, ভাবছেন তিনি ফিরে আসবেন এবং রাজনীতিতে পুনর্বাসন হবেন এটি কেবলই স্বপ্নদোষ।
কারণ হাসিনার পতন শুধু রাজনৈতিক কারণে ঘটেনি, এদেশের প্রত্যেকটি মানুষ তাদের নিজের প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে এসেছিল। সবাই যার যার প্রয়োজনেই এই হাসিনার পতন নিশ্চিত করেছিলেন।
রুয়ান্ডাতে আশ্রয় কালীন অবস্থায় থাকার সময়, সে উগান্ডার বিরুদ্ধে এবং উগান্ডার মানুষের বিরুদ্ধে বড় ধরনের চক্রান্তের শামিল হয়।
ইদি আমিন বারবার চেষ্টা করেন যেন যে কোনোভাবেই উগান্ডায় প্রতি বিপ্লব ঘটানো যায়। দেশের রাজনৈতিক কাঠামো বিনষ্ট করা যায়। দেশীয় অরাজকতা তৈরি করা যায়। এবং নিজের হারানোর শাসন ফিরে পাওয়া যায়।
কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, তার করুন মৃত্যু হয়। দেহবশেষ টুকু উগান্ডাতে নিয়ে যেতে পারেনি। তাকে দাফন করা হয় বিদেশের মাটিতে।
যারা শেখ হাসিনার পতন মেনে নিতে পারছেন না, ভাবছেন তিনি ফিরে আসবেন এবং রাজনীতিতে পুনর্বাসন হবেন এটি কেবলই স্বপ্নদোষ।
কারণ হাসিনার পতন শুধু রাজনৈতিক কারণে ঘটেনি, এদেশের প্রত্যেকটি মানুষ তাদের নিজের প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে এসেছিল। সবাই যার যার প্রয়োজনেই এই হাসিনার পতন নিশ্চিত করেছিলেন।
আমরা যদি ইতিহাস ঘাটে, তবে দেখতে পাই যে উমাইয়া খিলাফত তারাও নিজেদের পতন ঘটিয়েছে শুধুমাত্র হাসিনার মতো আচরণ করার কারণে।
আপনি রাজনীতির মাঠে ততক্ষণ সচল, যতক্ষণ আপনি রাজনীতির মাঠে দাড়িয়ে যাচ্ছেন, বক্তব্য দিচ্ছেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করছেন। আপনি তখনই মৃত যখন আপনি হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন এবং আর দৌঁড়াতে পারলেন না।
এই সহজ সত্যটুকু মেনে নিন, ভিনদেশে কোন সরকার কখনো কোন দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, কোন রাজনৈতিক দলকেও প্রতিষ্ঠিত করতে পারে না। কারণ দিনশেষে মহান করুণাময় আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।
আপনি রাজনীতির মাঠে ততক্ষণ সচল, যতক্ষণ আপনি রাজনীতির মাঠে দাড়িয়ে যাচ্ছেন, বক্তব্য দিচ্ছেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করছেন। আপনি তখনই মৃত যখন আপনি হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন এবং আর দৌঁড়াতে পারলেন না।
এই সহজ সত্যটুকু মেনে নিন, ভিনদেশে কোন সরকার কখনো কোন দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, কোন রাজনৈতিক দলকেও প্রতিষ্ঠিত করতে পারে না। কারণ দিনশেষে মহান করুণাময় আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।
হরিলুটের আয়োজন ঢাকা উত্তর সিটিতে!!
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া একটি প্রকল্পে প্রতিটি এলইডি বাতি কিনতে খরচ ধরা হয়েছে ৯৮ হাজার টাকা। ওই ১৮টি ওয়ার্ডের জন্য ১২ হাজার ২১৮টি এলইডি বাতি কেনা হবে। এ জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। সে হিসাবে প্রতিটি এলইডি বাতি কিনতে খরচ পড়বে ৯৮ হাজার টাকা, যা বর্তমান বাজারমূল্যের প্রায় দ্বিগুণ। এমনকি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় চলমান একটি প্রকল্পে প্রতিটি এলইডি বাতি কেনাসহ স্থাপনে খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রস্তাবিত প্রতিটি এলইডি বাতিতে খরচ বেশি দেখানো হয়েছে ৩৮ হাজার টাকা। শুধু এলইডি বাতিই নয়, ওই ১৮টি ওয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া প্রস্তাবিত প্রকল্পে খাল উন্নয়ন, নর্দমা উন্নয়ন ও রাস্তা উন্নয়নেও অস্বাভাবিক খরচ দেখানো হয়েছে!!
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া একটি প্রকল্পে প্রতিটি এলইডি বাতি কিনতে খরচ ধরা হয়েছে ৯৮ হাজার টাকা। ওই ১৮টি ওয়ার্ডের জন্য ১২ হাজার ২১৮টি এলইডি বাতি কেনা হবে। এ জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। সে হিসাবে প্রতিটি এলইডি বাতি কিনতে খরচ পড়বে ৯৮ হাজার টাকা, যা বর্তমান বাজারমূল্যের প্রায় দ্বিগুণ। এমনকি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় চলমান একটি প্রকল্পে প্রতিটি এলইডি বাতি কেনাসহ স্থাপনে খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রস্তাবিত প্রতিটি এলইডি বাতিতে খরচ বেশি দেখানো হয়েছে ৩৮ হাজার টাকা। শুধু এলইডি বাতিই নয়, ওই ১৮টি ওয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া প্রস্তাবিত প্রকল্পে খাল উন্নয়ন, নর্দমা উন্নয়ন ও রাস্তা উন্নয়নেও অস্বাভাবিক খরচ দেখানো হয়েছে!!