Medi Notes Hour
3.18K subscribers
1 photo
74 links
Download Telegram
📌সাধারণ জ্ঞান(নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলন)

⏩হাজী মুহম্মদ মুহসীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি শহরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।গরিব মেধাবী ছাত্রদের জন্য তিনি 'মুহসীন তহবিল' গঠন করেন। দানশীলতার জন্য তিনি ‘দানবীর' বা ‘বাংলার হাতেম তাই' নামে পরিচিত।

⏩নওয়াব আবদুল লতিফ এর প্রচেষ্টায় কলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠান মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলে

⏩মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ ইসলামি শিক্ষা বিস্তারের জন্য যশোরের মনোহরপুর গ্রামে ‘মাদ্রাসায়ে কারামাতিয়া' স্থাপন করেন।

⏩সৈয়দ আমীর আলী মুসলমানদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The spirit of Islam' এবং ‘A Short History of Saracens'

🖋️Medi Notes Hour💉
❤2👍2
📌 আলীগড় আন্দোলন

১৮৫৭ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের দায়ী করে। মুসলমানগণ ইংরেজদের অত্যাচারের শিকার হয়। অন্যদিকে ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ না করায় তারা সকল বিষয়ে হিন্দুদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ে। এ পিছিয়ে পড়া মুসলমানদের বাঁচার পথ দেখান স্যার সৈয়দ আহমেদ খান। ১৮৭৫ সালে উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে তিনি 'মোহামেডান অ্যাংলো- ওরিয়েন্টাল কলেজ' স্থাপন করেন। পরে (১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে) এ কলেজই ‘আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়' এ রূপান্তরিত হয়। তিনি মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করার উপদেশ দেন। আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে যে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ধারার সৃষ্টি হয়, উপমহাদেশের ইতিহাসে তাই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে পরিচিত।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤2
📌 রাজনৈতিক বিবর্তন

⏩ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস' (Indian National Congress) এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ইংরেজ সিভিলিয়ন অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।উমেশচন্দ্র ব্যানার্জী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উদ্বোধনী সম্মেলনের মধ্যে প্রথম‌ সভাপতি মনোনীত হন।

⏩১৯৬০ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।মুসলিম লীগের প্রকৃত নাম ছিল 'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ'। মুসলিম লীগ গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নবাব সলিমুল্লাহ, আগা খান এবং নওয়াব ভিকার-উল-মূলুক।

🖋️Medi Notes Hour💉
👍1
📌বাংলায় সশস্ত্র বৈপ্লবিক আন্দোলন

⏩১৯০৬ সাল থেকে পরিচালিত এ বৈপ্লবিক আন্দোলনকে ব্রিটিশ সরকার সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন হিসাবে চিহ্নিত করে।

⏩বিপ্লবীরা ১৯০৮ সালে বাংলার গভর্নর এন্ড্রু ফ্রেজার এবং পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ব্যামফিল্ড ফুলারকে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এরপর বিপ্লবীদের লক্ষ্য ছিল প্রধান প্রেসিডেন্সি জশাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংস ফোর্ড। ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকি বিহারের মোজাফফরপুরে কিংস ফোর্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেন। কিন্তু কিংসফোর্ড গাড়িতে ছিলেন না, ছিলেন মিসেস ও মিস কেনেডি। এ বোমায় উভয়ই নিহত হন। ক্ষুদিরাম ধরা শিক্ষা পড়েন এবং তাঁর ফাঁসি হয়। প্রফুল্ল চাকি আত্মহত্যা করেন।

⏩চট্টগ্রামের যুব-বিদ্রোহের মহানায়ক ছিলেন বিপ্লবী মাস্টার দা সূর্যসেন। ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল তিনি তাঁর দলবল নিয়ে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করেন

⏩সূর্যসেনের শিষ্য প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামে পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করেন ও নিজ জীবন উৎসর্গ করেন

⏩ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত সশস্ত্র সংগ্রামে প্রীতিলতাকে প্রথম আত্মোৎসর্গকারী নারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ব্রিটিশ সরকার সূর্যসেনসহ অধিকাংশ বিপ্লবীকে ধরতে সমর্থ হয়।

⏩১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামে সূর্যসেনের ফাঁসি হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
📌মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (১৮৬৯ - ১৯৪৮ খ্রি.)

⏩অন্য নাম:মহাত্মা,বাপুজি।

⏩পরিচিতি : ভারতীয় জাতির জনক কিন্তু ভারতের কোনোরাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হননি।

⏩রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকায়।

⏩দক্ষিণ আফ্রিকায় 'Indian Opinion' নামক পত্রিকার সম্পাদনা করতেন।

⏩তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'The Story of My Experiments with Truth'.

⏩বাংলাদেশ ভ্রমণ : ১৯৪৬ সালে নোয়াখালী ভ্রমণ করেন।

⏩নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে 'গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর' স্থাপিত হয়েছে।

⏩মৃত্যু: দিল্লিতে পথসভা চলাকালে হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে গুলি করে গান্ধীজীকে হত্যা করে।

🖋️Medi Notes Hour💉
👍2
📌 পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র (ভেক্টর)
বিশেষ ভেক্টর:

⏩আয়ত একক ভেক্টর

ত্রিমাত্রিক কার্তেসীয় স্থানাঙ্ক ব্যবস্থায় তিনটি ধনাত্মক অক্ষ বরাবর যে তিনটি একক ভেক্টর বিবেচনা করা তাদেরকে আয়ত একক ভেক্টর বা আয়ত ভেক্টর বলে।ত্রিমাত্রিক স্থানাঙ্ক ব্যবস্থায় ধনাত্মক x, y এবং z অক্ষের দিকে ব্যবহৃত যথাক্রমে i j এবং চিহ্ন দ্বারা আয়ত একক ভেক্টর দেখানো হয়।

⏩একক ভেক্টর

যে ভেক্টর রাশির মান এক একক তাকে একক ভেক্টর বলে ।

⏩নাল বা শূন্য ভেক্টর

যে ভেক্টর রাশির মান শূন্য এবং যার কোনো নির্দিষ্ট দিক থাকে না, তাকে নাল বা শূন্য ভেক্টর বলে ।

⏩অবস্থান ভেক্টর

প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টরের সাহায্যে নির্ণয় করা হয় তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।অবস্থান ভেক্টরকে অনেক সময় ব্যাসার্ধ ভেক্টরও বলে।

⏩সদৃশ ভেক্টর

জাতীয় দুই বা ততোধিক তেরীর যদি একই দিকে ক্রিয়া করে তবে তাদেরকে সদৃশ বা সমান ভেক্টর বলে।

⏩বিসদৃশ ভেক্টর

সমজাতীয় দুটি ভেক্টর যদি বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে তবে তাদেরকে বিসদৃশ ভেক্টর বলে।

⏩বিপরীত  ভেক্টর

বিপরীত দিকে হিয়ারত দুটি সমজাতীয় ভেক্টরের মান সমান হলে তাদেরকে একে অপরের বিপরীত বা ঋণ ভেক্টর বলে।

⏩সমভেক্টর/ সমান ভেক্টর

দুটি সমজাতীয় ভেক্টরের মান সমান ও দিক একই দিকে হলে তাদেরকে সমভেক্টর বলে।

⏩সমতলীয় ভেক্টর

দুই বা ততোধিক ভেক্টর একই ভলে অবস্থান করলে তাদেরকে সমতলীয় ভেক্টর বলে।

⏩সরণ ভেক্টর

রৈখিক বা সরল পথে বা নির্দিষ্ট দিকে কোন বিন্দু অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ ভেক্টর বলে।

⏩সমরেখ ভেক্টর

দুই বা ততোধিক ভেক্টর যদি এমন হয় যে তারা একই রেখায় বা সমান্তরালে জিয়া করে, তাদেরকে সমরেখ ভেক্টর বলে।

⏩সঠিক ভেক্টর

যে সকল ভেক্টরের মান শূন্য নয় তাদেরকে সঠিক ভেক্টর বলে।

⏩স্বাধীন ভেক্টর

কোনো ভেক্টর রাশির পাদবিন্দু কোথায় হবে তা যদি ইচ্ছে মতো পছন্দ করা হয়, তবে সেই ভেক্টরকে স্বাধীন ভেক্টর বলে।

⏩সীমাবদ্ধ ভেক্টর

কোনো ভেক্টরের পাদবিন্দু যদি ইচ্ছেমতো পছন্দ করতে দেওয়া না হয় অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুকে যদি পাদবিন্দু হিসেবে ঠিক করে রা হয় তাহলে সেই ভেক্টরকে সীমাবদ্ধ ভেক্টর বলে।

⏩অক্ষীয় ভেক্টর

বস্তুর ঘূর্ণনের সঙ্গে যুক্ত ভেক্টরকে অক্ষীয় ভেক্টর বলে। উদাহরণ: কৌণিক বেগ, কৌণিক ত্বরণ, কৌণিক ভরবেগ।

⏩পোলার ভেক্টর

বস্তুর ঘূর্ণনের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন ভেক্টরকে পোলার ভেক্টর বলে। উদাহরণ: বল, ভরবেগ, সরণ, গতিবেগ ইত্যাদি।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤5
📌জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র
অধ্যায়:কোষ রসায়ন
টপিক:কার্বোহাইড্রেট

⏩প্রোটোপ্লাজমের প্রায় শতকরা ৬০-৯০ ভাগ হলো পানি।

⏩জৈব উপাদান সৃষ্টিকারী মৌলের সংখ্যা ১৭ টি।

⏩জীবনে অত্যাবশ্যকীয় উপাদানের সংখ্যা ৯২টি।

⏩মনোস্যাকারাইডসমূহে বিদ্যমান-সমযোজী বন্ধন

⏩ ডাইস্যাকারাইড, অলিগোস্যাকারাইড ও পলিস্যাকারাইড এর দুটি মনোস্যাকারাইডের মাঝে সৃষ্টি হয় - গ্লাইকোসাইডিং বন্ধন ।

⏩দুটি অ্যামিনো এসিডের মধ্যকার সৃষ্ট বন্ড - পেপটাইড বন্ড ।

⏩লিপিড অনুর ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল এর মাঝে এস্টার বন্ধন বিদ্যমান ।

⏩কার্বোহাইড্রেটে কার্বন, ও অক্সিজেনের অনুপাত ১:২:১।এমন অনুপাত থাকলেও কার্বোহাইড্রেট নয় অ্যাসিটিক এসিড, ফরমালডিহাইড,ল্যাকটিক এসিড।

⏩উদ্ভিদের শুষ্ক ওজনের ৫০-৮০ ভাগ কার্বোহাইড্রেট।

⏩সারা বিশ্বে সকল জৈব বস্তুর মধ্যে সবচেয়ে বেশী পাওয়া যায়-কার্বোহাইড্রেট।

⏩কার্বোহাইড্রেটের প্রধান উৎস - উদ্ভিদ।

⏩যকৃতে গ্লাইকোজেন,পেশিতে- ল্যাকটিক এসিড,দুধে- ল্যাকটোজেন

⏩কার্বোহাইড্রেটকে এসিডের সাথে মিশালে এস্টার গঠন করে। এরা আলোক সক্রিয় বা আলোক সমানুতা প্রদর্শন করে।

📌কার্বোহাইড্রেট এর কাজঃ

⏩জীবদেহের শক্তির প্রধান উৎস।

⏩উদ্ভিদের সাপোর্টিং টিস্যুর গাঠনিক উপাদান ।

⏩কার্বন কাঠামো প্রদান করে।

⏩হাড়ের সন্ধিস্থলে লুব্রিকেন্ট।

⏩উদ্ভিদদেহে সঞ্চয়ী পদার্থ।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10
📌 সাধারণ জ্ঞান
টপিক:স্বাস্থ্য

⏩ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⏩রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (Institute of Epidemiology Disease Control & Research IEDCR) ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।

⏩বাংলাদেশে মানসিক রুগীদের জন্য ২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল রয়েছে। যথা- মানসিক হাসপাতাল,পাবনা ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।

⏩বাংলাদেশে ৩টি কুষ্ঠরোগ হাসপাতাল রয়েছে। কুষ্ঠরোগ হাসপাতালগুলো ঢাকা, নীলফামারী এবং সিলেটে অবস্থিত।

⏩ট্রমা সেন্টার হলো দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহতদের চিকিৎসার্থে মহাসড়কের পার্শ্বে নির্মিত চিকিৎসা কেন্দ্র। ট্রমা সেন্টারে মূলত হাড় ভাঙ্গা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।

⏩আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh মহাখালীতে অবস্থিত। ১৯৭৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি 'কলেরা হাসপাতাল' নামেও পরিচিত। আইসিডিডিআর,বি 'খাবার স্যালাইন' উদ্ভাবন করে - যা ডায়রিয়া রোগীর দেহে পানি ও লবণের স্বল্পতা পূরণে ব্যবহৃত হয়। প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের (< ৫ বছর) উদরাময় রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত 'বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট" উদ্ভাবন করে যা শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

⏩স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রের প্রতীক সবুজ ছাতা।

⏩NIPORT-National Institute of Population Research.

⏩জনসংখ্যা দিবস ২ ফেব্রুয়ারি।

⏩জীবনতরী প্রথম ভাসমান হাসপাতাল

🖋️Medi Notes Hour💉
❤4
📌রসায়ন প্রথম পত্র
গুণগত রসায়ন(পরমাণুর কণিকা)

⏩যে সকল ক্ষুদ্র কণা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলে। মূল কণাগুলোকে তিনভাগে ভাগ করা যায়-

⏩স্থায়ী মূল কণিকা:ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন

⏩অস্থায়ী মূল কণিকা:পজিট্রন, নিউট্রিনো,এন্টিনিউট্রিনো,মেসন ইত্যাদি।

⏩ভারী কণা বা কম্পোজিট কণা:আলফা কণা,ডিউটেরন কণা

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10
📌 পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (স্থির তড়িৎ)

⏩দুটি সমমানের চার্জ শূন্য মাধ্যমে 1 মিটার দূরে অবস্থান করে পরস্পরের ওপর 9×10^9 N বল প্রয়োগ করলে ঐ চার্জদুটির প্রত্যেককে এক কুলম্ব বলে।

⏩পরিবাহীর মধ্য দিয়ে 1A প্রবাহ 1 sec ধরে চললে, যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয়, তাকে এক কুলম্ব বলে।1C = 1Ax1s.

⏩1 কুলম্ব হচ্ছে 6.25×10^18 টি ইলেকট্রনের আধানের সমান।

⏩কুলম্বের সূত্র সরাসরি প্রয়োগ করে দুটি তড়িতাহিত বিস্তৃত বস্তুর পারস্পরিক বল নির্ণয় করা যায় না।
❤6
📌স্থির তড়িৎ(তড়িৎ বিভব)

⏩অসীম দূর হতে একটি একক ধন চার্জকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সাধিত হয় তাকে উক্ত ক্ষেত্রের দরুন ওই বিন্দুর বিভব বা তড়িৎ বিভব বলে।

⏩একে V দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

⏩W=V×q


🖋️Medi Notes Hour💉
📌স্থির তড়িৎ (তড়িৎ দ্বিমেরু)

⏩সমপরিমাণের দুটি বিপরীতধর্মী তড়িৎ চার্জ খুব কাছাকাছি স্থাপন করা হলে তড়িৎ দ্বিমেরু গঠিত হয়।

⏩পানি (H2​O), ক্লোরোফরম (CHCl3​), অ্যামোনিয়া (NH3​) হলো স্থায়ী দ্বিমেরুর উদাহরণ।

⏩দ্বিমেরু ভ্রামক,p=2ql

🖋️Medi Notes Hour💉
❤1
📌হাইড্রার সাধারণ পরিচিতি

⏩আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।

⏩নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।

⏩সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।

⏩অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।

⏩পূর্ব নাম: Zoophyta

⏩নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।

⏩ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)

⏩হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।

⏩এরা মুক্তজীবী।

⏩সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।

⏩মাংসাশী (Carnivorous)।

⏩কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।

⏩কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।

⏩দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।

⏩অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।

⏩পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤9👍3
📌Group Verb(ABC)

⏩Act on or upon (affect,ক্ষতি করা) – Such hard work will act upon your health.
⏩Act up to (act according to,অনুসারে কাজ কর) – He always acts up to my advice.
⏩Bear away, off (win,জয় করিয়া লওয়া) – He bore away (off) four prizes in the Annual sports.
⏩Bear out (support,সমর্থন করা) – His evidence does not bear out the charge.
⏩Bear with (tolerate,সহ্য করা) – I cannot bear with such insult.
⏩Blow out (extinguish,নেভানো) – Blow out the lamp.
⏩Break away (get away,ভাঙ্গিয়া বাহির হইয়া আসা) – The convict broke away from the prison.
⏩Break down (decline,ভাঙিয়া পড়াবা দুর্বল হইয়া পড়া) – His health broke down for hard work.
⏩Break into (enter by force,ভাঙ্গিয়া প্রবেশ করা) – The robber broke into the house in midnight.
⏩Break out (spread suddenly,হঠাৎ থামিয়া যাওয়া) – Cholera broke out in the through the enemy’s line.
⏩Bring about (cause to happen,ঘটানো) – He tried to bring about a quarrel between them.
⏩Bring forth (Produce,উৎপাদন করা) – The timely rain brings forth good corps.
⏩Bring off (rescue,রক্ষা করা) – He brought off the passengers on the wrecked ship.
⏩Bring out (publish,ছাপাইয়া প্রকাশ করা) – The publisher has brought out a new book.
⏩Bring through (cure,আরোগ্য লাভ করা) – The new medicine has brought the patient through.
⏩Bring up (rear,প্রতিপালন করা) – She is brought up by her mother
⏩Burst into (express emotion,হঠাৎ আবেগ প্রকাশ করা) – She burst into tears to see her dead son.
⏩Burst out (begin suddenly,ফাটিয়া পড়া) – He burst out laughing.
⏩Call for (demand,চাওয়া) – He called for an explanation from me.
⏩Call forth (use,কাজে লাগানো) – You have to call forth all your energy in the ensuring examination.
⏩Call off (withdraw,উঠাইয়া লওয়া) – The strike was called off.
⏩Call on upon, (meet,কাহারও সহিত দেখা করা) – He called on (upon) me in my office.
⏩Call up (remember,স্মরণ করা) – I cannot called over the name.
⏩Carry away (cause death to,মৃত্যু ঘটানো) – The was carried away by the current.
⏩Carry off (win,জিতিয়া লওয়া) – He carried off all the prizes.
⏩Carry out (obey,মান্য করা) – You must carry out my order.
⏩carry through (bring success,ফলপ্রসূ হওয়া) – His hard labour will carry him through.
⏩Cast about (move about,কোন কিছুর সন্ধানে ঘোরা) – He is casting about for an opportunity.
⏩Cast aside (throw off,ছড়িয়া ফেলা) – He cast aside (or, cast away, or cast off) his old shoes.
⏩Cast out (reject,পরিত্যাগ করা)) – As he is my friend, I shall not cast him out.
⏩Catch up (come up with,নাগাল ধরা) – India is trying to catch up with the advanced countries.
⏩Come about (happen,ঘটা) – How did the accident come about?
⏩Come across (meet,দেখিতে পাওয়া) – I came across the lame man on the way.
⏩Come by (get, পাওয়া) – How did you come by this picture?
⏩Come down (decrease,কমিয়া যাওয়া) – The price of rice has come down.
⏩Come out (be known,প্রকাশিত হওয়া) – The result will come out soon.
⏩Come round (recover,আরোগ্য লাভ করা) – The patient will come round soon.
⏩Come up to (be equal to,সমান হওয়া) – His word did not come up to our expectation.
⏩Cry down (decry,নিন্দা করা) – Do not cry down anything without considering the pros and cons of it.
⏩Cry for (demand,দাবী করা)– They are crying for a master plan for the prevention of flood.
⏩Cry out (Shout,চিৎকার করা) – He cried out for help.
⏩Cut off (dislocate,বিচ্ছিন্ন করা) – The robbers cut off the telephone connection.

🖋️Medi Notes Hour💉
🔥4❤3
📌 Group Verb (DEF)

⏩Do away with (abolish, বন্ধ হওয়া বা করা) – We should do away with our bad habits.
⏩Do up (put into order, গুছানো) – He has to do with all sorts of people
⏩Do with (deal with, ব্যবহার করা) – He has to do with all sorts of people.
⏩Deal in (carry on business, ব্যবসা করা) – He deals with me very well.
⏩Deal with (behave, ব্যবহার করা) – He deals with me very well.
⏩Draw away (divert, অন্যদিকে সরাইয়া লওয়া) – His attention was drawn away by the noise.
⏩Draw in (reduce, সংকুচিত করা) – Try to draw in your expenditure.
⏩Draw off (pull of, টানিয়া ফেলা) – She drew off her gloves.
⏩Drive away (turn out, বিতাড়িত করা) – He was driven away from the village.
⏩Fall back upon (have recourse to, শেষ অবলম্বন রূপে গ্রহণ করা) – Having lost his job he fell back upon agriculture.
⏩Fall in with (agree with, একমত হওয়া) – I cannot fall in with his views.
⏩Fall off (decline, কমিয়া যাওয়া) – The quality of goods has fallen off.
⏩Fall on (attack, আক্রমণ করা) – The robbers fall on the passer-by.
⏩Fall out (quarrel, কলহ করা) – Do not fall our with your friend.
⏩Fall through (fail, ব্যর্থ হওয়া) – All his plans fell through.
⏩Fill in up (Complete, পূরণ করা) – Fin in (up) the gaps.

🖋️Medi Notes Hour💉
🔥5👍2❤1
📌জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (রুই মাছ)

⏩রুই মাছ একটি দ্রুত বর্ধনশীল মাছ এবং স্বাভাবিক খামারে বছরে ৩৫-৪৫ সেন্টিমিটার (১-১.৫ ফুট) লম্বা,৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনবিশিষ্ট হয়।

⏩মেজর কার্প : রুই,কাতলা,মৃগেল।

⏩মাইনর কার্প: বাটা,ঘনিয়া।

⏩রুই মাছ অতি পরিচিত অস্থিময় মাছ।

⏩হালদা নদীর রুইয়ের পোনার বৃদ্ধি ২-২.৫ কেজি পর্যন্ত হয়।

⏩ রুই মাছ ইন্ডিয়া (মূল ভূখন্ড), পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও মায়ানমারের নদীতন্ত্রের প্রাকৃতিক প্রজাতি।

⏩জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে রুইয়ের পছন্দের আহার হচ্ছে প্ল্যাংকটনজাতীয় (প্রাণিপ্ল্যাংকটন ও উদ্ভিদপ্ল্যাংকটন) জীব।

⏩আঙ্গুলিপোনা দশায় প্রধানত প্রাণিপ্ল্যাংকটন গ্রহণ করলেও ডেসমিড, ফাইটোফাজেলেট, শৈবাল রেণু প্রভৃতিও গ্রহণ করে।

⏩ফুলকায় চুলের ন্যায় সরু ফুলকা রেকারের (Gill raker) উপস্থিতি এদের ছাঁকন পদ্ধতির খাদ্যাভাসের নির্দেশ করে।

⏩তরুণ ও পূর্ণ বয়স্ক মাছ পানির মাঝ স্তরের শৈবাল ও নিমজ্জিত উদ্ভিদ বেশি গ্রহণ করে (অর্থাৎ প্রধানত শাকাশী)।

⏩রুই মাছ ১৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রায় বাঁচতে পারে না।

⏩রুই মাছের চোখ গোলাকার এবং চোখের পাতা থাকে না।

⏩রুই মাছ সর্বভুক স্বভাবের প্রাণী।

⏩রুই মাছ পানির মধ্যস্তরের খাদ্য সচরাচর গ্রহণ করে। তাই এদের মধ্যস্তরের খাদক বলা হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10
📌 শৈবালের বৈশিষ্ট্য

⏩সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ।

⏩এরা সুকেন্দ্রিক, এককোষী বা বহুকোষী এবং মূল, কান্ড ও পাতা সৃষ্টি হয় না অর্থাৎ সমাঙ্গদেহী বা থ্যালয়েড ।

⏩কোষ প্রকৃত নিউক্লিয়াস যুক্ত তবে সায়ানোব্যাকটেরিয়া আদিকোষী ধরনের।

⏩ভাস্কুলার টিস্যু নেই অর্থাৎ অভাস্কুলার ।

⏩জননাঙ্গ এককোষী । বহুকোষী হলে তা কোনো বন্ধ্যা কোষাবরণ দিয়ে বেষ্টিত নয়। (ব্যতিক্রম-Chara)

⏩জাইগোট স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কখনও বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।

⏩স্পোরাঞ্জিয়া বা রেণুথলি সর্বদাই এককোষী।

⏩সঞ্চিত খাদ্য → শর্করা (অধিকাংশ), কিছু চর্বি, তেল। ব্যতিক্রম: সায়ানোব্যাকটেরিয়া সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

⏩ কোষ প্রাচীর সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত। এ ছাড়াও পিচ্ছিল মিউসিলেজ বিদ্যমান।

⏩দেহ গ্যামিটোফাইটিক,হ্যাপ্লয়েড (n) এবং আলোর উপর নির্ভরশীল।

⏩শৈবালের সুস্পষ্ট জনুক্রম নেই।

⏩এরা সাধারণত জলীয় ও আর্দ্র পরিবেশে জন্মায় ।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤3🔥2
📌 জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (শৈবাল)

⏩শৈবাল (Algae):অত্যন্ত সরল প্রকৃতির অভাস্কুলার, সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ (অধিকাংশই জলজ) যাদের জননাঙ্গ এককোষী এবং নিষেকের পর স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কোনো ভ্রূণ গঠিত হয় না, তাদের শৈবাল বলে।গ্রিক Phykos অর্থ seaweed । Seaweedও শৈবাল। সারা বিশ্বে প্রায় ৩০,০০০ প্রজাতির শৈবাল রয়েছে।

⏩ফাইকোলজি/অ্যালগোলজি (Phycology): শৈবাল বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা, পরীক্ষণ, নিরীক্ষণ ও গবেষণা করাকে বলা হয় ফাইকোলজি বা শৈবালবিদ্যা।

⏩ফাইটোপ্লাংকটন (Phytoplankton): সম্পূর্ণ ভাসমান শৈবালকে ফাইটোপ্লাংকটন বলে।

⏩বেনথিক শৈবাল (Benthic algae): জলাশয়ের পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ হয়ে যে শৈবাল জন্মায় তাদেরকে বেনথিক শৈবাল বলে।

⏩লিথোফাইট (Lithophyte): পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে লিথোফাইট বলে।

⏩এন্ডোফাইট (Endophyte): উচ্চ শ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে এন্ডোফাইট বলে।

⏩এপিফাইট (Epiphyte): উচ্চ শ্রেণির জীবের টিস্যুর বাহিরে জন্মানো শৈবালকে এপিফাইট বলে।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤4🔥1
📌গ্রিন কেমিস্ট্রি/টেকসই কেমিস্ট্রি/বিনাইন কেমিস্ট্রি

→ বিজ্ঞানী পল টি অ্যানাস্টাম ও জন ওয়ার্নার কর্তৃক প্রস্তাবিত গ্রিন কেমিস্ট্রির মূলনীতি ১২টি

⏩বর্জ্য পদার্থ রোধকরণ

⏩সর্বোত্তম এটম ইকন্যামি

⏩নবায়নযোগ্য কাঁচামাল ব্যবহার

⏩প্রভাবন প্রয়োগ

⏩যথাসময়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ

⏩দুর্ঘটনা প্রতিরোধ

⏩ন্যূনতম উপজাতক

⏩প্রাকৃতিক রূপান্তর পরিকল্পনা

⏩নিরাপদ দ্রাবক ব্যবহার

⏩বিক্রিয়ার শক্তি দক্ষতা পরিকল্পনা

⏩নিরাপদ কেমিক্যাল

⏩ন্যূনতম ঝুঁকির পদ্ধতি ব্যবহার।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤5🥰3🔥1
📌গ্রিনার শিল্প প্রক্রিয়ায় দ্রাবক রূপে-

⏩অনুদ্বায়ী জৈব দ্রাবক ব্যবহার

⏩অজলীয় আয়নিক দ্রাবক উদ্ভাবন

⏩জৈব দ্রাবকবিহীন উৎপাদন পদ্ধতি

⏩পানি ব্যবহারভিত্তিক পদ্ধতি

🖋️Medi Notes Hour💉
❤6🥰2🔥1
📌ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য

⏩ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে

⏩সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।

⏩সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার

⏩কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।

⏩ভাস্কুলার টিস্যু নেই।

⏩জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।

⏩স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।

⏩হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।

⏩জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।

⏩অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)

⏩শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।

⏩ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।

⏩এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।

⏩অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক। 

⏩ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।

⏩মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :

➡️Zygomycota
➡️Ascomycota
➡️Basidiomycota
➡️Deuteromycota 
➡️Mycophycophyta


🖋️Medi Notes Hour💉
❤6🔥2🥰1