Muslim Youth Academy
813 subscribers
273 photos
82 videos
6 files
189 links
الحمد لله
Download Telegram
Recently, I came across a post where people were criticizing a woman’s public biodata for marriage just because she’s 34 and has her own preferences for a spouse.

Honestly, it’s completely her choice. Islam gives everyone the freedom to set their own criteria for marriage. If someone meets those criteria, great! If not, they can simply move on. But why should we publicly criticize someone for their personal choices?

For example, if a girl wants 1 crore taka as mahr and I can’t afford it, I can either politely request her to reconsider or simply move on. But there’s no need to criticize her.

If someone wants to marry a doctor, an engineer, a rich person, or even someone financially struggling, none of that is wrong. Everyone has the right to choose what they want in a partner.

Constructive discussions are fine, but posting someone’s personal biodata or mocking them publicly is not. Sadly, this kind of behavior has been going on for years on Facebook.
I really hope it ends someday, it should!
👍3
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
"ইস্কন" সম্পর্কে...
--- শাইখুল আক্বীদাহ্‌ প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

https://www.facebook.com/share/v/16trs4UjyK/
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফিলিস্তিনিদের জন্য আমাদের করণীয় কি?
- শাইখুল আক্বিদাহ্‌ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিজাহুল্লহ


https://www.facebook.com/share/v/179cZ4VScS/
পড়তে পারেন আমার ওয়ালে: https://www.facebook.com/share/p/19ygbUYKz7/
কেজিবির (সোভিয়েত ইন্টেলিজেন্স) মধ্যে ব্রিটিশ স্পাই ধরা পড়বার পর থেকে তাদের মধ্যে কিছু প্রচলিত কথা ছিলো, "Overt displays of loyalty often mask hidden betrayal" অথবা বলা যায় "Exaggerated patriotism can be a cover for deceit" বা "The louder a man shouts about loyalty, the more closely he should be watched" এটাও বলতো অনেকে। এর মানে হলো যে খুব বেশি চিল্লাফাল্লা করে, সেন্টমেন্ট দেখায়, তাকে খুব সহজেই "অতিরিক্ত দেশপ্রেমিক" বলা যায়, এমন লোককে সন্দেহের চোখে দেখা। কারন শত্রু বেশে ক্ষতির চাইতে বন্ধুবেশে ক্ষতি বেশি করা যায়।

তাই খুব সাবধান থাকা জরুরী। বিশেষ করে যখন দেশপ্রেমটা "ধর্মপ্রেমে" ডাইভার্ট হয়। খুব ধার্মিক, খুব দীনের ভালোবাসা, খুব নবীপ্রেম ভালো। তবে হুট করে সেই প্রেমটাকে ভায়োলেন্সে ট্রান্সফার করা দুটো কারনে হতে পারে, এক অতি উৎসাহে, যেটা হতে পারে। দুই, অন্য কোন উদ্দ্যেশ্যে। যেটা ঢাকতে বা যেটা আনজাম দিতে ধর্মের মুখোশ পরে থাকা লাগছে বা ধর্মের ঢোল পিটাতে হচ্ছে। যেমন, ভারতের মোদী সরকারকে এই একিউজেশনই দেয়া বিরোধীদলীয় কংগ্রেস জোট।

মনে রাখবেন, কিতাবী দিক থেকে, বিশ্বাসগত দিক থেকে হিন্দু মুসলিম মানে বহুশ্বেরবাদ আর একেশ্বরবাদ একসাথে থাকার কথা না। সেখানে এদেশে কিভাবে থাকছে বা থেকেছে যুগের পর যুগ? ট্রেইড অফ করে। কড়া মওলানাও সমাজে বসবাসের উদ্দেশ্যে হিন্দুদের "ভাই" ডেকেছে। কড়া ব্রাহ্মণও সেরকম মুসলিমদের "ভাই" ডেকেছে। কারন তারা জানতো এই রক্তারক্তি করার সময় যেমন নাই, বেশিরভাগেরই সহ্য করার টাকাপয়সাও নাই। তারপরও, ঝামেলা হয়নি? হয়েছে। তবে সেটা ম্যাসাকার কখন হয়েছে? যখন উদ্দেশ্যটা ধর্মের ছিলো না। ধর্মকে ব্যাবহার করে রাজনীতির ছিলো। ব্রিটিশরা এই কাজের পাইয়োনিয়ার।

যাইহোক, হুট করে দেশে কিছু প্র্যাকটিসিং মানুষজন হিন্দুবিরোধী বা হিন্দু ষড়যন্ত্রের কথা বলছে। যাদের অনেকেরই পূর্বের কোন পরিচয় নেই। সিগনিফিকেন্ট কেউ ছিলোও না। হুট করেই মিডিয়া লাইমলাইটে চলে আসছে। এদেশে হিন্দুধর্মকে ব্যাবহার করে অন্য কোন একটা দেশ সমস্যা তৈরি করবে না, এমনটা অবশ্যই ভাবা যায় না। তবে এটা তদন্ত করা ছেড়ে দিতে হবে সরকারের জিম্মায়। এখন তেড়েমেরে আসবেন হয়তো, যে আমাদের কি দায়িত্ব নাই। অবশ্যই আছে। তবে দায়িত্ব পালন করছেন নাকি কোন একটা এজেন্ডার ট্র্যাপে পড়ছেন সেটাও দেখা আপনার দায়িত্ব। যদি দেখেন এটা ভাববার সময় পাচ্ছেন না, তাহলে সময় নিন, ভাবুন। শুনতে "হাইরা গ্যালাম" টাইপ মনে হয়, তবে আপনার এও জেনে রাখা উচিত এদেশে রক্তারক্তি মারপিট করিয়ে কার লাভ?

এদেশে দাঙ্গাহাঙ্গামা করিয়ে, ডিভাইড এন্ড রুল করিয়ে ব্রিটিশরা দুইশ বছর চুষে খেয়ে আজ কি সুখে নাই? কমপক্ষে দুইশবছর আগে নাই? কেমনে আছে? আমাদের বোকা বানিয়েই তো এগিয়েছে। একই কাজ প্রত্যেকটা ইম্পেরিয়ালিষ্টরা করবে। তাই, খুব সাবধান।

আমি অনুরোধ করবো দেশের সমস্ত ঘরানার আলেমরা এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোকপাত করবেন। অযোগ্যদের থেকে মাইক কেড়ে নেবেন। ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। সাথে দেশের মানুষের জন্য কোনটা উপকার সেটা নিয়ে কথা বলবেন। দেশ আপনাদেরও। এখানে রক্তারক্তি হলে রক্তের ছিঁটা আপনাদেরও জোব্বাতে পড়বে। তাই আমার অনুরোধ আপনারা একদম উন্মুক্তভাবে কথা বলুন। স্টেটমেন্ট দিন।

®সংগৃহীত
👍1
আয়েশা (রাঃ) যখন ছোট ছিলেন, তখন কাপড়ের তৈরি পুতুল নিয়ে খেলা করতেন। তার মধ্যে একটি ঘোড়া ছিল, যার দু’টি ডানা ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দেখে বললেন, ’এটা কী?’ আয়েশা বললেন, ’ঘোড়া।’

তিনি বললেন,
’ঘোড়ার আবার দু’টি ডানা?’
আয়েশা বললেন, ’আপনি কি শুনেননি, সুলাইমান (নবী)র ডানা-ওয়ালা ঘোড়া ছিল?’ এ কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন এবং সে হাসিতে তাঁর চোয়ালের দাঁত দেখা গেল।
(আবু দাঊদ ৪৯৩৪, মিশকাত ৩২৬৫, সহীহ সনদে)


-source
👍3😁2
👍5🤬1
ইসলামী লেবাসে ভন্ডদের অনেক আগে অস্ত্র ছিলো মারেফত বা দরবেশী ভাব ধরার। সময় বদলেছে। পাবলিক, বিশেষ করে ইয়াং পাবলিক এসব এখন খায় না। কিন্তু ইসলামী লেবাসে ভন্ডামী করে পয়সা কামানোর মতন জিরো ইনভেস্টমেন্টে হিউজ প্রফিট তো ছেড়ে দেয়া যায় না। তাই সামান্য কিছু আরবী শিখেটিখে দুচারটা বইপত্র পড়েটরে এখন ভন্ডদের মেইন টপিক থাকে "বিশ্বরাজনীতি"। কড়া ভাষায় "অমুক শাসক মুনাফেক" বলা আর কিছু হিস্ট্রিকাল নষ্টালজি বয়ানে খুব সহজে সেইম চিন্তাধারা বয়ে আনা ইসলামিক বলশেভিক ইয়াংদের ট্র্যাপে ফালানো যায়ই। সাথে "নারী / বিয়ে" টপিক হলো বিক্রিয়ার ক্যাটালিস্ট। বই বিক্রি হবে, কোন যোগ্যতা ছাড়া সেমিনারে ইসলামিক চিন্তাবিদ হিসেবে যাওয়া যাবে, মসজিদের মিম্বারের মতন জায়গায় দাড়ানোর স্পর্ধা দেখাতে পারবে। ইজি মানি। গুলিস্তানের মার্কেট থেকে এক্সপায়ার্ড জোব্বা কিনা ভন্ডটা কযদিন পরেই বিনা কোন চাকরি ব্যাবসা করেই হাজারখানেক টাকার জোব্বা পরবে, হাতে পরবে স্যামসাং স্মার্টওয়াচ। কেউ কোন প্রশ্ন করবে না, করলে প্রশ্নকারী যদি হুজুর হয়, তারে বানাবে মাদখালী বা দালাল আর যদি হুজুর না হয়... তাইলে তো গেইম ওভার।

কথা হইলো, এসব ভন্ডদের ভন্ডামী থাকবেই। সেখানে দুচারটা বিনোদন আসতেই পারে। যেমন এখনকার ইস্যু মানে বিয়ে বউ প্রেম রিলেটেড বিনোদন। এতে তো আহামরি নতুন কিছুই নাই। সমস্যা হলো, এরপরও এসব ভন্ডদের ইনিয়েবিনিয়ে ডিফেন্ড করা, এমনকি এসব ভন্ডদের ইসলামী সেমিনারে বক্তা করে আনা, প্রতিবাদ সভায় সামনের সারিতে রাখার মতন কাজকারবার যদি করা হয়, তখন। তখন বুঝতে হবে ঐ গ্রুপটাই এসব ভন্ডদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। ওরা সেইম দলের প্লেয়ার্স। হয়তো কারোর কারোর ভন্ডামি ধরা পড়ে নাই, তবে পড়বে না, এমনটা বলা যায় না। তবে এগুলা ধরতে যাওয়া বা এগুলা নিয়ে কথা বলা খুব রিস্কি। কারন ঠিক ঐ একসময় মারেফতী পীরবাবাদের ভন্ডামি এক্সপোজ করলে একটা হাই প্রফিটেবল বাটপারী বিজনেসের ব্যাপাক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকতো, তাই এক্সপোজ করতে গেলে ঐ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে ইসলাম বিদ্বেষী বলে কঠিন চাপে ফালানো হতো। এখনও সেরকম "দালাল" বা "মাদখালী" বলে চাপে ফালায় দিবে বা দিচ্ছে। তাই অনেকেই ভন্ডামী দেখেও চুপসে থাকে।

©সংগৃহীত
👍1
সম্পূর্ণ কুরআন কি বাংলা অনুবাদ পড়েছেন?
Final Results
21%
হ্যাঁ
52%
না
28%
পড়া চলছে
👍3
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
নিক্বাব করা কি বাধ্যতামূলক?
😁1
Only one thing is left in the so called Bangladeshi Salafi community.

Just say it plainly. Please vote Jamaat e Islami. Then stop hiding behind Shaykh Ibn Uthaymeen.
He never told anyone to vote for Ikhwani or Jamati groups. He only allowed voting under specific constraints and necessities.

A truly gutless Salafi community. Selective quoting has become manhaj. Even the Khariji manhaj of Abu Bakr al Baghdadi was clearer than this pseudo Salafi newborn তরুণ দায়ী আলিম হ্যান ত্যান crowd and the old school এটা ইখতেলাফি মাসআলা group.

If you support a party then own it. Do not baptize politics with half fatwas and borrowed scholar names.
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
পর্বঃ১২ ইস্তেওয়া শব্দের অর্থ ।। Meaning Of Istiwa ।। Audio Book ।। রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন

লেখকঃ প্রফেসর ড. আবুবকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
বুক-রিডারঃ আব্দুর রহমান আদর

#rau
#রআউউ
#audio_book_1

ইউটিউব লিংক: https://youtu.be/BZ17KeS-U1c?si=LfIH6VTxqjxkS1Rq
👍3
I took the Associate oath in 2014 and became a Member in 2018, which is the highest oath of Chatroshibir, and I gave bayah. Later, I left Phulkuri Ashar, a sub organization of Chatroshibir. I left it by my own decision.

Nowadays, after 5th August, some people I once thought were Salafi have turned out to be pseudo Ikhwani, though not all of them. It is sad.

Anyway, I stand with those who say that voting in democratic elections is haram. I will not vote, and I also advise others not to vote.
Think about this. Those who argue that we should choose the better option among all candidates, especially in the name of Islam, contradict themselves. After making that claim, I saw some people openly posting to vote for Jamaat allies. That is shameful.

According to your own logic, you should vote for Chormonai, Islami Andolon Bangladesh, because they have clearly declared their stance regarding Islam, whereas Jamaat is far away from that position.
Some ulama say that voting is permissible under certain conditions. Some do not. But we need to understand that the majority opinion is not always correct.

One more thing. Some people are saying that Shaykh Abubakar Muhammad Zakaria told us to vote. It is totally unethical to make decisions based on someone’s old video, because he has changed his fatwa in recent times. Did he not change his fatwa regarding Assim Al Hakeem? Then why do you need his old fatwa to promote your own motive?
Very sad.

_
Abdur Rahman Ador
👍4
বাংলাদেশে আহলে হাদিস, কওমী, বারেলভীসহ নানা ধারার দ্বীনি-বিদ'আতী অঙ্গনের অসংখ্য লোক রয়েছে। তারা নারীদের পর্দা ও নিকাবের গুরুত্ব নিয়ে নিয়মিত কথা বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব সমস্যার দিকেও আরও গুরুত্ব দিয়ে কথা বলা এবং সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।

ধরুন, আপনার মেয়ে বা ওয়াইফ পূর্ণ নিক্বাবি বা পর্দানশীন।এখন আপনি তাকে উপহারস্বরূপ জায়গা দিতে গেলেন বা তার জায়গা তিনি বেঁচতে গেলেন।
যে মানুষটি আজীবন নিক্বাব করে এলো তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে যেখানে আরো অনেক পুরুষ থাকে নিয়মিত, তাদের সবার সামনেই ফেইস ভ্যারিফিকেশনের জন্য নিক্বাব খোলা লাগলো।।কতটা দুঃখজনক ভাবা যায়!
ফেস ভ্যারিফিকেশনের বিকল্প তো এই আধুনিক যুগে কত কিছুইনা আছে।

আমাদের আলিমরা মেয়েদের নিক্বাবের কথা বলেন কিন্তু এইসব সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও বলা দরকার যেখানে নিক্বাব পরিধানকারীর সমস্যা না হয়।

ধরুন, আপনার ওয়াইফ বা মেয়ে কোন ভার্সিটিতে ভর্তি হলো, পূর্ণ ইসলামিক ভার্সিটি। ছেলে -মেয়ে আলাদা। এখন সেখানে মেয়েদের আইডিতেও চেহারা যুক্ত করে দেয়া হলো। যা নানাস্থানে চ্যাক করা হয়। পূর্ণ পর্দানশীন হয়েও ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে যা দুঃখজনকই। তবে এমন অনেক বোন আছেন যারা সেই আইডির ছবি বিনষ্ট করে আইডি ইউজ করেন। কিন্তু সব জায়গায় কি এমনটি সম্ভব?!

রিসেন্টলি এক জায়গায় আমার মাহরামকে বাধ্যতামূলক নিক্বাব খোলা লাগছিলো চেহারা ভ্যারিফিকেশনের জন্য জায়গা-জমি সংক্রান্ত এক কাজের জন্য যেখানে অনেক পুরুষও ছিলো। বেশ বিব্রতকর এবং অসম্মানজনকই বটে। সেসময়ের মতো অসহায় নিজেকে খুব সম্ভবত কমই মনে হয়েছে। অথচ সেই স্থানে ফেইস ভ্যারিফিকেশন ছাড়াও ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানিং দিয়ে ইজিলি পরিচয় যাচাইয়ের কাজ সেরে নেয়া যেতো।

এতজন আলিম আছেন, কাইন্ডলি এই জায়গায় একটু সংশোধনী জরুরি। আমি তো এনআইডিতেও ছবির ব্যবহারের বিপক্ষে এজ এখানে অনেক ভিন্ন পদ্ধতি আছে।
ছেলেদের ক্ষেত্রেও জরুরত ছাড়া ছবি ব্যবহার মোটেও উচিত নয়।
আর যে মেয়ে সারাজীবন নিক্বাব করে এলো, সে যেনো এক্সাম হলে, জায়গা জমি রেজিষ্ট্রারসহ নানান জায়গায় চেহারা দেখানো না লাগে সেই ব্যাপারে আলিমদের পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।

এক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানিং এক গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। একান্তই ফেস ভ্যারিফিকেশনের জরুরত হলে পৃথক রুমে ফিমেইল দ্বারা ভ্যারিফাই করা জরুরি যা মূলত কিছু স্থান বাদে জনবল সংকটের কারণে বেশ কষ্টসাধ্য। তবে প্রযুক্তির বিপ্লবের এই সময়ে এসে একাধিক বিকল্প বিদ্যমান।

আলিম সমাজ, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এ বিষয়ে বাস্তবসম্মত ও শরিয়াহসম্মত বিকল্প নিয়ে চিন্তা করেন, তাহলে পর্দানশীন নারীদের জন্য অনেক বড় একটি স্বস্তির ব্যবস্থা হতে পারে।
👍7
দামী জিনিস হুট করে সস্তা হওয়া মানেই জিনিসটা নকল হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এর মানে এই না যে আসল দামী জিনিসটা নাই। আপনার খালি একটু সতর্ক হতে হবে খুঁজতে গিয়ে।

দীনদার বেড়ে গেছে শুনে পুলকিতই হবার কথা সবার। খুশি হবার কথা। কিন্তু দীনদারিতা বা বাংলায় পরহেজগার শব্দটার অনেক ভার ছিলো। একজন পরহেজগার অনেক দামী ছিলো। কিন্তু ঐযে বললামনা? দামী জিনিসের পরিমাণ বেশি হওয়া খুব সস্তা হয়ে যাওয়া মানেই চারদিকে নকলের পরিমাণ বেড়ে যাবে। তেমনই হচ্ছে দীনদারিতার নামে প্রচুর ধাপ্পাবাজ বেড়ে গেছে।

প্রতারক ও চোর এরাও দীনদার দীনি ভাই সেজেছে। কিন্তু এ তো নতুন না। দুনিয়াতে দীনকে ব্যাবহার করে স্বার্থ হাসিল পুরোনো ইতিহাস। লোকে যত কম দীনের জ্ঞান থাকবে, তত বেশি তার অপ্রয়োজনীয় আবেগ থাকবে। যখনই লোকের বিবেকে অপ্রয়োজনীয় আবেগ জায়গা করে নিবে, তখনই সেটার ফায়দা লুটা সহজ হবে। সেসজন্যই সেই লোকের ফাঁসি হয় যে প্রশ্ন করে "প্রিয়নবীর কবর হলো দরগা হলো না, বাবার দরবারে এমনই কি হলো যে দরগা হলো, শিন্নি হলো?" তাই দীনের চাদরে বাটপার থাকবেই এটাই স্বাভাবিক।

তো এখন কি আমরা খুঁজা বন্ধ করে দেবো? প্রচুর ভেজাল স্বর্ণ হয় দেখে কি স্বর্ণের খোঁজ বন্ধ হয়? দীন খুঁজতে হবে, দীনদার খুঁজতে হবে। তবে যত বেশি ভেজাল তত বেশি সাবধান। সাবধান আর অবিশ্বাস শব্দ দুটো এক না। আপনার সাবধানতা যাতে অবিশ্বাসকে জায়গা না দিয়ে দেয়। সব লোকে ছদ্মবেশ ধরতে হাত উঠালেও একজন থাকবেই যে রবের অনুগ্রহ খুঁজতে হাত উঠিয়েছে। সেই দুই হাত খুঁজতে হবে, নিজেকে সেই দুই হাত তোলার লোক বানিয়ে নিতে হবে।

পাপ সবাই হয়তো করে মনে হবে, পাপী সবাই ই হয়তো মনে হবে। তবে হতে হবে সেজন যেজন পাপ করে সিজদায়ে লুটিয়ে ক্ষমা চায়। হয়তো তার তওবায় দুনিয়াতে কিছু ফারাক হয়না, কিন্তু রবের কাছে খুব দামী হয়ে যায়। ফেরেশতারা দিনশেষে দুআ করে তার জন্য। সেজন হতে শিখি। আবারও বলবো, সতর্কতার জায়গাটা অবিশ্বাস যাতে নিয়ে না নেয়।


_Muhaiminur_Rahman_Snigdho
👍8
ধরুন, কেউ আমার হাঁটুর উপরে প্যান্ট দেখে বলল, "ভাই, আপনি যদি প্যান্টটি সতর ঢেকে পরতেন, তাহলে ভালো হতো।" অথবা টাখনুর নিচে প্যান্ট দেখে বলল, "প্যান্টটি টাখনুর ওপর পরলে ভালো হতো।"

আমি যদি সঙ্গে সঙ্গে কথাটি গ্রহণ করতে না পেরে তাকে বলি, "আপনি আগে নিজের দিকে খেয়াল করুন", কিংবা তার অন্য কোনো ভুল বা গুনাহের কথা তুলে ধরি তাহলে এটি সংশোধিত না হতে চাওয়ার একটি প্রবণতার প্রকাশ।

মানুষ হিসেবে এমন প্রতিক্রিয়া কখনো কখনো স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, এটি মোটেও কাম্য নয়। পরিবর্তনের সূচনা হওয়া উচিত সংশোধিত হওয়ার মানসিকতা লালনের মাধ্যমে। অন্যথায় এই প্রবণতা ধীরে ধীরে অহংকারে রূপ নিতে পারে।

আমাদের মনে রাখা উচিত, দুনিয়ায় কোনো ভুল শুধরে নেওয়ার কারণে যদি আখিরাতে জান্নাত লাভ হয়, তবে সেটি তো লাভের ওপর লাভ।

তাই চেষ্টা করে যেতে হবে নিজেকে সংশোধন করার। এটি সহজ নয়, কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। কেউ কোনো ভুল ধরিয়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুব্ধ বা বিরক্ত না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা উচিত। যদি সত্যিই বিষয়টি সংশোধনযোগ্য হয়, তাহলে তা সংশোধন করে নেওয়াই উত্তম।

আর কেউ যখন সংশোধনের উদ্দেশ্যে কিছু বলে, তার ভাষা কঠোর হোক বা কোমল প্রথমেই তার ব্যাপারে সুধারণা রাখা উচিত। মনে করা উচিত, হয়তো সে সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্মরণ করিয়ে দিতে চেয়েছে। শুরুতেই তাকে হিংসুক, বাড়াবাড়িকারী বা অন্য কোনো নেতিবাচক বিশেষণে আখ্যায়িত করলে একদিকে যেমন গুনাহের আশঙ্কা থাকে, অন্যদিকে সংশোধিত হওয়ার সুযোগও হাতছাড়া হয়ে যায়।

মহান আল্লহ আমাদের সবাইকে সত্য গ্রহণ করার, ভুল সংশোধন করার এবং বিনয়ী থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
👍5
আমি পার্সোনালি এই বইটির জন্য খুব উদগ্রীব ছিলাম।
আলহামদুলিল্লাহ এখন প্রি-অর্ডার চলছে।
উস্তায আবূ নাবীহা নাজমুস সাকিব হাফিজাহুল্লহর অনুবাদ ও প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিজাহুল্লহর সম্পাদনায় খুব সম্ভবত বাংলাদেশে এটিই একমাত্র বিস্তর ব্যাখ্যার অনুবাদ।
_
অর্ডার করার জন্য এই পোষ্টের কমেন্ট চ্যাক করুন
👍2