Medi Notes Hour
3.18K subscribers
1 photo
74 links
Download Telegram
📌স্থির তড়িৎ (তড়িৎ দ্বিমেরু)

⏩সমপরিমাণের দুটি বিপরীতধর্মী তড়িৎ চার্জ খুব কাছাকাছি স্থাপন করা হলে তড়িৎ দ্বিমেরু গঠিত হয়।

⏩পানি (H2​O), ক্লোরোফরম (CHCl3​), অ্যামোনিয়া (NH3​) হলো স্থায়ী দ্বিমেরুর উদাহরণ।

⏩দ্বিমেরু ভ্রামক,p=2ql

🖋️Medi Notes Hour💉
❤1
📌হাইড্রার সাধারণ পরিচিতি

⏩আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।

⏩নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।

⏩সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।

⏩অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।

⏩পূর্ব নাম: Zoophyta

⏩নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।

⏩ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)

⏩হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।

⏩এরা মুক্তজীবী।

⏩সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।

⏩মাংসাশী (Carnivorous)।

⏩কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।

⏩কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।

⏩দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।

⏩অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।

⏩পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤9👍3
📌Group Verb(ABC)

⏩Act on or upon (affect,ক্ষতি করা) – Such hard work will act upon your health.
⏩Act up to (act according to,অনুসারে কাজ কর) – He always acts up to my advice.
⏩Bear away, off (win,জয় করিয়া লওয়া) – He bore away (off) four prizes in the Annual sports.
⏩Bear out (support,সমর্থন করা) – His evidence does not bear out the charge.
⏩Bear with (tolerate,সহ্য করা) – I cannot bear with such insult.
⏩Blow out (extinguish,নেভানো) – Blow out the lamp.
⏩Break away (get away,ভাঙ্গিয়া বাহির হইয়া আসা) – The convict broke away from the prison.
⏩Break down (decline,ভাঙিয়া পড়াবা দুর্বল হইয়া পড়া) – His health broke down for hard work.
⏩Break into (enter by force,ভাঙ্গিয়া প্রবেশ করা) – The robber broke into the house in midnight.
⏩Break out (spread suddenly,হঠাৎ থামিয়া যাওয়া) – Cholera broke out in the through the enemy’s line.
⏩Bring about (cause to happen,ঘটানো) – He tried to bring about a quarrel between them.
⏩Bring forth (Produce,উৎপাদন করা) – The timely rain brings forth good corps.
⏩Bring off (rescue,রক্ষা করা) – He brought off the passengers on the wrecked ship.
⏩Bring out (publish,ছাপাইয়া প্রকাশ করা) – The publisher has brought out a new book.
⏩Bring through (cure,আরোগ্য লাভ করা) – The new medicine has brought the patient through.
⏩Bring up (rear,প্রতিপালন করা) – She is brought up by her mother
⏩Burst into (express emotion,হঠাৎ আবেগ প্রকাশ করা) – She burst into tears to see her dead son.
⏩Burst out (begin suddenly,ফাটিয়া পড়া) – He burst out laughing.
⏩Call for (demand,চাওয়া) – He called for an explanation from me.
⏩Call forth (use,কাজে লাগানো) – You have to call forth all your energy in the ensuring examination.
⏩Call off (withdraw,উঠাইয়া লওয়া) – The strike was called off.
⏩Call on upon, (meet,কাহারও সহিত দেখা করা) – He called on (upon) me in my office.
⏩Call up (remember,স্মরণ করা) – I cannot called over the name.
⏩Carry away (cause death to,মৃত্যু ঘটানো) – The was carried away by the current.
⏩Carry off (win,জিতিয়া লওয়া) – He carried off all the prizes.
⏩Carry out (obey,মান্য করা) – You must carry out my order.
⏩carry through (bring success,ফলপ্রসূ হওয়া) – His hard labour will carry him through.
⏩Cast about (move about,কোন কিছুর সন্ধানে ঘোরা) – He is casting about for an opportunity.
⏩Cast aside (throw off,ছড়িয়া ফেলা) – He cast aside (or, cast away, or cast off) his old shoes.
⏩Cast out (reject,পরিত্যাগ করা)) – As he is my friend, I shall not cast him out.
⏩Catch up (come up with,নাগাল ধরা) – India is trying to catch up with the advanced countries.
⏩Come about (happen,ঘটা) – How did the accident come about?
⏩Come across (meet,দেখিতে পাওয়া) – I came across the lame man on the way.
⏩Come by (get, পাওয়া) – How did you come by this picture?
⏩Come down (decrease,কমিয়া যাওয়া) – The price of rice has come down.
⏩Come out (be known,প্রকাশিত হওয়া) – The result will come out soon.
⏩Come round (recover,আরোগ্য লাভ করা) – The patient will come round soon.
⏩Come up to (be equal to,সমান হওয়া) – His word did not come up to our expectation.
⏩Cry down (decry,নিন্দা করা) – Do not cry down anything without considering the pros and cons of it.
⏩Cry for (demand,দাবী করা)– They are crying for a master plan for the prevention of flood.
⏩Cry out (Shout,চিৎকার করা) – He cried out for help.
⏩Cut off (dislocate,বিচ্ছিন্ন করা) – The robbers cut off the telephone connection.

🖋️Medi Notes Hour💉
🔥4❤3
📌 Group Verb (DEF)

⏩Do away with (abolish, বন্ধ হওয়া বা করা) – We should do away with our bad habits.
⏩Do up (put into order, গুছানো) – He has to do with all sorts of people
⏩Do with (deal with, ব্যবহার করা) – He has to do with all sorts of people.
⏩Deal in (carry on business, ব্যবসা করা) – He deals with me very well.
⏩Deal with (behave, ব্যবহার করা) – He deals with me very well.
⏩Draw away (divert, অন্যদিকে সরাইয়া লওয়া) – His attention was drawn away by the noise.
⏩Draw in (reduce, সংকুচিত করা) – Try to draw in your expenditure.
⏩Draw off (pull of, টানিয়া ফেলা) – She drew off her gloves.
⏩Drive away (turn out, বিতাড়িত করা) – He was driven away from the village.
⏩Fall back upon (have recourse to, শেষ অবলম্বন রূপে গ্রহণ করা) – Having lost his job he fell back upon agriculture.
⏩Fall in with (agree with, একমত হওয়া) – I cannot fall in with his views.
⏩Fall off (decline, কমিয়া যাওয়া) – The quality of goods has fallen off.
⏩Fall on (attack, আক্রমণ করা) – The robbers fall on the passer-by.
⏩Fall out (quarrel, কলহ করা) – Do not fall our with your friend.
⏩Fall through (fail, ব্যর্থ হওয়া) – All his plans fell through.
⏩Fill in up (Complete, পূরণ করা) – Fin in (up) the gaps.

🖋️Medi Notes Hour💉
🔥5👍2❤1
📌জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (রুই মাছ)

⏩রুই মাছ একটি দ্রুত বর্ধনশীল মাছ এবং স্বাভাবিক খামারে বছরে ৩৫-৪৫ সেন্টিমিটার (১-১.৫ ফুট) লম্বা,৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনবিশিষ্ট হয়।

⏩মেজর কার্প : রুই,কাতলা,মৃগেল।

⏩মাইনর কার্প: বাটা,ঘনিয়া।

⏩রুই মাছ অতি পরিচিত অস্থিময় মাছ।

⏩হালদা নদীর রুইয়ের পোনার বৃদ্ধি ২-২.৫ কেজি পর্যন্ত হয়।

⏩ রুই মাছ ইন্ডিয়া (মূল ভূখন্ড), পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও মায়ানমারের নদীতন্ত্রের প্রাকৃতিক প্রজাতি।

⏩জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে রুইয়ের পছন্দের আহার হচ্ছে প্ল্যাংকটনজাতীয় (প্রাণিপ্ল্যাংকটন ও উদ্ভিদপ্ল্যাংকটন) জীব।

⏩আঙ্গুলিপোনা দশায় প্রধানত প্রাণিপ্ল্যাংকটন গ্রহণ করলেও ডেসমিড, ফাইটোফাজেলেট, শৈবাল রেণু প্রভৃতিও গ্রহণ করে।

⏩ফুলকায় চুলের ন্যায় সরু ফুলকা রেকারের (Gill raker) উপস্থিতি এদের ছাঁকন পদ্ধতির খাদ্যাভাসের নির্দেশ করে।

⏩তরুণ ও পূর্ণ বয়স্ক মাছ পানির মাঝ স্তরের শৈবাল ও নিমজ্জিত উদ্ভিদ বেশি গ্রহণ করে (অর্থাৎ প্রধানত শাকাশী)।

⏩রুই মাছ ১৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রায় বাঁচতে পারে না।

⏩রুই মাছের চোখ গোলাকার এবং চোখের পাতা থাকে না।

⏩রুই মাছ সর্বভুক স্বভাবের প্রাণী।

⏩রুই মাছ পানির মধ্যস্তরের খাদ্য সচরাচর গ্রহণ করে। তাই এদের মধ্যস্তরের খাদক বলা হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10
📌 শৈবালের বৈশিষ্ট্য

⏩সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ।

⏩এরা সুকেন্দ্রিক, এককোষী বা বহুকোষী এবং মূল, কান্ড ও পাতা সৃষ্টি হয় না অর্থাৎ সমাঙ্গদেহী বা থ্যালয়েড ।

⏩কোষ প্রকৃত নিউক্লিয়াস যুক্ত তবে সায়ানোব্যাকটেরিয়া আদিকোষী ধরনের।

⏩ভাস্কুলার টিস্যু নেই অর্থাৎ অভাস্কুলার ।

⏩জননাঙ্গ এককোষী । বহুকোষী হলে তা কোনো বন্ধ্যা কোষাবরণ দিয়ে বেষ্টিত নয়। (ব্যতিক্রম-Chara)

⏩জাইগোট স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কখনও বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।

⏩স্পোরাঞ্জিয়া বা রেণুথলি সর্বদাই এককোষী।

⏩সঞ্চিত খাদ্য → শর্করা (অধিকাংশ), কিছু চর্বি, তেল। ব্যতিক্রম: সায়ানোব্যাকটেরিয়া সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

⏩ কোষ প্রাচীর সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত। এ ছাড়াও পিচ্ছিল মিউসিলেজ বিদ্যমান।

⏩দেহ গ্যামিটোফাইটিক,হ্যাপ্লয়েড (n) এবং আলোর উপর নির্ভরশীল।

⏩শৈবালের সুস্পষ্ট জনুক্রম নেই।

⏩এরা সাধারণত জলীয় ও আর্দ্র পরিবেশে জন্মায় ।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤3🔥2
📌 জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (শৈবাল)

⏩শৈবাল (Algae):অত্যন্ত সরল প্রকৃতির অভাস্কুলার, সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ (অধিকাংশই জলজ) যাদের জননাঙ্গ এককোষী এবং নিষেকের পর স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কোনো ভ্রূণ গঠিত হয় না, তাদের শৈবাল বলে।গ্রিক Phykos অর্থ seaweed । Seaweedও শৈবাল। সারা বিশ্বে প্রায় ৩০,০০০ প্রজাতির শৈবাল রয়েছে।

⏩ফাইকোলজি/অ্যালগোলজি (Phycology): শৈবাল বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা, পরীক্ষণ, নিরীক্ষণ ও গবেষণা করাকে বলা হয় ফাইকোলজি বা শৈবালবিদ্যা।

⏩ফাইটোপ্লাংকটন (Phytoplankton): সম্পূর্ণ ভাসমান শৈবালকে ফাইটোপ্লাংকটন বলে।

⏩বেনথিক শৈবাল (Benthic algae): জলাশয়ের পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ হয়ে যে শৈবাল জন্মায় তাদেরকে বেনথিক শৈবাল বলে।

⏩লিথোফাইট (Lithophyte): পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে লিথোফাইট বলে।

⏩এন্ডোফাইট (Endophyte): উচ্চ শ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে এন্ডোফাইট বলে।

⏩এপিফাইট (Epiphyte): উচ্চ শ্রেণির জীবের টিস্যুর বাহিরে জন্মানো শৈবালকে এপিফাইট বলে।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤4🔥1
📌গ্রিন কেমিস্ট্রি/টেকসই কেমিস্ট্রি/বিনাইন কেমিস্ট্রি

→ বিজ্ঞানী পল টি অ্যানাস্টাম ও জন ওয়ার্নার কর্তৃক প্রস্তাবিত গ্রিন কেমিস্ট্রির মূলনীতি ১২টি

⏩বর্জ্য পদার্থ রোধকরণ

⏩সর্বোত্তম এটম ইকন্যামি

⏩নবায়নযোগ্য কাঁচামাল ব্যবহার

⏩প্রভাবন প্রয়োগ

⏩যথাসময়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ

⏩দুর্ঘটনা প্রতিরোধ

⏩ন্যূনতম উপজাতক

⏩প্রাকৃতিক রূপান্তর পরিকল্পনা

⏩নিরাপদ দ্রাবক ব্যবহার

⏩বিক্রিয়ার শক্তি দক্ষতা পরিকল্পনা

⏩নিরাপদ কেমিক্যাল

⏩ন্যূনতম ঝুঁকির পদ্ধতি ব্যবহার।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤5🥰3🔥1
📌গ্রিনার শিল্প প্রক্রিয়ায় দ্রাবক রূপে-

⏩অনুদ্বায়ী জৈব দ্রাবক ব্যবহার

⏩অজলীয় আয়নিক দ্রাবক উদ্ভাবন

⏩জৈব দ্রাবকবিহীন উৎপাদন পদ্ধতি

⏩পানি ব্যবহারভিত্তিক পদ্ধতি

🖋️Medi Notes Hour💉
❤6🥰2🔥1
📌ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য

⏩ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে

⏩সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।

⏩সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার

⏩কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।

⏩ভাস্কুলার টিস্যু নেই।

⏩জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।

⏩স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।

⏩হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।

⏩জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।

⏩অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)

⏩শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।

⏩ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।

⏩এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।

⏩অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক। 

⏩ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।

⏩মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :

➡️Zygomycota
➡️Ascomycota
➡️Basidiomycota
➡️Deuteromycota 
➡️Mycophycophyta


🖋️Medi Notes Hour💉
❤6🔥2🥰1
📌ছত্রাকের দৈহিক গঠন

⏩সেপ্টা (Septa): হাইফার ছিদ্রযুক্ত প্রস্থপ্রাচীরকে সেপ্টা (septa) বলে।

⏩মাইসেলিয়াম (Mycelium): অসংখ্য শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট সূত্রাকার হইফি দ্বারা গঠিত ছত্রাক দেহকে  মাইসেলিয়াম (mycelium) বলে।

⏩সিনোসাইটিকমাইসেলিয়াম : মাইসেলিয়ামে অবস্থিত অনেকগুলো হাইফি যখনপ্রস্থপ্রাচীরবিহীন এবং বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট হয় তখন তাকে সিনোসাইটিক মাইসেলিয়াম বলে। যেমন- Saprolegnia sp

⏩হস্টোরিয়াম (Haustorium): পোষক দেহ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে হস্টোরিয়াম বলে।

⏩সিনোসাইট : কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকলে তাকে সিনোসাইট বলে। 

⏩রাইজয়েড (Rhizoid): পরিবেশ থেকে খাদ্য শোষণকারী হাইফাকে রাইজয়েড বলে। 

⏩রাইজোমর্ফ : কোনো কোনো উচ্চশ্রেণির ছত্রাকে মাইসেলিয়াম শক্ত রশির মতো গঠন সৃষ্টি  করে যাকে রাইজোমর্ফ বলে। যেমন-Agaricus .

⏩মাইকোরাইজাল ছত্রাক (Mycorrhiza Fungi): উদ্ভিদের সরু মূল বা মূলরোমের চারদিকে বা অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট ছত্রাক জালের মতো বেষ্টন করে রাখে। এদেরকে মাইকোরাইজাল ছত্রাক বলে। যেমন- Suprolegnia sp .

⏩সঞ্চিত খাদ্য (Reserve Food): ছত্রাক কোষে গ্লাইকোজেন ও তৈলবিন্দু রূপ খাদ্য সঞ্চিত থাকে। 

🖋️Medi Notes Hour💉
❤4🔥1🥰1
📌পর্যায় সারণির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

⏩আবিষ্কারক : রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ (১৮৬৯), মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণির মৌল সংখ্যা ৬৩টি

⏩দীর্ঘাকায় পর্যায় সারণি : বোর পর্যায় সারণি

⏩মূল ভিত্তি : ইলেকট্রন বিন্যাস

⏩পর্যায়:৭টি

⏩গ্রুপ:১৮ কি

⏩ব্লক:৪টি (s,p,d,f)

⏩সর্বশেষ আবিষ্কৃত 4টি মৌল: Nihonium (113Nh), Moscovium (115 Mc), Tennessine (117 Ts), Oganesson (180 Og)

⏩আধুনিক পর্যায়সূত্র : মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যার উচ্চক্রম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤5🔥3🥰3
📌মৌলের বিস্তারিত

⏩মোট মৌল ১১৮ টি

⏩ধাতু ৯৪ টি

⏩অধাতু ১৮ টি(গ্যাস ১১ টি,কঠিন ৬ টি,তরল ১ টি)

⏩অপধাতু ৬ টি (As,Te,Si,Sb,B,Ge)

🖋️Medi Notes Hour💉
❤8🥰2🔥1
📌s-ব্লক মৌলের সাধারণ ধর্মাবলি

⏩নিম্ন গলনাঙ্ক স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট

⏩নরম ধাতু

⏩ক্যাটায়ন‌ বর্ণহীন

⏩তীব্র বিজারক

⏩চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত

⏩শিখা পরীক্ষা দেয়(Except Be & Mg)

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10🔥1
📌বিভিন্ন উৎস/আকরিক :

⏩রকসল্ট → NaCl

⏩চিলি সল্টপিটার → NaNO3

⏩বোরাক্স → Na2B4O7.10H2O

⏩ম্যাগনেসাইট → MgCO3

⏩চুনাপাথর → CaCO3

⏩মার্বেল পাথর → CaCO3

⏩জিপসাম → CaSO4.2H2O

⏩ডলোমাইট → CaCO3.MgCO3

⏩বক্সাইট → Al2O3.2H2O

🖋️Medi Notes Hour💉
❤9🥰5🔥2
🌬️শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া

⏩শ্বসন:যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীব কোষ মধ্যস্থ খাদ্যবস্তুকে জারিত করে খাদ্যের স্থিতিশক্তিকে তাপ ও গতিশক্তিরূপে মুক্ত করে এবং উপজাত পদার্থ হিসেবে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন বলে।

⏩সবাত শ্বসন:যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং শ্বসি পানি এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে সবাত শ্বসন বলে।

⏩অবাত শ্বসন:যে প্রক্রিয়ায় কোন শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছা কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে।

🖋️Medi Notes Hour💉
🔥7❤3
🌬️মানুষের শ্বসনতন্ত্রের অঙ্গসমূহ

⏩শ্বাস নালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস প্রায় দুই সেন্টিমিটার।

⏩শ্বাসনালীতে তরুণাস্থি আছে ১৬-২০ টি


⏩ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়ার শেষ প্রান্ত দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে দুই ফুসফুসে প্রবেশ করে এদেরকেই ব্রঙ্কাস (বহুবচনে ব্রংকাই) বলে।

⏩হাইলাম:ফুসফুসের যে অংশের ভিতর দিয়ে ব্রঙ্কাস ও রক্তনালী প্রবেশ করে তাকে হাইলাম বলে।

⏩ব্রঙ্কিওল:ফুসফুসের অভ্যন্তরে প্রতিটি ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়ে যে অসংখ্য ক্ষুদ্র নালি গঠন করে সেগুলোকে ব্রঙ্কিওল বলে।

⏩ফুসফুস:ডান ফুসফুস বড়। তার মধ্যে আছে ৩ টি লোব। বাম ফুসফুস ছোট। তার মধ্যে আছে ২ টি লোব।

⏩ফুসফুসের প্রতিটি লোব কতগুলো সেগমেন্টে বিভক্ত। ডান ফুসফুস আছে ১০ টি সেগমেন্ট। বাম ফুসফুসে আছে ৮ টি সেগমেন্ট।প্রতিটি সেগমেন্ট আবার অসংখ্য লোবিওলে বিভক্ত।

⏩ফুসফুসের গাঠনিক এককের নাম অ্যালভিওলাস।

⏩দুই ফুসফুসে মোট অ্যালভিওলাস প্রায় ৭০ কোটি

⏩ফুসফুসে মোট লোব ৫টি, ডান ফুসফুসে ৩টি এবং বাম ফুসফুসে ২ টি।

⏩শ্বসন বৃক্ষ:বায়ু নালী সিস্টেমকে দেখতে একটি উল্টানো বৃক্ষের মত দেখায় বলে একে ব্রংকিয়াল বৃক্ষ বা শ্বসন বৃক্ষ বলে।

⏩প্রাইমারি ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়া বিভক্ত হয়ে যে দুটি সৃষ্টি হয় সেগুলোকে বলা হয় প্রাইমারি ব্রঙ্কাস। প্রাইমারি ব্রঙ্কাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।

⏩সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস:লোবার ব্রঙ্কাস:প্রাইমারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো কে বলা হয় সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস।ডান ফুসফুস লোবার ব্রংকাস ৩ টি এবং বাম ফুসফুসে লোবার ব্রংকাস ২ টি।

⏩টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস : সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় বলা হয় টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বলে।

⏩ব্রঙ্কিওল:সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়েছে সূক্ষ্ম নালীর সৃষ্টি হয় সেগুলো কে ব্রঙ্কিওল বলে। প্রতিটি ব্রঙ্কিওল একেকটি লোবিওলে প্রবেশ করে।

⏩সারফ্যাকট্যান্ট:অ্যালভিওলাসের ভিতরের দেয়াল থেকে নিঃসৃত ডিটারজেন্ট এর ন্যায় ফসফোলিপিড জাতীয় পদার্থকে সারফ্যাকট্যান্ট বলে । সারফেকট্যান্ট ক্ষরিত হয় সেপ্টাল কোষ থেকে।

✍️Medi Notes Hour✍️
❤21🔥2🥰1
🥦 উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব

🔸অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি :

যে মৌলটি ছাড়া উদ্ভিদ তার স্বাভাবিক জীবন চক্র সম্পন্ন করতে পারে না অথবা যে মৌলটি উদ্ভিদ গঠনের বা মেটাবলিজমের প্রয়োজনীয় অংশ, তাকে অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি বলে।

🔸অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান ১৭ টি।

🔸ম্যাক্রোমৌল:অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান গুলোর মধ্যে যে মৌলগুলো উদ্ভিদের অধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোমৌল বলে।

🔸ম্যাক্রোমৌলসমূহ-ম্যাগনেশিয়াম,পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, নাইট্রোজেন,কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন,ফসফরাস,সালফার (টেকনিক:MgK Cafe for Nice CHOPS)

🔸মাইক্রোমৌলসমূহ:ক্লোরিন,বোরন,আয়রন(লৌহ), ম্যাঙ্গানিজ,জিঙ্ক(দস্তা),কপার(তামা),নিকেল,মলিবডেনাম।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤11🔥1
📌বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিক্রমা

🔸১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে প্রত্যাবর্তন করে।

🔸১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়।

🔸৩ দিন পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ (লায়ালপুর) জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

🔸৭ সেপ্টেম্বর,গোপন বিচারে মৃত্যুদন্ডের রায় দেওয়া হয়।

🔸৩ ডিসেম্বর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় লায়ালপুর থেকে মিয়ানওয়ালি জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়।

🔸১৯৭২ এর ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তি পান।এরপর ব্রিটেন ও ভারত সফর করেন।

🔸১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤18🔥2
📌 পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র
জ্যোতির্বিজ্ঞান
মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য:

⏩আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব-আইনস্টাইন

⏩আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব-আইনস্টাইন

⏩মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ তত্ত্ব/বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব-হাবল

⏩বিগ ক্রাঞ্চ তত্ত্ব-আর্নো পেনজিয়াস ও রবার্ট উইলসন

⏩স্পন্দনশীল তত্ত্ব-স্টিফেন হকিং

🖋️Medi Notes Hour💉
❤11🔥2🥰1
🍁🍁🍁

★ ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (সর্বপ্রথম)

★ ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

★ সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২

★ সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ (প্রথম মুসলিম এবং আফ্রিকান দেশ হিসেবে)

★ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৪ এপ্রিল ১৯৭২

★ ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৮ জুলাই ১৯৭২ (প্রথম আরব দেশ হিসেবে)

★ পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪

★ চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ৩১ আগস্ট ১৯৭৫

🖋️Medi Notes Hour💉
❤17🔥1