17.8K subscribers
1.88K photos
350 videos
73 files
1.34K links
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন।

প্রয়োজনে: @HopeDM

আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215

এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours
উত্তর:
https://t.me/a_teardrop
Download Telegram
🍀আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমর ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ! আমি এ সংবাদ পেয়েছি যে, তুমি প্রতিদিন সওম পালন কর এবং সারা রাত সালাত আদায় করে থাকো। আমি বললাম, ঠিক (শুনেছেন) হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃ এরূপ করবে না (বরং মাঝে মাঝে) সওম পালন করো আবার ছেড়েও দাও। (রাতে) সালাত আদায় কর আবার ঘুমাও। কেননা তোমার উপর তোমার শরীরের হাক্ব রয়েছে, তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমার মেহমানের হাক্ব আছে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৯৭৫

🍀‘অবশ্যই সেদিন (শেষ বিচারে) তোমাদেরকে নিয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।’ (সূরা আত-তাকাসুর-৮)


🌸আমরা অনেকেই আছি ঠিক মতো খাওয়াদাওয়া করি না,ঘুমাই না, মাঝে মাঝে ইসলামের দোহাই দিয়ে এগুলোকে জায়েজ করার চেষ্টা করি। না খেয়ে, না ঘুমিয়ে ইবাদত করার চেষ্টা করি। অথচ আল্লাহর দেয়া প্রতিটা নিয়ামতের যত্ন নিতে হবে,এগুলোর জন্য প্রশ্ন করা হবে।

🌸বয়স কম থাকাকালীন সময়ে আমাদের শরীরের উপর অসম্ভব রকম অত্যাচার করি। স্বাভাবিক ভাবে কম বয়স থাকার কারণে শরীরের কোনো সাইড ইফেক্ট দেখতে পাই না। কিন্তু বয়স যত বাড়বে শরীর প্রচন্ড দ্রুত নষ্ট হবে। খেয়াল করেই দেখুন না,আগের মানুষরা কত বয়স পর্যন্ত কত শক্ত সামর্থ্য ছিলো? আর আমরা ২৫/৩০ এ বুড়িয়ে যাচ্ছি।

🌸সার্মথ্য অনুযায়ী ঘুমোবো, খাব, সম্পর্কের যত্ন নিব। আল্লাহর দেয়া নিয়ামত গুলোর যত্ন নিব, হল আদায় করবো, আল্লাহ আমাদের জন্য সহজ করুক, আমীন।
54👍4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
18
আমরা যত দ্বীনদার হচ্ছি,
আমাদের মধ্যে চাকচিক্য ততই বাড়ছে!
অন্যদিকে নববী যুগে যারা যত দ্বীনদার হতো,
তাদের মধ্য থেকে চাকচিক্য ততই হারিয়ে যেত। জীবনে অনাড়ম্বতা চলে আসতো!
-সংগৃহীত

ILMAN Nafiya
😢10512👍6😱1
অনেক গুনাহ করা মানুষগুলা যদি তওবা করে ফিরতে পারে, তবে তাদের ঈমান অন্য সবার থেকে কয়েকগুণ বেশি মজবুত হয় ...
হিংসা যদি করতেই হয় কাউকে তবে এমনই কাউকে করুন। যিনি তওবা করে গুনাহ ছেড়ে আবির সাবিল হতে পেরেছেন।

#Zain
75😢11👍1
দুনিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত শেষ হবে না, যতক্ষণ না মানুষের ওপর এমন সময় আসবে, যখন হত্যাকারী জানবে না, সে কেন হত্যা করছে এবং নিহত ব্যক্তিও জানবে না, তাকে কেন হত্যা করা হচ্ছে। প্রশ্ন করা হলো, তা কীভাবে সম্ভব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হারজ বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড। (অর্থাৎ ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার কারণেই এমনটি হবে।) আর হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামে যাবে।
সহিহ মুসলিমঃ ২৯০৮
😢4217👍5
🍀সুরা মু'মিনুন এর প্রথম ১০আয়াত বাংলা তরজমা সহ পড়ে দেখবেন সবাই:

সেখানে একজন মু'মিন এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করতে গিয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে--
❝যাহারা অসার ক্রিয়াকলাপ হইতে বিরত থাকে,

وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَۙ

🍀সূরা নম্বরঃ ২৩, আয়াত নম্বরঃ ৩
এখানে অসার ক্রিয়াকলাপ বলতে কি বোঝানো হয়েছে?

এখানে শব্দ মূলেلغو শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর মানে এমন প্রত্যেকটি কথা ও কাজ যা অপ্রয়োজনীয়, অর্থহীন ও যাতে কোন ফল লাভও হয় না। যেসব কথায় বা কাজে কোন লাভ হয় না, যেগুলোর পরিণাম কল্যাণকর নয়, যেগুলোর আসলে কোন প্রয়োজন নেই, যেগুলোর উদ্দেশ্যও ভালো নয়-সেগুলোর সবই ‌‌‘বাজে’ কাজের অন্তর্ভুক্ত।

🍀তাই এ ধরনের এ কাজে সময় ব্যায় করবো না ইন শা আল্লাহ (ক্রেডিট: উম্মে খাওলা)
58👍1
ক্রেডিট: Deeni Content

আশুরা নিয়ে পড়ুন: https://t.me/Hope24hoursbook/176
35😢14
শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা কারবালার ঘটনার শোক প্রকাশের নামে প্রতি বৎসর আশুরার দিনে শোক, মাতম, তাজিয়া ইত্যাদি আয়োজন করে। এগুলো সবই ইসলাম বিরোধী কর্ম! আলী, ফাতিমা, হাসান, হুসাইন (রাঃ) সহ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর পরিবার বা আহলে বাইতকে মহব্বত করা আমাদের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের কষ্টে আমরা ব্যথিত এবং তাদের যারা কষ্ট দিয়েছে তাদের প্রতি আমাদের ঘৃণা অপরিসীম। পাশাপাশি সাহাবীগণের মর্যাদা ও ভালোবাসা কুরআন ও হাদীসের নির্দেশ অনুসারে আমাদের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজেই নবীবংশের ভালবাসার নামে শুধুমাত্র ধারণা বা ইতিহাসের ভিত্তিহীন কাহিনীর উপর নির্ভর করে সাহাবীগণ বা কোনো একজন সাহাবীর প্রতি বিরক্তি প্রকাশ ঈমানের জন্য ধ্বংসাত্মক!

খুুতবাতুল ইসলাম
- ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
77👍5
সব কষ্টের মানে এই নয় যে, আপনার গুনাহের শাস্তিই হচ্ছে। সব সুখের মানে এই নয় যে, আপনার নেক কাজের বদৌলতেই আল্লাহ দিয়েছেন।
.
আল্লাহ তো তাকেও সুখ দেন, যে সর্বদাই গুনাহ করে বেড়ায়।
আর সেও জীবনে কষ্টে পড়ে, যে সর্বদাই আল্লাহর হুকুমকে প্রাধান্য দেয়।
.
মূলতঃ সুখ আর কষ্ট আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষামাত্র। উভয় অবস্থাতেই মনকে প্রশান্ত রাখতে পারা হচ্ছে সে পরীক্ষায় সফলতা।

উস্তাযাহ ফারিন
107
আমরা অনেকে ভাবি।সুন্দর করে গুছিয়ে আল্লাহর কাছে চাইতে পারিনা বলে হয়তো আল্লাহ দুয়া কবুল করেন না।
এটা ভুল এবং বাজে চিন্তা!

আপনি হয়তো অন্যদের মত খুব সুন্দর করে গুছিয়ে হৃদয়ে কথন গুলো মোনাজাতে বলতে পারেন না।রবের কাছে আপনার ব্যথিত বাক্যে কারসাজি সুন্দর পরিপাটি ভাবে হয় না।আপনি হয়তো অন্যেদের মত কাব্য কবিতা শব্দের ছন্দের মিলন রেখে বলতে পারেন না।

কিন্তু আপনার রব আপনার না বলা সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত। তারপর ও তিনি চায় আপনি যেন বিনয়, সবর,সম্পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও সলাতের মাধ্যমে আপনার রবে কাছে চাইতে থাকেন। সকল না বলা কথা গুলো।কথা গুলো গুছানো হতে হবেনা।শুধু অনুতপ্ত আর বিগলিত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে নত হয়ে চাইতে থাকুন।

তিনি আপনার বাক্যের সৌন্দর্য দেখেন না।বরং দেখেন আপনি কতটা অনুশোচনা ও অনুতপ্ত হৃদয়ে চাচ্ছেন রবে কাছে।কতটা অশ্রুভারাক্রান্ত হৃদয়ে চাচ্ছেন।কতটা আল্লাহ কে ভয় ও ভালবেসে বলছেন।কতটা ঈমান ও তাকওয়া সাথে চাচ্ছেন।

আল্লাহ আমাদের সকল কে আমল করার তৌফিক দান করুক।

Ameen🤍

https://t.me/Muslimatundawahchennel
85👍4
আপনার ভাই/বোনকে এখানে কল্পনা করুন
😢121🤬31
একবিংশ শতাব্দীর দ্বীনদারিতা জাহান্নামের কারণ হবে না তো?

🌸আপনি রুমে বসে দ্বীন এর কোনো একটা মাসআয়ালা নিয়ে নেট ঘাটছেন,খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাসাআয়ালা। এমন সময় আপনার আম্মু ডাক দিলো। আপনি উহু করে বলে দিলেন ব্যাস্ত সম্ভব না আসা।প্রচন্ড বিরক্ত প্রকাশ করলেন। দিনের বেশির ভাগ সময় ইসলাম জানাতেই ব্যায় করছেন। মায়ের ডাক আজকাল বড্ড ডিস্টার্ব মনে হচ্ছে।

🌸কিংবা ধরুন আপনি বিবাহিত, স্ত্রী সারাদিন রান্নাবান্না করছে। সকাল সকাল উঠে বেশ ফ্রেশ হয়ে অফিস যাচ্ছেন। দিনশেষে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরে এসে ঘমার্ক্ত শরীর নিয়ে শুয়ে পড়লেন।এত ক্লান্ত নিয়ে কে হবে ফ্রেশ? স্ত্রীর জন্য ফ্রেশ হয়ে আলাদা সময় বের করার কোনো ইচ্ছেই নেই আপনার।
কিংবা আপনি একজন স্ত্রী,আশেপাশের মা বোনদের তালীম নসীহা দিয়ে বেশ ব্যাস্ত সময় যায়। এতটাই ব্যাস্ত কোনো এক সন্ধ্যায় খেয়াল ও করা হলো না আপনার স্বামী হয়ত আজ একটু আগেই বাসায় এসেছে কিংবা হয়ত অফিসের ঝাড়ি খেয়ে প্রচন্ড মন খারাপ হয়ে বসে আছে...

🌸আপনার আত্নীয়দের কেউ একজন হয়তো দ্বীন নিয়ে ভালো ধারণা নেই। হয়ত পর্দা করেন না। কিংবা দুনিয়া নিয়ে ব্যাস্ত। মাঝে মাঝে আপনার নতুন নতুন দ্বীনে আসা নিয়ে মন্তব্য করে। আপনি কি করা যায় ভাবতে ভাবতে চিন্তা করলেন ওদের সাথে আর সম্পর্কই রাখবো না,যথেষ্ট হয়েছে। আর কোনো কথা, খোজ নিব না।


🌸আজকাল বেশ খানিকটা সময় আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিচ্ছেন,দ্বীনি ভাই বোনদের নসীহা তে সময় কাটছে। কিভাবে দ্বীনের দিকে আরো আগানো যায়। আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ভরপুর সকাল সন্ধ্যার আমলে। কোনো আমল জানার সাথে সাথে সেটা প্রচারে ব্যাস্ত হয়ে পড়ছেন....কিন্তু নিজে আমল করার ব্যাপারে সচেষ্ট নন।


আল্লাহ আমাদের বোঝার তাওফিক দিক, আমীন
😢7917👍17
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
40👍4
দুআ কবুলের আর অল্প কিছু সময় বাকি...
(শুক্রবারের আসর থেকে মাগরিব দুআ কবুলের জন্য উত্তম)
😢2716👍1
গুনাহ মাফের উপায় সূমহ: পর্ব:১

১. রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা :
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তার প্রতি ১০টি রহমত অবতীর্ণ করবেন। তার ১০টি গুনাহ মাফ করে দেবেন এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১২৯৭)

২. ভালোভাবে অজু করা :
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো মুসলিম অজু করে, তখন তার চেহারা ধোয়ার সময় পানির ফোঁটার সঙ্গে চোখের গুনাহগুলো ধুয়ে যায়; যখন হাত ধোয়া হয়, হাতের গুনাহগুলো ধুয়ে যায়; যখন পা ধোয়া হয় পানির ফোঁটার সঙ্গে পায়ের দ্বারা কৃত গুনাহগুলো ধুয়ে যায়। এভাবে বান্দা গুনাহ থেকে একেবারে পাক-সাফ হয়ে যায়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৪)

৩.নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়া :
মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘জামাতের নামাজ ঘরের বা বাজারের নামাজ অপেক্ষা ২৫ গুণ বেশি সওয়াবের। কেননা বান্দা যখন উত্তমরূপে অজু করে এবং একমাত্র নামাজের উদ্দেশ্যেই ঘর থেকে বের হয় তো প্রতিটি কদমের বিনিময়ে আল্লাহ তার একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং একটি করে গুনাহ মিটিয়ে দেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৪৭)

৪.রুকু থেকে উঠে ‘রব্বানা লাকাল হামদ’ বলা :
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ইমাম যখন রুকু থেকে উঠে বলে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ তখন তোমরা বলো, ‘আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ।’ কেননা যার তাহমিদ ফেরেশতাদের সঙ্গে মিলবে তার আগের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৯৬)

৫. ফাতিহা শেষে আমিন বলা:
বুখারির বর্ণনায় এসেছে, নবী (সা.) বলেছেন, ‘নামাজে ইমাম সাহেব যখন সুরা ফাতিহা শেষ করে তখন তোমরাও আমিন বলো। কেননা তখন ফেরেশতারাও আমিন বলে। ইমামও আমিন বলে। আর যার আমিন বলা ফেরেশতাদের আমিন বলার সঙ্গে মিলবে, তার আগের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৭১৮৭)
63👍7