Praachir - প্রাচীর
13K subscribers
3.43K photos
709 videos
216 files
1.01K links
আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ...

প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT
Download Telegram
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমাদের রাজশাহীর বাগমারা থানার ঘটনা। শুধু এক মসজিদে এই অবস্থা তা নয়, বরং আমাদের এলাকার বেশিরভাগ মসজিদের খতিব সাহেবের সেইম অবস্থা।

আল্লাহ আমাদের মাফ করুন।
.
@Praachir
😁10
সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি।
💔18😢1
কোনো কোনো জাতির স্বভাব হচ্ছে, রমাদানে প্রচুর ইবাদত-বন্দেগী করবে। অনেক পরিশ্রম করবে। কিন্তু যখন রমাদান চলে যায়, তাদের এসব ইবাদত-বন্দেগীও হারিয়ে যায়। বড়ই নিকৃষ্ট মানুষ এরা, যারা কিনা আল্লাহকে শুধু রমাদান মাসেই চেনে।
.
~ বিশর আল-হাফি রাহিমাহুল্লাহ
[ মিফতাহুল আফকার, ২/২৮৩ ]

নিজেদের সাথে মিলিয়ে দেখি...

কৃতজ্ঞতাঃ @MuslimInspirationOfficial
😢9
সিজদাহ,
শেষ আশ্রয়, শেষ পরিচয়।
.
মাটির বুকে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কবর… চারপাশে নিস্তব্ধতা। মানুষ চলে গেছে, আলো নিভে গেছে, পৃথিবীর কোলাহল থেমে গেছে। কিন্তু এই নীরবতার মাঝেই যেন এক গভীর সত্য কথা বলে—একদিন আমাদের প্রত্যেকেরই যেতে হবে এই কবরে।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন:
“এবং (তোমরা) অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।”
— সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২।

এই আয়াত আমাদের শুধু একটি নির্দেশই দেয় না; এটি আমাদের জীবনকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। কারণ মুসলমান হয়ে মৃত্যুবরণ করা মানে শুধু মুখে ঈমানের কথা বলা নয়—বরং এমন এক জীবন যাপন করা, যার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। আর সেই আত্মসমর্পণের সবচেয়ে গভীর প্রতীক হলো সিজদাহ।

সিজদাহ এমন একটি মুহূর্ত, যখন মানুষ তার সমস্ত অহংকার ভেঙে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। যে কপাল দিয়ে আমরা পৃথিবীর সামনে গর্ব করি, সেই কপালই সিজদায় গিয়ে মাটির সাথে মিশে যায়। সেখানে নেই কোনো পদমর্যাদা, নেই কোনো অহংকার—আছে শুধু বান্দা আর তার রব।
হয়তো আমরা অনেক কিছু হারিয়েছি, অনেক ভুল করেছি, অনেক দূরে চলে গেছি আল্লাহর পথ থেকে। কিন্তু সিজদাহ এমন এক দরজা, যা কখনো বন্ধ হয় না। বান্দা যখন সিজদায় মাথা রাখে, তখন তার চোখের অশ্রু মাটিতে পড়ে আর আকাশের দরজা খুলে যায়।

ভাবুন, আজ যে কপাল সিজদায় নত হয় না, একদিন সেই কপালই এই মাটির নিচে নিথর হয়ে শুয়ে থাকবে। তখন আর কোনো সুযোগ থাকবে না—না তাওবা করার, না নতুন করে শুরু করার। তখন আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করেও কোনো লাভ হবে না।

তাই আজই নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার
আমাদের কপাল কি সত্যিই সিজদায় অভ্যস্ত?
আমাদের হৃদয় কি সত্যিই আল্লাহর সামনে নত?
কারণ যে কপাল দুনিয়ায় আল্লাহর সামনে সিজদায় নত হয়, সেই কপালই কিয়ামতের দিন সম্মানিত হবে। আর যে হৃদয় সিজদায় কাঁদতে জানে, তার জন্যই আল্লাহর রহমতের দরজা উন্মুক্ত থাকে।
শেষ পর্যন্ত মানুষ কিছুই সঙ্গে নিতে পারে না, না সম্পদ, না ক্ষমতা, না খ্যাতি। কবরের অন্ধকারে আমাদের একমাত্র আলো হবে সেই সিজদাগুলো, যেগুলো আমরা একান্তে আল্লাহর জন্য করেছি। মুসলমান মানে শুধু মুখে বললাম আর হয়ে গেল বিষয় টা এমন নয়। প্রকৃত মুসলমান তো সেই যার হৃদয় জুড়ে থাকবে আনুগত্যের ছাপ, প্রকাশ পাবে কাজে ও কর্মে।

তাই আসুন, আজ থেকেই আমরা আমাদের কপালকে সিজদায় অভ্যস্ত করি। যেন যখন মৃত্যুর মুহূর্ত আসে, তখন আমরা সত্যিই সেই সৌভাগ্য অর্জন করতে পারি।
মুসলমান হয়ে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সৌভাগ্য যেন অর্জিত হয় তার জন্য কি প্রস্তুতি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ নয়?

° এমন কোন কিতাব,
যা গভীরভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করে?
14
আবরাহা যখন কাবা আক্রমণ করতে আসে মক্কার কয়েকজন নারী তখন গর্ভবতী ছিলেন।

আবরাহা যখন দেখলো সবাই মক্কায় যাচ্ছে হজ্জ করতে, সে ভাবলো— কেমন হয় আমিও যদি এরকম একটা উপাসনালয় বানাই? তাহলে তো আমাদের এখানেও (ইয়েমেন) লোকজন আসবে।

কাবার কারণে মক্কাবাসী বাণিজ্যিক এডভান্টেজ পাচ্ছে। মক্কা হয়ে যাচ্ছে এই অঞ্চলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

এটা ভেবেই আবরাহা নির্মাণ করেছিলো 'আল-কুল্লাইস' নামে একটা গীর্জা।

তার চিন্তা ছিলো এরকম একটা স্থাপনা নির্মাণ করলেই মানুষকে আকৃষ্ট করা যাবে।

কিন্তু, কোথায় ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম এবং ইসমাইল আলাইহিস সালামের নির্মিত কাবা আর কোথায় 'আল-কুল্লাইস'!

মক্কার এক লোক ইয়েমেন গিয়ে এমন এক কাজ করে, যার ফলে আবরাহা সিদ্ধান্ত নেয় তার কম্পিটিশন শেষ করে দিবে কাবা আক্রমণ করে!

কারণ, সে যে উদ্দেশ্যে আল-কুল্লাইস নির্মাণ করেছিলো সেটা সফল হয়নি। এতো বিশাল প্রজেক্ট করেও সেটা থেকে সে প্রত্যাশিত লাভ পাচ্ছে না।

যার ফলে যতোটা না মক্কার লোকটির কারণে, তারচেয়েও বেশি তার প্রজেক্টটা লস করার কারণে কাবা আক্রমণে বের হয়।

.

আবরাহার বাহিনীর কী পরিণতি হয় সেটা 'সূরা ফিল' এ আল্লাহ আমাদেরকে জানিয়েছেন।

তার উদ্দেশ্য তো পূরণ হয়নি। এমনকি আর কেউ মক্কা আক্রমণ করতে ভয় সাহস পায়নি।

আবরাহা যদি মক্কা আক্রমণ করতো, সে কি শুধু কাবা ধ্বংস করতো? সেখানকার মানুষজনের কী অবস্থা হতো?

কাবা ঘর আক্রমণ করতে আসা কয়েক হাজার সৈন্য মক্কাবাসীর ওপর কেমন নির্যাতন চালাতো?

কাবার ৫০০ মিটার কাছে থাকা পরিবারগুলোর কী অবস্থা হতো?
.
সেই সময়ের একজন নারীর কথা চিন্তা করুন। যিনি সন্তানসম্ভবা।

এমন সময় একজন নারীর মানসিক সাপোর্ট অনেক দরকার।

কিন্তু, সেই নারীর স্বামী কয়েক মাস আগে ইন্তেকাল করেছেন।

তিনি যে সন্তান জন্মদান করবেন, সেই সন্তান পৃথিবীতে আসার পর বাবাকে পাবে না।

এমন সময় যখন সেই নারী শুনতে পেলেন ইয়েমেন থেকে বিশাল বাহিনী আসছে কাবা আক্রমণ করতে; অথচ কাবা থেকে তাঁর বাসার দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার, তখন তাঁর মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিলো?

তাঁর স্বামী বিদেশে ব্যবসায়িক সফরে গিয়ে ইন্তেকাল করেছেন। এমন সময় যে বাহিনী ধ্বংসাত্মক কাজের জন্য আসছে, এ থেকে তিনি এবং তাঁর গর্ভের সন্তান কীভাবে রক্ষা পাবেন?

একজন গর্ভবতী মা নিজের চাইতেও বেশি কনসার্ন থাকেন তাঁর অনাগত সন্তানকে নিয়ে।
.
মক্কার লোকজন আবরাহার বাহিনী থেকে আত্মরক্ষার কোনো উপায়ই দেখতে পাচ্ছিলো না। কারণ, এতো বিশাল বাহিনী তারা জীবনে দেখেনি।

আব্দুল মুত্তালিব আল্লাহর কাছে দুআ করেন। যেই দুআর বদৌলতে আল্লাহ কাবা ঘর রক্ষা করেন।
.
আল্লাহ কি শুধুই কাবা ঘর রক্ষা করেছিলেন?

নাকি সেখানকার মানুষদের? সেইসব সন্তানদের, যারা তখনো মায়ের গর্ভে? সেই মাকে, যার স্বামী ইন্তেকাল করেছেন এবং তিনি অপেক্ষায় আছেন তাঁর সন্তানের আগমনের?

আবরাহার ঘটনার মাত্র ৪০/৫০ দিন পর মক্কায় একজন সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। যাকে আল্লাহ তাঁর 'হাবিব' বলে উল্লেখ করেন। যাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে পাঠান।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

আবরাহার হাত থেকে কি আল্লাহ শুধু কাবাই রক্ষা করেছিলেন?

নাকি কাবার চেয়েও মূল্যবান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হেফাজত করেছিলেন!

সুবহানাল্লাহ!
.
আবরাহার কাবা আক্রমণের সময় মক্কার কয়েকজন নারী যে সন্তানসম্ভবা ছিলেন, সেটার হিন্টস পাওয়া যায় হালিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ধাত্রী হিসেবে যখন মক্কায় আসেন, তখন সবাই সন্তান পেয়ে গেলেও তিনি পাননি। সর্বশেষ পেয়েছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে।

এই ঘটনা ঘটে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের প্রায় ২ মাসের মধ্যে।

তার মানে সেসব সন্তানরা আবরাহার ঘটনার সামান্য আগে-পরে জন্মগ্রহণ করেন।

❤️ @Praachir
🔥20
রাজশাহী অঞ্চলে শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রামক রোগ ‘হাম’। উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের নমুনা পরীক্ষা করে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিভাগের সাতটি সদর হাসপাতাল এবং চারটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে পরীক্ষা করছে। রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাবিবুর রহমান জানান, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজশাহী বিভাগের হাসপাতালগুলোতে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুরা ভর্তি হচ্ছে।

১৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৫৩ জনের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে। এতে ৪৪ জনের হাম পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ছোঁয়াচে এই রোগ শনাক্তের হার প্রায় ২৯ শতাংশ। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, হাম পজিটিভ ও উপসর্গ থাকা শিশুদের হাসপাতালে আলাদা রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে অন্য শিশুদের মাঝে সংক্রামক রোগটি ছড়িয়ে না পড়ে। তবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। শিশুদের ওয়ার্ডে অন্য সব শিশুর মাঝে হামের উপসর্গ থাকা শিশুদেরও চিকিৎসা চলছে। এমন রোগীদের আলাদা আইসোলেশন ব্যবস্থায় রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে তাদের সাধারণ রোগীদের সঙ্গেই রাখা হচ্ছে।
😢143
আদিব হুজুরের 'তুরষ্কে তুর্কিস্তানের সন্ধানে' বইটা তো অনেকে পড়েছেন নিশ্চয়ই। বইয়ে সুন্দর একটা দুআ শেখানো হয়েছে। আদিব হুজুর এয়ারপোর্টে যেতে যেতে জ্যামে পড়েছিলেন। বর্ণনাটা অনেকটা এমনই। তখন তিনি একটা দুআ পড়তে থাকেন। সব সমাধান হয়ে যায়।
এই দুআটা আমি যখন থেকে পেয়েছি, প্রতিটা বিপদে পড়ি এবং বিশ্বাস করুন, মহান আল্লাহর অসীম দয়ায় একটা না একটা সমাধান পেয়ে যাই। এইটা আমার কারামত না, দুআর ফসল। বান্দা যখন ইয়াক্বীন ও ইখলাসের সাথে কোনো আমল করে, তখন সে গোনাহগার হলেও আল্লাহ তার দুআ কবুল করেন। শর্ত হলো, ইখলাস থাকা। আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই করবেন এই নিয়ত হাজির রাখা।

আমি ছোট থেকে ছোট সমস্যায়ও দুআটা পড়ি। জ্যামে পড়লে, টিকেট না পেলে, গাড়ী না পেলে, কোথাও কোনো বিপদের আশংকা করলে। দেখতে পাই, একটা সমাধান মাথায় এসে যায়।

দুআটা হাদিসে এসেছে, সহীহ ইবনে হিব্বানে আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর রিওয়ায়াতে,
اللهُمَّ لا سَهْلَ إلا مَا جَعَلتَهُ سَهْلا وَ أنتَ تَجْعَلُ الحزْنَ إذا شِئْتَ سَهْلا

'আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জাআলতাহু সাহলা, ওআনতা তাজআলুল হুযনা ইযা শি'তা সাহলা'

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি যা সহজ করেছেন তা ব্যতীত সহজ আর কিছুই নেই। এবং আপনি চাইলে দুঃখ কষ্টকেও পরিণত করতে পারেন সহজতায়...

লেখা- উস্তাদ আম্মারুল হক
🔥176
কল্পনা করো, সম্ভবত তোমার ফ্যামিলির প্রত্যেককে একে একে বিদায় দেয়া মানুষটা তুমিই হবা।

হয়তো তোমার মৃ*ত্যুর সময়টাতে তোমার মা-বাবা, ভাই-বোন, স্বামী/স্ত্রী কেউই থাকবে না। সবাই-ই তোমার আগে নিজের ঠিকানায় পাড়ি জমাবে।

কিংবা হয়তো তুমিই সবার আগে সবাইকে ছেড়ে চলে যাবা।

যেভাবেই হোক না কেন, সবাইকে, সবকিছুকে একদিন তোমার ছাড়তে হবেই।

একদিন সেই আল্লাহ ছাড়া তোমার আর কেউ থাকবে না, যে আল্লাহ'র সাথে সম্পর্কটা ছিলো তোমার লাইফে জাস্ট একটা "পার্ট টাইম রিলেশনশীপ"। যার কাছে তুমি "না পারতে", অর্থাৎ শুধু ঠেকায় পরলেই যেতে।

অথচ তিনিই সত্য। শুধু তিনিই থাকেন, থাকবেন।

সেই দিন সব ইকুয়েশানের ভুল উত্তর দেখে যেন ঘাবড়ে যেও না।

কারণ, জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যে ইকুয়েশানটা মেলানোর জন্য তুমি সর্বোচ্চ সময় আর চেষ্টাটা দাওনি, সেই ইকুয়েশান তোমার জন্য কখনোই মিলবে না।
মিলবার কথাও না।
এটাই স্বাভাবিক।

কাজেই, "তুমি রিয়েলিটি মাইনে নেও।"
আর নিজের পায়ে নিজেই কো'পায়ে যাও।

অথবা,
স্টিয়ারিং হাতে নাও। গাড়িটা ঘোরাও।
নতুন করে শুরু করো। ঠিক রাস্তায় চালাও।

তুমি জানো না,
হয়তো এই লেখাটাই তোমার জন্য শেষ রিমাইন্ডার।

© মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর
29
আমরা যখন কোনো খাবার খাই তখন তা স্বাদযুক্ত হলে খাওয়ার সময়ই সেই স্বাদ অনুভব করি। খাওয়ার পর ভুলে যাই। কিন্তু খাবার যখন অত্যাধিক স্বাদযুক্ত হয় তখন খাওয়ার পরও বলি: স্বাদটা এখনো মুখে লেগে আছে!

হিদায়াত পাওয়া আল্লাহ তায়ালার নিআমত। কিন্তু হিদায়াতের উপর অবিচল থাকা আল্লাহ তায়ালার আরো বড় নিআমত। হিদায়াত পাওয়ার পর তার উপর অবিচল থাকা সেই খাবারের স্বাদের মত যা অন্তরে লেগেই থাকে।

রমাদ্বান শেষ। রমাদ্বানে আমাদের ঈমান আমলের স্বাদ ছিল একরকম। পরিবেশ আমাদেরকে সেই সহায়তাটা করেছে। এখন রমাদ্বান শেষ। এরপরও যদি আগের আমলের স্বাদ আমাদের অন্তরে লেগে থাকে ও আমরা এর উপর অবিচল থাকতে পারি তবে ধরে নেয়া যায় আল্লাহ তায়ালা আমাকে রমাদ্বানে সাহায্য করেছেন।

আমার আপনার অবস্থা কী?
21
হামের সংক্রমণের ক্ষমতা (আরও) অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণ (এনসেফালাইটিস) হতে পারে। ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, ‘হামের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই, মূলত জটিলতাগুলোর চিকিৎসা করা হয়। শিশুদের চোখের ক্ষতি রোধে ভিটামিন-এ এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরি।’


💔 রাজশাহী র অবস্থা ও খুব ভয়াবহ (বিস্তারিত)
😢211
"দুনিয়াবি কোনো কিছু পাইনি বলে হতাশ? ধরে নাও, পুরো দুনিয়া এখন তোমার হাতের মুঠোয় এবং তুমি এখন উপভোগও করছো! পূর্ব ও পশ্চিমের সমস্ত সম্পদ তোমার কাছে এসে ধরা দিয়েছে। কিন্তু যখন তোমার কাছে মৃত্যু এসে হাজির হবে, তখন তোমার হাতে আর কী অবশিষ্ট থাকবে?"

— ইবনে আস-সাম্মাক (রহ.)
[সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, ৮/৩৩০]
🔥13😢8
🔴 ভারতে হাফেজে কুরআনকে নির্মমভাবে হত্যা করলো উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা

দিল্লী এর দয়ালপুর এলাকায় কুরআনের হাফেজ সুবহান মালিক নামের এক কিশোরকে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তার কোনো পরিচিত শত্রুতা ছিল না, ফলে ঘটনাটি আরও রহস্যজনক ও হৃদয়বিদারক হয়ে উঠেছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা "ইন্ডিয়াস্পেন্ড" দেখিয়েছে, উগ্র হিন্দুত্ববাদী / গো-রক্ষা দলের হাতে নিহতদের ৮৬ শতাংশই মুসলিম। তবু এসব হত্যাকাণ্ডকে ভারতীয় গোদি মিডিয়া "বিচ্ছিন্ন ঘটনা" বলে মিডিয়াতে হালকা করে উপস্থাপন করে।
😢32💔7
১ টা ঘোড়া মানুষের ভার বইতে না পেরে রিকশার সাথে মাথা ঠেকিয়ে যেনো ওজন বইতে না পারার দীর্ঘ শ্বাস নিচ্ছে,চোখ বন্ধ হয়ে আসছে দূর্বলতায়,শরীর আর চলেনা।

আরেকটা ঘোড়া জংগলের নিচুস্তর থেকে গাছ বোঝাই গাড়িটি নিয়ে উপরে উঠতে হাত,পা শরীর যেনো অবশ হয়ে দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। এমন হাজার ঘোড়া, গাধা, গরু কে নির্যাতন করা হয় প্রতিদিন, দেখার কেউ নেই।

হায়রে মানুষ, পশুপাখি গুলো মানুষের উপকার করে,জীবন দিয়ে দেয় মনিবকে রক্ষা করতে আর আমরা?

তোরা কি মরবি না?
😢422
Why do fireflies have to die so soon?🥀
😢10💔4
অবহেলা নয়—হাম প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা।
লক্ষণগুলো জেনে রাখুন এবং এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিন।
3🥰1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রাণীর প্রতি এই নিষ্ঠুরতা, আল্লাহ বিচার করবে।

> পূর্বের গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট
😢22💔1
২১টি সূরা পাঠে পেয়ে যান ২২০০০+ নেকি ইনশা আল্লাহ
.
আমরা সবাই ব্যস্ত…
সময় নেই, ছুটছি কোন না কোন কাজে দিনরাত! কষ্ট আছে, আছে ক্লান্তি, দুনিয়ার হাজারো কাজে দিন কেটে যায় হরহামেশাই।
কিন্তু একবার ভেবে দেখুন—
যে সময় আমরা মোবাইল স্ক্রল করি বা অযথা নষ্ট করি, সেই সময়ের অল্প অংশ যদি কুরআনের জন্য দিতাম? কেমন হতো তাহলে?
মোবাইল চাপার রেকর্ড যদিও আমরা এখন খুব সহজেই Digital Well being এর মাধ্যমে পেয়ে যায়। কেমন হয় যদি প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিট হাতে থাকা মোবাইল এর কুরআন অ্যাপে কিংবা বাসায় থাকলে কুরআন খুলে পড়া যায়?

সুবহানাল্লাহ… 🤍

🌸 হাদিসে এসেছে—
কুরআনের প্রতিটি অক্ষর পাঠে ১টি করে নেকি পাওয়া যায়। আর এই প্রতিটি নেকির পরিমাণ ১০ গুন করে। অর্থাৎ একটি অক্ষর যেমন - 'আলিফ' পাঠ করলেন তো ১০টি নেকি পাবেন।

চলুন আমরা যে ছোট সূরাগুলো পড়ি, সেগুলোর অক্ষর ও নেকির হিসাব মিলিয়ে দেখি।

🔹 আল-বাইয়্যিনাহ — ৯৪ অক্ষর = ৯৪০ নেকি
🔹 আয-যিলযাল — ১৫৮ অক্ষর = ১৫৮০ নেকি
🔹 আল-আদিয়াত — ১৬৯ অক্ষর = ১৬৯০ নেকি
🔹 আল-ক্বারিয়াহ — ১৬০ অক্ষর = ১৬০০ নেকি
🔹 আত-তাকাছুর — ১০২ অক্ষর = ১০২০ নেকি
🔹 আল-আসর — ৬৮ অক্ষর = ৬৮০ নেকি
🔹 আল-হুমাযাহ — ১৩৪ অক্ষর = ১৩৪০ নেকি
🔹 আল-ফীল — ৯৬ অক্ষর = ৯৬০ নেকি
🔹 কুরাইশ — ৭৩ অক্ষর = ৭৩০ নেকি
🔹 আল-মাউন — ১১৪ অক্ষর = ১১৪০ নেকি
🔹 আল-কাওসার — ৪২ অক্ষর = ৪২০ নেকি
🔹 আল-কাফিরুন — ১০৯ অক্ষর = ১০৯০ নেকি
🔹 আন-নাসর — ৮০ অক্ষর = ৮০০ নেকি
🔹 আল-লাহাব — ৭৭ অক্ষর = ৭৭০ নেকি
🔹 আল-ইখলাস — ৪৭ অক্ষর = ৪৭০ নেকি
🔹 আল-ফালাক — ৭১ অক্ষর = ৭১০ নেকি
🔹 আন-নাস — ৭৯ অক্ষর = ৭৯০ নেকি
🔹 আদ-দুহা — ১৬৫ অক্ষর = ১৬৫০ নেকি
🔹 আল-ইনশিরাহ — ১০৩ অক্ষর = ১০৩০ নেকি
🔹 আত-তীন — ১৫৬ অক্ষর = ১৫৬০ নেকি
🔹 আল-কদর — ১১২ অক্ষর = ১১২০ নেকি
মোট প্রায় ২২,০৯০টি নেকি!

😔 ভাবুন তো…
কিয়ামতের দিনে যখন আমরা একটি নেকির জন্য অপেক্ষা করব,
তখন এই ছোট ছোট সূরাগুলোই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

আসুন, আজ থেকেই নিয়ত করি—
প্রতিদিন অন্তত এই সূরাগুলো পড়ব।
সময় লাগবে খুবই অল্প… কিন্তু প্রতিদান হবে অসীম! ইনশা আল্লাহ।

সারাদিন হাতে থাকা মোবাইল টাকে যেভাবে আপন করে হাত থেকে চার্জ করার আগ পর্যন্ত নামাই না তো সেই মোবাইলেই কিছু সময় কি কুরআন অ্যাপ গুলো পেতে পারে না?

আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআনের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করার তাওফিক দিন। আমীন।

🌸 আবরাহা যখন কাবা আক্রমণ করতে আসে মক্কার কয়েকজন নারী....
6
এই মাসের আইয়ামে বীযের (৩টি) রোজা আজ থেকে রাখতে হবে। আজ প্রথম রোজার সাহরি খেতে হবে।

পাশাপাশি আগামীকাল বৃহস্পতিবার সুন্নাহ রোজা এবং শাওয়ালের রোজার একত্রে নিয়্যাত করে নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ্।
8