One 🏳️🏴☝🏻
602 subscribers
1.55K photos
283 videos
588 links
মুসলিম বোনদের সচেতনতায়
Download Telegram
প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগের কিছু স্ক্রিনশট

https://t.me/MDone23
🤬3
One 🏳️🏴☝🏻
https://www.facebook.com/share/v/17hUxbdo8x/
এসব পুরোহিতরা হলো বাংলার জেফরি এপস্টেইন
বসনিয়ার মূল ভূখণ্ডে গণহত্যার পূর্বে খোলাখুলি মুসলমান হত্যায় সমর্থন জানানো স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল স্থানীয় খ্রিস্টানদের ক্ষেত্রে, যেমনটি বিজেপির জয়ের পর স্থানীয় হিন্দুরা প্রকাশ্যে মুসলিম গণহত্যার ঘোষণা দিচ্ছে স্ক্রীনশটটির মতো।

কারণ বসনিয়ার মুসলমানদের কলিজায় তাদের প্রতিবেশী খ্রিস্টানদের প্রতি এতোটা ভালোবাসা ছিল যে, তারা তাদের সামনে মুসলমানদের হত্যা ধর্ষণ নিয়ে উল্লাস করলেও কোনপ্রকার বাধার সম্মুখীন হতো না।

বসনিয়ার এক মুসলিম বালক, নাম কেনান ট্রেবিনচেভিচ, বয়স ছিল ১০-১১ বছর। বসনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার পর সীমান্তবর্তী শহরগুলো যখন সার্ব সৈন্যরা দখলে নিয়ে ব্যাপকভাবে মুসলমান হত্যা ধর্ষণ শুরু করল, তখন কেনানের খ্রিস্টান বন্ধুরা তার সামনে খেলার মাঠে হাসিঠাট্টা করছিল

‘ফাক দেয়ার মাদারস’

কেনান সচকিত হয়ে উঠল! এই বন্ধুরা তো তার বাসায় যাওয়া আসা করে, তার মা তাদেরকে রেঁধে খাওয়ায়। তাহলে কি সুযোগ পেলে তার মাকেও তারা...

অবশ্য কিছুদিনের মধ্যেই সার্ব সৈন্যরা যখন বসনিয়ার আরও ভিতরে প্রবেশ করল, তার খ্রিস্টান খেলার সাথীদের মুসলিম বিদ্বেষও আরও প্রকট হল। তারা কেনানকে খেলায় নেওয়া বন্ধ করে দিল।

এভাবে দখল করতে করতে তারা বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোর চারদিক দিয়ে ঘেরাও করে ফেলল। সারায়েভোর চারদিকে পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে তারা স্নাইপার রাইফেল দিয়ে শহরের মুসলিম বাসিন্দাদের নিশানা করে গুলি করত, এটি ছিল তাদের খেলা। মুসলমানদের গুলি করার এই খেলায় অংশ নিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ধনী খ্রিস্টানরা মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে সারায়েভোর পাহাড়গুলোতে আসত।

খ্রিস্টানরা বসনিয়ার যত শহর দখল করত, সবগুলোতে উসমানীয় আমলের ৫০০-৬০০ বছরের প্রাচীন মসজিদগুলো তারা শহীদ করত আর মুসলমান বাসিন্দাদের নির্বাসিত করত। এরপর খ্রিস্টান যাজকদের সাথে নিয়ে শহরটি পবিত্র ঘোষণা করত।

কিন্তু মজার বিষয় হল, সারায়েভোর মধ্যে যেই গির্জাটি ছিল, সেটি শহরের মুসলিম বাসিন্দারা অক্ষত রেখেছিল! এমনকি শহরের খ্রিস্টান বাসিন্দাদেরও তারা কোন ক্ষতি করেনি।

একপর্যায়ে বসনিয় মুসলমানরা যখন যুদ্ধ শুরু করল, খ্রিস্টানরা পিছু হটতে শুরু করল। আমেরিকা সার্ব খ্রিস্টানদের পরাজয় ঠেকাতে তখন মধ্যস্থতা করল, যাকে বলা হয় ডেইটন চুক্তি। সে মোতাবেক বসনিয়ার ভূখণ্ড ভাগ করে খ্রিস্টানদের অর্ধেকের মতো দেয়া হল, বাকিটা মুসলমানদের দেয়া হল।

বসনিয় মুসলমানরা এই অন্যায় চুক্তি মেনে না নিলে তাদের বোমা মেরে ধ্বংস করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল আমেরিকা।

আমেরিকার ভাগাভাগিতে সেব্রেনিৎসাও খ্রিস্টানদের ভাগে পড়ল, যা ছিল বসনিয় যুদ্ধের সময় অন্যতম গণহত্যার কেন্দ্র। খ্রিস্টানদের ভাগে পড়া সব শহর থেকে তারা মুসলিম বিতাড়ন শুরু করল।

সারায়েভোর যেই খ্রিস্টানদের মুসলমানরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছিল, তারা যুদ্ধের পর খ্রিস্টানদের ভাগে পরা শহরগুলোতে চলে গেল বের করে দেয়া মুসলমানদের জায়গা দখলে নেয়ার জন্য! আর সারায়েভোর যেই খ্রিস্টান গির্জা, তা এখনও টিকে রয়েছে।

বসনিয়ার আধা খ্রিস্টান মুসলমানদের মতো এদেশের আধা হিন্দু মুসলমানদের কলিজাতেও প্রতিবেশী হিন্দুদের প্রতি ভালোবাসা মুহব্বত অত্যন্ত বেশি।

ঠিক সেভাবেই পরিস্থিতি এগোচ্ছে।

অচিরেই ভারতীয় সৈন্যরা সীমান্তের শহরগুলো দখল নিয়ে ধর্ষণ ক্যাম্প স্থাপন করবে বসনিয়ার মতো, মসজিদগুলো ভাঙবে বসনিয়ার মতো, আর মুসলমানরাও বেশি বেশি করে মণ্ডপ করে সেগুলো মিডিয়াতে প্রচার করবে, এবার মণ্ডপের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় এতো হাজার বেশি!

হ্যাঁ এমনটিই হবে, লিখে রাখেন।

সৈয়দ আলী আহসান লিখেছিল, সাতচল্লিশের পর পশ্চিমবঙ্গের বহু মসজিদকে গোয়ালঘরে পরিণত করা হয়, কিন্তু বাংলাদেশে মন্দিরগুলো অক্ষত রয়েছে। এটা লিখে লেখক তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলল।

যেন ওদের মসজিদ ভাঙার বদলে মন্দির অক্ষত রাখাটা বিরাট কৃতিত্ব। যেমনটি বসনিয়ায় মসজিদ ভাঙার বদলে গির্জা রাখাটা তারা মনে করে কৃতিত্ব।

মুসলমানদের একটি অদ্ভূত সমস্যা, তারা মন্দির-গির্জা রেখে সোয়াব কামাতে চায়! তারা কি মনে করে, মন্দির-গির্জা রেখে তারা আল্লাহ পাকের তরফ হতে সোয়াব কামাই করবে, যেখানে মন্দির-গির্জায় প্রতিনিয়ত নবী-রসূল তুলে গালিগালাজ করা হয়?

নাকি তারা কাফিরদের নিকট ছোয়াব প্রত্যাশা করে, যারা নিজেরাই জাহান্নামের পথযাত্রী?

ঘৃণার যুদ্ধে মুসলমান অনেক পিছিয়ে রয়েছে, লক্ষকোটি আলোকবর্ষ পিছিয়ে রয়েছে।

collected ://www.facebook.com/share/1auvLQxGm3/
ইহুদিদের চেয়ে হিন্দুদের বেশি ঘৃণা করা উচিৎ। যদি সেটা না করেন তাহলে আপনি মোদির সন্তান
কেন ঘৃণা করা উচিৎ https://www.facebook.com/100073557680087/posts/pfbid0beU8wVhcnSAmrnCMz8KBaz7hUMwZ1nkxjVqqsneHaLx7tXJmfcc1TN7M24XBiuJKl/?mibextid=CDWPTG

এটা দেখার পর যদি বলেন সব হিন্দুতো আর একরকম হয়না।তাহলে বুঝে নিবেন আপনার জন্মে সমস্যা আছে
বাংলাদেশের মুসলিম রা সত্যিই নির্বোধ।🥺 ভারতে হিন্ডুরা মুসলিম মেয়েদের যেখানে পাচ্ছে সেখান থেকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

আর বাংলাদেশের হি,,,ন্দু,রা মুসলিম মেয়েদেরকে
সুকৌশলে ভোগ করে যাচ্ছে। মুসলিম মেয়েদের ভোগ করা তাদের পেশা হয়ে গেছে। যেখানে তাদের কে হ,,ত্যা করার কথা ছিল সেখানে তারা আমাদের উপরই নির্যাতন করছে।

ছবিতে যাকে দেখছেন তার নাম রক্তিমশর্মা এক মুসলিম ছাএীকে প্রায় শেষ করার আগেই মানুষের হাতে ধারা পরে। কিন্তু মিডিয়া নিশ্চুপ 😭
সিলেট জল্লারপাড় ওয়াকওয়েতে ইসকনী মালাঊনের সাথে আটক এক হি'জাবি ন'ষ্টা।
সিলেটের কিছু ভাই ওদের আটকে রেখেছে।আশেপাশে যারা আছেন দ্রুত যান।
পানসী হোটেলের সামনে।মালাঊনের সাথে ক'**ন,ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট পাওয়া গেছে।

https://www.facebook.com/share/1CXWi9Giuo/
এটা কি বাংলাদেশ না ভা-র-ত আমি শিওর হতে পারছি না।

বাংলাদেশে এরকম ঘটনা অথচ মিডিয়া নীরব। তথাকথিত সুশীলরা ও নীরব। মানবতার স্লোগানদারীরা ও নীরব। যদি এখানে হুজুর হইতো?
যশোরের কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি এলাকায় ৯ বছরের এক শি*শু*কে ধ*র্ষ*ণে*র ঘটনায় পুলিশ জয়ন্ত বিশ্বাস (২০) নামে একজনকে গ্রেফতার করে।সে সাগরদাঁড়ি গ্রামের মালোপাড়ার শ্যামল বিশ্বাসের ছেলে।
এটা নিয়ে সুশীল সমাজ চুপ কেন?মিডিয়া হাইলাইটস নাই।
😁2
চোখ কপালে নয়, একদম মাথায় উঠে যাবে 🤨

খু''নি হাসিনার পতনে যারা তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন,
তারা একটু নিছে নামুন 👇

বাংলাদেশ সচিবালয় যখন হাসিনার হিন্দুয়ালয়!

*সচিব :মাত্র ৩ জন
১. ঊরুন দেব মিত্র,
২. উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত,
৩. রণজিত কুমার বিশ্বাস।

* অতিরিক্ত সচিব : মাত্র ৩২ জন
১. স্বপন কুমার সাহা, ২. ভীম চরণ রায়, ৩. জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ৪. স্বপন কুমার সরকার, ৫. শ্যামল কান্তি ঘোষ, ৬. অমলেন্দু মুখার্জি, ৭. প্রণব চক্রবর্তী, ৮. সিতান ঘোষ সেন. ৯. পরীক্ষিত দত্ত চৌধুরী, ১০. দীলিপ কুমার দাস, ১১. সাইমা পাল দে, ১২. বিজন কুমার বাইসা, ১৩. তাপস কুমার রায়, ১৪. প্রকাশ চন্দ্র দাস, ১৫. অসিত কুমার বসাক এডিসি, ১৬. দীলিপ কুমার বসাক এডিসি, ১৭. জগদীশ রায়, ১৮. সুশান চন্দ্র দাস, ১৯. কামাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, ২০. স্বপন কুমার রায়, ২১. পবন চৌধুরী, ২২. তপন কুমার কর্মকার, ২৩. অপরূপ কুমার সরকার, ২৪. আশিস কুমার চৌধুরী, ২৫. অশোক মাধব রায়, ২৬. তপন কুমার চক্রবর্তী, ২৭. জিসনু রায় চৌধুরী, ২৮. নাভাস চন্দ্র মণ্ডল,২৯. ড. আর রাখান চন্দ্র বরমন, ৩০. মোনজ কুমার রায়, ৩১. অমিতাভ চক্রবর্তী, ৩২. শুভাশীষ বোস।

*যুগ্ম সচিব : মাত্র ১৩১ জন

১. পরিমল চন্দ্র সাহা, ২. রতন কুমার সাহা, ৩. চন্দ্রনাথ বসাক, ৪. দীলিপ কুমার শর্মা, ৫. রবীন্দ্রনাথ রায়, ৬. গণেশ চন্দ্র সরকার, ৭. সুকুমার চন্দ্র রায়, ৮. ঈন্না লাল চৌধুরী, ৯. জীবন কুমার চৌধুরী, ১০. কুশলিয়া রানী বাগচি, ১১. তপন চন্দ্র মজুমদার, ১২. মনোজ মোহন মিত্র (এম এম মিত্র), ১৩. বিনয় ভূষণ তালুকদার, ১৪. পরেশ চন্দ্র রায়, ১৫. ড. অরুণা বিশ্বাস, ১৬. নিখিল চন্দ্র দাস, ১৭. অনন্ত কুমার চৌধুরী, ১৮. নারায়ণ চন্দ্র বরমা, ১৯. বিজন কান্তি সরকার, ২০. বিমান কুমার সাবা, এনডিসি, ২১. বিজয় ভট্টাচার্য, ২২. জ্যোতির্ময় সমাদ্দার, ২৩. রবীন্দ্রনাথ শর্মা, ২৪. কমলেশ কুমার দাস, ২৫. বিকাশ চন্দ্র সাবা, ২৬. বিকাশ কিশোরী দাস, ২৭. পতিত পবন বাইদিয়া, ২৮. আনন্দ চন্দ্র বিশ্বাস, ২৯. প্রশান্ত কুমার রায়, ৩০. অজিত কান্তি দাস, ৩১. মানিক চন্দ্র দে, ৩২. কালিরঞ্জন বরমা, ৩৩. তপন কান্তি শীল, ৩৪. গৌতম কুমার ঘোষ, ৩৫. বাসু দেব আচার্য, ৩৬. মানবিনরা (?) ভৌমিক, ৩৭. গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, ৩৮. বাবুল চন্দ্র রায়, ৩৯. পুণ্যাবর্তা চৌধুরী, ৪০. শংকর চন্দ্র রায়, ৪১. মলয় তালুকদার, ৪২. সুশান চন্দ্র রায়, ৪৩. মৃদুল কান্তি ঘোষ, ৪৪. গোকুল চন্দ্র দাস, ৪৫. সুবীর কিশোর চৌধুরী, ৪৬. পরিমল কুমার দেব, ৪৭. বিভাষ চন্দ্র পোদ্দার, ৪৮. শিখা সরকার, ৪৯. মনীন্দ্র নাথ রায়, ৫০. ধীরেন্দ্র (?) চন্দ্র দাস, ৫১. অমরিতা (?) রায়, ৫২. শশী কুমার সিং, ৫৩. সুনীল চন্দ্র পাল, ৫৪. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৫৫. সুপ্রিয় কুমার কুন্দু, ৫৬. মানিক লাল বণিক, ৫৭. জ্যোতির্ময় দত্ত, ৫৮. নারায়ণ চন্দ্র দাস, ৫৯. বিমল চন্দ্র দাস, ৬০. ভোলানাথ দে, ৬১. বাসুদেব গাঙ্গুলী, ৬২. অরুণ কুমার মালাকার, ৬৩. নিমাই চন্দ্র পাল, ৬৪. ড. নমিতা হালদার, ৬৫. সুুভাষ চন্দ্র সরকার, ৬৬. মরণ কুমার চক্রবর্তী, ৬৭. তপন কুমার ঘোষ, ৬৮. পিরায় সাহা, ৬৯. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহন্ত, ৭০. সুব্রত রায় মিত্র, ৭১. পরিতোষ চন্দ্র দাস, ৭২. দীপক কান্তি পাল, ৭৩. অরজিত চৌধুরী, ৭৪. বনমালী ভৌমিক, ৭৫. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৭৬. দীলিপ কুমার সাহা, ৭৭. ইতি রানী পোদ্দার, ৭৮. স্বপন চন্দ্র পাল, ৭৯. গোপা চৌধুরী, ৮০. অমিত কুমার বাউল, ৮১. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৮২. গাইতা বরতা সাহা, ৮৩. বিশ্বনাথ বণিক, ৮৪. প্রাণেশ চন্দ্র সূত্রধর, ৮৫. শাইমা প্রসাদ বেপারী, ৮৬. সুশান্ত কুমার সাহা, ৮৭. গৌতম কুমার ভট্টাচার্য, ৮৮. রঞ্জিত কুমার সেন, ৮৯. হরিপ্রসাদ পাল, ৯০. তপন চন্দ্র বণিক, ৯১. পার্থপ্রতীম দেব, ৯২. অভিজিত চৌধুরী, ৯৩. সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, ৯৪. শংকর রঞ্জন সাহা, ৯৫. ড. অর্ধেন্দু শেখর রায়, ৯৬. স্বর্ণকার প্রসাদ দে, ৯৭. প্রণব কুমার নিয়োগী, ৯৮. সন্তোষ কুমার অধিকারী, ৯৯. রমা রানী রায়, ১০০. তন্দ্রা শেখর, ১০১. সীমা সাহা, ১০২. সমরীতা রানী ঘরামী, ১০৩. পুলক রাজন শাহ, ১০৪. তপন কুমার সরকার, ১০৫. কংকাম নীলমণি সিং, ১০৬. মিনু শীল, ১০৭. ধীরেন্দ্র নাথ সরকার, ১০৮. অঞ্জলি রানী চক্রবর্তী, ১০৯. প্রণয় কান্তি বিশ্বাস, ১১০. তরু কান্তি ঘোষ, ১১১. প্রশান্ত কুমার দাস, ১১২. মনোজ কান্তি বড়াল, ১১৩. স্বপন কুমার বড়াল, ১১৪. বিষয় ভূষণ পাল, ১১৫. দীপক চক্রবর্তী, ১১৬. নিখিল রঞ্জন রায়, ১১৭. নন্দ দুলাল বণিক, ১১৮. সঞ্জয় কুমার চৌধুরী, ১১৯. গৌতম আইচ সরকার, ১২০. প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, ১২১. শিবনাথ রায়, ১২২. নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ, ১২৩. লক্ষ্মী চন্দ্র দেবনাথ, ১২৪. জয়তী পাল কুড়ি, ১২৫. জয়তী রানী বর্মণ, ১২৬. সুধাকর দত্ত, ১২৭. রেবা রানী সাহা, ১২৮. বিজন লাল দেব, ১২৯. হীরামণি বাড়ৈ, ১৩০. ড. কৃষ্ণ গাইন, ১৩১. শান্ত কুমার প্রামাণিক।

* উপসচিব : মাত্র ১২৫ জন
১. উত্তম কুমার রায়, ২. বিপুল চন্দ্র রায়, ৩. জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৪. তপন কুমার নাথ, ৫. বিকাশ চন্দ্র শিকদার, ৬. ড. নলিন রঞ্জন বসাক, ৭. জয়ন্তী স্যান্নাল, ৮. তপন কান্তি ঘোষ, ৯. রাম চন্দ্র দাস, ১০. প্রণব কুমার ঘোষ, ১১. রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ১২. কমলা রঞ্জন দাস, ১৩. পাঠান চন্দ্র পণ্ডিত, ১৪. নিতাই পদ দাস, ১৫. উত্পল কুমার দাস, ১৬. নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস, ১৭. অজিত কুমার পাল আকা, ১৮. মহাদেব বিশ্বাস, ১৯. বিজয় কুমার দেবনাথ, ২০. সুপ্রকাশ স্যান্নাল, ২১. তাপস কুমার বোস, ২২. জগন্নাথ খোকন, ২৩. শিশির কুমার রায়, ২৪. নন্দিতা সরকার, ২৫. মলয় কুমার রায়, ২৬. স্বপন কুমার ঘোষ, ২৭. কল্লোল কুমার চক্রবর্তী, ২৮. সায়েম কিশোর রায়, ২৯. প্রবীর কুমার চক্রবর্তী, ৩০. দিলীপ কুমার বণিক, ৩১. ননী গোপাল বিশ্বাস, ৩২. অনিল চন্দ্র দাস, ৩৩. নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, ৩৪. দুলাল কৃষ্ণ সাহা, ৩৫. শান্ত কুমার সাহা, ৩৬. মৃণাল কান্তি দেব, ৩৭. রাজিব চন্দ্র সরকার, ৩৮. সীতেন্দ্র কুমার সরকার, ৩৯. নীতিশ কুমার সরকার, ৪০. তুলসি রঞ্জন সাহা, ৪১. সুভাস চন্দ্র সাহা, ৪২. মনীন্দ্র কিশোর, ৪৩. সুশান্ত কুমার কুণ্ডু, ৪৪. সত্যজিত্ কর্মকার, ৪৫.অশোক কুমার দেবনাথ, ৪৬. সুবল বোস মণি, ৪৭. ড. তরুণ কান্তি সিকদার, ৪৮. বিশ্বজিত্ ভট্টাচার্য, ৪৯. সঞ্জয় কুমার বণিক, ৫০. সত্যরঞ্জন মণ্ডল, ৫১. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস, ৫২. রঞ্জন কুমার দাস, ৫৩. জয়ন্ত কুমার সরকার, ৫৪. অমিতাভ সরকার, ৫৫. প্রণব কুমার ঘোষ, ৫৬. মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৫৭. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, ৫৮. অরুণ চন্দ্র মহোত্তম, ৫৯. প্রণব কুমার রায়, ৬০. পলাশ কান্তি বালা, ৬১. সুব্রত পাল চৌধুরী, ৬২. দীপক রঞ্জন অধিকারী, ৬৩. শশাঙ্ক সুকুমার ভৌমিক, ৬৪. জনীন্দ্র নাথ সরকার, ৬৫. প্রদীপ কুমার দাস, ৬৬. গৌতম কুমার, ৬৭. শিবানী ভট্টাচার্য, ৬৮. নিতাই চন্দ্র সেন, ৬৯. মলাই চৌধুরী, ৭০. সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, ৭১. রঞ্জিত কুমার, ৭২. কৃষ্ণ কান্ত বিশ্বাস, ৭৩. তপন কুমার সাহা, ৭৪. অমল কৃষ্ণ মণ্ডল, ৭৫. নিরঞ্জন দেবনাথ, ৭৬. লিপিকা ভদ্র, ৭৭. সুলেখা রানী বসু, ৭৮. বিদিকা রায় চৌধুরী, ৭৯. দীলিপ কুমার বণিক, ৮০. মনোজ কুমার রায়, ৮১. পরিমল সিং, ৮২. সমরিতা কর্মকার, ৮৩. পিকা রানী বলয়, ৮৪. তপন কুমার বিশ্বাস, ৮৫. ড. সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস, ৮৬. গুহলাল সিং, ৮৭. গৌতম চন্দ্র পাল, ৮৮. তন্ময় দাস, ৮৯. বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ, ৯০. প্রদেশ কান্তি দাস, ৯১. মনোরঞ্জন বিশ্বাস, ৯২. অসীম কুমার দে, ৯৩. অজিত কুমার দেবনাথ, ৯৪. পীযূষ কান্তি নাথ, ৯৫. পাঠান কুমার সরকার, ৯৬. সুকুমার চন্দ্র কুণ্ডু, ৯৭. আশিস কুমার সাহা, ৯৮. শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, ৯৯. অজিত কুমার ঘোষ, ১০০. উত্তম কুমার কর্মকার, ১০১. সাইয়ান কুমার দাস, ১০২. সুসানতা কুমার সরকার, ১০৩. বালাই কারিসনা হাজরা, ১০৪. নীরঞ্জন কুমার মণ্ডল, ১০৫. ব্রজগোপাল ভৌমিক, ১০৬. ড. অনিমা রানী নাথ, ১০৭. গুরাথ কুমার সরকার, ১০৮. স্বপন কুমার ভৌমিক, ১০৯. গীতাঞ্জলী চৌধুরী, ১১০. পঙ্কজ কুমার পাল, ১১১. ননী গোপাল মণ্ডল, ১১২. সন্তোষ কুমার পণ্ডিত, ১১৩. শ্যামল কুমার সিংহ, ১১৪. অসীম কুমার বালা, ১১৫. মহেশ চন্দ্র রায়, ১১৬. গৌরী সরকার ভট্টাচার্য, ১১৭. দীপঙ্কর মণ্ডল, ১১৮. অজয় কুমার চক্রবর্তী, ১১৯. সুকাশ কর্মকার, ১২০. স্বপন কুমার মণ্ডল, ১২১. প্রদীপ কুমার সাহা, ১২২. বিজয় রঞ্জন সাহা, ১২৩. বলনাথ পাল, ১২৪. নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ, ১২৫ সঞ্জীব কুমার দেবনাথ

* সিনিয়র সহকারী সচিব : মাত্র ৫১ জন

১. কিরণ চন্দ্র রায়, ২. দেবাশীষ রায়, ৩. অপর্ণা দে, ৪. শৈলেন্দ্র নাথ মণ্ডল, ৫. রাজীব ভট্টাচার্য, ৬. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, ৭. নীরদ চন্দ্র মণ্ডল, ৮. দীপঙ্কর বিশ্বাস, ৯. আনন্দ কুমার বিশ্বাস, ১০. বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ১১. পরিমল সরকার, ১২. অঞ্জন চন্দ্র পাল, ১৩. বেবী রানী কর্মকার, ১৪. রথীন্দ্রনাথ দত্ত, ১৫. সঞ্জয় কুমার নাথ, ১৬. সরোজ কুমার নাথ, ১৭. পরিতোষ হাজরা, ১৭. পরিতোষ হাজরা, ১৮. সাতি আকাম সিন, ১৯. দেবজিত সিংহ, ২০. গোপাল চন্দ্র দাস, ২১. নীল রতন সরকার, ২২. কালা চান সিংহ, ২৩. প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, ২৪. অতিন কুমার কুণ্ডু, ২৫. ধনাঞ্জয় কুমার দাস, ২৬. দেবেন্দ্র চক্রবর্তী, ২৭. দেবাশীষ নাগ, ২৮. অতুল সরকার, ২৯. অভিজিত রায়, ৩০. সুব্রত কুমার শিকদার, ৩১. অপূর্ব কুমার মণ্ডল, ৩২. অরুণ কুমার মণ্ডল, ৩৩. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৩৪. সুজিত কুমার রায়, ৩৫. প্রিয়া সিংধু তালুকদার, ৩৬. অনুপ কুমার তালুকদার, ৩৭. সুব্রত কুমার দে, ৩৮. হিল্লোল বিশ্বাস, ৩৯. দেবময় দেওয়ান, ৪০. মিনাক্ষ্মী বর্মন, ৪১. দেবপ্রসাদ পাল, ৪২. বনানী বিশ্বাস, ৪৩. সঞ্জীব কুমার দেবনাথ, ৪৪. দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, ৪৫. খোকন কান্তি সাহা, ৪৬. সরবাসটি রায়, ৪৭. সুব্রত পাল, ৪৮. সিদ্ধার্থ শংকর কুণ্ডু, ৪৯. দিবি চন্দ, ৫০. বাদল চন্দ্র হালদার, ৫১. মৃণাল কান্তি দে, ৫২. পঙ্কজ ঘোষ, ৫২. সন্দীপ কুমার সিংহ।

* সহকারী সচিব : মাত্র ৯৬ জন!
১. পল্লব কুমার ব্যানার্জী, ২. গোপাল কৃষ্ণ পাল, ৩. অরুণ কান্তি মজুমদার, ৪. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ৫. ড. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৬. তপন কুমার চক্রবর্তী, ৭. পতিত পবন দেবনাথ, ৮. উত্তম কুমার পাল, ৯. সুধীর চন্দ্র রায়, ১০. কানাই লাল শীল, ১১. পরিমল চন্দ্র পাল, ১২. প্রতিভা রানী কুণ্ডু, ১৩. কালচাঁদ সরকার, ১৪. দীলিপ কুমার দেবনাথ, ১৫. পাপিয়া ঘোষ, ১৬. রীনা রানী সাহা, ১৭. অসীম কুমার কর্মকার, ১৮. সুদীপ্ত দাস, ১৯. রাজীব কুমার সরকার, ২০. অপর্ণা ভাইডা, ২১. রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ২২. সন্দীপ কুমার সরকার, ২৩. রাজীব কুমার রায়. ২৪. মল্লিকা দে, ২৫. জ্যোতিকা সরকার, ২৬. শীলবর্তা কর্মকার, ২৭. সুজন চৌধুরী, ২৮. ঝুমুর বালা, ২৯. শঙ্খমালা, ৩০. উত্তম কুমার দে, ৩১. অনিন্দিতা রায়, ৩২. প্রদীপ সিংহ, ৩৩.দেবেন্দ্রনাথ উরন, ৩৪. প্রশ্রান্ত কুমার দাস, ৩৫. মরার্জী দেশাই বর্মণ, ৩৬. শিল্পী রানী রায়, ৩৭. ভাস্কার বিভানাথ বাপ্পী, ৩৮. বিনীতা বিশ্বাস, ৩৯. অপর্ণা দেবনাথ, ৪০. সুবর্ণা সরকার, ৪১. সুজীদ হালদার, ৪২. মৌসুমী সরকার পাখি, ৪৩. রুপালী মণ্ডল, ৪৪. সমর কান্তি বসাক, ৪৫. অমিতাভ পরাগ তালুকদার, ৪৬. পিন্টু ব্যাপারী, ৪৭. উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, ৪৮. নমীতা দে, ৪৯.দীপঙ্কর রায়, ৫০. গৌরাঙ্গ কুমার চৌধুরী, ৫১. দীপক কুমার রায়, ৫২. কমল কুমার ঘোষ, ৫৩. দীপঙ্কর রায়, ৫৪. প্রশান কুমার চক্রবর্তী, ৫৫. তুষার কুমার পাল, ৫৬. বিশ্বজিত্ কুমার পাল, ৫৭. প্রভাসু সুমি মৌহান, ৫৮. অনির্বাণ নিয়োগী, ৫৯. মিন্টু চৌধুরী, ৬০. তন্ময় মজুমদার, ৬১. বীথি দেবনাথ, ৬২. শীলু রায়, ৬৩. শম্পা কুণ্ডু, ৬৪. মুকুল কুমার মিত্র, ৬৫. শঙ্কর কুমার বিশ্বাস, ৬৬. অসীম চন্দ্র মল্লিক, ৬৭. বীজন ব্যানার্জী, ৬৮. চিত্রা শিকারী, ৬৯. শিমুল কুমার সাহা, ৭০. জুতন চন্দ্র, ৭১. স্নেহাশীষ দাস, ৭২. নিক্সন বিশ্বাস, ৭৩. মিল্টন চন্দ্র রায়, ৭৪. নির্ঝর অধিকারী, ৭৫. অমিত দেবনাথ, ৭৬. সাসুতি শীল, ৭৭. পরিন্দ্র দেব, ৭৮. আজীন কুমার সরকার, ৭৯. সুমীর বিশ্বাস, ৮০. পূর্বাণী গোলদার, ৮১. প্রণতি বিশ্বাস, ৮২. বিভীষণ কান্তি দাস, ৮৩. পলক কান্তি চক্রবর্তী, ৮৪. ওনমী চক্রবর্তী, ৮৫. বিকাশ বিশ্বাস, ৮৬. জীতেন্দ্র কুমার নাথ, ৮৭. জয়ন্তী রুপা রায়, ৮৮. শতরুপা তালুকদার, ৮৯. রামকৃষ্ণ বর্মণ, ৯০. কল্যাণ চৌধুরী, ৯১. ডিবাংসু কুমার সিনহা, ৯২. সুজতী ধর, ৯৩. মৌসুমী বাইন হিরা, ৯৪. টীনা পাল, ৯৫. সাথী অজিত রায় দাস, ৯৬. সাজুতী দেবনাথ।

*অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ৪ জন!

১. সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, ২. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৩. স্বপন কুমার রায়, ৪. নারায়ণ দত্ত বর্মা।

*উপবিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ৫ জন

১. অমিতাভ সরকার, ২. রামচন্দ্র দাস, ৩. মনোজ কান্তি বড়াল, ৪. মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৫. মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার।

*অতিরিক্ত উপবিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ১০ জন!

১. ডা. সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, ২. বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ৩. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, ৪. অঞ্জন চন্দ্র পাল, ৫. দীপঙ্কর বিশ্বাস, ৬. কালা চন্দ্র সিনহা, ৭. অনন্দ্র কুমার বিশ্বাস, ৮. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ৯. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, ১০. দেবজীত্ সিনহা

*উপজেলা নির্বাহী অফিসার : ১৩.

দেবপ্রসাদ পাল, ২. অভিজিত্ রায়, ৩. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৪. সুব্রত কুমার দে, ৫. প্রিয়াসিন্ধু তালুকদার, ৬. সুব্রত কুমার শিকদার, ৭. সুব্রত পাল, ৮. অরুণ কুমার মণ্ডল, ৯. দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, ১০. বনানী বিশ্বাস, ১১. দেবী চন্দ্র, ১২. মৃনাল কান্তি দে, ১৩. সিদ্ধার্থ সরকার কুণ্ড, ১৪. পঙ্কজ ঘোষ।
নাম না জানা আরও হাজার হাজার সরকারি কর্মকর্তা আছেন।

মাথা খারাপ করা তথ্য 😇
গোটা দেশটাই যেনো হিন্দুদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদের এপোয়েটমেন্ট দিয়েছিলো হাসিনা..
জাস্ট চোরের পরিবর্তণ হয়েছে, চুরির পরিবর্তন হয় নাই।
হাসিনার আমলে যে সকল হি:ন্দুদের এদেশকে মহা:ভা'রতের অংশ বানানোর জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারা সবাই তাদের স্বপদে বহাল আছে! এমনকি সম্প্রতি লেফটেন্যান্ট ইন্তেসারকে চাকরিচ্যুত করা সহ ভয়াবহ কিছু বিষয় দেখতে পাচ্ছি।
সম্ভবত ওসি প্রদীপের বিচার‌ও হবে না, যেকোন ছূতোয় সে পালিয়ে যাবে বা বেঁচে যাবে।
Copy
https://www.facebook.com/share/p/18u49zM4B2/
2
এখানে দুইটা হিন্ডু! মুস_লিম মেয়েকে পটিয়েছে! এরপর নবমুসলিম সেজে মেয়েকে বিয়ে করেছে! মেয়ে তো ভাবছে তারজন্য হিন্ডু ধর্ম ছেড়ে মুসলিম হয়েছে! বহুত সওয়াব কমায় করে ফেলেছেন! পরিবার ছেড়ে শহরে বাসা নিয়েছে! হিন্ডু ছেলে কয়েকমাস মুসলিমের অভিনয় করে মেয়েকে ভোগ করে সুযোগ বুঝে পালিয়ে গিয়েছে! এখন আমাদের কাছে কান্না করছে! ভাইয়া, "আমার সুই_সাইড করা ছাড়া উপায় নেই! ওকে শা_স্তি দেন!"

বোনদেরকে বলছি, কোন অপরিচিত অথবা হিন্ডু ছেলেকে মুসলিম বানাতে যাবেন না! কোন নবমুসলিমকে বিয়ে করবেন না। নয়তো সারাজীবন কান্না করবেন।
©Jamsed Hossain
1