ক্ষমা করা একটা মহৎ গুণ। তবে সকল ক্ষেত্রে ক্ষমা করা উচিৎ নয়। এ প্রসঙ্গে শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন [রাহ.] সুন্দর কিছু কথা বলেছেন। তিনি বলেন-
.
"এটা জেনে রাখা উচিৎ যে, যে আপনার ক্ষতি করে তাকে ক্ষমা করে দেয়া সবসময় প্রসংশনীয় নয়। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকে ইসলাহ বা সংশোধনের সাথে সম্পর্কযুক্ত করে দিয়েছে। তিনি বলেন-
(فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّه)
.
'তবে যে ক্ষমা করে ও সংশোধন করে আল্লাহর কাছে তার পুরস্কার রয়েছে'[১]
.
কাজেই যদি মাফ ও ক্ষমা করার মাধ্যমে সংশোধন না হয় তাহলে ক্ষমা করবেন না এবং মাফ করবেন না।
.
এর একটা উদাহরণ হচ্ছে, যদি এমন কেউ আপনার ক্ষতি করে যে মন্দ ও অন্যায়কর্মের জন্য প্রসিদ্ধ, আর যদি আপনি তাকে ক্ষমা করে দেন তাহলে এটা কেবল তার অপকর্মকে বাড়িয়েই দেবে, তাহলে এই অবস্থায় তাকে ক্ষমা না করাই উত্তম; বরং সংশোধনের উদ্দেশ্যে তার কাছ থেকে স্বীয় হক আদায় করে নিন"[২]
.
.
[১) সূরা শুরা: ৪০
২) শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন (রাহ.), শারহু রিয়াদ্বিস সালিহীন: ১/১৮০; দারুল ওয়াতন, রিয়াদ, ১৪২৬ হি.]
.
"এটা জেনে রাখা উচিৎ যে, যে আপনার ক্ষতি করে তাকে ক্ষমা করে দেয়া সবসময় প্রসংশনীয় নয়। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকে ইসলাহ বা সংশোধনের সাথে সম্পর্কযুক্ত করে দিয়েছে। তিনি বলেন-
(فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّه)
.
'তবে যে ক্ষমা করে ও সংশোধন করে আল্লাহর কাছে তার পুরস্কার রয়েছে'[১]
.
কাজেই যদি মাফ ও ক্ষমা করার মাধ্যমে সংশোধন না হয় তাহলে ক্ষমা করবেন না এবং মাফ করবেন না।
.
এর একটা উদাহরণ হচ্ছে, যদি এমন কেউ আপনার ক্ষতি করে যে মন্দ ও অন্যায়কর্মের জন্য প্রসিদ্ধ, আর যদি আপনি তাকে ক্ষমা করে দেন তাহলে এটা কেবল তার অপকর্মকে বাড়িয়েই দেবে, তাহলে এই অবস্থায় তাকে ক্ষমা না করাই উত্তম; বরং সংশোধনের উদ্দেশ্যে তার কাছ থেকে স্বীয় হক আদায় করে নিন"[২]
.
.
[১) সূরা শুরা: ৪০
২) শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন (রাহ.), শারহু রিয়াদ্বিস সালিহীন: ১/১৮০; দারুল ওয়াতন, রিয়াদ, ১৪২৬ হি.]
❤30👍6😢3
🍀আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আমর ইব্নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ! আমি এ সংবাদ পেয়েছি যে, তুমি প্রতিদিন সওম পালন কর এবং সারা রাত সালাত আদায় করে থাকো। আমি বললাম, ঠিক (শুনেছেন) হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ এরূপ করবে না (বরং মাঝে মাঝে) সওম পালন করো আবার ছেড়েও দাও। (রাতে) সালাত আদায় কর আবার ঘুমাও। কেননা তোমার উপর তোমার শরীরের হাক্ব রয়েছে, তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমার মেহমানের হাক্ব আছে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৯৭৫
🍀‘অবশ্যই সেদিন (শেষ বিচারে) তোমাদেরকে নিয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।’ (সূরা আত-তাকাসুর-৮)
🌸আমরা অনেকেই আছি ঠিক মতো খাওয়াদাওয়া করি না,ঘুমাই না, মাঝে মাঝে ইসলামের দোহাই দিয়ে এগুলোকে জায়েজ করার চেষ্টা করি। না খেয়ে, না ঘুমিয়ে ইবাদত করার চেষ্টা করি। অথচ আল্লাহর দেয়া প্রতিটা নিয়ামতের যত্ন নিতে হবে,এগুলোর জন্য প্রশ্ন করা হবে।
🌸বয়স কম থাকাকালীন সময়ে আমাদের শরীরের উপর অসম্ভব রকম অত্যাচার করি। স্বাভাবিক ভাবে কম বয়স থাকার কারণে শরীরের কোনো সাইড ইফেক্ট দেখতে পাই না। কিন্তু বয়স যত বাড়বে শরীর প্রচন্ড দ্রুত নষ্ট হবে। খেয়াল করেই দেখুন না,আগের মানুষরা কত বয়স পর্যন্ত কত শক্ত সামর্থ্য ছিলো? আর আমরা ২৫/৩০ এ বুড়িয়ে যাচ্ছি।
🌸সার্মথ্য অনুযায়ী ঘুমোবো, খাব, সম্পর্কের যত্ন নিব। আল্লাহর দেয়া নিয়ামত গুলোর যত্ন নিব, হল আদায় করবো, আল্লাহ আমাদের জন্য সহজ করুক, আমীন।
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ! আমি এ সংবাদ পেয়েছি যে, তুমি প্রতিদিন সওম পালন কর এবং সারা রাত সালাত আদায় করে থাকো। আমি বললাম, ঠিক (শুনেছেন) হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ এরূপ করবে না (বরং মাঝে মাঝে) সওম পালন করো আবার ছেড়েও দাও। (রাতে) সালাত আদায় কর আবার ঘুমাও। কেননা তোমার উপর তোমার শরীরের হাক্ব রয়েছে, তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমার মেহমানের হাক্ব আছে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৯৭৫
🍀‘অবশ্যই সেদিন (শেষ বিচারে) তোমাদেরকে নিয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।’ (সূরা আত-তাকাসুর-৮)
🌸আমরা অনেকেই আছি ঠিক মতো খাওয়াদাওয়া করি না,ঘুমাই না, মাঝে মাঝে ইসলামের দোহাই দিয়ে এগুলোকে জায়েজ করার চেষ্টা করি। না খেয়ে, না ঘুমিয়ে ইবাদত করার চেষ্টা করি। অথচ আল্লাহর দেয়া প্রতিটা নিয়ামতের যত্ন নিতে হবে,এগুলোর জন্য প্রশ্ন করা হবে।
🌸বয়স কম থাকাকালীন সময়ে আমাদের শরীরের উপর অসম্ভব রকম অত্যাচার করি। স্বাভাবিক ভাবে কম বয়স থাকার কারণে শরীরের কোনো সাইড ইফেক্ট দেখতে পাই না। কিন্তু বয়স যত বাড়বে শরীর প্রচন্ড দ্রুত নষ্ট হবে। খেয়াল করেই দেখুন না,আগের মানুষরা কত বয়স পর্যন্ত কত শক্ত সামর্থ্য ছিলো? আর আমরা ২৫/৩০ এ বুড়িয়ে যাচ্ছি।
🌸সার্মথ্য অনুযায়ী ঘুমোবো, খাব, সম্পর্কের যত্ন নিব। আল্লাহর দেয়া নিয়ামত গুলোর যত্ন নিব, হল আদায় করবো, আল্লাহ আমাদের জন্য সহজ করুক, আমীন।
❤54👍4
আমরা যত দ্বীনদার হচ্ছি,
আমাদের মধ্যে চাকচিক্য ততই বাড়ছে!
অন্যদিকে নববী যুগে যারা যত দ্বীনদার হতো,
তাদের মধ্য থেকে চাকচিক্য ততই হারিয়ে যেত। জীবনে অনাড়ম্বতা চলে আসতো!
-সংগৃহীত
ILMAN Nafiya
আমাদের মধ্যে চাকচিক্য ততই বাড়ছে!
অন্যদিকে নববী যুগে যারা যত দ্বীনদার হতো,
তাদের মধ্য থেকে চাকচিক্য ততই হারিয়ে যেত। জীবনে অনাড়ম্বতা চলে আসতো!
-সংগৃহীত
ILMAN Nafiya
😢105❤12👍6😱1
দুনিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত শেষ হবে না, যতক্ষণ না মানুষের ওপর এমন সময় আসবে, যখন হত্যাকারী জানবে না, সে কেন হত্যা করছে এবং নিহত ব্যক্তিও জানবে না, তাকে কেন হত্যা করা হচ্ছে। প্রশ্ন করা হলো, তা কীভাবে সম্ভব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হারজ বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড। (অর্থাৎ ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার কারণেই এমনটি হবে।) আর হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামে যাবে।
সহিহ মুসলিমঃ ২৯০৮
সহিহ মুসলিমঃ ২৯০৮
😢42❤17👍5
🍀সুরা মু'মিনুন এর প্রথম ১০আয়াত বাংলা তরজমা সহ পড়ে দেখবেন সবাই:
সেখানে একজন মু'মিন এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করতে গিয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে--
❝যাহারা অসার ক্রিয়াকলাপ হইতে বিরত থাকে,
وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَۙ
🍀সূরা নম্বরঃ ২৩, আয়াত নম্বরঃ ৩
এখানে অসার ক্রিয়াকলাপ বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
এখানে শব্দ মূলেلغو শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর মানে এমন প্রত্যেকটি কথা ও কাজ যা অপ্রয়োজনীয়, অর্থহীন ও যাতে কোন ফল লাভও হয় না। যেসব কথায় বা কাজে কোন লাভ হয় না, যেগুলোর পরিণাম কল্যাণকর নয়, যেগুলোর আসলে কোন প্রয়োজন নেই, যেগুলোর উদ্দেশ্যও ভালো নয়-সেগুলোর সবই ‘বাজে’ কাজের অন্তর্ভুক্ত।
🍀তাই এ ধরনের এ কাজে সময় ব্যায় করবো না ইন শা আল্লাহ (ক্রেডিট: উম্মে খাওলা)
সেখানে একজন মু'মিন এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করতে গিয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে--
❝যাহারা অসার ক্রিয়াকলাপ হইতে বিরত থাকে,
وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَۙ
🍀সূরা নম্বরঃ ২৩, আয়াত নম্বরঃ ৩
এখানে অসার ক্রিয়াকলাপ বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
এখানে শব্দ মূলেلغو শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর মানে এমন প্রত্যেকটি কথা ও কাজ যা অপ্রয়োজনীয়, অর্থহীন ও যাতে কোন ফল লাভও হয় না। যেসব কথায় বা কাজে কোন লাভ হয় না, যেগুলোর পরিণাম কল্যাণকর নয়, যেগুলোর আসলে কোন প্রয়োজন নেই, যেগুলোর উদ্দেশ্যও ভালো নয়-সেগুলোর সবই ‘বাজে’ কাজের অন্তর্ভুক্ত।
🍀তাই এ ধরনের এ কাজে সময় ব্যায় করবো না ইন শা আল্লাহ (ক্রেডিট: উম্মে খাওলা)
❤58👍1
শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা কারবালার ঘটনার শোক প্রকাশের নামে প্রতি বৎসর আশুরার দিনে শোক, মাতম, তাজিয়া ইত্যাদি আয়োজন করে। এগুলো সবই ইসলাম বিরোধী কর্ম! আলী, ফাতিমা, হাসান, হুসাইন (রাঃ) সহ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর পরিবার বা আহলে বাইতকে মহব্বত করা আমাদের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের কষ্টে আমরা ব্যথিত এবং তাদের যারা কষ্ট দিয়েছে তাদের প্রতি আমাদের ঘৃণা অপরিসীম। পাশাপাশি সাহাবীগণের মর্যাদা ও ভালোবাসা কুরআন ও হাদীসের নির্দেশ অনুসারে আমাদের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজেই নবীবংশের ভালবাসার নামে শুধুমাত্র ধারণা বা ইতিহাসের ভিত্তিহীন কাহিনীর উপর নির্ভর করে সাহাবীগণ বা কোনো একজন সাহাবীর প্রতি বিরক্তি প্রকাশ ঈমানের জন্য ধ্বংসাত্মক!
খুুতবাতুল ইসলাম
- ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
খুুতবাতুল ইসলাম
- ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
❤77👍5
সব কষ্টের মানে এই নয় যে, আপনার গুনাহের শাস্তিই হচ্ছে। সব সুখের মানে এই নয় যে, আপনার নেক কাজের বদৌলতেই আল্লাহ দিয়েছেন।
.
আল্লাহ তো তাকেও সুখ দেন, যে সর্বদাই গুনাহ করে বেড়ায়।
আর সেও জীবনে কষ্টে পড়ে, যে সর্বদাই আল্লাহর হুকুমকে প্রাধান্য দেয়।
.
মূলতঃ সুখ আর কষ্ট আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষামাত্র। উভয় অবস্থাতেই মনকে প্রশান্ত রাখতে পারা হচ্ছে সে পরীক্ষায় সফলতা।
উস্তাযাহ ফারিন
.
আল্লাহ তো তাকেও সুখ দেন, যে সর্বদাই গুনাহ করে বেড়ায়।
আর সেও জীবনে কষ্টে পড়ে, যে সর্বদাই আল্লাহর হুকুমকে প্রাধান্য দেয়।
.
মূলতঃ সুখ আর কষ্ট আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষামাত্র। উভয় অবস্থাতেই মনকে প্রশান্ত রাখতে পারা হচ্ছে সে পরীক্ষায় সফলতা।
উস্তাযাহ ফারিন
❤107
আমরা অনেকে ভাবি।সুন্দর করে গুছিয়ে আল্লাহর কাছে চাইতে পারিনা বলে হয়তো আল্লাহ দুয়া কবুল করেন না।
এটা ভুল এবং বাজে চিন্তা!
আপনি হয়তো অন্যদের মত খুব সুন্দর করে গুছিয়ে হৃদয়ে কথন গুলো মোনাজাতে বলতে পারেন না।রবের কাছে আপনার ব্যথিত বাক্যে কারসাজি সুন্দর পরিপাটি ভাবে হয় না।আপনি হয়তো অন্যেদের মত কাব্য কবিতা শব্দের ছন্দের মিলন রেখে বলতে পারেন না।
কিন্তু আপনার রব আপনার না বলা সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত। তারপর ও তিনি চায় আপনি যেন বিনয়, সবর,সম্পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও সলাতের মাধ্যমে আপনার রবে কাছে চাইতে থাকেন। সকল না বলা কথা গুলো।কথা গুলো গুছানো হতে হবেনা।শুধু অনুতপ্ত আর বিগলিত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে নত হয়ে চাইতে থাকুন।
তিনি আপনার বাক্যের সৌন্দর্য দেখেন না।বরং দেখেন আপনি কতটা অনুশোচনা ও অনুতপ্ত হৃদয়ে চাচ্ছেন রবে কাছে।কতটা অশ্রুভারাক্রান্ত হৃদয়ে চাচ্ছেন।কতটা আল্লাহ কে ভয় ও ভালবেসে বলছেন।কতটা ঈমান ও তাকওয়া সাথে চাচ্ছেন।
আল্লাহ আমাদের সকল কে আমল করার তৌফিক দান করুক।
Ameen🤍
https://t.me/Muslimatundawahchennel
এটা ভুল এবং বাজে চিন্তা!
আপনি হয়তো অন্যদের মত খুব সুন্দর করে গুছিয়ে হৃদয়ে কথন গুলো মোনাজাতে বলতে পারেন না।রবের কাছে আপনার ব্যথিত বাক্যে কারসাজি সুন্দর পরিপাটি ভাবে হয় না।আপনি হয়তো অন্যেদের মত কাব্য কবিতা শব্দের ছন্দের মিলন রেখে বলতে পারেন না।
কিন্তু আপনার রব আপনার না বলা সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত। তারপর ও তিনি চায় আপনি যেন বিনয়, সবর,সম্পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও সলাতের মাধ্যমে আপনার রবে কাছে চাইতে থাকেন। সকল না বলা কথা গুলো।কথা গুলো গুছানো হতে হবেনা।শুধু অনুতপ্ত আর বিগলিত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে নত হয়ে চাইতে থাকুন।
তিনি আপনার বাক্যের সৌন্দর্য দেখেন না।বরং দেখেন আপনি কতটা অনুশোচনা ও অনুতপ্ত হৃদয়ে চাচ্ছেন রবে কাছে।কতটা অশ্রুভারাক্রান্ত হৃদয়ে চাচ্ছেন।কতটা আল্লাহ কে ভয় ও ভালবেসে বলছেন।কতটা ঈমান ও তাকওয়া সাথে চাচ্ছেন।
আল্লাহ আমাদের সকল কে আমল করার তৌফিক দান করুক।
Ameen🤍
https://t.me/Muslimatundawahchennel
❤85👍4