📌ছত্রাকের দৈহিক গঠন
⏩সেপ্টা (Septa): হাইফার ছিদ্রযুক্ত প্রস্থপ্রাচীরকে সেপ্টা (septa) বলে।
⏩মাইসেলিয়াম (Mycelium): অসংখ্য শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট সূত্রাকার হইফি দ্বারা গঠিত ছত্রাক দেহকে মাইসেলিয়াম (mycelium) বলে।
⏩সিনোসাইটিকমাইসেলিয়াম : মাইসেলিয়ামে অবস্থিত অনেকগুলো হাইফি যখনপ্রস্থপ্রাচীরবিহীন এবং বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট হয় তখন তাকে সিনোসাইটিক মাইসেলিয়াম বলে। যেমন- Saprolegnia sp
⏩হস্টোরিয়াম (Haustorium): পোষক দেহ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে হস্টোরিয়াম বলে।
⏩সিনোসাইট : কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকলে তাকে সিনোসাইট বলে।
⏩রাইজয়েড (Rhizoid): পরিবেশ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে রাইজয়েড বলে।
⏩রাইজোমর্ফ : কোনো কোনো উচ্চশ্রেণির ছত্রাকে মাইসেলিয়াম শক্ত রশির মতো গঠন সৃষ্টি করে যাকে রাইজোমর্ফ বলে। যেমন-Agaricus .
⏩মাইকোরাইজাল ছত্রাক (Mycorrhiza Fungi): উদ্ভিদের সরু মূল বা মূলরোমের চারদিকে বা অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট ছত্রাক জালের মতো বেষ্টন করে রাখে। এদেরকে মাইকোরাইজাল ছত্রাক বলে। যেমন- Suprolegnia sp .
⏩সঞ্চিত খাদ্য (Reserve Food): ছত্রাক কোষে গ্লাইকোজেন ও তৈলবিন্দু রূপ খাদ্য সঞ্চিত থাকে।
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩সেপ্টা (Septa): হাইফার ছিদ্রযুক্ত প্রস্থপ্রাচীরকে সেপ্টা (septa) বলে।
⏩মাইসেলিয়াম (Mycelium): অসংখ্য শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট সূত্রাকার হইফি দ্বারা গঠিত ছত্রাক দেহকে মাইসেলিয়াম (mycelium) বলে।
⏩সিনোসাইটিকমাইসেলিয়াম : মাইসেলিয়ামে অবস্থিত অনেকগুলো হাইফি যখনপ্রস্থপ্রাচীরবিহীন এবং বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট হয় তখন তাকে সিনোসাইটিক মাইসেলিয়াম বলে। যেমন- Saprolegnia sp
⏩হস্টোরিয়াম (Haustorium): পোষক দেহ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে হস্টোরিয়াম বলে।
⏩সিনোসাইট : কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকলে তাকে সিনোসাইট বলে।
⏩রাইজয়েড (Rhizoid): পরিবেশ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে রাইজয়েড বলে।
⏩রাইজোমর্ফ : কোনো কোনো উচ্চশ্রেণির ছত্রাকে মাইসেলিয়াম শক্ত রশির মতো গঠন সৃষ্টি করে যাকে রাইজোমর্ফ বলে। যেমন-Agaricus .
⏩মাইকোরাইজাল ছত্রাক (Mycorrhiza Fungi): উদ্ভিদের সরু মূল বা মূলরোমের চারদিকে বা অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট ছত্রাক জালের মতো বেষ্টন করে রাখে। এদেরকে মাইকোরাইজাল ছত্রাক বলে। যেমন- Suprolegnia sp .
⏩সঞ্চিত খাদ্য (Reserve Food): ছত্রাক কোষে গ্লাইকোজেন ও তৈলবিন্দু রূপ খাদ্য সঞ্চিত থাকে।
🖋️Medi Notes Hour💉
❤4🔥1🥰1
📌পর্যায় সারণির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
⏩আবিষ্কারক : রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ (১৮৬৯), মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণির মৌল সংখ্যা ৬৩টি
⏩দীর্ঘাকায় পর্যায় সারণি : বোর পর্যায় সারণি
⏩মূল ভিত্তি : ইলেকট্রন বিন্যাস
⏩পর্যায়:৭টি
⏩গ্রুপ:১৮ কি
⏩ব্লক:৪টি (s,p,d,f)
⏩সর্বশেষ আবিষ্কৃত 4টি মৌল: Nihonium (113Nh), Moscovium (115 Mc), Tennessine (117 Ts), Oganesson (180 Og)
⏩আধুনিক পর্যায়সূত্র : মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যার উচ্চক্রম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩আবিষ্কারক : রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ (১৮৬৯), মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণির মৌল সংখ্যা ৬৩টি
⏩দীর্ঘাকায় পর্যায় সারণি : বোর পর্যায় সারণি
⏩মূল ভিত্তি : ইলেকট্রন বিন্যাস
⏩পর্যায়:৭টি
⏩গ্রুপ:১৮ কি
⏩ব্লক:৪টি (s,p,d,f)
⏩সর্বশেষ আবিষ্কৃত 4টি মৌল: Nihonium (113Nh), Moscovium (115 Mc), Tennessine (117 Ts), Oganesson (180 Og)
⏩আধুনিক পর্যায়সূত্র : মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যার উচ্চক্রম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
🖋️Medi Notes Hour💉
❤5🔥3🥰3
📌মৌলের বিস্তারিত
⏩মোট মৌল ১১৮ টি
⏩ধাতু ৯৪ টি
⏩অধাতু ১৮ টি(গ্যাস ১১ টি,কঠিন ৬ টি,তরল ১ টি)
⏩অপধাতু ৬ টি (As,Te,Si,Sb,B,Ge)
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩মোট মৌল ১১৮ টি
⏩ধাতু ৯৪ টি
⏩অধাতু ১৮ টি(গ্যাস ১১ টি,কঠিন ৬ টি,তরল ১ টি)
⏩অপধাতু ৬ টি (As,Te,Si,Sb,B,Ge)
🖋️Medi Notes Hour💉
❤8🥰2🔥1
📌s-ব্লক মৌলের সাধারণ ধর্মাবলি
⏩নিম্ন গলনাঙ্ক স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট
⏩নরম ধাতু
⏩ক্যাটায়ন বর্ণহীন
⏩তীব্র বিজারক
⏩চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত
⏩শিখা পরীক্ষা দেয়(Except Be & Mg)
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩নিম্ন গলনাঙ্ক স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট
⏩নরম ধাতু
⏩ক্যাটায়ন বর্ণহীন
⏩তীব্র বিজারক
⏩চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত
⏩শিখা পরীক্ষা দেয়(Except Be & Mg)
🖋️Medi Notes Hour💉
❤10🔥1
📌বিভিন্ন উৎস/আকরিক :
⏩রকসল্ট → NaCl
⏩চিলি সল্টপিটার → NaNO3
⏩বোরাক্স → Na2B4O7.10H2O
⏩ম্যাগনেসাইট → MgCO3
⏩চুনাপাথর → CaCO3
⏩মার্বেল পাথর → CaCO3
⏩জিপসাম → CaSO4.2H2O
⏩ডলোমাইট → CaCO3.MgCO3
⏩বক্সাইট → Al2O3.2H2O
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩রকসল্ট → NaCl
⏩চিলি সল্টপিটার → NaNO3
⏩বোরাক্স → Na2B4O7.10H2O
⏩ম্যাগনেসাইট → MgCO3
⏩চুনাপাথর → CaCO3
⏩মার্বেল পাথর → CaCO3
⏩জিপসাম → CaSO4.2H2O
⏩ডলোমাইট → CaCO3.MgCO3
⏩বক্সাইট → Al2O3.2H2O
🖋️Medi Notes Hour💉
❤9🥰5🔥2
🌬️শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া
⏩শ্বসন:যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীব কোষ মধ্যস্থ খাদ্যবস্তুকে জারিত করে খাদ্যের স্থিতিশক্তিকে তাপ ও গতিশক্তিরূপে মুক্ত করে এবং উপজাত পদার্থ হিসেবে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন বলে।
⏩সবাত শ্বসন:যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং শ্বসি পানি এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে সবাত শ্বসন বলে।
⏩অবাত শ্বসন:যে প্রক্রিয়ায় কোন শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছা কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে।
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩শ্বসন:যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীব কোষ মধ্যস্থ খাদ্যবস্তুকে জারিত করে খাদ্যের স্থিতিশক্তিকে তাপ ও গতিশক্তিরূপে মুক্ত করে এবং উপজাত পদার্থ হিসেবে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন বলে।
⏩সবাত শ্বসন:যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং শ্বসি পানি এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে সবাত শ্বসন বলে।
⏩অবাত শ্বসন:যে প্রক্রিয়ায় কোন শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছা কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে।
🖋️Medi Notes Hour💉
🔥7❤3
🌬️মানুষের শ্বসনতন্ত্রের অঙ্গসমূহ
⏩শ্বাস নালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস প্রায় দুই সেন্টিমিটার।
⏩শ্বাসনালীতে তরুণাস্থি আছে ১৬-২০ টি
⏩ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়ার শেষ প্রান্ত দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে দুই ফুসফুসে প্রবেশ করে এদেরকেই ব্রঙ্কাস (বহুবচনে ব্রংকাই) বলে।
⏩হাইলাম:ফুসফুসের যে অংশের ভিতর দিয়ে ব্রঙ্কাস ও রক্তনালী প্রবেশ করে তাকে হাইলাম বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:ফুসফুসের অভ্যন্তরে প্রতিটি ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়ে যে অসংখ্য ক্ষুদ্র নালি গঠন করে সেগুলোকে ব্রঙ্কিওল বলে।
⏩ফুসফুস:ডান ফুসফুস বড়। তার মধ্যে আছে ৩ টি লোব। বাম ফুসফুস ছোট। তার মধ্যে আছে ২ টি লোব।
⏩ফুসফুসের প্রতিটি লোব কতগুলো সেগমেন্টে বিভক্ত। ডান ফুসফুস আছে ১০ টি সেগমেন্ট। বাম ফুসফুসে আছে ৮ টি সেগমেন্ট।প্রতিটি সেগমেন্ট আবার অসংখ্য লোবিওলে বিভক্ত।
⏩ফুসফুসের গাঠনিক এককের নাম অ্যালভিওলাস।
⏩দুই ফুসফুসে মোট অ্যালভিওলাস প্রায় ৭০ কোটি
⏩ফুসফুসে মোট লোব ৫টি, ডান ফুসফুসে ৩টি এবং বাম ফুসফুসে ২ টি।
⏩শ্বসন বৃক্ষ:বায়ু নালী সিস্টেমকে দেখতে একটি উল্টানো বৃক্ষের মত দেখায় বলে একে ব্রংকিয়াল বৃক্ষ বা শ্বসন বৃক্ষ বলে।
⏩প্রাইমারি ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়া বিভক্ত হয়ে যে দুটি সৃষ্টি হয় সেগুলোকে বলা হয় প্রাইমারি ব্রঙ্কাস। প্রাইমারি ব্রঙ্কাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।
⏩সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস:লোবার ব্রঙ্কাস:প্রাইমারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো কে বলা হয় সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস।ডান ফুসফুস লোবার ব্রংকাস ৩ টি এবং বাম ফুসফুসে লোবার ব্রংকাস ২ টি।
⏩টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস : সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় বলা হয় টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়েছে সূক্ষ্ম নালীর সৃষ্টি হয় সেগুলো কে ব্রঙ্কিওল বলে। প্রতিটি ব্রঙ্কিওল একেকটি লোবিওলে প্রবেশ করে।
⏩সারফ্যাকট্যান্ট:অ্যালভিওলাসের ভিতরের দেয়াল থেকে নিঃসৃত ডিটারজেন্ট এর ন্যায় ফসফোলিপিড জাতীয় পদার্থকে সারফ্যাকট্যান্ট বলে । সারফেকট্যান্ট ক্ষরিত হয় সেপ্টাল কোষ থেকে।
✍️Medi Notes Hour✍️
⏩শ্বাস নালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস প্রায় দুই সেন্টিমিটার।
⏩শ্বাসনালীতে তরুণাস্থি আছে ১৬-২০ টি
⏩ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়ার শেষ প্রান্ত দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে দুই ফুসফুসে প্রবেশ করে এদেরকেই ব্রঙ্কাস (বহুবচনে ব্রংকাই) বলে।
⏩হাইলাম:ফুসফুসের যে অংশের ভিতর দিয়ে ব্রঙ্কাস ও রক্তনালী প্রবেশ করে তাকে হাইলাম বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:ফুসফুসের অভ্যন্তরে প্রতিটি ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়ে যে অসংখ্য ক্ষুদ্র নালি গঠন করে সেগুলোকে ব্রঙ্কিওল বলে।
⏩ফুসফুস:ডান ফুসফুস বড়। তার মধ্যে আছে ৩ টি লোব। বাম ফুসফুস ছোট। তার মধ্যে আছে ২ টি লোব।
⏩ফুসফুসের প্রতিটি লোব কতগুলো সেগমেন্টে বিভক্ত। ডান ফুসফুস আছে ১০ টি সেগমেন্ট। বাম ফুসফুসে আছে ৮ টি সেগমেন্ট।প্রতিটি সেগমেন্ট আবার অসংখ্য লোবিওলে বিভক্ত।
⏩ফুসফুসের গাঠনিক এককের নাম অ্যালভিওলাস।
⏩দুই ফুসফুসে মোট অ্যালভিওলাস প্রায় ৭০ কোটি
⏩ফুসফুসে মোট লোব ৫টি, ডান ফুসফুসে ৩টি এবং বাম ফুসফুসে ২ টি।
⏩শ্বসন বৃক্ষ:বায়ু নালী সিস্টেমকে দেখতে একটি উল্টানো বৃক্ষের মত দেখায় বলে একে ব্রংকিয়াল বৃক্ষ বা শ্বসন বৃক্ষ বলে।
⏩প্রাইমারি ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়া বিভক্ত হয়ে যে দুটি সৃষ্টি হয় সেগুলোকে বলা হয় প্রাইমারি ব্রঙ্কাস। প্রাইমারি ব্রঙ্কাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।
⏩সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস:লোবার ব্রঙ্কাস:প্রাইমারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো কে বলা হয় সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস।ডান ফুসফুস লোবার ব্রংকাস ৩ টি এবং বাম ফুসফুসে লোবার ব্রংকাস ২ টি।
⏩টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস : সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় বলা হয় টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়েছে সূক্ষ্ম নালীর সৃষ্টি হয় সেগুলো কে ব্রঙ্কিওল বলে। প্রতিটি ব্রঙ্কিওল একেকটি লোবিওলে প্রবেশ করে।
⏩সারফ্যাকট্যান্ট:অ্যালভিওলাসের ভিতরের দেয়াল থেকে নিঃসৃত ডিটারজেন্ট এর ন্যায় ফসফোলিপিড জাতীয় পদার্থকে সারফ্যাকট্যান্ট বলে । সারফেকট্যান্ট ক্ষরিত হয় সেপ্টাল কোষ থেকে।
✍️Medi Notes Hour✍️
❤21🔥2🥰1
🥦 উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব
🔸অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি :
যে মৌলটি ছাড়া উদ্ভিদ তার স্বাভাবিক জীবন চক্র সম্পন্ন করতে পারে না অথবা যে মৌলটি উদ্ভিদ গঠনের বা মেটাবলিজমের প্রয়োজনীয় অংশ, তাকে অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি বলে।
🔸অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান ১৭ টি।
🔸ম্যাক্রোমৌল:অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান গুলোর মধ্যে যে মৌলগুলো উদ্ভিদের অধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোমৌল বলে।
🔸ম্যাক্রোমৌলসমূহ-ম্যাগনেশিয়াম,পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, নাইট্রোজেন,কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন,ফসফরাস,সালফার (টেকনিক:MgK Cafe for Nice CHOPS)
🔸মাইক্রোমৌলসমূহ:ক্লোরিন,বোরন,আয়রন(লৌহ), ম্যাঙ্গানিজ,জিঙ্ক(দস্তা),কপার(তামা),নিকেল,মলিবডেনাম।
🖋️Medi Notes Hour💉
🔸অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি :
যে মৌলটি ছাড়া উদ্ভিদ তার স্বাভাবিক জীবন চক্র সম্পন্ন করতে পারে না অথবা যে মৌলটি উদ্ভিদ গঠনের বা মেটাবলিজমের প্রয়োজনীয় অংশ, তাকে অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি বলে।
🔸অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান ১৭ টি।
🔸ম্যাক্রোমৌল:অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান গুলোর মধ্যে যে মৌলগুলো উদ্ভিদের অধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোমৌল বলে।
🔸ম্যাক্রোমৌলসমূহ-ম্যাগনেশিয়াম,পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, নাইট্রোজেন,কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন,ফসফরাস,সালফার (টেকনিক:MgK Cafe for Nice CHOPS)
🔸মাইক্রোমৌলসমূহ:ক্লোরিন,বোরন,আয়রন(লৌহ), ম্যাঙ্গানিজ,জিঙ্ক(দস্তা),কপার(তামা),নিকেল,মলিবডেনাম।
🖋️Medi Notes Hour💉
❤11🔥1
📌বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিক্রমা
🔸১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে প্রত্যাবর্তন করে।
🔸১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔸৩ দিন পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ (লায়ালপুর) জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔸৭ সেপ্টেম্বর,গোপন বিচারে মৃত্যুদন্ডের রায় দেওয়া হয়।
🔸৩ ডিসেম্বর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় লায়ালপুর থেকে মিয়ানওয়ালি জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়।
🔸১৯৭২ এর ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তি পান।এরপর ব্রিটেন ও ভারত সফর করেন।
🔸১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।
🖋️Medi Notes Hour💉
🔸১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে প্রত্যাবর্তন করে।
🔸১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔸৩ দিন পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ (লায়ালপুর) জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔸৭ সেপ্টেম্বর,গোপন বিচারে মৃত্যুদন্ডের রায় দেওয়া হয়।
🔸৩ ডিসেম্বর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় লায়ালপুর থেকে মিয়ানওয়ালি জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়।
🔸১৯৭২ এর ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তি পান।এরপর ব্রিটেন ও ভারত সফর করেন।
🔸১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।
🖋️Medi Notes Hour💉
❤18🔥2
📌 পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র
জ্যোতির্বিজ্ঞান
মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য:
⏩আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব-আইনস্টাইন
⏩আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব-আইনস্টাইন
⏩মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ তত্ত্ব/বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব-হাবল
⏩বিগ ক্রাঞ্চ তত্ত্ব-আর্নো পেনজিয়াস ও রবার্ট উইলসন
⏩স্পন্দনশীল তত্ত্ব-স্টিফেন হকিং
🖋️Medi Notes Hour💉
জ্যোতির্বিজ্ঞান
মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য:
⏩আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব-আইনস্টাইন
⏩আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব-আইনস্টাইন
⏩মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ তত্ত্ব/বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব-হাবল
⏩বিগ ক্রাঞ্চ তত্ত্ব-আর্নো পেনজিয়াস ও রবার্ট উইলসন
⏩স্পন্দনশীল তত্ত্ব-স্টিফেন হকিং
🖋️Medi Notes Hour💉
❤11🔥2🥰1
🍁🍁🍁
★ ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (সর্বপ্রথম)
★ ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
★ সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
★ সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ (প্রথম মুসলিম এবং আফ্রিকান দেশ হিসেবে)
★ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৪ এপ্রিল ১৯৭২
★ ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৮ জুলাই ১৯৭২ (প্রথম আরব দেশ হিসেবে)
★ পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
★ চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৩১ আগস্ট ১৯৭৫
🖋️Medi Notes Hour💉
★ ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (সর্বপ্রথম)
★ ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
★ সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
★ সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ (প্রথম মুসলিম এবং আফ্রিকান দেশ হিসেবে)
★ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৪ এপ্রিল ১৯৭২
★ ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৮ জুলাই ১৯৭২ (প্রথম আরব দেশ হিসেবে)
★ পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
★ চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৩১ আগস্ট ১৯৭৫
🖋️Medi Notes Hour💉
❤17🔥1
বিষয়ঃ সাধারণ জ্ঞান
🎶 কিছু বিখ্যাত গানের রচয়িতা (গীতিকার):
▪️ গাজী মাযহারুল আনোয়ার- জয়বাংলা বাংলার জয়;
▪️ খান আতাউর রহমান- এক নদী রক্ত পেরিয়ে;
▪️ গোবিন্দ হালদার- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পদ্মা মেঘনা যমুনা;
▪️ আব্দুল লতিফ- ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়;
▪️ নজরুল ইসলাম বাবু- সব কটি জানালা খুলে দাওনা;
▪️ সিকান্দার আবু জাফর- আমাদের সংগ্রাম চলবেই
🖋️Medi Notes Hour💉
🎶 কিছু বিখ্যাত গানের রচয়িতা (গীতিকার):
▪️ গাজী মাযহারুল আনোয়ার- জয়বাংলা বাংলার জয়;
▪️ খান আতাউর রহমান- এক নদী রক্ত পেরিয়ে;
▪️ গোবিন্দ হালদার- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পদ্মা মেঘনা যমুনা;
▪️ আব্দুল লতিফ- ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়;
▪️ নজরুল ইসলাম বাবু- সব কটি জানালা খুলে দাওনা;
▪️ সিকান্দার আবু জাফর- আমাদের সংগ্রাম চলবেই
🖋️Medi Notes Hour💉
🥰7❤3🔥1
বিষয়ঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান
☘ বিভিন্ন স্পোরের মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবালঃ
• জুস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Ulothrix
• হিপ্নোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Ulothrix
• অটোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Chlorella
• অ্যাকাইটিনি এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Pithophora, Cladophora
• অক্সোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Navicula
• অপ্ল্যানোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Microspora
🖋️Medi Notes Hour💉
☘ বিভিন্ন স্পোরের মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবালঃ
• জুস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Ulothrix
• হিপ্নোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Ulothrix
• অটোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Chlorella
• অ্যাকাইটিনি এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Pithophora, Cladophora
• অক্সোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Navicula
• অপ্ল্যানোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Microspora
🖋️Medi Notes Hour💉
❤8👏2
বিষয়ঃ পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র
অধ্যায়ঃ মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ
💥মেরু অঞ্চলে g এর মান = 9.832 ms⁻²
💥মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের একক– Nm²kg⁻²
💥 ভূ-স্থির কৃত্রিম উপগ্রহের আবর্তনকাল– ১ দিন অথবা ২৪ ঘণ্টা
💥 মুক্তিবেগ বস্তুর ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল নয়।
💥1kg ভরের দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব 1m হলে বস্তুদ্বয়ের মধ্যে আকর্ষণ বল = 6.67×10⁻¹¹N
💥অভিকর্ষ ত্বরণ g এর মান নির্ভর করে– i) উচ্চতার ক্রিয়ার উপর; ii) অক্ষাংশের ক্রিয়ার উপর; iii) পৃথিবীর ঘূর্ণন ক্রিয়ার উপর।
💥 চাঁদের মুক্তিবেগ= 2.4 kms⁻¹
পৃথিবীর মুক্তিবেগ= 11.2 kms⁻¹
মঙ্গলে মুক্তিবেগ= 5 kms⁻¹
🖋️Medi Notes Hour💉
অধ্যায়ঃ মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ
💥মেরু অঞ্চলে g এর মান = 9.832 ms⁻²
💥মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের একক– Nm²kg⁻²
💥 ভূ-স্থির কৃত্রিম উপগ্রহের আবর্তনকাল– ১ দিন অথবা ২৪ ঘণ্টা
💥 মুক্তিবেগ বস্তুর ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল নয়।
💥1kg ভরের দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব 1m হলে বস্তুদ্বয়ের মধ্যে আকর্ষণ বল = 6.67×10⁻¹¹N
💥অভিকর্ষ ত্বরণ g এর মান নির্ভর করে– i) উচ্চতার ক্রিয়ার উপর; ii) অক্ষাংশের ক্রিয়ার উপর; iii) পৃথিবীর ঘূর্ণন ক্রিয়ার উপর।
💥 চাঁদের মুক্তিবেগ= 2.4 kms⁻¹
পৃথিবীর মুক্তিবেগ= 11.2 kms⁻¹
মঙ্গলে মুক্তিবেগ= 5 kms⁻¹
🖋️Medi Notes Hour💉
❤12👏2
🍁 এক নজরে ২০২৩ সালের নোবেল জয়ীদের তালিকা:
★ ২ অক্টোবর ২০২৩, চিকিৎসায় নোবেল পেয়েছেন ২ বিজ্ঞানী-
ক্যাটকলিন কারিকো ও ড্রিউ উইসম্যান (করোনা মোকাবিলায় mRNA Vaccine তৈরিতে অবদান রাখায়)।
——————
★ ৩ অক্টোবর ২০২৩, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন ৩ বিজ্ঞানী-
ফেরেঙ্ক ক্রাউজ, পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি ও অ্যান ল'হুইলিয়ার (পদার্থের ইলেকট্রন ডাইনামিকস গবেষণায় আলোর অ্যাটোসেকেন্ড স্পন্দন তৈরির পরীক্ষালব্ধ প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণার জন্য)
———————
★ ৪ অক্টোবর ২০২৩, রসায়নে নোবেল পেয়েছেন ৩ মার্কিন বিজ্ঞানী-
মুঙ্গি জি বাওয়েন্দি, লুইস ই ব্রুস, অ্যালেক্সি আই একিমোড (কোয়ান্টাম ডটের আবিষ্কার, উন্নয়ন এবং ন্যানো ক্রিস্টাল প্রযুক্তি বা ন্যানোপার্টিকলের আকার ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখায়)
——————
★ ৫ অক্টোবর ২০২৩, সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন-
নরওয়ের লেখক ও নাট্যকার ইয়োন ফসে (তার উদ্ভাবনী নাটক ও গদ্যের জন্য তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়)।
———————
★ ৬ অক্টোবর ২০২৩, শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন-
ইরানের নার্গেস মোহাম্মদি (ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং সবার জন্য মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকায়)
———————
★ ৯ অক্টোবর ২০২৩, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন-
যুক্তরাষ্ট্রের ক্লডিয়া গোল্ডিন (নারী শ্রমবাজার নিয়ে মানুষের বোঝাপড়ার উন্নয়ন ঘটাতে গবেষণা করায়)
🖋️Medi Notes Hour💉
★ ২ অক্টোবর ২০২৩, চিকিৎসায় নোবেল পেয়েছেন ২ বিজ্ঞানী-
ক্যাটকলিন কারিকো ও ড্রিউ উইসম্যান (করোনা মোকাবিলায় mRNA Vaccine তৈরিতে অবদান রাখায়)।
——————
★ ৩ অক্টোবর ২০২৩, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন ৩ বিজ্ঞানী-
ফেরেঙ্ক ক্রাউজ, পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি ও অ্যান ল'হুইলিয়ার (পদার্থের ইলেকট্রন ডাইনামিকস গবেষণায় আলোর অ্যাটোসেকেন্ড স্পন্দন তৈরির পরীক্ষালব্ধ প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণার জন্য)
———————
★ ৪ অক্টোবর ২০২৩, রসায়নে নোবেল পেয়েছেন ৩ মার্কিন বিজ্ঞানী-
মুঙ্গি জি বাওয়েন্দি, লুইস ই ব্রুস, অ্যালেক্সি আই একিমোড (কোয়ান্টাম ডটের আবিষ্কার, উন্নয়ন এবং ন্যানো ক্রিস্টাল প্রযুক্তি বা ন্যানোপার্টিকলের আকার ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখায়)
——————
★ ৫ অক্টোবর ২০২৩, সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন-
নরওয়ের লেখক ও নাট্যকার ইয়োন ফসে (তার উদ্ভাবনী নাটক ও গদ্যের জন্য তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়)।
———————
★ ৬ অক্টোবর ২০২৩, শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন-
ইরানের নার্গেস মোহাম্মদি (ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং সবার জন্য মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকায়)
———————
★ ৯ অক্টোবর ২০২৩, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন-
যুক্তরাষ্ট্রের ক্লডিয়া গোল্ডিন (নারী শ্রমবাজার নিয়ে মানুষের বোঝাপড়ার উন্নয়ন ঘটাতে গবেষণা করায়)
🖋️Medi Notes Hour💉
❤4🔥1
🦕 জীনতত্ব ও বিবর্তন 🦈
⏩জেনেটিক্স এর অর্থ বংশগতিবিদ্যা,জিনতত্ব,সুপ্রজননবিদ্যা,কৌলিতত্ব।
⏩বেটসন প্রথম ১৯০৫ সালে জেনেটিক্স শব্দটি ব্যবহার করেন।
⏩গ্রেগর জোহান মেন্ডেল আধুনিক বংশগতির জনক।
⏩তিনি ৩৪ প্রকার মটরশুটি নিয়ে গবেষণা করেন।
⏩১৯০০ সালকে জীনতত্ত্বের দ্বিতীয় জন্ম বলা হয়।
⏩মেন্ডেলের গবেষণা প্রকাশিত হয় Brunn Natural Science Society নামক বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩জেনেটিক্স এর অর্থ বংশগতিবিদ্যা,জিনতত্ব,সুপ্রজননবিদ্যা,কৌলিতত্ব।
⏩বেটসন প্রথম ১৯০৫ সালে জেনেটিক্স শব্দটি ব্যবহার করেন।
⏩গ্রেগর জোহান মেন্ডেল আধুনিক বংশগতির জনক।
⏩তিনি ৩৪ প্রকার মটরশুটি নিয়ে গবেষণা করেন।
⏩১৯০০ সালকে জীনতত্ত্বের দ্বিতীয় জন্ম বলা হয়।
⏩মেন্ডেলের গবেষণা প্রকাশিত হয় Brunn Natural Science Society নামক বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
🖋️Medi Notes Hour💉
🥰10❤3
🔹বর্ণান্ধতা
⏩John Dalton নামক একজন বিজ্ঞানী মানুষের বর্ণান্ধতা সম্পর্কে বিবরণ প্রকাশ করেন। এ জন্য একে Daltonism বলে।
⏩বর্ণান্ধতার কোন চিকিৎসা নেই কিংবা বর্ণান্ধ রোগী কখনোই সুস্থ হয় না।
⏩Ishihara color test (ইসিহারা) হল বর্ণান্ধতা পরীক্ষার সর্বোৎকৃষ্ট উপায়।
⏩মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮% পুরুষ ও ০.৫% মহিলা বর্ণান্ধ ।
⏩লাল সবুজ বর্ণান্ধাতাই সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৯৫%) দেখা যায়।
⏩প্রোটানোপিয়া: লাল বর্ণের পার্থক্য নিরূপণে অসমর্থ; সবগুলোকে সাদা মনে হয়। লাল বর্ণান্ধতার অপর নাম।
⏩ডিউটেরানোপিয়া: সবুজ বর্ণের পার্থক্য নিরূপণে অসমার্থ। সবুজ বর্ণান্ধতার অপর নাম ।
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩John Dalton নামক একজন বিজ্ঞানী মানুষের বর্ণান্ধতা সম্পর্কে বিবরণ প্রকাশ করেন। এ জন্য একে Daltonism বলে।
⏩বর্ণান্ধতার কোন চিকিৎসা নেই কিংবা বর্ণান্ধ রোগী কখনোই সুস্থ হয় না।
⏩Ishihara color test (ইসিহারা) হল বর্ণান্ধতা পরীক্ষার সর্বোৎকৃষ্ট উপায়।
⏩মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮% পুরুষ ও ০.৫% মহিলা বর্ণান্ধ ।
⏩লাল সবুজ বর্ণান্ধাতাই সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৯৫%) দেখা যায়।
⏩প্রোটানোপিয়া: লাল বর্ণের পার্থক্য নিরূপণে অসমর্থ; সবগুলোকে সাদা মনে হয়। লাল বর্ণান্ধতার অপর নাম।
⏩ডিউটেরানোপিয়া: সবুজ বর্ণের পার্থক্য নিরূপণে অসমার্থ। সবুজ বর্ণান্ধতার অপর নাম ।
🖋️Medi Notes Hour💉
🔥7❤3🥰1
কর্মমুখী রসায়ন
⏩WHO কর্তৃক খাদ্য নিরাপত্তার সংজ্ঞা দেওয়া হয় ১৯৯৬ সালে।
⏩খাদ্য নিরাপত্তার নীতি ৩ টি।যথা:
১)পর্যাপ্ত খাদ্য প্রাপ্তি,
২)খাদ্য গ্রহণের সামর্থ্য
৩)খাদ্যের সঠিক ব্যবহার
⏩খাদ্য নিরাপত্তার দিক নির্দেশনা ৫ টি,যথা:
১) দূষণমুক্ত খাদ্য
২) কাঁচা ও রান্না খাদ্য পৃথক রাখা
৩)যথাযথ রান্না
৪)খাদ্য সংরক্ষণ
৫)নিরাপদ পানি
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩WHO কর্তৃক খাদ্য নিরাপত্তার সংজ্ঞা দেওয়া হয় ১৯৯৬ সালে।
⏩খাদ্য নিরাপত্তার নীতি ৩ টি।যথা:
১)পর্যাপ্ত খাদ্য প্রাপ্তি,
২)খাদ্য গ্রহণের সামর্থ্য
৩)খাদ্যের সঠিক ব্যবহার
⏩খাদ্য নিরাপত্তার দিক নির্দেশনা ৫ টি,যথা:
১) দূষণমুক্ত খাদ্য
২) কাঁচা ও রান্না খাদ্য পৃথক রাখা
৩)যথাযথ রান্না
৪)খাদ্য সংরক্ষণ
৫)নিরাপদ পানি
🖋️Medi Notes Hour💉
❤17🥰2
📌কোষ বিভাজনে বিভিন্ন বিজ্ঞানীর অবদান-
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩ফ্রেমিং-১৮৮২-Triturus maculosa (সামুদ্রিক স্যালামান্ডার) এর কোষে প্রথম কোষ বিভাজন পর্যবেক্ষণ করেন ।
⏩শ্লাইখার-১৮৭৯-নিউক্লিয়াসের বিভাজন প্রথম দেখতে পান এবং এ বিভাজনকে নাম দেন ক্যারিওকাইনেসিস ।
⏩হাওয়ার্ড ও পেল্ক-১৯৫৩-কোষ চক্রের প্রস্তাব করেন ।
⏩বোভেরী-১৮৮৭-সর্বপ্রথম গোলকৃমির জননাঙ্গে মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রত্যক্ষ করেন।
⏩স্ট্রাসবুর্গার-১৮৮৮-সপুষ্পক উদ্ভিদের জনন মাতৃকোষে মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রত্যক্ষ করেন ।
⏩ফার্মার ও মুর-১৯০৫-মিয়োসিস কোষ বিভাজনের নামকরণ করেন।
⏩থমাস হান্ট মর্গান-১৯০৯-ভূট্টা উদ্ভিদে প্রথম ক্রসিং ওভার সম্পর্কে বর্ণনা দেন ।
🖋️Medi Notes Hour💉
🥰17❤2🔥1
🍂 ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত গ্লাভসসমূহের বৈশিষ্ট্য:
🥊নাইট্রাইল গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 পরিবেশ বান্ধব ও পচনশীল।
🍁 সংশ্লেষিত রাবার (অ্যাক্রাইল নাইট্রাইল ও বিউটা ডাইইন-এর কো-পলিমার) থেকে তৈরি হয়।
🍁ল্যাবরেটরিতে প্রধানত নাইট্রাইল গ্লাভস ব্যবহৃত হয়।
🍁 প্রোটিন উপাদান না থাকায় হাতে এলার্জি সৃষ্টি করে না।
🥊 জিটেক্স গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 জ্বলন্ত বস্তু নিয়ে কাজ করার সময় ব্যবহৃত হয়।
🍁 তাপ রোধক অ্যাসবেস্টস গ্লাভসের বিকল্পরূপে ব্যবহৃত হয়।
🍁 ফাইবার কাচ দ্বারা তৈরি উললাইনিং বা নাইট্রাইল আস্তরণযুক্ত আরামদায়ক গ্লাভস।
🥊 ল্যাটেক্স গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 চামড়ায় ক্ষয় ও জ্বালা সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারকালে ব্যবহৃত হয়।
🍁 সংক্রামক পদার্থের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
🍁 প্রাকৃতিক রাবার ল্যাটেক্স থেকে তৈরি করা হয়। এতে প্রোটিন উপাদান থাকায় হাতে এলার্জি সৃষ্টি করে।
🍁 বৈদ্যুতিক শক বা ত্বকে ক্ষত সৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।
🥊 PVC বা ভিনাইল গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 পলিভিনাইল ক্লোরাইড বা PVC দিয়ে তৈরি।
🍁 মৃদু ক্ষয়কারী পদার্থ ও ত্বকে বিরক্তিকর অনুভূতি সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারকালে ব্যবহৃত হয়।
🥊 নিওপ্রিন গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 নিওপ্রিন রাবার বা পলিক্লোরোপ্রিন [(-CH₂CCl=CH-CH₂-)ₙ] দিয়ে তৈরি।
🍁 বেশ নরম ও তাপরোধী।
🍁 মৃদু ক্ষয়কারক পদার্থ, তেল জাতীয় পদার্থ ও জৈব দ্রাবক পদার্থ নিয়ে কাজ করাকালীন ব্যবহৃত হয়।
🥊 প্রাকৃতিক রাবার গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 মৃদু ক্ষয়কারক পদার্থের সংস্পর্শ থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
🍁 বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধ করে।
@olosbd
🖋️Medi Notes Hour💉
🥊নাইট্রাইল গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 পরিবেশ বান্ধব ও পচনশীল।
🍁 সংশ্লেষিত রাবার (অ্যাক্রাইল নাইট্রাইল ও বিউটা ডাইইন-এর কো-পলিমার) থেকে তৈরি হয়।
🍁ল্যাবরেটরিতে প্রধানত নাইট্রাইল গ্লাভস ব্যবহৃত হয়।
🍁 প্রোটিন উপাদান না থাকায় হাতে এলার্জি সৃষ্টি করে না।
🥊 জিটেক্স গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 জ্বলন্ত বস্তু নিয়ে কাজ করার সময় ব্যবহৃত হয়।
🍁 তাপ রোধক অ্যাসবেস্টস গ্লাভসের বিকল্পরূপে ব্যবহৃত হয়।
🍁 ফাইবার কাচ দ্বারা তৈরি উললাইনিং বা নাইট্রাইল আস্তরণযুক্ত আরামদায়ক গ্লাভস।
🥊 ল্যাটেক্স গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 চামড়ায় ক্ষয় ও জ্বালা সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারকালে ব্যবহৃত হয়।
🍁 সংক্রামক পদার্থের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
🍁 প্রাকৃতিক রাবার ল্যাটেক্স থেকে তৈরি করা হয়। এতে প্রোটিন উপাদান থাকায় হাতে এলার্জি সৃষ্টি করে।
🍁 বৈদ্যুতিক শক বা ত্বকে ক্ষত সৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।
🥊 PVC বা ভিনাইল গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 পলিভিনাইল ক্লোরাইড বা PVC দিয়ে তৈরি।
🍁 মৃদু ক্ষয়কারী পদার্থ ও ত্বকে বিরক্তিকর অনুভূতি সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারকালে ব্যবহৃত হয়।
🥊 নিওপ্রিন গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 নিওপ্রিন রাবার বা পলিক্লোরোপ্রিন [(-CH₂CCl=CH-CH₂-)ₙ] দিয়ে তৈরি।
🍁 বেশ নরম ও তাপরোধী।
🍁 মৃদু ক্ষয়কারক পদার্থ, তেল জাতীয় পদার্থ ও জৈব দ্রাবক পদার্থ নিয়ে কাজ করাকালীন ব্যবহৃত হয়।
🥊 প্রাকৃতিক রাবার গ্লাভসের বৈশিষ্ট্য:
🍁 মৃদু ক্ষয়কারক পদার্থের সংস্পর্শ থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
🍁 বৈদ্যুতিক শক প্রতিরোধ করে।
@olosbd
🖋️Medi Notes Hour💉
❤7
Forwarded from SOT Academy
মেডিকেল ভিত্তিক লাইভ কুইজ নিলে কেমন হয়?
তোমাদের রিসপন্স ভালো পেলে রেগুলার কুইজ নেয়া শুরু করা হবে।
🔗 কুইজ এই গ্রুপে নেয়া হবে
তোমাদের রিসপন্স ভালো পেলে রেগুলার কুইজ নেয়া শুরু করা হবে।
🔗 কুইজ এই গ্রুপে নেয়া হবে
❤9🥰1👏1