সাদাকাহ মাসের শুরুতেই কিছু করে রাখা উচিত। মানুষ দুর্বল, তাই যখন মানুষের স্বচ্ছলতা থাকে না তখন সাদাকাহ করার জন্য জরুরি তাওয়াক্ক্বুলও থাকে না।
যখন স্বচ্ছলতা থাকে, তখন তাওয়াক্ক্বুলও থাকে। তাই তখনই সাদাকাহ করে ফেলা উচিত।
যখন স্বচ্ছলতা থাকে, তখন তাওয়াক্ক্বুলও থাকে। তাই তখনই সাদাকাহ করে ফেলা উচিত।
প্রশ্ন ৪৫৬: অনেকে সূরা ইয়াসিনের আমল করে থাকেন। সূরা ইয়াসিনের আমলের ব্যাপারে কি আদৌ কোনো নির্ভরযোগ্য বর্ণনা পাওয়া যায়?
উত্তর:
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله
والصلاة والسلام على رسول الله
হ্যাঁ এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য সনদে হাদিস রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস [রা.] বলেছেন,
«مَنْ قَرَأَ يس حِينَ يُصْبِحُ، أُعْطِيَ يُسْرَ يَوْمِهِ حَتَّى يُمْسِيَ، وَمَنْ قَرَأَهَا فِي صَدْرِ لَيْلِهِ، أُعْطِيَ يُسْرَ لَيْلَتِهِ حَتَّى يُصْبِحَ»
“যে সকাল হলে ইয়াসিন পড়ে সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে সহজতা দান করা হয়। আর যে রাতের সূচনালগ্নে (অর্থাৎ সন্ধ্যায়) ইয়াসিন পড়ে তাকে সকাল হওয়া পর্যন্ত সহজতা দান করা হয়”। [১]
মুসনাদুদ দারিমীর মুহাক্কীক শাইখ হুসাইন আসাদ [রাহ.] এর মতে এর সনদ সনদ হাসান। [২]
এই কিতাবের আরেকজন মুহাক্কীক ড. মারযূক আয যাহরানীর মতেও এর সনদ হাসান। [৩]
উল্লেখ্য যে, কোনো নির্দিষ্ট আমলের ফযীলত এমন একটি বিষয় যা ইজতিহাদ করে বা নিজের মত থেকে দেয়া যায় না। এজন্য এ ধরণের বিষয়ে কোনো বর্ণনা সাহাবী পর্যন্ত বিশুদ্ধ সনদে পাওয়াই যথেষ্ট হয়ে থাকে এবং তা মারফূ হুকুমী হিসেবে বিবেচ্য হয়’। [৪]
والله أعلم بالصواب
উত্তর প্রদানে: মানযুরুল কারিম
[১) ইমাম আদ দারিমী (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ৩৪৬২;
২) ইমাম আদ দারিমী (রাহ.), আল মুসনাদ: ৪/২১৫১; তাহক্বীক: শাইখ হুসাইন আসাদের (রাহ.);
৩) ইমাম আদ দারিমী (রাহ.), আল মুসনাদ: ২/১০৮৪; তাহক্বীক: ড. মারযূক্ব আয যাহরানী;
৪) শাইখ আব্দুল্লাহ বিন জিব্রীন (রাহ.), ফাতাওয়া আশ শাইখ ইবনি জিব্রীন: ৬৮/২৩]
উত্তর:
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله
والصلاة والسلام على رسول الله
হ্যাঁ এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য সনদে হাদিস রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস [রা.] বলেছেন,
«مَنْ قَرَأَ يس حِينَ يُصْبِحُ، أُعْطِيَ يُسْرَ يَوْمِهِ حَتَّى يُمْسِيَ، وَمَنْ قَرَأَهَا فِي صَدْرِ لَيْلِهِ، أُعْطِيَ يُسْرَ لَيْلَتِهِ حَتَّى يُصْبِحَ»
“যে সকাল হলে ইয়াসিন পড়ে সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে সহজতা দান করা হয়। আর যে রাতের সূচনালগ্নে (অর্থাৎ সন্ধ্যায়) ইয়াসিন পড়ে তাকে সকাল হওয়া পর্যন্ত সহজতা দান করা হয়”। [১]
মুসনাদুদ দারিমীর মুহাক্কীক শাইখ হুসাইন আসাদ [রাহ.] এর মতে এর সনদ সনদ হাসান। [২]
এই কিতাবের আরেকজন মুহাক্কীক ড. মারযূক আয যাহরানীর মতেও এর সনদ হাসান। [৩]
উল্লেখ্য যে, কোনো নির্দিষ্ট আমলের ফযীলত এমন একটি বিষয় যা ইজতিহাদ করে বা নিজের মত থেকে দেয়া যায় না। এজন্য এ ধরণের বিষয়ে কোনো বর্ণনা সাহাবী পর্যন্ত বিশুদ্ধ সনদে পাওয়াই যথেষ্ট হয়ে থাকে এবং তা মারফূ হুকুমী হিসেবে বিবেচ্য হয়’। [৪]
والله أعلم بالصواب
উত্তর প্রদানে: মানযুরুল কারিম
[১) ইমাম আদ দারিমী (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ৩৪৬২;
২) ইমাম আদ দারিমী (রাহ.), আল মুসনাদ: ৪/২১৫১; তাহক্বীক: শাইখ হুসাইন আসাদের (রাহ.);
৩) ইমাম আদ দারিমী (রাহ.), আল মুসনাদ: ২/১০৮৪; তাহক্বীক: ড. মারযূক্ব আয যাহরানী;
৪) শাইখ আব্দুল্লাহ বিন জিব্রীন (রাহ.), ফাতাওয়া আশ শাইখ ইবনি জিব্রীন: ৬৮/২৩]
⚡1
তোমার এক দুই দোয়া কবুল হয়নি দেখে হতাশ!
তুমিও তো তাঁর কত হাইয়া আলাস সালাহ এর জবাব দাওনি।
~ সংগৃহীত
তুমিও তো তাঁর কত হাইয়া আলাস সালাহ এর জবাব দাওনি।
~ সংগৃহীত
⚡1
Forwarded from ابتسامة🍃
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সম্মানিত শাইখ, প্রশ্নকারী বলছেন যে কিছু মানুষ ইজতিহাদ এবং হাদিস থেকে সরাসরি বিধান গ্রহণের অজুহাতে মাযহাব অনুসরণ করা ও ফিকহের সংক্ষিপ্ত মূলগ্রন্থসমূহ (মুতুন) মুখস্থ করার ব্যাপারে অনাগ্রহ তৈরি করে। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?
উত্তর প্রদানে: শাইখ সালেহ আল ফাউজান হাফিযাহুল্লাহ
একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আমি কিন্তু সালাফিদের অপছন্দ করি না।
কিন্তু কিছু কিছু সালাফিদের মাঝে একটা টেন্ডেন্সি থাকে, নিজেরা বাদে বাকি সবাইকে তারা মূর্খ বা গোমরাহ মনে করে। অথচ মাযহাবের সিলসিলা মেনে চলেন এমন অনেক ক্ষুরধার আলেম আছেন।
তারা আছারি আকীদা ব্যতীত সবাইকে বলেন যে তারা গোমরাহ হয়ে গেছে। অথচ কাউকে ভুল মনে করলেই তাকে গোমরাহ মনে করার কোনো জরুরত নেই।
এই জিনিসগুলো আমাদের বোঝা উচিত।
কিন্তু কিছু কিছু সালাফিদের মাঝে একটা টেন্ডেন্সি থাকে, নিজেরা বাদে বাকি সবাইকে তারা মূর্খ বা গোমরাহ মনে করে। অথচ মাযহাবের সিলসিলা মেনে চলেন এমন অনেক ক্ষুরধার আলেম আছেন।
তারা আছারি আকীদা ব্যতীত সবাইকে বলেন যে তারা গোমরাহ হয়ে গেছে। অথচ কাউকে ভুল মনে করলেই তাকে গোমরাহ মনে করার কোনো জরুরত নেই।
এই জিনিসগুলো আমাদের বোঝা উচিত।
💯2
Forwarded from AMAU Official
I’m not sure who needs to read this, but what you are going through right now will not last forever.
A day may come when you sleep without the same weight on your chest.
You may see Du‘as answered that you once wondered would ever be answered.
And you may look back and recognise ways Allah was taking care of you that you simply could not see while you were in the middle of it.
But until then, remember this:
Allah sees what you are going through.
He sees the tears that nobody else thinks much of. He knows the thoughts that keep you awake at night. He knows the things you desperately wish you could change but cannot.
And He hears the Du‘as you have made so many times that you almost feel tired of repeating them.
Do not think they have gone unheard.
Allah is Al-Mujeeb. He has not forgotten you.
And the answer to Du‘a does not always arrive in the form we were expecting.
The Prophet ﷺ taught that when a Muslim makes a Du‘a that contains neither sin nor the severing of family ties, Allah gives him one of three things: He hastens the answer for him, stores it for him in the Akhirah, or averts from him an equivalent harm. (Musnad Ahmad 11133)
So even if you cannot yet see what Allah is doing through the delay, your Du‘a is not lost with Him.
Allah ﷻ says:
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٥﴾ إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٦﴾
“For indeed, with hardship comes ease. Indeed, with hardship comes ease.” (Surah ash-Sharh 94:5–6)
Notice the wording. Allah does not only tell you that ease comes after hardship. He tells you that with hardship is ease.
What you can see right now is the difficulty.
What you cannot see may be the doors Allah is opening, the harms He is keeping away from you, the strength He is building in you, and the ease He is preparing in ways you do not yet recognise.
Ya‘qub عليه السلام spent years grieving for Yusuf, not knowing when relief would come.
Yet even in that grief, he said:
قَالَ إِنَّمَا أَشْكُو بَثِّي وَحُزْنِي إِلَى اللَّهِ وَأَعْلَمُ مِنَ اللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ
“I only complain of my suffering and my grief to Allah, and I know from Allah that which you do not know.” (Surah Yusuf 12:86)
And after years of separation, Allah reunited them in a way Ya‘qub could never have imagined.
So do not measure Allah’s care for you by how easy your life feels today.
Keep making Du‘a. Keep praying. Keep turning back to Him.
And when the waiting becomes hard, remember the words of Ibn ‘Ata’illah رحمه الله:
“Do not let the delay in what you have asked for, despite your persistence in Du‘a, cause you to despair. He has guaranteed you a response in what He chooses for you, not what you choose for yourself, and at the time He wills, not the time you desire.” (Al-Hikam al-Ata’iyyah, Hikmah 6)
Perhaps one day you will look back at the very thing that keeps you awake tonight and understand something you cannot understand now.
And perhaps you will find yourself saying:
"Alhamdulillah that Allah chose for me better than I could have chosen for myself."
Team AMAU
www.amauacademy.com
A day may come when you sleep without the same weight on your chest.
You may see Du‘as answered that you once wondered would ever be answered.
And you may look back and recognise ways Allah was taking care of you that you simply could not see while you were in the middle of it.
But until then, remember this:
Allah sees what you are going through.
He sees the tears that nobody else thinks much of. He knows the thoughts that keep you awake at night. He knows the things you desperately wish you could change but cannot.
And He hears the Du‘as you have made so many times that you almost feel tired of repeating them.
Do not think they have gone unheard.
Allah is Al-Mujeeb. He has not forgotten you.
And the answer to Du‘a does not always arrive in the form we were expecting.
The Prophet ﷺ taught that when a Muslim makes a Du‘a that contains neither sin nor the severing of family ties, Allah gives him one of three things: He hastens the answer for him, stores it for him in the Akhirah, or averts from him an equivalent harm. (Musnad Ahmad 11133)
So even if you cannot yet see what Allah is doing through the delay, your Du‘a is not lost with Him.
Allah ﷻ says:
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٥﴾ إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٦﴾
“For indeed, with hardship comes ease. Indeed, with hardship comes ease.” (Surah ash-Sharh 94:5–6)
Notice the wording. Allah does not only tell you that ease comes after hardship. He tells you that with hardship is ease.
What you can see right now is the difficulty.
What you cannot see may be the doors Allah is opening, the harms He is keeping away from you, the strength He is building in you, and the ease He is preparing in ways you do not yet recognise.
Ya‘qub عليه السلام spent years grieving for Yusuf, not knowing when relief would come.
Yet even in that grief, he said:
قَالَ إِنَّمَا أَشْكُو بَثِّي وَحُزْنِي إِلَى اللَّهِ وَأَعْلَمُ مِنَ اللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ
“I only complain of my suffering and my grief to Allah, and I know from Allah that which you do not know.” (Surah Yusuf 12:86)
And after years of separation, Allah reunited them in a way Ya‘qub could never have imagined.
So do not measure Allah’s care for you by how easy your life feels today.
Keep making Du‘a. Keep praying. Keep turning back to Him.
And when the waiting becomes hard, remember the words of Ibn ‘Ata’illah رحمه الله:
“Do not let the delay in what you have asked for, despite your persistence in Du‘a, cause you to despair. He has guaranteed you a response in what He chooses for you, not what you choose for yourself, and at the time He wills, not the time you desire.” (Al-Hikam al-Ata’iyyah, Hikmah 6)
Perhaps one day you will look back at the very thing that keeps you awake tonight and understand something you cannot understand now.
And perhaps you will find yourself saying:
"Alhamdulillah that Allah chose for me better than I could have chosen for myself."
Team AMAU
www.amauacademy.com
রোজ তিন বেলা খাওয়ার স্থলে কেউ যদি সাত দিন পর পর একবার খায়— স্বাস্থ্যের অবস্থা কী হবে?
তাহলে দিনে ৫ বার নামায পড়ার স্থলে আপনি সপ্তাহে শুধু এক দিন শুক্রবারে নামায পড়েন; ঈমান কি বেঁচে আছে?
~ শায়খ ফাহিম বদরুল হাছান
তাহলে দিনে ৫ বার নামায পড়ার স্থলে আপনি সপ্তাহে শুধু এক দিন শুক্রবারে নামায পড়েন; ঈমান কি বেঁচে আছে?
~ শায়খ ফাহিম বদরুল হাছান
⚡1💯1
দু'আ অনেক সুন্দর একটা জিনিস। মুহাব্বাতের সর্বোচ্চ পর্যায় হচ্ছে কারো জন্য দু'আ করা। কীভাবে? বুঝিয়ে বলছি।
ধরুন আপনার বন্ধু একজন প্রাইম মিনিস্টারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি কথা বলতে গিয়ে নিজের জন্য সুপারিশ করার পাশাপাশি আপনার কথাও বলে এসেছেন। বলেছেন আপনার জরুরতের কথা। এমন বিশেষ জায়গাতে গিয়েও নিজের জরুরতের পাশাপাশি তিনি আপনার কথা বলেছেন, এ কি মুহাব্বাতের পরিচয় নয়? তাহলে মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে গিয়ে দু'আ করলে সেটা কোন পর্যায়ের মুহাব্বাতের বহিপ্রকাশ, বুঝতেই পারছেন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, অনেকেই এই সুন্দর জিনিসটাকে ব্যবহার করেন কষ্ট দেয়ার জন্য। কীভাবে?
কারো সাথে তর্ক হচ্ছে। হুট করে আমরা বলে বসলাম...
"আল্লহ তোমার আখলাককে সংশোধন করে দিন!"
"আল্লহ তোমাকে হিদায়াত দিন!"
"আল্লহ তোমার অন্তরের বক্রতা দূর করে দিন!"
আচ্ছা, এই কথাগুলো কি শুনিয়ে বলা জরুরি ছিল? বলুন তো? এখন অনেকেই বলবেন,
"এই দু'আগুলো তো ভালো উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। আমরা তো কেউই চূড়ান্ত হিদায়াত প্রাপ্ত নই, আমাদের সবারই অন্তরের বক্রতা আছে আর সবারই আখলাক উন্নত করা জরুরি। তাই কেউ এই দু'আ করলে কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই।"
হ্যাঁ, সেটা অবশ্যই ঠিক যে এই দু'আগুলো খুবই সুন্দর এবং জরুরি প্রত্যেকের জন্যেই। কিন্তু সেক্ষেত্রে দু'আটা মনে মনে করলেও উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যায়, কাউকে সরাসরি মুখের ওপর বলার কোনো জরুরত থাকে না।
কখন এটাকে কষ্ট দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে? যখন এই দু'আ করার নিয়্যাত এই থাকে যে সেই বান্দাকে আমরা শুনিয়ে দিলাম যে সে হিদায়াত প্রাপ্ত নয়, তার আখলাক নেই, তার অন্তর বক্র। সরাসরি বলতে পারছি না তাই দু'আর মাধ্যমে শুনিয়ে দিলাম আরকি।
কিন্তু বোনেরা, দু'আ একটি ইবাদাহ, আর এভাবে দু'আকে ব্যবহার করা খুবই নিকৃষ্ট ধরনের কাজ।
এমনকি, হয়তো আমরা খারাপ উদ্দেশ্যে বলছি না কিন্তু যাকে বলা হচ্ছে সে তো কষ্ট পেতে পারে, এই চিন্তা করেও এই দু'আগুলো প্রকাশ্যে করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
আর হ্যাঁ, দু'আগুলো অবশ্যই উপকারী। কিন্তু এটা বরঞ্চ সে ভাববে, যাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলা হচ্ছে এবং এই ভেবে দুঃখ উপশম করবে। অন্তরের বড়ত্ব ঘায়েল করবে।
কিন্তু আমরা যারা এভাবে দু'আ করে থাকি, তারা এসব যুক্তি দেবো না। আমরা চূড়ান্ত বিনয়ের পরিচয় দেবো─ এই দু'আগুলো গোপনে করার মাধ্যমে।
#Repost
ধরুন আপনার বন্ধু একজন প্রাইম মিনিস্টারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি কথা বলতে গিয়ে নিজের জন্য সুপারিশ করার পাশাপাশি আপনার কথাও বলে এসেছেন। বলেছেন আপনার জরুরতের কথা। এমন বিশেষ জায়গাতে গিয়েও নিজের জরুরতের পাশাপাশি তিনি আপনার কথা বলেছেন, এ কি মুহাব্বাতের পরিচয় নয়? তাহলে মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে গিয়ে দু'আ করলে সেটা কোন পর্যায়ের মুহাব্বাতের বহিপ্রকাশ, বুঝতেই পারছেন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, অনেকেই এই সুন্দর জিনিসটাকে ব্যবহার করেন কষ্ট দেয়ার জন্য। কীভাবে?
কারো সাথে তর্ক হচ্ছে। হুট করে আমরা বলে বসলাম...
"আল্লহ তোমার আখলাককে সংশোধন করে দিন!"
"আল্লহ তোমাকে হিদায়াত দিন!"
"আল্লহ তোমার অন্তরের বক্রতা দূর করে দিন!"
আচ্ছা, এই কথাগুলো কি শুনিয়ে বলা জরুরি ছিল? বলুন তো? এখন অনেকেই বলবেন,
"এই দু'আগুলো তো ভালো উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। আমরা তো কেউই চূড়ান্ত হিদায়াত প্রাপ্ত নই, আমাদের সবারই অন্তরের বক্রতা আছে আর সবারই আখলাক উন্নত করা জরুরি। তাই কেউ এই দু'আ করলে কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই।"
হ্যাঁ, সেটা অবশ্যই ঠিক যে এই দু'আগুলো খুবই সুন্দর এবং জরুরি প্রত্যেকের জন্যেই। কিন্তু সেক্ষেত্রে দু'আটা মনে মনে করলেও উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যায়, কাউকে সরাসরি মুখের ওপর বলার কোনো জরুরত থাকে না।
কখন এটাকে কষ্ট দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে? যখন এই দু'আ করার নিয়্যাত এই থাকে যে সেই বান্দাকে আমরা শুনিয়ে দিলাম যে সে হিদায়াত প্রাপ্ত নয়, তার আখলাক নেই, তার অন্তর বক্র। সরাসরি বলতে পারছি না তাই দু'আর মাধ্যমে শুনিয়ে দিলাম আরকি।
কিন্তু বোনেরা, দু'আ একটি ইবাদাহ, আর এভাবে দু'আকে ব্যবহার করা খুবই নিকৃষ্ট ধরনের কাজ।
এমনকি, হয়তো আমরা খারাপ উদ্দেশ্যে বলছি না কিন্তু যাকে বলা হচ্ছে সে তো কষ্ট পেতে পারে, এই চিন্তা করেও এই দু'আগুলো প্রকাশ্যে করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
আর হ্যাঁ, দু'আগুলো অবশ্যই উপকারী। কিন্তু এটা বরঞ্চ সে ভাববে, যাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলা হচ্ছে এবং এই ভেবে দুঃখ উপশম করবে। অন্তরের বড়ত্ব ঘায়েল করবে।
কিন্তু আমরা যারা এভাবে দু'আ করে থাকি, তারা এসব যুক্তি দেবো না। আমরা চূড়ান্ত বিনয়ের পরিচয় দেবো─ এই দু'আগুলো গোপনে করার মাধ্যমে।
#Repost
Forwarded from বয়ানে মাওলানা তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দা.বা.
দীনদার হতে হলে পাঁচটি বিষয় জানা ও মানা জরুরি—
🌿 আকায়েদ — সঠিক বিশ্বাস
🌿 আ‘মাল — সঠিক আমল
🌿 মু‘আমালাত — মানুষের সঙ্গে লেনদেন
🌿 মু‘আশারাত — মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ
🌿 আখলাক — উত্তম চরিত্র
এই পাঁচটি বিষয়ের সমন্বয়েই গড়ে ওঠে একজন প্রকৃত দীনদার মানুষ।
🌿 আকায়েদ — সঠিক বিশ্বাস
🌿 আ‘মাল — সঠিক আমল
🌿 মু‘আমালাত — মানুষের সঙ্গে লেনদেন
🌿 মু‘আশারাত — মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ
🌿 আখলাক — উত্তম চরিত্র
এই পাঁচটি বিষয়ের সমন্বয়েই গড়ে ওঠে একজন প্রকৃত দীনদার মানুষ।
🏆3
১.
যে দিন আমি কুরআন তিলওয়াত করি, সেদিন আমার সকল কাজ সহজ হয়ে যায়, পেরেশানি কমে যায়। এজন্য যেদিন কাজের চাপ বেশি থাকে সেদিন একটু বেশি তিলওয়াত করি। দাঈদের তিলওয়াতে রেগুলার হওয়া দরকার, যাতে দাওয়াতের বাধাগুলো দূর হয়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে আধা পারা পরিমাণ।
২.
আকাবির আসলাফদের সময় দৈর্ঘ্যে লম্বার পাশাপাশি প্রস্থেও লম্বা ছিল। ফলে অল্প সময়ে তাঁরা অনেক কাজ করতে পারতেন। (আমার চিন্তা: গুনাহমুক্ত থাকলে এটা আমাদের দ্বারাও কিছুটা সম্ভব)
উস্তায যাকারিয়া বিন আবদুল ওয়াহহাব হাফি.
বিভাগীয় প্রধান, উলুমুল হাদিস বিভাগ
আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট মাদ্রাসা, ঝিনাইদহ
যে দিন আমি কুরআন তিলওয়াত করি, সেদিন আমার সকল কাজ সহজ হয়ে যায়, পেরেশানি কমে যায়। এজন্য যেদিন কাজের চাপ বেশি থাকে সেদিন একটু বেশি তিলওয়াত করি। দাঈদের তিলওয়াতে রেগুলার হওয়া দরকার, যাতে দাওয়াতের বাধাগুলো দূর হয়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে আধা পারা পরিমাণ।
২.
আকাবির আসলাফদের সময় দৈর্ঘ্যে লম্বার পাশাপাশি প্রস্থেও লম্বা ছিল। ফলে অল্প সময়ে তাঁরা অনেক কাজ করতে পারতেন। (আমার চিন্তা: গুনাহমুক্ত থাকলে এটা আমাদের দ্বারাও কিছুটা সম্ভব)
উস্তায যাকারিয়া বিন আবদুল ওয়াহহাব হাফি.
বিভাগীয় প্রধান, উলুমুল হাদিস বিভাগ
আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট মাদ্রাসা, ঝিনাইদহ
🤝2
Forwarded from রহিলাহ আন নূর
আমার জীবনে অনেক রকম দিন ছিল।
এর মাঝে সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলো সেগুলো, যেই দিনগুলোতে আমি কুরআন তিলাওয়াত করেছি।
এর মাঝে সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলো সেগুলো, যেই দিনগুলোতে আমি কুরআন তিলাওয়াত করেছি।
💯4🏆1
দুনিয়াবি সুখ-সাফল্যের অনেক মানদণ্ড থাকতে পারে। কিন্তু বাস্তবে একজন মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত সবচেয়ে সুখী মানুষ, যতক্ষণ সে-
.
— যেকোনো হালাল খাবার বিনা নিষেধে খেতে পারে
— সম্পূর্ণ ব্যথামুক্তভাবে নামাজে রুকু-সিজদা দিতে পারে
— ধারকর্য ছাড়া সবার ভরণ পোষণ, চিকিৎসা খরচ জোগাড় দিতে পারে
— সকল বড় বিপদে পরিবারকে পাশে দেখতে পারে
— সন্তান-সন্ততিকে খারাপ পথ থেকে দূরে দেখতে পারে
— দুনিয়ার তাবৎ ব্যস্ততা শেষে আরামে ঘুম দিতে পারে
.
যার ওপরের কোনো একটা মিসিং, তার জীবনটা যেন জাহান্নাম। ওপর দিয়ে তার জীবনাচার যতই জৌলুস ছড়াক, ভিতরটা কয়লার চেয়েও কালো।
- মহিউদ্দীন রূপম
.
— যেকোনো হালাল খাবার বিনা নিষেধে খেতে পারে
— সম্পূর্ণ ব্যথামুক্তভাবে নামাজে রুকু-সিজদা দিতে পারে
— ধারকর্য ছাড়া সবার ভরণ পোষণ, চিকিৎসা খরচ জোগাড় দিতে পারে
— সকল বড় বিপদে পরিবারকে পাশে দেখতে পারে
— সন্তান-সন্ততিকে খারাপ পথ থেকে দূরে দেখতে পারে
— দুনিয়ার তাবৎ ব্যস্ততা শেষে আরামে ঘুম দিতে পারে
.
যার ওপরের কোনো একটা মিসিং, তার জীবনটা যেন জাহান্নাম। ওপর দিয়ে তার জীবনাচার যতই জৌলুস ছড়াক, ভিতরটা কয়লার চেয়েও কালো।
- মহিউদ্দীন রূপম
💯2
*Connected, Yet Alone*
One of the subtle changes of our time is that we have begun measuring relationships differently.
For much of history, a relationship was measured by presence.
It was the person who visited you when you were unwell, stood beside you during difficulty, celebrated your happiness, and made time for you despite the demands of life.
Today, it is possible to feel socially connected without experiencing much of that at all.
We can know what hundreds of people are doing, while not really knowing how the people closest to us are doing.
We can exchange messages throughout the day, yet go weeks without sitting with a friend or family member over a simple cup of tea.
Technology is undoubtedly one of Allah's blessings when it helps us maintain family ties, benefit others through knowledge, or remain connected across great distances. The issue is not technology itself. The question is whether we have begun allowing digital interaction to replace relationships that were always meant to be lived in person.
The Qur'an repeatedly speaks about companionship in ways that require presence. We see Mūsā asking Allah to strengthen him through his brother Hārūn. We see the Messenger ﷺ and Abū Bakr in the Cave. We see the Anṣār opening their homes to the Muhājirūn. None of these relationships were built merely through exchanging information. They were built through shared lives, shared sacrifice, and shared experiences.
Perhaps this is why the Prophet ﷺ attached such importance to visiting the sick, attending the janāzah, accepting invitations, maintaining family ties, and giving salām.
These are not simply individual acts of worship. Together, they preserve the fabric of a healthy community.
I sometimes wonder whether one of the challenges of our generation is that it has become easier to accumulate contacts than to cultivate companionship. The two are not the same.
As Muslims, we are not only called to stay connected. We are called to be present. Presence cannot be downloaded, and companionship cannot be outsourced to an app.
Perhaps one of the questions we should ask ourselves from time to time is not how many people follow us, but how many relationships we are intentionally nurturing for the sake of Allah.
https://whatsapp.com/channel/0029VaUxRW8EQIar5f8B5n3k
One of the subtle changes of our time is that we have begun measuring relationships differently.
For much of history, a relationship was measured by presence.
It was the person who visited you when you were unwell, stood beside you during difficulty, celebrated your happiness, and made time for you despite the demands of life.
Today, it is possible to feel socially connected without experiencing much of that at all.
We can know what hundreds of people are doing, while not really knowing how the people closest to us are doing.
We can exchange messages throughout the day, yet go weeks without sitting with a friend or family member over a simple cup of tea.
Technology is undoubtedly one of Allah's blessings when it helps us maintain family ties, benefit others through knowledge, or remain connected across great distances. The issue is not technology itself. The question is whether we have begun allowing digital interaction to replace relationships that were always meant to be lived in person.
The Qur'an repeatedly speaks about companionship in ways that require presence. We see Mūsā asking Allah to strengthen him through his brother Hārūn. We see the Messenger ﷺ and Abū Bakr in the Cave. We see the Anṣār opening their homes to the Muhājirūn. None of these relationships were built merely through exchanging information. They were built through shared lives, shared sacrifice, and shared experiences.
Perhaps this is why the Prophet ﷺ attached such importance to visiting the sick, attending the janāzah, accepting invitations, maintaining family ties, and giving salām.
These are not simply individual acts of worship. Together, they preserve the fabric of a healthy community.
I sometimes wonder whether one of the challenges of our generation is that it has become easier to accumulate contacts than to cultivate companionship. The two are not the same.
As Muslims, we are not only called to stay connected. We are called to be present. Presence cannot be downloaded, and companionship cannot be outsourced to an app.
Perhaps one of the questions we should ask ourselves from time to time is not how many people follow us, but how many relationships we are intentionally nurturing for the sake of Allah.
https://whatsapp.com/channel/0029VaUxRW8EQIar5f8B5n3k
💯1
Forwarded from তানজীল আরেফীন আদনান (Adnan)
একজন মধ্যযুগীয় সম্রাট যদি দেখতো, আপনি বিছানায় শুয়েই পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা মানুষের সঙ্গে মুহূর্তের মধ্যে কথা বলছেন, তবে তার দ্রুতগামী দূত আর রাজকীয় ডাকব্যবস্থা নিয়ে গর্ব অনেকটাই ম্লান হয়ে যেত!
কোনো বাদশাহ যদি দেখতো, আপনার হাতের ছোট্ট ফোনটায় হাজার হাজার বই, মানচিত্র, হিসাবযন্ত্র, সংবাদপত্র, ক্যামেরা আর পৃথিবীর জ্ঞানভাণ্ডারের বড় একটা অংশ একসঙ্গে রাখা, তবে রাজপ্রাসাদের বিশাল পাঠাগারও তার কাছে অসম্পূর্ণ মনে হতো!
আগেকার ধনীরা রাতে আলো জ্বালাতে তেল জমিয়ে রাখতো, বাতাস থেকে শিখা বাঁচাতে পাহারা দিতো। আর আমরা দেয়ালের একটি সুইচ চাপি, এক মুহূর্তে পুরো ঘর আলোয় ভরে যায়।
শীতের রাতে রাজা-বাদশাহরাও ভারী পশমি পোশাক, আগুন আর কয়লার ব্যবস্থা করতো। গরমের দিনে রাজপ্রাসাদে পাখা চালাতে লাগতো মানুষের হাত।
আর আমরা কখনো একটি বোতাম চেপে ঘর গরম করি, কখনো ঠান্ডা করি, তারপরও বিরক্ত হয়ে বলি, আজকে আরাম লাগছে না!
একসময় বিশুদ্ধ পানি ছিল অনেক জনপদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। মানুষ কূপ খুঁড়তো, দূরের ঝরনা থেকে পানি আনতো, পানি সংরক্ষণ করতো।
আজ আমরা ট্যাপে টাচ করলেই পানি পাই, ফিল্টারের পানি পাই, ঠান্ডা পানি পাই, অথচ একটি গ্লাস হাতে নিয়েও খুব কম সময় ভাবি, এও তো এক বিরাট নিয়ামত!
আগেকার যুগে অসুস্থ হওয়া মানেই অনেক সময় অসহায় হয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা করা। আজ সামান্য জ্বরেও চিকিৎসক, পরীক্ষা, ওষুধ, হাসপাতাল, কত আয়োজন আমাদের হাতের নাগালে।
দূরের শহরে প্রিয়জন থাকলে একসময় মাসের পর মাস কোনো খবর পাওয়া যেত না।
আজ কয়েক সেকেন্ডেই তার মুখ দেখি, কণ্ঠ শুনি, হাসি দেখি, তবুও আমাদের অভিযোগের তালিকা ছোট হয় না।
আমরা এমন এক জীবন যাপন করছি, যে জীবনের বহু সাধারণ সুবিধা অতীতের অসংখ্য রাজা-বাদশাহও পায়নি।
সমস্যা হলো, নিয়ামত যখন প্রতিদিনের হয়ে যায়, তখন তাকে আর নিয়ামত মনে হয় না। এর প্রতিটিই এমন সম্পদ, যার একটি হারিয়ে গেলে আমরা বুঝতে পারি, আমরা কত বড় ঐশ্বর্যের মধ্যে বসবাস করছিলাম।
মানুষের দুঃখ সবসময় নিয়ামত কম থাকার কারণে নয়,
অনেক সময় দুঃখের বড় কারণ হলো, যা আছে, তা দেখার চোখ হারিয়ে ফেলা। মহান রব আমাদের এমন অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে রেখেছেন, যেগুলোর হিসাব করতেও আমরা অক্ষম।
‘আর যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গণনা করতে চাও, তবে তা গণনা করে শেষ করতে পারবে না।’
—সুরা ইবরাহিম, আয়াত ৩৪
অভাবের দিকে তাকালে অভিযোগ বাড়ে।
নিয়ামতের দিকে তাকালে মাথা নত হয়ে আসে। আমাদের হয়তো সবকিছু নেই। কিন্তু আল্লাহ যা দিয়েছেন, সেটুকু সত্যিকার অর্থে দেখতে শিখলেও, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলার কারণ কখনো ফুরাবে না।
কোনো বাদশাহ যদি দেখতো, আপনার হাতের ছোট্ট ফোনটায় হাজার হাজার বই, মানচিত্র, হিসাবযন্ত্র, সংবাদপত্র, ক্যামেরা আর পৃথিবীর জ্ঞানভাণ্ডারের বড় একটা অংশ একসঙ্গে রাখা, তবে রাজপ্রাসাদের বিশাল পাঠাগারও তার কাছে অসম্পূর্ণ মনে হতো!
আগেকার ধনীরা রাতে আলো জ্বালাতে তেল জমিয়ে রাখতো, বাতাস থেকে শিখা বাঁচাতে পাহারা দিতো। আর আমরা দেয়ালের একটি সুইচ চাপি, এক মুহূর্তে পুরো ঘর আলোয় ভরে যায়।
শীতের রাতে রাজা-বাদশাহরাও ভারী পশমি পোশাক, আগুন আর কয়লার ব্যবস্থা করতো। গরমের দিনে রাজপ্রাসাদে পাখা চালাতে লাগতো মানুষের হাত।
আর আমরা কখনো একটি বোতাম চেপে ঘর গরম করি, কখনো ঠান্ডা করি, তারপরও বিরক্ত হয়ে বলি, আজকে আরাম লাগছে না!
একসময় বিশুদ্ধ পানি ছিল অনেক জনপদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। মানুষ কূপ খুঁড়তো, দূরের ঝরনা থেকে পানি আনতো, পানি সংরক্ষণ করতো।
আজ আমরা ট্যাপে টাচ করলেই পানি পাই, ফিল্টারের পানি পাই, ঠান্ডা পানি পাই, অথচ একটি গ্লাস হাতে নিয়েও খুব কম সময় ভাবি, এও তো এক বিরাট নিয়ামত!
আগেকার যুগে অসুস্থ হওয়া মানেই অনেক সময় অসহায় হয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা করা। আজ সামান্য জ্বরেও চিকিৎসক, পরীক্ষা, ওষুধ, হাসপাতাল, কত আয়োজন আমাদের হাতের নাগালে।
দূরের শহরে প্রিয়জন থাকলে একসময় মাসের পর মাস কোনো খবর পাওয়া যেত না।
আজ কয়েক সেকেন্ডেই তার মুখ দেখি, কণ্ঠ শুনি, হাসি দেখি, তবুও আমাদের অভিযোগের তালিকা ছোট হয় না।
আমরা এমন এক জীবন যাপন করছি, যে জীবনের বহু সাধারণ সুবিধা অতীতের অসংখ্য রাজা-বাদশাহও পায়নি।
সমস্যা হলো, নিয়ামত যখন প্রতিদিনের হয়ে যায়, তখন তাকে আর নিয়ামত মনে হয় না। এর প্রতিটিই এমন সম্পদ, যার একটি হারিয়ে গেলে আমরা বুঝতে পারি, আমরা কত বড় ঐশ্বর্যের মধ্যে বসবাস করছিলাম।
মানুষের দুঃখ সবসময় নিয়ামত কম থাকার কারণে নয়,
অনেক সময় দুঃখের বড় কারণ হলো, যা আছে, তা দেখার চোখ হারিয়ে ফেলা। মহান রব আমাদের এমন অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে রেখেছেন, যেগুলোর হিসাব করতেও আমরা অক্ষম।
‘আর যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গণনা করতে চাও, তবে তা গণনা করে শেষ করতে পারবে না।’
—সুরা ইবরাহিম, আয়াত ৩৪
অভাবের দিকে তাকালে অভিযোগ বাড়ে।
নিয়ামতের দিকে তাকালে মাথা নত হয়ে আসে। আমাদের হয়তো সবকিছু নেই। কিন্তু আল্লাহ যা দিয়েছেন, সেটুকু সত্যিকার অর্থে দেখতে শিখলেও, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলার কারণ কখনো ফুরাবে না।
💯1
Forwarded from Mohammad Abid Azam
রিযিকের জন্য (কর্মসংস্থান/চাকরি/ব্যবসা) আমল:
● কবিরা গুনাহ ত্যাগ করা।
● বিগত সব গুনাহ থেকে তাওবা করা।
● প্রতিদিন ইস্তেগফার করা।
● পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় করা।
● সর্বদা ওযুর সাথে থাকা ও মুখে যিকির রাখা।
● প্রতিদিন কুরআনুল কারীম তেলাওয়াত করা।
● নজরের হেফাজত করা, মুখের হেফাজত করা, লজ্জাস্থানের হেফাজত করা।
● শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদের পর রিযিকের জন্য দুআ করা।
● আব্বা-আম্মার সেবা করা, তাদের কথা শোনা।
● সময় নষ্ট না করা। হয় কাজের চেষ্টা করা, পড়াশুনা করা নতুবা আমল করা।
● সবর করা, আল্লাহ সবার জন্য রিযিক রেখেছেন।
● নফল রোযা রাখা ও সামর্থ্য অনুসারে সদকা করা (৫ টাকাও সদকা) এবং মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করা।
● আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক রাখা, অপরের জন্য দোয়া করা।
দ্রষ্টব্য: সুরা ত্বলাক (২,৩); সুরা নূহ (১০,১১,১২); আবু দাউদ (১৫২০); বাইহাকী (৬৩৬); বুখারী (৫৯৮৩); তিরমিযী (২৬৪৫); সুরা সাবা (৩৯); বুখারী (২৮৯৬); ইবনে মাযাহ (৪১০৭); সুরা মু'মিন (৬০); আহমাদ (৬৫৭২)
● কবিরা গুনাহ ত্যাগ করা।
● বিগত সব গুনাহ থেকে তাওবা করা।
● প্রতিদিন ইস্তেগফার করা।
● পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় করা।
● সর্বদা ওযুর সাথে থাকা ও মুখে যিকির রাখা।
● প্রতিদিন কুরআনুল কারীম তেলাওয়াত করা।
● নজরের হেফাজত করা, মুখের হেফাজত করা, লজ্জাস্থানের হেফাজত করা।
● শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদের পর রিযিকের জন্য দুআ করা।
● আব্বা-আম্মার সেবা করা, তাদের কথা শোনা।
● সময় নষ্ট না করা। হয় কাজের চেষ্টা করা, পড়াশুনা করা নতুবা আমল করা।
● সবর করা, আল্লাহ সবার জন্য রিযিক রেখেছেন।
● নফল রোযা রাখা ও সামর্থ্য অনুসারে সদকা করা (৫ টাকাও সদকা) এবং মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করা।
● আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক রাখা, অপরের জন্য দোয়া করা।
দ্রষ্টব্য: সুরা ত্বলাক (২,৩); সুরা নূহ (১০,১১,১২); আবু দাউদ (১৫২০); বাইহাকী (৬৩৬); বুখারী (৫৯৮৩); তিরমিযী (২৬৪৫); সুরা সাবা (৩৯); বুখারী (২৮৯৬); ইবনে মাযাহ (৪১০৭); সুরা মু'মিন (৬০); আহমাদ (৬৫৭২)
লেখাটি মূলত শায়খ আলী হাসান তৈয়বের ছোট্ট প্রবন্ধের মূলকথা থেকে শর্টনোট করেছি। এই প্রবন্ধের নজরে সানী (সম্পাদনা) করেছেন শায়খ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া সাহেব।
⚡1
Forwarded from 𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙
আমাদের এক মাওলানা সাহেব আরেকটি আমলের কথাও বলতেন।
● রাতে ঘুমানোর আগে, সকাল ও বিকালে এবং পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর "ইয়া রাযযাক" বলে বলে রিযিকের জন্য আল্লাহ্র কাছে দোয়া করা।
● রাতে ঘুমানোর আগে, সকাল ও বিকালে এবং পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর "ইয়া রাযযাক" বলে বলে রিযিকের জন্য আল্লাহ্র কাছে দোয়া করা।
⚡1
Forwarded from তানজীল আরেফীন আদনান (Adnan)
মানুষকে বদলাতে চাইলে আগে মানুষকে বুঝতে হবে।
আমাদের অনেক ইসলামিস্ট অ্যাক্টিভিজমের সমস্যা হলো, তারা মানুষের আচরণকে খুব মেকানিক্যালি দেখেন। যেন একটা হারাম লিখে পোস্ট দেখলেই মানুষ সাথে সাথে তাওবা করে ফেলবে।
বাস্তবতা এত সিম্পল না।
মানুষ তার আবেগ, পরিবেশ, বন্ধু, সংস্কৃতি, অভ্যাস সবকিছুর সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। আপনি দশ বছর ধরে যে জিনিসটাকে স্বাভাবিকহিসেবে দেখতে শিখিয়েছেন সমাজকে, সেটা একদিনে পোস্ট দিয়ে কুফরি কালচার বললে মানুষ গ্রহণ করবে না। বরং সে আপনাকেই অদ্ভুত মনে করবে। এটাই বাস্তবতা।
এই কারণেই দাওয়াহ শুধু সত্য কথা বলা না। দাওয়াহ হলো, কখন, কোথায়, কীভাবে সত্য কথাটা বলতে হবে সেটা বোঝা।
সব মানুষ সব অবস্থায় সব কথা গ্রহণ করে না। আপনি যদি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে চান, তাহলে আগে মানুষের বাস্তবতা বুঝতে হবে। শুধু নিজের আবেগ বুঝলে হবে না।
আমাদের অনেক ইসলামিস্ট অ্যাক্টিভিজমের সমস্যা হলো, তারা মানুষের আচরণকে খুব মেকানিক্যালি দেখেন। যেন একটা হারাম লিখে পোস্ট দেখলেই মানুষ সাথে সাথে তাওবা করে ফেলবে।
বাস্তবতা এত সিম্পল না।
মানুষ তার আবেগ, পরিবেশ, বন্ধু, সংস্কৃতি, অভ্যাস সবকিছুর সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। আপনি দশ বছর ধরে যে জিনিসটাকে স্বাভাবিকহিসেবে দেখতে শিখিয়েছেন সমাজকে, সেটা একদিনে পোস্ট দিয়ে কুফরি কালচার বললে মানুষ গ্রহণ করবে না। বরং সে আপনাকেই অদ্ভুত মনে করবে। এটাই বাস্তবতা।
এই কারণেই দাওয়াহ শুধু সত্য কথা বলা না। দাওয়াহ হলো, কখন, কোথায়, কীভাবে সত্য কথাটা বলতে হবে সেটা বোঝা।
সব মানুষ সব অবস্থায় সব কথা গ্রহণ করে না। আপনি যদি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে চান, তাহলে আগে মানুষের বাস্তবতা বুঝতে হবে। শুধু নিজের আবেগ বুঝলে হবে না।
💯4
Forwarded from ابتسامة🍃
বেনামাজির সঙ্গে নিয়মিত মুসল্লির মুসাফাহা তাকে মসজিদমুখো করতে পারে। পর্দাবৃতা নারীর এক চিলতে মুচকি হাসি, দুয়েকটি মধুর কথা একজন বেপর্দা নারীকে পর্দার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারে। দ্বীনদারের কয়েক মিনিটের সুমিষ্ট আলাপ একজন গুনাহগারকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসতে পারে। আপনার এই সুন্দর ব্যবহার যদি মানুষের মনে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি নাও করে, তবুও আপনি দাওয়াহর সওয়াব পেয়ে যাবেন।
বই - নবীজির সাথে
বই - নবীজির সাথে
⚡4
Forwarded from 𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙
বোনদের মাঝে রুকাইয়াহ করার নামে হাদিসে নেই এমন আমল করার আগ্রহ দেখা যায়, অমুক তমুক রাকির পরামর্শে অদ্ভুত কাজকর্ম করতে দেখা যায়। কিছু একটা হলেই জীনের আছর, বদনজর এসব ভাবতে শুরু করে দেন।
এইটা একটা মহামারিতে পরিণত হয়েছে।
সকাল-সন্ধ্যার আমলগুলো করুন, পরদা মেইনটেইন করুন, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন। যথেষ্ট।
প্রতারিত হবেন না।
এইটা একটা মহামারিতে পরিণত হয়েছে।
সকাল-সন্ধ্যার আমলগুলো করুন, পরদা মেইনটেইন করুন, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন। যথেষ্ট।
প্রতারিত হবেন না।