" সীরাতুর রাসুল সা : নবী জীবনের চর্চা " শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
রাসুল সা সীরাত এবং সুরতের সুরকে দেশের প্রতিটা মেডিকেল ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দিতে মেডিকেল দাওয়াহ সোসাইটি অব বাংলাদেশ প্রতিবছর সীরাতের উপর নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।
প্রতি বছর এর ধারাবাহিকতায় এবার সীরাতের উপর গবেষণা ধর্মী "প্রবন্ধ লিখন প্রতিযোগিতার" আয়োজন করে।
নির্বাচিত প্রবন্ধ সমুহ নিয়ে ❝ সীরাতুর রাসুল সা : নবী জীবনের চর্চা❞ নামক বই প্রকাশ করা হয়েছে।
মেডিকেল দাওয়াহ সেমিনার ২৬' এর আয়োজনে উক্ত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
মোড়ক উন্মোচন পর্বে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল দাওয়াহ সেমিনার ২০২৬ এর প্রধান অতিথি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদ এর সাবেক ডিন, চৌধুরি মাহমুদ হাসান স্যার।
আরো উপস্থিত ছিলেন, উক্ত গ্রন্থের সম্পাদক, বিশিষ্ট অনুবাদক, লেখক মুহাম্মাদ সাজ্জাদ হুসাইন খান.
রাসুল সা সীরাত এবং সুরতের সুরকে দেশের প্রতিটা মেডিকেল ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দিতে মেডিকেল দাওয়াহ সোসাইটি অব বাংলাদেশ প্রতিবছর সীরাতের উপর নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।
প্রতি বছর এর ধারাবাহিকতায় এবার সীরাতের উপর গবেষণা ধর্মী "প্রবন্ধ লিখন প্রতিযোগিতার" আয়োজন করে।
নির্বাচিত প্রবন্ধ সমুহ নিয়ে ❝ সীরাতুর রাসুল সা : নবী জীবনের চর্চা❞ নামক বই প্রকাশ করা হয়েছে।
মেডিকেল দাওয়াহ সেমিনার ২৬' এর আয়োজনে উক্ত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
মোড়ক উন্মোচন পর্বে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল দাওয়াহ সেমিনার ২০২৬ এর প্রধান অতিথি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদ এর সাবেক ডিন, চৌধুরি মাহমুদ হাসান স্যার।
আরো উপস্থিত ছিলেন, উক্ত গ্রন্থের সম্পাদক, বিশিষ্ট অনুবাদক, লেখক মুহাম্মাদ সাজ্জাদ হুসাইন খান.
❤11
আজ ১০ রমাদান।
উম্মুল মুমিনিন হজরত খাদিজা রা. এ দিনে ইন্তেকাল করেন।
হজরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রা. শুধু প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী মানুষই নন; বরং নবুওয়াতের কঠিন সূচনালগ্নে ইসলামের সবচেয়ে বড় সহায় ও আশ্রয় ছিলেন। রাসূল সা. প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করার পর থেকে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
একটি পর্যায়ে কুরাইশদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবরোধ (শিবে আবি তালিবের অবরোধ) দীর্ঘ প্রায় তিন বছর স্থায়ী হয়। এই সময় খাদ্যসংকট, কষ্ট, অনাহার ও মানসিক চাপ মুসলমানদের দুর্বল করে দেয়। হযরত খাদিজা (রা.) তখন বয়সে প্রবীণ। অবরোধের সময় নিজের সমস্ত সম্পদ মুসলমানদের জন্য ব্যয় করেন। পরিবার ও দাওয়াতকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি যা কিছু ছিল সব উজাড় করে দেন।
কিন্তু দীর্ঘ কষ্ট, অনাহার এবং শারীরিক দুর্বলতার কারণে অবরোধ শেষে তাঁর স্বাস্থ্য দ্রুত ভেঙে পড়ে। অবশেষে নবুওয়াতের দশম বছরে, রমজান মাসের ১০ তারিখে তিনি ইন্তেকাল করেন। খাদিজা (রা.)–এর ইন্তেকালের অল্প কিছুদিন পরই রাসূল (সা.)–এর চাচা আবু তালিবও মৃত্যুবরণ করেন। খাদিজা (রা.) ছিলেন ঘরের ভেতরের শক্তি আর আবু তালিব ছিলেন বাইরের সামাজিক নিরাপত্তা। এই দুই স্তম্ভ হারিয়ে নবীজি গভীরভাবে শোকাহত হন। ইতিহাসে এই বছরটি “আমুল হুযন” বা শোকের বছর নামে পরিচিত।।
হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন রাসূল সা. এর জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। রাসূল (সা.) পরবর্তী জীবনেও বারবার তাঁর স্মৃতি স্মরণ করতেন। অন্যান্য স্ত্রীগণ কখনো কখনো ঈর্ষান্বিত হলেও নবীজি সা. খাদিজা (রা.)–এর অবদান কখনো ভুলে যাননি। হাদিসে এসেছে, কোনো পশু জবাই করলে নবীজি খাদিজা (রা.)–এর বান্ধবীদের কাছেও গোশত পাঠাতেন। এটি তাঁর প্রতি আজীবন ভালোবাসার এক বিরল দৃষ্টান্ত।
খাদিজা রা. প্রসঙ্গে অন্য এক হাদিসে রাসূল সা. বলেন, “যে সময় লোকেরা আমার সঙ্গে কুফরি করল সেই সময়ে তিনি আমার প্রতি নিটোল বিশ্বাস স্থাপন করলেন, যে সময় লোকেরা আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল সে সময় তিনি আমাকে দান করলেন, আর লোকেরা যখন আমাকে বঞ্চিত করল, তখন তিনি আমাকে তার সম্পদে অংশীদার করলেন। আল্লাহ আমাকে তার গর্ভে সন্তানাদি প্রদান করলেন, অন্য কোনো স্ত্রীর গর্ভে সন্তান দেননি। (মুসনাদে আহমাদ, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. : ১১৮)
সহিহ বুখারিতে আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত আছে যে, জিবরাইল আ. নবী কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আগমন করে বললেন যে, হে আল্লাহর রাসুল! যখন খাদিজা আপনার নিকট এসে পৌঁছবেন তখন আপনি তাকে তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সালাম বলবেন এবং জান্নাতে মতির তৈরি একটি মহলের সুসংবাদ প্রদান করবেন। যার মধ্যে কোনো হট্টগোল বা হইচই হবে না, কোনো প্রকার ক্লান্তি ও শ্রান্তি আসবে না। (সহিহ বুখারি খাদিজার সাথে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবাহ ও তার ফজিলত অধ্যায়, ১ম খণ্ড, পৃ : ৫৩৯)
অন্য হাদিসে মহানবী (সা.) খাদিজা (রা.)-এর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দিয়েছেন। আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সৃষ্টিজগতের মধ্যে চারজন নারী শ্রেষ্ঠ। তাঁরা হলেন, মারইয়াম বিনতে ইমরান, ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া, খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ ও ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ।’ (তিরমিজি: ৩৮৭৪; আহমাদ: ১২৪১৪)
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে চিন্তা চেতনায় হজরত খাদিজা রা. এর কুরবানি, বলিষ্ঠতা, সততা ও স্বামীর সাথে তার সহযোগী ভূমিকাকে যথাযথভাবে মুল্যায়ন করার তাওফিক দিন। আমিন।
উম্মুল মুমিনিন হজরত খাদিজা রা. এ দিনে ইন্তেকাল করেন।
হজরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রা. শুধু প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী মানুষই নন; বরং নবুওয়াতের কঠিন সূচনালগ্নে ইসলামের সবচেয়ে বড় সহায় ও আশ্রয় ছিলেন। রাসূল সা. প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করার পর থেকে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
একটি পর্যায়ে কুরাইশদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবরোধ (শিবে আবি তালিবের অবরোধ) দীর্ঘ প্রায় তিন বছর স্থায়ী হয়। এই সময় খাদ্যসংকট, কষ্ট, অনাহার ও মানসিক চাপ মুসলমানদের দুর্বল করে দেয়। হযরত খাদিজা (রা.) তখন বয়সে প্রবীণ। অবরোধের সময় নিজের সমস্ত সম্পদ মুসলমানদের জন্য ব্যয় করেন। পরিবার ও দাওয়াতকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি যা কিছু ছিল সব উজাড় করে দেন।
কিন্তু দীর্ঘ কষ্ট, অনাহার এবং শারীরিক দুর্বলতার কারণে অবরোধ শেষে তাঁর স্বাস্থ্য দ্রুত ভেঙে পড়ে। অবশেষে নবুওয়াতের দশম বছরে, রমজান মাসের ১০ তারিখে তিনি ইন্তেকাল করেন। খাদিজা (রা.)–এর ইন্তেকালের অল্প কিছুদিন পরই রাসূল (সা.)–এর চাচা আবু তালিবও মৃত্যুবরণ করেন। খাদিজা (রা.) ছিলেন ঘরের ভেতরের শক্তি আর আবু তালিব ছিলেন বাইরের সামাজিক নিরাপত্তা। এই দুই স্তম্ভ হারিয়ে নবীজি গভীরভাবে শোকাহত হন। ইতিহাসে এই বছরটি “আমুল হুযন” বা শোকের বছর নামে পরিচিত।।
হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন রাসূল সা. এর জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। রাসূল (সা.) পরবর্তী জীবনেও বারবার তাঁর স্মৃতি স্মরণ করতেন। অন্যান্য স্ত্রীগণ কখনো কখনো ঈর্ষান্বিত হলেও নবীজি সা. খাদিজা (রা.)–এর অবদান কখনো ভুলে যাননি। হাদিসে এসেছে, কোনো পশু জবাই করলে নবীজি খাদিজা (রা.)–এর বান্ধবীদের কাছেও গোশত পাঠাতেন। এটি তাঁর প্রতি আজীবন ভালোবাসার এক বিরল দৃষ্টান্ত।
খাদিজা রা. প্রসঙ্গে অন্য এক হাদিসে রাসূল সা. বলেন, “যে সময় লোকেরা আমার সঙ্গে কুফরি করল সেই সময়ে তিনি আমার প্রতি নিটোল বিশ্বাস স্থাপন করলেন, যে সময় লোকেরা আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল সে সময় তিনি আমাকে দান করলেন, আর লোকেরা যখন আমাকে বঞ্চিত করল, তখন তিনি আমাকে তার সম্পদে অংশীদার করলেন। আল্লাহ আমাকে তার গর্ভে সন্তানাদি প্রদান করলেন, অন্য কোনো স্ত্রীর গর্ভে সন্তান দেননি। (মুসনাদে আহমাদ, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. : ১১৮)
সহিহ বুখারিতে আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত আছে যে, জিবরাইল আ. নবী কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আগমন করে বললেন যে, হে আল্লাহর রাসুল! যখন খাদিজা আপনার নিকট এসে পৌঁছবেন তখন আপনি তাকে তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সালাম বলবেন এবং জান্নাতে মতির তৈরি একটি মহলের সুসংবাদ প্রদান করবেন। যার মধ্যে কোনো হট্টগোল বা হইচই হবে না, কোনো প্রকার ক্লান্তি ও শ্রান্তি আসবে না। (সহিহ বুখারি খাদিজার সাথে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবাহ ও তার ফজিলত অধ্যায়, ১ম খণ্ড, পৃ : ৫৩৯)
অন্য হাদিসে মহানবী (সা.) খাদিজা (রা.)-এর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দিয়েছেন। আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সৃষ্টিজগতের মধ্যে চারজন নারী শ্রেষ্ঠ। তাঁরা হলেন, মারইয়াম বিনতে ইমরান, ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া, খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ ও ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ।’ (তিরমিজি: ৩৮৭৪; আহমাদ: ১২৪১৪)
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে চিন্তা চেতনায় হজরত খাদিজা রা. এর কুরবানি, বলিষ্ঠতা, সততা ও স্বামীর সাথে তার সহযোগী ভূমিকাকে যথাযথভাবে মুল্যায়ন করার তাওফিক দিন। আমিন।
❤21👍2
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজে মেডিকেল দাওয়াহ সোসাইটি অব বাংলাদেশ আয়োজন করে রমাদান গাইডলাইন ও হাফেজে কোরআন সংবর্ধনা।
শুধুমাত্র ছাত্রভাইদের অংশগ্রহণে আয়োজন হয়ে উঠে বারাকাহময়। কলেজের মোট ৫জন হাফেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দাওয়াহ সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হাদিয়া প্রদান করা হয়েছে। মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা হাফেজ ডা. মাহমুদুল বাশার।
কলেজের ইমাম সাহেব ও হাফেজ সাহেবের মোনাজাত ও ইফতারের মধ্য দিয়ে প্রোগামে সমাপ্ত হয়।
শুধুমাত্র ছাত্রভাইদের অংশগ্রহণে আয়োজন হয়ে উঠে বারাকাহময়। কলেজের মোট ৫জন হাফেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দাওয়াহ সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হাদিয়া প্রদান করা হয়েছে। মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা হাফেজ ডা. মাহমুদুল বাশার।
কলেজের ইমাম সাহেব ও হাফেজ সাহেবের মোনাজাত ও ইফতারের মধ্য দিয়ে প্রোগামে সমাপ্ত হয়।
❤9👍3