This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন একটি পুরোনো প্রতিরক্ষা চুক্তির চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন।
১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের আগে শাহ ৪০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ব্রিটেনের কাছ থেকে ‘চিফটেন’ ট্যাংক কেনার চুক্তি করেন এবং পুরো টাকা পরিশোধ করেন।
তবে বিপ্লব পরবর্তী অস্থিরতার অজুহাতে ব্রিটেন ট্যাংকগুলো সরবরাহ না করে উল্টো সেগুলো ইরাকসহ অন্যান্য দেশের কাছে পুনরায় বিক্রি করে দেয়। জনসন এই ঘটনাকে ব্রিটিশ কূটনীতির এমন এক চতুর কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই কথোপকথনের একপর্যায়ে ফিলিস্তিন নিয়ে বলতে গিয়ে মুচকি হেসে কথা ঘুরিয়ে ফেলেছে সাবেক এই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
মূলত ফিলিস্তিন ইস্যুতে সারা পৃথিবীকে কিভাবে ধোকা দেয়া হয়েছে ওই বিষয়টিও মুখ দিয়ে বের হতে নিচ্ছিল...
কার্টেসি: Between the lines
সাংবাদিক সরওয়ার আলম [mh]
১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের আগে শাহ ৪০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ব্রিটেনের কাছ থেকে ‘চিফটেন’ ট্যাংক কেনার চুক্তি করেন এবং পুরো টাকা পরিশোধ করেন।
তবে বিপ্লব পরবর্তী অস্থিরতার অজুহাতে ব্রিটেন ট্যাংকগুলো সরবরাহ না করে উল্টো সেগুলো ইরাকসহ অন্যান্য দেশের কাছে পুনরায় বিক্রি করে দেয়। জনসন এই ঘটনাকে ব্রিটিশ কূটনীতির এমন এক চতুর কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই কথোপকথনের একপর্যায়ে ফিলিস্তিন নিয়ে বলতে গিয়ে মুচকি হেসে কথা ঘুরিয়ে ফেলেছে সাবেক এই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
মূলত ফিলিস্তিন ইস্যুতে সারা পৃথিবীকে কিভাবে ধোকা দেয়া হয়েছে ওই বিষয়টিও মুখ দিয়ে বের হতে নিচ্ছিল...
কার্টেসি: Between the lines
সাংবাদিক সরওয়ার আলম [mh]
👍34❤15😢15🤯1
প্রচলিত একটা কন্সপিরেসি থিওরি হচ্ছে, এপস্টিন ফাইলস থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর জন্যই ট্রাম্প তাড়াহুড়া করে ইরান যুদ্ধ শুরু করেছিল।
কিন্তু এখন ইরান যুদ্ধে যেভাবে আমেরিকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, যেভাবে তেলের দাম বেড়ে যাচ্ছে, যেভাবে আমেরিকান সৈন্যরা আহত-নিহত হচ্ছে, যেভাবে আমেরিকার যুদ্ধ বিমান "ফ্রেন্ডলি ফায়ারে" বা কোনো কারণ ছাড়াই "এমনি এমনি" বিধ্বস্ত হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো থেকে দৃষ্টি সরানোর জন্য ট্রাম্পের উচিত কোনো রকম রিড্যাকশন ছাড়া, নিজের সব অপকর্ম সহ পুরো এপস্টিন ফাইলস রিলিজ করে দেওয়া।
সৎ পরামর্শ।
- মোজাম্মেল হোসেন তোহা
কিন্তু এখন ইরান যুদ্ধে যেভাবে আমেরিকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, যেভাবে তেলের দাম বেড়ে যাচ্ছে, যেভাবে আমেরিকান সৈন্যরা আহত-নিহত হচ্ছে, যেভাবে আমেরিকার যুদ্ধ বিমান "ফ্রেন্ডলি ফায়ারে" বা কোনো কারণ ছাড়াই "এমনি এমনি" বিধ্বস্ত হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো থেকে দৃষ্টি সরানোর জন্য ট্রাম্পের উচিত কোনো রকম রিড্যাকশন ছাড়া, নিজের সব অপকর্ম সহ পুরো এপস্টিন ফাইলস রিলিজ করে দেওয়া।
সৎ পরামর্শ।
- মোজাম্মেল হোসেন তোহা
😁68🤣22👍10❤8👻3👏2
আফগানদের সাথে শত্রুতার মূল্য খুবই ভয়াবহ। দুই হাজার বছর পূর্বে সিকান্দার দ্যা গ্রেট আফগানে আক্রমণ করেছিল, তার পরাজয় কাহিনি এখনও ইতিহাসে জীবন্ত হয়ে আছে। চেঙ্গিস খান, মোঙ্গল, নাদির শাহ, ইংরেজরা ও অন্যান্য আক্রমণকারীরা আজও আমাদের সাহিত্যে ঘৃণার প্রতিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীও যদি এই তালিকায় তাদের নাম লেখাতে চায়, তাহলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু যখন আমাদের হাত তাদের শাহরগ পর্যন্ত পৌঁছাবে, তখন তারা বুঝতে পারবে আমাদের সাথে শত্রুতার মূল্য কতটা কতটা ভারী।
: কারী আবদুস সাত্তার সাইদ
বিশিষ্ট কলামিস্ট ও ইতিহাসবিদ, ইমারাতে ইসলামিয়া
(সংগৃহীত)
পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীও যদি এই তালিকায় তাদের নাম লেখাতে চায়, তাহলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু যখন আমাদের হাত তাদের শাহরগ পর্যন্ত পৌঁছাবে, তখন তারা বুঝতে পারবে আমাদের সাথে শত্রুতার মূল্য কতটা কতটা ভারী।
: কারী আবদুস সাত্তার সাইদ
বিশিষ্ট কলামিস্ট ও ইতিহাসবিদ, ইমারাতে ইসলামিয়া
(সংগৃহীত)
👍57❤52🔥2👏2👎1
যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমেরিকার অর্জনসমূহ:
১। খামেনিকে হত্যা করে ভেনেজুয়েলার মতো অনুগত লিডার বসাতে চেয়েছিল। বাস্তবে আরও কট্টর খামেনি ক্ষমতায় বসেছে, যার বাবা-মা, স্ত্রী, বোন, বোনের ছেলে-মেয়ে সবাই আমেরিকার হাতে শহিদ হয়েছে।
২। ভেবেছিল খামেনিকে আর টপ মিলিটারি লিডারশিপকে মেরে ফেলতে পারলেই ইরান আত্মসমর্পন করবে। ১২ দিনের যুদ্ধের মতো দ্রুত বিজয় পাবে। বাস্তবে তিন সপ্তাহের মাথায় ইরান এখনও আলোচনায় বসার প্রস্তাবেই পাত্তা দিচ্ছে না।
৩। আশা করেছিল ইরানের সরকারবিরোধীরা দলে দলে রাস্তায় নেমে আসবে। উল্টো আক্রমণের ফলে ইরানিদের কাছে অভ্যন্তরীন বিরোধিতার চেয়ে জাতীয়তাবাদই বড় হয়ে উঠেছে। সরকারবিরোধীদের অনেকে এখন আমেরিকার বিরুদ্ধেই মিছিল করছে।
৪। আরব মিত্র রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষা করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। একের পর এক মিসাইল এবং ড্রোন এসে তাদের অর্থনীতিকে দারুণভাবে আঘাত করেছে। ওদিকে একের পর এক ফেক নিউজ ছড়িয়েও আমেরিকা এবং ইসরায়েল তাদেরকে যুদ্ধে টেনে আনতে ব্যর্থ হয়েছে।
৫। কুর্দিদেরকে দিয়ে বিদ্রোহ করাতে চেয়েছিল। তাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছিল গ্রাউন্ড ফোর্স হিসেবে কাজ করার। নিউজ লিক করেও তাদেরকে চাপে ফেলতে চেষ্টা করেছিল। সেটাও আপাতত ব্যর্থ হয়েছে।
৬। দাবি করেছিল ইরানের নেতারা আন্ডারগ্রাউন্ডে লুকিয়ে আছে। উল্টো তারা রাজপথে মিছিল করে নিজেদের সাহসিকতার এবং জনগণের সাথে তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ দেখিয়েছে।
৭। ইরানের ব্যাংকের উপর আক্রমণ করে তাদের অর্থনীতির উপর আঘাত করতে চেয়েছিল। বাস্তবে পাল্টা আক্রমণে দুবাইয়ে নিজেদের একাধিক ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকই বন্ধ করে দিতে হচ্ছে।
৮। গালফ কান্ট্রিগুলো নিজেদের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য ট্রাম্পকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পুনর্বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
৯। ইরানের নিউক্লিয়ার এবং মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং যত দিন যাচ্ছে, ইরান আরও শক্তিশালী মিসাইল ব্যবহার করছে এবং ইসরায়েলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১০। তেলের দাম রাতারাতি বেড়ে গেছে। ইরানকে হুমকি-ধামকি দিয়ে এবং বম্বিং করেও এখনও পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে। তেলের সাপ্লাই ঠিক রাখার জন্য ইউক্রেইন যুদ্ধের পর থেকে প্রথমবারের মতো রাশিয়ান তেলের উপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে।
১১। হরমুজের অবরোধ এড়ানোর লক্ষ্যে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো সরাসরি ইরানের সাথে আলোচনা করছে। ইরান তাদেরকে ইউয়ানে তেল বিক্রি করার শর্তে হরমুজ দিয়ে যাতায়াতের প্রস্তাব দিচ্ছে।
১২। একাধিক আরব রাষ্ট্রে নিযুক্ত মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে থাড রাডার ডিফেন্স সিস্টেম ট্রান্সফার করতে বাধ্য হচ্ছে।
১৩। অন্তত ১৫ জন সৈন্য, তিনটা যুদ্ধবিমান এবং সাতটা রিফুয়েলিং বিমান হারিয়েছে। ইসরায়েলের মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের মজুদ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। বাহরাইনে নিযুক্ত পঞ্চম নৌবহরে আঘাত আসার পর সেটাকে হরমুজ থেকে দূরে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
১৪। উপস্থিত ৫০ হাজার সৈন্যও যথেষ্ট না হওয়ায় নতুন করে আরও ৫০০০ মেরিন ফোর্স এবং তিনটা যুদ্ধ জাহাজ পাঠাতে বাধ্য হয়েছে।
১৫। এখন পর্যন্ত অন্তত তিনবার ট্রাম্প ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার দাবি করে একতরফাভাবে জয় লাভ করার ঘোষণা দিয়েছে। যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছেও একাধিকবার জানিয়েছে। তারপরেও যুদ্ধ শেষ করতে না পেরে এখন হরমুজে স্বার্থ আছে এমন দেশগুলোর সাহায্য আহ্বান করছে।
- মোজাম্মেল হোসেন তোহা
১। খামেনিকে হত্যা করে ভেনেজুয়েলার মতো অনুগত লিডার বসাতে চেয়েছিল। বাস্তবে আরও কট্টর খামেনি ক্ষমতায় বসেছে, যার বাবা-মা, স্ত্রী, বোন, বোনের ছেলে-মেয়ে সবাই আমেরিকার হাতে শহিদ হয়েছে।
২। ভেবেছিল খামেনিকে আর টপ মিলিটারি লিডারশিপকে মেরে ফেলতে পারলেই ইরান আত্মসমর্পন করবে। ১২ দিনের যুদ্ধের মতো দ্রুত বিজয় পাবে। বাস্তবে তিন সপ্তাহের মাথায় ইরান এখনও আলোচনায় বসার প্রস্তাবেই পাত্তা দিচ্ছে না।
৩। আশা করেছিল ইরানের সরকারবিরোধীরা দলে দলে রাস্তায় নেমে আসবে। উল্টো আক্রমণের ফলে ইরানিদের কাছে অভ্যন্তরীন বিরোধিতার চেয়ে জাতীয়তাবাদই বড় হয়ে উঠেছে। সরকারবিরোধীদের অনেকে এখন আমেরিকার বিরুদ্ধেই মিছিল করছে।
৪। আরব মিত্র রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষা করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। একের পর এক মিসাইল এবং ড্রোন এসে তাদের অর্থনীতিকে দারুণভাবে আঘাত করেছে। ওদিকে একের পর এক ফেক নিউজ ছড়িয়েও আমেরিকা এবং ইসরায়েল তাদেরকে যুদ্ধে টেনে আনতে ব্যর্থ হয়েছে।
৫। কুর্দিদেরকে দিয়ে বিদ্রোহ করাতে চেয়েছিল। তাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছিল গ্রাউন্ড ফোর্স হিসেবে কাজ করার। নিউজ লিক করেও তাদেরকে চাপে ফেলতে চেষ্টা করেছিল। সেটাও আপাতত ব্যর্থ হয়েছে।
৬। দাবি করেছিল ইরানের নেতারা আন্ডারগ্রাউন্ডে লুকিয়ে আছে। উল্টো তারা রাজপথে মিছিল করে নিজেদের সাহসিকতার এবং জনগণের সাথে তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ দেখিয়েছে।
৭। ইরানের ব্যাংকের উপর আক্রমণ করে তাদের অর্থনীতির উপর আঘাত করতে চেয়েছিল। বাস্তবে পাল্টা আক্রমণে দুবাইয়ে নিজেদের একাধিক ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকই বন্ধ করে দিতে হচ্ছে।
৮। গালফ কান্ট্রিগুলো নিজেদের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য ট্রাম্পকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পুনর্বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
৯। ইরানের নিউক্লিয়ার এবং মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং যত দিন যাচ্ছে, ইরান আরও শক্তিশালী মিসাইল ব্যবহার করছে এবং ইসরায়েলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১০। তেলের দাম রাতারাতি বেড়ে গেছে। ইরানকে হুমকি-ধামকি দিয়ে এবং বম্বিং করেও এখনও পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে। তেলের সাপ্লাই ঠিক রাখার জন্য ইউক্রেইন যুদ্ধের পর থেকে প্রথমবারের মতো রাশিয়ান তেলের উপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে।
১১। হরমুজের অবরোধ এড়ানোর লক্ষ্যে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো সরাসরি ইরানের সাথে আলোচনা করছে। ইরান তাদেরকে ইউয়ানে তেল বিক্রি করার শর্তে হরমুজ দিয়ে যাতায়াতের প্রস্তাব দিচ্ছে।
১২। একাধিক আরব রাষ্ট্রে নিযুক্ত মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে থাড রাডার ডিফেন্স সিস্টেম ট্রান্সফার করতে বাধ্য হচ্ছে।
১৩। অন্তত ১৫ জন সৈন্য, তিনটা যুদ্ধবিমান এবং সাতটা রিফুয়েলিং বিমান হারিয়েছে। ইসরায়েলের মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের মজুদ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। বাহরাইনে নিযুক্ত পঞ্চম নৌবহরে আঘাত আসার পর সেটাকে হরমুজ থেকে দূরে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
১৪। উপস্থিত ৫০ হাজার সৈন্যও যথেষ্ট না হওয়ায় নতুন করে আরও ৫০০০ মেরিন ফোর্স এবং তিনটা যুদ্ধ জাহাজ পাঠাতে বাধ্য হয়েছে।
১৫। এখন পর্যন্ত অন্তত তিনবার ট্রাম্প ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার দাবি করে একতরফাভাবে জয় লাভ করার ঘোষণা দিয়েছে। যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছেও একাধিকবার জানিয়েছে। তারপরেও যুদ্ধ শেষ করতে না পেরে এখন হরমুজে স্বার্থ আছে এমন দেশগুলোর সাহায্য আহ্বান করছে।
- মোজাম্মেল হোসেন তোহা
❤64🥰3
আফগানিস্তানে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে , বৃহস্পতিবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
অপরদিকে সৌদি আজকে চাদ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে, জুমার দিন সৌদিতে ঈদ।
অপরদিকে সৌদি আজকে চাদ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে, জুমার দিন সৌদিতে ঈদ।
❤75🤔10👍5🤪2🌚1
পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার হাকীকত
৫৬ মিনিটে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের 'ম্যাজিক'!
পুঁজিবাদ কীভাবে রিয়েল এসেট ছাড়াই স্রেফ বাতাসের ওপর সম্পদ তৈরি আর ধ্বংস করে, তার এক অবিশ্বাস্য উদাহরণ গত সোমবারের মার্কিন স্টক মার্কেট।
ঘটনাটা অনেকটা এরকম:
সকাল ৭:০৪ (ইস্টার্ন টাইম): ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিলেন—ইরানের সাথে আলোচনা হয়েছে, যুদ্ধ থামছে।
পরবর্তী ৬ মিনিট: আমেরিকার শীর্ষ ৫০০ কোম্পানির শেয়ারদর হু হু করে বেড়ে গেল। মার্কেটে যুক্ত হলো ২ ট্রিলিয়ন ডলার!
সকাল ৭:৩১: ইরান জানিয়ে দিল—সব বোগাস কথা, কোনো আলাপই হয়নি।
পরবর্তী ৩০ মিনিট: সেই ৫০০ কোম্পানির শেয়ারদর আবার ১ ট্রিলিয়ন ডলার কমে গেল।
ফলাফল? মাত্র ৫৬ মিনিটের এক ‘স্পেকুলেশন’ বা গুজবের খেলায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজার ওলটপালট!
আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই সময়ের মধ্যে বাস্তবে এক পয়সার সম্পদও তৈরি হয়নি, আবার ধ্বংসও হয়নি। অথচ সাধারণ ট্রেডাররা বাজারে ঢোকার আগেই 'প্রি-ট্রেড' টাইমে রাঘব বোয়ালরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পকেটে পুরে নিয়েছে।
ট্রাম্পের নিজের কোম্পানি 'ট্রাম্প মিডিয়া'-র শেয়ারদরও এই সুযোগে এক লাফে সাড়ে ৬ শতাংশ বেড়ে যায়। ট্রাম্প গং এর রিয়েল এস্টেট টাইকুন থেকে বিলিওনিয়ার হওয়ার আসল রহস্য হচ্ছে এসব 'ইনসাইডার গেম'।
পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় উৎপাদন নয়, স্রেফ 'তথ্য' আর 'জুয়া' দিয়েই মুহূর্তের ভেতর দুনিয়া কাঁপিয়ে দেওয়া সম্ভব।
- সাংবাদিক সরওয়ার আলম
৫৬ মিনিটে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের 'ম্যাজিক'!
পুঁজিবাদ কীভাবে রিয়েল এসেট ছাড়াই স্রেফ বাতাসের ওপর সম্পদ তৈরি আর ধ্বংস করে, তার এক অবিশ্বাস্য উদাহরণ গত সোমবারের মার্কিন স্টক মার্কেট।
ঘটনাটা অনেকটা এরকম:
সকাল ৭:০৪ (ইস্টার্ন টাইম): ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিলেন—ইরানের সাথে আলোচনা হয়েছে, যুদ্ধ থামছে।
পরবর্তী ৬ মিনিট: আমেরিকার শীর্ষ ৫০০ কোম্পানির শেয়ারদর হু হু করে বেড়ে গেল। মার্কেটে যুক্ত হলো ২ ট্রিলিয়ন ডলার!
সকাল ৭:৩১: ইরান জানিয়ে দিল—সব বোগাস কথা, কোনো আলাপই হয়নি।
পরবর্তী ৩০ মিনিট: সেই ৫০০ কোম্পানির শেয়ারদর আবার ১ ট্রিলিয়ন ডলার কমে গেল।
ফলাফল? মাত্র ৫৬ মিনিটের এক ‘স্পেকুলেশন’ বা গুজবের খেলায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজার ওলটপালট!
আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই সময়ের মধ্যে বাস্তবে এক পয়সার সম্পদও তৈরি হয়নি, আবার ধ্বংসও হয়নি। অথচ সাধারণ ট্রেডাররা বাজারে ঢোকার আগেই 'প্রি-ট্রেড' টাইমে রাঘব বোয়ালরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পকেটে পুরে নিয়েছে।
ট্রাম্পের নিজের কোম্পানি 'ট্রাম্প মিডিয়া'-র শেয়ারদরও এই সুযোগে এক লাফে সাড়ে ৬ শতাংশ বেড়ে যায়। ট্রাম্প গং এর রিয়েল এস্টেট টাইকুন থেকে বিলিওনিয়ার হওয়ার আসল রহস্য হচ্ছে এসব 'ইনসাইডার গেম'।
পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় উৎপাদন নয়, স্রেফ 'তথ্য' আর 'জুয়া' দিয়েই মুহূর্তের ভেতর দুনিয়া কাঁপিয়ে দেওয়া সম্ভব।
- সাংবাদিক সরওয়ার আলম
👍57❤16😢1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ট্রাম্প:
আমি সৌদি আরবে গিয়েছিলাম।
আমরা আমাদের দেশের জন্য সেখান থেকে ২ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে ফিরেছি। কাতার থেকেও ২ ট্রিলিয়ন ডলার এসেছে। আরব আমিরাত থেকেও ২ ট্রিলিয়ন ডলার এসেছে।
তারা সবাই দারুণ। তারা সবাই লড়াই করছে। তারা হামলার শিকার হয়েছে। আসলে কেউই আশা করেনি যে তারা হামলার শিকার হবে
আমি সৌদি আরবে গিয়েছিলাম।
আমরা আমাদের দেশের জন্য সেখান থেকে ২ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে ফিরেছি। কাতার থেকেও ২ ট্রিলিয়ন ডলার এসেছে। আরব আমিরাত থেকেও ২ ট্রিলিয়ন ডলার এসেছে।
তারা সবাই দারুণ। তারা সবাই লড়াই করছে। তারা হামলার শিকার হয়েছে। আসলে কেউই আশা করেনি যে তারা হামলার শিকার হবে
🤬51😁20😢9
ট্রা*ম্পের ক্যাবিনেট মিটিং শেষ হয়েছে মাত্রই। মিটিং শেষে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেছে
- ইরান যুদ্ধে কারা এগিয়ে আছে?
ট্রা*ম্প হেসে বলেছে
- ইরানকে আমাদের প্রস্তাব ভালোয় ভালোয় মানতে হবে। নইলে ইরানকে ধ্বংস করে দেয়া হবে।
ক্যাবিনেট মিটিং-এ একটা রাষ্ট্রের প্রধান একটা দেশকে ধ্বংস করে দেয়ার কথা বলছে হাসতে হাসতে। আমি লাইভে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম -এরাই আবার দেশে দেশে মানবাধিকারের কথা বলে বেড়ায়। এরপর ওকে ন্যাটো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে। ট্রা*ম্প বলেছে
- আমরা প্রতি বছর ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করি ইউরোপের দেশগুলোকে রাশিয়ার হাত থেকে রক্ষা করা জন্য। অথচ ওরা আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে নাই। ন্যাটো নিয়ে ভাবতে হবে অ্যামেরিকাকে।
তবে পুরো মিটিং-এ অন্য সবার বক্তব্য দেখে মনে হয়েছে , অ্যামেরিকা হয়ত এই উইকএন্ডে (শুক্র, শনি কিংবা রবিবার) ইরানে স্থল অভিজান শুরু করতে পারে। যদিও এমন কিছু ওরা পরিষ্কার করে বলে নাই। কিন্তু পুরো পৃথিবীর দেশগুলোর মুভমেন্ট দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে।
আজকে আরব দেশগুলোর সরকার প্রধানদের একটা মিটিং হয়েছে। সেখানে তাঁরা কি বলেছে জানেন? তাঁরা বলেছে
- ইরানের উচিত এই হামলা বন্ধ করা। নইলে আমরা বাধ্য হবো ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।
চিন্তা করে দেখেন অবস্থা। অ*সভ্য-ব*র্বরগুলো অ্যামেরিকা-ই*জ*রাইলকে কিছু বলেত পারছে না। যারা এই যুদ্ধ শুরু করেছে। আজ আবার ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং ভারতের সরকার প্রধানও হরমুজ প্রণালি বিষয়ে একটা মিটিং করেছে বলে আল জাজিরা খবর প্রকাশ করেছে। এই মিটিংটা কেন হলো ঠিক বুঝতে পারছি না। আজই কেন এই মিটিং ওদের করতে হলো?
আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, অ্যামেরিকা দেশগুলোর কাছে এর মাঝে একটা বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। দেশগুলো হয়ত ভবিষ্যতের বিপদ আঁচ করতে পেরে একে-অপরের সাথে কথা বলছে। এদিকে ই*জ*রাইল বলছে ইরানের নেভির প্রধান, যিনি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখতে কাজ করছিলেন; তাঁকে আজ হ*ত্যা করা হয়েছে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ স্কট রিট এই প্রসঙ্গে কিছুক্ষণ আগে বলেছেন
- অ্যামেরিকা আর ই*জ*রাইল এখনও বুঝতে পারছে না; ইরানের রাষ্ট্রীয় সিস্টেম অনেক মজবুত। এভাবে পাঁচশোজনকে হ*ত্যা করেও কোন লাভ হবে না।
এদিকে ইয়েমেনের হুতিরা ঘোষণা করেছে
- ইরান এই যুদ্ধে এখনও ভালো করছে । যদি দরকার হয়, যে কোন মুহূর্তে আমরাও ইরানের জন্য এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বো।
এর মানে দাঁড়াচ্ছে ইয়েমেনের উপকূলের বাইরের আল-মান্দেব প্রণালি ওরা বন্ধ করে দেবে। হরমুজ প্রণালির মত এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি। যেখান দিয়ে পৃথিবীর প্রায় ১০ ভাগ তেল-গ্যাস রপ্তানি করা হয়। হরমুজ প্রণালির পর যদি এই প্রণালিও বন্ধ হয়; তাহলে পৃথিবীর অর্থনীতি কই গিয়ে দাঁড়াবে?
এদিকে ইউক্রেন আজকে রাশিয়ার সব চাইতে বড় তেল রপ্তানি ক্ষেত্রতে একটা ড্রোন হামলা করেছে। বিবিসি বলেছে- রাশিয়ার তেল রপ্তানির ৪০ পার্সেন্ট আপাতত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এটি ঠিক করতে সময় লাগবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি রাশিয়া পৃথিবী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তেল রপ্তানিকারক দেশ। তাহলে দেশগুলো এখন কই থেকে তেল পাবে?
এই সপ্তাহে যদি যুদ্ধ শেষ না হয় আর ট্রা*ম্প যদি শেষমেশ সিদ্ধান্ত নেয় ইরানের এনার্জি সেক্টর ধ্বংস করে দেবে। তাহলে ইরান মধ্য প্রাচ্যে থাকা সকল তেল-গ্যাস স্থাপনা ধ্বংস করে দেবে। এই বিষয়ে কারও কোন দ্বিমত নেই। ইরানের সেই সক্ষমতা আছে। ট্রা*ম্প কি এই কাজ করবে? বোধকরি এই শুক্র-শনিবার পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
আজকের এই লেখা শেষ করছি একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর দিয়ে । ফ্রেঞ্চ সংবাদ সংস্থা বলছে- ফ্রান্সের বিখ্যাত 'টোটাল এনার্জি' সৌদি আরব, দুবাই, কাতার; মানে পুরো মধ্য প্রাচ্য থেকে তাঁদের ১৫০০ কর্মীকে আজ সরিয়ে নিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে
- কেন সরিয়ে নিল?
তাহলে কি ওরা কিছু বুঝতে পারছে? নইলে কেন কর্মী সরিয়ে নেবে?
অ্যামেরিকান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ডেভিসের উক্তি দিয়েই না হয় আজকের লেখা শেষ করি। তিনি এই মাত্র নিজের চ্যানেলে বলেছেন
- ভুলে যাবেন না, ট্রাম্প আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে; ২০২৫ সালের মার্চ মাসে হুতিদের সাথে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল এবং এক মাস যুদ্ধ করে টিকতে না পেরে ট্রা*ম্প নিজেই পরাজয় স্বীকার করে হুতিদের সাথে যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব দেয়।
সেই হুতিরা আজ ঘোষণা করেছে- প্রয়োজন হলে ইরানের জন্য ওরা এই যুদ্ধে যোগ দিবে। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা কয় ফ্রন্টে যুদ্ধ করবে? ইরাকের একটা ফ্রেকশন এর মাঝেই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে ইরানের পক্ষে। ইরাকের সরকারও পড়েছে বিপদে। তাঁরা চাইলেও ইরানের বিরুদ্ধে যেতে পারছে না। কারন পুরো দেশটির মানুষ ইরানের পক্ষে।
এর আগে একটা লেখায় যেমনটা বলেছিলাম- যুদ্ধ কখনো সামরিক ভাবে জেতা যায় না। স্ট্রেটেজিক (কৌশলগত) ভাবে যদি আপনি জিততে না পারেন। আপনার পরাজয় হবে। যেমনটা ভিয়েতনাম যুদ্ধে অ্যামেরিকার পরাজয় হয়েছিল।
- ইরান যুদ্ধে কারা এগিয়ে আছে?
ট্রা*ম্প হেসে বলেছে
- ইরানকে আমাদের প্রস্তাব ভালোয় ভালোয় মানতে হবে। নইলে ইরানকে ধ্বংস করে দেয়া হবে।
ক্যাবিনেট মিটিং-এ একটা রাষ্ট্রের প্রধান একটা দেশকে ধ্বংস করে দেয়ার কথা বলছে হাসতে হাসতে। আমি লাইভে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম -এরাই আবার দেশে দেশে মানবাধিকারের কথা বলে বেড়ায়। এরপর ওকে ন্যাটো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে। ট্রা*ম্প বলেছে
- আমরা প্রতি বছর ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করি ইউরোপের দেশগুলোকে রাশিয়ার হাত থেকে রক্ষা করা জন্য। অথচ ওরা আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে নাই। ন্যাটো নিয়ে ভাবতে হবে অ্যামেরিকাকে।
তবে পুরো মিটিং-এ অন্য সবার বক্তব্য দেখে মনে হয়েছে , অ্যামেরিকা হয়ত এই উইকএন্ডে (শুক্র, শনি কিংবা রবিবার) ইরানে স্থল অভিজান শুরু করতে পারে। যদিও এমন কিছু ওরা পরিষ্কার করে বলে নাই। কিন্তু পুরো পৃথিবীর দেশগুলোর মুভমেন্ট দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে।
আজকে আরব দেশগুলোর সরকার প্রধানদের একটা মিটিং হয়েছে। সেখানে তাঁরা কি বলেছে জানেন? তাঁরা বলেছে
- ইরানের উচিত এই হামলা বন্ধ করা। নইলে আমরা বাধ্য হবো ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।
চিন্তা করে দেখেন অবস্থা। অ*সভ্য-ব*র্বরগুলো অ্যামেরিকা-ই*জ*রাইলকে কিছু বলেত পারছে না। যারা এই যুদ্ধ শুরু করেছে। আজ আবার ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং ভারতের সরকার প্রধানও হরমুজ প্রণালি বিষয়ে একটা মিটিং করেছে বলে আল জাজিরা খবর প্রকাশ করেছে। এই মিটিংটা কেন হলো ঠিক বুঝতে পারছি না। আজই কেন এই মিটিং ওদের করতে হলো?
আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, অ্যামেরিকা দেশগুলোর কাছে এর মাঝে একটা বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। দেশগুলো হয়ত ভবিষ্যতের বিপদ আঁচ করতে পেরে একে-অপরের সাথে কথা বলছে। এদিকে ই*জ*রাইল বলছে ইরানের নেভির প্রধান, যিনি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখতে কাজ করছিলেন; তাঁকে আজ হ*ত্যা করা হয়েছে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ স্কট রিট এই প্রসঙ্গে কিছুক্ষণ আগে বলেছেন
- অ্যামেরিকা আর ই*জ*রাইল এখনও বুঝতে পারছে না; ইরানের রাষ্ট্রীয় সিস্টেম অনেক মজবুত। এভাবে পাঁচশোজনকে হ*ত্যা করেও কোন লাভ হবে না।
এদিকে ইয়েমেনের হুতিরা ঘোষণা করেছে
- ইরান এই যুদ্ধে এখনও ভালো করছে । যদি দরকার হয়, যে কোন মুহূর্তে আমরাও ইরানের জন্য এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বো।
এর মানে দাঁড়াচ্ছে ইয়েমেনের উপকূলের বাইরের আল-মান্দেব প্রণালি ওরা বন্ধ করে দেবে। হরমুজ প্রণালির মত এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি। যেখান দিয়ে পৃথিবীর প্রায় ১০ ভাগ তেল-গ্যাস রপ্তানি করা হয়। হরমুজ প্রণালির পর যদি এই প্রণালিও বন্ধ হয়; তাহলে পৃথিবীর অর্থনীতি কই গিয়ে দাঁড়াবে?
এদিকে ইউক্রেন আজকে রাশিয়ার সব চাইতে বড় তেল রপ্তানি ক্ষেত্রতে একটা ড্রোন হামলা করেছে। বিবিসি বলেছে- রাশিয়ার তেল রপ্তানির ৪০ পার্সেন্ট আপাতত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এটি ঠিক করতে সময় লাগবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি রাশিয়া পৃথিবী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তেল রপ্তানিকারক দেশ। তাহলে দেশগুলো এখন কই থেকে তেল পাবে?
এই সপ্তাহে যদি যুদ্ধ শেষ না হয় আর ট্রা*ম্প যদি শেষমেশ সিদ্ধান্ত নেয় ইরানের এনার্জি সেক্টর ধ্বংস করে দেবে। তাহলে ইরান মধ্য প্রাচ্যে থাকা সকল তেল-গ্যাস স্থাপনা ধ্বংস করে দেবে। এই বিষয়ে কারও কোন দ্বিমত নেই। ইরানের সেই সক্ষমতা আছে। ট্রা*ম্প কি এই কাজ করবে? বোধকরি এই শুক্র-শনিবার পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
আজকের এই লেখা শেষ করছি একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর দিয়ে । ফ্রেঞ্চ সংবাদ সংস্থা বলছে- ফ্রান্সের বিখ্যাত 'টোটাল এনার্জি' সৌদি আরব, দুবাই, কাতার; মানে পুরো মধ্য প্রাচ্য থেকে তাঁদের ১৫০০ কর্মীকে আজ সরিয়ে নিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে
- কেন সরিয়ে নিল?
তাহলে কি ওরা কিছু বুঝতে পারছে? নইলে কেন কর্মী সরিয়ে নেবে?
অ্যামেরিকান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ডেভিসের উক্তি দিয়েই না হয় আজকের লেখা শেষ করি। তিনি এই মাত্র নিজের চ্যানেলে বলেছেন
- ভুলে যাবেন না, ট্রাম্প আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে; ২০২৫ সালের মার্চ মাসে হুতিদের সাথে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল এবং এক মাস যুদ্ধ করে টিকতে না পেরে ট্রা*ম্প নিজেই পরাজয় স্বীকার করে হুতিদের সাথে যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব দেয়।
সেই হুতিরা আজ ঘোষণা করেছে- প্রয়োজন হলে ইরানের জন্য ওরা এই যুদ্ধে যোগ দিবে। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা কয় ফ্রন্টে যুদ্ধ করবে? ইরাকের একটা ফ্রেকশন এর মাঝেই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে ইরানের পক্ষে। ইরাকের সরকারও পড়েছে বিপদে। তাঁরা চাইলেও ইরানের বিরুদ্ধে যেতে পারছে না। কারন পুরো দেশটির মানুষ ইরানের পক্ষে।
এর আগে একটা লেখায় যেমনটা বলেছিলাম- যুদ্ধ কখনো সামরিক ভাবে জেতা যায় না। স্ট্রেটেজিক (কৌশলগত) ভাবে যদি আপনি জিততে না পারেন। আপনার পরাজয় হবে। যেমনটা ভিয়েতনাম যুদ্ধে অ্যামেরিকার পরাজয় হয়েছিল।
❤28👍2
পরিষ্কার ভাবে এই যুদ্ধে সামরিক দিক দিয়ে ইরান পিছিয়ে। ওদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। অথচ দেখুন ওরা কৌশলগত ভাবে অনেক এগিয়ে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এখন অন্য আরেকটা প্রণালিও বন্ধ হবার পথে। চাইলেই যে কোন মুহূর্তে আরবদেশগুলোর যে কোন জায়গায় আঘাত হানার ক্ষমতা ওদের আছে। অর্থাৎ পুরো পৃথিবীর অর্থনীতিকে জিম্মি করার ক্ষমতা ওদের আছে। বাংলাদেশে বসেও নিশ্চয় সেটা টের পাচ্ছেন। এটাই ওদের কৌশল। এই কৌশলে ওরা এগিয়ে।
অবস্থাটা এখন এমন দাঁড়িয়েছে- ইরান যদি এখন চুপচাপ বসেও থাকে। এতেই চলবে। ওদের বসে থাকা মানে পৃথিবীর অর্থনীতিও স্থবির হয়ে থাকা। এখন পৃথিবীর দেশগুলোই অ্যামেরিকাকে চাপ দিচ্ছে- হয় যুদ্ধ বন্ধ করো; নইলে তোমাদের সাথে আমরা আর নেই।
এই অবস্থায় ট্রা*ম্প পিছু না হটলে ইরানে অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যবাদের পরাজয় কেবলই সময়ের ব্যাপার। -- আমিনুল ইসলাম
অবস্থাটা এখন এমন দাঁড়িয়েছে- ইরান যদি এখন চুপচাপ বসেও থাকে। এতেই চলবে। ওদের বসে থাকা মানে পৃথিবীর অর্থনীতিও স্থবির হয়ে থাকা। এখন পৃথিবীর দেশগুলোই অ্যামেরিকাকে চাপ দিচ্ছে- হয় যুদ্ধ বন্ধ করো; নইলে তোমাদের সাথে আমরা আর নেই।
এই অবস্থায় ট্রা*ম্প পিছু না হটলে ইরানে অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যবাদের পরাজয় কেবলই সময়ের ব্যাপার। -- আমিনুল ইসলাম
❤51🔥8👍3
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
গাযার সাংবাদিকদের ব্যাপারে আমেরিকার লিবারেল সাংবাদিক মেহদী হাসানের বক্তব্য।
🔥34❤5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
‘ইসরায়েল এপস্টেইনকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্ল্যাকমেইল করছে: সাবেক ইসরায়েলি গোয়েন্দা’
❤30😁14💯1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নেমকহারাম আফগানবাসী না কি পাকিস্তান? উত্তরটা জামাতে ইসলামির সিনেটর মুশতাক আহমাদ সাহেবের মুখ থেকেই শুনুন।
সারমর্ম:
সারমর্ম:
পাকিস্তানের এয়ারবেসগুলো থেকে ৫৭ হাজারবার মার্কিন বিমান উড্ডয়ন করে আফগানিস্তানের ভূমিতে আফগান মুসলমানদের ওপর লক্ষ লক্ষ টন বোমা বর্ষণ করেছে। পাকিস্তান আমেরিকার সঙ্গে আফগানদের বিরুদ্ধে লজিস্টিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতাও করেছে। সুতরাং নেমকহারাম তারা নয়, বরং তোমরাই।
❤50🤔5
মুসলিম বাংলা অ্যাপের বিশাল খরচ বহনের একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ কেনাকাটা সেকশন। আপনার দরকারী কেনাকাটা মুসলিম বাংলা থেকে করুন, প্রকল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখুন। https://muslimbangla.com/products
❤43🥰14💯4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জর্ডানে মার্কিন ব্যবহৃত একটি ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
কিভাবে দুটি আকাশ প্রতিরক্ষা মিসাইল এটাকে তাড়া করে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হলো , ভিডিও র শেষে দেখুন।
কিভাবে দুটি আকাশ প্রতিরক্ষা মিসাইল এটাকে তাড়া করে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হলো , ভিডিও র শেষে দেখুন।
❤78🔥11👍6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
৯ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি মেয়ে রিতাজ রিহান গাজার আল-জাররাহ স্কুলের অস্থায়ী তাঁবুর ক্লাসে বসে থাকা অবস্থায় দখলদার ইসরায়েলি সেনার গুলিতে নিহত।
😢122💔12❤1