১. পূর্ববর্তী মার্কেটের অবস্থা: হাইলাইট করা ক্যান্ডেলের আগের ক্যান্ডেলটি ছিল একটি ছোট গ্রিন ক্যান্ডেল। এটি নির্দেশ করছিল যে মার্কেটে ক্রেতাদের শক্তি খুব সীমিত ছিল এবং পূর্বের একটি বড় রেড ক্যান্ডেলের ডাউনট্রেন্ড বা সেলিং প্রেসারের পর মার্কেট খুব একটা শক্তিশালীভাবে উপরে উঠতে পারছিল না।
২. হাইলাইট করা রেড ক্যান্ডেলের কারণ:
সেলারদের আধিপত্য: হাইলাইট করা ক্যান্ডেলটির বডি বেশ বড়, যা নির্দেশ করে যে মার্কেটে সেলারদের (বিক্রেতাদের) প্রবল আধিপত্য ছিল।
রিজিসটেন্স বা সেলিং প্রেশার: আগের গ্রিন ক্যান্ডেলটির পর যখন প্রাইস সামান্য উপরে উঠার চেষ্টা করে, তখন সেখানে বিক্রেতারা সক্রিয় হয়ে ওঠে। মার্কেট সেই লেভেলে টিকে থাকতে ব্যর্থ হয় এবং পুনরায় সেলিং প্রেশার শুরু হয়।
মোমেন্টাম বজায় থাকা: আগের বড় ডাউনট্রেন্ডের পর এই রেড ক্যান্ডেলটি নির্দেশ করে যে মার্কেটের নিম্নমুখী মোমেন্টাম বা গতি এখনো বজায় আছে, যা প্রাইসকে আরও নিচে ঠেলে দিয়েছে।
২. হাইলাইট করা রেড ক্যান্ডেলের কারণ:
সেলারদের আধিপত্য: হাইলাইট করা ক্যান্ডেলটির বডি বেশ বড়, যা নির্দেশ করে যে মার্কেটে সেলারদের (বিক্রেতাদের) প্রবল আধিপত্য ছিল।
রিজিসটেন্স বা সেলিং প্রেশার: আগের গ্রিন ক্যান্ডেলটির পর যখন প্রাইস সামান্য উপরে উঠার চেষ্টা করে, তখন সেখানে বিক্রেতারা সক্রিয় হয়ে ওঠে। মার্কেট সেই লেভেলে টিকে থাকতে ব্যর্থ হয় এবং পুনরায় সেলিং প্রেশার শুরু হয়।
মোমেন্টাম বজায় থাকা: আগের বড় ডাউনট্রেন্ডের পর এই রেড ক্যান্ডেলটি নির্দেশ করে যে মার্কেটের নিম্নমুখী মোমেন্টাম বা গতি এখনো বজায় আছে, যা প্রাইসকে আরও নিচে ঠেলে দিয়েছে।
সেলিং প্রেশার: আগের বড় রেড ক্যান্ডেলটি দেখায় যে বাজারে বিক্রেতাদের আধিপত্য বেশি। হাইলাইট করা ক্যান্ডেলটির আগের ক্যান্ডেলটি ছিল একটি শক্তিশালী বিয়ারিশ ক্যান্ডেল।
মার্কেট ইনডিসিজন: হাইলাইট করা ক্যান্ডেলটি ছোট বডির এবং এর উপরের ও নিচের দিকে শ্যাডো (wick) আছে। এটি নির্দেশ করে যে ক্রেতারা দাম বাড়াতে চাইলেও বিক্রেতারা তা বাধা দিচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত বিক্রেতাদের চাপে দাম ক্যান্ডেলের ওপেনিং প্রাইসের নিচে ক্লোজ হয়েছে।
ট্রেন্ড কন্টিনিউয়েশন: যেহেতু মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে আছে, তাই ক্রেতাদের শক্তি কম থাকায় পুলব্যাক বা রিজেকশন পেলেই বিক্রেতারা আবার সেল করতে শুরু করে, যা ক্যান্ডেলটিকে রেড ক্লোজ করায়।
মার্কেট ইনডিসিজন: হাইলাইট করা ক্যান্ডেলটি ছোট বডির এবং এর উপরের ও নিচের দিকে শ্যাডো (wick) আছে। এটি নির্দেশ করে যে ক্রেতারা দাম বাড়াতে চাইলেও বিক্রেতারা তা বাধা দিচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত বিক্রেতাদের চাপে দাম ক্যান্ডেলের ওপেনিং প্রাইসের নিচে ক্লোজ হয়েছে।
ট্রেন্ড কন্টিনিউয়েশন: যেহেতু মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে আছে, তাই ক্রেতাদের শক্তি কম থাকায় পুলব্যাক বা রিজেকশন পেলেই বিক্রেতারা আবার সেল করতে শুরু করে, যা ক্যান্ডেলটিকে রেড ক্লোজ করায়।
সেলিং প্রেশার: আগের গ্রিন ক্যান্ডেলটি দাম কিছুটা উপরে নিয়ে গেলেও, হাইলাইট করা ক্যান্ডেলের শুরুতেই বিক্রেতারা (Sellers) সক্রিয় হয়ে ওঠে।
রিজেকশন: ক্যান্ডেলটির উপরের দিকে শ্যাডো (wick) লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ক্রেতারা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলেও বিক্রেতাদের প্রবল চাপে দাম পুনরায় নিচের দিকে নেমে আসে।
ট্রেন্ডের প্রভাব: সামগ্রিক মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে থাকায়, সামান্য গ্রিন ক্যান্ডেল তৈরি হলেও সেটিকে টেকসই হতে না দিয়ে বিক্রেতারা আবারও মার্কেট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়, ফলে ক্যান্ডেলটি রেড ক্লোজ হয়েছে।
রিজেকশন: ক্যান্ডেলটির উপরের দিকে শ্যাডো (wick) লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ক্রেতারা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলেও বিক্রেতাদের প্রবল চাপে দাম পুনরায় নিচের দিকে নেমে আসে।
ট্রেন্ডের প্রভাব: সামগ্রিক মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে থাকায়, সামান্য গ্রিন ক্যান্ডেল তৈরি হলেও সেটিকে টেকসই হতে না দিয়ে বিক্রেতারা আবারও মার্কেট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়, ফলে ক্যান্ডেলটি রেড ক্লোজ হয়েছে।
সাপোর্ট জোন থেকে রিজেকশন: হাইলাইট ক্যান্ডেলটির আগের ক্যান্ডেলগুলোতে দেখা যাচ্ছে যে মার্কেট নিচের দিকে নামার চেষ্টা করলেও 1.13640 লেভেলের কাছাকাছি একটি স্ট্রং সাপোর্ট বা ক্রেতার উপস্থিতি (buyer zone) ছিল, যেখান থেকে প্রাইস দ্রুত উপরের দিকে ঠেলে উঠেছে।
ডাউনট্রেন্ডের পর রিভার্সাল বা পুলব্যাক: চার্চের বাম দিকের বড় ড্রপ বা ডাউনট্রেন্ডের পর মার্কেট ওভারসোল্ড জোনে পৌঁছে গিয়েছিল এবং সেখান থেকে ক্রেতারা বাইং প্রেসার (buying pressure) বাড়াতে শুরু করে।
পূর্ববর্তী ক্যান্ডেলের ব্রেকআউট ও মোমেন্টাম: হাইলাইট ক্যান্ডেলের ঠিক আগের ক্যান্ডেলটি একটি ছোট রেড ক্যান্ডেল হলেও তার আগের ক্যান্ডেলগুলোতে লোয়ার হাই (lower low) তৈরি করা বন্ধ হয়ে প্রাইস কনসোলিডেট হচ্ছিল এবং বুলিশ মোমেন্টাম তৈরি হচ্ছিল।
বায়ার্স ডমিনেশন: হাইলাইট ক্যান্ডেলটি শুরু হওয়ার সাথে সাথেই বিক্রেতাদের (sellers) তুলনায় ক্রেতাদের চাপ বেশি থাকায় এটি ওপেনিং প্রাইস থেকে দ্রুত উপরে উঠে একটি সবুজ ক্যান্ডেলে রূপ নেয়।
ডাউনট্রেন্ডের পর রিভার্সাল বা পুলব্যাক: চার্চের বাম দিকের বড় ড্রপ বা ডাউনট্রেন্ডের পর মার্কেট ওভারসোল্ড জোনে পৌঁছে গিয়েছিল এবং সেখান থেকে ক্রেতারা বাইং প্রেসার (buying pressure) বাড়াতে শুরু করে।
পূর্ববর্তী ক্যান্ডেলের ব্রেকআউট ও মোমেন্টাম: হাইলাইট ক্যান্ডেলের ঠিক আগের ক্যান্ডেলটি একটি ছোট রেড ক্যান্ডেল হলেও তার আগের ক্যান্ডেলগুলোতে লোয়ার হাই (lower low) তৈরি করা বন্ধ হয়ে প্রাইস কনসোলিডেট হচ্ছিল এবং বুলিশ মোমেন্টাম তৈরি হচ্ছিল।
বায়ার্স ডমিনেশন: হাইলাইট ক্যান্ডেলটি শুরু হওয়ার সাথে সাথেই বিক্রেতাদের (sellers) তুলনায় ক্রেতাদের চাপ বেশি থাকায় এটি ওপেনিং প্রাইস থেকে দ্রুত উপরে উঠে একটি সবুজ ক্যান্ডেলে রূপ নেয়।
আগের ক্যান্ডেলগুলোর ধারা: হাইলাইট ক্যান্ডেলটির আগের ক্যান্ডেলগুলো পরপর কয়েকটি শক্তিশালী রেড (বিয়ারিশ) ক্যান্ডেল ছিল, যা মার্কেটে জোরালো ডাউনট্রেন্ড বা সেলারদের প্রবল চাপ নির্দেশ করছে।
সাপোর্ট লেভেল বা রিজেকশন: আগের রেড ক্যান্ডেলগুলোর গতি থেকে বোঝা যায় যে মার্কেট দ্রুত নিচে নেমে একটি নির্দিষ্ট সাপোর্ট জোনের কাছাকাছি পৌঁছেছিল, যার ফলে হাইলাইট ক্যান্ডেলটিতে এসে বিক্রেতাদের চাপ কিছুটা কমে ক্রেতাদের (বায়ারদের) প্রবেশ ঘটে।
হাইলাইট ক্যান্ডেল হওয়ার কারণ: আগের ক্যান্ডেলগুলোতে সেলারদের অতিরিক্ত ও দ্রুত সেল করার কারণে মার্কেট ওভারসোল্ড জোনে চলে যায় এবং হাইলাইট ক্যান্ডেলটিতে এসে প্রাইস সামান্য রিভার্স বা কারেকশন করে গ্রিন ক্যান্ডেল হিসেবে ক্লোজ হওয়ার চেষ্টা করে।
সাপোর্ট লেভেল বা রিজেকশন: আগের রেড ক্যান্ডেলগুলোর গতি থেকে বোঝা যায় যে মার্কেট দ্রুত নিচে নেমে একটি নির্দিষ্ট সাপোর্ট জোনের কাছাকাছি পৌঁছেছিল, যার ফলে হাইলাইট ক্যান্ডেলটিতে এসে বিক্রেতাদের চাপ কিছুটা কমে ক্রেতাদের (বায়ারদের) প্রবেশ ঘটে।
হাইলাইট ক্যান্ডেল হওয়ার কারণ: আগের ক্যান্ডেলগুলোতে সেলারদের অতিরিক্ত ও দ্রুত সেল করার কারণে মার্কেট ওভারসোল্ড জোনে চলে যায় এবং হাইলাইট ক্যান্ডেলটিতে এসে প্রাইস সামান্য রিভার্স বা কারেকশন করে গ্রিন ক্যান্ডেল হিসেবে ক্লোজ হওয়ার চেষ্টা করে।