Islamic dayeri
303 subscribers
10 photos
1 video
1 file
20 links
Welcome to our channel
our website 👉 https://islamicdayeri.blogspot.com/?m=0
Download Telegram
👇👇
আপনার অনার্স পড়ুয়া যে ছেলেটাকে পুঁজিবাদী রাঘবরা সারাদিন খাটিয়ে মাস শেষে ১৫ হাজারের বেশি বেতন দিবে না৷
তারা আবার একই অনার্স পড়ুয়া একটা মেয়ে কে এক রাতের জন্য ২০/৩০ হাজার দিয়ে দেয়৷

ভার্সিটি তে একটা ছেলের পেছনে কখনো ১০ টা মেয়ে ঘুরে না। একটা মেয়ের পেছনে ঠিকই ১০ টা ছেলে ঘুরে৷ আর এই ঘুরার কারণ হলো ছেলেরা মেয়েটার সাথে জ্বিনা করতে চায়৷

ছেলেদের নিয়ে কখনো সুন্দরী প্রতিযোগিতা হয় না। সুন্দরী প্রতিযোগিতা টা হয় মেয়েদের নিয়েই।
কারণ দিনশেষে এটা সবাই জানে মেয়েরা আকর্ষণ ও উপভোগের বস্তু।

পুরুষ কর্মীদের হাড়ভাঙ্গা খাটুনিতে মোটরযান তৈরী হলেও। তা বিক্রির সময় অর্ধনগ্ন নারী দিয়ে শো করানো হয়।
কারণ তারাও জানে মানুষ পুরুষের নিখুঁত হাতের দক্ষতা দেখার চাইতে।
মডেলদের বিজ্ঞাপনে গাড়ি বিক্রি হবে বেশি৷

স্ত্রী কে এন্ড্রয়েড দিবে না। এই জায়গায় এসে কিভাবে যুক্তি দেওয়া হয় তাহলে পুরুষ ক্যানো এন্ড্রয়েড চালাবে। সব জায়গায় কী নারী পুরুষ সমান?

আপনার উঠতি বয়সী ছেলের হাতে বাইক দিয়েন না৷ এখানে ত নারীদের কে বলা হয়নি। কারণ একেকটা জিনিস একেক ক্ষেত্রে বিপজ্জনক।
অবস্থাভেদে কোনোটা ছেলেদের কাছে৷ কোনোটা মেয়েদের কাছে৷

মেয়েদের কে ভার্সিটি তে দিয়েন না। তাদের হাতে এন্ড্রয়েড দিয়েন না। এগুলো কি জন্য বলা হয়?
উপরের প্যারা গুলোতে বুঝার কথা৷

তাছাড়া মুমিন পুরুষ তার স্ত্রীকে সুরক্ষিত মুক্তোর মত নিরাপদ রাখতে চায়।
সাথে চায় ফিত-নার দরজা বন্ধ রাখতে৷

এই এন্ড্রয়েড ব্যবহার টা দেখলে মনে হয় পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চেপে দেওয়া নিয়ম।
মোটেও না। তারাই নারীদের সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী।
তারাই নারীদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিয়ে ভাবে বেশি।

আর অবশ্যই স্ত্রীর যা প্রয়োজন এন্ড্রয়েডের। তা স্বামীর ফোন দিয়েই কাজ চালিয়ে নিবে৷ আর এটাই মধ্যমপন্থা।

© আল ইত্তিফাদা
সর্বোত্তম সদকায়ে জারিয়া হলো দ্বীনের পথে দাওয়াহ দেওয়া।
আপনার দাওয়াহ তে যতগুলো মানুষ দ্বীন বুঝবে। এবং তাদের মধ্যে আরো যত নতুন মানুষ দ্বীন বুঝবে৷ এভাবে যত জেনারেশন তৈরি হবে৷

সবার যতটুকু আমলনামা হবে। অনুরুপ আমলনামা আপনার কাছে জমা হবে৷

আমরা কতটুকু চেষ্টা করি আমার মাধ্যমে কেউ দ্বীন বুঝুক?
এই ফি-ত-নার যুগে এমনিতেই আমার পাপ অবাধ্যতা সমানতালে হচ্ছে৷

তার মাঝে যদি আমরা ভালো কাজের শাখা প্রশাখা না রেখে মারা যাই।
তাহলে এটাই হবে মন্দ প্রত্যাবর্তন।

© আল ইত্তিফাদা
জা'হা'ন্নামের জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর৷
সেদিন আল্লাহ তায়ালা হবেন কাহহার।
যেদিন অবিশ্বাসীরা আগুনে জ্বলতে থাকবে৷

মানুষ সেদিন এত পরিমাণে আফসোস করবে।
চোখের অশ্রু শেষ হয়ে যাবে। চোখ দিয়ে একপর্যায়ে রক্ত প্রবাহিত হবে।
এমন পরিমাণে রক্ত প্রবাহিত হবে। যারফলে চোখ বিশাল গর্তে পরিণত হবে।

যেই গর্ত দিয়ে নৌকা পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে।
মানুষের এই পরিণতি হবে শুধু আফসোসের কান্না থেকে।

সেদিন মানুষ বলবে হায় আমার জন্ম যদি না হতো।
আমি যদি আজ খড়কুটো হয়ে যেতাম।

আল্লাহ তায়ালা যেমন রহমান। তেমন কাহহার।
যেমন জান্নাতের কোমল আভা আছে।
তেমনি জা'হান্নামের উত্তপ্ত গরম লাভা আছে।

লস এঞ্জেলস জ্বলছে দেখে মানবতার জয়গান যারা গায়।
তারা যেনো জেনে রাখে সেদিন অবিশ্বাসীরা আগুনের নদীতে সাঁতার কাটবে।
© আল ইত্তিফাদা
অনেক গ্রামের পর গ্রাম হাটলে দেখা যায় এখনো হাজারো গ্রামে বিশুদ্ধ তা-ও-হীদের দাওয়াহ পায়নি৷

আমাদের ভাইয়েরা যদি সিরিয়াস ভাবে মেহনত না করেন। তাহলে কখনো উম্মাহর জাগরণে আপনার ভূমিকা থাকবে না।

আপনাকে বুঝতে হবে ওয়াজ,সেমিনার,অনলাইন দাওয়াহ শিশু কিশোরদের মাঝে পৌঁছাতে পারছে না।

অফলাইনে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।
ভিশন গুলো বাস্তবায়ন করতে হলে নানা পদক্ষেপ নিতে হবে।

১. কুরআন মশক চালু করা
২. সিরাত প্রতিযোগিতা আয়োজন করা
৩. মক্তবে ঈমান আকীদার কুইজ নেওয়া
৪. দাওয়াহ সেমিনার করা
৫. বই বিতরণ/পাঠাগার স্থাপন
৬.স্ট্রিট দাওয়াহ
৭. লিফলেট বিতরণ
৮. ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন ও সুসম্পর্ক গড়ে তুলা
৯. মেধাবী শিক্ষার্থীদের গাইড করা
১০. গরীব অসহায়দের সাধ্যমতো সাদাহাক দেওয়া
১১. চা চক্র/বনভোজন / সফর
১২. শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
১৩. স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে টার্গেট দাওয়াহ
১৪. দাওয়াহ কাজ জারি রাখতে ফান্ড গঠন
১৫. সীরাত পাঠ /কুরআনের দারস
১৬. ফজর ক্যাম্পেই / শরীর চর্চা / ইদা'দ
১৭. সমসাময়িক ফিত'না নিয়ে সচেতনতা
১৮. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা,মানবধর্ম, সম'কামীতা,ট্রাস্ন-জেন্ডার ইত্যাদি ফি*তনা নিয়ে ক্যাম্পেইন ও ওয়ার্কশপস
© আল ইত্তিফাদা
তা'ও'হীদ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কতটুকু আপনার?
মূল কাজ বাদ দিয়ে সবাই ছুটছে সেলিব্রিটিজমের পিছনে৷
অথচ আপনার ফিরে যাওয়া কথা ছিলো মূলের দিকে৷
মূল শিকড় যেমন চতুর্দিকে ছড়িয়ে যায়।
তেমনি আপনি তা'ও'হীদের বার্তা নিয়ে চতুর্দিকে ছড়িয়ে যাওয়ার কথা ছিলো।

প্রজন্ম পুরো ফ্যান্টাসি তে হারিয়ে গেছে।
দ্বীন কায়েমের প্রথম ধাপ দাওয়াহ।
সেটাতে কতটুকু নজর দিয়েছেন?

তারপর তো ই'দা'দ,রি'বা'ত,হিজর'ত,ক্বিতাল বাকিই আছে।
আরো কত দূর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে। কত চ্যালেঞ্জ আসবে৷

তো সমস্যা কী। শুয়ে বসে দ্বীন কায়েমের স্বপ্ন দেখলে তো আর বাধার পাহাড় পারি দিতে হবে না।
আফিয়া কে নিয়ে ইমোশনাল পোস্ট দিয়েই দায় সারা যায়।

অথচ পুরো উ'ম্মাহর দায়িত্ব ছিলো জি-হা'দের মাধ্যমে আফিয়া কে উদ্ধার করা৷
সেটা না হয় বাদই দিলাম।

উ-গ্র মারাঠাদের আগ্রাসন মোকাবিলায় আমরা প্রজন্ম কে কতটুকু প্রস্তুত করতে পেরেছি?
এই প্রজন্ম লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।
সেটা জাতীয়তাবাদের জন্য৷ শ'রীয়াহ'র জন্য না৷
জুলাই বিপ্লবে তারুণ্যের অপ্রতিরোধ্য লড়াই দেখেছি৷

কিন্তু তাদের আকীদা মানহাজ যদি বিশুদ্ধ থাকতো৷ তাহলে আজ এই দিন দেখতে হতো না৷
সিংহভাগ তো এটাও জানেনা শ'রীয়াহ কী।
কি জন্য সে লড়াই করবে, কি জন্য সে লড়াই করবে না।

সে জমীনে কি কায়েম করবে। কী নির্মূল করতে চাইবে।
কু--ফরি গণতন্ত্রের খোলস যদি উন্মোচন করা যায়। জাতি সঠিক ট্র‍্যাকে চলে আসবে।

এজন্য প্রয়োজন নিরলস মেহনত। প্রতিটি সিস্টেমের কু-ফু-ল হাতে কলমে ধরে বুঝানো। তার বিপরীতে শ-রী-য়া-র বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বুজানো।

সভ্যতার এই দ্বন্দ্ব সংকটে উত্তরণের পথ যে ইসলাম। এই বার্তা প্রতিটি জনপদে গেঁথে দিতে হবে৷ ইনশাআল্লাহ। এই প্রজন্ম ঘুড়ে দাঁড়াবে শীঘ্রই।

শ'রী'য়ার ব্যাপারে তারা হবে -
অকুতোভয়, আপোষহীন।

© আল ইত্তিফাদা
শক্তি অর্জনের বিকল্প নেই।
.
এই শক্তি সর্বক্ষেত্রে। শক্তি বলতেই সামরিক শক্তির কথা আগে মাথায় আসে আমাদের। সেটা ভুল না, তবে শক্তি বলতে এটাই কেবল না এবং অবশ্যই এটা প্রথমও না।
.
শক্তি থাকতে হবে বিশ্বাসের। শক্তি থাকতে হবে বিশ্বাসকে তুলে ধরার। শক্তি থাকতে হবে বিশ্বাসভিত্তিক বয়ান নির্মাণের। শক্তি থাকতে হবে অন্যদের উপর বিশ্বাস, তত্ত্ব, বয়ান ও মাঠের কাজে আধিপত্য বিস্তার করার। শক্তি থাকতে হবে সম্মিলিত অনুভূতি প্রকাশের। শক্তি থাকতে হবে সম্মিলিত অবস্থান গ্রহণের। শক্তি থাকতে হবে এক হয়ে জীবনযাপনের।
.
এরকম অনেকগুলো শক্তির সমন্বয় যখন ঘটে, তখন সামরিকভাবেও শক্তি অর্জিত হওয়ার পথ হয়েই যায় নয়তো সেই পথ এমনিতেই খুলে যায়।
.
অতএব, ক্ষেত্রগুলো ভাগ করে নিয়ে শক্তি অর্জনের দিকে মনোযোগী হন, হে মুসলিমরা। উঠে দাঁড়ান। আল্লাহ আপনাদের রাজ করার জন্য পাঠিয়েছেন, দুর্বল ও অধঃপতিত হয়ে থাকার জন্য নয়।
ব্যথা আর ব্যথা! অসম্ভব ব্যথায় কাঁপছে পুরো উম্মাহ! এক অনিঃশেষ যন্ত্রণায় যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক মুসলিম জনপদ। কোথায় দেখবো, বলুন?
.
গাযযা থেকে এই বাংলা, কাশ্মীর থেকে সিরিয়া, ককেশাস থেকে কাশগড়, চেচনিয়া থেকে বসনিয়া, আফগান-ইরাক থেকে সোমালিয়া, আর কতো বলবো বলুন! আগুনের হলকা কোথায় আমাদের পুড়িয়ে দেয়নি? কোথায় আমাদের পোড়াচ্ছে না? কোথায় থরথর করে কাঁপছে না কিংবা কাঁপেনি এই উম্মাহ?
.
এই তো সেদিনই শুনেছি আমরা, মযলুমের তীব্র আর্তচিৎকার! সুতীব্র! কলজে চেরা ডাক–আল্লাহ!
.
আসুন, মহাসত্যের পাতায় চোখ রাখি। দেখি কুরআন আমাদের কী বলছে।
.

اَمۡ حَسِبۡتُمۡ اَنۡ تَدۡخُلُوا الۡجَنَّۃَ وَ لَمَّا یَاۡتِكُمۡ مَّثَلُ الَّذِیۡنَ خَلَوۡا مِنۡ قَبۡلِكُمۡ ؕ مَسَّتۡهُمُ الۡبَاۡسَآءُ وَ الضَّرَّآءُ وَ زُلۡزِلُوۡا حَتّٰی یَقُوۡلَ الرَّسُوۡلُ وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا مَعَهٗ مَتٰی نَصۡرُ اللّٰهِ ؕ اَلَاۤ اِنَّ نَصۡرَ اللّٰهِ قَرِیۡبٌ

.

"তোমরা কি মনে করেছো যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ এখনো তোমাদের নিকট তাদের মতো কিছু আসেনি, যারা তোমাদের পূর্বে বিগত হয়েছে।

তাদেরকে স্পর্শ করেছিল কষ্ট ও দুর্দশা এবং তাদের এতোটা প্রকম্পিত করা হয়েছিল যে, রাসূল ও তাঁর সঙ্গী মুমিনরা চিৎকার করে বলেছিল, 'কখন আসবে আল্লাহর সাহায্য?' জেনে রেখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী।" [সূরা বাক্বারাহ : ২১৪]
.
.
আল্লাহর রাস্তায় যাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন, যাঁরা দাওয়াহর মহান কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন, ব্যথিত-আহত ও নিষ্পেষিত এই উম্মাহর তরে যাঁরা নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছেন, তাঁরা এই আয়াতের দিকে গভীর দৃষ্টি দিন। জেনে রাখুন, পরীক্ষার তীব্রতায় আপনি প্রকম্পিত হবেন। কতোটা প্রকম্পিত হলে ভাবতে পারেন, রাসূল পর্যন্ত সাহায্যের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন?
.
কিন্তু ভয় নেই, নেই কোনো চিন্তা। জেনে রাখুন, আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী। আল্লাহর সাহায্য সদাসর্বদাই আমাদের নিকটবর্তী। তিনি তো শুধু আমাদের ঈমান আর ইখলাসকেই পরীক্ষার কষ্টিপাথরে যাচাই করে নিতে চান।
.
আঁধার যতো তীব্র, সুবহে সাদিক ততোটাই আসন্ন।
.
#আয়াত #Ilmhouse
ফিতরাতের জায়গা থেকে শান্তিতে বসবাস করা আমাদের প্রত্যেকেরই পছন্দের। একটা গোছানো সংসার হবে, সুন্দর ঘরবাড়ি থাকবে, পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে জীবন কাটাবে। কে না এই স্বপ্ন দেখে!
.
পক্ষান্তরে, যুদ্ধবিগ্রহ কিংবা লড়াই-সংঘাত মানুষের ফিতরাত পছন্দ করে না। করবার কথাও না। কিন্তু আমাদের পছন্দের সবকিছুই যে কল্যাণময়, সেটার ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো জ্ঞান কি আমাদের আছে? নেই।
.
আবার আমাদের অপছন্দের সবকিছুই যে খারাপ ও তাতে কোনো ভালো কিছু লুকিয়ে নেই, সে ব্যাপারেও কি আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্ঞান আছে? নেই।
.
দৃশ্য ও অদৃশ্যের ব্যাপারে একমাত্র পরিপূর্ণ জ্ঞানের অধিকারী হলেন একজনই – আল্লাহ আযযা ওয়া জাল। কেবলমাত্র তিনিই জানেন কোনটায় কল্যাণ আর কোনটায় অকল্যাণ। আমাদের জন্য কখন কীসে আছে ভালো আর কীসের মধ্যে আছে খারাপ।
.
যুদ্ধ আমাদের কাম্য নয়, যুদ্ধ প্রত্যাশিত নয়। কিন্তু সেই যুদ্ধটা যখন আল্লাহর আদেশকৃত হয়, তখন সেটা লড়ার মধ্যেই আছে প্রকৃত ও পরিপূর্ণ কল্যাণ। আর এখানেই কারণটা খুব স্পষ্ট – আল্লাহ জানেন, আমরা জানি না। দেখুন আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং কী বলছেন।
.

كُتِبَ عَلَیۡكُمُ الۡقِتَالُ وَ هُوَ كُرۡهٌ لَّكُمۡ ۚ وَ عَسٰۤی اَنۡ تَكۡرَهُوۡا شَیۡئًا وَّ هُوَ خَیۡرٌ لَّكُمۡ ۚ وَ عَسٰۤی اَنۡ تُحِبُّوۡا شَیۡئًا وَّ هُوَ شَرٌّ لَّكُمۡ ؕ وَ اللّٰهُ یَعۡلَمُ وَ اَنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ

.
"তোমাদের জন্য যুদ্ধের বিধান দেওয়া হলো, যদিও এটা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়।

কিন্তু তোমরা যা অপছন্দ করো, হতে পারে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং যা ভালোবাসো, হতে পারে তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর।

আর আল্লাহই জানেন, তোমরা জানো না।"

[সূরা বাক্বারাহ : ২১৬]
.
#আয়াত #Ilmhouse
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নেতৃত্বে একটা সারিয়্যা পাঠান একটা কুরাইশ কাফেলাকে আক্রমণ করতে। কিন্তু সেই আক্রমণ চালাতে গিয়ে জটিল এক সমীকরণে পড়ে যান তাঁরা।
.
কুরাইশ কাফেলা তাঁদের আওতায় যখন ছিল, তখন ছিল সফর মাস। এটা পবিত্র চার মাসের অন্যতম, যে মাসগুলোতে রক্তপাত নিষিদ্ধ। এখন তাঁরা যদি পবিত্র মাসের বিধান মেনে অপেক্ষা করেন, তবে ততোক্ষণে কুরাইশ কাফেলা ঢুকে পড়বে হারামের সীমানায়। আর হারামের মধ্যেও রক্তপাত করার সুযোগ নেই।
.
তাই তাঁরা ঠিক করেন, তাঁরা তখনই আক্রমণ চালাবেন। সিদ্ধান্ত মোতাবেক সেটাই করেন তাঁরা এবং প্রচুর গনীমত লাভ করে মদীনায় ফিরে আসেন।
.
ওদিকে কুরাইশ কাফিররা বিরাট এক সুযোগ পেয়ে যায়। তারা বলতে থাকে, মুসলিমরা নিষিদ্ধ মাসে রক্তপাত করেছে। তারা মুখে বড় কথা বললেও কাজে মানে না, নিজেরাই পবিত্র মাসের নিয়ম ভঙ্গ করে ইত্যাদি ইত্যাদি।
.
এই জটিল পরিস্থিতিতে আল্লাহ তা'আলা আয়াত নাযিল করে তাঁর বান্দাদের সমর্থন করেন। তিনি জানিয়ে দেন যে, হ্যাঁ, মুসলিমরা ভুল করেছেন। পবিত্র মাসে রক্তপাত করাটা অন্যায়। কিন্তু এই অন্যায়ের সমালোচনা কারা করছে? যারা এর থেকেও কয়েকগুণ বড় একাধিক অন্যায় ও অপরাধ ইতিমধ্যেই সংঘটিত করেছে। তাদের মুখে মুসলিমদের সমালোচনা মানাচ্ছে না। দেখুন, আল্লাহ কীভাবে বিষয়টিকে তুলে ধরেছেন -
.
یَسۡـَٔلُوۡنَكَ عَنِ الشَّهۡرِ الۡحَرَامِ قِتَالٍ فِیۡهِ ؕ قُلۡ قِتَالٌ فِیۡهِ كَبِیۡرٌ ؕ وَ صَدٌّ عَنۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ وَ كُفۡرٌۢ بِهٖ وَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ ٭ وَ اِخۡرَاجُ اَهۡلِهٖ مِنۡهُ اَكۡبَرُ عِنۡدَ اللّٰهِ ۚ وَ الۡفِتۡنَۃُ اَكۡبَرُ مِنَ الۡقَتۡلِ ؕ
.
"পবিত্র মাসে যুদ্ধ করা সম্পর্কে লোকেরা আপনাকে জিজ্ঞেস করে। বলুন, এতে যুদ্ধ করা কঠিন অপরাধ। কিন্তু আল্লাহর পথে বাধা দান করা, আল্লাহ্‌র সাথে কুফরী করা, মসজিদুল হারামে বাধা দেয়া ও তার অধিবাসীদের তা থেকে বের করে দেওয়া আল্লাহর কাছে তারচেয়েও বড় অপরাধ। আর ফিতনা হত্যার চেয়েও গুরুতর।" [সূরা বাক্বারাহ: ২১৭]
.
এই আয়াতটি আমাদের জানিয়ে দেয়, মুসলিমদের ভুলত্রুটির সমালোচনা কেমন হওয়া চাই। আমরা তো মুসলিমদের ভুল পেলে উতলা হয়ে পড়ি, সমালোচনার বাণে বিদ্ধ করতে করতে অবস্থা খারাপ করে ফেলি। অথচ, আল্লাহর নিয়ম দেখুন। তিনি মাত্র এককথায় মুসলিমদের ভুলের ব্যাপারে বলেছেন এবং তারপর সমালোচনার তীর ঘুরিয়ে দিয়েছেন কাফিরদের দিকে, যাদের অপরাধ বাস্তবিকপক্ষে মুসলিমদের থেকে বহুগুণে বেশি।
.
আসুন, এই আয়াতে কারীমার অমূল্য এই পাঠটি আমরা গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করি।
.
#আয়াত #Ilmhouse
বদর। নিরস্ত্র সাহাবায়ে কেরাম। সংখ্যায় শত্রুর তিনভাগের এক ভাগ। অথচ যুদ্ধের শেষে দেখা গেল, ফলাফল গেল সেই ছোট দলটির পক্ষেই।
.
ইতিহাসজুড়ে এরকম উদাহরণ বারবার রচিত হয়েছে। আমাদের এই জীবনকালেও এমন ঘটনা আমরা নিজ চোখে দেখেছি। অতীত ও বর্তমানের এই ঘটনাগুলো আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় রাব্বুল আলামীনের সেই আয়াত -

.
قَالَ الَّذِیۡنَ یَظُنُّوۡنَ اَنَّهُمۡ مُّلٰقُوا اللّٰهِ ۙ كَمۡ مِّنۡ فِئَۃٍ قَلِیۡلَۃٍ غَلَبَتۡ فِئَۃً كَثِیۡرَۃًۢ بِاِذۡنِ اللّٰهِ ؕ وَ اللّٰهُ مَعَ الصّٰبِرِیۡنَ

.

"কিন্তু যাদের প্রত্যয় ছিল আল্লাহ্‌র সাথে তাদের সাক্ষাৎ হবে তারা বললো, ‘কতো ছোট দল আল্লাহর হুকুমে কতো বড় দলকে পরাজিত করেছে।’ আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।" [সূরা বাক্বারাহ: ২৪৯]
.
তাই বিজয় সৈন্যসংখ্যা আর অস্ত্রের শক্তিমত্তায় নির্ধারিত হয় না। বিজয় আসে আল্লাহর আদেশে। তাঁর ফয়সালাই চূড়ান্ত। আর সেটা যখন পক্ষে আসে, তখন ছোট দলই বিজয়ের স্বাদ আস্বাদন করে।
.
এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। এটাই হচ্ছে সত্য। আর বাকিসব হিসেব স্রেফ ফুটনোট!
.
#আয়াত #Ilmhouse
আমরা সাজসরঞ্জামের দিক থেকে কুফফারের চেয়ে কতো বেশি দুর্বল, সেটা খালি চোখেই দেখা যায়। গবেষণার চোখে দেখলে তো রীতিমতো ভয় পেয়ে যেতে হয়। অর্থ, অস্ত্র, জনবল–কোনদিক থেকে আমরা তাদের থেকে এগিয়ে? কোনোদিকেই না।
.
কিন্তু তাদের ও আমাদের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয় যে বিষয়টি সেটা হলো, ঈমান। এই ঈমানের কারণেই আমরা আমাদের স্বল্প সরঞ্জাম ও স্বল্পব্যয়েই শক্তিশালী কুফফারের বিপক্ষে জয়ী হই।
.
এরকম পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাছেই আমরা আশ্রয় খুঁজি। তাঁর কাছেই আমরা সাহায্য প্রার্থনা করি। তাঁর কাছেই আমরা শক্তি চাই। কুরআনে এই বিষয়টি এভাবে এসেছে -
.

رَبَّنَاۤ اَفۡرِغۡ عَلَیۡنَا صَبۡرًا وَّ ثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَ انۡصُرۡنَا عَلَی الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِیۡنَ

.
"হে আমাদের রব! আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন, আমাদের পা অবিচলিত রাখুন এবং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।" [সূরা বাক্বারাহ: ২৫০]
.
দু'আটি আসুন সবাই মুখস্থ করে ফেলি আর সর্বাবস্থায় আল্লাহর দিকেই আমরা নিজেদের রুজু করি।
.
#আয়াত
হিদায়াত। পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। বস্তুত, হিদায়াত হচ্ছে অমূল্য। আর একবার যখন কাউকে এটা আল্লাহ দান করেন, তখন থেকেই শয়তান পাগল হয়ে তার পেছনে লেগে যায়। তার থেকে হিদায়াত কেড়ে নিতে উন্মত্ত হয়ে ওঠে।
.
তাই আল্লাহ তা'আলা আমাদের দু'আ শিখিয়ে দিয়েছেন যেন আমরা তাঁর কাছ থেকে হিদায়াতের উপর টিকে থাকার জন্য চাইতে পারি। তাঁর করুণা ভিক্ষা করতে পারি। বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি দু'আ।
.
رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَیۡتَنَا وَ هَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَۃً ۚ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ
.
"হে আমাদের রব! হিদায়াত দেওয়ার পর তুমি আমাদের অন্তরকে বক্র করে দিও না এবং তোমার কাছ থেকে আমাদের করুণা দান করো। নিশ্চয়ই তুমি মহাদাতা।" [সূরা আলে ইমরান : ০৮]
ফজর নামাজ সময় মতো পড়তে না পারলে বা ছুটে গেলে বুঝতে হবে: আমি ভয়াবহ কোনো গুনাহে লিপ্ত। দ্রুত নিজের কাজকর্ম সংশোধনে মনোযোগি হওয়া জরুরী। আল্লাহ তাআলা শুধু তার প্রিয় আর বিশেষ বান্দাদেরই ফজরের জন্য জাগিয়ে দেন। ফজর পড়াটা মুনাফিকের জন্য খুবই কষ্টকর এক কাজ।

- শাইখ আতিক উল্লাহ হাফি.
3
শাইখ আব্দুল্লাহ আ জ্জা ম* রহিমাহুল্লাহ ছিলেন অনেক মেধাবী। তার প্রতি পিতামাতার আশা ছিল ভিন্ন। পার্থিব বিচারে তিনি বড় কোন জব করবেন, উন্নত ক্যারিয়ার গড়বেন এটাই ছিল তাদের স্বপ্ন। কিন্তু শাইখ বেছে নিয়েছিলেন ভিন্ন পথ। শাহাদাতের পথে জীবন করেছিলেন উৎসর্গ।

একবার শায়েখকে তার পিতা-মাতা বললেন: পুত্র! আশা ছিল তুমি আম্মানের বড় বিচারক হবে। কিন্তু এখন তুমি কিনা ছোট ছোট ছেলেদের সাথে ঘুরে বেড়াও! তরুণ ও যুবকদের সাথে নিয়ে পাহাড়ে পাহাড়ে চড়ে বেড়াও! এ কথা বলে শাইখের পিতা-মাতা উভয়ে কাঁদতে থাকলেন।

তিনি কিছুটা রাগান্বিত হলেন। নিজ স্থান থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন:
أنا أدعوكم إلى الجنة وأنتم تدعونني إلى النار
আমি তোমাদেরকে জান্নাত পানে আহ্বান করি, আর তোমরা আমাকে দোজখের দিকে ডাকছো?! যেমনটা আছে রবের কালাম কোরআনে:
وَيَا قَوْمِ مَا لِي أَدْعُوكُمْ إِلَى النَّجَاةِ وَتَدْعُونَنِي إِلَى النَّارِ
‘‘হে আমার কওম, ব্যাপার কি? আমি তোমাদেরকে দাওয়াত দেই মুক্তির দিকে, আর তোমরা আমাকে দাওয়াত দাও জাহান্নামের দিকে।’’ ( সুরা গাফির, আয়াত ৪১)
© Iftekhar Sifat
1
গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সাথে ইসলামের মৌলিক বিরোধ বুঝতে এতটুকুই যথেষ্ঠ যে: যদি কখনো তথাকথিত ইসলামি গণতান্ত্রিক (!) কোন দল ক্ষমতার মসনদে বসে, তাহলে: আল্লাহ তাআলা যেটা ফরজ করেছেন, যেটা হারাম ঘোষণা করেছেন, সেটা বাস্তবায়ন করার জন্যও পার্লামেন্ট মেম্বারের ভোটের উপর নির্ভর করবে, মতামত নিতে হবে, যদিও সেটা অকাট্য ফরজ বিধান হয়! অথচ দুনিয়ার যে কারোর মতামত প্রকাশ ছাড়াই সেটা ফরজ। এমন ফরজ বিধানকে বাস্তবায়নের জন্য পার্লামেন্টে বিল পাশ করাতে ভোট চাওয়াটাই স্বতন্ত্র কু*ফু*রি, ইসলাম ওখানেই শেষ। আর যদি বাইচান্স কেউ ভোটে বিপরীতে মতামত দেয়, তাহলে ঐ সদস্যের ঈমান থাকবে? কু*ফু*রি ফর্মূলার উপর ভিত্তি করে, গণতান্ত্রিক রেসিপি মেনে নিয়ে শরীয়াহ প্রতিষ্ঠার চিন্তা দিবাস্বপ্ন! যেটা কোনদিনই হবে না। এটা কুরআনের ঘোষণা।

— উস্তায Hm Sulayman হাফিজাহুল্লাহ
এই দেশের ভণ্ড সিম্পরা নারীর অধিকার বলতে বুঝে নারীর ভার্সিটিতে পড়া৷
অথচ ইসলামে নারীর সবচেয়ে বড় অধিকার দিয়েছিলো মিরাস বণ্টনের সম্পত্তি ও মোহরানার অর্থ৷ এই দেশের ৯৫% মানুষ বোনের মিরাসের সম্পত্তি দেয় না। আর দুই একজন দিলেও ঘুরিয়ে প্যাচিয়ে নামে মাত্র দেয়৷
আর সিংহভাগই মোহরানার অর্থ দেয় না৷ এরা ভাবে সংসারের সিকিউরিটি হলো মোহরানা৷ তাই ন্যায্য ও সামার্থ্য থেকেও বেশি ধরা হয়৷
সংসারের সাথে মোহরানার পরিশোধের কোনো শর্ত নেই৷ স্পর্শ করার আগেই মোবরানা দিতে হবে৷ সংসার একদিন করলো নাকি একযুগ তার সাথে সম্পর্ক নেই৷

এই দেশের সিম্পরা বোনের সম্পদ আত্মসাৎকারী। মোহরানার অর্থ আত্মসাৎকারী৷ অথচ এরা নারী কে টেনে হিচড়ে ভার্সিটিতে পাঠানোই নারী অধিকার ভাবে৷

যদি নারীর হাতে মিরাসের সম্পত্তি থাকতো। মোহরানার অর্থ থাকতো৷ এটাই তার ক্যারিয়ার হতো৷
কিন্তু দুনিয়ায় চলতাছে শ'য়তানি নিয়মে৷

কোনো উস্তাযার বিচ্যুতি হলে এটা দিয়ে স্ত্রী কে জাজ করার সুযোগ নেই৷ কোনো উস্তাদের বিচ্যুতি হলে স্বামীকে জাজ করার সুযোগ নাই৷
এসবের মানদণ্ড ইসলাম কোনো ব্যক্তি নয়৷

স্ত্রী কে ভরণপোষণের খোটা দেওয়া যাবে না৷ তাকে ভরণপোষণ দেওয়া ওয়াজিব ও ইবাদাত মনে করতে হবে৷ তার সাথে এমন ভাবেই আচরণ করতে হবে যেমন ভাবে নিজ কন্যাকে আগলে রাখেন৷

আপনি মায়ের কাছে পুত্র আর স্ত্রীর কাছে স্বামী৷ আপনার এই দুই পরিচয়ে ইনসাফ রেখে ব্যালান্স করতে হবে৷ সে পুত্রবধূ হিসাবে নয় এসেছে স্ত্রী হিসাবে৷ বড় ধরণের সংকট না থাকলে তাকে স্ত্রীর মর্যাদায় সাথে সাথেই আলাদা সংসার দেওয়া উচিত৷

আর স্বামী মানে স্বামী৷ তার সাথে গলা উঁচু করেও কথা বলা যাবে না৷ দুনিয়ার যত বড় উস্তাযা হোক৷ স্বামী ভ্যানচালক হোক। তারপরও সে শাসক ও অভিভাবক। তাকে সেভাবেই আনুগত্য করতে হবে৷
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। আল্লাহর পর কাউকে যদি সেজদা করার সুযোগ থাকতো৷ তাহলে স্ত্রী জাতিকে বলতাম স্বামীকে সেজদা করো৷

আজ কোন শাইখ বা উস্তাদের বিচ্যুতি হইলো৷ তাকে কেন্দ্র করে স্বামীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হচ্ছে৷ খবরদার স্বামীর সাথে বেয়াদবি করলে আমল বরবাদ হয়ে যাবে৷

আমাদের মানদণ্ড ইসলাম৷ নিজের মনগড়া যুক্তি দিয়ে কোনো দিকে যাওয়া যাবে না৷ আমাদের কাছে আদলত হলো হক্ব৷ নারী অথবা পুরুষ নির্দিষ্ট আসবিয়াতে পক্ষ বিপক্ষ নেওয়া যাবে না৷
© আল ইন্তিফাদা
👇👇
Islamic dayeri
👇👇
আমার ভার্সিটির একটা মেয়ে ছিলো। এক মাস পর পর বফ পাল্টাইতো। কক্সবাজারেও যাইতো।
ওর মা ওকে নিয়ে ওমরাহ ও করছিলো। ওর মা যখন তাকে ভার্সিটিতে দেখতে আসতো তখন মেয়েটা হিজাব পড়তো, মাকে দেখানোর জন্য ।

ডেপ্টের আরেকটা মেয়ে ছিলো একই কাজ করতো৷ বহুগামী জ্বিনায় লিপ্ত ছিলো।
আরেকটা মেয়ের ঝামেলা হইছিলো বা-মাবা জোর করে বিয়ে দিছিলো। বফের সাথেও সম্পর্ক রাখতো সাথে স্বামীর সাথেও৷

ইসলামিক স্টাডিজের দুই ক্লাসমেট জোবরা গ্রামে জ্বিনায় ধরা খায়। মেয়ের বাবাও মোহাদ্দিস ছিলো ছেলের বাবাও।

পারুল কটেজের এক হিজাবী মেয়ে ছাত্রলীগের এক ছেলের সাথে রিলেশনে ছিলো। ঐ ছেলে নিয়মিত ভোগ করতো৷ ঐ মেয়ে কান্নাও করতো সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে৷ ব্ল্যাকমেইল এর কারণে আর পারেনি৷

আমার চোখে অসংখ্য কাপল দেখেছি যারা স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে বাসা নিয়ে থাকতো৷।
অনেক কে নিজ চোখে দেখেছি গার্লফ্রেন্ড কে কটেজে নিয়ে রাত কাটাতে৷

ভার্সিটি সংলগ্ন ল্যাবেরটরী স্কুলের ক্লাস সেভেনের এক মেয়েকে আমার ক্লাসমেট নিয়মিত ভোগ করতো। বরঞ্চ এই কালপিটের সাথে ফাস্ট ইয়ারে অনেক তর্ক হইছে বাল্য বিবাহ নিয়ে৷

আরেকজন বহদ্দারহাটের এক মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষিকার সাথে ভোগ করতো৷ এই ভিডিও আবার তার বখাটে বন্ধুদের দেখাতো৷

ভার্সিটির প্রত্যেক ডেপ্টের পোলাপানদের প্রাইভেট গ্রুপ থাকে কমবেশি। যারা গ্রুপ গুলো তে আলোচনা করতো ডেপ্টের কার ফিগার কেমন৷ কোন ম্যাম ইয়াং৷ কে কাকে ফ্রেন্ডশিপ বা ফ্রিমিক্সিং এর আড়ালে ছুতে পারতো। ঘা ঘেঁষে বসতে পারতো। হাত ধরে বা কাধে হাত রেখে ঘুরতে পারতো৷

অথচ আপনি ভার্সিটিতে গিয়ে এই আলাপ তুলতে পারবেন না যে, ছেলে মেয়ে কখনো ফ্রেন্ড হতে পারে না৷ এই সিম্পরা আপনাকে তুলোধুনো করে ফেলবে৷

ফাস্ট ইয়ারে ফ্রেন্ডশিপ দাবী করা অনেক কে দেখতাম লিভ টুগেদার করতো৷

ভার্সিটি গুলো একেকটা জাহান্নামের চুল্লি।
এই ভার্সিটিতে যারা মেয়েদের পাঠায়। তারা দাইয়্যুস৷
-শায়েখ আনোয়ার আল আওলাকি রহিঃ
==================================
★ জি"হা,দের ময়দানে যাওয়ার আগে ★
__আপনার যেয় সব পস্তুতি গ্রহন করতে হবে

১, জিহাদের বিশুদ্ধ নিয়ত করা।
২, শাহাদাতের জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করা।
৩, সম্পদ দিয়ে জিহাদ করা।
৪, মুজাহিদদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা।
৫, একজন মুজাহিদ কে ময়দানের জন্য প্রস্তুত করা।
৬, মুজাহিদদের পরিবার দেখাশোনা করা।
৭, শহীদের পরিবার কে দেখাশোনা করা।
৮, বন্দী ভাইদের পরিবারকে দেখাশোনা করা।
৯, মুজাহিদদেরকে যাকাত প্রদান করা।
১০, মুজাহিদদের মনোবল বাড়ানোর জন্য উৎসাহ প্রদান করা।
১১, মুজাহিদদের চিকিৎসায় সাহায্য করা।
১২, মুজাহিদদের সমর্থন করা এবং তাদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া।
১৩, তাগুতি মিডিয়ার মিথ্যাচারের মোকাবিলা করা।
১৪, মুনাফিকদের মুখোশ উন্মোচন করা।
১৫, জি"হা"দের ব্যপারে অন্যদের উৎসাহ প্রদান করা।
১৬, মুজাহিদদের নিরাপত্তা দেয়া এবং তাদের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
১৭, মুজাহিদদের জন্য দোয়া করা।
১৮, মুজাহিদ বা জিহাদের খবর জানা ও তা প্রচার করা।
১৯, মুজাহিদ উলামাদের লিখনী প্রচার করা।
২০, মুজাহিদদের পক্ষে ফতোয়া দেওয়া।
২১, আলেমদের নিকট মুজাহিদদের খবর পৌঁছে দেওয়া।
২২, শারীরিক যোগ্যতা অর্জন করা।
২৩, অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেওয়া।
২৪, প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ নেওয়া।
২৫, জি"হাদে"র ফিকহ এবং মাসআলা জানা।
২৬, মুজাহিদদের আশ্রয় দেওয়া।
২৭, আল ওয়ালা ওয়াল বারার আকিদাহ প্রসার ঘটনো।
২৮, মুসলিম বন্দীদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালন করা।
২৯, জি"হা"দি ওয়েবসাইট তৈরী করা।
৩০, আমাদের সন্তানদের জিহাদ এবং মুজাহিদদের ভালোবাসতে শিখানো।
৩১, বিলাসী জীবন-যাপন এড়িয়ে চলা।
৩২, জিহাদ ও মুজাহিদদের কাজে লাগে এমন যে কোন যোগ্যতা অর্জন করা।
৩৩ ,যে সব দল জিহাদের জন্য কাজ করছে তাদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া।
৩৪, হক আলেমদের প্রতি মানুষদের আকৃষ্ট করা।
৩৫, হিজরতের জন্য প্রস্তুত থাকা।
৩৬ ,আত্মিক প্রশিক্ষণ নেওয়া।
৩৭, মুজাহিদদের নাসিহাহ দেওয়া।
৩৮, ফিতনা বিষয়ে হাদিস পড়া। বা ইলম অর্জন করা।
৩৯, বর্তমান যুগের তাগুত শাসক ও তাদের দোসরদের মুখোশ উন্মোচন করা।
৪০, জি"হা"দি নাশিদ তৈরি করা।
৪১, শত্রুদের অর্থনৈতিক ভাবে বয়কট করা।
৪২, আরবী ভাষা শেখা।
৪৩, বিভিন্ন ভাষায় জিহাদি লেখনী অনুবাদ করা।
৪৪, মুক্তিপ্রাপ্ত দলের ব্যপারে অন্যদের অবহিত করা।

(৪৪ টির মধ্যে যত গুলোতে যুক্ত হওয়ার সামর্থ্য রাখেন তত গুলোতে যুক্ত থাকার চেষ্টা করা। আল্লাহর নিকট ধর্তব্য হল কে কতটুকু সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করলো। কে বেশি আমল করলো এটা ধর্তব্য নয়।)

#আল্লাহু_আকবার
সংগৃহীত
6