Sorry guys. It's been a good journey together.
I lost everything today.
All the pages, ids, access due to the mass report of The Po-rn syndicate
I lost everything today.
All the pages, ids, access due to the mass report of The Po-rn syndicate
😢42❤1😱1😭1👾1
কিছু শহিদকে কাস্ট করা হচ্ছে মানবিকতার প্রতীক হিসেবে। তাদের গল্প তোমাকে ছুঁয়ে যাবে, তারা ছিল "ভালো ছেলে", "হয়তো মায়ের একমাত্র সন্তান", "হয়তো উচ্চশিক্ষিত" এইসব গুণের শহিদদের ঘিরেই তৈরি হচ্ছে এক দুঃখ-কেন্দ্রিক ন্যারেটিভ, যেটা মিডিয়া ও পাবলিক স্পেসে খুব সহজে জায়গা করে নেয়।
বাকি শহিদরা যদি হয় কাঠমিস্ত্রি-শ্রমিক-টোকাই, গ্রাম থেকে আসা, পোশাক-চেহারায় শহুরে বর্ণচোরা না হয়, হয়তো পেছনে তেমন "নিউজওয়ার্দি" পরিবার নেই তাহলে তারা “না দেখা শহিদ”, “অদৃশ্য বেদনাবহ মৃত্যুর দল” হয়ে যায়।
এটাই একটা ক্লাস বায়াসড স্মৃতি নির্মাণ, যেখানে কার মৃত্যু "প্রতীক হয়ে উঠবে", সেটা নির্ধারণ করে দেয় মিডিয়া, এনজিও-সেটিংস এবং ইলিট শ্রেণী।
শহিদের মধ্যেও হায়ারার্কি তৈরি করা মানে, কার স্মৃতি থাকবে রাষ্ট্র বা নাগরিক সমাজের আলোচনায়, সেটা কন্ট্রোল করা। যারা রাজনৈতিকভাবে "ব্র্যান্ডেবল" না, তাদের ত্যাগকে অদৃশ্য করে রাখা হয়। আবার যারা ‘স্মার্ট শহিদ’ হিসেবে তুলে ধরা যায়, তাদের ঘিরেই ভবিষ্যতের জনসমর্থন ও ভাবাবেগ তৈরি হয় আর এটা পপুলিজমের সবচেয়ে বড় ইঞ্জিন।
শহীদ মুগ্ধের সমান সম্মান কেন পাবেন না পোশাক শ্রমিক শহীদ জুয়েল, কাঠমিস্ত্রী ফারুক কিংবা ১৬৮ জন টোকাই বা পথশিশু?
https://www.facebook.com/share/p/1AraoM1U9P
বাকি শহিদরা যদি হয় কাঠমিস্ত্রি-শ্রমিক-টোকাই, গ্রাম থেকে আসা, পোশাক-চেহারায় শহুরে বর্ণচোরা না হয়, হয়তো পেছনে তেমন "নিউজওয়ার্দি" পরিবার নেই তাহলে তারা “না দেখা শহিদ”, “অদৃশ্য বেদনাবহ মৃত্যুর দল” হয়ে যায়।
এটাই একটা ক্লাস বায়াসড স্মৃতি নির্মাণ, যেখানে কার মৃত্যু "প্রতীক হয়ে উঠবে", সেটা নির্ধারণ করে দেয় মিডিয়া, এনজিও-সেটিংস এবং ইলিট শ্রেণী।
শহিদের মধ্যেও হায়ারার্কি তৈরি করা মানে, কার স্মৃতি থাকবে রাষ্ট্র বা নাগরিক সমাজের আলোচনায়, সেটা কন্ট্রোল করা। যারা রাজনৈতিকভাবে "ব্র্যান্ডেবল" না, তাদের ত্যাগকে অদৃশ্য করে রাখা হয়। আবার যারা ‘স্মার্ট শহিদ’ হিসেবে তুলে ধরা যায়, তাদের ঘিরেই ভবিষ্যতের জনসমর্থন ও ভাবাবেগ তৈরি হয় আর এটা পপুলিজমের সবচেয়ে বড় ইঞ্জিন।
শহীদ মুগ্ধের সমান সম্মান কেন পাবেন না পোশাক শ্রমিক শহীদ জুয়েল, কাঠমিস্ত্রী ফারুক কিংবা ১৬৮ জন টোকাই বা পথশিশু?
https://www.facebook.com/share/p/1AraoM1U9P
😢16
গরীবের অধিকার আর হিস্যাদারীর কথা কইলেই আমি হইয়া যাই বুর্জুয়া কমিউনিস্ট বা কমিনিজমের ইউটোপিয়া।
এদিকে ইসলাম বলে, “তোমরা শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার পূর্বেই তার পাওনা পরিশোধ কর।”
[ইবন মাজাহ; মিশকাত, হাদীস নং ২৯৮৭।]
“কিয়ামত দিবসে আমি তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হব। ১. যে ব্যক্তি আমার নামে শপথ করে কিছু দেওয়ার কথা বলে তারপর তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে। ২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন বা মুক্ত লোককে ধরে বিক্রয় করে তার মূল্য ভোগ করে। ৩. যে ব্যক্তি কোনো মজুরকে নিয়োগের পর তার থেকে পুরো কাজ আদায় করেও তার পাওনা পরিশোধ করে না”
[সহীহ বুখারী; মিশকাত, হাদীস নং ২৯৮৪।]
অন্যদিকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান বলে তার ২৮ নং অনুচ্ছেদে,
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
এদিকে ইসলাম বলে, “তোমরা শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার পূর্বেই তার পাওনা পরিশোধ কর।”
[ইবন মাজাহ; মিশকাত, হাদীস নং ২৯৮৭।]
“কিয়ামত দিবসে আমি তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হব। ১. যে ব্যক্তি আমার নামে শপথ করে কিছু দেওয়ার কথা বলে তারপর তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে। ২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন বা মুক্ত লোককে ধরে বিক্রয় করে তার মূল্য ভোগ করে। ৩. যে ব্যক্তি কোনো মজুরকে নিয়োগের পর তার থেকে পুরো কাজ আদায় করেও তার পাওনা পরিশোধ করে না”
[সহীহ বুখারী; মিশকাত, হাদীস নং ২৯৮৪।]
অন্যদিকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান বলে তার ২৮ নং অনুচ্ছেদে,
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
❤4
আজ ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাস বেরোবিতে ছাত্রদল ফরন বিতরণ করছে।
গত ৯ তারিখ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির নতুন কমিটি দেওয়ায় তীব্র নিন্দা জানাইছিলাম। ১০ দিনও পার হয়নি আজ ছাত্রদল কর্মী নিচ্ছে ফর্ম দিচ্ছে।
যেখানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ অক্টোবর ২০২৪ থেকে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
গত ৯ তারিখ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির নতুন কমিটি দেওয়ায় তীব্র নিন্দা জানাইছিলাম। ১০ দিনও পার হয়নি আজ ছাত্রদল কর্মী নিচ্ছে ফর্ম দিচ্ছে।
যেখানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ অক্টোবর ২০২৪ থেকে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
শিবির নিয়ে পোস্ট:
https://www.facebook.com/share/1F3dwTzdoZ/?mibextid=wwXIfr
অন্যান্য লিংক:
শাস্তির ঘোষণা রাজনীতি করলে ২০২৫ এপ্রিল ১৫
https://www.jaijaidinbd.com/education/548603
রাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা ২০২৪ অক্টোবর ২৮
https://www.ittefaq.com.bd/amp/705109/বেগম-রোকেয়া-বিশ্ববিদ্যালয়ে-রাজনীতি-নিষিদ্ধ
https://www.facebook.com/share/1F3dwTzdoZ/?mibextid=wwXIfr
অন্যান্য লিংক:
শাস্তির ঘোষণা রাজনীতি করলে ২০২৫ এপ্রিল ১৫
https://www.jaijaidinbd.com/education/548603
রাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা ২০২৪ অক্টোবর ২৮
https://www.ittefaq.com.bd/amp/705109/বেগম-রোকেয়া-বিশ্ববিদ্যালয়ে-রাজনীতি-নিষিদ্ধ
জাতীয় বাজেট কাঠামোর বিকেন্দ্রীকরণ ও গণতান্ত্রিকীকরণের অংশ হিসেবে প্রতিটি পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বাৎসরিক বাজেটের কমপক্ষে ৫-১০% অংশ জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে বরাদ্দ ও ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ও বাধ্যতামূলক আইন করা উচিত।
২০১৪ সাল থেকে প্যারিস শহর তার বাজেটের প্রায় ৫% জনগণের ভোটে বরাদ্দ করে। স্পেনের বার্সেলোনায় “Decidim” নামে একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে যেখানে নাগরিকরা প্রস্তাব দেয়, ভোট দেয়, বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করে। দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল Participatory Budget Council নামে একটি আইনি সংস্থা আছে। জার্মানিতে “Bürgerhaushalt” (Citizens’ Budget) নামে নীতিগত কাঠামো আছে।
এমনকি আমাদের পাশের দেশ ভারতের কেরেলা রাজ্যে People’s Plan Campaign (1996) এর মাধ্যমে বাজেটের একটি বড় অংশ পঞ্চায়েত বা গ্রাম পর্যায়ে সরাসরি জনগণের মাধ্যমে ব্যয় করা বাধ্যতামূলক।
বর্তমান শাসন কাঠামোয় উন্নয়ন কার্যক্রম প্রায়ই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। কোনো ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন যদি শাসকদলের পক্ষে ভোট না দেয়, তবে সেখানে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয় না, অথবা লোকদেখানো সীমিত কাজ করে দায় সারা হয়। ফলে বছরের পর বছর ধরে অনেক এলাকায় রাস্তাঘাট ভাঙা পড়ে থাকে, জলাবদ্ধতা দূর হয় না, স্কুলের ছাউনি মেরামত হয় না কারণ সেসব এলাকার “রাজনৈতিক পরিচয়” ক্ষমতাসীনদের অপছন্দ। এই বৈষম্য শুধু স্থানীয় চেয়ারম্যান বা মেয়র নয়, জাতীয় পর্যায়েও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চলে আসছে। যেমন, সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে মেজর জিয়ার একটি প্লটের প্রসঙ্গে প্রকাশিত হয়। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ঐ এলাকার উন্নয়ন বন্ধ রেখেছে, কেবলমাত্র জিয়াউর রহমানের একটা প্লট আছে বলে।
২০১৪ সাল থেকে প্যারিস শহর তার বাজেটের প্রায় ৫% জনগণের ভোটে বরাদ্দ করে। স্পেনের বার্সেলোনায় “Decidim” নামে একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে যেখানে নাগরিকরা প্রস্তাব দেয়, ভোট দেয়, বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করে। দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল Participatory Budget Council নামে একটি আইনি সংস্থা আছে। জার্মানিতে “Bürgerhaushalt” (Citizens’ Budget) নামে নীতিগত কাঠামো আছে।
এমনকি আমাদের পাশের দেশ ভারতের কেরেলা রাজ্যে People’s Plan Campaign (1996) এর মাধ্যমে বাজেটের একটি বড় অংশ পঞ্চায়েত বা গ্রাম পর্যায়ে সরাসরি জনগণের মাধ্যমে ব্যয় করা বাধ্যতামূলক।
বর্তমান শাসন কাঠামোয় উন্নয়ন কার্যক্রম প্রায়ই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। কোনো ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন যদি শাসকদলের পক্ষে ভোট না দেয়, তবে সেখানে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয় না, অথবা লোকদেখানো সীমিত কাজ করে দায় সারা হয়। ফলে বছরের পর বছর ধরে অনেক এলাকায় রাস্তাঘাট ভাঙা পড়ে থাকে, জলাবদ্ধতা দূর হয় না, স্কুলের ছাউনি মেরামত হয় না কারণ সেসব এলাকার “রাজনৈতিক পরিচয়” ক্ষমতাসীনদের অপছন্দ। এই বৈষম্য শুধু স্থানীয় চেয়ারম্যান বা মেয়র নয়, জাতীয় পর্যায়েও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চলে আসছে। যেমন, সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে মেজর জিয়ার একটি প্লটের প্রসঙ্গে প্রকাশিত হয়। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ঐ এলাকার উন্নয়ন বন্ধ রেখেছে, কেবলমাত্র জিয়াউর রহমানের একটা প্লট আছে বলে।
❤7🍓4👾1
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহসিন হলের গেটের কাছে সেই বিকেলটায় বাতাসে অদ্ভুত এক গন্ধ, গরম চায়ের ভাপ, সিগারেটের ধোঁয়া আর ভাজা বেগুনির সঙ্গে মিশে থাকা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সুগন্ধ।
দুই সপ্তাহ হলো হলে এক নতুন সংগঠন এসেছে, “জাতীয়তাবাদী দাওয়াহ সার্কেল”।
নামটা শোনামাত্র মনে হয় তারা হয়তো ইসলামী বই বিতরণ করবে, ইমানী লেকচার দেবে অথবা রোজার সময় ইফতার করাবে। কিন্তু হলের পুরনো সিনিয়ররা চোখ টিপে বলে
“এই দাওয়াহ আসলে দাওয়াহর নাম করে ভোটের দৌড়ানি।”
কারণ ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ তাই ছাএদলের হল শাখা গায়ে নয়া পারফিউম মেরে এসেছে হলে। এখন তারা “দাওয়াহ” করছে তবে কোরআনের আয়াতের চেয়ে তাদের মুখস্থ বেশি “আমাদের দলই দেশপ্রেমিক” ধরণের স্লোগান।
......
নতুন দলের তিনজন নেতা এক সন্ধ্যায় হলের টিভি রুমে ঢুকে গেল। সবার পরনে সাদা পাঞ্জাবি, গলায় গামছা। সামনে নিয়ে এলো এক কার্টন।
“ভাইয়েরা, দুইটা মিনিট হবে? আপনাদের হাতে হাতে ঈমান পৌঁছে দেবো।”
কার্টন খুলে দেখি, ভেতরে আসলেই বই আছে… তবে বইয়ের সাথে সাথে চকচকে পোস্টারও, বড় বড় অক্ষরে লেখা
“আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশপ্রেমিক শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে”
নিচে ছোট হরফে, জাতীয়তাবাদী দাওয়াহ সার্কেল।
......
হলের নতুন ফ্রেশার শাওন পোস্টার দেখে অবাক হয়ে বলল
“ভাই, এইটা কি দাওয়াহর অংশ?”
দলের এক নেতা হাসিমুখে উত্তর দিল
“অবশ্যই ভাই, এইটাই তো প্রকৃত দাওয়াহ, জাতিকে সঠিক পথে ডাক দেওয়া।”
রাতে দেখা গেল হলের মসজিদে ইফতার বিতরণ হচ্ছে। প্লাস্টিকের প্যাকেটে ডাল, খেজুর, সাথে একখানা ছোট লিফলেট,
“আমাদের প্রিয় নেতা দেশ বাঁচানোর শেষ আশার প্রতীক”
লিফলেটের নিচে লেখা, “জাতীয়তাবাদী দাওয়াহ সার্কেল”।
......
কিন্তু সমস্যা বাঁধল পরের শুক্রবারে। তারা “ধর্মীয় আলোচনা সভা” আয়োজন করল যেখানে বক্তা শুরু করলেন সূরা ফাতিহা দিয়ে কিন্তু পনের মিনিটের মাথায় পৌঁছে গেলেন ৯০ এর দশকের ছাএদলের “গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলন”-এ। শেষ করলেন স্লোগানে
“দাওয়াহ! গণতন্ত্র! জয় হোক!”
#ডাকসু_রস ১
দুই সপ্তাহ হলো হলে এক নতুন সংগঠন এসেছে, “জাতীয়তাবাদী দাওয়াহ সার্কেল”।
নামটা শোনামাত্র মনে হয় তারা হয়তো ইসলামী বই বিতরণ করবে, ইমানী লেকচার দেবে অথবা রোজার সময় ইফতার করাবে। কিন্তু হলের পুরনো সিনিয়ররা চোখ টিপে বলে
“এই দাওয়াহ আসলে দাওয়াহর নাম করে ভোটের দৌড়ানি।”
কারণ ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ তাই ছাএদলের হল শাখা গায়ে নয়া পারফিউম মেরে এসেছে হলে। এখন তারা “দাওয়াহ” করছে তবে কোরআনের আয়াতের চেয়ে তাদের মুখস্থ বেশি “আমাদের দলই দেশপ্রেমিক” ধরণের স্লোগান।
......
নতুন দলের তিনজন নেতা এক সন্ধ্যায় হলের টিভি রুমে ঢুকে গেল। সবার পরনে সাদা পাঞ্জাবি, গলায় গামছা। সামনে নিয়ে এলো এক কার্টন।
“ভাইয়েরা, দুইটা মিনিট হবে? আপনাদের হাতে হাতে ঈমান পৌঁছে দেবো।”
কার্টন খুলে দেখি, ভেতরে আসলেই বই আছে… তবে বইয়ের সাথে সাথে চকচকে পোস্টারও, বড় বড় অক্ষরে লেখা
“আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশপ্রেমিক শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে”
নিচে ছোট হরফে, জাতীয়তাবাদী দাওয়াহ সার্কেল।
......
হলের নতুন ফ্রেশার শাওন পোস্টার দেখে অবাক হয়ে বলল
“ভাই, এইটা কি দাওয়াহর অংশ?”
দলের এক নেতা হাসিমুখে উত্তর দিল
“অবশ্যই ভাই, এইটাই তো প্রকৃত দাওয়াহ, জাতিকে সঠিক পথে ডাক দেওয়া।”
রাতে দেখা গেল হলের মসজিদে ইফতার বিতরণ হচ্ছে। প্লাস্টিকের প্যাকেটে ডাল, খেজুর, সাথে একখানা ছোট লিফলেট,
“আমাদের প্রিয় নেতা দেশ বাঁচানোর শেষ আশার প্রতীক”
লিফলেটের নিচে লেখা, “জাতীয়তাবাদী দাওয়াহ সার্কেল”।
......
কিন্তু সমস্যা বাঁধল পরের শুক্রবারে। তারা “ধর্মীয় আলোচনা সভা” আয়োজন করল যেখানে বক্তা শুরু করলেন সূরা ফাতিহা দিয়ে কিন্তু পনের মিনিটের মাথায় পৌঁছে গেলেন ৯০ এর দশকের ছাএদলের “গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলন”-এ। শেষ করলেন স্লোগানে
“দাওয়াহ! গণতন্ত্র! জয় হোক!”
#ডাকসু_রস ১
🤣13❤2😁1
বিএনপি এখন এক অদ্ভুত জায়গায় দাঁড়াইছে। নিজেরাই নিজেদের ভেতর কাটাকাটি, ঠেলাঠেলি, ছোট ছোট ফ্যাকশন, ক্লেশ আর এলিমিনেশনের খেলায় যাইতেছে। কেউ টিইকা থাকতেছে, কেউ মাইনাস হয়ে যাইতেছে আর এই অদ্ভুত রক্তচক্রের ভেতর দিয়াই দলটা মনে হয় একটা নতুন পাওয়ার ব্যালেন্সে পৌঁছাইবার চেষ্টা করছে। কিন্তু এর জন্য অনেক তাজা প্রাণ ঝড়ে যাইতেছে।
কিন্তু অইখানেই তো শেষ না। এই আন্তকোন্দলের মধ্য দিয়ে যে স্টাবিলিটি আসবে তার পরেই শুরু হবে মূল সংঘাত, অপজিশন পার্টিগুলার সাথে সরাসরি রেষারেষি। সেই ইশারা তো এখনই টের পাইতেছি, নরম নরম আগুনের গন্ধের মতো।
আর যদি এই পথেই আগানো হয় সামনে কিছুই ভালো অপেক্ষা করতেছে না এইটা ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখে দিতে পারি। কারণ কেউ ই এখন আর পুরান দিনের মতো না, ডেমোক্রেটিক সংস্কৃতির বাইরে কোনো দাপট, কোনো হুমকি, কোনো দলে দলির রক্তপাত তারা আর মাইনা নিতে চাইবে না।
সব দলেরই বুঝা দরকার রাজনৈতিক প্রতিবেশ কখনো কাউরে ছাড় দেয় না। যে বীজ বোনে, সে ই সেই গাছের ফল খায়।
৬ ডিসেম্বর যা হইলো সেটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা পুরো সিস্টেমের পচন। ছাত্রাবাসে মাদক সেবন নিয়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের তুচ্ছ রেষারেষি এক নিমিষে রক্তাক্ত সংঘর্ষে পরিণত হইলো। হাতে হাত গুঁতাগুঁতি থাইকা অস্ত্র, আর অস্ত্র থাইকা রানার মতো নতুন মুখের মৃত্যু। [যুগান্তর থেকে প্রাপ্ত]
একটা তরুণ ছেলে, মাথায় আঘাত, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, শরীর ভর্তি ক্ষত নিয়ে তিন দিন জীবন মৃত্যুর মাঝখানে ঝুলতে ঝুলতে ৩ দিন পর দুপুরে মারা গেল।
এইটা কোনো রাজনীতি হইতে পারে না, কোনো মতাদর্শ হইতে পারে না। এইটা নির্মমতা, আরেকটা হারানো জীবন, আরেকটা পরিবার ভাঙার আর্তনাদ।
রাজনীতির নামে যে আগুন জ্বলতেছে, সেই আগুন কারো ঘর বাছাই কইরা পুড়ায় না। আজ রানার মৃত্যু, কাল কে?
কতদিন? কতজন?
আমরা অনেক সময়, স্লোগান, যুদ্ধ শেষে আজ ক্লান্ত। এই দেশ আর দেখতে চায় না মিছিলে স্লোগান, আর ঘরে ঘরে কান্না।
সবারই থামা দরকার একটু। এই রক্তের রাজনীতি আর কোনোদিনও কারো ভালো বয়ে আনবে না।
মনে রাখবেন ইতিহাসের চোখ অনেক বড়, আর বিচারটা অনেক কঠিন।
কিন্তু অইখানেই তো শেষ না। এই আন্তকোন্দলের মধ্য দিয়ে যে স্টাবিলিটি আসবে তার পরেই শুরু হবে মূল সংঘাত, অপজিশন পার্টিগুলার সাথে সরাসরি রেষারেষি। সেই ইশারা তো এখনই টের পাইতেছি, নরম নরম আগুনের গন্ধের মতো।
আর যদি এই পথেই আগানো হয় সামনে কিছুই ভালো অপেক্ষা করতেছে না এইটা ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখে দিতে পারি। কারণ কেউ ই এখন আর পুরান দিনের মতো না, ডেমোক্রেটিক সংস্কৃতির বাইরে কোনো দাপট, কোনো হুমকি, কোনো দলে দলির রক্তপাত তারা আর মাইনা নিতে চাইবে না।
সব দলেরই বুঝা দরকার রাজনৈতিক প্রতিবেশ কখনো কাউরে ছাড় দেয় না। যে বীজ বোনে, সে ই সেই গাছের ফল খায়।
৬ ডিসেম্বর যা হইলো সেটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা পুরো সিস্টেমের পচন। ছাত্রাবাসে মাদক সেবন নিয়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের তুচ্ছ রেষারেষি এক নিমিষে রক্তাক্ত সংঘর্ষে পরিণত হইলো। হাতে হাত গুঁতাগুঁতি থাইকা অস্ত্র, আর অস্ত্র থাইকা রানার মতো নতুন মুখের মৃত্যু। [যুগান্তর থেকে প্রাপ্ত]
একটা তরুণ ছেলে, মাথায় আঘাত, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, শরীর ভর্তি ক্ষত নিয়ে তিন দিন জীবন মৃত্যুর মাঝখানে ঝুলতে ঝুলতে ৩ দিন পর দুপুরে মারা গেল।
এইটা কোনো রাজনীতি হইতে পারে না, কোনো মতাদর্শ হইতে পারে না। এইটা নির্মমতা, আরেকটা হারানো জীবন, আরেকটা পরিবার ভাঙার আর্তনাদ।
রাজনীতির নামে যে আগুন জ্বলতেছে, সেই আগুন কারো ঘর বাছাই কইরা পুড়ায় না। আজ রানার মৃত্যু, কাল কে?
কতদিন? কতজন?
আমরা অনেক সময়, স্লোগান, যুদ্ধ শেষে আজ ক্লান্ত। এই দেশ আর দেখতে চায় না মিছিলে স্লোগান, আর ঘরে ঘরে কান্না।
সবারই থামা দরকার একটু। এই রক্তের রাজনীতি আর কোনোদিনও কারো ভালো বয়ে আনবে না।
মনে রাখবেন ইতিহাসের চোখ অনেক বড়, আর বিচারটা অনেক কঠিন।
😢10❤3🔥1😭1😨1
রাজাকারপন্থী: সার সার নাপাকি পাকিস্তান আর্মি অনেক ভালো, আলহামদুলিল্লাহ ইসলামিক।
খোদ নাপাকি পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী তার বইয়ে উল্লেখ করেন সেই ডাইরি বুদ্ধিজীবী হ/ত্যার লিস্টের।
'Green land will be painted red' এর উল্লেখ পাওয়া যায় আরেক অফিসার রাও ফরমান আলির ডাইরিতে যেইটা আবার জিজ্ঞেস করে ভুট্টু।
সোর্স: THE BETRAYAL OF EAST PAKISTAN
রাজাকার পন্থীদের আব্বো Lieutenant Gen. Niazi
খোদ নাপাকি পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী তার বইয়ে উল্লেখ করেন সেই ডাইরি বুদ্ধিজীবী হ/ত্যার লিস্টের।
'Green land will be painted red' এর উল্লেখ পাওয়া যায় আরেক অফিসার রাও ফরমান আলির ডাইরিতে যেইটা আবার জিজ্ঞেস করে ভুট্টু।
সোর্স: THE BETRAYAL OF EAST PAKISTAN
রাজাকার পন্থীদের আব্বো Lieutenant Gen. Niazi
😢1
"Green land will be painted red" এর মানে এই সবুজ বাংলাদেশের মাটি রক্তে লাল কইরা দেওয়া হবে আর নিচে লেখা বুদ্ধিজীবী লিস্ট
🤬4😢2