রহিলাহ আন নূর
243 subscribers
80 photos
22 videos
17 files
104 links
A journey towards the light.

Contact: t.me/RahilatunNur?direct
Download Telegram
রোজ তিন বেলা খাওয়ার স্থলে কেউ যদি সাত দিন পর পর একবার খায়— স্বাস্থ্যের অবস্থা কী হবে?
তাহলে দিনে ৫ বার নামায পড়ার স্থলে আপনি সপ্তাহে শুধু এক দিন শুক্রবারে নামায পড়েন; ঈমান কি বেঁচে আছে?

~ শায়খ ফাহিম বদরুল হাছান
⚡1💯1
দু'আ অনেক সুন্দর একটা জিনিস। মুহাব্বাতের সর্বোচ্চ পর্যায় হচ্ছে কারো জন্য দু'আ করা। কীভাবে? বুঝিয়ে বলছি।

ধরুন আপনার বন্ধু একজন প্রাইম মিনিস্টারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি কথা বলতে গিয়ে নিজের জন্য সুপারিশ করার পাশাপাশি আপনার কথাও বলে এসেছেন। বলেছেন আপনার জরুরতের কথা। এমন বিশেষ জায়গাতে গিয়েও নিজের জরুরতের পাশাপাশি তিনি আপনার কথা বলেছেন, এ কি মুহাব্বাতের পরিচয় নয়? তাহলে মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে গিয়ে দু'আ করলে সেটা কোন পর্যায়ের মুহাব্বাতের বহিপ্রকাশ, বুঝতেই পারছেন।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, অনেকেই এই সুন্দর জিনিসটাকে ব্যবহার করেন কষ্ট দেয়ার জন্য। কীভাবে?

কারো সাথে তর্ক হচ্ছে। হুট করে আমরা বলে বসলাম...

"আল্লহ তোমার আখলাককে সংশোধন করে দিন!"
"আল্লহ তোমাকে হিদায়াত দিন!"
"আল্লহ তোমার অন্তরের বক্রতা দূর করে দিন!"


আচ্ছা, এই কথাগুলো কি শুনিয়ে বলা জরুরি ছিল? বলুন তো? এখন অনেকেই বলবেন,
"এই দু'আগুলো তো ভালো উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। আমরা তো কেউই চূড়ান্ত হিদায়াত প্রাপ্ত নই, আমাদের সবারই অন্তরের বক্রতা আছে আর সবারই আখলাক উন্নত করা জরুরি। তাই কেউ এই দু'আ করলে কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই।"

হ্যাঁ, সেটা অবশ্যই ঠিক যে এই দু'আগুলো খুবই সুন্দর এবং জরুরি প্রত্যেকের জন্যেই। কিন্তু সেক্ষেত্রে দু'আটা মনে মনে করলেও উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যায়, কাউকে সরাসরি মুখের ওপর বলার কোনো জরুরত থাকে না।

কখন এটাকে কষ্ট দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে? যখন এই দু'আ করার নিয়্যাত এই থাকে যে সেই বান্দাকে আমরা শুনিয়ে দিলাম যে সে হিদায়াত প্রাপ্ত নয়, তার আখলাক নেই, তার অন্তর বক্র। সরাসরি বলতে পারছি না তাই দু'আর মাধ্যমে শুনিয়ে দিলাম আরকি।
কিন্তু বোনেরা, দু'আ একটি ইবাদাহ, আর এভাবে দু'আকে ব্যবহার করা খুবই নিকৃষ্ট ধরনের কাজ।

এমনকি, হয়তো আমরা খারাপ উদ্দেশ্যে বলছি না কিন্তু যাকে বলা হচ্ছে সে তো কষ্ট পেতে পারে, এই চিন্তা করেও এই দু'আগুলো প্রকাশ্যে করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।

আর হ্যাঁ, দু'আগুলো অবশ্যই উপকারী। কিন্তু এটা বরঞ্চ সে ভাববে, যাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলা হচ্ছে এবং এই ভেবে দুঃখ উপশম করবে। অন্তরের বড়ত্ব ঘায়েল করবে।

কিন্তু আমরা যারা এভাবে দু'আ করে থাকি, তারা এসব যুক্তি দেবো না। আমরা চূড়ান্ত বিনয়ের পরিচয় দেবো─ এই দু'আগুলো গোপনে করার মাধ্যমে।

#Repost
দীনদার হতে হলে পাঁচটি বিষয় জানা ও মানা জরুরি—

🌿 আকায়েদ — সঠিক বিশ্বাস
🌿 আ‘মাল — সঠিক আমল
🌿 মু‘আমালাত — মানুষের সঙ্গে লেনদেন
🌿 মু‘আশারাত — মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ
🌿 আখলাক — উত্তম চরিত্র

এই পাঁচটি বিষয়ের সমন্বয়েই গড়ে ওঠে একজন প্রকৃত দীনদার মানুষ।
🏆3
১.
যে দিন আমি কুরআন তিলওয়াত করি, সেদিন আমার সকল কাজ সহজ হয়ে যায়, পেরেশানি কমে যায়। এজন্য যেদিন কাজের চাপ বেশি থাকে সেদিন একটু বেশি তিলওয়াত করি। দাঈদের তিলওয়াতে রেগুলার হওয়া দরকার, যাতে দাওয়াতের বাধাগুলো দূর হয়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে আধা পারা পরিমাণ।

২.
আকাবির আসলাফদের সময় দৈর্ঘ্যে লম্বার পাশাপাশি প্রস্থেও লম্বা ছিল। ফলে অল্প সময়ে তাঁরা অনেক কাজ করতে পারতেন। (আমার চিন্তা: গুনাহমুক্ত থাকলে এটা আমাদের দ্বারাও কিছুটা সম্ভব)

উস্তায যাকারিয়া বিন আবদুল ওয়াহহাব হাফি.
বিভাগীয় প্রধান, উলুমুল হাদিস বিভাগ
আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট মাদ্রাসা, ঝিনাইদহ
🤝2
আমার জীবনে অনেক রকম দিন ছিল।

এর মাঝে সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলো সেগুলো, যেই দিনগুলোতে আমি কুরআন তিলাওয়াত করেছি।
💯4🏆1
দুনিয়াবি সুখ-সাফল্যের অনেক মানদণ্ড থাকতে পারে। কিন্তু বাস্তবে একজন মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত সবচেয়ে সুখী মানুষ, যতক্ষণ সে-
.
— যেকোনো হালাল খাবার বিনা নিষেধে খেতে পারে
— সম্পূর্ণ ব্যথামুক্তভাবে নামাজে রুকু-সিজদা দিতে পারে
— ধারকর্য ছাড়া সবার ভরণ পোষণ, চিকিৎসা খরচ জোগাড় দিতে পারে
— সকল বড় বিপদে পরিবারকে পাশে দেখতে পারে
— সন্তান-সন্ততিকে খারাপ পথ থেকে দূরে দেখতে পারে
— দুনিয়ার তাবৎ ব্যস্ততা শেষে আরামে ঘুম দিতে পারে
.
যার ওপরের কোনো একটা মিসিং, তার জীবনটা যেন জাহান্নাম। ওপর দিয়ে তার জীবনাচার যতই জৌলুস ছড়াক, ভিতরটা কয়লার চেয়েও কালো।

- মহিউদ্দীন রূপম
💯2
*Connected, Yet Alone*

One of the subtle changes of our time is that we have begun measuring relationships differently.

For much of history, a relationship was measured by presence.

It was the person who visited you when you were unwell, stood beside you during difficulty, celebrated your happiness, and made time for you despite the demands of life.

Today, it is possible to feel socially connected without experiencing much of that at all.

We can know what hundreds of people are doing, while not really knowing how the people closest to us are doing.

We can exchange messages throughout the day, yet go weeks without sitting with a friend or family member over a simple cup of tea.

Technology is undoubtedly one of Allah's blessings when it helps us maintain family ties, benefit others through knowledge, or remain connected across great distances. The issue is not technology itself. The question is whether we have begun allowing digital interaction to replace relationships that were always meant to be lived in person.

The Qur'an repeatedly speaks about companionship in ways that require presence. We see Mūsā asking Allah to strengthen him through his brother Hārūn. We see the Messenger ﷺ and Abū Bakr in the Cave. We see the Anṣār opening their homes to the Muhājirūn. None of these relationships were built merely through exchanging information. They were built through shared lives, shared sacrifice, and shared experiences.

Perhaps this is why the Prophet ﷺ attached such importance to visiting the sick, attending the janāzah, accepting invitations, maintaining family ties, and giving salām.

These are not simply individual acts of worship. Together, they preserve the fabric of a healthy community.

I sometimes wonder whether one of the challenges of our generation is that it has become easier to accumulate contacts than to cultivate companionship. The two are not the same.

As Muslims, we are not only called to stay connected. We are called to be present. Presence cannot be downloaded, and companionship cannot be outsourced to an app.

Perhaps one of the questions we should ask ourselves from time to time is not how many people follow us, but how many relationships we are intentionally nurturing for the sake of Allah.

https://whatsapp.com/channel/0029VaUxRW8EQIar5f8B5n3k
💯1
একজন মধ্যযুগীয় সম্রাট যদি দেখতো, আপনি বিছানায় শুয়েই পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকা মানুষের সঙ্গে মুহূর্তের মধ্যে কথা বলছেন, তবে তার দ্রুতগামী দূত আর রাজকীয় ডাকব্যবস্থা নিয়ে গর্ব অনেকটাই ম্লান হয়ে যেত!

কোনো বাদশাহ যদি দেখতো, আপনার হাতের ছোট্ট ফোনটায় হাজার হাজার বই, মানচিত্র, হিসাবযন্ত্র, সংবাদপত্র, ক্যামেরা আর পৃথিবীর জ্ঞানভাণ্ডারের বড় একটা অংশ একসঙ্গে রাখা, তবে রাজপ্রাসাদের বিশাল পাঠাগারও তার কাছে অসম্পূর্ণ মনে হতো!

আগেকার ধনীরা রাতে আলো জ্বালাতে তেল জমিয়ে রাখতো, বাতাস থেকে শিখা বাঁচাতে পাহারা দিতো। আর আমরা দেয়ালের একটি সুইচ চাপি, এক মুহূর্তে পুরো ঘর আলোয় ভরে যায়।

শীতের রাতে রাজা-বাদশাহরাও ভারী পশমি পোশাক, আগুন আর কয়লার ব্যবস্থা করতো। গরমের দিনে রাজপ্রাসাদে পাখা চালাতে লাগতো মানুষের হাত।
আর আমরা কখনো একটি বোতাম চেপে ঘর গরম করি, কখনো ঠান্ডা করি, তারপরও বিরক্ত হয়ে বলি, আজকে আরাম লাগছে না!

একসময় বিশুদ্ধ পানি ছিল অনেক জনপদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। মানুষ কূপ খুঁড়তো, দূরের ঝরনা থেকে পানি আনতো, পানি সংরক্ষণ করতো।
আজ আমরা ট্যাপে টাচ করলেই পানি পাই, ফিল্টারের পানি পাই, ঠান্ডা পানি পাই, অথচ একটি গ্লাস হাতে নিয়েও খুব কম সময় ভাবি, এও তো এক বিরাট নিয়ামত!

আগেকার যুগে অসুস্থ হওয়া মানেই অনেক সময় অসহায় হয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা করা। আজ সামান্য জ্বরেও চিকিৎসক, পরীক্ষা, ওষুধ, হাসপাতাল, কত আয়োজন আমাদের হাতের নাগালে।

দূরের শহরে প্রিয়জন থাকলে একসময় মাসের পর মাস কোনো খবর পাওয়া যেত না।
আজ কয়েক সেকেন্ডেই তার মুখ দেখি, কণ্ঠ শুনি, হাসি দেখি, তবুও আমাদের অভিযোগের তালিকা ছোট হয় না।

আমরা এমন এক জীবন যাপন করছি, যে জীবনের বহু সাধারণ সুবিধা অতীতের অসংখ্য রাজা-বাদশাহও পায়নি।

সমস্যা হলো, নিয়ামত যখন প্রতিদিনের হয়ে যায়, তখন তাকে আর নিয়ামত মনে হয় না। এর প্রতিটিই এমন সম্পদ, যার একটি হারিয়ে গেলে আমরা বুঝতে পারি, আমরা কত বড় ঐশ্বর্যের মধ্যে বসবাস করছিলাম।

মানুষের দুঃখ সবসময় নিয়ামত কম থাকার কারণে নয়,
অনেক সময় দুঃখের বড় কারণ হলো, যা আছে, তা দেখার চোখ হারিয়ে ফেলা। মহান রব আমাদের এমন অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে রেখেছেন, যেগুলোর হিসাব করতেও আমরা অক্ষম।

‘আর যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গণনা করতে চাও, তবে তা গণনা করে শেষ করতে পারবে না।’
—সুরা ইবরাহিম, আয়াত ৩৪

অভাবের দিকে তাকালে অভিযোগ বাড়ে।
নিয়ামতের দিকে তাকালে মাথা নত হয়ে আসে। আমাদের হয়তো সবকিছু নেই। কিন্তু আল্লাহ যা দিয়েছেন, সেটুকু সত্যিকার অর্থে দেখতে শিখলেও, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলার কারণ কখনো ফুরাবে না।
💯1
Forwarded from Mohammad Abid Azam
রিযিকের জন্য (কর্মসংস্থান/চাকরি/ব্যবসা) আমল:

● কবিরা গুনাহ ত্যাগ করা।

● বিগত সব গুনাহ থেকে তাওবা করা।

● প্রতিদিন ইস্তেগফার করা।

● পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় করা।

● সর্বদা ওযুর সাথে থাকা ও মুখে যিকির রাখা।

● প্রতিদিন কুরআনুল কারীম তেলাওয়াত করা।

● নজরের হেফাজত করা, মুখের হেফাজত করা, লজ্জাস্থানের হেফাজত করা।

● শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদের পর রিযিকের জন্য দুআ করা।

● আব্বা-আম্মার সেবা করা, তাদের কথা শোনা।

● সময় নষ্ট না করা। হয় কাজের চেষ্টা করা, পড়াশুনা করা নতুবা আমল করা।

● সবর করা, আল্লাহ সবার জন্য রিযিক রেখেছেন।

● নফল রোযা রাখা ও সামর্থ্য অনুসারে সদকা করা (৫ টাকাও সদকা) এবং মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করা।

● আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক রাখা, অপরের জন্য দোয়া করা।


দ্রষ্টব্য: সুরা ত্বলাক (২,৩); সুরা নূহ (১০,১১,১২); আবু দাউদ (১৫২০); বাইহাকী (৬৩৬); বুখারী (৫৯৮৩); তিরমিযী (২৬৪৫); সুরা সাবা (৩৯); বুখারী (২৮৯৬); ইবনে মাযাহ (৪১০৭); সুরা মু'মিন (৬০); আহমাদ (৬৫৭২)

লেখাটি মূলত শায়খ আলী হাসান তৈয়বের ছোট্ট প্রবন্ধের মূলকথা থেকে শর্টনোট করেছি। এই প্রবন্ধের নজরে সানী (সম্পাদনা) করেছেন শায়খ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া সাহেব।
⚡1
আমাদের এক মাওলানা সাহেব আরেকটি আমলের কথাও বলতেন।

● রাতে ঘুমানোর আগে, সকাল ও বিকালে এবং পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর "ইয়া রাযযাক" বলে বলে রিযিকের জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করা।
⚡1
মানুষকে বদলাতে চাইলে আগে মানুষকে বুঝতে হবে।

আমাদের অনেক ইসলামিস্ট অ্যাক্টিভিজমের সমস্যা হলো, তারা মানুষের আচরণকে খুব মেকানিক্যালি দেখেন। যেন একটা হারাম লিখে পোস্ট দেখলেই মানুষ সাথে সাথে তাওবা করে ফেলবে।
বাস্তবতা এত সিম্পল না।

মানুষ তার আবেগ, পরিবেশ, বন্ধু, সংস্কৃতি, অভ্যাস সবকিছুর সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। আপনি দশ বছর ধরে যে জিনিসটাকে স্বাভাবিকহিসেবে দেখতে শিখিয়েছেন সমাজকে, সেটা একদিনে পোস্ট দিয়ে কুফরি কালচার বললে মানুষ গ্রহণ করবে না। বরং সে আপনাকেই অদ্ভুত মনে করবে। এটাই বাস্তবতা।

এই কারণেই দাওয়াহ শুধু সত্য কথা বলা না। দাওয়াহ হলো, কখন, কোথায়, কীভাবে সত্য কথাটা বলতে হবে সেটা বোঝা।

সব মানুষ সব অবস্থায় সব কথা গ্রহণ করে না। আপনি যদি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে চান, তাহলে আগে মানুষের বাস্তবতা বুঝতে হবে। শুধু নিজের আবেগ বুঝলে হবে না।
💯4
Forwarded from ابتسامة🍃
বেনামাজির সঙ্গে নিয়মিত মুসল্লির মুসাফাহা তাকে মসজিদমুখো করতে পারে। পর্দাবৃতা নারীর এক চিলতে মুচকি হাসি, দুয়েকটি মধুর কথা একজন বেপর্দা নারীকে পর্দার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারে। দ্বীনদারের কয়েক মিনিটের সুমিষ্ট আলাপ একজন গুনাহগারকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসতে পারে। আপনার এই সুন্দর ব্যবহার যদি মানুষের মনে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি নাও করে, তবুও আপনি দাওয়াহর সওয়াব পেয়ে যাবেন।

বই - নবীজির সাথে
⚡4
বোনদের মাঝে রুকাইয়াহ করার নামে হাদিসে নেই এমন আমল করার আগ্রহ দেখা যায়, অমুক তমুক রাকির পরামর্শে অদ্ভুত কাজকর্ম করতে দেখা যায়। কিছু একটা হলেই জীনের আছর, বদনজর এসব ভাবতে শুরু করে দেন।

এইটা একটা মহামারিতে পরিণত হয়েছে।

সকাল-সন্ধ্যার আমলগুলো করুন, পরদা মেইনটেইন করুন, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকুন। যথেষ্ট।

প্রতারিত হবেন না।
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

“পবিত্র ও সংযমী ব্যক্তির চেহারায় এক ধরনের মাধুর্য ফুটে ওঠে, তার অন্তরে থাকে প্রশান্তি ও তৃপ্তি; আর যে ব্যক্তি তার সান্নিধ্যে বসে, সে তার সঙ্গেও স্বস্তি ও প্রশান্তি অনুভব করে।”

(রাওদাতুল মুহিব্বীন-পৃ. ৪৯৬)
💯1💊1
Forwarded from Hope
এই ঘটনাটা আগেও শেয়ার করেছি, আবারও শেয়ার করছি। প্রাসঙ্গিক তাই।

আমার এক ভাগ্নি, তখন তার বয়স কত হবে, ৪ কি ৫। তো একটা কিছু নষ্ট করসে আমার। কিন্তু আমি শিওর না। ধরলাম ওর নাম উমাইয়া। আমি বললাম, উমাইয়া মামনি! এই জিনিসটা এত সুন্দর করে ভাঙসে কে? মুখের এক্সপ্রেশনো ছিল খুব হাসি খুশি! ও বলে, মামা এটা তো আমি করসি!

তারপর আমি আরেকটা এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য, খুব কর্কশ ভাষায়, চোখ মুখ-কুঁচকে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খুব এ্যাগ্রেসিভ করে বললাম, উমাইয়া! তুমি একটা মেয়ে! এটা দেখতে যে, ও কি রকম রিএ্যাক্ট করে। দেখলাম, ও খুব চেঁতে গেসে। আমি ওকে কেনো মেয়ে বললাম!! ও নাকি মেয়ে না! আমি নাকি তাকে খারাপ কিছু বলেছি। হাহাহা! এরকম আমি মাঝে মধ্যেই করি। দেখার জন্য, কি রকম রিএ্যাকশন আসে।

তো কি বুঝলেন? সে আসলে শব্দ না, বরং আচরণের ভিত্তিতে রিএ্যাক্ট করছে। এটা শুধু বাচ্চাদের বেলায়ই প্রযোজ্য না, বরং বড়দের বেলায়ও। ছেলেদের বেলায়ও। কিন্তু মেয়েদের বেলায় আরো প্রকটভাবে, কারণ তারা তুলনামূলক বেশী ইমোশন ড্রিভেন। তারা আপনার এ্যাপ্রোচ, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখবে।

তুহিন খানদের দেখবেন যে, কাব্যিক ভাষায় মেয়েদের জামা-কাপড় খুলে ফেলার কথা বলছে। কখনোই আপনি দেখবেন না যে, এই জন্যে মেয়েরা কোন প্রতিবাদ করছে। তুহিন খান বলে কথা না, আরো যারা আছে এরকম সেলিব্রেটি - তাদের এই টাইপের কবিতা-গানের ভক্ত বরং মেয়েরাও কম না। কারণটা কি? কারণটা হল, এ্যাপ্রোচ, এক্সপ্রেশন। আপনি মানুষকে কোমল আচরণের মাধ্যমে ভুল পথে নিতে পারবেন, কিন্তু কঠোর আচরণের মাধ্যমে সৎ পথে নেয়াটা কঠিন।

এজন্য ধরুন আপনি খুব কঠোর ভাবে ভালো কথা বললেন, মানুষ রিএ্যাক্ট করবে। মেয়েরা আরো বেশী করবে, যদি বলেন ওইত তুই পর্দা করস না কেন? পর্দা না করলে এত এত গুনাহ, তুই জাহান্নামে যাবি। হ্যাঁ এই সম্ভাবনা আছে, যদি তাওবা না করে, আল্লাহ তা'আলা করুণ না করেন, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ তা'আলা তো ক্ষমাশীল এবং করুণাময়। কিন্তু যাকে বলছেন, সে সম্ভাবনা বেশী যে, আপনার কথা এ্যাসেন্সটা ধরতে পারবে না, বরং শুরুতে আপনার এ্যাপ্রোচটা তাকে হিট করবে। আর আপনি যদি কাছের কেউ না হন, তাহলে তো কথাই নেই। আপনি বলরাই বা কে?

তবে ক্ষেত্র বিশেষে কঠোরতারও দরকার আছে, কিন্তু যেখানে আপনি দায়িত্বশীল না, সেখানে কঠোরতা করা অবান্তর হয়ে যায় অনেক সময়। দায়িত্বশীলের উপর জোর করে হলেও ফরজ আদায় করিয়ে নেবার একটা বিষয় থাকে।

আবার কঠোরতারও, কিংবা অসৎ কাজের নিষেধেরও আর্ট আছে। আপনি কি আল্লাহর জন্য করছেন নাকি, নিজের মনের রাগ, খায়িশাত মিটানোর জন্য করছেন, এটার উপরও তাসির নির্ভর করে। আমি নিজে যে এগুলো খুব মেইন্টেইন করতে পারি, তাও না। তবে করা উচিত। - সংগৃহীত
💊2
ফ্রান্সে চলছে দেশজুড়ে বিক্ষোভ। সাথে চলছে ব্যাপক লুটতরাজ। সাধারণ মানুষের দোকানপাটে ঢুকে লুটতরাজ করছে বিক্ষোভকারী ও সুযোগ সন্ধানী মানুষরা।

এমন ঘটনা ঘটেছিল আমেরিকার ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনের সময়েও।

অথচ এদিকে বাংলাদেশে জুলাইয়ে কি ক্যায়োটিক অবস্থা ছিল। এমনকি ৫-৮ অগাস্ট যা ইচ্ছা তাই করা যেতো।

কিন্তু সাধারণ মানুষ ও বিক্ষোভকারীরা মানুষের জানমালের নিরাপত্তাকে নিয়েছিল নিজেদের দায়িত্ব হিসেবে। হাতেগোণা কিছু ঘটনা বাদে এমন কিছুই সেভাবে হয় নি।

আমরা কথায় কথায় নিজের কওমকে গালি দিই। পশ্চিমাদের 'সভ্যতা' নিয়ে ব্যাপক মুগ্ধ।

কিন্তু মাথায় রাখা দরকার, আমরা মুসলিম কওম৷ সবচেয়ে নিকৃষ্ট মুসলিমও কাফিরদের চেয়ে উত্তম। মুসলিমদের মধ্যে অনেক অধঃপতন হলেও খায়ের আছে।

~ ইরফান সাদিক
💯4
গীবত কত প্রকার ও কী কী?

কোনো দ্বীনদার ভাই/বোন জীবনসঙ্গী হিসেবে নন প্র্যাকটিসিং কাউকে বেছে নিলে সেটা নিয়ে কথা বলাও গীবত। তার স্ত্রীর নিকাবের অনুপস্থিতি, স্ত্রীর সাজগোজ, ফেসবুক প্রোফাইলে কাজিন থাকা এগুলো নিয়ে কথা বলা গীবত। তার স্বামীর টাখনুর নিচে প্যান্ট, দাঁড়ির অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বলা গীবত।

তার কাজটা ঠিক কি বেঠিক সেটা নিয়ে কথা বলাও গীবত। মিথ্যা বলা হারাম এটার আলোচনায় যেমন অমুক মিথ্যা বলেছে এটা বলা গীবত হবে, তেমনি এই বিষয়ক আলোচনায় অমুক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলাও গীবত।

দু'আ করুন যেন তার ভুল সিদ্ধান্তে আল্লহ খইর দিয়ে দেন। এই নিয়ে আলোচনা করে নিজেকে নিচু করবেন না।
💯1
সাজগোজের কিছু ধরন যা হারাম:

পার্মানেন্ট তিল বসানো:
এটা বেসিকালি ট্যাটু। অনেক জায়গায় দেখলাম বেশ পপুলার। আমরা তো জানিই ট্যাটু হারাম। কিন্তু এইটা ট্যাটু তা না বুঝেই দেখলাম অনেক আপু করেন।

ঠোঁট পার্মানেন্টলি পিংক করা:
এটাও বেসিকালি ঠোঁটে ট্যাটু করা। এটাও হারাম।

চুলে কেরাটিন ট্রিটমেন্ট করা:
এতে কেরাটিনের লেয়ার পড়ে চুলের উপর। ফলে পানি পৌঁছে না।

প্রাইভেট পার্ট ওয়্যাক্স করানো:
বেসিকালি হাঁটু থেকে নাভি পর্যন্ত কোনো এরিয়াই অন্য কাউকে দিয়ে ওয়্যাক্স করানো যাবে না, যেহেতু এটা সতরের অন্তর্ভুক্ত। এটুকু নিজেই করতে হবে। এছাড়া বাকি শরীরে অন্যকে দিয়ে করা যাবে, যদিও শালীনতা বজায় রাখা কাম্য।

আইল্যাশ ইউজ করা:
এটা পরচুলার সমপর্যায়ের। তাই এটা হারাম।

ভ্রুপ্লাক বা এধরনের জিনিসগুলো আমরা সবাই হারাম বলে জানি। কিন্তু উপরের জিনিসগুলোকে আমরা হারাম বলে জানিনা বা সতর্ক থাকি না। তাই এগুলো নিয়েই পোস্ট করলাম।

রেফারেন্স দিলাম না।
💯5🆒1