Medi Notes Hour
3.18K subscribers
1 photo
74 links
Download Telegram
Channel created
Channel photo updated
📌বাংলায় ব্রিটিশ শাসনামল:

⏩বাংলার প্রথম ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড ক্লাইভ।

⏩ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলায় ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড কার্ডিয়ার।

⏩বাংলায় দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন-ওয়ারেন হেস্টিংস।

⏩বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেছিলেন-লর্ড কর্নওয়ালিশ (১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ)

⏩ভারতবর্ষের রেল যোগাযোগে ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন-লর্ড হেনরি হার্ডিঞ্জ।

⏩কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ করেন-লর্ড কার্জন।

⏩১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন-লর্ড মাউন্টব্যাটেন (১৯৪৭ - ১৯৪৮)।

⏩ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চট্টগ্রামের গ্রহণ করে কত সালে?১৭৬০ সালে ।

⏩বঙ্গভঙ্গ করা হয় কত সালে?১৯০৫ সালে ।

⏩ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়েছিল যে পরিকল্পনা মোতাবেক-১৯৪৭ এর র‍্যাডক্লিফ কমিশন।

⏩স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন-লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।

⏩১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-র‍্যাডক্লিফ লাইন।
❤8👍3🔥2
📌 রসায়ন ১ম পত্র(১ম অধ্যায়)
ল্যাবরেটরি ব্যবহারবিধি:

⏩শক্ত পটাশ গ্লাসের সংকেত-K2O.CaO xSiO2

⏩রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ বা কোনো দ্রবণকে তাপ দিতে হলে শক্ত পটাস গ্লাস বা পাইরেক্স গ্লাস নির্মিত বিকার অথবা কনিকেল ফ্রাঙ্ক ব্যবহার করতে হয়।

⏩NaOH,KOH,HF কাচ ক্ষয়কারী।

⏩ক্রোমিক এসিড মিশ্রণ ত্বকে কোথাও লেগে গেলে প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে শেষে 5% NaHCO3 দ্রবণ দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10🥰2
📌 রসায়ন ১ম পত্র(১ম অধ্যায়)

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ

⏩প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থগুলোকে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়;
⏩এগুলো বায়ুতে থাকা CO2, O2 ও জলীয় বাষ্প দ্বারা আক্রান্ত হয় না;
⏩রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিকভাবে ভর মেপে প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা যায়;
⏩পানিত্যাগী, পানিগ্রাহী ও পানিগ্রাসী নয়।

⏩উদাহরণ:অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3), আর্দ্র অক্সালিক এসিড (H2C2O4.2H2O), K2Cr2O7, Na2C2O4.2H2O

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10
📌রসায়ন ১ম পত্র(১ম অধ্যায়)

সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:

⏩রাসায়নিক নিক্তিতে ওজন করা যায় না,রাসায়নিক নিক্তির ক্ষতি সাধন করে।

⏩বাতাসের জলীয় বাষ্প, CO₂ এদের সাথে বিক্রিয়া করে।

⏩এদের দ্রবনের ঘনমাত্রা কিছুক্ষণ পরে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

⏩সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ  ত্বকের  ক্ষতি করে। 

⏩সাধারণ তাপমাত্রায় এরা  বেশিরভাগ  পদার্থ তরল অবস্থায় থাকে।

⏩উদাহরণ:H₂SO₄,NaOH,KMnO₄,HCl,HNO₃ ইত্যাদি।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤12
📌 রসায়ন ১ম পত্র

⏩মোলার দ্রবণ=1.0M

⏩সেমিমোলার দ্রবণ=0.5M

⏩ডেসিমোলার দ্রবণ=0.1M

⏩সেন্টি মোলার দ্রবণ=0.01M

⏩মিলিমোলার দ্রবণ=0.001M

🖋️Medi Notes Hour💉
❤15👍1
📌রসায়ন ১ম পত্র(১ম অধ্যায়)

⏩ল্যাবরেটরিতে তাপ দেওয়ার জন্য স্পিরিট ল্যাম্প, বুনসেন বার্নার, হিটিং ম্যান্টেল ও বিভিন্ন ধরনের ফার্নেস ব্যবহৃত হয়।

⏩বার্নারে তাপ দেওয়ার ক্ষেত্রে জারণ শিখা বেছে নেওয়া হয়।

⏩তরল অ্যামোনিয়া বা লিকার অ্যামোনিয়া হলো কক্ষতাপমাত্রায় পানিতে 35%-40% NH3 গ্যাসের সম্পৃক্ত দ্রবণ

⏩বিকারকের তরলকে নাড়াচাড়া করানোর জন্য গ্লাস রড বা টেফলন রড ব্যবহার করা হয়।

⏩আলোক সক্রিয় রিএজেন্ট রাখা হয় বাদামী বর্ণের বোতলে।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤11👍1🥰1
📌সাধারণ জ্ঞান(নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলন)

⏩হাজী মুহম্মদ মুহসীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি শহরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।গরিব মেধাবী ছাত্রদের জন্য তিনি 'মুহসীন তহবিল' গঠন করেন। দানশীলতার জন্য তিনি ‘দানবীর' বা ‘বাংলার হাতেম তাই' নামে পরিচিত।

⏩নওয়াব আবদুল লতিফ এর প্রচেষ্টায় কলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠান মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলে

⏩মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ ইসলামি শিক্ষা বিস্তারের জন্য যশোরের মনোহরপুর গ্রামে ‘মাদ্রাসায়ে কারামাতিয়া' স্থাপন করেন।

⏩সৈয়দ আমীর আলী মুসলমানদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The spirit of Islam' এবং ‘A Short History of Saracens'

🖋️Medi Notes Hour💉
❤2👍2
📌 আলীগড় আন্দোলন

১৮৫৭ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের দায়ী করে। মুসলমানগণ ইংরেজদের অত্যাচারের শিকার হয়। অন্যদিকে ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ না করায় তারা সকল বিষয়ে হিন্দুদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ে। এ পিছিয়ে পড়া মুসলমানদের বাঁচার পথ দেখান স্যার সৈয়দ আহমেদ খান। ১৮৭৫ সালে উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে তিনি 'মোহামেডান অ্যাংলো- ওরিয়েন্টাল কলেজ' স্থাপন করেন। পরে (১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে) এ কলেজই ‘আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়' এ রূপান্তরিত হয়। তিনি মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করার উপদেশ দেন। আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে যে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ধারার সৃষ্টি হয়, উপমহাদেশের ইতিহাসে তাই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে পরিচিত।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤2
📌 রাজনৈতিক বিবর্তন

⏩ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস' (Indian National Congress) এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ইংরেজ সিভিলিয়ন অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।উমেশচন্দ্র ব্যানার্জী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উদ্বোধনী সম্মেলনের মধ্যে প্রথম‌ সভাপতি মনোনীত হন।

⏩১৯৬০ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।মুসলিম লীগের প্রকৃত নাম ছিল 'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ'। মুসলিম লীগ গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নবাব সলিমুল্লাহ, আগা খান এবং নওয়াব ভিকার-উল-মূলুক।

🖋️Medi Notes Hour💉
👍1
📌বাংলায় সশস্ত্র বৈপ্লবিক আন্দোলন

⏩১৯০৬ সাল থেকে পরিচালিত এ বৈপ্লবিক আন্দোলনকে ব্রিটিশ সরকার সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন হিসাবে চিহ্নিত করে।

⏩বিপ্লবীরা ১৯০৮ সালে বাংলার গভর্নর এন্ড্রু ফ্রেজার এবং পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ব্যামফিল্ড ফুলারকে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এরপর বিপ্লবীদের লক্ষ্য ছিল প্রধান প্রেসিডেন্সি জশাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংস ফোর্ড। ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকি বিহারের মোজাফফরপুরে কিংস ফোর্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেন। কিন্তু কিংসফোর্ড গাড়িতে ছিলেন না, ছিলেন মিসেস ও মিস কেনেডি। এ বোমায় উভয়ই নিহত হন। ক্ষুদিরাম ধরা শিক্ষা পড়েন এবং তাঁর ফাঁসি হয়। প্রফুল্ল চাকি আত্মহত্যা করেন।

⏩চট্টগ্রামের যুব-বিদ্রোহের মহানায়ক ছিলেন বিপ্লবী মাস্টার দা সূর্যসেন। ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল তিনি তাঁর দলবল নিয়ে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করেন

⏩সূর্যসেনের শিষ্য প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামে পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করেন ও নিজ জীবন উৎসর্গ করেন

⏩ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত সশস্ত্র সংগ্রামে প্রীতিলতাকে প্রথম আত্মোৎসর্গকারী নারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ব্রিটিশ সরকার সূর্যসেনসহ অধিকাংশ বিপ্লবীকে ধরতে সমর্থ হয়।

⏩১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামে সূর্যসেনের ফাঁসি হয়।

🖋️Medi Notes Hour💉
📌মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (১৮৬৯ - ১৯৪৮ খ্রি.)

⏩অন্য নাম:মহাত্মা,বাপুজি।

⏩পরিচিতি : ভারতীয় জাতির জনক কিন্তু ভারতের কোনোরাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হননি।

⏩রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকায়।

⏩দক্ষিণ আফ্রিকায় 'Indian Opinion' নামক পত্রিকার সম্পাদনা করতেন।

⏩তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'The Story of My Experiments with Truth'.

⏩বাংলাদেশ ভ্রমণ : ১৯৪৬ সালে নোয়াখালী ভ্রমণ করেন।

⏩নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে 'গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর' স্থাপিত হয়েছে।

⏩মৃত্যু: দিল্লিতে পথসভা চলাকালে হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে গুলি করে গান্ধীজীকে হত্যা করে।

🖋️Medi Notes Hour💉
👍2
📌 পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র (ভেক্টর)
বিশেষ ভেক্টর:

⏩আয়ত একক ভেক্টর

ত্রিমাত্রিক কার্তেসীয় স্থানাঙ্ক ব্যবস্থায় তিনটি ধনাত্মক অক্ষ বরাবর যে তিনটি একক ভেক্টর বিবেচনা করা তাদেরকে আয়ত একক ভেক্টর বা আয়ত ভেক্টর বলে।ত্রিমাত্রিক স্থানাঙ্ক ব্যবস্থায় ধনাত্মক x, y এবং z অক্ষের দিকে ব্যবহৃত যথাক্রমে i j এবং চিহ্ন দ্বারা আয়ত একক ভেক্টর দেখানো হয়।

⏩একক ভেক্টর

যে ভেক্টর রাশির মান এক একক তাকে একক ভেক্টর বলে ।

⏩নাল বা শূন্য ভেক্টর

যে ভেক্টর রাশির মান শূন্য এবং যার কোনো নির্দিষ্ট দিক থাকে না, তাকে নাল বা শূন্য ভেক্টর বলে ।

⏩অবস্থান ভেক্টর

প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টরের সাহায্যে নির্ণয় করা হয় তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।অবস্থান ভেক্টরকে অনেক সময় ব্যাসার্ধ ভেক্টরও বলে।

⏩সদৃশ ভেক্টর

জাতীয় দুই বা ততোধিক তেরীর যদি একই দিকে ক্রিয়া করে তবে তাদেরকে সদৃশ বা সমান ভেক্টর বলে।

⏩বিসদৃশ ভেক্টর

সমজাতীয় দুটি ভেক্টর যদি বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে তবে তাদেরকে বিসদৃশ ভেক্টর বলে।

⏩বিপরীত  ভেক্টর

বিপরীত দিকে হিয়ারত দুটি সমজাতীয় ভেক্টরের মান সমান হলে তাদেরকে একে অপরের বিপরীত বা ঋণ ভেক্টর বলে।

⏩সমভেক্টর/ সমান ভেক্টর

দুটি সমজাতীয় ভেক্টরের মান সমান ও দিক একই দিকে হলে তাদেরকে সমভেক্টর বলে।

⏩সমতলীয় ভেক্টর

দুই বা ততোধিক ভেক্টর একই ভলে অবস্থান করলে তাদেরকে সমতলীয় ভেক্টর বলে।

⏩সরণ ভেক্টর

রৈখিক বা সরল পথে বা নির্দিষ্ট দিকে কোন বিন্দু অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ ভেক্টর বলে।

⏩সমরেখ ভেক্টর

দুই বা ততোধিক ভেক্টর যদি এমন হয় যে তারা একই রেখায় বা সমান্তরালে জিয়া করে, তাদেরকে সমরেখ ভেক্টর বলে।

⏩সঠিক ভেক্টর

যে সকল ভেক্টরের মান শূন্য নয় তাদেরকে সঠিক ভেক্টর বলে।

⏩স্বাধীন ভেক্টর

কোনো ভেক্টর রাশির পাদবিন্দু কোথায় হবে তা যদি ইচ্ছে মতো পছন্দ করা হয়, তবে সেই ভেক্টরকে স্বাধীন ভেক্টর বলে।

⏩সীমাবদ্ধ ভেক্টর

কোনো ভেক্টরের পাদবিন্দু যদি ইচ্ছেমতো পছন্দ করতে দেওয়া না হয় অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুকে যদি পাদবিন্দু হিসেবে ঠিক করে রা হয় তাহলে সেই ভেক্টরকে সীমাবদ্ধ ভেক্টর বলে।

⏩অক্ষীয় ভেক্টর

বস্তুর ঘূর্ণনের সঙ্গে যুক্ত ভেক্টরকে অক্ষীয় ভেক্টর বলে। উদাহরণ: কৌণিক বেগ, কৌণিক ত্বরণ, কৌণিক ভরবেগ।

⏩পোলার ভেক্টর

বস্তুর ঘূর্ণনের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন ভেক্টরকে পোলার ভেক্টর বলে। উদাহরণ: বল, ভরবেগ, সরণ, গতিবেগ ইত্যাদি।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤5
📌জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র
অধ্যায়:কোষ রসায়ন
টপিক:কার্বোহাইড্রেট

⏩প্রোটোপ্লাজমের প্রায় শতকরা ৬০-৯০ ভাগ হলো পানি।

⏩জৈব উপাদান সৃষ্টিকারী মৌলের সংখ্যা ১৭ টি।

⏩জীবনে অত্যাবশ্যকীয় উপাদানের সংখ্যা ৯২টি।

⏩মনোস্যাকারাইডসমূহে বিদ্যমান-সমযোজী বন্ধন

⏩ ডাইস্যাকারাইড, অলিগোস্যাকারাইড ও পলিস্যাকারাইড এর দুটি মনোস্যাকারাইডের মাঝে সৃষ্টি হয় - গ্লাইকোসাইডিং বন্ধন ।

⏩দুটি অ্যামিনো এসিডের মধ্যকার সৃষ্ট বন্ড - পেপটাইড বন্ড ।

⏩লিপিড অনুর ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল এর মাঝে এস্টার বন্ধন বিদ্যমান ।

⏩কার্বোহাইড্রেটে কার্বন, ও অক্সিজেনের অনুপাত ১:২:১।এমন অনুপাত থাকলেও কার্বোহাইড্রেট নয় অ্যাসিটিক এসিড, ফরমালডিহাইড,ল্যাকটিক এসিড।

⏩উদ্ভিদের শুষ্ক ওজনের ৫০-৮০ ভাগ কার্বোহাইড্রেট।

⏩সারা বিশ্বে সকল জৈব বস্তুর মধ্যে সবচেয়ে বেশী পাওয়া যায়-কার্বোহাইড্রেট।

⏩কার্বোহাইড্রেটের প্রধান উৎস - উদ্ভিদ।

⏩যকৃতে গ্লাইকোজেন,পেশিতে- ল্যাকটিক এসিড,দুধে- ল্যাকটোজেন

⏩কার্বোহাইড্রেটকে এসিডের সাথে মিশালে এস্টার গঠন করে। এরা আলোক সক্রিয় বা আলোক সমানুতা প্রদর্শন করে।

📌কার্বোহাইড্রেট এর কাজঃ

⏩জীবদেহের শক্তির প্রধান উৎস।

⏩উদ্ভিদের সাপোর্টিং টিস্যুর গাঠনিক উপাদান ।

⏩কার্বন কাঠামো প্রদান করে।

⏩হাড়ের সন্ধিস্থলে লুব্রিকেন্ট।

⏩উদ্ভিদদেহে সঞ্চয়ী পদার্থ।

🖋️Medi Notes Hour💉
❤10