17.8K subscribers
1.88K photos
350 videos
73 files
1.34K links
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন।

প্রয়োজনে: @HopeDM

আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215

এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours
উত্তর:
https://t.me/a_teardrop
Download Telegram
Hope
Video
১৯৯৪ সাল, আফগানিস্তানে তখন বসন্ত চলছে। প্রতিবেশীরা মোল্লা মোহাম্মাদ ওমর এর কাছে এসে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা শোনাল যা আফগানিস্তানের দীর্ঘ ১৮ বছরের গৃহযু-দ্ধের নির্মম বাস্তবতার মাঝেও ছিল শিউরে ওঠার মতো।

মোল্লা ওমরের গ্রাম সিঙ্গেসার এর দুই কিশোরী মেয়েকে এক সশস্ত্র গোষ্ঠী অ-পহ-রণ করেছিল। সে সময় এসব সশস্ত্র যোদ্ধারা আফগান গ্রামাঞ্চলের বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করত। এসব যোদ্ধারা মেয়ে দুটির মাথা ন্যাড়া করে দেয়। তাদেরকে নিয়ে যায় গ্রামের বাইরে একটি চেকপোস্টে। সেখানে তাদের ওপর চালানো হয় পাশ-বিক নি-র্যা-তন এবং ধ-র্ষ-ণ করা হয় বেশ কয়েকবার।

তখন মোল্লা ওমর ছিলেন অখ্যাত একজন মানুষ, সোভিয়েত দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যু-দ্ধ করা এক সাবেক গে-রি-লা কমান্ডার, যিনি পরে আফগানিস্তানে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ছড়িয়ে দেওয়া নৈ-রাজ্য, লুট-পাট ও স-ন্ত্রা-সে বিরক্ত ও হতাশ হয়ে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছিলেন। তিনি তখন একজন তালিব বা ধর্মীয় ছাত্র হিসেবে একটি কাদামাটির দেয়ালঘেরা মাদ্রাসায় জীবন কাটাচ্ছিলেন, যেখানে দিনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হতো কোরআন শিক্ষা ও হিফয করায়।

কিন্তু সেই দুই মেয়ের অসহায় আর্তনাদ তাকে নীরব থাকতে দেয়নি। তিনি ৩০ জন সাবেক গেরিলা যোদ্ধাকে একত্র করলেন। সবার কাছে মিলিয়ে ছিল মাত্র ১৬টি কালাশনিকভ রাইফেল। সেই সামান্য অস্ত্র নিয়েই তিনি ঐ চেকপোস্টে আ-ক্র-মণ চালান, মেয়ে দুটিকে উদ্ধার করেন এবং চেকপোস্ট কমান্ডারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে একটি পুরোনো সোভিয়েত ট্যাংকের কামানের নলের সঙ্গে বেঁধে দেন। চারপাশে তখন “আল্লাহু আকবার” ধ্বনি উঠছিল। মোল্লা ওমর নির্দেশ দেন ট্যাংকের কামানের নল ওপরে তুলতে, যেন ঝু-ল-ন্ত দেহটি হয়ে ওঠে অন্যায় ও বর্বরতার বিরুদ্ধে এক ভয়ংকর সতর্কবার্তা।

সিঙ্গেসারের সেই ঘটনা আজ আফগান লোককাহিনির অংশ হয়ে গেছে। অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার মাত্র আড়াই বছরের মধ্যেই মোল্লা ওমর আফগানিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চলের সর্বময় শাসকে পরিণত হন। ডান চোখ হারানো, ভারী গড়নের এই ৩৮ বছর বয়সী নেতাকে তার অনুসারীরা “আমিরুল মুমিনিন” নামে সম্বোধন করত।

তিনি তা-লি-বান নামের এক ইসলামি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। যা অল্পসময়ের মধ্যেই ১৯৯৬ সালে দখল করে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মসনদ।- কপিড
🔥1955
জিলহজ্জ এর তৃতীয় দিন শেষ হলো। এবং আজ জুমুয়ার রাত,

আগামীকাল একটা বিশেষ দিন আমাদের সামনে। ইন শা আল্লাহ। জুমার দিন ও জিলহজ্জের দিন।

প্রস্তুতি নিই, আগামীকালের কাজ কমিয়ে সারাদিন দুরুদ ও যিকির ও যতটুক নেক আমল করা যায় ইন শা আল্লাহ খুব চেষ্টা করব।
44💔1
দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে। জিলহজ্জ এর উত্তম দিনও। তাই বেশি বেশি দুআ করি...
38
ধৈর্যের অনন্য দৃষ্টান্ত | Deen Daily
ধৈর্যের অনন্য দৃষ্টান্ত Deen Daily @islamicpodcastBN
আপনার জন্য আল্লাহ তা’আলার সুন্দর পরিকল্পনা রয়েছে | Deen Daily
আপনার জন্য আল্লাহ তা’আলার সুন্দর পরিকল্পনা রয়েছে Deen Daily @islamicpodcastBN
আল্লাহ আমাদের ডাকে সাড়া দেন না কেন? | এর কারন কি? | আমরা তো সর্বদাই…
আল্লাহ আমাদের ডাকে সাড়া দেন না কেন এর কারন কি আমরা তো সর্বদাই আল্লাহকে ডাকি! Islam and Life @islamicpodcastBN
তাওবা মানে কি? কখন আল্লাহ মানুষের তাওবা কবুল করেন না? কুরআন ও হাদীসের…
তাওবা মানে কি কখন আল্লাহ মানুষের তাওবা কবুল করেন না @islamicpodcastBN
সূরা ফাতিহা - আমরা যা শিখিনি | Deen Daily
সূরা ফাতিহা - আমরা যা শিখিনি @islamicpodcastBN
9
আল কুরআন: আল-বাকারাহ্ ২:২৮

Surah Baqarah ২:২৪

فَإِن لَّمۡ تَفۡعَلُواْ وَلَن تَفۡعَلُواْ فَٱتَّقُواْ ٱلنَّارَ ٱلَّتِي وَقُودُهَا ٱلنَّاسُ وَٱلۡحِجَارَةُۖ أُعِدَّتۡ لِلۡكَٰفِرِينَ

অর্থ : অতএব, যদি তোমরা তা করতে না পারো আর কখনই তা করতে পারবে না [১], তাহলে তোমরা সে আগুন থেকে বাঁচার ব্যবস্থা করো, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর [২], যা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে [৩] কাফেরদের জন্য।

[১] এটা কুরআনের বিশেষ মু'জিযা। একমাত্র কুরআনই নিঃসংকোচে সৰ্বকালের জন্য নিজ স্বীকৃত সত্তার এভাবে ঘোষণা দিতে পারে। যেভাবে রাসূলের যুগে কেউ এ কুরআনের মত আনতে পারে নি। তেমনি কুরআন এ ঘোষণাও নিঃশঙ্ক ও নিঃসংকোচে দিতে পেরেছে যে, যুগের পর যুগের জন্য, কালের পর কালের জন্য এই চ্যলেঞ্জ ছুড়ে দেয়া হচ্ছে যে, এ কুরআনের মত কোনো কিতাব কেউ কোনো দিন আনতে পারবে না। অনুরূপই ঘটেছে এবং ঘটে চলেছে। রাসূলের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত কেউ এ কুরআনের মত কিছু আনার দুঃসাহস দেখাতে পারে নি। আর কোনোদিন পারবেও না। গোটা বিশ্বের যিনি সৃষ্টিকর্তা তাঁর কথার সমকক্ষ কোনো কথা কি কোন সৃষ্টির পক্ষে আনা সম্ভব?

[২] ইবন কাসীর বলেন, এখানে ‘পাথর’ দ্বারা কালো গন্ধক পাথর বোঝানো হয়েছে। গন্ধক দিয়ে আগুন জ্বালালে তার তাপ ভীষণ ও স্থায়ী হয়। আসমান যমীন সৃষ্টির সময়ই আল্লাহ্ তা'আলা কাফিরদের জন্য তা সৃষ্টি করে প্রথম আসমানে রেখে দিয়েছেন। কোনো কোনো মুফাসসির বলেন, এখানে ঐ সমস্ত পাথর উদ্দেশ্য, যেগুলোর ইবাদাত করা হয়েছে। [ইবন কাসীর] আর জাহান্নামের আগুন সম্পর্কে হাদীসে এসেছে, “তোমাদের এ আগুন জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের এক ভাগ। সাহাবায়ে কিরাম বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এ এক ভাগ দিয়ে শাস্তি দিলেই তো যথেষ্ট হতো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জাহান্নামের আগুন তোমাদের আগুনের তুলনায় উনসত্তর গুণ বেশী উত্তপ্ত।" [বুখারী ৩২৬৫, মুসলিম ২৪৮৩]

[৩] এ আয়াতাংশের ব্যাখ্যা হচ্ছে, জাহান্নাম কাফেরদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখানে (اعِدَّ) এর সর্বনামটির ইঙ্গিত সুস্পষ্টতই মানুষ ও পাথর দ্বারা প্রজ্জ্বলিত জাহান্নামের দিকে। অবশ্য এ সর্বনামটি পাথরের ক্ষেত্রেও হতে পারে। তখন অর্থ দাঁড়ায়, পাথরগুলো কাফিরদের শাস্তি প্রদানের জন্য তৈরী করে রাখা হয়েছে। ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ তাফসীর বর্ণিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে উভয় অর্থের মধ্যে বড় ধরনের কোনো তফাৎ নেই। একটি অপরটির পরিপূরক ও পরস্পর অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আগুন বিহীন যেমন পাথর জ্বলে না, তেমনি পাথর বিহীন আগুনের দাহ্য ক্ষমতাও বাড়ে না। সুতরাং উভয় উপাদানই কাফেরদের কঠোর শাস্তি দেয়ার জন্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আয়াতের এ অংশ দ্বারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের ইমামগণ দলীল নেন যে, জাহান্নাম বর্তমানে তৈরী করা অবস্থায় আছে। জাহান্নাম যে বাস্তবিকই বর্তমানে রয়েছে তার প্রমাণ অনেক হাদীস দ্বারা পাওয়া যায়। যেমন, জাহান্নাম ও জান্নাতের বিবাদের বর্ণনা সংক্রান্ত হাদীস। [বুখারী ৪৮৪৯, মুসলিম: ২৮৪৬]

জাহান্নামের প্রার্থনা মোতাবেক তাকে বছরে শীত ও গ্রীষ্মে দুই বার শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের অনুমতি প্রদানের বর্ণনা [বুখারী ৫৩৭, মুসলিম ৬৩৭]

ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এক হাদীসে আছে, “আমরা একটি বিকট শব্দ শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তার কারণ জানতে চাওয়ায় তিনি বললেন, এটা সত্তর বছর পূর্বে জাহান্নামের উদ্দেশ্যে নিক্ষিপ্ত পাথর জাহান্নামে পতিত হওয়ার আওয়ায।" [মুসলিম ২৮৪৪, মুসনাদে আহমাদ ২/৪৭১] তাছাড়া সূর্যগ্রহণের সালাত এবং মিরাজের রাত্রির ঘটনাবলীও প্রমাণ করে যে, জান্নাত ও জাহান্নাম উভয়টিই তৈরী করে রাখা হয়েছে। [ইবন কাসীর]

 -Tafsir Abu Bakr Zakaria

সব গুলো পর্ব সিরিয়ালে @ayatannur এ পাবেন।
5
শয়তান মানুষের বড় চালাক দুশমন। শয়তানের চক্রান্তের কোনো শেষ নেই। একবার সে চেষ্টা করে মানুষকে তাওবা থেকে দূরে রাখতে, আবার চেষ্টা করে তাওবার প্রতি অতি-ভরসার মাধ্যমে তাকে গোমরাহ করতে যে, গোনাহ করতে থাকো, চিন্তা কী, আল্লাহ তো তাওবা কবুলকারী, তাওবা করলেই মাফ করে দেবেন।

ফলে যে গায়রে মাহরামের সাথে কথা বলে, দেখা করে, বন্ধু ভাবে। সে এটা ভেবে নিজেকে অন্যদের চেয়ে ভাল মনে করে যে, অন্যদের মত সে প্রেম তো আর করছে না।

যে মেয়েটা প্রেম করে। সে এটা ভেবে নিজেকে অন্যদের থেকে ভাল ভাবে যে, প্রেম করলেও অন্যদের মত যিনা তো করেনি!

যে যিনা করে অভ্যস্ত। সে এটা ভেবে অন্যদের চেয়ে নিজেকে ভাল ভাবে যে, এবরশনের মত জঘন্য কাজ তো আর তাকে দিয়ে হয়নি!

এসবই শয়তানের কৌশল। শয়তান অতি সুক্ষ্মভাবে এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে। সে একদিকে মানুষকে তাওবা থেকে দূরে রাখে। অপরদিকে তাওবার ভরসায় গোনাহের প্রতি পথ দেখায়।

আবার অপরদিকে যে গোনাহগার তার চিন্তার সামনে তারচেয়েও ভয়ঙ্কর গোনাহে লিপ্ত কোনো বক্তিকে নিয়ে আসে, ফলে সে নিজেকে ওর চেয়ে ভাল মনে করে প্রফুল্ল হয় এবং তাওবার চিন্তা থেকে দূরে সরে যায়।

হাসান বসরী রহ. উক্ত মানসিকতাকে মুনাফিকের মানসিকতার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন
وَالْمُنَافِقُ يَقُولُ: سَوَادُ النَّاسِ كَثِيرٌ وَسَيُغْفَرُ لِي، وَلَا بَأْسَ عَلَيَّ، يَسِيئُ فِي الْعَمَلِ وَيَتَمَنَّى عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ
মুনাফিক দ্বিধাহীন কণ্ঠে বলে বেড়ায়, আমার মত বহু লোক আছে। তারা ক্ষমা পেলে আমিও পেয়ে যাব। এত চিন্তা কিসের! এই মানসিকতার কারণে সে গুনাহ করে বেড়ায় আর আল্লাহর প্রতি অর্থহীন আশা মনের মাঝে লালন করে। [ইবনু আবিদ্দুনয়া, আযযুহদ : ১৯৬]
-খুতুবাত
18
বিসমিল্লাহ
জিলহজের নয় তারিখে করণীয় আমাল
ইফতার থেকে ইফতার পযন্ত
--------
আরবি তারিখ শুরু হয় সূর্যাস্ত থেকে। আট তারিখ ইফতারির সময় থেকে নয় তারিখের ফজিলত শুরু হয়ে যায়।
১. অত্যন্ত গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে ওজু করব। হাম্মাম (ওয়াশরূম)-এর দোয়া, সুন্নত, আদাব আদায় করব। ৮ তারিখে মাগরিবের আগে গুরুত্বের সাথে দোয়া করব। ইফতারির সময় দোয়া কবুল হয়। রোজাদার হলে সুন্নত মনে করে ইফতার করব। ইফতারিতে আগে বেজোড় খেজুর খাবো, তারপর তিনচুমুকে পানি-শরবত পান কর। দোয়া পড়ব।
২. দ্রুত মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে মাগরিব আদায় করব। মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুন্নত আদায় করব। দুই রাকাত সুন্নত ও নফল আদায় করব। সলাতপরবর্তী মাসনুন দোয়া-জিকির মহব্বতের সাথে আদায় করব।
৩. প্রতিটি ক্ষেত্রের দোয়া, জিকির, সুন্নত, আদাবগুলো গুরুত্ব ও মহব্বতের সাথে আদায় করব। কথাবার্তা, কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার-তাওবা, দুরুদ শরিফ, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম পড়ব। বেশি বেশি তাকবীরে তাশরীক বলব।
৪. জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখ ফজর থেকে নিয়ে তের যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রত্যেক ফরয নামাযের পর নারী-পুরুষ সকলের জন্য একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। তাকবীরে তাশরীক হল-
اللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، لَا إِلهَ إِلّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، وَلِلهِ الْحَمْدُ.
৫. আগে আগে মসজিদে যাওয়ার চেষ্টা করব। ওজুর পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল ওজু আদায় করব, মসজিদে প্রবেশের পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল মসজিদ আদায় করব।
৬. ফরজ নামাজের আগে ও পরের সুন্নতগুলো গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে আদায় করব। ফরজ নামাদের আগের সুন্নতের নিয়তের সাথে মিলিয়ে তাহিয়াতুল ওজু ও তাহিয়াতুল মসজিদের নিয়তও করতে পারব।
৬. আজান ও ইকামতের জবাব দিব। আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া কবুল হয়। এই সময় বেশি বেশি দোয়া করব। পাঁচওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করব।
৭. ইশার পর যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে পড়ব। শোয়ার আগে ওজু করে নিব। তাহাজ্জুদের নিয়তে কমপক্ষে দুই রাকাত নামাজ আদায় করব। শোয়ার সময় মাসনুন দোয়া-জিকির, সুন্নত-আদাবগুলো আদায় করব।
৮. বিতির নামাজ ভোররাতে তাহাজ্জুদের পর পড়ার চেষ্টা করব। গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে তাহাজ্জুদ আদায় করব। সম্ভব হলে ৮ রাকাত আদায় করব। তাহাজ্জুদের সুর করে দীর্ঘ কেরাত পড়ার চেষ্টা করব। মুনাজাতে চোখের পানি আনার আপ্রাণ চেষ্টা করব। তাহাজ্জুদের সুন্নত, আদাব, দোয়া-জিকিরগুলো আদায় করার চেষ্টা করব। সুন্নত মনে করে সাহরি খাবো। সাহরিতে নিত্যদিনের খাবারের সাথে খেজুর খাওয়ার চেষ্টা করব।
৯. গুরুত্বের সাথে ঘুমমুক্ত থেকে জামাতের সাথে ফজর পড়ার চেষ্টা করব। ফজরের পর ইশরাক পর্যন্ত জায়নামাজে থাকব। ইশরাক ও চাশতের নামাজ আদায় করব। উভয় নামাজ চার রাকাত করে পড়ার চেষ্টা করব। সকাল ও সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো মহব্বত ও গুরুত্বের সাথে আদায় করব।
৮. সারাদিন যতবেশি সম্ভব কুরআন তিলাওয়াত করব। অন্তত কয়েকটা আয়াত অর্থ ও তাফসীরসহ পড়ার চেষ্টা করব। কয়েকটা হাদীস অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ পড়ার চেষ্টা করব।
৯. সাধ্যমতো দান-খয়রাত করার চেষ্টা করব। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার চেষ্টা করব। মা-বাবার জন্য দোয়া করব। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করার চেষ্টা করব।
১০. কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ থাকলে, শুধরে নেয়ার চেষ্টা করব। কয়েকজনকে ভালো কাজের দাওয়াত দিব। ইফতারের আগে দোয়া করব। সময়মতো ইফতার করব। রোজাদারকে ইফতার করনোর চেষ্টা করব। হাজি সাহেবগণ জিলহজের ৯ তারিখে রোজা না রাখা সুন্নত। হাজি সাহেবগণ জিলহজের নয় তারিখে যতবেশি সময় দোয়া-মুনাজাতে সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন। অন্যরা বারবার তাওবা-ইস্তেগফার করব। দুরুদ শরীফ পাঠ করব।
রাব্বে কারীম আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন।
রাব্বে কারীম আমাদের কাজে ইখলাস দান করুন।
রাব্বে কারীম আমাদের কাজকে রিয়ামুক্ত করে দিন।

ওয়াফফাকানাল্লাহ
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান
রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম

- শায়খ আতিকুল্লাহ
22
কদরের রাতে জিবরীল আ. নামেন দুনিয়ায়। সাথে থাকে ফেরেশতার বহর। আর আরাফার দিনে স্বয়ং রাব্বুল আলামিন প্রথম আসমানে 'নাযিল' হন। আর বান্দার সবচেয়ে অধিক নিকটবর্তী হয়ে যান।

🌸তাঁর মহান শান অনুযায়ী যেভাবে হওয়ার কথা, সেভাবেই নাযিল হন ও নিকটবর্তী হন।
(সহিহ ইবনু হিব্বান: ৩৮৫৩)

🌸এই দিন আল্লাহ ফেরেশতাদের নিয়ে গর্ব করেন ও জিজ্ঞেস করেন, আমার বান্দারা কী চায়?

🌸এই দিন আল্লাহ অধিকহারে মানুষদের ক্ষমা করেন।

🌸অধিকহারে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।
(সহীহ মুসলিম: ১৩৪৮)

🌸শয়তান এগুলো দেখে সবচেয়ে বেশী ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়। (মুয়াত্তা মালিক: ৯৪৪)

করণীয় :

🌸এইদিন রোযা রাখুন।

🌸অধিকহারে তাওবা ও ইস্তেগফার করুন।

🌸অন্যান্য যিকির আযকার বেশি বেশি পড়ুন।

🌸নিজের সকল প্রয়োজন আল্লাহর নিকট বলুন।

🌸এই দুয়াটি রাসুল ﷺ আরাফা দিবসে পড়তেন:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর’ (সুনানে তিরমিজি: ৩৫৮৫)

🍀আরাফা দিবস কোনদিন?

🍀সৌদি না বাংলাদেশ এই বিতর্কে জড়াবেন না।
যার যার দেশে ৯ জিলহজ, ঈদের আগের দিন আরাফা দিবস। নিঃসন্দেহে আমল করুন।

🍀তবে সৌদির আরাফা দিবসে বাংলাদেশে রোযা রাখা ও ইবাদাতে মশগুল থাকা দোষনীয় নয়, বরং প্রশংসনীয়। এই দশদিন সকল ইবাদত আল্লাহর নিকট অতি প্রিয়।

আল্লাহ তায়ালা আমলের তাওফিক। আমিন।

- আমলি_টিপস
34
Forwarded from Happy Pictures!
“May Allah invite us to His house.”
38🥰2
Forwarded from Baseera
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আরাফাতের দিনের শ্রেষ্ঠ দোয়া, ফজিলত ও আমল Day of Arafah

জাবের রা. থেকে বর্ণিত আরেক বর্ণনায় রয়েছে, ‘আল্লাহ তায়ালা নিকটতম আসমানে আসেন এবং পৃথিবীবাসীকে নিয়ে আসামানের অধিবাসী অর্থাৎ ফিরিশতাদের সাথে গর্ব করেন। বলেন, দেখ তোমরা- আমার বান্দারা উস্কোখুস্কো চুলে, ধুলোয় মলিন বদনে, রোদে পুড়ে দূর-দূরান্ত থেকে এখানে সমবেত হয়েছে। তারা আমার রহমতের প্রত্যাশী। অথচ তারা আমার আজাব দেখেনি। ফলে আরাফার দিনের মত আর কোনো দিন এত অধিক পরিমাণে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় না।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৩৮৫৩)
এ দিন রাসূল সা. একটি দোয়া বেশি বেশি পড়তেন। দোয়াটি সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, রাসূল সা. বলেছেন, উত্তম দোয়া হল আরাফা দিবসের দোয়া, এবং আমি ও আমার পূর্ববর্তী নবীগণের সর্বোত্তম কথা হল—

لَا إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ اْلَحمْدُ وَهَوُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

উচ্চারণ : লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-লারিকালাহু, লাহুল মুলকু,ওয়ালাহুল-হামদু, ওয়াহুয়া আলা-কুল্লি শাইয়িং কাদির।

@BaseeraUnofficial
15
মাঝেমধ্যে কিছু শাইখদের এমন আলোচনা শুনি, পুরো জীবনটা এলোমেলো মনে হয়। ভাবি, করছিটা কী আসলে?
.
​আজকের শোনা একটি ছোট্ট বয়ান ঠিক তেমনই । শাইখ মা - হমু- দ হাসানাত বলেন -
.
​"জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। ​এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের!
.
​অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন!
.
এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!'
.
​মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে!
.
আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?"
.
একটু নিজেকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে ঈমান ও আমলের সাথে কাটানোর তাওফিক দিন। - ইয়াসীন ভাই এর ওয়াল থেকে
32💔64😢2❤‍🔥1
কুরবানির পশুর বিশেষ যত্ন নিব ইন শা আল্লাহ।

নিয়ে আসার সময় থেকে যেন যথেষ্ট সময় রেস্ট করতে পারে, খাবারের বিষয়াদি, থাকার জায়গা পরিষ্কার করা আর

পরিশেষে কুরবানীর সময় ছুরি ধারালো করে নেয়া, পশুর চোখের আড়ালে জবাইয়ের ছুরি ধার করা, জবাই এর পর সময় নিয়ে রক্ত প্রবাহিত হতে দেয়া, এবং মৃত্যু নিশ্চিত এর পর চামড়া ছাড়ানোর কাজ করা, এবং মৃত্যু তরান্বিত করার জন্য খোচাখুচি না করা।

এখানে বলা প্রতিটা নির্দেশ ইসলাম সর্মথিত, সময় সল্পতায় রেফারেন্স দিতে পারছি না। সামনের ইদে, আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে আরো বিস্তারিত দিব ইন শা আল্লাহ।
36
কেউ মাংস চাইতে আসলে দূর্ব্যবহার করব না। এমনকি সে সীমা অতিক্রম করলেও সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ধরে পরিস্থিতি সামলে নিব। এমনকি যদি এ ব্যাপারে নিশ্চিত ও থাকি যে সে এই মাংসের সৎ ব্যবহার করবে না (যেমন বিক্রি করে দেয়া) তবু ও খারাপ ব্যবহার করব না।

আর প্রতিবেশী যদি কুরবানি না দেয়, অবশ্যই অবশ্যই খোজ নিয়ে সার্মথ্যের মধ্যে যতটুক সম্ভব মাংস পৌছে দিব ইন শা আল্লাহ।

আল্লাহ যতটুক রিজিক রেখেছেন তার এক বালি পরিমাণ বেশিও আমার পেটে যাবে না। তাই আল্লাহর দেয়া সার্মথ্যে দিয়ে কারো উপর জুলুম করব না ইন শা আল্লাহ। আর উম্মাহর পরিস্থিতি স্মরণ করিয়ে নিজেদের সবর অটুট রাখব ইন শা আল্লাহ
49🔥6🥰1
Forwarded from Mufti Arif Bin Habib
তাদেরকে একটু মনে রাইখেন.......

১.লজ্জায় অভাব প্রকাশ করে না।
আজকে "ফরমালিন মুক্ত স্বচ্ছ" কিছু হাসিমাখা মুখ দেখেছেন বা দেখবেন, বুঝতেও পারবেন না যে মানুষ টি আজ গোশত খায়নি, এ নিয়ে তাদের কোন অভিযোগ নেই। তাদের হাসি দেখে কখনোই বুঝার উপায় নেই যে তারা ভেতরে কতটা কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছে।
মুখে হাসি, কথায় স্বাভাবিকতা,কিন্তু বুকের ভিতর লুকিয়ে থাকে শত অভাব, শত না-পাওয়ার বেদনা।
তবুও তাদের কোনো অভিযোগ নেই, নেই মানুষের কাছে হাত পাতার অভ্যাস।
নীরবে কষ্ট সহ্য করে তারা আল্লাহর উপর ভরসা করে দিন পার করে দেয়।
তাদের ব্যাপারেই মহান রব বলেছেন,
অতঃপর তোমরা তা থেকে খাও এবং ধৈর্যশীল অভাবগ্রস্ত(লজ্জায় অভাব প্রকাশ করে না)কে খাওয়াও।
সূরা আল-হজ্জ : ৩৬

২.গোশতের ঝোল।
গোশতের ঝোলের গন্ধ হয়তো আপনার পাশের কোনো দরিদ্র ঘরের শিশু নীরবে অনুভব করছে। তার ছোট্ট চোখ দু’টি হয়তো অপেক্ষায় আছে, আজ কি আমাদের ঘরেও একটু গোশতের ঝোল আসবে?

হযরত আবু যর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

তুমি যখন ঝোল রান্না করবে, তখন তাতে পানি বেশি দেবে এবং তোমার প্রতিবেশীদের খোঁজ রাখবে।
সহীহ মুসলিম-২৬২৫

নোট:
এই হাদীস শুধু রান্নার নিয়ম নয়, এটি মানবতার শিক্ষা।
ঝোলে একটু পানি বাড়িয়ে দিলে হয়তো একটি অসহায় পরিবারের হাঁড়িতেও ঈদের আনন্দ ফুটে উঠবে, মূলত দয়া, সহমর্মিতা ও সামাজিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির অসাধারণ সৌন্দর্য্য হাদীসে ফুটে উঠেছে।

৩.অস্বাভাবিক জীবন।
Palestine-এর অসংখ্য শিশু দিনের পর দিন না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের পাশে বসে থাকা ছোট্ট শিশুটি জানেই না "স্বাভাবিক জীবন" বলতে কী বোঝায়।
গোশতের টুকরা মুখে দিয়ে তাদের জন্য মন খুলে একটু দূ'আ কইরেন,আর তাদেরকে একটু ভাইবেন, কারণ তারা আমাদের দেহের অংশ।

৪. আমাদের অপরাধ কী ছিল?
Sudan-এর অসহায় শিশুদের করুণ চোখের নীরব আর্তনাদ দেখলে নিজেদের কে বড় অপরাধি মনে হয়।
শুকিয়ে যাওয়া মুখ, ক্লান্ত চোখ, হাড় বের হয়ে আসা ছোট্ট শরীর, তাদের নীরব চাহনি যেন পুরো মানবতাকে প্রশ্ন করে:
“আমাদের অপরাধ কী ছিল?

৫. আল্লাহ চাইলে একদিন আমরাও গোশত খাবো।
আপনার ঘরে যখন সুস্বাদু কুরবানীর গোশত্ রান্না হচ্ছে, তখন কোনো এক অসহায়/বিধবা মা তার সন্তানকে শুকনো ভাত খাইয়ে বলছে,
বাবা!
আল্লাহ চাইলে একদিন আমরাও গোশত খাবো।

৬.আসলে সাহস করে বলতে পারে না।
এতিম/অনাথ শিশু পাশের বাড়ির গোশত্ রান্নার গন্ধ পেয়ে চুপচাপ দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে, চোখ কথা বললেও মুখ কথা বলেনা, আসলে সাহস করে বলতে পারে না।

৭.একটুখানি গোশতের আশায়।
আপনাদের এলাকায় অদূরে অবস্থিত এক মহল্লার একজন বৃদ্ধ বাবা লজ্জায় কারও কাছে চাইতে পারে না, অথচ তার অন্তর কাঁদে একটুখানি গোশতের আশায়।

কুরবানীর আসল সৌন্দর্য এখানেই
যখন আপনার ভাগের মাংস কোনো ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটায়। ইসলাম শুধু কুরবানী দিতে বলেনি; বরং সমাজের দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের কথা স্মরণ রাখতে শিখিয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:

অতঃপর তোমরা তা থেকে খাও
এবং অভাবগ্রস্ত দরিদ্রকে খাওয়াও।
হজ্জ-২৮

- মুফতি আরিফ বিন হাবিব
@MuftiArifBinHabibDawah
21
দুআ কবুলের উত্তম সময় আসরের পর থেকে শুরু হবে ইন শা আল্লাহ। দুরুদ আর দুআর আমলে গাফিলতি না করি....
19
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যখন আপনার পরিবারের কেউ মারা যায়... @islamicvideo24hours
6