Medi Notes Hour
3.18K subscribers
1 photo
74 links
Download Telegram
📌গ্রিন কেমিস্ট্রি/টেকসই কেমিস্ট্রি/বিনাইন কেমিস্ট্রি

→ বিজ্ঞানী পল টি অ্যানাস্টাম ও জন ওয়ার্নার কর্তৃক প্রস্তাবিত গ্রিন কেমিস্ট্রির মূলনীতি ১২টি

⏩বর্জ্য পদার্থ রোধকরণ

⏩সর্বোত্তম এটম ইকন্যামি

⏩নবায়নযোগ্য কাঁচামাল ব্যবহার

⏩প্রভাবন প্রয়োগ

⏩যথাসময়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ

⏩দুর্ঘটনা প্রতিরোধ

⏩ন্যূনতম উপজাতক

⏩প্রাকৃতিক রূপান্তর পরিকল্পনা

⏩নিরাপদ দ্রাবক ব্যবহার

⏩বিক্রিয়ার শক্তি দক্ষতা পরিকল্পনা

⏩নিরাপদ কেমিক্যাল

⏩ন্যূনতম ঝুঁকির পদ্ধতি ব্যবহার।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤5🥰3🔥1
📌গ্রিনার শিল্প প্রক্রিয়ায় দ্রাবক রূপে-

⏩অনুদ্বায়ী জৈব দ্রাবক ব্যবহার

⏩অজলীয় আয়নিক দ্রাবক উদ্ভাবন

⏩জৈব দ্রাবকবিহীন উৎপাদন পদ্ধতি

⏩পানি ব্যবহারভিত্তিক পদ্ধতি

🖋️Medi Notes Hour💉
❤6🥰2🔥1
📌ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য

⏩ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে

⏩সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।

⏩সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার

⏩কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।

⏩ভাস্কুলার টিস্যু নেই।

⏩জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।

⏩স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।

⏩হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।

⏩জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।

⏩অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)

⏩শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।

⏩ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।

⏩এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।

⏩অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক। 

⏩ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।

⏩মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :

➡️Zygomycota
➡️Ascomycota
➡️Basidiomycota
➡️Deuteromycota 
➡️Mycophycophyta


🖋️Medi Notes Hour💉
❤6🔥2🥰1
📌ছত্রাকের দৈহিক গঠন

⏩সেপ্টা (Septa): হাইফার ছিদ্রযুক্ত প্রস্থপ্রাচীরকে সেপ্টা (septa) বলে।

⏩মাইসেলিয়াম (Mycelium): অসংখ্য শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট সূত্রাকার হইফি দ্বারা গঠিত ছত্রাক দেহকে  মাইসেলিয়াম (mycelium) বলে।

⏩সিনোসাইটিকমাইসেলিয়াম : মাইসেলিয়ামে অবস্থিত অনেকগুলো হাইফি যখনপ্রস্থপ্রাচীরবিহীন এবং বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট হয় তখন তাকে সিনোসাইটিক মাইসেলিয়াম বলে। যেমন- Saprolegnia sp

⏩হস্টোরিয়াম (Haustorium): পোষক দেহ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে হস্টোরিয়াম বলে।

⏩সিনোসাইট : কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকলে তাকে সিনোসাইট বলে। 

⏩রাইজয়েড (Rhizoid): পরিবেশ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে রাইজয়েড বলে। 

⏩রাইজোমর্ফ : কোনো কোনো উচ্চশ্রেণির ছত্রাকে মাইসেলিয়াম শক্ত রশির মতো গঠন সৃষ্টি  করে যাকে রাইজোমর্ফ বলে। যেমন-Agaricus .

⏩মাইকোরাইজাল ছত্রাক (Mycorrhiza Fungi): উদ্ভিদের সরু মূল বা মূলরোমের চারদিকে বা অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট ছত্রাক জালের মতো বেষ্টন করে রাখে। এদেরকে মাইকোরাইজাল ছত্রাক বলে। যেমন- Suprolegnia sp .

⏩সঞ্চিত খাদ্য (Reserve Food): ছত্রাক কোষে গ্লাইকোজেন ও তৈলবিন্দু রূপ খাদ্য সঞ্চিত থাকে। 

🖋️Medi Notes Hour💉
❤4🔥1🥰1
📌পর্যায় সারণির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

⏩আবিষ্কারক : রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ (১৮৬৯), মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণির মৌল সংখ্যা ৬৩টি

⏩দীর্ঘাকায় পর্যায় সারণি : বোর পর্যায় সারণি

⏩মূল ভিত্তি : ইলেকট্রন বিন্যাস

⏩পর্যায়:৭টি

⏩গ্রুপ:১৮ কি

⏩ব্লক:৪টি (s,p,d,f)

⏩সর্বশেষ আবিষ্কৃত 4টি মৌল: Nihonium (113Nh), Moscovium (115 Mc), Tennessine (117 Ts), Oganesson (180 Og)

⏩আধুনিক পর্যায়সূত্র : মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যার উচ্চক্রম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤5🔥3🥰3
📌মৌলের বিস্তারিত

⏩মোট মৌল ১১৮ টি

⏩ধাতু ৯৪ টি

⏩অধাতু ১৮ টি(গ্যাস ১১ টি,কঠিন ৬ টি,তরল ১ টি)

⏩অপধাতু ৬ টি (As,Te,Si,Sb,B,Ge)

🖋️Medi Notes Hour💉
❤8🥰2🔥1
📌s-ব্লক মৌলের সাধারণ ধর্মাবলি

⏩নিম্ন গলনাঙ্ক স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট

⏩নরম ধাতু

⏩ক্যাটায়ন‌ বর্ণহীন

⏩তীব্র বিজারক

⏩চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত

⏩শিখা পরীক্ষা দেয়(Except Be & Mg)

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10🔥1
📌বিভিন্ন উৎস/আকরিক :

⏩রকসল্ট → NaCl

⏩চিলি সল্টপিটার → NaNO3

⏩বোরাক্স → Na2B4O7.10H2O

⏩ম্যাগনেসাইট → MgCO3

⏩চুনাপাথর → CaCO3

⏩মার্বেল পাথর → CaCO3

⏩জিপসাম → CaSO4.2H2O

⏩ডলোমাইট → CaCO3.MgCO3

⏩বক্সাইট → Al2O3.2H2O

🖋️Medi Notes Hour💉
❤9🥰5🔥2
🌬️শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া

⏩শ্বসন:যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীব কোষ মধ্যস্থ খাদ্যবস্তুকে জারিত করে খাদ্যের স্থিতিশক্তিকে তাপ ও গতিশক্তিরূপে মুক্ত করে এবং উপজাত পদার্থ হিসেবে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন বলে।

⏩সবাত শ্বসন:যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং শ্বসি পানি এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে সবাত শ্বসন বলে।

⏩অবাত শ্বসন:যে প্রক্রিয়ায় কোন শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছা কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে।

🖋️Medi Notes Hour💉
🔥7❤3
🌬️মানুষের শ্বসনতন্ত্রের অঙ্গসমূহ

⏩শ্বাস নালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস প্রায় দুই সেন্টিমিটার।

⏩শ্বাসনালীতে তরুণাস্থি আছে ১৬-২০ টি


⏩ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়ার শেষ প্রান্ত দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে দুই ফুসফুসে প্রবেশ করে এদেরকেই ব্রঙ্কাস (বহুবচনে ব্রংকাই) বলে।

⏩হাইলাম:ফুসফুসের যে অংশের ভিতর দিয়ে ব্রঙ্কাস ও রক্তনালী প্রবেশ করে তাকে হাইলাম বলে।

⏩ব্রঙ্কিওল:ফুসফুসের অভ্যন্তরে প্রতিটি ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়ে যে অসংখ্য ক্ষুদ্র নালি গঠন করে সেগুলোকে ব্রঙ্কিওল বলে।

⏩ফুসফুস:ডান ফুসফুস বড়। তার মধ্যে আছে ৩ টি লোব। বাম ফুসফুস ছোট। তার মধ্যে আছে ২ টি লোব।

⏩ফুসফুসের প্রতিটি লোব কতগুলো সেগমেন্টে বিভক্ত। ডান ফুসফুস আছে ১০ টি সেগমেন্ট। বাম ফুসফুসে আছে ৮ টি সেগমেন্ট।প্রতিটি সেগমেন্ট আবার অসংখ্য লোবিওলে বিভক্ত।

⏩ফুসফুসের গাঠনিক এককের নাম অ্যালভিওলাস।

⏩দুই ফুসফুসে মোট অ্যালভিওলাস প্রায় ৭০ কোটি

⏩ফুসফুসে মোট লোব ৫টি, ডান ফুসফুসে ৩টি এবং বাম ফুসফুসে ২ টি।

⏩শ্বসন বৃক্ষ:বায়ু নালী সিস্টেমকে দেখতে একটি উল্টানো বৃক্ষের মত দেখায় বলে একে ব্রংকিয়াল বৃক্ষ বা শ্বসন বৃক্ষ বলে।

⏩প্রাইমারি ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়া বিভক্ত হয়ে যে দুটি সৃষ্টি হয় সেগুলোকে বলা হয় প্রাইমারি ব্রঙ্কাস। প্রাইমারি ব্রঙ্কাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।

⏩সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস:লোবার ব্রঙ্কাস:প্রাইমারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো কে বলা হয় সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস।ডান ফুসফুস লোবার ব্রংকাস ৩ টি এবং বাম ফুসফুসে লোবার ব্রংকাস ২ টি।

⏩টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস : সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় বলা হয় টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বলে।

⏩ব্রঙ্কিওল:সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়েছে সূক্ষ্ম নালীর সৃষ্টি হয় সেগুলো কে ব্রঙ্কিওল বলে। প্রতিটি ব্রঙ্কিওল একেকটি লোবিওলে প্রবেশ করে।

⏩সারফ্যাকট্যান্ট:অ্যালভিওলাসের ভিতরের দেয়াল থেকে নিঃসৃত ডিটারজেন্ট এর ন্যায় ফসফোলিপিড জাতীয় পদার্থকে সারফ্যাকট্যান্ট বলে । সারফেকট্যান্ট ক্ষরিত হয় সেপ্টাল কোষ থেকে।

✍️Medi Notes Hour✍️
❤21🔥2🥰1
🥦 উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব

🔸অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি :

যে মৌলটি ছাড়া উদ্ভিদ তার স্বাভাবিক জীবন চক্র সম্পন্ন করতে পারে না অথবা যে মৌলটি উদ্ভিদ গঠনের বা মেটাবলিজমের প্রয়োজনীয় অংশ, তাকে অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি বলে।

🔸অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান ১৭ টি।

🔸ম্যাক্রোমৌল:অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান গুলোর মধ্যে যে মৌলগুলো উদ্ভিদের অধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোমৌল বলে।

🔸ম্যাক্রোমৌলসমূহ-ম্যাগনেশিয়াম,পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, নাইট্রোজেন,কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন,ফসফরাস,সালফার (টেকনিক:MgK Cafe for Nice CHOPS)

🔸মাইক্রোমৌলসমূহ:ক্লোরিন,বোরন,আয়রন(লৌহ), ম্যাঙ্গানিজ,জিঙ্ক(দস্তা),কপার(তামা),নিকেল,মলিবডেনাম।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤11🔥1
📌বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিক্রমা

🔸১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে প্রত্যাবর্তন করে।

🔸১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়।

🔸৩ দিন পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ (লায়ালপুর) জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

🔸৭ সেপ্টেম্বর,গোপন বিচারে মৃত্যুদন্ডের রায় দেওয়া হয়।

🔸৩ ডিসেম্বর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় লায়ালপুর থেকে মিয়ানওয়ালি জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়।

🔸১৯৭২ এর ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তি পান।এরপর ব্রিটেন ও ভারত সফর করেন।

🔸১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤18🔥2
📌 পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র
জ্যোতির্বিজ্ঞান
মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য:

⏩আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব-আইনস্টাইন

⏩আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব-আইনস্টাইন

⏩মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ তত্ত্ব/বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব-হাবল

⏩বিগ ক্রাঞ্চ তত্ত্ব-আর্নো পেনজিয়াস ও রবার্ট উইলসন

⏩স্পন্দনশীল তত্ত্ব-স্টিফেন হকিং

🖋️Medi Notes Hour💉
❤11🔥2🥰1
🍁🍁🍁

★ ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (সর্বপ্রথম)

★ ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

★ সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২

★ সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ (প্রথম মুসলিম এবং আফ্রিকান দেশ হিসেবে)

★ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৪ এপ্রিল ১৯৭২

★ ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৮ জুলাই ১৯৭২ (প্রথম আরব দেশ হিসেবে)

★ পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪

★ চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৩১ আগস্ট ১৯৭৫

🖋️Medi Notes Hour💉
❤17🔥1
বিষয়ঃ সাধারণ জ্ঞান

🎶 কিছু বিখ্যাত গানের রচয়িতা (গীতিকার):

  ▪️ গাজী মাযহারুল আনোয়ার- জয়বাংলা বাংলার জয়;
  ▪️ খান আতাউর রহমান- এক নদী রক্ত পেরিয়ে;
  ▪️ গোবিন্দ হালদার- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পদ্মা মেঘনা যমুনা;
  ▪️ আব্দুল লতিফ- ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়;
  ▪️ নজরুল ইসলাম বাবু- সব কটি জানালা খুলে দাওনা;
  ▪️ সিকান্দার আবু জাফর- আমাদের সংগ্রাম চলবেই

🖋️Medi Notes Hour💉
🥰7❤3🔥1
বিষয়ঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান

☘ বিভিন্ন স্পোরের মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবালঃ

• জুস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Ulothrix

• হিপ্নোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Ulothrix

• অটোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Chlorella

• অ্যাকাইটিনি এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Pithophora, Cladophora

• অক্সোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Navicula

• অপ্ল্যানোস্পোর এর মাধ্যমে অযৌন জনন সম্পন্নকারী শৈবাল- Microspora

🖋️Medi Notes Hour💉
❤8👏2
বিষয়ঃ পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র

অধ্যায়ঃ মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ

💥মেরু অঞ্চলে g এর মান = 9.832 ms⁻²

💥মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের একক– Nm²kg⁻²

💥 ভূ-স্থির কৃত্রিম উপগ্রহের আবর্তনকাল– ১ দিন  অথবা ২৪ ঘণ্টা

💥 মুক্তিবেগ বস্তুর ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল নয়।

💥1kg ভরের দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব 1m হলে বস্তুদ্বয়ের মধ্যে আকর্ষণ বল = 6.67×10⁻¹¹N

💥অভিকর্ষ ত্বরণ g এর মান নির্ভর করে– i) উচ্চতার ক্রিয়ার উপর;  ii) অক্ষাংশের ক্রিয়ার উপর;  iii) পৃথিবীর ঘূর্ণন ক্রিয়ার উপর।

💥 চাঁদের মুক্তিবেগ= 2.4 kms⁻¹
      পৃথিবীর মুক্তিবেগ= 11.2 kms⁻¹
      মঙ্গলে মুক্তিবেগ= 5 kms⁻¹

🖋️Medi Notes Hour💉
❤12👏2
🍁 এক নজরে ২০২৩ সালের নোবেল জয়ীদের তালিকা:



★ ২ অক্টোবর ২০২৩, চিকিৎসায় নোবেল পেয়েছেন ২ বিজ্ঞানী-

ক্যাটকলিন কারিকো ও ড্রিউ উইসম্যান (করোনা মোকাবিলায় mRNA Vaccine তৈরিতে অবদান রাখায়)।

——————

★ ৩ অক্টোবর ২০২৩, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন ৩ বিজ্ঞানী-

ফেরেঙ্ক ক্রাউজ, পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি ও অ্যান ল'হুইলিয়ার (পদার্থের ইলেকট্রন ডাইনামিকস গবেষণায় আলোর অ্যাটোসেকেন্ড স্পন্দন তৈরির পরীক্ষালব্ধ প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণার জন্য)

———————

★ ৪ অক্টোবর ২০২৩, রসায়নে নোবেল পেয়েছেন ৩ মার্কিন বিজ্ঞানী-

মুঙ্গি জি বাওয়েন্দি, লুইস ই ব্রুস, অ্যালেক্সি আই একিমোড (কোয়ান্টাম ডটের আবিষ্কার, উন্নয়ন এবং ন্যানো ক্রিস্টাল প্রযুক্তি বা ন্যানোপার্টিকলের আকার ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখায়)

——————

★ ৫ অক্টোবর ২০২৩, সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন-

নরওয়ের লেখক ও নাট্যকার ইয়োন ফসে (তার উদ্ভাবনী নাটক ও গদ্যের জন্য তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়)।

———————

★ ৬ অক্টোবর ২০২৩, শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন-

ইরানের নার্গেস মোহাম্মদি (ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং সবার জন্য মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার  থাকায়)

———————

★ ৯ অক্টোবর ২০২৩, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন-

যুক্তরাষ্ট্রের ক্লডিয়া গোল্ডিন (নারী শ্রমবাজার নিয়ে মানুষের বোঝাপড়ার উন্নয়ন ঘটাতে গবেষণা করায়)

🖋️Medi Notes Hour💉
❤4🔥1
🦕‌ জীনতত্ব ও বিবর্তন 🦈

⏩জেনেটিক্স এর অর্থ বংশগতিবিদ্যা,জিনতত্ব,সুপ্রজননবিদ্যা,কৌলিতত্ব।

⏩বেটসন প্রথম ১৯০৫ সালে জেনেটিক্স শব্দটি ব্যবহার করেন।

⏩গ্রেগর জোহান মেন্ডেল আধুনিক বংশগতির জনক।

⏩তিনি ৩৪ প্রকার মটরশুটি নিয়ে গবেষণা করেন।

⏩১৯০০ সালকে জীনতত্ত্বের দ্বিতীয় জন্ম বলা হয়।

⏩মেন্ডেলের গবেষণা প্রকাশিত হয় Brunn Natural Science Society নামক বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
🥰10❤3
🔹বর্ণান্ধতা

⏩John Dalton নামক একজন বিজ্ঞানী মানুষের বর্ণান্ধতা সম্পর্কে বিবরণ প্রকাশ করেন। এ জন্য একে Daltonism বলে।

⏩বর্ণান্ধতার কোন চিকিৎসা নেই কিংবা বর্ণান্ধ রোগী কখনোই সুস্থ হয় না।

⏩Ishihara color test (ইসিহারা) হল বর্ণান্ধতা পরীক্ষার সর্বোৎকৃষ্ট উপায়।

⏩মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮% পুরুষ ও ০.৫% মহিলা বর্ণান্ধ ।

⏩লাল সবুজ বর্ণান্ধাতাই সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৯৫%) দেখা যায়।


⏩প্রোটানোপিয়া: লাল বর্ণের পার্থক্য নিরূপণে অসমর্থ; সবগুলোকে সাদা মনে হয়। লাল বর্ণান্ধতার অপর নাম।

⏩ডিউটেরানোপিয়া: সবুজ বর্ণের পার্থক্য নিরূপণে অসমার্থ। সবুজ বর্ণান্ধতার অপর নাম ।

🖋️Medi Notes Hour💉
🔥7❤3🥰1
কর্মমুখী রসায়ন

⏩WHO কর্তৃক খাদ্য নিরাপত্তার সংজ্ঞা দেওয়া হয় ১৯৯৬ সালে।

⏩খাদ্য নিরাপত্তার নীতি ৩ টি।যথা:

১)পর্যাপ্ত খাদ্য প্রাপ্তি,
২)খাদ্য গ্রহণের সামর্থ্য
৩)খাদ্যের সঠিক ব্যবহার

⏩খাদ্য নিরাপত্তার দিক নির্দেশনা ৫ টি,যথা:

১) দূষণমুক্ত খাদ্য
২) কাঁচা ও রান্না খাদ্য পৃথক রাখা
৩)যথাযথ রান্না
৪)খাদ্য সংরক্ষণ
৫)নিরাপদ পানি

🖋️Medi Notes Hour💉
❤17🥰2